| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাবা কাজে গেছে কিন্তু সেই কাজের আয় শুধু তারই ব্যয় হইতো, সে যে বাজে পথে ব্যয় করতো তাও না। সেই সময় কাজের বিনিময় ছিলোই অল্প।
মায়ের কাছে শুনেছি একটা আটার রুটি তৈরী করতো তার অর্ধেক আমি সকালে খেতাম আর অর্ধেক বিকালে খেতাম। আর মা সে যে কিভাবে খেতো তা হয়তো এখন বুঝি কিন্তু তখন বুঝিনাই। খুদ ( চালের ভাংগা অংশ) তাই হয়তোবা তখন আমাদের প্রধান খাবার ছিলো।
চলছে আমাদের সংসার।
একে একে দিনগুলো পার হয়ে যাচ্ছে আর আমি বেড়ে উঠছি। বাবার কাজের দাম বাড়ছে মায়েরও ইনকাম সোর্স হচ্ছে। মা এখন কাথা সিলাই করে, হোগলা (পাতার পাটি) বুনায় আর বিক্রি করে। বাবা কাজ থেকে এখন প্রতিদিন বা সপ্তাহে কিছু জমা করে।
চলছে আমাদের ছোট্ট সংসার। এইভাবে দিন যাচ্ছে আমিও এখন কাজ করি তবে আমার স্কুল শুরু হইছে। স্কুলে যাই মা টং জাল ফেলে খালে তা থেকে যে মাছ ধরা পরে তা বিক্রি করা হয় আমি বিক্রি করি মাঝে মাঝে তবে তখন গ্রামের রাস্তা তো আর সেরকম ছিলো না আর জংগলের ভিতর থেকে ছিলো তাই ভয়ও পেতাম। তারপর ও যেতাম মাছ নিয়ে গ্রামে বা বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম তবে মা প্রায়ই দাম নির্ধারণ করে দিতেন।
চলবে...
©somewhere in net ltd.