| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভোক্তা অধিকার ও ভোক্তা অধিদপ্তর আমাদের দেশে খুব পরিচিত বিষয়। ভোক্তার পরিচিত কয়েকজন ম্যাজিষ্ট্রেট আছেন যাহারা আসলেই খুবই ডিসেন্ট ও কর্তব্যপরায়ন। আমার প্রশ্নটা আসলে এই অধিদপ্তর বা সেই সকল ম্যাজিষ্ট্রেট দেরকে নিয়া নয় তারা ভালোই কাজ করছেন। প্রশ্ন হইলো কলা পাকানো হয় ইথানল নামক এক ক্যামিকেল দিয়া যাহা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক, তাহলে আমার জানামতে কৃষিকাজে ব্যবহৃত কোনো ঔষধ এর কাচামাল বা মুল ক্যামিকেল বাংলাদেশে তৈরী হয় না। এগুলা সবই আমদানী করা হয় অন্য দেশ থেকে, এর মধ্যে চীন থেকে প্রায় ৭০%, এছাড়া ভারত, মালয়শিয়া, নিউজিল্যান্ড, আমেরিকা, ভিয়েতনাম, তিউনিশিয়া, মরোক্কো, অস্ট্রেলিয়া সহ ভিন্ন দেশ থেকে বাকী ৩০%। আমার আবারও প্রশ্ন যদি জেনেই থাকি যে এই ক্যামিকেলটা আমাদের মানব শরীরের জন্য ক্ষতি করবে তাহলে সেটা আমদানীর অনুমোদন কেন দেই? হ্যাঁ, ইথানল মুলত ব্যাবহার করা হয় ফসলের কুশি বা মুকুল বাড়ানোর জন্য কিন্তু এই কাজটা সম্পন্ন করার জন্য ইথানল ছাড়াও আরো ক্যামিকেল আছে যেমন জিব্রালিক এসিড জাতীয় ক্যামিকেল, হরমোন জাতীয় ক্যামিকেল, সেগুলা ব্যবহার করা যায়। তারপর মুল কথাতো রয়েই যায় ক্যামিকেল ছাড়াও ফসল উৎপাদন করা যায়।
এখানে আর একটা বিষয় ব্যাটারী চালিত "অটোরিক্সা"। অটোরিক্সা বানাতে বা চালাতে যে সকল উপকরন প্রয়োজন তার প্রায় সবটাই চীন বা ভারত থেকে আমদানী করা হয়। যখন আমদানী করা হয় তখন তো আমদানীকারকের নির্দিষ্ট মন্ত্রনালয় আবা অধিদপ্তর থেকে অনুমতি নিতে হয়। আবার কাষ্টমস নামের বন্দরগুলাতেও তো পারমিশন নিতে হয়। আমার ছোট মনে প্রশ্ন হলো আমদানিতে অনুমতি দিয়া আবার অটোরিক্সাকে অবৈধ করাটা সুভংকরের ফাকির মতো মনে হয় না? ব্যবসায়ী যারা তাদের তো এমনিতেই স্বচ্ছল অবস্থা। কিন্তু আমরা অভিজান চালাচ্ছি কখন, যখন একটা র ম্যাটেরিয়াল একচ্ছত্র হয়ে এক খেটে খাওয়া মানুষের হাতে তার রুটি রুজির একমাত্র ভরসা হয়। যখন একটা রিক্সা আটক করা হয় তখন একজন সহায়হীন মানুষের আকুতি দেখা যায় কিন্তু মুলের যে কাচামাল আমদানীতে জরিত তারা ঠিকই তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সাধারন মানুষ।
আসলে বিষয়টা এমন দ্বাড়াচ্ছে যে চোরকে চুরি করতে বলে গৃহস্থ্যকে জাগতে বলার মতো। যাইহোক আমার প্রশ্নটা ছিলো ভোক্তা নিয়া। ভোক্তার অভিযান গুলা অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে আমি নিয়মিতই দেখি কিন্তু সবযায়গাতেই চুরি আর বাটপারির শেষ নাই। এখানে নিয়জিত কর্মকর্তাগন পরিশ্রম ঠিকই করেন তাদের নিয়া আমার মনে বিন্দু মাত্র অভিযোগ নাই। তবে অভিযোগ আছে আমার বি এস টি আই নামক প্রতিষ্ঠান নিয়া আমার ব্যক্তিগতভাবে দেখা (বি এস টি আই) এ অনেক কাজ কোনো ধরনের যাচাই ছাড়া শুধু টেবিলের নিচে থেকে অনুমোদন পায়।
আমার সর্বোশেষ কথা হইলো দুর্নীতি যদি ঘটারই সুযোগ না দেয়া হয় তাহলে দুর্নীতি আসবে কেমনে বা দুর্নীতি করার চিন্তাই বা করবে কেমনে।
©somewhere in net ltd.