| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ছেঃ আচ্ছা শোন!
মেঃ হুম শুনছি।
- তোমাকে আমি কত দিন যাবৎ দেখছি তুমি কি তা বলতে পারো?
- কত দিন? কেন?
- আহা বলোইনা
- যানি না
- আসলে তুমি কখনোই আমাকে ওতটা গুরত্ব দেওনি কখনও তাইনা?
- যাহ কি বলছো
- হ্যা সত্যি
- তুমি যানো তোমার কথা কত সময় কত সেকেন্ড ধরে আমি ভাবি?
- হুম!
- এই?যাহ আজ আবার ঘুমিয়ে পরেছে।
জীবনটা কেনো এভাবে আমাকে জালাচ্ছে? আমি কি কারো কোন প্রতিক্ষার পাত্র কখনও হতে পারিনা। আমার মাঝে কিসের এত কমতি! আমি কেনো পারিনা অন্যের মতো হতে? বুকটা চিরে শুধু দির্ঘ্যশ্বাস ছাড়া আর কিছুই কি আমার সম্ভল নেই। যাক বিধাতা আমাকে যা দিয়েছে তার কোনো না কোন দিক তো ভালো আছে এটাই এখন আমার একমাত্র সান্তনা। পাশ ফিরে দেখে মেয়েটা তার পাশে কি সুন্দর একই ধীর ছন্দপতনে শ্বাস ফেলছে আর বেলী ফুলের সাদা পাপড়ির মত সুন্দর মুখখানার দিকে চেয়ে থাকতেই যেনো ইচ্ছে হয়। কিযেন আছে ওখনে। মাঝে মাঝে মেয়েটার এই অবজ্ঞাভাব ছেলেটাকে রাগিয়ে দেয় ভাবে না সেও অবজ্ঞা করবে কিন্ত এই সুন্দর মুখে কি যাদু আছে কখনে্াই আজ পর্যন্ত এই মেয়েটাকে অবজ্ঞা করতে পারেনাই। একটা চাপা দির্ঘ্যশ্বাস ছেড়ে মেয়েটার কপালে আলতো করে ঠোঁট ছোয়ায়। মেয়েটা একটু উম্ করে উঠে ছেলেটার বুকে মাথা তুলে দেয় কিন্তু তার ঘুমের রেশ ওখানে থাকে সেই ধীর ছন্দপতন।
- এই ওঠো! ওঠোনা কত বেলা ওবদি ঘুমাবে? অফিসে যেতে হবেযে।
- উম্ উঠছিতো কেনো সকালে প্রতিদিন ঘুম ভাঙ্গাও। আমি কি তোমার কখনও ঘুম ভাঙ্গিয়ে দেই।
- আচ্ছ দেও না তো রাতে---
- কি রাতে কি?
- কিচ্ছুনা ওঠো এখন
- না বলো রাতে কি?
- বলছিতো কিচ্ছুনা।
বলে মেয়েটা উঠতে যায় ওমনি ছিলেটা খপ করে মেয়েটার হাত ধরে হ্যাঁচকা টান মারে যাতে মেয়েটা ভার সামলাতে না পেরে ছেলেটার শরীরের উপর পরে।
- আচ্ছা বলোতো কাল রাতে আমি কি তোমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম?
- কখন!
- তুমি তো সাড়া দিতে না দিতেই ঘুমিয়ে একদম কাঁদা।
- কি আমি কাঁদার মতো ঘুমাই?
- হুম
- যাও শুনেছি আমি তুমি কি বলেছো
- আচ্ছা! তো বলো কি জিজ্ঞাসা করেছিলাম?
- জানিনা আর বলবোনা। আর এখন ছাড়ো আমায় তুমি তারাতাড়ি ওঠো।
- ওকে বলেই মেয়েটার কপালে আলতো করে একটা চুমু দেয়।
** আজ একুশ দিন হলো ছেলেটার অনেক অসুস্ততা। কি হয়েছে কেউ ভালো করে বলতে পারছেনা। হাসপাতালের বেডে নিশ্চুপ শুয়ে আছে মাঝে মাঝে মেয়েটা কিছু খাইয়ে দিচ্ছে তো মন চাইলে হা করছে তো কখনও করছেনা এর মানে খাওয়ার মন নেই। ডাক্তার আসছে চেকআপ করছে মেয়েটা আজ অনেক কথা বলছে যত কথা ছেলেটা একুশদিন আগ পর্যন্ত পুরো আড়াই বছরে বলেছে তার চেয়ে অনেক বেশি কথা মেয়েটা একুশ দিনে বলেছে আর মাঝে মাঝে হয়ত চোখের পানেতে ভেসেছে নিরবে কেঁদেছে ছেলেটার হাতের উপর মাথা রেখে কিন্তু যাকে নিয়ে এতো আওজন সেই ছেলেটা কথা বলছেনা শুধু চেয়েই থাকে। মেয়েটা যখন একাকি বাসায় যায় তো ছেলেটার বালিশ ধরে অঝোরে কান্না করে। কিহয়েছে তার মানুষটার যে অজস্র কথা বলে তাকে ঘুম পাড়াতো স্বপ্নের ঘোরেও মেয়েটাকে কথা শোনাত। আর আজ একুশটা দিন তাকে একবারও কথা বলতে দেখেনি।
- আচ্ছা তুমি আর কোন কথা বলবেনা? তুমি তো আমাকে বাঁচিয়ে রাখতে তোমার কথা দিয়ে। তুমি জান তোমার কথাই আমাকে ঘুমিয়ে দিতো তোমার কথাই আমাকে জাগিয়ে দিতো। তোমার কথা আমার কানে সাড়াটা দিন বাজতো যখন তুমি অফিসে থাকতে।
- হুম!
মেয়েটা অবাক হয়ে তাকায় ছেলেটার দিকে। তুমি তুমি কথা বললে! আচ্ছা তুমি কতো দিন জিজ্ঞেস করেছো আমাকে তুমি কত সময় ধরে দেখছো আমি জানি তুমি আমাকে সব সময় তোমার আড়ালে রাখতে
- না
- কি না!
- উহু
- আমি জানি। তোমার এই কথাগুলো ভালো লাগে তাই আমি কখনও জবাব দিতামনা। যদি জবাব দিতাম তাহলে তুমি আর এই প্রশ্নগুলো আমাকে করতে না। (ছেলেটা তাকিয়ে আছে) তুমি আজকে একটা সিদ্ধান্ত নেও যদি তুমি কথা বলতে চেষ্টা না করো তো আমিও কথা বলবো না।
- না
- কি না!
- উহু
- কি? (ছেলেটা তাকিয়ে থাকে) আচ্ছা তোমার কি হয়েছে আমাকে বলবেনা তোমার পাখিকে বলবেনা তোমার কোথায় কষ্ট বলো সোনা। তুমি কেন বুঝোনা তুমি কেন বুঝোনা তোমার কথা না শুনলে তোমায় ছাড়া আমি ম---
- (ছেলেটা একটা হাত উঠিয়ে মেয়েটার মুখ চেপে ধরে) পাখি তুমি আমাকে ভালোবাসো?
- কি!
- তুমি শুনেছো
- তুমি পাগল------------
(আজও উত্তরদেয় না মেয়েটা)
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:২৯
সনেট কবি বলেছেন: কিছুটা পড়লাম।