নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched - they must be felt with the heart---Helen Keller

জুন

ইবনে বতুতার ব্লগ

জুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

জোনাকীর ঝিকিমিকি (মালয়েশিয়া ভ্রমন)!!!

১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:২১


রাতে আলো ঝলমলে টুইন টাওয়ার

পায়ের নীচের সর্ষে আমায় বেশীদিন স্হির থাকতে দেয়না ।শুধু ছেলে আর তার বাবার ছুটির দিকে পথ চেয়ে থাকা। কোথাও বেরিয়ে পরার জন্য মনটা অস্হির হয়ে যায় ,সেটা দেশ বিদেশ কোনো ব্যাপার না। এটা আমি অবশ্য আগের পোস্টগুলোতে ও বলেছি।
মালেয়শিয়া এবার আমাদের গন্তব্য।আট দিনের জন্য, আর এটাই ছিল আমার ছেলের জন্মদিনের উপহার। ভ্রমন আমাদের পরিবারের তিন জনেরই অত্যন্ত প্রিয়।
যাক এসব কথা।মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স ভোর চারটায় আমাদের পৌছে দিল কুয়ালালামপুর এয়ারপোর্টে। প্লেনটা ল্যান্ড করার জন্য যখন নীচে নামছিল রাতের আধারে তখন মনে হচ্ছিল সোনার মালায় জড়িয়ে থাকা আলো ঝলমলে এক শহরে নামতে যাচ্ছি

আলোয় ঝলমলে কুয়ালালামপুর প্লেনের জানালা দিয়ে তোলা

একজন যোগ্য নেতার হাতে পড়লে অল্প দিনেই একটি দেশ কোথায় যেতে পারে মালয়েশিয়া তার একটি জলন্ত উদাহরণ। ঘুরতে যাই ঠিকই কিন্ত সারাক্ষনই আমার দুঃখিনী দেশের সাথে তুলনা করতেই থাকি।

ভাবলাম এত ভোরে হোটেলে যাব ? হোটেল বুকিং দেয়াই ছিল।আকাশ তখনও অন্ধকারে ঢাকা। এয়ারপো্র্টেই অপেক্ষার চিন্তা করছি ,ঘুমে দুচোখ ভেঙ্গে যাচ্ছে।শহর অনে-ক দুরে। এর মধ্যে সিকিউরিটির এক লোক আমাদের কাছে জানতে চাইলো আমরা কোথায় যাবো, ট্যাক্সী ঠিক করে দিলে আমরা যাবো কি না ? আমরা একটু দ্বিধা করছি দেখে উনি অভয় দিয়ে বল্লেন, মালয়েশিয়া পুরো দেশটাই যেমন ডিউটি ফ্রী, তেমনই crime free.
আমাদের গন্তব্য ছিল বুকিত বিনতাং, একদম ট্যুরিস্ট সেন্টার।একজন ট্যুরিস্টের জন্য যা প্রয়োজনীয় সব হাতের কাছে। হোটেল খুজতে হলোনা, ট্যাক্সী ড্রাইভার একেবারে হোটেলের সামনেই থামালো। রূমে ঢুকেই সোজা বিছানায় গিয়ে গভীর ঘুম।

মালয়েশিয়ার সরকারী ট্যুরিস্ট ভবন

বাংলাদেশ টাইম নটায় ঘুম থেকে উঠে নাস্তা খেয়ে ট্যুরিস্ট অফিসের খোজে বের হোলাম। এই কাজটা আমরা যেখানে যাই সেখানেই প্রথম করি এবং চেষ্টা করি তা যেন হয় সরকারী ট্যুরিষ্ট অফিস।কারণ তারা কখনই ফাঁকি দেয়না।
একবার দিল্লী সিটি ট্যুরে আমাদের এই তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছিল।অনেক কিছুর মধ্যে লোটাস টেম্পলও ছিল লিস্টে। গাইড এক মাইল দুরে বাসে বসিয়েই দুরে ইশারা করে বল্লো : 'ও হ্যায় লোটাস টেম্পল, ফটো খিচো, ফটো খিচো'।
ঘন গাছের ফাক দিয়ে টেম্পলের মাথাটা দেখা যাচ্ছে কি যাচ্ছেনা! প্রতিশ্রুত ভ্রমন তালিকার অর্ধেকই বাদ দিয়েছিল।

মালয়েশিয়ান সরকারী ট্যুরিস্ট কোম্পানী থেকে আমরা পাঁচটা ট্যুর বেছে নিলাম। তারমধ্যে একটা ছিল ফায়ার ফ্লাইস শো।বাংলায় এর নাম যে জোনাকী পোকা তা জানি, কিন্ত পাঠক ভ্রমনের সাথে জোনাকীর সম্পর্ক্ কি বুঝতে পারছিলামনা। ভিন্ন ধরনের যে কোন কিছুর প্রতি আকর্ষনই আমাদের যাবার কারন।
কথা হলো দুপুর দুটোয় শীততাপ নিয়ন্ত্রিত মাইক্রোবাস যাকে ওরা ভ্যান বলে থাকে আমাদের ফেডারেল হোটেল থেকে তুলে নেবে।গন্তব্যে পৌছাতে ঘন্টা দেড়েক লাগবে।সেদিন ছিল ২৫শে ডিসেম্বর বড়দিন।পাঁচদিন ধরেই দেখছি তার জন্য অল্প বয়স্ক যুবক যুবতীদের প্রস্ততি।
ঠিক সময়ে ভ্যান আসলো আর আমরা উঠে বসলাম ।আমাদের সাথী পর্যটক ছিল দুটো মেয়ে হংকংয়ের আর তিনজন বৃটিশ নর নারী। এই তিনজনই একাকী ঘুরে বেড়াচ্ছে সেখানে, পুর্ব পরিচিত নন।এদের মধ্যে একজন ভদ্রমহিলা ছিলেন যার বয়স কমপক্ষে আশি বছর।

ডিনার এবং এর সাথে সংযুক্ত নৌকা ভ্রমনের জন্য আমাদের দিতে হয়েছে মাথাপিছু ১৮০ রিংগিত করে।যাক ভ্রমন পালা শুরু হলো ,শহর ছাড়িয়ে আমরা ছোট ছোট গ্রাম পেরিয়ে যাচ্ছি। রবার আর পাম বাগানের মধ্যে দিয়ে কুয়ালা সেলাংঘর নেচার পার্ক পার হয়ে অবশেষে এসে পৌছালাম বুকিত মেলাবতী পাহাড়ে।


ওলন্দাজ বাতিঘর মেলাবতী পাহাড়ে

সেখানে বিশাল বিশাল কড়ই গাছে ছাওয়া ছায়া ছায়া মসৃন পিচঢালা রাস্তা। উচু রেলিং দিয়ে ঘেরা রাস্তার একদিকে অনেক নীচে সেলাংঘর সমুদ্রের তট দেখা যায় । রেলিং এর উপর রয়েছে বেশ কিছু কামান সাজানো। অন্য দিকে পাহাড়ের গা ঘেষে রয়েছে ওলন্দাজদের নির্মিত লাইট হাউস, রয়েল মসোলিয়াম, বাচ্চাদের পার্ক। তবে সেখানে সবচেয়ে মজার ছিল রূপালী পাতার মতন কানওয়লা বানর। বানরগুলো কাউকেই ভয় পাচ্ছিলনা। নীচের ছবির বানরটা আমার হাত থেকে একটা একটা করে খুটে খুটে বাদাম খাচ্ছিল।


মেলাবতী পাহাড়ের বানর

সন্ধ্যা হয়ে আসছে , গাইড আমাদের এখান থেকে অল্প দুরেই নিয়ে গেল ডিনার পর্ব সারার জন্য। উল্লেখ্য কুয়ালা অর্থ শহর। আমাদের আসল গন্তব্যের যে জোনাকী দর্শন তার একটু আগে নদীর উপরেই বার্জের মধ্যে লোকাল রেস্টুরেন্ট। ভীষন মজার এবং বহু রকম সামুদ্রিক খাবারের আয়োজন। সন্ধ্যা তখন রাতে পরিনত।নদীতে দুলছে রেস্টুরেন্ট ।

চারিদিক খোলা শুধু উপরে ত্রিপল দেয়া বার্জটিতে, নদী থেকে ভেসে আসা মিষ্টি বাতাস আমাদের গায়ে মিষ্টি পরশ বুলিয়ে যাচ্ছে।একটা ভেসে থাকা গাছের ডালে একটা সাদা বক দেখতে পেলাম সেই অন্ধকারেও। নদী দেখতে দেখতে আমরা গল্প করছি আর খাচ্ছি।ততক্ষনে আমাদের সবার মধ্যেই একটু একটু বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। এটাই আমরা সবাই উপভোগ করছিলাম মন দিয়ে। কারন প্রায় সবার মনে একই চিন্তা জোনাকী পোকা দেখার মধ্যে কি বা আছে !


খাবারে জন্য সবার অপেক্ষা

খাও্য়া শেষ হলো , আবার যাত্রার পালা , এবার আমাদের অন্ধকারের মধ্যেই কোন শব্দ না করে আস্তে আস্তে ভ্যান চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হল অল্প একটু দুরে এক নদীর ধারে। নদীর নাম kampung kuantan । আধো আলোয় আধো অন্ধকারে নেমে আসলাম ভ্যান থেকে ।
কটেজের মত ছোটো ছোটো দু একটা ঘর। চারিদিকে হালকা মৃদু বৈদ্যুতিক বাতির আলো ।এর মধ্যে গাইড একটি ছাউনির নীচে আমাদের লাইন করে এনে দাড় করালো।
অনেক ট্যুরিস্ট ছিল তবে আমরা তিনজন ছাড়া বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্য পর্যন্ত আর কোন দেশের ট্যুরিস্টই সেখানে দেখলাম না।আরবদের আমরা সবচেয়ে বেশী দেখেছি গেনটিং হাইল্যান্ডে। যেখানে সাউথ ইস্ট এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত এক ক্যাসিনো ।মজার ব্যাপার সেই ক্যাসিনোতে মালয়েশিয়ানদের প্রবেশ বা জুয়া খেলা সরকারী ভাবে সম্পূর্ন নিষিদ্ধ।

গেনটিং হাইল্যান্ড

যাক এ সব কথা ,তখনও বুঝিনি কি ব্যাপার ঘটবে ! ওরা আমাদেরকে লাইনে দাড় করিয়ে লাইফ জ্যাকেট পরিয়ে দিল । এর পর ব্যাটারী চালিত শব্দহীন এক একটি নৌকায় বার জন করে পর্যটককে উঠানো হলো ।সারি ধরে সিটে বসিয়ে বলে দেয়া হল কোনরকম কথা না এবং কোন ছবি তোলা চলবেনা না। ঐ নিষেধাজ্ঞা না থাকলে হয়তো ক্যামেরার ফ্ল্যাশের আলোয় জোনাকীরা তাদের আবাস ছেড়ে পালিয়ে যেত অচিরেই। তার জন্য সেই অপরূপ দৃশ্যের কোন নিদর্শনই আমাদের কাছে থাকলোনা।

আস্তে আস্তে নদীর পার ঘেষে নৌকা চলছে কিন্ত একটুও শব্দ নেই,তার মধ্যেই অবাক বিস্ময়ে দেখলাম নদীর ধার ঘেষে সারি সারি ছোট ছোট ঝোপ, তার মধ্যে কোটি কোটি জোনাকী পোকা, সেই ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে মিট মিট করে জ্বলছে আর নিভছে।
কি যে সেই অপূর্ব দৃশ্য আমি ভাষায় বর্ননা করতে পারবোনা।নদীর দুপারে মাইল খানেক সারিবদ্ধ জায়গা জুড়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহত্তম জোনাকীর কলোনী। আস্তে আস্তে দুই তীর টাই ঘুরিয়ে আনলো এত টুকু শব্দ না করে ।
নিঃশব্দতার সেই দম বন্ধ করা অপার সৌন্দর্য দেখে ফিরে এসে সবাই অনেকক্ষন চুপ করে ছিলাম, কারো মুখেই কোনো কথা নেই। তারপর সবাই একসাথে বলে উঠলো, ' সত্যিই কি অপরূপ'!
পাঠক হয়ত বলবেন আমাদের দেশে গ্রামে কত জোনাকী পোকা! তা আমিও জানি ।কিন্ত একই জায়গায় এত জোনাকী পোকা এবং তার উপর ওদের প্রদর্শনীর যে কৌশল সেটা সত্যিই বিস্ময়কর !!
এ ব্যাপারে ধন্যবাদ জানাই মালয়েশিয়ান ট্যুরিজম সেন্টারকে।

বুকিত বিনতাং এর রাস্তা

রাত সাড়ে দশটায় গাইড আমাদের পৌছে দিল হোটেলে ,আর বুকিত বিনতাং এর রাস্তা জুড়ে চলছে তখন বড়দিনের ঊৎসব।
জর্জ মাইকেলের last Christ mass গানটির সাথে সাথে স্থানীয় ছেলে মেয়েরা নাচছে সান্তা ক্লজের পোশাকে।সাথে অনেক অল্প বয়স্ক ট্যুরিস্ট ও ছিল ।
কোন রকম অশোভনীয় কিছু নেই , প্রচুর ট্যুরিস্ট আমাদের মত ফুটপাতে দাড়িয়ে দেখছিল তারুন্যের উৎসব। সেখানে আমার ছেলেও রাত ১টা পর্যন্ত ওদের সাথে আনন্দোৎসবে অংশগ্রহন করে আসলো।

মন্তব্য ৬৩ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৬৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪২

নীল ভোমরা বলেছেন:
আপনার ঘুরঘুর পোস্টগুলি ভাল লাগে। আরও ভ্রমণ কাহিনী লিখুন।

ও..হ্যাঁ... প্রো-পিকটা "খুব খারাপ না'।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫০

জুন বলেছেন: আপনার সু চিন্তিত মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৪৬

হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: সারি সারি ছোট ছোট ঝোপ তার মধ্যে কোটি কোটি জোনাকী পোকো সেই ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে জ্বলছে আর নিভছে তা আমি ভাষায় বর্ননা করতে পারবোনা

----আমিও আপনার চোখ দিয়ে দেখে নিলাম এত সুন্দর এক দৃশ্য! :)

১৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:০৮

জুন বলেছেন: সত্যিই অপরূপ,চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয়না!!

৩| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫৪

হাসান মাহবুব বলেছেন: ঘোরাঘুরি শুভ হোক। লেখা ভালো লেগেছে।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১০

জুন বলেছেন: ভাল লাগলো শূনে অনেক ভালো লাগলো ।

৪| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১৫

অলস ছেলে বলেছেন: বাহ। চমতকার লাগলো পড়তে।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:২২

জুন বলেছেন: এত চুড়ান্ত আলসেমীর মধ্যেও যে আমার লেখা পড়েছেন তার জন্য অনে--ক ধন্যবাদ।

৫| ১৬ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:২৪

ভাঙ্গন বলেছেন: শুভ হোক ঘোরাঘুরি!
শুভ কামনা।

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪

জুন বলেছেন: ধন্যবাদ, আমার উঠানে ঘূরে যাবার জন্য ।

৬| ২০ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১১

নীল ভোমরা বলেছেন: এইটা কোন জাতের বান্দর?!

২০ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৭

জুন বলেছেন: silver leafed monkey

৭| ২০ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২২

নীল ভোমরা বলেছেন: বান্দরটার চুল উস্ক-খুস্ক...চোখ লাল!...গাঁজা খায় নাকি?!

২০ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩১

জুন বলেছেন: না, ও খায় অন্য জিনিস । তার নাম Absolute.

বান্দরটার উপর এত রাগের কারন কি ??সে কিন্ত ভীষন নিরীহ ছিল ।

৮| ২০ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৪

নীল ভোমরা বলেছেন: ইনোসেন্ট বান্দর?!

২০ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৭

জুন বলেছেন: একটা কাঠাল কি বাদরটার মাথায় ফেলবো !!

৯| ২০ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭

নীল ভোমরা বলেছেন: বাকি থাকলো আর একটা কাঠাল! আর একজন ইনোসেন্ট প্রয়োজন!

২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:২৫

জুন বলেছেন: যে পাঠিয়েছে সে একটা খাবেনা এটা কেমন কথা !
সে না হয় আমার মাথাতেই ভেঙ্গে খাবে !!
কারন আমিও নিজেকে একজন ইনোসেন্টই মনে করি !!!

১০| ২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪৯

নীল ভোমরা বলেছেন: মাথা পেতে নিলুম।

২১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৫৬

জুন বলেছেন: আপনি মাথায় কি নিবেন !ওটাতো আমিই নিলুম ।

১১| ২১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৫৪

নিউটন বলেছেন: বুঝা গেলো নীল ভোমরা ইন্নোসেন্ট না, তাহলে অন্য ইন্নোসেন্ট না খুজে একটা নিজের মাথাতেই ভাংতো। :) :) :)
(জাষ্ট ফান)

২১ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:৫৮

জুন বলেছেন: ঠিক ধরেছেন !!!!

১২| ২৩ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০১

জুন বলেছেন: একি আমার লেখা নিয়ে কোন আলাপ নাই কিচ্ছু নাই খালি দেখছি ঝগড়াঝাটি।

আমার পোস্ট কি শেষে সংসদ হইয়া পড়ল নাকি!! X( :-/ :!> ।

১৩| ২৪ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১:১৪

নিউটন বলেছেন: সেটাই তো আমিও ভাবছি

২৪ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:৩৪

জুন বলেছেন:

ভাববারই বিষয়!! |-)

১৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৫০

মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন: হুম, আজকেই পড়লাম,এর আগে পড়া হয়নি,আসলে আমি ব্লগ খুলে রেখে কাজের ফাঁকে ফাঁকে এসে পড়ে যাই,বা কোন মন্তব্য।যে কোন লেখা আমার একবারে শেষ করতে পারিনা,তাই মাঝে মাঝে বড় লেখা গুলো এড়িয়ে চলি ইচ্ছের বিরুদ্ধে।
আরেকটা সমস্যা হলো বাংলা বানানে আমার অনেক সমস্যা,অনেক সময় সাধারণ বানান গুলো মাথায় আসেনা, :P

ভ্রমন আমার খুব প্রিয়,তাই ভ্রমন সংক্রান্ত কোন পোষ্ট পেলেই পড়ি।
আপনার বর্ননার ধরণ সব সময় সুন্দর হয়।
ভালো থাকুন।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১০

জুন বলেছেন: you can comment in English no problem at all, but i don't understand that you read this post !!

১৫| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: প্রিয় সুহৃদ,
আমি নতুন। আপনার লেখা পড়ি, ভালো লাগে বলে। আপনার সবগুলো লেখাই অসাধারণ। সত্যি বলতে কি ব্লগে আপনাদের মতো কয়েক জন অসাধারণ লেখক আছেন বলেই আমার ব্লগে আগমন।
আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। আপনার শুভ কামনায়-

আপনার একান্ত গুণমুগ্ধ
স্বপ্নচারী

১১ ই এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৮

জুন বলেছেন: স্বপ্নচারী, মেয়েদের সেই বিখ্যাত ডায়ালগটাই বলতে ইচ্ছা করছে "ঢং"
আপনি বহুদিন ধরেই দূর্দান্ত লিখে চলেছেন আমি বুঝি আর জানিনা।
আমার ব্লগ দেখবেন আমিই নতুন।
অসাধারন বলে লজ্জা দিবেন না।
আমার মতই আমার পোস্ট গুলোও সহজ সরল হাসি খুশী
সকলের বোধগম্য।
আপনার ব্লগে আমার নিত্য আসা যাওয়া।
মন্তব্যের জন্য অধিক ব্যবহারে ক্লিশে হয়ে যাওয়া ধন্যবাদ নয়।
আপনিই ভেবে নিন।
আপনার লেখার মুগ্ধ পাঠিকা !!

১৬| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩

চাচামিঞা বলেছেন: আপনি খুব মজা করে লিখতে পারেন.......পায়ের নীচের সর্ষে আমায় বেশীদিন স্হির থাকতে দেয়না এই টাইপের উদাহরন আগে শুনিনাই। আপনার লিখা পড়ে মনে হয়, ব্লগে লিখার জন্যই আপনি ভ্রমন করেন....এজন্যই অনেকটা ডিটেলস লিখতে পারেন, যদিও এই লেখাটা যথেস্ট সটকাট.......শেয়ার করের মতো নিশ্চই আরো অনেক কিছুই ছিলো।

আপনার মালয়শিয়া ভ্রমনের সাথে আমারটা তেমন একটা মিলছে না। ১৫ দিন ছিলা........বেশীর সময় কুয়ালালামপুরেই কাটিয়েছি....কারন ট্রেনিং ছিলো। তবে গেন্টিং গিয়েছি। ওখানকার স্পেইসট আর রোলারকোস্টার খুব ইন্জয় করেছি।
আর একটা যায়গায় গেসিলাম - পাংকোর আইল্যান্ড......খুব ভালো লেগেছে।
আর মালয়শিয়া বসে ঢাকার কথা চিন্তা করলে আসলেই একটা মিশ্র অনুভুতি হয়। মনে হয়, আমাদের ঢাকা কেনো এমন না।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২৯

জুন বলেছেন: চাচামিয়া, পায়ের নীচে সর্ষে একটা প্রবাদ অর্থ যে এক জায়গায় স্হির থাকতে পারেনা।
না ভাইয়া ব্লগে লেখার জন্য ঘুরছিনা, ব্লগের বয়স মাত্র দু মাস দু দিন ।
আর ঘুরছি আমি আজীবন।
এটা শুধু মালয়েশিয়া ভ্রমনের কয়েকটা ট্যুরের মধ্যে একটা। তাছাড়া ব্লগে বেশী বড় করে লিখলে পাঠকের ধৈর্য্য চ্যুতি ঘটে।আমরা গিয়েছিলাম কাকড়া দ্বীপে (crab island)। গেনটিং, মালাক্কা তো ছিলই।
হ্যা আমি সম্রাটকে ও একথা বলেছি অনেক দেশের মধ্যে মালয়েশিয়া আমার প্রিয়।

ভাবী কই সে আবার দেখছেনা তো !! X((

১৭| ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:৪৪

চাচামিঞা বলেছেন: দুঃখিত, প্রবাদটি আমার কমন পরে নাই:)
ব্লগের বয়স মাত্র দু মাস দু দিন বিষয়টা আমি খেয়াল করেছি। আসলে বলতে চাইছিলাম আপনি ভ্রমন করার পরে কাহিনীগুলো লিখে ফেলতে পছন্দ করেন মনে হয়......হয়তো ব্লগ আপনার জন্য নতুন এডিশন......আপনি হয়তো এর আগে ডাইরি লিখতেন......
আপনার ভ্রমন লিস্ট দীর্ঘ হলেও আমারটা খুবই ছোটো। তবে জীবনে প্রথম বিদেশ বলতে থাইল্যান্ড যাই। সম্ভবত এজন্যই কুয়ালালামপুরের চাইতে ব্যাংকক আমার কাছে অনেক অনেকবেশি প্রিয়।

ভাবী কই সে আবার দেখছেনা তো !! X((

কিছুক্ষন আগে তাকে অফিসে ড্রপ করে দিয়ে আসলুম:)। কিন্তু সে দেখলে কি প্রবলেম? যোগসুত্রটা বুঝতে পারছি না।

২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:১৭

জুন বলেছেন: ভাবী দেখলে কি সমস্যা তার উত্তরটা ই আগে দেই। আপনি আমার চীনের ছবি পোষ্ট টার ৩৯ নং মন্তব্যে যা বলেছেন অটঃ তার জন্যই এই দুঃশ্চিন্তা !!
তবে আপনি চিন্তা করবেন না আপনার সমব্যাথী অনেক ভাইরা সামুতে আছে !!

থাইল্যান্ড আমি অনেকবার গিয়েছি, ঘুরেছি ও প্রচুর।
তবে খাবার টা নিয়ে আমার একটু সমস্যা হয়।
ব্রীজ অন দ্যা রিভার কাওয়াই দেখতে গিয়ে, বার্জের উপর রেস্টুরেন্টে খেতে বসে, গাইড কে খুজে আনতে হয়েছিল নো পর্ক বলার জন্য ।ইংরাজী কিছুই বোঝেনা ।
মালয়েশিয়াতে এ সমস্যাটা নেই।
আমি কোনোদিন ডায়েরী লিখিনি।তবে যা আমার মনে দাগ কেটে যায় তা মনেই থাকে।

১৮| ১০ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩

এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপু। অফিসিয়াল ট্যুর বলে বাইরে যাবার সময় পাইনি।

১০ ই আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫

জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৯| ১২ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ১১:০৩

সুবিদ্ বলেছেন: মিস করেছিলাম লেখাটা...

বানরটা তো একরকম ভয়ংকর দেখতে...

খুব ভালো লাগলো

১২ ই আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫৭

জুন বলেছেন: সুবিদ অনেক ধন্যবাদ পুরোনো লেখা পড়ার জন্য।
না না বানরটা অনেক লক্ষী সে আমার হাত থেকে বাদাম খাচ্ছিল।
ভালো থাকুন সব সময়

২০| ১২ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ১১:০৫

মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: আপনার লেখনি অসাধারণ !!! জোনাকীর ব্যাপারটা খুবই অদ্ভুত লাগল, আবার যদি কখনো যাওয়া হয় চেষ্টা করব দেখে আসতে।

++

১৩ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ১২:২৬

জুন বলেছেন:
প্রশংসার জন্য অনেক ধন্যবাদ জহিরুল।
হ্যা দেখে আসবেন।
সত্যি অপুর্ব দেখার মত একটা জিনিস।

২১| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৩৯

আরুশা বলেছেন: যদিও অনেক দিনের পুরানো লেখা আপু তবুও আপনার ভ্রমন লেখা গুলো আমার অনেক ভালোলাগে। কাল জসিম ভাই এর পোষ্ট এ উনি বলেছেন আপনার ভ্রমন পোষ্টের কথা।
এত সুন্দর করে বর্ননা করেছেন জোনাকী দেখার কথা মনে হলো নিজের চোখেই দেখতে পাচ্ছি।অনেক ভালোলাগলো।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৪২

জুন বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ আরুশা আমার পুরোনো পোস্ট পড়া আর ভালোলাগার জন্য :)

২২| ০৭ ই জুলাই, ২০১৪ সকাল ৯:৪১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: পোস্ট শোকেসে রেখে দিলাম। ক্যামেরুন হাইল্যান্ড এ যাওয়া হবে ইনশাআল্লাহ । :)
সুন্দর পোস্ট।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩০

জুন বলেছেন: আহা সেলিম আনোয়ার কতদিন পর আপনার মন্তব্য দেখলাম। আসলে নোটিফিকেশন না আসায় চোখে পড়েনি তার জন্য আন্তরিক দু:খিত।

২৩| ২৫ শে মে, ২০১৫ সকাল ১১:৩২

শামছুল ইসলাম বলেছেন: আপনার লিংক ধরে পুরোটাই পড়লাম।
এক কথায়, অসাধারণ।
পুরনো লেখা, তবে আমার কাছে তো নতুন।
অপূর্ব বর্ণনা শৈলী:
//নিঃশব্দতার সেই দম বন্ধ করা অপার সৌন্দর্য দেখে ফিরে এসে সবাই অনেকক্ষন চুপ করে ছিলাম, কারো মুখেই কোনো কথা নেই। তারপর সবাই একসাথে বলে উঠলো, ' সত্যিই কি অপরূপ'! //

২২ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩২

জুন বলেছেন: শামসুল ইসলাম আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ বহু পুরনো একটি লেখা পড়ার জন্য। জানি না আপনি এখনো রাগ হয়ে আছেন কি না। তবে আমি অত্যন্ত দু:খিত যদি আপনাকে কিছু বলে থাকি।

২৪| ২৬ শে মে, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার কত ভ্রমণ কাহিনী যে বাকি রয়ে গেলে পড়া .।।

২২ শে নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৩৩

জুন বলেছেন: আমার সাথে দৌড়ে পারবে কি ;)

২৫| ০৪ ঠা মে, ২০১৬ সকাল ১১:৩২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভ্রমন আমাদের পরিবারের তিন জনেরই অত্যন্ত প্রিয় - এমন হলেই তো সোনায় সোহাগা!
একজন যোগ্য নেতার হাতে পড়লে অল্প দিনেই একটি দেশ কোথায় যেতে পারে মালয়েশিয়া তার একটি জলন্ত উদাহরণ। ঘুরতে যাই ঠিকই কিন্ত সারাক্ষনই আমার দুঃখিনী দেশের সাথে তুলনা করতেই থাকি -- গত বছরের সেপ্টেম্বরে আমরাও মালয়েশিয়ায় বেড়াতে গিয়েছিলাম। আমারও ঠিক একই কথা মনে হয়েছিলো, একই রকমের অনুভূতি হয়েছিল। আমরাও কুয়ালালামপুরে থাকাকালীন বুকিত বিনতাং এ ছিলাম।
'ও হ্যায় লোটাস টেম্পল, ফটো খিচো, ফটো খিচো' - :) :) :)
বানরের বাদাম খাওয়ার ছবিটা দেখে ভাল লেগেছে, মানে বানর আর হাত, দুটোই। ডান হাতের বদলে বাম হাত এগিয়ে দিয়েছিলেন কি ভয়ে ভয়ে?
উল্লেখ্য কুয়ালা অর্থ শহর -- শব্দটা এর আগে এতবার শুনেছি, অথচ অর্থ খোঁজ করিনি কোনদিন। ধন্যবাদ এ তথ্যটুকুর জন্য।
নদীতে দুলছে রেস্টুরেন্ট -- কি চমৎকার!
সেই রাতের অন্ধকারেও গাছের ডালে একটা সাদা বক দেখতে পেয়েছিলেন??!!
অবাক বিস্ময়ে দেখলাম নদীর ধার ঘেষে সারি সারি ছোট ছোট ঝোপ, তার মধ্যে কোটি কোটি জোনাকী পোকা, সেই ঘুটঘুটে অন্ধকারের মধ্যে মিট মিট করে জ্বলছে আর নিভছে। -- ইস! কল্পনা করতেও কত যে ভাল লাগছে!
জোনাকি পোকার মিটিমিটি জ্বলার কোন ছবি তোলেন নাই?
অপূর্ব সুন্দর এই পোস্টটার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি বিলম্বিত অভিবাদন!
আরেকটা কথাঃ আপনার "কথার বাঁশির মা যদি হই" লেখাটা পড়ে দুটো মন্তব্য রেখে এসেছি। একটু সময় করে দেখে নেবেন।

০৫ ই মে, ২০১৬ সকাল ১০:২৮

জুন বলেছেন: কুয়ালালামপুরে থাকার জন্য বুকিত বিনতাং কেই আমাদের ভালো মনে হয়েছে। বিশেষ করে আমাদের মত মধ্যবিত্ত পর্যটকদের জন্য। কুয়ালা অর্থ শহরটি জেনেছি ক্রাব আইল্যন্ড যাবার সময় আমাদের গাইডের কাছ থেকে।
জোনাকির ছবি তুলবো কি করে! লিখেছি দেখেন নাই ছবি তোলাতো দুরের কথা ফিস্ফিসিয়ে কথা বলাও নিষেধ। নইলে এত সুন্দর জোনাকির কলোনী কি ওরা প্রিজার্ভ করতে পারতো বলুন?
অশেষ ধন্যবাদ পোষ্টটি পড়ার জন্য। আর ওই লেখার মন্তব্যের উত্তর দিয়ে এসেছি।

২৬| ০৪ ঠা মে, ২০১৬ সকাল ১১:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আবারো আসলাম এ কথাটা বলার জন্য যে আপনি আপনার এত সুন্দর ভ্রমণ কাহিনীগুলোকে সংকলন করা শুরু করে দিন। আগামী বইমেলায় এগুলোকে বই আকারে দেখতে চাই। সম্পাদনার ব্যাপারে সাহায্য লাগলে জানাবেন।
আমার কাছে ক্যামেরন হাইল্যান্ডও খুব ভালো লেগেছিলো। শুধু হোটেলের আশে পাশে ঘুরে ফিরেই চমৎকার সময় কাটানো যায়। এর পরে মালয়েশিয়া গেলে মালাক্কা যাব ইন শা আল্লাহ। আর পেনাং এর জর্জটাউনে স্ট্রীট ফুড খাবো। গতবার এক বাঙালী ভাই সেখানে আমাদেরকে প্রতারণা করে এক পচা খাবারের দোকানে নিয়ে গিয়েছিল, সেটা ভুলতে পারিনা।
আমি কোনোদিন ডায়েরী লিখিনি।তবে যা আমার মনে দাগ কেটে যায় তা মনেই থাকে -- চমৎকার বলেছেন। লাইক।

০৫ ই মে, ২০১৬ সকাল ১০:৩৫

জুন বলেছেন: আপনি আমার বই প্রকাশের ব্যপারে এত কনসার্ন যা আমাকে কিছুটা ভাবতে বাধ্য করছে।
মালাক্কায় তেমন খুব একটা ঐতিহাসিক নিদর্শন নেই, তারপর ও যতটুকু আছে তাই তারা সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছে। তবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যটি দেখার মত।
আপনি এরপর বেড়াতে গেলে নাতনীর দাদিকে নিয়ে বার্মা ঘুরে আসার জন্য সাজেষ্ট করছি। ইয়াংগন ছাড়াও মান্দালয় ও বাগান নগরীকে অবশ্য ভ্রমান তালিকায় রাখবেন যদি আপনি আমার মত একাধারে প্রকৃতি ও ঈতিহাস ভালোবাসেন। মায়ানমার নিয়ে আমার অনেকগুলো ল্বখা আছে গত বছরের আপনি পড়তে পারেন।
অনেক লিখে ফেললাম। আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন।

২৭| ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুল্যবান এই পোস্টের লিংকটি সেখানে দেয়ার জন্য । অভিভুত হয়ে পড়লাম আর ছবি গুলি দেখলাম । ভ্রমন কাহিনী বিশেষ করে সচিত্র ভ্রমন কাহিণী পাঠে খুবই ভাল লাগে যদিও সেগুলি প্রকাশে আমার ভাষা জ্ঞানের সীমাবদ্ধতরার কারণে লিখা হয়ে উঠেনা । গত কয়েক বছর আগে একটি অান্তর্জাতিক সিমপোজিয়ামে আমার একটি গবেশষনা কর্ম উপস্থাপনের জন্য মালএশিয়া যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল, সেসময় এই Kampung Kuantan Firely Park দেখর সুযোগ হয়েছিল । আপনি যতার্থ বলেছেন, খুবই সুন্দর এই বিশাল জোনাকী পোকা কলোনী , তবে ছবি তোলা প্রহিবিটেড । এর অপরূপ সৌন্দর্যের বিবরণ উঠে এসেছে আপনার লিখনীতে ।
উপরের মন্তব্য ও প্রতি মন্তব্যে দেখা গেল এ বিষয়ে আপনার একটি সুন্দর বই প্রকাশিত হতে পারে । তাই Kampung Kuantan Firely Park এর কতিপয় ছবি গ্রতিথ করে গেলাম এসাথে, যদি কাজে লাগে বই এর লিখায় জুরে দিতে পারেন অনেক দর্শকের কৌতুহল মিটানোর স্বার্থে । আপনার সংগ্রহে নিশ্চয়ই আরো অনেক ভাল ছবি আছে, ভাল হবে সেগুলিও প্রকাশিতব্য বইয়ে জুড়ে দিলে ।

Kampung Kuantan জোনাকী পার্কের প্রবেশ দ্বার

জোনাকী পার্কে মিট মিট করে জ্বলা জোনাকীদের ছবি



ছবিগুলি গুগল হতে সংগৃহীত

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১২:২৫

জুন বলেছেন: বই লিখি আর না লিখি তবে আপনার শেয়ার করা অপরূপ ছবিগুলো রেখে দিলাম ডাঃ এম আলী :)
গভীর মনযোগের সাথে পঠন সাথে ততোধিক আন্তরিকতার সাথে আপনার মন্তব্যগুলো নতুন কিছু লেখার জন্য ভাবিয়ে তোলে , করে উৎসাহিত ।
আমার ব্যক্তিগত সংগ্রহে সেই জোনাকীদের মিলন মেলার কোন ছবি নেই । আমাদের সম্পুর্ন নিষেধ ছিল কোন রকম শব্দ করা ছবি তোলার তো প্রশ্নই আসে না । ক্যমেরার ফ্ল্যাশের আলোয় জোনাকীদের বিরক্ত করা যাবে না , যা আমি পোষ্টেই উল্লেখ করেছি । আমরা শুধু দম বন্ধ করে সেই অনাবিল সৌন্দর্য্যকে উপভোগ করেছি ।
বই প্রকাশের ব্যপারে আপনার কথাটি মনে থাকলো

২৮| ২৩ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

তারেক সিফাত বলেছেন: ফায়ার ফ্লাইস পার্কটা মিস করে গেছি, ফেরার দিন ট্যাক্সি ড্রাইভার বলতেসে- ফায়ার ফ্লাইস পার্কে যাওয়া হয়েছে কিনা? তখনও জানতাম না এই নামে কিছু আছে! পরে কি আর করার, নেক্সট ট্রিপের টু ডু লিস্টে রেখে দিলাম। সরকারী ট্যুরিস্ট অফিসগুলো জোস। এট লিস্ট তারা কাউকে ঠকাবে না মিথ্যা তথ্য দিয়ে অথবা গলা কাটা দাম রেখে বিভিন্ন ট্যুরিস্ট প্যাকেজের জন্য।

ভালো লাগলো পড়তে। "একজন যোগ্য নেতার হাতে পড়লে অল্পদিনেই একটি দেশ কোথায় যেতে পারে মালয়েশিয়া তার জ্বলন্ত উদাহরণ।" যোগ্য নেতা আবারো ক্ষ্অমতায়। এই দেশটি আরো আরো সামনে যাবে।


২৩ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

জুন বলেছেন: আমার লেখাটি পড়েছেন তারেক সিফাত তাতে অনেক খুশী হয়েছি। এই ফায়ার ফ্লাইজ খুব কম লোকেই দেখেছে বিশেষ করে আমাদের সাব কন্টিনেন্টের লোকজন । তাদের প্রথম পছন্দ লংকাভি তারপর গেনটিং । আমাদের ক্রাব আইল্যান্ড ভ্রমনটিও অনেক উপভোগ্য ছিল ।
যোগ্য নেতার কথা মনে হলে শুধু দীর্ঘশ্বাসই বেরিয়ে আসে ।
আশাকরি ভবিষ্যতেও অনেক ঘুর ঘুর করবেন আর আমাদের সাথে শেয়ার করবেন সেই প্রত্যাশা থাকলো তারেক সিফাত ।
শুভকামনা

২৯| ২৩ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

তারেক সিফাত বলেছেন: ক্ষমতায়*

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩২

জুন বলেছেন: :)

৩০| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: মালয়েশিয়াতে সাত বছর পার করলাম এই সব দেখে দেখে।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৩

জুন বলেছেন: অনেক দিন থাকলে আর প্রথম দেখার মত অনুভূতি থাকে না সাজ্জাদ হোসেন । অনেক অনেক ধন্যবাদ পোস্টটি দেখা আর মন্তব্যের জন্য ।

৩১| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
তবে আপনি যে বলেছেন, এদেশে কোন ক্রাইম হয় না। এটা এক দম সত্যি না । এদেশে প্রচুর পরিমাণে ক্রাইম হয় । রক্ত হিম করা সব ক্রাইম হয় এখানে।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৯

জুন বলেছেন: আসলে আমি যখন গিয়েছিলাম এবং এই পোস্ট যখন লিখেছি তখন বাইরের চাকচিক্যতেই মোহিত হয়েছিলাম । পরবর্তীতে তাদের কার্যকলাপ জানতে পেরে অবাক হয়েছি । অত্যন্ত হিংস্র স্বভাবের মালয়িরা থাইল্যান্ডের জন্যও হুমকি স্বরূপ । আমার পরিচিত একজন কে এক চাকরির কথা বলে পাম বাগানে নিয়ে কাজ দেয় । সেই অমানুষিক পরিশ্রম সাথে তাদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে তার পালিয়ে আসার লোমহর্ষক বর্ননা শুনে সত্যি তাজ্জব হয়েছি ।
যাই হোক আপনি যখন আছেন তখন এইসব লেখালেখি আপনার জন্য বিপজ্জ্বনক হতে পারে ।
ধন্যবাদ মুল্যবান মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য ।

৩২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৪৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আমি সব সময় নির্দোষ লেখালিখি করি।
আমার লেখার মধ্যে মজার ও কিছু খুঁজে পাবেন না।

আবার দোষের ও কিছু খুঁজে পাবেন না।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪১

জুন বলেছেন: সেটাই ভালো,
নদীতে বাস করে কুমিরের সাথে ঝগড়া না করাই ভালো :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.