নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

The best and most beautiful things in the world cannot be seen or even touched - they must be felt with the heart---Helen Keller

জুন

ইবনে বতুতার ব্লগ

জুন › বিস্তারিত পোস্টঃ

খালের ধারেই রাতের মেলা (ছবি ব্লগ)

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:২৪


অং আং ক্লং --- আজ এই করোনাকালে ক্লং অর্থাৎ খালটিকে বদলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ ,গড়েছে নাগরিকদের জন্য এক বিনোদনের স্থান

চীনা আর ভারতীয় রিটেইল আর হোলসেল মার্কেটের দখলে থাকে বিশাল এই বাজারের মাঝখান দিয়ে প্রবাহিত এই প্রাচীন খাল। এক সময়ের অপরিচ্ছন্ন খালটি আজ অপরূপ সাজে সেজে উঠেছে যা কল্পনাই করা যায় না ।

রেলিং দিয়ে বন্ধ খালের দুধারে সাজিয়ে রাখা ফুলের কেয়ারি


রাস্তার দুধারে আজ বিনোদনের জন্য আগত সবাই


রাস্তার দুপাশে সাদা রঙ করে তাতে আঁকা ছবি দেখছে স্থানীয়রা পর্যটক


অখ্যাত শিল্পীর হাতে আঁকা প্রাচীন ব্যংককের চিত্র যাতে ফুটে উঠছে তখনকার সময়ের ফাহুরাত যাতে চলাচলের এক মাত্র বাহন ছিল নৌকা । আর অং আং নামের অর্থ মাটির পাত্র বা পটারী তাই বহন করে আনছে নৌকাটি


আছে আধুনিক শিল্পকলার সমাহার


সিংহের রুদ্রমুর্তিতে ভয় পেয়ে যাওয়া শিশু


শিল্পীর তুলিতে আঁকা ঘরে বসে গেমস খেলছে ছেলেটি


ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে বাবা মায়েরা চলছে কায়াকিং রাত্রি বাজারের আলোর রোশনাইতে


পুরনো ব্যংককের পুরনো এলাকায় চাওফ্রায়া নদীর ধারে চায়না মার্কেট যার স্থানীয় নাম ফাহুরাত। বিশাল এলাকা জুড়ে পাইকারী বাজারের মাঝখানে এই আলো ঝলমলে ছোট্ট সেতুটি আমি দেখেছি খুব সাধারন রূপে ।


দুপুরের প্রচন্ড রোদে ঠিক ব্রিজের মাঝখানে দাঁড়িয়ে এই মেয়েটিকে ঘেমে নেয়ে জোকার সেজে নেচে গেয়ে ভিক্ষে করতে দেখেছি অনেকদিন যখন এটা আনন্দের এক কেন্দ্র

ব্রীজের দুপাশ ঘেষে রাস্তা তবে এটা দখল হয়নি কখনো আজ সেখানে রাত বাজারের মেলা নাইট মার্কেট।

এই রাত্রি বাজার বিকেল চারটা থেকে শুরু হয়ে শেষ হয়ে যায় রাত দশটায়। তবে করোনার আগে থাইল্যান্ডের বেশিরভাগ নাইট মার্কেট মাঝ রাত পর্যন্ত খোলা থাকে । বাজার শেষ হলে সমস্ত এলাকা ঝকঝকে তকতকে করে রেখে যেতে হয়ে দোকানীদের । নাহলে পরদিন থেকে সেখানে বসা বন্ধ হয়ে যাবে তার ।



তপ্ত রোদ আর কাঠফাটা গরম থেকে মেয়েটি রেহাই পাক আর তার আনন্দ ছড়িয়ে দিক রাতের পরিব্রাজকদের মাঝে

অং আং সেতু
ছবি নিজেদের মোবাইল স্যামসং গ্যালাক্সী a71 ।

মন্তব্য ৬৭ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৬৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৩৩

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালো লাগলো পোস্ট

ইচ্ছে করলেই শহর নগর গাও গেরাম সুন্দর করা যায়। একটু পরিশ্রম কিছু টাকা ব্যয় এইতো

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৪৬

জুন বলেছেন: ঠিক বলেছেন কাজী ফাতেমা সেই সাথে লোকজনের সচেতনতা যা ওদের শিশুকাল থেকেই শেখানো হয়। আমাদের হাতির ঝিল যখন তৈরী হলো তখন কি সুন্দরই না ছিল । কিন্ত কয়েক মাস যেতেই তার কি অবস্থা ! দেখলে কষ্টই হয় । এয়ারপোর্ট রোডেরই কি অবস্থা উন্নয়নের জোয়াড়ে বেহাল অবস্থা আমাদের রাস্তাঘাটের । মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে ।

২| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৪২

শাহ আজিজ বলেছেন: ধানমণ্ডি লেক জুড়ে দিচ্ছে সোনারগাঁর পিছনের লেকের সাথে । নৌকায় ভ্রমন হবে , ভালই জমবে । আমাদের ভুমি দস্যু জলদস্যু এদের কারনে ঢাকাতে কিছুই করা সম্ভব না । সুন্দর লাগলো অং আং খালের রাতের দৃশ্য ।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৭

জুন বলেছেন: শাহ আজিজ আমাদের দেশেতো অনেক কিছুই হয় কিন্ত ক্রমাগত মেইন্টেন করা যাকে বলে তা দেখা যায় না । আমি একবার আমাদের সাভার স্মৃতি সৌধের টয়লেটে এক বিদেশিনীকে নিইয়ে কি লজ্জায় যে পরেছিলাম তা ভাষায় প্রকাশ করার না । আমারও পুর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না ।
তার সাথে ভুমিদস্যু মিলিয়ে আরোই রমরমা অবস্থা । মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে ।

৩| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৫০

ফয়সাল রকি বলেছেন: চমৎকার। অন্তত ছবি দেখেই চোখের তৃষ্ণা মিটাই।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৬

জুন বলেছেন: আমারও খুব ভালোলেগেছে এই পরিবর্তন ফয়সাল রকি । বিকেল হলেই আশেপাশের মায়েরা বাচ্চাদের নিয়ে এখানে বেড়াতে আসে । ঐদেশে অনেক পার্ক খোলা জায়গা আছে, আছে বাচ্চাদের জন্য অনেক এমিউজমেন্ট পার্ক প্রতিটি পার্ক ছাড়াও শপিং মলে । আমাদের দেশের বাচ্চাদের জন্য মায়াই লাগে । স্কুল কলেজ তো দুরের কথা কোথাও একটি নিশ্বাস ফেলার জায়গা নেই । রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে মরে যুব সমাজ ।
মন্তব্যে অসংখ্য ধন্যবাদ রকি ।

৪| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৫৭

মরুভূমির জলদস্যু বলেছেন: চমৎকার সব ছবি তুলেছে, অসাধারণ এক উদ্দোগের।
আমাদের দেশে কবে হবে এমন বোধোদয়!!

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৫

জুন বলেছেন: হয় জলদস্যু কিন্ত মেইন্টেন হয় না । জনগন অসম্ভব অসেচতন । আসলে সেখানে পুলিশ আছে আছে নানা রকম জরিমানার বন্দোবস্ত ফলে দুটো মিলে চেষ্টা থাকে সৌন্দর্য্য বজায় রাখার ।
মন্তব্যে অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে ।

৫| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৫৮

রামিসা রোজা বলেছেন:
নিজেরা চাইলেই আর্টিফিশিয়াল ভাবে কত দৃষ্টিনন্দনভাবে
রাস্তার চারিপাশ সুন্দর করেছে এটাই তার প্রমান । খুবই
চমৎকার লাগলো এতে নিজস্ব উপস্থাপনা এবং আপনার
ছবি ব্লগ ।

সুন্দর ছবি ব্লগ শেয়ারের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫০

জুন বলেছেন: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ রামিসা রোজা । আসলেও ওরা অনেক সৌন্দর্য্য প্রিয় । সামান্য জিনিসেই তাদের নান্দনিকতা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে বিশেষ করে জাপানি, থাই, কোরিয়ানদের মধ্যে এ প্রবনতা লক্ষ্য করা যায় ।

৬| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



ভালো, সুন্দর

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

জুন বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ চাদগাজী ভালো হয়েছে জেনে :)

৭| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:০৮

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: আচ্ছা বলুন তো সকালবেলা এমন দৃশ্য দেখে কার না মন ভাল হয়ে যায়।
একটি পবিত্র মন নিয়ে অফিসের কাজে মন দিলাম আর আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানালাম।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

জুন বলেছেন: আপনার অসাধারন ছড়ার পর আমার সামান্য ছবি ব্লগ আপনার মন ভালো করে দিতে পারলো জেনে অনেক খুশি হয়েছি বিএম বরকতউল্লাহ । মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানবেন ।

৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: একটা বিষয় ভাইব্বা আমি পেরেশানীতে আছি। থাই এমপি'রা এতো বেকুব ক্যান? আমাগো এমপি গো দেখেন, কি কর্মতৎপরতা আর দক্ষতা তাগো খাল দখলের ব্যাপারে। আর সেইখানে............!!! খুবই হতাশ হইলাম। এই জাতির ভবিষ্যত তো দেখি সুবিধার মনে হইতাছে না!! :(

খালের ফুটু দেহায়া কি কইতে চাইতাছেন........আমরা খাল কাইট্টা কুমীর আনমু? কাভি নেহি। নদী-খাল-বিল সব ভরাট কইরা বিল্ডিং বানামু। কুমীর আহনের কুন চান্সই নাইক্কা। আপনের এই অপপ্রয়াসের তেব্র পরতিবাদ জানায়া গেলাম। X(

ছবি নিজেদের মোবাইল স্যামসং গ্যালাক্সী এ সাত। আপনেরা পুরা পরিবার একটাই মোবাইল ব্যবহার করেন জাইনা দুঃখ পাইছি। ওই জোকার ভিক্ষুক মাইয়ার কাছ থিকা যথাযথ শিক্ষা নিলে আপনেগো সবার একটা কইরা মোবাইল থাকতো আইজকা! এই সুযোগে কই........গতকাইল অনলাইনে কিনা আমার আইফোন ১২ প্রো হাতে পাইছি। অহন থেইকা আমার হগল ফুটু ওই মোবাইলেরই হইবো। আপনেরে এডভান্স জানায়া দিলাম, যাতে না জিগ্গাইতে পারেন!!! =p~

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২১

জুন বলেছেন: কি কর্মতৎপরতা আর দক্ষতা তাগো খাল দখলের ব্যাপারে। আর সেইখানে............!!! খুবই হতাশ হইলাম। এই জাতির ভবিষ্যত তো দেখি সুবিধার মনে হইতাছে না!! আমি মনে মনে এইটাই কইতাছিলাম কিন্ত মাগার সাহসে কুলায় নাইক্কা ভুয়া । পানিতে বাস কইরা কুমিরের সাথে বিবাদ কভি নেহী /:)
আইচ্ছা মাহার খবর কি ? কুমির শুনলেই আমার আনারসের খাটার কথা মনে পরে আর মনে পরে তার নির্মাতার কথা । সেতো কবর পাহারা দিতাছিলো তাকি এখনো চলতাছে B:-)
শুনেন যখন থিকা স্টিভ জবস আই ফোনের স্বপ্ন দেখতাছিল তহন থিকাই আমার ঘরে গোটা দশেক আইফোন। এখনো অনেকগুলা পইরা আছে নিবেন্নাকি :-* ঝিনুক চকোলেট আর হিরার স্যান্ডেল না দিলেও ফোন দিতে অসুবিধা নাই । একদিন আপ্নেরে আমার সবটি মুবাইলের ছবি দেখামুনে এখন এইডাই দেখেন ।

মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ না দিলে খারাপ দেখায় তাই :)

৯| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৩

ফয়সাল রকি বলেছেন: শুক্র-শনিবার দুপুরে, বিশেষত কড়া রোদের মধ্যে যখন ঢাকার পার্কগুলোতে মানুষজন তুলনামূলক কম থাকে, তখন আমার পাঁচ বছর বয়েসী ছেলেকে নিয়ে বিভিন্ন পার্কে ঘুরি। এই ঘোরাঘুরির নাম সে দিয়েছে- 'আকাশে-বাতাসে'। এ্কটু সবুজের কাছাকাছি যাওয়া, একটু ঘাসে হাঁটা... যখনি ওকে বলি- চলো আকাশে বাতাসে যাই! সে তো মহা খুশি হয়ে যায়। অথচ আমরা তো এই আকাশে বাতাসেই বড়ো হয়েছি।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৩

জুন বলেছেন: আপনার কথা শুনে খুব ভালো লাগলো ফয়সাল রকি। আমাদের বাচ্চাদের প্রকৃতির নির্মল বাতাসের আলিংগন ক্ষনিকের জন্য হলেও দরকার। সারাদিন স্কুল আর ঘর বন্দী জীবন। আমাদের সেই বাধনহারা অসীম সুখের জীবনের কথা আজকের বাচ্চারা কল্পনাও করতে পারে না। আপনার ছেলে সুখে থাকুক, বড় হোক আকাশে বাতাসে এই দোয়া রইলো। আরেক বার আসার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

১০| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২০

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার। দেয়ালের আর্টগুলো বেশ।

করোনাকালেও তারা নিজেদের আরো উপরে তুলছে নানামুখি কর্মকান্ডে। আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৮

জুন বলেছেন: থাইরা প্রচন্ড শিল্পমনা, সামান্য জিনিসের উপরে থাকে তাদের শিল্পের ছোয়া। প্যাকেজিংকে তারা এক অন্যমাত্রায় নিয়ে গেছে। সামান্য দশ বাথের একটা জিনিসও ওরা এত সুন্দর করে দেয় যে দেখার মত আখেনাটেন।
তা আপনে ছিলেন কই এতদিন? লেখার সাথে থাকবেন নিয়মিত এই প্রত্যাশা রইলো :)

১১| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর ছবি ব্লগ।
অং আং মানে কি?

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪০

জুন বলেছেন: অং আং মানে মাটির পাত্র। এক সময় নৌপথে ওই এলাকায় প্রচুর মাটির পাত্র আনা নেয়া হতো তার থেকেই ঐ নাম রাজীব নুর। মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

১২| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:১১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: দেশে খাল কেটে মাটি বেচে খায় নেতারা। আবার বনাবনি না হলে খুনাখুনিও করে

০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১৪

জুন বলেছেন: জী কিছুদিন আগে মানিকগঞ্জের এম্পির বালু চুরি নিয়ে কি হাউকাউই না হলো। এখন কি খবর তার জানেন কিছু? এরকমই হয় নেওয়াজ আলি সব অপরাধী পার পেয়ে যায় আইনের হাত গলে। মাটি চোরেরাও। মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:০৮

মিরোরডডল বলেছেন:



জুনাপু পোষ্ট ভালো লেগেছে কিন্তু একটু কথা । ছবির মেয়েটিকে বলা “জোকার সেজে নেচে গেয়ে ভিক্ষে করতে দেখেছি’ এখানে সামান্য আপত্তি প্রকাশ করছি । এটাকে ভিক্ষা বলেনা । এটাই কিন্তু মেয়েটার প্রফেশন । হাত পেতে ভিক্ষা নেয়া আর কোনও একটা কিছু করে অর্থ নেয়া, এটা এক না হোক সেটা জোকারই তারপরও । কিছু একটা করে খাচ্ছে । এর জন্য সে সময় আর এফোর্ট দিচ্ছে । এরকম এখানেও দেখি, টুরিস্ট স্পটে রাস্তার ধারে বিভিন্ন কিছু করে মানুষ উপার্জন করে । আই ডু রেস্পেক্ট দেম । আই নো ইউ ডোন্ট মিন ইট । কথার কথা বলেছেন হয়তো ।

ছবি ব্লগ বরাবরই ভালো লাগে, এটাও ভালো লেগেছে ।
থ্যাংকস জুনাপু ।


০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৩

জুন বলেছেন: মিররডডল
প্রথমেই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমার ভুলটি ধরিয়ে দেয়ার জন্য। আমি বলতে চেয়েছি এই মেয়েটি এই স্থানটিতে অনেক আগে থেকেই দাঁড়িয়ে মাঝে মাঝে সাহায্যের জন্য বিভিন্ন কলা কৌশল দেখাতো। আবার এ স্থান থেকে একটু দূরে গিয়ে গুরুদুয়ারার সামনে দাড়াতো। আসলে ঐ দেশে অত সরাসরি আমাদের দেশের মত ভিক্ষে চায় না। ভিক্ষেবৃত্তি নিষিদ্ধ বলে। তবে অনেকে মুখোশ পরে বা মুখ নীচু করে বা গিটার বাজিয়ে সাহায্য চাইতো। পুলিশ দেখলে ধরে নিয়ে যেত আবার কিছুদিন পরে আবার হাজির হতো। আসলে তাদের করার কিছু হয়তো নেই। তবে থাইরা তাদের পয়সার বদলে খাবার বা পানীয় দিয়ে যেত। এবং অনেকে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করতো কাজ না করে কেন এমন ভাবে সাহায্য চাইছে দেখে।
মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো লেগেছে জেনে অনেক ভালো লাগলো আমারও।

১৪| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৪

কল্পদ্রুম বলেছেন: দেওয়ালে ছবি আঁকার ব্যাপারটা কি শিল্পীরা নিজের ইচ্ছেমত এঁকে গেছেন না কি এটা সরকারি পরিকল্পনার অংশ? ছবিগুলো সুন্দর হয়েছে।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৮

জুন বলেছেন: আমার যতদুর ধারনা শিল্পীরা নিজেরাই আকে । মনে হয় না কারো নির্দেশে । আমরা যে বাসায় থাকি তার সীমানা দেয়ালের বাইরের দিকে একদিন দেখলাম কিছু ছেলে স্প্রে দিয়ে ছবি আকছে ।
ছবিগুলো অবশ্যই সুন্দর বিশেষ করে মাটির পাত্র নিয়ে নৌকার ছবিটি । মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে কল্পদ্রুম । ভালো থাকুন অনেক অনেক ।

১৫| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সুন্দর ভাবনা আর সঠিক পরিকল্পনার এক দারুন ছবি সিরিজ দিলেন!

কি আর করা শুধু দেখেই যাই-
হৃদয় ভরা স্বপ্নগুলো ইউটোপিয়া হয়েই রয়ে যায় :((

ছবিব্লগে ++++++++

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৯

জুন বলেছেন: কি আর করা শুধু দেখেই যাই- আমিও দেখি আর ভাবি বিদ্রোহী । এই যে অপরিচ্ছন্ন খাল আর তার আশপাশ পরিস্কার করে যেমন সাজিয়েছে এটা আর সহজে নোংরা ধুলি মলিন হবে না । আমাদের হাতির ঝিলকে বর্তমানে দেখলে অনেক কষ্ট হয়। কেন জানি আমরা সৌন্দর্য্যকে বজায় রাখতে পারি না । এটা আমাদের অক্ষমতা । নাহলে ওরা এমন কোন উন্নত বিশ্বের বাসিন্দা না । তারপরেও মননে ও মানসিকতায় অনেক অনেক উন্নত আমাদের চেয়ে ।
মন্তব্যে অসংখ্য ধন্যবাদ ভৃগু ।

১৬| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ ! কি সুন্দর !
আমার এ ধরনের ছোটছোট মেলায় ঘুরতে অনেক ভাললাগে। সাথে পছন্দের খাবার।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২১

জুন বলেছেন: আমারও ভীষন ভালোলাগে রাত্রি বাজার ঘুরঘুর মনিরা । অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো :)

১৭| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দীর্ঘ দশ মাস ব্যাংকক যাই না , করোনাই প্রধান কারন
তাই চেনা খালগুলো চিনতে পারছিনা ।
শুনলাম ব্যাংককে এখন বাঙ্গালি রেষ্টুরেন্ট গুলো চরম অর্থ সংকটে আছে ।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

জুন বলেছেন: আমিও বেশ কয়েকমাস এখানে এসে আটকে আছি। যাবার জন্য মন অস্থির হয়ে আছে কিন্তু পারছি না। বাংগালী রেস্তোরাঁই শুধু নয় আরো অনেক জায়গায় তারা কাজ হারিয়েছে যেমন বিভিন্ন হসপিটালে দোভাষী হিসেবে কাজ করা অনেকেই। ইভেন অনেক থাইরা কাজ হারিয়ে আত্নহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে শংখচিল। মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৮| ০২ রা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

জুন বলেছেন: আরেক বার এসেছেন দেখে খুব ভালো লাগলো রাজীব নুর। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৯| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৩:০৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



খালের ধারেই রাতের মেলা সুন্দর ছবি ব্লগ
সাথে চমতকার বিবরনীসহ ছবি কেপসন।
পরিমিত বাজেট, খিছুটা পরিশ্রম ও
সৌন্দর্য পিপাসু মন নিয়ে আমাদের
অনেক সমৃদ্ধ ল্যা্ডস্কেপ গুলিতে গড়ে
তুলতে পারি নীচের মত কনেক মনোরম
সৌন্দর্যের রীলাভুমি । এসব মনোরম দৃশ্য
আমাদের পর্যটন সংস্লিষ্ট অনেকেই দেখেছেন ।
আমার মনে পড়ে একবার দেশের বাইরে
বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের একজন
বেশ উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার সাথে ঘটা করে
নীচে দেখানো বেশ কিছু দৃশ্য দেখেছিলাম।
তিনি কেমেরাবন্দী করেছিলেন সেসকল ছবি ।



কিন্তু আমাদের দেশে সন্ধা সাঝে অপরুপ
দেখায় তেমন কোন পর্যটন কেন্দ্র গড়ে
উঠেনি এখন অবদি, যদিউ পর্যটন শিল্প
বিকাশের সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে দেশে ।
পর্যটন শিল্প বিকাশ দেশের সমৃন্ধির
সোপান- থাই সহ বিদেশীদের মত
এমন বোধোদয় হতে আমাদের জানি
আরো কত যুগ অপেক্ষা করতে হবে ।

পোষ্টটি প্রিয়তে গেল ।

শুভচ্ছা রইল


০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৪৫

জুন বলেছেন: সুন্দর ছবি সমৃদ্ধ মন্তব্য ছুয়ে গেল মন ডঃ এম এ আলী ভাই। আমরা পারি, পারবো না কেন কিন্ত বজায় রাখতে পারি না। সচেতনতার অভাব। বিলেতে সাতে সাতশ দিনের লেখক কলেজের ক্লাশে একদিন গল্পচ্ছলে তার ছাত্রদের বলেছিলেন তার অভিজ্ঞতার কথা। "বিলেতে রাস্তায় একদিন এক ইংরেজকে দেখেছিল নাক পরিস্কার করে রুমালটি পকেটে রাখলো অর্থাৎ সে নিজেকে অপরিস্কার করে চার পাশ পরিস্কার রাখলো। আর আমরা রাস্তায় কফ থুতু ফেলে নিজেকে পরিস্কার রাখি চারপাশ অপরিচ্ছন্ন রেখে" ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানাই আপনাকে। সবসময় সাথে থেকে সুন্দর এবং প্রাসঙ্গিক মন্তব্যে উৎসাহিত করেন এটা এক বিশাল পাওয়া আমার।

২০| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৫

নীল আকাশ বলেছেন: ইচ্ছে করলেই যে দেশের পরে থাকা অনেক জায়গা সুন্দর করা যায় সেটাই এটাই পোস্টে দারুনভাবে ফুটে উঠেছে।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৪৮

জুন বলেছেন: আমাদের ইচ্ছেতো নেইই সাথে সচেতনও নই। নইলে যত্রতত্র থুতু কাশি ফেলে খাবারের ঠোংগা ছুড়ে ফেলার বদভ্যাস আমাদের ধনী গরীব শিক্ষিত সবার মাঝেই আছে। ঝা চকচকে গাড়ি থেকে ধনীর দুলাল দুলালীরা রাজপথে ছুড়ে মারে কোকের খালি বোতল আর চিপসের প্যাকেট আর আম জনতা ছুড়ে ঝালমুড়ির ঠোংগা এই যা পার্থক্য।
মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে নীল আকাশ।

২১| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,




খালের ধারের রাতের মেলাতে আসতে দেরী হয়ে গেলো ভয়ের কারনে । এখানে এই দেশে রাতের বেলা তাও আবার খালের ধারে, চিন্তার বাইরে । কখন যে লাশ হয়ে খালের জলে ভাসতে হয়! :(

পোস্টের বক্তব্যের ওপাশে অদৃশ্য কালিতে লেখা দেয়ালের লিখন অনুমান করে ভুয়া মফিজ এর সাথে গলা মেলাই - "থাই এমপি'রা এতো বেকুব ক্যান? আমাগো এমপি গো দেখেন, কি কর্মতৎপরতা আর দক্ষতা তাগো খাল দখলের ব্যাপারে। আর সেইখানে............!!! খুবই হতাশ হইলাম। এই জাতির ভবিষ্যত তো দেখি সুবিধার মনে হইতাছে না!! :(
খালের ফুটু দেহায়া কি কইতে চাইতাছেন........আমরা খাল কাইট্টা কুমীর আনমু? কাভি নেহি। নদী-খাল-বিল সব ভরাট কইরা বিল্ডিং বানামু। কুমীর আহনের কুন চান্সই নাইক্কা। আপনের এই অপপ্রয়াসের তেব্র পরতিবাদ জানায়া গেলাম।"

সাথে এটাও জানিয়ে যাই -
আর যদি হাতির ঝিলের মতো কিছু হয়েই যায় দৈবক্রমে তবে আর পায় কে, সেখানটা্ইতো হাগা-মুতার নান্দনিক ও নিরিবিলি স্থান, ঠোঙা- বাদামের খোসা- কলার ছোলা ফেলার উন্মুক্ত ডাষ্টবীন। আর অনৈতিক কাজের আখড়া বানিয়ে ফেলার কথা না হয় না-ই বললুম! :#)

"দিল্লী হনুজ দুরস্ত" এর মতো অনেক দুরের একটি আশা - একদিন আমাদের খালের ধারগুলোও আপনার ছবি ব্লগ হয়ে আসবে ।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১৫

জুন বলেছেন: আপনি তো পুরাই ভুয়ার মন্তব্য কপি-পেস্ট করলেন দেখলাম আহমেদ জী এস :-*
এর আর জবাব কি হবে!! ভুয়ার উত্তরটাই দেখেন তাইলে কি আর করা :/
হ্যা এই হাতীর ঝিলের কথাই কয়েকটি মন্তব্যের উত্তরে দিয়েছি। কি ছিল প্রথম আর কি অবস্থা এখন। আচ্ছা আমরা বেশিরভাগ আমজনতা আপাদ মস্তক এমন অসচেতন কেন! কোন সৌন্দর্যই কি আমাদের প্রভাবিত করে না!!
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সাথে শুভকামনা রইলো সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য।

২২| ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:১১

আমি সাজিদ বলেছেন: বুড়িগঙ্গার দুই তীরে অবৈধ স্থাপনা স্থাপন করেছেন আমাদের এক এমপি। নদী কমিশনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েছেন। কয়েকদিন আগে বলেছেন, তিনি কমিশন মানেন না

ছবি ব্লগে ভালো লাগা।

০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০০

জুন বলেছেন: এই সব শুনলে আর দেখলে এত মন খারাপ করে যে ভাষায় প্রকাশ করা যায়না আমি সাজিদ। আপাদমস্তক দুর্নীতি পরায়ণ আমাদের কর্মকর্তারা। জনগণও অসচেতন। নইলে থাইল্যান্ড তো আমাদের মতই এক গরীব দেশ ছিল এক সময়।
মন্তব্যে অনেক ভালো লাগা রইলো। আমার লেখালেখির সাথেই আছেন সবসময় তার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।

২৩| ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১:৫৭

ওমেরা বলেছেন: আপু আপনার অনেক লিখা পড়ে ও ছবি দেখে থ্যাইল্যান্ড দেশটাকে বেশ ভালই আর উন্নত মনে হয়। কিন্ত সুইডেনে বেশ থ্যাইল্যান্ডি আছে এদের আমার তেমন ভালো মনে হয় না , জানি না এটা হয়ত আমারই সমস্যা ।

ছবিব্লগ খুব ভালো লাগলো । ধন্যবাদ আপু।

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২৯

জুন বলেছেন: ছবি ভালো লাগার জন্য অশেষ ধন্যবাদ ওমেরা আপনাকে। থাইদের কথা আপনি এর আগেও একটি মন্তব্যে লিখেছিলেন। আমি অনেক থাইদের সাথে আলাপ করে জেনেছি যে তাদের দেশে যারা ভদ্র, শিক্ষিত, ধনী থাইরা ৯৮% কখনোই অন্যদেশে সেটেল করে না। তারা বিদেশে পড়তে গেলেও পড়া শেষে দেশে ফিরে আসে। আর বাকি দুই পার্সেন্টের মধ্যে কিছু আছে রাজনৈতিক কারনে গিয়েছে, আর গ্রামের গরীব সরল মেয়ে যাদের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারকারীর মাধ্যমে গিয়েছে। এবং তাদের নানা রকম অনৈতিক কাজে এসব পাচারকারীরা ব্যাবহার করছে। এসব জানার পর থাই সরকার বিদেশিদের থাই মেয়ে বিয়ে করার ব্যাপারে এত কড়াকড়ি আরোপ করেছে যে ঐ বাধা পার হয়ে বিয়ে করা খুবই কঠিন। যা আগে খুব সহজ ছিল। জেনুইন কেসও এই ব্যাপারে এখন ভুক্তভোগী। তাদের এত শত কাগজ পত্র জমা দিতে হয় যা চিন্তার বাইরে।
যাই হোক ওমেরা আপনার জন্য জন্য রইলো আন্তরিক শুভকামনা :)

০৬ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৫৬

জুন বলেছেন: আরেকটি ব্যাপার হলো অন্যান্য অনেক দেশে যেমন বিয়ে করলে সে দেশের সিটিজেনশিপ দেয়, থাইল্যান্ডে তা দেয় না। তারা অন্যান্য ভিসার মত বিদেশি স্পাউসকে এক বছরের জন্য স্পাউস ভিসা দেয় যা থাইল্যান্ডে থাকলে প্রতি বছর নবায়ন করতে হয়। যেদিন নবায়নের তারিখ তার আগের চার মাসে থেকে বিদেশি স্পাউসের একাউন্টে ৪ লক্ষ বাথ (১২ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা) থাকতেই হবে। যদি স্পাউস জব বা বিজনেস করে তার মাসিক ইনকাম ৪০ হাজার বাথ দেখাতে হবে। সেই অফিস থেকে কাগজ পত্র জমা দিতে হবে সেটার ব্যাসিসে। বিজনেস করলেও সেইম, কোথায় অফিস, কি বিজনেস কতজন স্টাফ। আপনার জীবন তামা তামা করে ছেড়ে দিবে থাই ইমিগ্রেশন পুলিশ। তাই আগের মত মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ে করে মেয়ে নিয়ে ব্যাবসা অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। তাছাড়া তাদের সহজ সরল সৌন্দর্য ও একটা কারন

২৪| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১০

ওমেরা বলেছেন: জী আপু আপনার কথাই সঠিক। সুইডিশ পুরুষেরা থ্যাইল্যান্ডের মেয়েদের বেশ পছন্দ করে । বয়স্ক পুরুষেরা থ্যাইল্যান্ড যেয়ে ইয়ং মেয়ে বিয়ে করে নিয়ে আসে ভালো মেয়েরা কি আর এমন বয়স্কদের বিয়ে করে! তবে থাইছেলে খুব চোখে পরেনি এখানে।তবে একটা থাই মেয়ে দেখে আমি এত মুগ্ধ হয়েছিলাম এখনো তার চেহারাটা আমার চোখে ভাসে।তার বরটাও ছিল ইয়ং।
আপনার এই কথাটাও সঠিক বিয়ের পরিমান এখানেও কমেছে বলেই মনে হয়।
অনেক ধন্যবাদ আপু ইনফুর জন্য।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১১

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ওমেরা । আসলে ওদের কিছু কিছু মেয়ে দেখে আমি নিজেও বিস্মিত হই এত সুন্দর । একবার ব্যাংক থেকে একটি মেয়ে বের হয়ে ছাতাটা খুলে রাস্তা পার হচ্ছে। হাটু পর্যন্ত নাইলনের একটি গোলাপী ফ্রক , গায়ের রঙ ও গোলাপী আভা রয়েছে, মাথায় গোলাপী ফুলের ছাতা, চেহারাটা এত মিষ্টি । মনে হচ্ছিল একটি গোলাপি গোলাপ বুঝি হেটে যাচ্ছে ।
আরেকবার আসার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ।

২৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:১০

আমি সাজিদ বলেছেন: নতুন পোস্ট দেন জুন আপু। নতুন পোস্ট দিলেন নাকি দেখতে আসলাম।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪১

জুন বলেছেন: লিখবো তো বটেই আমি সাজিদ। কিন্ত আপনি শুরু করেও শেষ করলেন না দেখলাম! ক্রিকেট খেলা দেখছি আর ফাকে ফাকে ব্লগিং। কাল এত সিনিয়র প্লেয়ার মুশফিক এর আচরণে অবাক হোলাম।
খোজ খবর নেয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ রইলো :)

২৬| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:১৬

আমি সাজিদ বলেছেন: আমি মুশফিকের স্কুল লেভেলের বন্ধুদের সাথে মিশেছি৷ এনাদের কয়েকজন আমার পরিচিত বড় ভাই হোন। তাদের কাছ থেকে যা শুনেছি তাতে মুশফিককে সবাই অমায়িক ক্লিন ইমেজের পরিশ্রমী ভালো ছেলে বলতে বাধ্য। যদিও কখনও মুশফিকের সাথে দেখা হয়নি। ওর ছোট ভাই আমার নটর ডেমে ব্যাচমেট ( অন্য বিভাগের)। সেও বেশ অমায়িক ও ভালো ছেলে। এখন বাকিটা জানি না। একটা মানুষের ভুল ত্রুটি থাকবেই। কেউই এর বাইরে নয়। আমার মনে হয়েছে অন্য কোন জায়গা থেকে ম্যাচ জেতার প্রেশার ছিল, এজন্য সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। তবে, মুশফিক আমার দেখা অন্যতম সলিড ব্যাটসম্যান। কিপার হিসেবে ভালো নয়, ক্যাপ্টেন হিসেবে জঘন্য।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৫৩

জুন বলেছেন: আমিও জানি মুশফিক খুব ভালো ও ভদ্রলোক। আমার পছন্দের প্লেয়ার। তারপর ও মাঠের মাঝে মেজাজ হারানো ভালো ক্যাপ্টেন্সির পক্ষে অন্তরায়।
এরপর কোন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে এমন হলে তার জন্য শাস্তি নেমে আসতে পারে। দুবার সে তার দলের প্লেয়ারকে মারতে উদ্যত হওয়া। মিস ফিল্ডিং এর জন্য গালি দেয়া এসব ঠিক না।
আমার মামার একটা ফাস্ট ডিভিশন ক্রিকেট ক্লাব ছিল সেই পাকিস্তান আমল থেকে। তখন তার নাম ছিল ইস্ট পাকিস্তান জিমখানা পরে সেটা নাম হয় বাংলাদেশ জিমখানা। বেশিরভাগ প্লেয়াররাই ছিল আমার আত্মীয়স্বজন। সেই কারনে ক্রিকেট খেলার সাথে আমাদের অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক আমি সাজিদ। আমরা যখন ছোট ছোট তখনই আমার আব্বা আমাদের নিয়ে ঢাকা স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে যেতেন সাথে আমার মামা খালাদের পুরো পরিবার :)
সেই ক্রিকেট এখনো আমাদের রক্তে মিশে আছে। গতবার ও সিলেট সিক্সারস এর খেলা দেখতে দুদিন মিরপুর স্টেডিয়ামে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশের পরে সবসময়ই অজিদের সাপোর্টার ছিলাম আছি এখনো ;)
অনেক কথা লিখে ফেললাম প্রিয় বিষয় নিয়ে।

২৭| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৫

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: আহা কি সুন্দর খাল।আর আমাদের দেশের খালের কথা মনে হলে তো গা ঘিন ঘিন করবে।
আমাদের দেশের খাল-নদী-নালা গুলোও সুন্দর হোক।

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৯

জুন বলেছেন: মোস্তফা সোহেল মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ রইলো। সংস্কারের আগে এই খালটিও নোংরা ছিল কারন হিসেবে আমার মনে হলো এর আশে পাশে বাংলাদেশীদের অনেক ছোট ছোট দোকান ছিল। আর আমরা সুন্দর জায়গাকেও মুহূর্তে আবর্জনা ফেলে ডাস্টবিন বানাতে পটু তার উদাহরণ আমাদের হাতীর ঝিল। আমরা সবাই এটাই চাই যে আমরা যেন একটু সৌন্দর্য সচেতন হই।
আপনি কিছু লিখছেন না কেন বলেন তো?? ছোট ছোট কত বিষয় আছে তাই নিয়েই না হয় লিখুন। অপেক্ষায় থাকলাম :)

২৮| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫২

আমি সাজিদ বলেছেন: খুব বিখ্যাত ক্লাব বাংলাদেশ জিমখানা। আমি পত্রিকায় বেশ কয়েকবার পত্রিকায় এ নিয়ে পড়েছিলাম।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৭

জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আমি সাজিদ।আমাদের পারিবারিক ক্লাবটিকে চিনতে পেরেছেন দেখে :)

২৯| ২০ শে ডিসেম্বর, ২০২০ রাত ১:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

কেমন আছেন ?
আপনার সেই অবন্তীকার খূঁজ খবর রাখেন কিছু?
নাকি তার কথা ভুলেই গেছেন এই কয়দিনে!!!
শুভেচ্ছা রইল ।

২২ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫১

জুন বলেছেন: আছি আপনাদের দোয়ায় এখনো বেচে বর্তে কিন্ত খুব মানসিক অশান্তিতে আছি। কত মাস হয়ে গেল ছেলেকে দেখি না। এতদিন তো মোটামুটি ওকে নিয়ে করোনা থেকে নিশ্চিন্ত ছিলাম। কিন্ত থাইল্যান্ডে আবার করোনার পুনরুত্থান ঘটেছে লুকিয়ে আসা বার্মিজ মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কারের মাধ্যমে।
আর অবন্তীকাকে দেখে এসেছি আর উত্তরও দিয়েছি :).
অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।

৩০| ২১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



রাতের বাজার এক এক এলাকায় সপ্তাহের এক এক দিন হয়ে থাকে। রাতের বাজার থেকে বাজার করে এক ধরনের আনন্দ আছে আর স্থানীয় নানা ধরনের রান্না পাওয়া যায় রাতের বাজারে। আমার ধারণা রাতের বাজার আসিয়ান দেশগুলো সহ মরিশাস ও নিউজিল্যান্ডে আছে এছাড়া আর কোথাও আছে বলে আমার সঠিক জানা নেই।





২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৩৯

জুন বলেছেন: আমার মনে হয় গ্রীস্ম প্রধান অঞ্চলেই বিশেষ করে সাউথ ইস্ট এশিয়াতেই এর চল রয়েছে। শীতের দেশে মনে হয় সম্ভব না এই আয়োজন। ক্যাম্বোডিয়াতেও আমরা নাইট মার্কেটের পাশের হোটেলেই ছিলাম , ছিলাম ব্যংককের কোহ সামুইতে । আমরা ভেতো বাংগালী রাত আটটার মধ্যেই ডিনার শেষে ১১ টার মধ্যে রুমে ফিরে ঘুমের চেষ্টা, কিন্ত বাকি পর্যটকরা সারারাত মনে হয় জেগে থাকতো সাথে রেস্টুরেন্ট আর পানশালাগুলো। তাদের হৈ চৈ হট্টগোলে আমরা রুমে বসে জেগে থাকতাম :)
মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ঠাকুর মাহমুদ ।

৩১| ২২ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪২

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আপনার থাইল্যান্ডের এই সুন্দর ফটো ব্লগগুলো দেখে বুকে একটা চিনচিনে কষ্ট লাগে সব সময় । আমেরিকা, ইংল্যান্ড -এর মতো কোনো দূর দেশতো নয় থাইল্যান্ড। এতো আমাদের দেশের কাছেই একটা দেশ । কিন্তু কি সুন্দর করে রাখে নিজেদের শহরটা । টেক্সাসের স্যান এন্টিনিওতে প্রত্যেক বছরই প্রচুর ভিজিটর যায় ওখানকার সি ওয়ার্ল্ড, মেক্সিকান আমেরিকান যুদ্ধের প্রচুর হিস্টোরিক রিমেইন আছে বলে । এটা একটা পারফেক্ট ট্যুরিস্ট সিটি । স্যান এন্টোনিও সিটি তাই সব সময়ই খুব সাজানো গুছানো । সিটির সবচেয়ে পশ এরিয়া হলো রিভার সাইড। সেখানে ম্যারিয়ট, ইনট্রাকন্টিনেন্টাল হোটেলগুলো রয়েছে । বছর দশেক আগে আমরা গেলাম একবার ওখানে । রিভারসাইড ম্যারিয়ট আমাদের এক্সট্রা চার্জ করলো রিভারভিউ দেখতে পারা যায় এমন রুমের জন্য । গুড লর্ড সেই নদী দেখেতো আমাদের আক্কেলগুড়ুম । আমাদের দেশের ছোটখাটো একটা খালের চেয়েও সরু একটা নদী এঁকেবেঁকে শহরের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলেছে ! কিন্তু এমন সাজানো গোছানো নদীর তীরে সব কিছু যে মনে হবে সবাই যেন আমাজন নদী দেখতে এসেছে ! আর আমাদের দেশে ঢাকার এতো সুন্দর ক্যানেলগুলো সব বেদখল হয়ে অদৃশ্য হয়ে যায় চোখের সামনেই । শহরের পাশেই বুড়িগঙ্গা নদীটা জঞ্জালে ভরা, দেখলেও অভক্তি আসে ! এই নদী খাল নিয়ে আমাদের ঢাকাও কিন্তু হতে পারতো ভেনিসের কাছাকাছি কোনো তিলোত্তমা নগরী ! সে আর হলো কোথায় । নিজের দেশেতো আর হলো না তাই আপনার ফটো ব্লগই ভরসা চোখ জুড়ানোর শহরে "খালের ধরে রাতের মেলা " দেখবার। আরো একটা চমৎকার ফটো ব্লগের শুভেচ্ছা ।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৪

জুন বলেছেন: অনেক অনেকদিন পর আপনাকে ব্লগে আর আমার ব্লগে দেখে খুবই খুশী হোলাম মলাসইলমুনা । তার উপর ওমেরার মাধ্যমে জানতে পারলাম আপনার বই এর কথা এরপর আপনি নিজেই পোষ্ট দিয়েছেন আকাশ গংগা তারা নিয়ে । মনে হয় বইটি অনেক অনেক সুখপাঠ্য হবে ।
আমার ধারনা আমেরিকা ইউরোপ এ ঠান্ডার জন্য হয়তো নদী বা খাল এত ইংরেজীতে যাকে বলে মাইটি তা হয় না । তাদের নদীই আমাদের খালের মত :) যেমন ধরেন ইংল্যান্ড এর টেমস। আসলে শীতে মনে হয় সেদেশের নদীগুলোও কাবু হয়ে পরে । কিন্ত মিসিসিপি মিসৌরি তো অনেক বড় বিশাল নদী তাই না ?
আমাদের ঢাকা ভেনিস তো দূর এখন আমাদের ঢাকা ইরাক আর সিরিয়ার মত ধ্বংস স্তুপের চেহারা নিচ্ছে । আমি বুঝি না কেন এত কষ্ট করে ভাংছে !! আমেরিকাকে বললেই তো কিছু বোমা ফেলে একবারে ইরাক লিবিয়া সিরিয়া বানিয়ে দিয়ে যাবে । তারপর আমাদের প্রশাসন মনের মত করে টাকাপয়সা লুটপাট ভাগাভাগি করে কিছু নির্মানের চেষ্টা করে চলবে বছরের পর বছর ধরে ।
যাই হোক ক্ষোভের বশে অনেক কিছু বলি তারপরো এই গরীব মাকে ভালোবাসি যার কোন দোষ নেই ।
অনেক অনেক ভালো থাকুন , শুভকামনা রইলো । আপনার বইয়ের বহুল প্রচার কামনা করি :)

৩২| ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৪৩

মোড়ল সাহেব বলেছেন: অসাধারণ সব ছবি

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৫

জুন বলেছেন: স্বাগত আমার ব্লগে মোড়ল সাহেব । মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে ।

৩৩| ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১০:২৮

করুণাধারা বলেছেন: খালের ধারেই রাতের মেলা...
শিরোনাম দেখে মনে হচ্ছে নদীর তীরে ফুলের মেলা থেকে নেয়া :D

ছবি ভালো লাগলো, কিন্তু খুব তাড়াহুড়া করে দেখতে হলো। অনেক জায়গায় যেতে হবে।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:২৮

জুন বলেছেন: হা হা হা করুনাধারা সেই নাম কি ভোলা যায়! আমি আর সুরঞ্জনাও এই বইয়ের ভক্ত। দেখেন আমার মাথার কাছেই সাজানো ৮ পার্টের ৫টা :)

দৌড়ের উপরে থাকা মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ রইলো। পরের পোস্টে আসবেন সময় নিয়ে সেই আশা করতেই পারি B-)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.