নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালো কিছু চিন্তা করো আর ভালো না লাগলে বইয়ের পাতায় নিজেকে ডুবিয়ে দাও। অনেক কষ্টে নিজেকে শান্ত রাখার পথ তুমি নিজেই খুজে নেও।

জহির আসাদ

জহির আসাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

কিংকর/ পর্ব _১ (ছোট গল্প)

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ রাত ১২:০১

বাবা দোয়া করি তোরা সুখে থাক আর নামাজ পরে আল্লাহর কাছে দোয়া করিস যাতে আল্লাহ আমাকে তারাতারি তার কাছে নিয়া যায়!!
আজও এই কথা শুনে চুপই ছিলাম। বরাবরের মতো একটা কথাও বলি নাই। যখনই মা ফোনে এই কথাগুলো বলে তখন শুধু চুপ থাকি সেই শুরু থেকে আজ অব্দি একটা কথা উল্টো কথাও বলি নাই। অনেক কষ্ট হয় কিন্তু তাও কিছু বলি না। যখন একদম সহ্য হয় না তখন শুধু বলি মা আমি তো খারাপ হয়ে গেছি কি আর করার দোয়া করেন আর বদদোয়া করেন কিন্তু আপনারা কষ্ট পাওয়ার চেয়ে আমি ধংস হলেই মনে হয় ভালো হবে। যদি পারতাম হাড়াইয়া যেতাম কিন্তু পারি না।
আমি অভ্র, আমার শৈশব কৈশোর কাটে আর দশটা মানুষের মতোই সাদামাটা গ্রাম্য পরিবেশে। জন্ম হয় খুবই গরীব এক বাবা মা এর ঘরে, যেখানে সম্পদ বলতে বাবার কর্মঠ দুটো হাত আর মায়ের জোরা তালির হিসেব করে সংসার বয়ে নিয়ে যাওয়া। মাটির দেয়াল আর খড়ের ছাউনি অন্ধকার দুর করতে কেরসিনের কুপী (আঞ্চলিক -ল্যাম) । কোনো এক আলো আধারীর সন্ধীক্ষনে দুনিয়ায় আগমন ঘটে মায়ের কোলে ( মায়ের মুখে শোনা)। মঙলবার ছিলো সেইদিন নাকি, তাই সবার মুখে হাসিও ছিলো শত অভাবের মাঝেও যে মঙলবারে জন্ম তাও আবার উদিত সকালে, এই সন্তান হয়তো সংসারে মঙল নিয়ে আসবে ( সবই কুসংস্কার)। যাইহোক তারপরও মা বাবার এমনকি সকল আত্নীয় স্বজনের কাছে অতি আদরের ছিলাম নাকি। অভাবের মাঝেও হাসির কারণ ছিলাম নাকি আমি।
সময় বয়ে যেতে থাকে আমিও বেড়ে উঠতে থাকি আর বাবার নিরলস পরিশ্রম আর মায়ের একবেলা খেয়ে তিনবেলা হিসেব করে সংসার চালানোতে আমাদের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হইতে লাগলো।৷ আমার মা এখন দুইবেলা খেতে পায়।।
আমি শুনেছি তখন নাকি আমাদের দাদার সংসার এমন অভাব ছিলো যে আমার দাদা কাজ থেকে দুপুরে বাড়ি ফিরে খাবার না খেয়ে শুধু গুড় খেয়ে আবারও কাজে গেছে। বাবা কাজ করতো অন্যের বাড়ি কিন্তু ---
---(to be continue ---)

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.