নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched - they must be felt with the heart---Helen Keller

জুন

ইবনে বতুতার ব্লগ

জুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

অপরূপা চন্দ্রঘোনায় কাটানো কিছু দিন

২৩ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:১৩


লুসাই পাহাড় থেকে নেমে আসা কর্নফুলী নৃত্য তরংগে ধেয়ে যাচ্ছে সাগর মোহনায়


আমার ছোট বেলায় এক অপার আনন্দ নিয়ে এসেছিল তিন মাস চন্দ্রঘোনায় অবস্হান। চিটাগাং থেকে চন্দ্রঘোনায় আব্বা বদলী হয়ে গেলেন তার কিছুদিন পরে আমাদেরকেও নিয়ে গেলেন সেই অপূর্ব জায়গাটি তে যার স্মৃতি আমি আজও ভুলতে পারিনি। আজ তাই আপনাদের কেও জানাই আমার সেই অনুভূতির কথা।

কর্নফুলী পেপার মিলের একটু আগেই ছোট্ট টিলার উপর ছিল আমাদের বাংলো্টি। মাটির চাংগড় কেটে কেটে তার উপর চ্যপ্টা পাথর দিয়ে বানানো সিড়ির ধাপ টপকে টপকে টিলার উপর উঠতেই দেখি কি সুন্দর এক বাংলো আমাদের জন্য অপেক্ষমান। সামনে পেছনে বড় বারান্দা আর সাথে বিশাল সাইজের মোট ছয়টি ঘর ।আমাদের বাংলোটি ছিল বাশেঁর তৈরী, চার পাচটা বাশেঁর বেড়াকে একসাথে করে কাঠের ফ্রেমে আটকানো,প্রায় ইটের দেয়ালের মতই মোটা আবার ঘরটা ঠান্ডাও থাকতো, ছাদও ছিল বাঁশের তবে মেঝেটা ছিল মসৃন সিমেন্টে বাধানো।

আমরা তিন ভাইবোন আর আব্বা আম্মা ঘরে ঢুকলাম।আব্বা আগেই আমাদের লোক দিয়ে বাসাটা গুছিয়ে রেখেছে। ফার্নিচার সাজানো বিরাট এক একটি রুম । এটা ছিল পেপার মিল তৈরীর জন্য আসা বিদেশী ইন্জিনিয়রদের থাকার বাংলো। ইলেকট্রিসিটি,ট্যাপের পানি এটাচড্ বাথরুমে বেসিন শাওয়ার সবই ছিল। মোদ্দা কথা সে সময়ে বড় যে কোনো শহরের চেয়েও এত দুর একটি জায়গায় আরাম আয়েশের কোনো অভাব ছিলনা।

সামনে বড় বারান্দায় পাতা আরাম কেদারায় বসলেই চোখে পরতো আমার আব্বার যত্নে আবার প্রান পাওয়া ফুলের বাগান যেখানে বিশাল লাল লাল গোলাপ ফুটে আছে। সেই বাগানের মাথার উপর দিয়ে দুরের সবুজ পাহাড়গুলো স্পষ্ট দেখা যেত । বাসার পেছনে আর পাশে ছিল জন বসতি হীন ঘন সবুজ ছাওয়া ছোটো ছোটো টিলার সারি। বিভিন্ন গাছ আর দূর্ভেদ্য বন জংগলে ভরা ঐদিক দিয়ে কারো চলাফেরা করা ছিল অসম্ভব। নির্জনতা নিরিবিলি আর নিরাপত্তা তিনটি বৈশিষ্টই ছিল বিদ্যমান ।

পাশেই একটা শিউলী ফুলের গাছ প্রতিদিন কাজ ছিল তার ক্লান্তিবিহীন অজস্র ফুল ফোটানো যা ভোর বেলায় ঝড়ে পড়তো। আর আমার কাজ ছিল তা কুড়িয়ে এনে মালা গাথা। একটু দুরে আব্বার অফিসের দুজন কর্মচারীর বাসা। পেছনে কয়েক হাত দুরে রান্নাঘর যা আমার মা কোনোদিনও ব্যাবহার করেনি।বাসাতেই কত খালি ঘর তার একটাই স্টোভ আর হিটার দিয়ে রান্নাঘর বানানো হোলো।

পাথরের ধাপ বেয়ে উঠতে আম্মার কস্ট হতো।তাই আব্বা একদিন ক্যাটার পিলার এনে গোল করে ঘুরিয়ে রাস্তা কাটালো।সেদিন যে কি মজা হয়েছিল।আমরা খালি পায়ে ভেজা ভেজা কাদা নয় সেই মাটির রাস্তায় দৌড়ে উঠছি নামছি।একদিকে বন তুলশীর ঝোপ তার একটা উগ্র বন্য গন্ধ, নাম না জানা কত ছোটো ছোটো ফুল ফুটে আছে ঝোপ ঝোপ গাছগুলোতে। কি যে সুন্দর আমি যতই লিখি তা ফুটিয়ে তোলার মতন ক্ষমতা আমার নেই।

আমাদের টিলার নীচে সামনেই বেশ বড় মাঠ। ছেলেরা ব্যাডমিন্টন ফুটবল এসব খেলতো।মাঝে মাঝে নীচে এবাড়ি ও বাড়ি বেড়াতে যেতাম। আমি আবার ছোটো বেলা থেকেই একটু প্রকৃতি প্রেমিক। তাই আমার ভালো লাগতো সেই পাশের টিলাটা যাতে ফুটে থাকতো অজস্র বন্য ড্যানডেলিয়ন যার পাপড়িগুলোকে আমি ফু দিয়ে বাতাসে উড়িয়ে দিতাম। প্রায় বিকেলে একা একা পাশের টিলাটায় উঠে বসে থাকতাম আর চেয়ে চেয়ে দেখতাম আর অনূভব করতাম সেই অপূর্ব সৌন্দর্যকে। আর ভালোলাগতো আমাদের বাগানের সেই বড় বড় লাল গোলাপগুলোর দিকে চেয়ে থাকতে।

দিনগুলো ভালোই কাটছে পড়াশুনা নামে মাত্র। সবসময় একটা বেড়ানো বেড়ানো ভাব।আব্বা একদিন আমাদের ভাইবোনদের কর্নফুলী পেপার মিল দেখাতে নিয়ে গেল।ছোটো ছিলাম অত মনে নেই তবে এটুকু মনে আছে এক বিশাল কান্ডকারখানা।নদী দিয়ে কত দুর দুরান্ত থেকে ভাসিয়ে নিয়ে আসা বাশঁগুলো একদিক দিয়ে একটা ফানেলের মত মেশিনে ঢালছে সেখান থেকে ছোটো ছোটো টুকরো হয়ে আরেক মেশিনে। সেখানে টুকরোগুলো মিশে একটা মন্ড তৈরী হচ্ছে সেগুলো আমরা হাতে নিয়ে দেখলাম,নরম কাদার মত। সেই মন্ডগুলো রোলারের মধ্যে দিয়ে গিয়ে কাগজ হয়ে বের হয়ে আসছে, কি অদ্ভূত! তার পর সেই কাগজ বড় বড় রোলারে পেচিয়ে রেখে বিভিন্ন সাইজ করে কেটে রাখছে। আশ্চর্য হয়ে দেখছিলাম সেই অভূতপূর্ব ঘটনা। চলে আসার সময় মিল কতৃর্পক্ষ আমাদের কিছু কাগজ গিফ্ট করলো।আমরা কখন বাসায় আসবো কখন আম্মার কাছে গল্প করবো তার জন্য দৌড় লাগালাম টিলার নতুন পথটার গোড়ায় এসে।

এরপর একদিন রেয়ন মিল ভ্রমন তবে ঐ মিলের কিছুই আমার মনে নেই কারন সেটা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বহু আগেই। এরপর সেই লুসাই পাহাড় থেকে নেমে আসা অপরূপ সুন্দর কর্নফুলী নদী পার হয়ে মগ পল্লী বেড়ানো। একদিন আম্মা আমাদের ব্যক্তিগত কাজের জন্য যে সিপাহী ছিল সামসু কাকা তাকে বল্লো আমাদের নদী আর তার ঐপারে ঘুরিয়ে আনার জন্য।সে আমাদের তিন ভাইবোনকে নিয়ে চল্লো। আমার বড় ভাই ছিল ঢাকায় সে একটু উচু ক্লাশে পড়তো বলে তাকে এই ভ্রমন কাম ট্রান্সফারে নিয়ে আসা হয়নি।

যাক আমরা খুব খুশী খুশী।সাম্পানে করে নদী পার হচ্ছি, শীতকাল নদীর পানি সরের মত স্হির।আমি এখনও পর্যন্ত নৌকায় বসলে আর ঢেউ না থাকলে হাত বা পা না চুবিয়ে থাকতে পারিনা। ঢেউ নেই আমি বার বার হাত দিচ্ছি পানিতে আর সামসু কাকা বার বার বলছে পানিতে হাত না দেয়ার জন্য।কারণ নদীতে তার ভাষায় কামট আছে।কামট কি তখন বুঝিনি এখন মনে হয় কুমীর জাতীয় কিছু হবে!

যাক ঐ পারে গেলাম পাহাড়ের মাঝে কি নিরিবিলি গাছ পালায় ছাওয়া মগ পল্লী। কাঠের খুটির উপর মাচা করে ওদের ঘর। মাটির পথ বেয়ে হেটে হেটে যাচ্ছি সামসু কাকা বর্নণা দিচ্ছে।মগদের নাপ্পী খাবার কথা, মহিলা তান্ত্রিক সমাজ, পুরুষরা কোনো কাজ করেনা তারা খালি মদ খায় ইত্যাদি ইত্যাদি।আমরাও দেখলাম ছেলেগুলো বসে আছে আর মহিলারা কাঠ কাটার মতন শক্ত কাজ থেকে শুরু করে সবই করছে।একটা লোককে দেখলাম বিরাট এক দা ধার দিচ্ছে পাথরে ঘসে ঘসে। যথারীতি সামসু কাকা জানালো এটা দিয়ে তারা মানুষের মাথা কাটে! ভয়ে আমরা তিন ভাইবোন জড়োসড়ো।আরেকটু এগোতেই সামসু কাকার তথ্য প্রমান করে এক মগ পুরুষ মদ খেয়ে মাটিতে গড়াচ্ছে আর ভীষন চেঁচামেচি করছে, বৌটা নির্বিকার ভাবে তার হাতের কাজ করেই চলেছে।ভয়ে সেখান থেকে সরে আসলাম।

ঘুরতে ঘুরতে বেশ বেলা হোলো। পাহাড়ের উপর থানা সেখানেও গেলাম খুবই সুন্দর চারিদিকের প্রাকৃতিক দৃশ্য যা আমরা আগেই শুনেছিলাম। ওখানে আমাদের বিস্কিট আর পাহাড়ী কলা খেতে দিল। এরপর আমরা ফিরে আসছি, আবার সেই নদী সাম্পান আবার সেই হাত চুবানো।সামসু কাকা বার বার না করছে আর ভয়ংকর কামটের ভয় দেখাচ্ছে আর আমার হাত অজান্তে চলে যাচ্ছে পানিতে।

হটাৎ ঠাস্ করে আমার গালে এক চড়। সাম্পান ভর্তি লোকের সামনে এমন অভুতপুর্ব ঘটনা। আমিতো হতভম্ব হয়ে সামসু কাকার দিকে একবার তাকিয়েই মাথা নীচু করে রইলাম,অধিক শোকে পাথরের অবস্হা। সামসু কাকা অপ্রস্তত। আমার ছোটো ভাইবোনরা তো থ।আর আমি যে কিনা এখোনো পর্যন্ত প্রচন্ড অভিমানী কেউ একটা খোঁচা বা কঠিন কথা বল্লে কেঁদে ভাসাই,কতদিন পর্যন্ত মন খারাপ থাকি।আর ছোটো বেলার অবস্হাতো আরও ভয়ংকর, না খেয়ে থাকা, ঘরের পেছনে লুকিয়ে থাকা, আব্বা যেয়ে খুজে এনে নিজের হাতে ভাত মেখে খাইয়ে দেয়া কত ঘটনা।
আম্মার হাতে এই জীবনে দু একবার হালকা করে চুল টানা ছাড়া আর কোনো নির্যাতনের কাহিনী নেই, সেই আমি!!

নৌকা ঘাটে ভিড়ল, আমার পা চলছেনা আস্তে আস্তে হেটে বাসায় আসছি ।চোখের পানিতে রাস্তা ঝাপসা হয়ে আসছে।গলার মধ্যে কান্না দলা পাকিয়ে ব্যথা করছে ।ভাইবোনরা চুপ, তারা খালি আমাকে দেখছে লুকিয়ে লুকিয়ে।
বাসায় এসেই সোজা পিছনের পরিত্যক্ত রান্নাঘরটায় গিয়ে একটা কাঠের গুড়ির উপর বসার সাথে সাথে এতক্ষনের জমানো কান্নার ধারা নেমে আসলো।পরে শুনেছিলাম আমার মার কাছে ভাইবোনের নালিশ দেয়া, আম্মার কাছে সামসু কাকার হাতজোড় করে মাফ চাওয়া ইত্যাদি। তারতো সরকারী চাকুরী, চলে না গেলেও শাস্তিমূলক বদলী তো অবশ্যাম্ভাবী।
প্রচন্ড নরম মনের অধিকারী আমি সামসু কাকার করুন মুখের দিকে চেয়ে এতো খারাপ লাগছিল বলার নয়।

পরদিন আব্বা বারান্দায় তার বহুবার পড়া শরৎ রচনাবলী পড়ছে ইজিচেয়ারে আধশোয়া হয়ে আর মাঝে মাঝে বাগানের গোলাপ গুলোর দিকে চেয়ে দেখছে। আমি আস্তে করে চেয়ারের হাতলটায় বসলাম।আব্বা এক হাতে আমাকে জড়িয়ে ধরে বল্লো 'কিছু বলবে মা?' আমি আব্বার কাধে মুখ লুকিয়ে বল্লাম 'আব্বা তুমি সামসু কাকাকে শাস্তি দিওনা'।
আব্বু বললো "কেন সে তো তোমাকে চড় মেরেছে" !
আমি বল্লাম 'আমার যে ভীষন খারাপ লাগছে ওনার জন্য, কোথায় কোন গহীন জঙ্গলে বদলী হবে, কতদিন পর পর বাড়ী গিয়ে ছেলেমেয়েদের দেখবে, তাছাড়া সেতো আমায় নিষেধ করেছিল কামট আমাকে কামড়ে দেবে বলে আমিওতো তার কথা শুনিনি'।

আব্বা কিছুক্ষন আমার মুখের দিকে চেয়ে বল্লো, "তাই হবে মা তুমি যা চাও"।মন থেকে একটা ভার নেমে গেল যেন।

আব্বাও অনেক নরম মনের মানুষ ছিলেন তার মুখের দিকে চেয়ে মনে হোলো সেও ভারমুক্ত হোলো।



পরিবর্তিত ও পরিমার্জিত ।

মন্তব্য ৭০ টি রেটিং +২০/-০

মন্তব্য (৭০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় আপুনি,

স্মৃতিকথা কথা পড়তে ভীষণ ভালো লাগে,যার প্রধান একটি কারণ স্মৃতিকথা পড়তে পড়তে স্মৃতিকাতর হয়ে হয়ে যাওয়া । আপনার শৈশবের স্মৃতি কথা পড়ে অসম্ভব ভালো লাগলো। ভালো লাগলো পাহাড়ি জংলি ফুলের দেশে, অসম্ভব মায়াবী পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া। নৌকা বিহার কালে সামসু কাকার আপত্তি অগ্রাহ্য করার জন্য আপনাকে চর প্রদান ও পরে বদলির ভয়ে আপনার কাছে এসে বিনয়ের সঙ্গে ক্ষমা চাওয়া এবং আপনার বাবার শাস্তি মওকুবের দৃশ্য সবই যেন জীবন্ত হয়ে চোখের সামনে ভেসে উঠলো । সুন্দর সাবলীল বর্ণনা ,পোস্টে ভাল লাগা রেখে গেলাম । ++

শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন ।

২৩ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

জুন বলেছেন: প্রিয় ব্লগার পদাতিক চৌধুরী
অল্প সময়ের মধ্যেই আপনি আপনার আন্তরিক মন্তব্য আর বিনয়ী ব্যবহারের জন্য অনেকের প্রিয় হয়ে উঠেছেন যার মাঝে আমিও আছি ।
জী এই স্মৃতিগুলো সবটুকুই সত্যি এখানে কোন ভেজাল নেই, নেই সামান্য মিথ্যার মিশ্রন তাই হয়তো মনে দাগ কেটে যায় ।
বর্তমানে সামুর পলিশির জন্য ছবি দিতে পারি নি । এমন অবস্থা কারো পোষ্ট পড়াও হয় কম , মন্তব্য করা হয় আরো কম। তারপর ও চালু থাকুক আমাদের প্রান প্রিয় ব্লগ । আপনিও ভালো থাকুন পদাতিক ।
অসংখ্য ধন্যবাদ ও শুভকামনা রইলো ।

২| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:০৮

মা.হাসান বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর বর্ননা দিয়েছেন চন্দ্রঘোনা ও আসপাশের এলাকার। এই বয়সে এসে আমার অবশ্য জায়গার সাথে সাথে জায়গার মানুষদের সম্পর্কে আগ্রহও বেড়েছে, তবে ঐ বয়সে আপনার পক্ষেতো আর সম্ভব ছিল না একা ঘুরে এরচেয়ে বেশি মানব চরিত্র বিশ্লেষন করার। আমার ধারনা ছিল মাতৃতান্ত্রিক সমাজ শুধু গারো এলাকায় সীমাবদ্ধ, মগদের মাঝেও তা আছে জানা ছিল না।

ছবি কেউ কেউ দিতে পারছেন কেউ কেউ পারছেন না, কেন এমন হচ্ছে বুঝছি না।

২৩ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

জুন বলেছেন: মা.হাসান আপনিও যে এক মনযোগী পাঠক তা আপনার মন্তব্যের প্রতিটি লাইনেই ফুটে উঠেছে ।আপনার মত মানব চরিত্র বিশ্লেষন পরিনত বয়স থেকে আমারও ভালোলাগার একটি বিষয় ।
মাতৃতান্ত্রিক সমাজ শুধু গারো এলাকায় সীমাবদ্ধ, মগদের মাঝেও তা আছে জানা ছিল না। গারো মগ নয় আমার ধারনা এর চৌহদ্দি আমাদের ভৌগলিক সীমারেখা ডিংগিয়ে অনেক দেশেই বিস্তৃত ।
মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ।
যারা ছবি দিতে পারছে তারা মনে হয় এখনো খবরদারির আওতায় আসে নি :)
তাদের জন্য শুভকামনা ।

৩| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:০৮

আফনান সায়েম বলেছেন: এই জায়গার প্রকৃতির হওয়াটা মনমুগ্ধকর। মনে কেমন যেন একটা শান্তি শান্তি ভাব লাগে, সাথে তো কর্ণফুলীর পরিবেশ। আহহহ

২৩ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪২

জুন বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম আপনার আফনান সায়েম । আপনার মন্তব্য দেখে মনে হলো জায়গাটি আপনারও পরিচিত । আসলেও ভারী সুন্দর ছিল সেসময় কর্নফুলীর আশপাশ ।
অশেষ ধন্যবাদ রইলো মন্তব্যের জন্য ।

৪| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:১২

রাজীব নুর বলেছেন: সহজ সরল সুন্দর পোষ্ট।

২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৪

জুন বলেছেন: আমার মত :`>

মন্তব্যে অনেক ধন্যবাদ রাজীব নুর ।

৫| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:০০

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: আপুনি প্রকৃতি আর ছেলে বেলা স্মৃতিচারণ ভীষণ ভার লেগেছে। বুঝতে পেরেছি যে আপুটি নানান যায়গার ছবি দিয়ে মুদ্ধ করতো প্রতিটি বেলায় আজ তার পোস্ট চিত্র বিহীন! বর্ণনাতেই বুঝে গেছি যায়গাটা তখন কেমন ছিল।

২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫২

জুন বলেছেন: যে আপুটি নানান যায়গার ছবি দিয়ে মুদ্ধ করতো প্রতিটি বেলায় আজ তার পোস্ট চিত্র বিহীন!
আপনি আমার দুঃখ বুঝতে পেরেছেন মাহমুদুর রহমান সুজন :(
তিন দিন ধরে চেষ্টা করে ভাবলাম যাহ ছবি ছাড়াই দিয়ে ফেলি ।
মন্তব্যে অনেক ভালোলাগা রইলো আমার দীর্ঘদিনের সহ ব্লগারকে :)

৬| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

শায়মা বলেছেন: কর্ণফুলি পেপার মিলে আমিও গিয়েছিলাম আপু! রসগোল্লার মত বড় বড় জামরুল ভুলবোনা কোনোদিন! :)

২৪ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৪

জুন বলেছেন: শায়মা
সেখানে রসগোল্লার মত বড় বড় জামরুল ছিল না।
আর তাতেই আমি পরিস্কার বুঝে গিয়েছি তুমি কক্ষনো কর্নফুলী পেপার মিলে যাও নি ;)
=p~
অনেক ভালোলাগা জেনো সাথে শুভকামনাও ।

৭| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০২

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুব ভাল লাগলো পড়ে। আমাদের দেশের প্রকৃতি আসলেই অপরুপ। খুব সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। ভাল লাগলো কাগজ বানানোর বর্ননা পড়ে, মগের মুল্লুকে মগদের কাহিনী পড়ে।

২৪ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৮

জুন বলেছেন: আমাদের দেশের প্রকৃতি আসলেই অপরুপ।
আপনার এ কথার সাথে দ্বিমত করার কোন অবকাশ নেই ঢাবিয়ান ।
মহেশখালি আর সিলেট ছাড়াও আমার দেশের অনেক জায়গার অনিন্দ্য সেই রূপের কথা আমার বিভিন্ন লেখায় ছবির সাহায্যে তুলে ধরেতে চেষ্টা করেছি ।
ভালোলাগার জন্য অনেক ভালোলাগা রইলো আমার তরফ থেকেও ।

৮| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১১

মলাসইলমুইনা বলেছেন: প্রিয় ব্লগার জুন,
তাইতো বলি আপনাকে আমার এতো চেনা চেনা মনে হয় কেন ! চিটাগাঙে সেবার আপনাকে আমি ঠিক দেখেছিলাম । হাহাহা ।জাস্ট কিডিং ।
আমার ছোট বেলার একটা সময় কেটেছে চিটাগাংয়ে।সেই চিটাগাং-এ কাটানো আপনার ছোটবেলার কথাগুলো তাই মনে হয় বেশি ভালো লাগলো।কর্ণফুলী পেপার মিল মনে হয় এখন আর প্রোডাকশনে নেই, তাই না ? ছোটো বেলার স্মৃতি জাগানো কিছু জায়গার কাছাকাছি কখনো আর যাওয়া যাবে না মনে করে আপনার যদি কখনো খারাপ লাগে তাহলে জানবেন চিটাগাং নিয়ে সেরকম খারাপ লাগা আমারও আছে । আমাদের হাসি খেলার শত স্মৃতিমাখা সেই স্টিল মিলটাওতো এখন বন্ধ !অনেক ভালো লাগা নিয়ে পড়লাম লেখাটা।ভালো লাগার সাথে কিছু ক্ষোভ জড়িয়ে রইলো।সেটা মডারেটরকে জানিয়ে দিচ্ছি। অচিরেই মূল লেখায় ফটো দেবার অপশনটা ওপেন করুন । প্রিয় ব্লগারের এই মায়া জাগানিয়া লেখায় ছোটবেলার স্মৃতি জড়ানো চিটাগাঙের দশটা অসাধারণ ফটো দেখতে পেলাম না এতো জুলুম হয়ে গেলো আমারদের ওপর । এই জুলুমের অবসান দরকার খুব তাড়াতাড়ি । আমেন ।

২৪ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:৪৮

জুন বলেছেন: প্রিয় ব্লগার,
আমিও মনে হয় আপনাকে চিনতে পেরেছি মলাসইলমুনা। সেই চিটাগাং এর বাটালি হিলে একবার টিং টিং এ ফর্সা মত এক কিশোরকে দেখেছিলাম ভাবুক ভাবুক চেহারা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সুদুরের পানে চেয়ে B-)
আমার জীবনেরও বেশ অনেকটা বছর কেটেছে চিটাগাং সীতাকুন্ড আর চন্দ্রঘোনা মিলিয়ে । খুব খুব প্রিয় সেই দিনগুলোর স্মৃতি আমাকে আজও নষ্টালজিক করে তোলে । কারন এর পরেই আমার মায়ের ক্যন্সার ধরা পরে আর মিলিয়ে যায় আমাদের পরিবার থেকে সব আনন্দ ।
আপনার ক্ষোভ শীঘ্রই মডারেটরের কান তক পৌছাক সেই প্রত্যাশা রইলো :)
অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর আন্তরিক একটি মন্তব্যের জন্য । ভালো থাকুন সবসময় সেই কামনা করি ।

৯| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,




যাতে দেরী করে না ফেলি তাই তাড়াতাড়ি ঢুঁ মেরে হাজিরা দিয়ে গেলুম। মন্তব্য তোলা রইলো ছবি বিহীন এই পোস্টের জন্যে। ফিরে এসে আপনার শিউলী ফুলের গাছের মতো অজস্র কথার ফুল ঝরিয়ে যাবো।
ব্লগে হামাগুড়ি দিয়ে চলতে হচ্ছে বলে আমার নিজের পোস্টেরই অনেকগুলো মন্তব্যের প্রতিমন্তব্য করা হয়নি। সেদিকটা কিছুটা সামলে আবার আপনার সাথে চন্দ্রঘোনা সফরে বের হবো না হয়। ততোক্ষন ...............

২৪ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৮

জুন বলেছেন: প্রিয় ব্লগার আহমেদ জী এস,
আপনি তো ঠিক সময়েই এসেছেন কিন্ত আমিই তো দেরী করে ফেলেছি উত্তর দিতে :(
সংসারের হাজার বায়নাক্কা সামলিয়ে ব্লগিং। কত কষ্ট করে যে আসতে হয় তার উপর এখন নতুন উপদ্রব লগ ইন হওয়া।
যাই হোক এই মন্তব্যের উত্তর দিতে না দিতে আপনি ঝাকি দিয়ে শুধু ফুল ঝরিয়েই যান নি আবার সেই ফুলের মালাও গেথে গেছেন :)
অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য ও হাজিরায়। ভালো থাকুন নিশিদিন।

১০| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:

চন্দ্রঘোনা সুন্দর ছিলো এক সময়ে।

সীতাকুন্ড পাহাড়ের চুড়ায় মন্দিরে গিয়েছিলেন কতবার?

২৪ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০৮

জুন বলেছেন: আমি চন্দ্রঘোনার যেই সৌন্দর্য অবলোকন করেছি তারপর আর যাই নি কখনো তার জরাজীর্ণ চেহারা দেখতে চাঁদগাজী । আমি ভালো করেই জানি আমরা কিছুর সৌন্দর্য বর্ধন করতে গেলেই প্রথমেই আমাদের খড়গ হস্ত পরে বৃক্ষরাজির উপর।
চন্দ্রনাথ মন্দিরে আমি ২৫ থেকে ৩০ বার তো কমপক্ষেই উঠেছি। আর নীচের শংকর মঠ আর শয়ম্ভুনাথ মন্দিরে অগুনতি বার :)
মন্তব্যের জন্য অজস্র ধন্যবাদ আপনাকে।

১১| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


চন্দ্রনাথে উঠেছেন তো?

২৪ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০৫

জুন বলেছেন: অবশ্যই চাঁদগাজী, কতবার ।
আরেকবার আসার জন্য অশেষ ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

১২| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

নজসু বলেছেন:




ফেলে আসা দিনগুলো কখনও মুছে যায়না।
স্মৃতিপটে জ্বলজ্বল করে জ্বলতেই থাকে।

ব্লগের সমস্যার কারণে আমিও আপনার সুন্দর ছবিগুলো মিস করছি।
দেখার প্রত্যাশাটা কিন্তু জিইয়ে রাখলাম আপা।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:০১

জুন বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ নজসু। বেশ অনেকদিন পর মনে হচ্ছে আপনাকে দেখলাম। অবশ্য ব্লগের এই হাত পা বাধা অবস্থায় অনেকের আসাই দুঃসাধ্য। ভালো থাকুন।

১৩| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:০৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,




কথা ফেলি কি করে! এতো তাড়াতাড়ি আসতেই হলো কারন এখানে পোস্টের সল্পতা, না বলার মতো পাঠকসংখ্যা আর মন্তব্যের খরাতে তেমন কিছু করার নেই বলে।
একটা রূপকথার দেশের গল্প বলে গেলেন। যেখানে গল্পের রাজকুমারী তার চারপাশে প্রকৃতির যাই-ই দেখে তাতেই মুগ্ধ হয়। লুসাই পাহাড় থেকে নেমে আসা কর্ণফুলির মতোই যে বেগবান আবেগে, উচ্ছলতায়। তার ভেতরে আবার বাস করে অভিমান, দয়া-মায়া। প্রকৃতির মাঝে প্রজাপতির মতো উড়ে বেড়ানো সেই রাজকুমারী আর তার রূপকথার দেশের ছবি যদি এখানে দেখা যেতো তবে মনে হতো শৈশবের " ঠানদিদির থলে " বইটির সচিত্র কাহিনী পড়ছি।

কিন্তু ভাগ্য খারাপ আমাদের। এমনিতেই ব্লগে ঢোকা কঠিন, তারও চেয়ে কঠিন কিছু লেখা, তার উপরে কর্তৃপক্ষ মাথা ব্যথা সারাতে মাথাটিই কেটে ফেলে দিয়েছেন। কেউ কেউ লেখাতে ছবিই যোগ করতে পারছেন না। যেমন পারছিনে আমিও। এ হলো চিনি ছাড়া পায়েস খাওয়ার মতো।
কর্তৃপক্ষ আগেও তেমন করেছেন , লেখা চুরি করা আটকাতে ব্লগারদেরকেই আটকে দিয়েছেন। অথচ একটি পোস্টের সবটুকু সিলেক্ট করে কপি করা যাচ্ছে অনায়াসেই। এ যেন "বজ্র আঁটুনী ফস্কা গেড়ো"।

আমাদের মন খারাপ দেখে আপনার বাবার মতো ব্লগ কর্তৃপক্ষও কি বলবেন -" তাই হবে, আপনার যা চান...." ?

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫

জুন বলেছেন: আপনিতো তাড়াতাড়ি আসলেন কিন্ত আমারতো উত্তর দিতে দেরী হয়ে গেল আহমেদ জী এস।
কি যে বলেন রূপকথা! এটা একেবারে সত্য ঘটনা। একটি কাল্পনিক কথাও যোগ করিনি পুরো পোস্টে :)
আসলেই যে আমি প্রায় পোস্টেই নিদেনপক্ষে ২০/৩০ টা ছবি যোগ করি সেখানে এক নিরামিষ পোস্ট। তবে সে সময় কোন ছবি তোলা হয়নি আর আমিও ছিলাম খুবই ছোট। আর ব্লগও তখন ছিল না। সুতরাং ছবি দিতে হলে গুগুল মামার বাসায় যেতে হতো ;)
আপনার মত আমিও মনে করি পোষ্টএ ছবি দেবার অপশন থাকলে ভালো হতো। দেখি কাল্পনিক কি করে।
আরেকবার এসে এত সুন্দর একটি মন্তব্য করে গেলেন তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা অফুরা।

১৪| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: দুপুরে গল্পটা পড়ে প্রথম প্লাসটা আমিই দিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু তখন মন্তব্য করার সময় হয় নাই। যাকগে, মন্তব্য করতে খুব বেশী দেরী করে ফেলিনি মনে হয়! :)
স্বাধীনতার পর পর একবার চন্দ্রঘোনা কাগজ কলে বেড়াতে গিয়েছিলাম, কলেজ এক্সকার্শন দলের সদস্য হয়ে। কী দেখেছিলাম, তার কিছুই তেমন মনে নেই, শুধু জলে ভেসে আসা বাঁঁশের ভেলা, আর আপনার ভাষায় নরম কাদার মত চূর্ণিত বাঁঁশের মন্ড ছাড়া। এর পরে ৭৭ সালে আবারো গিয়েছিলাম, একটি সাংগঠনিক সফরে। ছায়াঘেরা মায়ামাখা বনকুন্তলের অপরূপ সৌন্দর্য্ ছাড়া সে সফরেরও আর কিছু মনে নেই। তখন মনে ভাবনা এসেছিল, এমন নির্জন পরিবেশে কাগজ কলের কর্মকর্তা/কর্মচারীরা থাকে কি করে?
স্মৃতিজাগানিয়া পোস্ট পড়ে খুব ভাল লাগলো।

২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৬

জুন বলেছেন: প্রথমেই আমার লেখাটি পড়ে প্লাসটি যে আপনিই দিয়েছেন তার জন্য অনেক ভালোলাগা খায়রুল আহসান।
আপনিও আমার স্মৃতি বিজড়িত স্থানটি দেখে এসেছেন? সত্যি অদ্ভুত মাদকতাময় এক সৌন্দর্য নিয়ে পাহাড়ের কোলে লুকিয়েছিল চন্দ্রঘোনা অঞ্চল। যে তার সেই রূপ দেখেছে সে ভাগ্যবান।
আপনি দুই দুই বার ঘুরে আসলেন তখন নিশ্চয় কিছু স্মৃতি আপনার মনে আছে। আশাকরি একদিন তা আমাদের সামনে তুলে ধরবেন।
সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা।

১৫| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: লেখাই যখন ছবি হয়ে যায় তখন আর ছবির কি প্রয়োজন! ;)

একেবারে যেন চোখের সামনে ভেসে বেড়ানো জ্যান্ত ছবির মতোই অসব অনুভুত হলো।
দারুন স্মৃতি!
আহা!
পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কিরে হায় - - - -

++++++

২৬ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫৮

জুন বলেছেন: মন্তব্যের প্রথম লাইনে অশেষ ভালোলাগা ভৃগু। ছবি জুড়ে দিতে না পেরে খারাপ লাগছে বটে তবে ক্ষতি থেকে যদি লাভ হয় তবে ক্ষতিই ভালো :)
আন্তরিক মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ সাথে শুভকামনাও রইলো।

১৬| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:১৬

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ১৩ নম্বর মন্তব্যের সাথে সহমত।

২৬ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

জুন বলেছেন: আমিও মাহমুদূর রহমান :).
লেখাটি পড়ে মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১৭| ২৩ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৩৫

শায়মা বলেছেন: স্যরি আপু সেটা ছিলো পাকশী পেপার মিল!

২৬ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০২

জুন বলেছেন: শায়মা তোমার প্রথম মন্তব্য দেখে আমিও সৃতির পাতা আতিপাতি করে খুজতে বসেছিলাম। যাক তার আগেই তুমি দ্বিতীয় মন্তব্য করে কষ্টের হাত থেকে রেহাই দিলে :`>
অনেক অনেক ধন্যবাদ আবার এসেছো বলে।

১৮| ২৪ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:৫১

সুমন কর বলেছেন: প্রথমে এতো সুন্দর জায়গায় ছিলেন, পড়তে পড়তে একটু হিংসে হচ্ছিল..!! আর ছবি যুক্ত না করাতে পাঠকরা হয়ত কিছু সুন্দর ছবি দেখতে পেল না। তবে মনকাড়া লেখায় সেটা পুষে গেছে। পরে সামসু কাকার ঘটনা পড়ে মনটা একটু কেমন জানি হয়েছিল !! আপনি শেষ পর্যন্ত ভালো কাজটিই করেছেন।
+।

২৭ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৪

জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্য পড়ে খুব ভালোলাগলো সুমন কর ।
ছবি তো আর তখন তুলতে পারি নি দিলে হয়তো নেট থেকেই দিতে হতো :)
যা আজ একটি দিয়েছি ।
আপনি শেষ পর্যন্ত ভালো কাজটিই করেছেন।
ধন্যবাদ আপনাকে ।

১৯| ২৪ শে মার্চ, ২০১৯ ভোর ৪:১৬

বলেছেন: লাকি গার্ল আপনি হুম!!
প্রকৃতির মেয়ের কাছ থেকে এমন মায়াময় অদেখা জায়গার বর্ণনা পড়ে মনে হলো যেন নিজ চোখে দর্শন করছি।



মগদের জীবন নিয়ে আরো কিছু জানাবেন কোন এক সময়।

ভালো থাকুন।

২৭ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭

জুন বলেছেন: লাকি গার্ল আপনি হুম!!
প্রকৃতির মেয়ের কাছ থেকে এমন মায়াময় অদেখা জায়গার বর্ণনা পড়ে মনে হলো যেন নিজ চোখে দর্শন করছি।

এত সুন্দর একটি মন্তব্যের উত্তর দিতে বড্ড দেরী করে ফেলেছি । আশাকরি ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখবেন ।
মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ ল

২০| ২৪ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:২২

সোহানী বলেছেন: আরে ছোটবেলার অনেক বড় একটা সময় চন্দ্রঘোনাতে কেটেছে কারন আমরা তখন চিটাগায় থাকতাম আর ফুফা চন্দ্রঘোনা কাগজ মিলে জব করতো। হয়তো আপনার বাবাকে চিনতে পারেন উনি। দারুন একটা বাংলো টাইপের বাসা ছিল তখন। পাশে পাহাড়ে প্রায় আমরা চলে যেতাম মগদের পাড়া পেরিয়ে। সেখানে ছোট ছোট জংলী আম কুড়াতাম সবাই মিলে। ফুফু খুব রাগ করতো কারন এতো আমার বাসায় রেখে আমরা যেতাম আম কুড়াতে। আহ্ অনেক আগের কত কথা মনে পড়ে গেল।

অসাধারন স্মৃতি চারন। আপনাদের এ ধরনের লিখা দেখলে নিজেরও কিছু বলতে ইচ্ছে করে।

২৭ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৫৩

জুন বলেছেন: বাহ সোহানী আপনার ছোটবেলার একটি সময় আমার স্মৃতি বিজড়িত জায়গায় কেটেছে জেনে খুব ভালোলাগলো । জানি না এখন কি অবস্থা । পাহাড়গুলো সব কেটে ফেলেছে কি না কে জানে । সেই ঘন সবুজ অরন্য উধাও! চির যৌবনা কর্নফুলীর কি বুড়িগংগার মতই মৃতপ্রায় এসব প্রশ্নের উত্তর জানতেও ভয় করে ।
আপনাদের এ ধরনের লিখা দেখলে নিজেরও কিছু বলতে ইচ্ছে করে। আশাকরি খুব শীঘ্রই আপনার কাছ থেকে এমন লেখা দেখতে পাবো ।
পোষ্টটি পড়া ও মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ সোহানী । শুভকামনা সবসময়ের জন্য :)

২১| ২৪ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:১৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আহা! ছবি যুক্ত করা যাচ্ছেনা।

তাই আপনার পোস্টটা একটু ম্লান।

তবে বর্ণনা অসাধারণ।
++++

২৭ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৫৫

জুন বলেছেন: ছবি যুক্ত করা যাচ্ছেনা।

তাই আপনার পোস্টটা একটু ম্লান। :(

তবে বর্ণনা অসাধারণ :)


অসংখ্য ধন্যবাদ মাইদুল সরকার আন্তরিক মন্তব্যে
শুভকামনা জানবেন ।

২২| ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৪২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: গতকালকেই পড়েছিলাম। লগ-ইন না করে.....তাই মন্তব্য করতে পারি নাই।
ছবি ছাড়া আপনার পোষ্ট লবন ছাড়া তরকারীর মতো লাগলো। :(

তবে আপনার বর্ণনা....এমনভাবে করেছেন, মনে হচ্ছিল যেন আমিও ওখানে ছিলাম, নিজের চোখেই দেখা সব।

অত্যাকার!!!!!
(মানে, অত্যাধিক চমৎকার)

২৭ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:৫৮

জুন বলেছেন: ভুয়া আপনি যখন আমার পোস্টে মন্তব্য করছিলেন তখন মনে হয় আমি আপনার লেখায় মন্তব্য করছিলাম ।
হোয়াট এ কোইন্সিডেন্স !!
ছবি ছাড়া আপনার পোষ্ট লবন ছাড়া তরকারীর মতো লাগলো।
আমারো মনে হচ্ছিল
জর্দা ছাড়া পান
আর
তবলা ছাড়া গান ;)
আপনার মন্তব্যটিও অত্যাকার!!!!! :)

ধন্যবাদ ও শুভকামনা সব সময় সাথে থেকে উৎসাহিত করার জন্য :)

২৩| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:৫০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: স্মৃতিকথাময় পোষ্ট পাঠে ভাল লাগল ।
গত সপ্তাহ দুই ঢাকায় ছিলাম । অনেক চেষ্টা করেও সামুতে ডুকতে পারিনি।
এ ছাড়া দুবাই ও ঢাকায় বেশ কয়েক দফা হ্যন্ড ব্যগজে স্কেনিং েএর কারণে
লেপটপের কি বোর্ডের কয়েকটি কি ্অচল হয়ে যায় । কারিগরের কাছে নিয়ে
গেলে বলে উইন্ডুস নষ্ট হয়ে গেছে । একদিন রেখে ঠিক করে দিয়েছে । তবে
বাংলা ফন্টের বারটা বেজে গেছে । ্অভ্রের সাথে জব্বরের বিজয় তালগুল পাকিয়ে
গেছে । বাংলা লিখতে গেলে সব উল্টাপাল্টা আসে । কিছুটা ঠিকঠাক করে এই মন্তব্য লিখতে
প্রায় ২০ মিনিট লেগে গেছে । জানিনা কিভাবে এই ফন্ট মসিবত দুর করে বাংলা লেখায় ফিরেে
আসতে পারব । ইত্যাকার মসিবতের কারণে আপনার এত সুন্দর লেখাটির উপর ্অনেক
কথা বলার থাকলেও তা লিখতে পারছিনা । যাহোক, আপাতত প্রিয়তে নিয়ে গেলাম।

শুভেচ্ছা রইল

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩১

জুন বলেছেন: এত ঝামেলা সহ্য করেও যে আপনি আমার লেখায় মন্তব্য করেছেন তার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা ডঃ এম এ আলী ভাই । আশাকরি খুব শীঘ্রই আপনি কী বোর্ড সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।
ঢাকা কি বেড়াতে নাকি কোন গবেষণার কাজে এসেছিলেন? যাই হোক তারপর ও দেশ থেকে ঘুরে গেলেন এটাই বিশাল আনন্দের ব্যাপার।
আশাকরি সমস্যার সমাধান করে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন দ্রুতই। আর আপনার বাকি কথা শোনার প্রত্যাশায় থাকলাম :)

অনেক অনেক শুভকামনা আপনার জন্য। নতুন লেখা নিয়ে তাড়াতাড়ি আসুন আমাদের মাঝে।

২৪| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনার ভ্রমণ কাহিনী নিয়ে চমৎকার একটি বইও হতে পারে

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৩৩

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাকে নিয়ে এতটা আশাবাদী মন্তব্যের জন্য ডার্কম্যান। কিন্ত ওই যে তার আগে অনেক অনেক ঝক্কি ঝামেলা পোহাতে হবে ভাবতেই ভয় হয়। আর এ ব্যপারে আমার জ্ঞান খুবই সীমিত।
শুভেচ্ছা জানবেন আমার।

২৫| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১৪

ওমেরা বলেছেন: ওমা গো কি সুন্দর করে লিখেছেন আপু ছবি গুলো দেখতে পারলে আরো কত ভালো যে লাগত।

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৭

জুন বলেছেন: ওমা কি সুন্দর করে মন্তব্য করেছেন ওমেরা আপনি। লেখাটি ভালোলাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার ব্লগে গিয়ে দেখলাম একটি ছাড়া আর কোন পোষ্ট নেই! ব্যপার কি??

২৬| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: "জর্দা ছাড়া পান
আর
তবলা ছাড়া গান"
- বাহ, বাহ!

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৮

জুন বলেছেন: হা হা এটা একটা বিখ্যাত বানী খায়রুল আহসান। আরেকবার এসে মজা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে :)

২৭| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:২১

করুণাধারা বলেছেন: জুন, ছবি ছাড়া আপনার কোন পোস্ট তো আগে দেখিনি, ব্লগের এই অদ্ভুত অবস্থায় সেটা দেখতে হল এবার! আমার মনে হচ্ছিল, নিশ্চয়ই আপনি পোস্টে ছবি দেবার পথ আবিষ্কার করে ফেলবেন, তারপর পোষ্টের সাথে ছবি আসবে.........তাই হল!

আমি একবার কাপ্তাইতে দুমাস ছিলাম, কিন্তু চন্দ্রঘোনায় যাবার সুযোগ হয়নি কখনো। তাই আপনার এই পোষ্টের মধ‍্যে দিয়ে চন্দ্রঘোনাকে দেখে নিলাম। আর ভালো লেগেছে সামসু কাকার ঘটনার বর্ণনা। আমার মনে হয়, পানিতে হাত দেওয়া থেকে আপনাকে নিবৃত করার আর কোন উপায় না পেয়ে উনি চড় মেরেছিলেন। উনি জানতেন এর ফলে তার উপর শাস্তি নেমে আসতে পারে, কিন্তু তারপরও তিনি ঠিক কাজটি করতে পিছপা হননি। ভালো লেগেছে এই ঘটনায় আপনার, এবং আপনার বাবার সংবেদনশীলতা। ঘটনাটা শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

জুন বলেছেন: এত আন্তরিক একটি মন্তব্যের উত্তর দিতে যে সময় লাগলো তার জন্য দুঃখিত করুনাধারা। ছবি দেবার চেষ্টা করে করে ক্লান্ত হয়ে পরেছিলাম। দুদিন পরে আখেনাতেন এর পোস্ট দেখে একটা ছবি কোনমতে জুড়ে দিলাম।
আমাদের সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি অঞ্চলই অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর।
সামসু কাকা, আলী আহম্মদ ভাই ওনাদের কথা আমাদের ভাইবোনদের এখনো মনে পরে। ওনাদের কাছেই আমাদের লেখাপড়ার হাতে খড়ি হয়েছিল।
শুভকামনা রইলো অনেক। ভালো থাকবেন সবসময় এই কামনা করি।

২৮| ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: বর্ণনা এতোই সুন্দর যে যেতে ইচ্ছে করছে । ইদানিং খুব ঘোরাঘুরি করতে মন চায় ।

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

জুন বলেছেন: আসলেও এত সুন্দর আমাদের দেশ যে সবারই ঘুরে আসতে ইচ্ছে করবে।
মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ স্বপ্নবাজ সৌরভ।

২৯| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:৪৬

প্রামানিক বলেছেন: পুরোটাই পড়লাম, ছোট কালের অনেক ছবিই ভেসে উঠল। অনেক অনেক ভালো লাগল। সামু বন্ধ হলে আপনার ভ্রমণ কাহিনীর সাথে কিভাবে যোগাযোগ করবো বুঝতে পারছি না। ধন্যদবাদ জুন আপা।

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

জুন বলেছেন: প্রামানিক ভাই,
ছোটবেলা থেকেই আব্বার পুরনো বাতিল ডায়েরিতে অনেক হাবিজাবি লিখে রাখতাম। সেগুলো কোথায় হারিয়ে গেছে, সাথে ইচ্ছেগুলোও । তারপর এই ব্লগে এসে লিখতে শুরু করেছি ২০১০ সাল থেকে। সবার উতসাহ অনুপ্রেরনায় এতদিন লেখালেখি চালিয়ে গিয়েছি। জানিনা ব্লগ বন্ধ হলে আমার জানালাটাও বন্ধ হয়ে যায় কি না। এব্যাপারটা নিয়ে আমি খুবই চিন্তিত।
আর আমার লেখাটি ভালোলাগায় আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। শুভকামনা সবসময়ের জন্য

৩০| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:০১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লেখার মাঝে জাদু আছে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১

জুন বলেছেন: এমন একটি মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ সাজ্জাদ হোসেন।

৩১| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর মানবিকতার গল্প !
অনেক অনেক জাদুকরী লেখা আপু।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

জুন বলেছেন: তোমাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ মনিরা জাদুকরী এক মন্তব্যের জন্য।
সাথে থেকো সবসময় :)

৩২| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০৬

আখেনাটেন বলেছেন: প্রকৃতির চমৎকার একটি ছবি তুলে ধরেছেন। সামসু কাকার জন্য আপনার সহানুভূতিটুকু ভালো লাগল।

আচ্ছা, কামট আসলেই কী জিনিস?

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৩

জুন বলেছেন: আখেনাটেন আপনার মন্তব্যে খুশি হয়েছি অনেক। এটি আমার জীবনের একেবারে সত্যি ঘটনা তাই এটা আমার প্রিয় একটি লেখাও বটে। কামট আমার ধারনা কুমির বা হাংগর জাতীয় কিছু হবে। তবে এখন তাদের টিকিটিও হয়তো পাওয়া যাবে না যান্ত্রিক বোটের যন্ত্রনায়।
প্রিয় লেখায় মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ :)

তবে আমার পাখিগুলো ফারাওর পথ চেয়ে থাকতে থাকতে ক্লান্ত হয়ে পরেছে মনে হচ্ছে :(
তাদের বলেছি শোন পাখিরা একটু সবুর করো, ফারাও কি যেই সেই লোক যে এক লহমায় দৌড়ে আসবে ;)

৩৩| ১৪ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১:১২

আপেক্ষিক মানুষ বলেছেন: আপনার লেখাটি পরে সঞ্জিবচলন্দ্র চট্টপধ্যায়ের পালামৌ উপন্যাসে হারিয়ে গেছি।

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:১০

জুন বলেছেন: কার সাথে কার তুলনা যে করেন :``>>
তারপরো অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমার লেখাটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য আপেক্ষিক মানুষ ।

৩৪| ১৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:০৭

মে ঘ দূ ত বলেছেন: চন্দ্রঘোনার খুব কাছেই আমার গ্রামের বাড়ী। আমার শৈশব কেটেছে কর্ণফুলীর পাড়েই। জুম রেস্তোরাঁ নামে একটা জায়গা আছে পেপার মিলের খুব কাছেই। আমার অনেক প্রিয় একটা স্থান।

আমাদের চট্টগ্রামের শিল্পী প্রয়াত শ্যাফালী ঘোষের একটা গান আছে। আপনার লেখার শুরুতে যে লাইনটা লিখেছেন কথা মূলত সেটিই।

লুসাই পাহাড় https://www.youtube.com/watch?v=EYq6WMp77cc

আমার তোলা একটা ছবি। বেশ কিছু বছর আগেরকার।



শৈশবের অনেক অনেক স্মৃতি ভেসে ভেসে বেড়াচ্ছে মনের আকাশে...

১৬ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৪

জুন বলেছেন: চন্দ্রঘোনার কাছেই তোমার গ্রামের বাড়ি একথা অনেক আগে একবার বলেছিলে মনে হয় মেঘদূত। শৈশবের স্মৃতি বড়ই মধুর। চিটাগং এ আমারও জীবনের বেশ বড় একটা অংশ কেটেছে। অত্যন্ত সুন্দর ছবি সহ মন্তব্যটি অনেক ভালোলাগলো। মাঝে মাঝে উকি দিয়ে যেও। শুভকামনা সবসময় :)

৩৫| ২৩ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০২

আরাফআহনাফ বলেছেন: জেনে ভালো লাগলো দারুন স্মৃতিময় কিছু সময় কাপ্তাই-চন্দ্রঘোনায় কাটিয়ে গেছেন।.

আমার কিছু কথা শেয়ার করি:
আমি প্রথম চন্দ্রঘোনায় যাই সম্ভবত ৮০/৮১ সালের দিকে - টিচার্স ট্রেনিং কলেজের পিকনিকে - বাবা অধ্যাপক ছিলেন ঐ কলেজের - সেই সুবাদে। আমার ঘোর যেন কাটেই না এমন ভালো লাগা নিয়ে শুরু কাপ্তাইয়ের সাথে আমার যোগাযোগ যা এখনো অটুট - বছরে একবার হলেও। কী আকর্ষণ তা জানি না কিন্তু পাহাড়,পাখি, সহজ সরল জীবন-ধারা, চা-বাগান, পানি, নীলাকাশ, বাঁশবন আর কর্ণফুলীর সে হাতছানি উপেক্ষা করতে পারি না আজ এতো বছর পেরিয়েও। সেবার পিকনিকে গিয়ে আমরাও গিয়েছিলাম কর্ণফুলী পেপার মিলে - মনে পড়ে কল কর্তৃপক্ষ আমাদেরকেও অনেক রঙ্গীন কাগজ উপহার দিয়েছিলো। সময়ের যোজনেও কত মিল সে রেখে গেছে - আমরা জানিও না !
যাত্রায় ভিন্নতা আনতে এবার ২০১৮তে নদী পথে গিয়েছিলাম কালুরঘাট থেকে নৌকায় করে জলবিদ্যুত কেন্দ্র পর্যন্ত। যাবার পথে পড়লো কাগজ কল, ভিউ ক্লাব, জুম রেস্তোরাঁ ইত্যাদি। পেপার মিল তার যৌবন হারিয়ে ধুঁকছে প্রায় -বেশ খারাপ লাগছিলো। আপনার লেখনী পড়ে কল্পনায় ফিরে গেলাম সেখানে। পড়ছিলাম আর ভাবছিলাম আমি যেন মানস চক্ষে দেখতে পাচ্ছি সব ঘটনা - সেই নদী পারাপার- সামসুর সতর্কতা- আপনার বাড়ী ফেরা - সবই। বরাবরের মতো ঘুরলাম আপনার সাথে - চিরচেনা কাপ্তাই-চন্দ্রঘোনার পাহাড়ী বাঁকে বাঁকে।

ভালো থাকুন জুন আপু, অজস্র।

২৫ শে জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

জুন বলেছেন: আরাফআহনাফ ,
আমার সামান্য লেখায় আপনি ফিরে গেলেন সেই চন্দ্রঘোনায় যেখানে জীবনের খুব অল্প সময় কাটিয়েছিলাম । পেপার মিল তার যৌবন হারিয়ে ধুঁকছে এমনটি শুনলে মনটা খারাপ লাগে ভীষন । কেন আমরা কোন কিছুর রক্ষনাবেক্ষন করতে পারি না ?
আপনার চোখে আমিও একটু দেখে নিলাম আমার প্রিয় জায়গাটিকে । অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন আন্তরিক মন্তব্যের জন্য ।
আপনি কিছুই লিখেন না যে ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.