নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালো কিছু চিন্তা করো আর ভালো না লাগলে বইয়ের পাতায় নিজেকে ডুবিয়ে দাও। অনেক কষ্টে নিজেকে শান্ত রাখার পথ তুমি নিজেই খুজে নেও।

জহির আসাদ

জহির আসাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

”ছোট্ট একটা প্রেমের পরিণতি-২”

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৬



২০১১ সাল সেপ্টেম্বর ২৩ একে অপরের দিকে নির্দিষ্ট জায়গায় এগিয়ে চলল। আজ দীর্ঘ্য তিন বছর পর দেখা হবে যার ছদ্য পরিচয়ের পর সরাসরি দেখা হবে। (আসলে কিন্তু দেখা যাবে দীর্ঘ্য সাত বছরের পর।)
যাইহোক দেখা যখন একে অপরের দিকে এগিয়ে গেল কিছু দুর থেকে ছেলেটা লক্ষ্য করলো তার পরিচিত জন একজন তার দিকে তাদের নির্ধারিত স্থানের দিকে আসছে তো থমকে গেলো। মনে মনে বলল এ এখানে কি করছে। যাহ! এখন যদি দেখা হয়ে যায় তো কি বলবে একে? কি করতে এসেছে এখানে নিজের অদেখা প্রেমিকার সাথে দেখা করতে! এর আসল কারণ ওখানে লুকিয়ে যে এই মেয়েটি যার সংঙ্গে তার পুর্ব পরিচয় ছিলো এবং এর ফোন নাম্বারও আছে যাতে কালেভদ্রে কথাও হয়। তাই ছেলেটা কি করবে! ভাবতে ভাবেতে হঠাৎ দেখে সিগারেটওয়ালা একটা বেনসন এন্ড হেজেস সিগারেট কিনে ধুমপান করতে লাগলো। কারন ছেলেটা অত্যন্ত ভদ্র স্বভাবের ছিলো সে যে সিগারেট পান করতে পারে তা কেউ দেখিযে না দিলে বিশ্বাসই করবে না। অন্যদিকে তাকিয়ে সিগারেটে অগ্নিসংযোগ করে হাতে রাখে মাঝেমাঝে মুখের কাছে নেয় তবে মুখে পুড়ে না কারণ তার অভ্যাস নেই আবার অদেখা প্রেমিকার সাথে দেখা করবে। তারপর ঘার ঘুড়িয়ে পিছন দিকে তাকিয়ে দেখে পরিচিত সে তাদের নির্ধারিত জায়গায় এসেই দাড়িয়ে গেলো এবং এদিক ওদিক তাকাচ্ছে। ছেলেটা এবার ভাবে সামনে পরার আগে তার বান্ধবীকে ফোন করে সমস্যার কথা বলবে তাই ফোন করে এবং দুর্ভাগ্য না সৌভাগ্যক্রমে ঐ পরিচিত ব্যক্তিটির ফোনই বেজে উঠে ফোন রিসিভ করতেই শোনা গেলো মেয়েটির কথা এই তুমি কৈ? আমি তো এসে দাড়িয়ে আছি। তখন তো অবাক। কি হবে এখন! যাক এবার সত্যিই সিগারেটটা মখে পুড়ে সামনে গেল। এখানে ছেলেটার অবস্থা কিংকর্তব্যবিমুড়। একদিকে রাগ করবে না হাসবে না নিজেকে শাস্তি দিবে ভেবে পেলো না। ধীরো পায়ে এগিয়ে গেলো হাতে ছিলো ’শেষের কবিতার’ একটা কপি। সামনে গেলো তবে কোন কথা বললো না। মেয়েটা বললো কেমন আছো? ভালো। আচ্ছা আমাকে তোমার মনে আছে? আছে। তাহলে এভাবে রয়েছো কেনো? কিছুনা এমনিতেই। তোমার হাতে কি? একটা বই। কি বই? শেষের কবিতা। কারও জন্য কিনেছো না নিজের জন্য? পড়ার জন্য। ছেলেটার ভাব যেনো পালাতে পাড়লে বাঁচে। ঠিক তখনই ছেলেটার ফোন বাঁজে। ছেলেটা ফোন রিসিভ করে এব বন্ধুর ফোন ছিলো। হ্যাঁরে কি খবর? আছি একটু দুরে--কি! আচ্ছা আচ্ছা আমার আসতে একটু সময় লাগবে--- তাই!--- আচ্ছা আমি আধাঘন্টার মধ্যে আসছি-- হ্যাঁ হ্যাঁ বাই।
ফোন রেখে ছেলেটা বলল আমি অত্যন্ত দুঃখিত আমার একবন্ধুর বাবার হার্ট এ্যাটাক হয়েছে আমাকে যেতে হবে আপনি কি আমার সংগে যেতে পারবেন তা না হলে আমরা অন্য দিন মিট করি? আচ্ছা তুমি না গেলে কি হয় না? আমরা আজই এতদিন দেখা করলাম। না না দুঃখিত যেতেই হবে। আচ্ছা তাহলে তুমি যাও। আচ্ছা বাই। ফোনে কথা হবে। তারাতারি একটা রিক্সা ডেকে উছে পরলো। ----------

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৩১

সনেট কবি বলেছেন: কিছুটা পড়লাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.