নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

তুমি কেমন করে গান করো হে গুনী, আমি অবাক হয়ে শুনি, কেবল শুনি ।।

ঠাকুরমাহমুদ

sometimes blue sometimes white sometimes black even red, even golden ! yes dear - its me - i am sky ! color your life, than your life will be colorful

ঠাকুরমাহমুদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ইরান যুদ্ধ ও আমেরিকার ডলার সংকট

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২৩



মধ্যপ্রাচ্যেতে থাকা প্রচুর বাংলাদেশী আছেন যারা আট দশ বছরেও দেশে আসতে পারছেন না। করোনার কারণে অর্থনৈতিক ভাবে হাত পা ভেঙ্গে গিয়েছে। এরা স্ত্রী সন্তান রেখে বছরের পর বছর যুগের পর যুগ প্রবাসে পরে আছেন। মাতাপিতা সন্তানকে হাত দিয়ে ছুঁয়েও দেখতে পারেন না। করোনার পর কিছুটা আর্থিক স্বচ্ছলতার পর ২০২৫ রোজার ঈদে ও কোরবানীর ঈদে এদের মাঝে কিছু ছুটিতে দেশে আসা শুরু করেছেন। এবারও ২০২৬ রোজার ঈদে দীর্ঘপ্রবাস জীবনের কিছুসংখ্যক দেশে আসার কথা। এরা বিলাসী ভ্রমণকারী নন, তাঁরা দেশে আসবেন মাতাপিতা সন্তানকে জড়িয়ে ধরতে। স্ত্রীর সাথে সুখ দুঃখের কথা বলতে। আমেরিকার ডলার সংকটের কারণে! - ইরানের সাথে যেই যুদ্ধ শুরু হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যেতে থাকা বাংলাদেশীদের দেশে আসা এখন অনিশ্চিত! কোম্পানীগুলোর কাজ বন্ধ, ডরমিটরি’র দশ বাই দশ রুমে আট দশজন গরুর ঘরের মতো বোঝাই হয়ে প্রবাসী জীবন যাপন করে এখন দিনের পর দিন নিজের জীবনের প্রতি অভিসম্পাত করছে।

আমেরিকা স্বার্থক তাঁরা আস্থা দিতে পেরেছে - “যুদ্ধ শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ইস্যু”। যুদ্ধ না হলে আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হতে পারে, রিসেশন হতে পারে - ভয়! আমেরিকার অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হলে চাকরি থাকবে না। চাকরি না থাকলে বাড়ির ইএমআই দেওয়া যাবে না। চাকরি না থাকলে গাড়ির ইএমআই দেওয়া যাবে না। চাকরি না থাকলে বিলাসী ভ্রমণ করা যাবে না। চাকরি হারানোর ভয়, বাড়ি গাড়ির লোন পরিশোধের ভয়! তাই ডলার সংকটই আসল ইস্যু এবং এটিই সত্য অথবা চিরন্তন সত্য। ইরান আমেরিকার সরকার ও প্রশাসনের উন্মাদনা দায়ী নয়। অদক্ষ সরকারের উন্মাদনায় নিরীহ ইরানীর মৃত্যু তেমন ইস্যু নয়। ইস্যু হচ্ছে ডলারের, ইস্যু হচ্ছে তৈলের।

ডলার ইস্যু: আমেরিকা হচ্ছে বাংলাদেশের ঋণ খেলাপিদের মতো। যাদের প্রচুর অর্থ সম্পত্তি থাকার পরও ব্যাংকে ঋণ করে, আর সেই ঋণ জীবনে পরিশোধ করে না। অর্থনৈতিক চাপ ও তৈলের জন্য সকল যুদ্ধ - ধারণাটি আংশিক সত্য। বড় দেশগুলোকে চাপে রাখার জন্য ও শক্তিশালী দেশগুলোকে দুর্বল করার জন্য আমেরিকার যুদ্ধ। আনুপাতিক দুর্বল দেশগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য আমেরিকার যুদ্ধ। অনেকটা বাংলা ব্যাকরণের “ঝি কে মেরে বউকে বুঝানো”র মতো ছোট মন মানসিকতা। শক্তি ধরে রাখার জন্য, সাম্রাজ্যবাদ টিকিয়ে রাখার জন্য ও দরিদ্রকে আরও দরিদ্র করার জন্য আমেরিকার যুদ্ধ। দুর্বলকে শাসন ও শোষণ করার জন্য আমেরিকার যুদ্ধ। প্রায় সম শক্তির যেই দেশগুলো আছে তারা নিজ নিজদের নিয়ে ব্যস্ত থাকবে। আমেরিকার সাথে দ্বন্দে জড়াবে না। গোলাবারুদের মেয়াদ থাকে। আমরা যারা দুর্বল দেশ আছি, আমরা গোলাবারুদের মেয়াদ শেষের দিকে সাগর সমুদ্রে প্রাকটিস করি। আর আমেরিকা তাদের গোলাবারুদ ইরান ইরাক লিবিয়া সিরিয়া প্রাকটিস করে।

ইন্ধনদাতা: আন্তর্জাতিক আইনে অপরাধ সংঘটনে ইন্ধনদাতা, প্ররোচনাকারী বা সহায়তাকারীকে অপরাধে প্ররোচনা ও সহায়তার জন্য কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে। যেইখানে ইন্ধনদাতাকেও মূল অপরাধী হিসেবে গণ্য করা হয়। ফেসবুক ইউুটিউব টুইটার সহ সকল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নিউজ মিডিয়া আমাদের বাংলাদেশী বিশ্বের প্রায় সকল যুদ্ধে ইন্ধন ও উস্কানী দিয়ে থাকে। ইসরায়েল আমেরিকা ইরান যুদ্ধে ইরানকে যেই দেশ সবচেয়ে বেশি ইন্ধন দিয়েছে উস্কানি দিয়েছে সেটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণ। এই বিষয়ে যদি আপনার ভিন্নমত থাকে, তাহলে ধরে নিতে হবে আপনি আপনার নিজ দেশ সম্পর্কে জানেন না, অথবা জেনেও না জানার ভান করছেন।

বাংলাদেশের উপায়: বাংলাদেশের জনগণকে ও বাংলাদেশের নিউজ মিডিয়াকে এই ধরণের অপকাজ হতে দূরে থাকতে হবে। নয়তো সামগ্র বিশ্বে বাংলাদেশের মান যা হয়েছে দিনে দিনে আরও খারাপ হবে বৈ ভালো হবে না।

পরিশিষ্ট: আমি অনেক কিছুই জানি না এবং এটি আমার সীমাবদ্ধতা। না জানা কোনো ভুল বা অন্যায় নয়। তবে কেউ যদি ভুল জানেন এবং ভুল প্রচার করেন! - ভুল প্রচার করা কোনো ভালো কাজ হতে পারে না। শিক্ষা মানুষকে শিক্ষিত হতে সাহায্য করে। অশিক্ষিত হতে নয়।

অলিখিত: কখনও সময় ও সুযোগ হলে “প্রতিশোধের ধর্মযুদ্ধ” নিয়ে লিখবো।





মন্তব্য ১২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৩৬

নিমো বলেছেন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কল্যাণে ব্লগে গরুরবরচনা ধরণের পোস্ট ও মন্তব্য বেড়েছে। যুদ্ধ হচ্ছে হীরার মত,যার অনেকগুলো তল থাকে, কেবল এক তলে যেগুলো নিজের মুখ দেখে, ওগুলো তৃতীয় শ্রেণীর নির্বোধ।

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৪২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আপনি প্লিজ আমাকে বলুন, পাকিস্তানে ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করতে অকাতরে পাকিস্তানি হত্যা হয়নি। তাহলে খোমেনি মোমেনি কে? তাকে হত্যা করতে ইরানে আক্রমণ করে শত সহস্র লক্ষ নিরিহ মানুষ কেনো হত্যা করতে হবে?

২| ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মধ্যপ্রাচ্যে উটের খামারে, ছাগলের খামারে বাংলাদেশিদের কাজ করতে দেখেছেন ? একটা ভারতীয় সিনেমা দেখেছিলাম Goat নামে । সেখানে দেখানো হয়েছে মালিকেরা মানুষকে কীভাবে পশুর চেয়েও কম মূল্য দেয়। আসলে নিজের দেশই যখন তার সাধারণ মানুষকে গুরুত্ব দেয় না, তখন আমাদের জন্য কোথাও কেউ নেই।

বাংলাদেশ এলএনজি সংকট মোকাবেলা করতে স্পট মার্কেট থেকে দ্বিগুণ দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হচ্ছে। নতুন সরকারের সামনে এটা একটা ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে - মরার উপর খাঁড়ার ঘা। মধ্যপ্রাচ্যে অন্তত ৮ জন বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন।

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আরব দেশে বাংলাদেশী সবচেয়ে অবহেলার পাত্র। তারপরও এরা হাসে কারণ এরা বাড়িতে মাতাপিতা স্ত্রী সন্তানের হাসি মুখ দেখতে নিজের জীবন শেষ করছে। উটের খামারে ছাগলের খামারে তো লুকিয়ে দুধ খেতে পারে, যারা মুরুভূমির হাইওয়েতে রোড কন্সট্রাকশনে কাজ করে এদের দেখলে মনে হয় এরা মনে হয় আফ্রিকান ক্রীতদাস।

হয়তো আরও বেশি মারা গিয়েছে। সময়ে বিচ্ছিন্ন নিখোঁজ সংবাদগুলো আমরা পাবো, যার সঠিক হিসাব জানা যাবে না, সরকারও রাখবে না, সংবাদ মাধ্যমগুলোও রাখবে না।

৩| ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭

শেরজা তপন বলেছেন: লেখা যেভাবে শুরু হয়েছিল প্রথম প্যারার মাঝপথেই একটু ভিন্নধারায় চলে গেল! পড়তে পড়তে হোচট খেলেম!!
আমরা সবকিছুতেই অতি উৎসাহী জাতি নীঃসন্দেহে। তবে মুল খেলোয়ারেরা খেলেও বেশ মজা পায় আমাদের মত উন্মাদ ছন্নছাড়া বেহুদা লাফানো এমন দর্শকদের পেয়ে। এই গরীব দেশের অভাগা মানুষদের কত আর শাস্তি দিবে বিধাতা।

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমি ইরানের পক্ষে না। তবে ইরানে যেই হত্যা হচ্ছে এই হত্যার বিপক্ষে। খোমেনি নিজে মরে ইরানীদের মরার ব্যবস্থা করে গিয়েছে।

বাংলাদেশের নিউজ চ্যানেলগুলো দেখার অযোগ্য হয়ে গিয়েছে আর পত্রিকাগুলো পড়ার অযোগ্য।

৪| ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪৬

অপু তানভীর বলেছেন: শিরোনামে আমেরিকার ডলার সংকোট বলতে আসলে কী বলতে চেয়েছেন?

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমেরিকা ডলারের জন্য যুদ্ধ করে না। ডলার সংকট তথ্যটি ভুল তথ্য।
আমেরিকা হচ্ছে বাংলাদেশের ঋণ খেলাপিদের মতো। যাদের প্রচুর অর্থ সম্পত্তি থাকার পরও ব্যাংকে ঋণ করে, আর সেই ঋণ জীবনে পরিশোধ করে না।

৫| ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০৮

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




আমি আমেরিকান মুভির ফ্যান।

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৩৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



টম হ্যাংকসের সব মুভি দেখেছেন?

৬| ০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৩৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



লেখক বলেছেন: টম হ্যাংকসের সব মুভি দেখেছেন?
-----------------------

আমার খুব প্রিয় একজন অভিনেতা। প্রায় সব মুভি দেখেছি। সবচেয়ে প্রিয় 'আ ম্যান কোলড অটো'।

০৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আমার দেখা আমার পছন্দের কিছু মুভির নাম দিয়ে একটি পোস্ট দিবো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.