নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

গল্পঃ প্রতিবন্ধীর কান্না

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:২৭

‘রাজা, তোমার বাবা এখন কোথায়’?

ছোট ফুপির এ কথাটা শোনার সাথে সাথে রাজার দু’চোখ বেয়ে প্রথমে নীরবে ফোঁটা ফোঁটায়, পরে ঝর ঝর করে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে লাগলো। ও কী বুঝলো, কী ভাবলো, কে জানে! ফুপি যখন এ প্রশ্নটা করেছিলো, তখন কেবলমাত্র ও ছাড়া ওদের বাড়ীর এবং আশে পাশের সব বাড়ীর পুরুষ লোকেরা গিয়েছে স্থানীয় মাসজিদে, জুম্মার নামাযে। তবে অন্যান্য দিনে জুম্মার নামাযের সময় এরকমভাবে সবার বাড়ী পুরুষ শূন্য থাকেনা। কিন্তু আজকের কথা ভিন্ন, অন্য কারণে।

আজ বা’দ জুম্মা মাসজিদে রাজার বাবার জানাযা পড়ানো হবে। তার মৃতদেহ ইতোমধ্যে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রাজার সদ্যপ্রয়াত বাবা এই মাসজিদেই গত প্রায় দুই যুগ ধরে নিয়মিতভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়েছেন। অবশ্য শেষের দিকে বছর খানেক অসুস্থতার কারণে সব ওয়াক্ত নামায মাসজিদে পড়তে পারতেন না বলে খুবই অস্থিরতায় ভুগতেন। আযান শুনলেই তার মনটা আকুলি বিকুলি করতো। এমন অস্থিরতা নিয়েই তিনি শেষের দিকে আযান শুনে নিজ বাড়ীতেই নামায আদায় করতেন। গত প্রায় পঁচিশ বছর ধরে তিনি প্রতি রাতে নিয়ম করে ফজরের ওয়াক্তের ঘন্টা দুয়েক আগে শয্যা ত্যাগ করতেন। প্রথমে তাহাজ্জুদের নামায পড়তেন, তারপর পাঞ্জেগানা সুরা অর্থাৎ সুরা ইয়াসিন, রাহমান, ওয়াক্কিয়াহ, মুলক এবং মুযাম্মিল মুখস্থ তিলাওয়াৎ করতেন। ততক্ষণে ফজরের আযান পড়ে যেত। উনি ফজরের নামায পড়ে আরও কিছুক্ষণ দোয়া দরুদ পড়তেন। সূর্য ওঠার পরে একেবারে ইশরাক এর নামায পড়ে তবে তিনি কিছুক্ষণ সময়ের জন্য ঘুমিয়ে নিতেন।

রাজার পৃথিবীটা বলতে গেলে আজন্ম চার দেয়ালের মাঝেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিংবা বলা যায়, নিজেদের ঘর, বারান্দা আর বারান্দায় বসে দু'চোখ মেলে যতটুকু দেখা যায়, ততটুকুতেই সীমিত ছিল। জন্মের পর বড় জোর মাস কয়েক সে মায়ের নিবিড় পরিচর্যা পেয়েছিল। মা বাবা উভয়ে চাকুরীজীবি হওয়ায় দু’তিন মাস বয়স থেকেই দিনের অংশটুকুতে তার যত্ন পরিচর্যার ভার ন্যস্ত ছিল বেতনভুক্ত বুয়ার উপর। বলা বাহুল্য, রাজার মা বাবা উভয়ে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে যাবার পর থেকে বুয়া আর বুয়া থাকতোনা। সে বনে যেত বাসার মালকিন। দুগ্ধপোষ্য শিশুটিকে বিছানায় ফেলে রেখে সে তার মায়ের প্রসাধন সামগ্রী মেখে পাড়া বেড়াতে বের হতো। ফিরতো নিজ ইচ্ছে মাফিক। রাজা একবার কান্না শুরু করলে সহজে থামতে চাইতোনা। কিন্তু জনমানবহীন ঘরে কে শুনবে তার কান্না? একসময় কাঁদতে কাঁদতেই ক্লান্ত হয়ে আবার সে ঘুমিয়ে পড়তো। বুয়ার এ অমানবিক আচরণের কথা আন্দাজ করতে রাজার মায়ের বেশীদিন সময় লাগেনি, কিন্তু ততদিনে অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। ভেজা বিছানায় পড়ে থাকতে থাকতে (তখনো দেশে প্যাম্পার ব্যবহার চালু হয়নি) শিশুটির ঠান্ডা লেগে তা বুকে বসে যেত। তাই কয়েক মাস পর পরেই রাজা অসুখে ভুগতে লাগলো। ঘন ঘন বুয়া পরিবর্তন করেও কোন সুফল পাওয়া যাচ্ছিল না।

এভাবেই রাজা প্রতিটি কর্মদিবসের দিনের সময়টুকুতে অনাদর আর অবহেলায় (তখনকার পরিস্থিতিতে বলা যায়, কিছুটা অপরিহার্যভাবে) বড় হতে থাকলো। ছুটির দিনগুলোতে অবশ্য তার মা বাবা ঘরে থেকে তাকে যত্ন আত্তি করতে এতটুকু কসুর করতেন না। ওনারা একসময় লক্ষ্য করলেন, ছেলের মুখে বোল ফোটার সময় পার হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সে কথা বলছে না। ওনারা জানতেন যে যারা জন্ম থেকে বোবা হয়, তারা একই সাথে বধিরও হয়। তাই ওনারা একটু দূরে কিংবা রাজার শয্যার এক পাশে সরে গিয়ে ওর নাম ধরে ডেকে পরীক্ষা করতেন যে ও কানে শোনে কিনা। ডাকের সাথে সাথে ও যখন ঘার ফেরাতো, ওনারা নিশ্চিত হতেন যে ও কানে শোনে। সুতরাং ওনারা অপেক্ষা করতে লাগলেন, একদিন ওর মুখে কথা শোনার জন্য। কিন্তু দিন যায়, মাস যায়, বছরও যেতে লাগলো, কিন্তু ও মুখে কিছু শব্দ করলেও কথা বলা শিখলোনা। দিনে দিনে ওর মা বাবার দুশ্চিন্তা বাড়তে লাগলো, সেই সাথে বাড়তে থাকলো তাদের হীনমন্যতাবোধ। ঘরে বাক প্রতিবন্ধী শিশু বড় হবে, এটা ভেবে তারা মুষড়ে পড়তে থাকলেন। বেড়াতে যাওয়া কমিয়ে দিলেন, ক্রমে সেটা শূন্যের কোঠায় নেমে এলো। পাঁচ বছর পরে তাদের ঘরে জন্ম নিল রাজার বোন রানী। এতে রাজার ওপর থেকে নজরটা ভাগ হয়ে যেতে থাকলো। রানী যখন সময়মত কথা বলা শিখলো, তখন মা বাবার সযত্ন দৃষ্টি ওর উপরেই কেন্দ্রীভূত হতে থাকলো। রাজা হতে থাকলো কিছুটা উপেক্ষিত। দিনে দিনে সেটা বেড়ে যেতে থাকলো এবং সে হতে থাকলো ঘরকুনো। বাসায় অতিথি এলে সে লুকিয়ে থাকতো, সহজে বের হতোনা। কেউ আদরের আতিশয্যে জোর করে কাছে টেনে নিলে সে অস্বস্তি বোধ করতো। বিকেলে সে একা একা বারান্দায় বসে বসে ওর বয়সী ছেলেমেয়েদের খেলা দেখতো। একাই হাসতো, আনন্দে হাত তালি দিয়ে উঠতো। মুখেও কিছু একটা বলতো যা সাধারণের বোধগম্য ছিলনা। ধীরে ধীরে সে ঘরের ফুট ফরমাশ খাটার কাজ শিখে নিল। কেউ ওকে পড়াশোনা শেখানোর বা ওর জন্য কর্মমুখী শিক্ষার কোন ব্যবস্থা করতে উদ্যোগী হলোনা। ফলে ওর স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে গেল। সেও খুশী মনেই গৃহস্থলী কাজে মা বাবাকে সাহায্য করা, ফুট ফরমাশ খাটাকে তার দৈনন্দিন কাজ হিসেবে মেনে নিয়েছিল। অবসরে নিজের ঘরে বসে বসে টিভিতে কার্টুন আর কুস্তি দেখে সে খুব মজা পেতো। সেটাই ছিল এ জীবনে তার একমাত্র আনন্দের অনুষঙ্গ।

রাজার বাবা যখন মৃত্যুর পূর্বে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে শয্যাশায়ী ছিলেন, তখন রানী একদিন অনেক অনুরোধ করে, বলা যায় জোর করেই ওকে হাসপাতালে নিয়ে এলো। বহুদিন পরে ঘর হতে বের হয়ে হাসপাতালে গিয়ে রাজা তার বাবাকে দেখে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিল। এরকম নাকে মুখে নল ঢুকানো কোন রোগীকে এর আগে সে কোনদিন দেখেনি। হাসপাতাল থেকে যখন তার বাবাকে ছেড়ে দিল, তখনো তার জ্ঞান থাকলেও তিনি মুখে কোন কথা বলতে পারতেন না, নিজ পায়ে দাঁড়াতেও পারতেন না। এ্যাম্বুলেন্সশায়ী বাবাকে ঘরে নিয়ে আসার পর রাজা তাঁকে খুব নিবিষ্ট মনে পরিচর্যা করতো। মৃত্যুর দিন এশার আযান শুনে উনি যখন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে একপাশে ঢলে পড়লেন, তখনও রাজা ওনার পাশে বসে থেকেও বুঝতে পারেনি যে তিনি আর এ ইহজগতে নেই। ওর একজন কাজিন যখন সেটা বুঝতে পেরে সবাইকে ডাকাডাকি শুরু করলো, কেবল তখনই ও কিছুটা আঁচ করতে পেরে নীরবে প্রস্থান করলো এবং তার নিজ কক্ষে গিয়ে শয্যার উপর মাথা গুঁজে বসে থাকলো। ওর বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে ওর মেজচাচা সে রাতেই ওদের বাসায় ছুটে এসেছিলেন। তিনি পরিবারের আর বাদবাকী সবার সাথে কিছুক্ষণ সান্তনামূলক কথাবার্তা বলে রাজার খোঁজ করলেন। তিনি দেখলেন রাজা অন্য একটি কক্ষে চুপ করে মাথা নীচু করে বসে আছে। উনি ভেবে পেলেন না রাজাকে উনি কী বলবেন। ওর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি নিঃশব্দে ওর মাথায় হাত বুলোতে লাগলেন। সেও উঠে দাঁড়িয়ে চাচার বুক ঘেঁষে মাথা পেতে থাকলো, যতক্ষণ না তিনি হাত বুলানো বন্ধ করে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তনে উদ্যোগী হলেন। তিনি খেয়াল করেছিলেন, ওর চোখ লাল, কিন্তু চোখে অশ্রু নেই। কেউ কেউ ওর সাথে আবেগী কথাবার্তা বলে পরখ করে নিচ্ছিল যে ওর চোখে জল আসে কিনা, আসলে হয়তো একটা ইমোশনাল ক্যাথারসিস হলে ও কিছুটা স্বস্তি পেত। কিন্তু না, তা হয় নি।

রাজা ঘরের বাইরে বের হতে খুব ভয় পায়, কারণ শৈশবে পাড়ার দুষ্ট ছেলেরা ওকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা করতো, টিটকারি দিত, এমনকি ওকে মারধোরও করতো। তাই কখনো সে সহজে ঘর হতে বের হয় না। হঠাৎ কোন সময় কোন আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে ওকে নিয়ে ওর বাবা মা বেড়াতে গেলে ও কোন একটি কক্ষকোণে গুটিয়ে থাকে। একমাত্র নিজেদের বাড়ী ছাড়া কোথাও সে স্বস্তি পায় না। ওর মনে কোন আনন্দ বা দুঃখবোধ আছে কিনা, সেটা সহজে বোঝা যায় না, কারণ সে মোটেই interactive নয়। ফলে কেউ ইচ্ছে থাকলেও বেশীক্ষণ ওর সাথে কথা বলতে পারেনা। তারপরেও সেদিন অনেকে ওকে বুঝিয়েছে, ওর বাবার নামাযে জানাযায় যাবার জন্য, কিন্তু ও রাজী হয়নি। নামায শেষে ওর মেজচাচা রানীকে ফোন করে অনুরোধ করে বলেন, 'ওতো জানাযায় এলোনা, চেষ্টা করে দেখ ওকে দাফন অনুষ্ঠানে যেতে রাজী করানো যায় কিনা। রাজী হলে আমি নিজে এসে ওকে বাসা থেকে নিয়ে যাব এবং নিজ তত্তাবধানে রাখবো'। কিন্তু না, রাজা রাজী হয়নি। তখন ওর ছোট ফুপি এসে ওকে গল্পের শুরুর প্রশ্নটি করেছিলেন। আর তখনই প্রথমে নীরবে এক ফোঁটা দু’ ফোঁটা করে, পরে ঝর ঝর করে ওর গাল দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তে থাকে। সে অনবরত ফোঁপাতে থাকে। এর আগে কেউ কখনো নির্বাক, অন্তর্মুখী রাজাকে কাঁদতে দেখেনি।

এতক্ষণ ধরে যার কথা বললাম, সে কোন বালক নয়, যুবকও নয়, বরং বলা যায় সে এখন প্রৌঢ়ত্বের দ্বারপ্রান্তে। রাজার বয়স এখন ৪৮। কিছুদিন আগে ওর বাবা, হক সাহেব ৭৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন। রাজা ভাগ্যাহত এক ব্যক্তি। সে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী নয়, শুধুই বাক প্রতিবন্ধী। জন্মগত এ সীমাবদ্ধতা নিয়ে অনেকেই কাজ করে খায়, পরিবার প্রতিপালন করে। কিন্তু তার ভাগ্যে এরকম কোন প্রশিক্ষণ প্রাপ্তি ঘটেনি, যার দ্বারা সে জীবিকা অন্বেষণ করতে পারে। ভবিষ্যত জটিলতার কথা ভেবে ওকে বিয়েও দেওয়া হয়নি। ফলে, তার একটি জন্মগত অপ্রাপ্তির সাথে আরেকটি অপ্রাপ্তির বঞ্চনা যোগ হয়েছে। তার স্বাভাবিক প্রকৃতিগত মনোদৈহিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। নির্বাক হবার কারণে সে জীবনে কখনো মিথ্যে কথা বলেনি। এদিক থেকে তার গুনাহ’র খাতা শূন্য। নিজের বাবা, মা আর বোন ব্যতীত সে অন্য কারো কাছে কখনো কিছু চায়নি। জীবনে কারো কাছে ওর কোন ঋণ নেই, তবে ওর কাছে অনেকের থাকতে পারে। পাড়া পড়শী এবং কাজিনদের মধ্যে কেউ কেউ ওর ভাষা বুঝলেও তাদের প্রতি অন্যায় করার কোন ক্ষমতা ওর নেই, ছিলনা। এদের বাইরে পৃথিবীর আর কোন মানুষের সাথে তার কোন লেনদেন নেই, কখনো ছিলনা। বাবার মৃত্যুর পর আজ সে বয়স্কা মায়ের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। যেদিন ওর মাও থাকবেনা, সেদিন ওর কি হবে, তা একমাত্র ভবিতব্যই জানে!

(গল্পের চরিত্রগুলো কাল্পনিক)

ঢাকা
২০ আগস্ট ২০১৮
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

মন্তব্য ৬১ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৬১) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
সুন্দর। পড়তে ভালো লাগছে।

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩০

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথম মন্তব্য এবং প্রথম প্লাসের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। মন্তব্যে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।

২| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৬

স্রাঞ্জি সে বলেছেন:

গল্পে ভাল লাগা রেখে গেলাম।

রাজার জন্য খুবই খারাপ লাগতেছে।

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: গল্পে ভাল লাগা রেখে গেলাম - অনেক ধন্যবাদ, প্রীত হ'লাম।
রাজা ভাগ্যাহত এক ব্যক্তি। নির্বাক হবার কারণে সে জীবনে কখনো মিথ্যে কথা বলেনি। নিজের বাবা, মা আর বোন ব্যতীত সে অন্য কারো কাছে কখনো কিছু চায়নি। পাড়া পড়শী এবং কাজিনদের মধ্যে কেউ কেউ ওর ভাষা বুঝলেও তাদের প্রতি অন্যায় করার কোন ক্ষমতা ওর নেই। জীবনে কারো কাছে ওর কোন ঋণ নেই, তবে ওর কাছে অনেকের থাকতে পারে। এমন একজন নীরিহ, নিষ্পাপ ব্যক্তির ভালবাসাহীন জীবনের জন্য খারাপ লাগারই কথা!

৩| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০২

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: গল্পটি পুরোটা পড়ে আবার প্রথম লাইনটি পড়লাম। শরীরে একটা শিহরণ খেলে গেলো!
_______________________________________________________________________________
ব্লগার খায়রুল আহসান লিখিত, বোবার কান্না, গল্পটির কেন্দ্রীর চরিত্র 'রাজা' নামের একটি বোবা ছেলে। গল্পের শুরুতে দেখা যায় রাজার বাবা মারা গেছেন। এবং বা’দ জুম্মা মসজিদে রাজার বাবার জানাযা পড়ানো হবে। রাজার পরহেজগার বাবার স্মৃতিচারণের মধ্যে দিয়ে এ গল্পটি সামনে এগিয়ে যায়।
রাজা তার জন্মের সময় থেকেই কানে শোনে তবে কথা বলতে পারে না। এদিকে কর্মব্যস্ত বাবা মা, রাজাকে সঠিক মতো সময় দিতে পারেননি। কাজের বুয়াদের অবহেলার মধ্যদিয়েই বলতে গেলে রাজার বড় হয়ে উঠা। তার এই কথা না বলতে পারার অক্ষমতার জন্য তার নিজের বাবা মার কাছেই সে নিগৃহীত হয়ে পড়ে, এ মধ্যে জন্ম হয় একটি ছোট বোনের।
রাজা অন্য পাঁচটি শিশুর মতো বড় হতে পারেনি। বাবা মার প্রাপ্য ভালোবাসা থেকে সমবয়সীদের সাথে খেলাধূলা করার সুযোগ কিছুই তার হয়নি। সে বাংলাদেশের আর পাঁচজন প্রতিবন্ধী শিশুর মতোই অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্যে দিয়ে বড় হতে থাকে।
কিন্তু সারা জীবন গৃহকোনে পড়ে থাকা রাজা, বাবার অসুস্থতার সময় যোগ্য সন্তানটি হয়ে পড়ে, যা আমাদের সমাজ বাস্তবতায় বিরল। সে তার বাবার যথাসাধ্য যত্ন নিতে থাকে, কিন্তু নিয়তি! মারা যান রাজার বাবা। রাজাকে এর আগে কেউ কাঁদতে দেখেনি,কিন্তু তার ফুফু যখন 'তার বাবা কোথায়' এ প্রশ্ন করে তখন তার চোখ বেয়ে নেমে আসে অশ্রু।
এই লেখার মধ্য দিয়ে একজন বাক-প্রতিবন্ধি শিশুর কথা লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন, যার অনুভুতি অন্য সবার চাইতে তীক্ষ্ণ হওয়া সত্ত্বেও, বাবা মার যথার্থ ভালোবাসাটুকুও সে পায়নি। এ সমাজ যে এখনো প্রতিবন্ধিদের জন্য কতখানি প্রতিকূল তা- দরদী ভাষায়
ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক।

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথমেই, আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি গল্পের এত সুন্দর একটা সার সংক্ষেপ লিখে দেয়ার জন্য, যা হয়তো আমি নিজেও এত অল্প কথায় লিখতে পারতাম না। আপনার এ মন্তব্যটা অসাধারণ উপলব্ধি ক্ষমতা, মমত্ববোধ ও রচনাশৈলীর এক উজ্জ্বল স্বাক্ষর হয়ে রবে। আপনি এটা লিখে আমাকে সম্মানিত করেছেন, উৎসাহিত করেছেন, এটা আমি হৃদয়ের গভীরে উপলব্ধি করেছি। সে তুলনায় একটা প্লাস অতি নগণ্য মাত্র, তবু সেটার জন্যেও আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমি আশা করবো, পাঠকদের মধ্যে যাদের শুধু মূল পোস্টই নয়, অন্যদের মন্তব্যও পড়ার অভ্যেস রয়েছে, তারা আপনার এই সুবিবেচিত মন্তব্যটিতে প্লাস দিয়ে যাবেন, মূল পোস্টে না দিলেও।
অনেক, অনেক শুভকামনা আপনার জন্য।

৪| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অত্যন্ত সুন্দর একটি মানবিক গল্প পড়লাম। সাথে ধন্যবাদ জানাই প্রান্তকে সুন্দর রিভিউটি দেওয়ার জন্য। মূলত প্রান্তের এই কমেন্টটির পরে আর রিভিউ দেওয়া আমার মতে নিষ্প্রয়োজনীয়। ++

ঈদ মুবারক সঙ্গে অন্তরের বিনম্র শ্রদ্ধা আপনাকে।

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: সাথে ধন্যবাদ জানাই প্রান্তকে সুন্দর রিভিউটি দেওয়ার জন্য - অবশ্যই উনি এত সুন্দর একটা রিভিউ লেখার জন্য লেখক ছাড়াও পাঠকদেরও প্রশংসা ও ধন্যবাদ ডিজার্ভ করেন।
গল্পের প্রশংসায় প্রীত হ'লাম, প্লাসে অনুপ্রাণিত।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ঈদ মুবারক!!

৫| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

বিজন রয় বলেছেন: খুঁটিনাটি অনেক আবেগ আছে। সাদাসিধা মানবিক গল্প।
সাদা মন থেকেই এরকম লেখা উৎসারিত হয়।

কেমন আছেন?

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৩৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: সাদাসিধা মানবিক গল্প - জ্বী, সাদাসিধে মানুষের সাদাসিধে গল্প। সাদা মন নিয়ে গল্পটা পড়েছেন, এজন্য অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হ'লাম।
আমি ভাল আছি, সাধারণভাবে বলতে গেলে তাই। কিন্তু চারিদিকে এত অনাচার আর বিশৃঙ্খলার মাঝে স্বস্তিতে আর থাকতে পারছি কই?
আশাকরি, আপনি ভাল আছেন। মাঝখানে বেশ কিছুদিন অনুপস্থিতির পর ব্লগে পুনরায় নিয়মিত হচ্ছেন দেখে ভাল লাগছে।
ভাল থাকুন, শুভকামনা---

৬| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: প্রকৃতির লীলাখেলা বোঝা বড় দায়। রাজার বোবা কান্না হৃদয়ে রেখাপাত করলো।

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:০১

খায়রুল আহসান বলেছেন: রাজার বোবা কান্না হৃদয়ে রেখাপাত করলো - গল্পটা পড়ে রাজার জন্য সহমর্মিতা প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

৭| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভয়ংকর অর্থনীতির নীরব থাবা

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:০৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভয়ংকর অর্থনীতির নীরব থাবা - চমৎকার বলেছেন। ধন্যবাদ।
আপনি মূল সমস্যাটাকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন।

৮| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:



গল্পটা অত্যন্ত মানবিক! একটি বোবাছেলের বুকে কত কষ্ট কত বেদনাবোধ তাই ফুটিয়ে তোলেছেন। বোবার কান্না নামটি তাই স্বার্থক! গল্পের শুরু থেকে শেষে রাজার জীবনে দুঃখদুর্দশা ফুটিয়ে তোলতে লেখক ভাষা, বাক্য, শব্দের সুষম প্রয়োগ করেছেন। ব্যাকরণগত বিশ্লেষণেও লেখাটি মানসম্মত মনে হল। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল রাজার জীবন, যা পাঠককে কাঁদিয়েছে! রাজার ব্যাথায় আমিও ব্যাথিত হয়েছি!

২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৫৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: গল্পের শুরু থেকে শেষে রাজার জীবনে দুঃখদুর্দশা ফুটিয়ে তোলতে লেখক ভাষা, বাক্য, শব্দের সুষম প্রয়োগ করেছেন। ব্যাকরণগত বিশ্লেষণেও লেখাটি মানসম্মত মনে হল। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল রাজার জীবন, যা পাঠককে কাঁদিয়েছে! রাজার ব্যাথায় আমিও ব্যাথিত হয়েছি! - আপনার এমন আন্তরিক বিশ্লেষণে আমি অত্যন্ত অনুপ্রাণিত হ'লাম।
অনেক অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় কবি!

৯| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:০৫

অচেনা হৃদি বলেছেন: মুখ ফুটে কথা বলতে পারা যে কত বড় যোগ্যতা তা আমরা অনেক সময় ভুলে যাই। লেখকের এই হৃদয় ছোঁয়া গল্প আমাদের বাকশক্তি নিয়ে গর্ব করার শিক্ষা দিয়ে গেল। ধন্যবাদ সুন্দর এই গল্পের জন্য।

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখকের এই হৃদয় ছোঁয়া গল্প আমাদের বাকশক্তি নিয়ে গর্ব করার শিক্ষা দিয়ে গেল - অনেক ধন্যবাদ, আপনার এমন সুন্দর একটা পর্যবেক্ষণ এখানে তুলে ধরার জন্য। মন্তব্যে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ঈদ মুবারক!

২০ শে নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার ৩য় পোস্ট - যত দোষ হৃদির বাবার - পড়ে একটা মন্তব্য রেখে এসেছি।

১০| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর ঝরঝরে লেখা।
এক কথায় প্রানবন্ত।
৩নং মন্তব্যকারী চমৎকার।

আচ্ছা, গল্পটি কি বাস্তব গল্প?

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১:০৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখার প্রশংসায় প্রীত হ'লাম। ৩ নং মন্তব্যটা আমারও ভাল লেগেছে।
গল্পের চরিত্রের নামগুলো কাল্পনিক। সত্য ঘটনার ছায়া অবলম্বনে গল্পটা (যদি এটাকে গল্প বলা যায়) লেখা হয়েছে।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা, ঈদ মুবারক!

১১| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:০১

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:





গল্পটা অত্যন্ত চলমান ভঙ্গীতে লেখা। রাজার অবহেলায় বড় হওয়া মানুষের অতি কর্পোরেট হওয়ার ফলকে নির্দেশ করে। অসুস্থতায় বাবার পাশে থাকা এবং মৃত্যুর পরবর্তী রাজার কষ্টগুলো প্রমাণ দেয় নীরব ভালোবাসাগুলো অত্যন্ত গভীর।

গল্পটা ভাল লাগলো বেশ।

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ২:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: অসুস্থতায় বাবার পাশে থাকা এবং মৃত্যুর পরবর্তী রাজার কষ্টগুলো প্রমাণ দেয় নীরব ভালোবাসাগুলো অত্যন্ত গভীর - খুবই ভাল লাগলো আপনার এ কথাগুলো।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!

১২| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:১৪

বাকপ্রবাস বলেছেন: সুন্দর, শিক্ষনিয় এবং হৃদয় ব্যাথিত গল্প। উপস্থাপনা সাবলিল। খুব ভাল লেগেছে

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:১০

খায়রুল আহসান বলেছেন: গল্পটি আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশী হ'লাম। লেখার প্রশংসায় অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ঈদ মুবারক!

১৩| ২১ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৫৯

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: খুব মানবিক ব্যাপার নিয়ে লিখেছেন।
তবে গল্প কি হলো শেষ তক? জানি না। আপনার লেখা বলেই, খোলাখুলি ভাবে বলছি। অন্য কেউ, খুব নবিশ হলে, হয়ত উতসাহ দিয়ে বলতাম, খুব ভাল লিখেছেন। কিন্তু আপনার মত পাঁকা লেখককে তা বলা যায় না।
শুরু থেকে গল্পটা টানেনি। মনে হচ্ছিল, একজনের জীবনী পড়ছি একঘেয়ে শব্দের বুননিতে। এটা কাটিয়ে উঠতে হবে। আপনার এই গল্পের বাক্যগুলো অন্য যে কোন সাধারণ লেখকের বাক্যের মত। রচনা শৈলী এমন হওয়া চাই, যেন দুটো বাক্য পড়লেই বোঝা যায় লেখাটা কার । এটা এই গল্পে হয়নি। অন্তত আমার মতে

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: পাঠকের মূল্যায়নকে আমি সবসময় স্বাগত জানাই। আপনারটাকেও জানাচ্ছি, ধন্যবাদসহ।
রচনা শৈলী এমন হওয়া চাই, যেন দুটো বাক্য পড়লেই বোঝা যায় লেখাটা কার । এটা এই গল্পে হয়নি - না, এটা এ গল্পেও হয়েছে। যে কেউ এ গল্পটা পড়ে বুঝতে পারবে, এ ভাষাটা কার! কে এমনভাবে একঘেয়েমির সাথে জীবন ঘনিষ্ঠ গল্প বলার নামে কোন অবিখ্যাত লোকের জীবনী ঘ্যানর ঘ্যানর করে শুনিয়ে যায়, এক খায়রুল আহসান ছাড়া? :)
পাঠকের কাছ থেকে পাওয়া মন্তব্য সমীক্ষা করে লেখক তার লেখা সম্বন্ধে নিজে নিজেই একটা মূল্যায়ন করে নিতে পারেন। কোথায় ফাইন টিউনিং করতে হবে সেটা ধরতে পারেন। এ লেখাটা নিয়ে আপনি খোলাখুলি ভাবে বলে আমার লেখালেখির ব্যাপারে আপনার মতে আমার অবস্থানটা কোথায়, সেটা বুঝিয়ে দিয়েছেন, এজন্য আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

১৪| ২২ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৮:৫৩

স্রাঞ্জি সে বলেছেন:

@প্রীশু নিবেন। ঈদ মোবারক।

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:২১

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনাকেও পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি-- ঈদ মুবারক!

১৫| ২২ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:১৮

বিজন রয় বলেছেন: মাঝখানে বেশ কিছুদিন অনুপস্থিতির পর ব্লগে পুনরায় নিয়মিত হচ্ছেন দেখে ভাল লাগছে।.....

বাহ! আপনি দেখি আমার খোঁজ-খবর রাখেন।
ভাললাগে এসব পারস্পারিক অনুভূতির যোজনা।

সত্যি বলতে, আমিও আপনাকে অনুভব করি।

অনেক ভাল থাকুন শ্রদ্ধেয়।

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাহ! আপনি দেখি আমার খোঁজ-খবর রাখেন। ভাললাগে এসব পারস্পারিক অনুভূতির যোজনা - হ্যাঁ, রাখি তো! আপনার বেশ কয়েকটা পোস্টে গিয়েও কুশল জিজ্ঞাসা করে এসেছিলাম।
পোস্টে পুনরাগমনের জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকুন, সব সময়---

১৬| ২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:২৬

সুমন কর বলেছেন: রাজা'র কাহিনী পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল। গল্প এবং বর্ণনা ভালো হয়েছে। +।

ঈদের শুভেচ্ছা রইলো।

২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: কাহিনীটা অবশ্য মন খারাপ করার মতই।
লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।
আপনাকেও পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানাচ্ছি- ঈদ মুবারক!
ভাল থাকুন, শুভকামনা---

১৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৫৭

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:




অনেক অনেক ধন্যবাদ, প্রিয় কবি!

একদা আই এস এস বি তে গ্রীন কার্ড পেয়ে উৎফুল্ল হয়েছিলাম! জীবনের সমস্ত পাওয়া হয়ত সেখানেই ছিল তখন! এরপর যখন থেকে কবিতা লেখা শুরু করেছি, আজ সেই অনুভূতির মত আবারো উৎফুল্ল হয়েছি! আপনার মত কবির/লেখকের স্নেহধন্য হয়েছি এটাই কবিতা লেখার অন্যতম বড় পাওয়া হয়ে রইল!


এভাবে কঠিন সময়ে অনুপ্রাণিত করার জন্যে অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা স্যার!

২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১০:৪৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: মানুষ পার্থিব সাফল্য অর্জনে উৎফুল্ল হয়, অপার্থিব সৃষ্টিতেও উৎফুল্ল হয়। কবিতা লিখতে পারাটা এক অনুপম, অপার্থিব সাফল্য, অনন্য, মৌলিক সৃষ্টি।
আপনি কবিতা লিখে চলুন, মনের আনন্দেই। অবশ্য আপনার অন্যান্য লেখাগুলোও যথেষ্ট মেধার, মৌ্লিকতার স্বাক্ষর বহন করে। আপনার পেশাগত কাজের পাশাপাশি লেখালেখিও চলতে থাকুক, আপন গতিতে।

১৮| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ২:৫৩

সচেতনহ্যাপী বলেছেন: বোবা কান্না আর অসহায়তা।।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১১:০৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: ঠিক বলেছেন। গল্প পড়ে এখানে মন্তব্য রেখে যাওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

১৯| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৪

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: অনেক সুন্দর গল্প গড়েছেন শ্রদ্ধেয়, ভালো লাগলো অসহায় মানুষদের নিয়ে আপনার অনুভাবী মনের অনুভূতি।

ঈদ মোবারক,
শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানবেন

২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনাকে অনেক, অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি, গল্পটা পড়ার জন্য, পড়ে এখানে মন্তব্য করার জন্য এবং প্লাসের জন্য।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। ঈদ মুবারক, অনেক শুভকামনা ও শুভেচ্ছা!

২০| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:০৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: বোবার কান্না যে সত্যিকারেই একজন বোবার কান্না, শিরোনাম পড়ে অবশ্য এটা ভাবি নি।

আমার জানাশোনা বেশ কয়েকজনের ছেলেমেয়ে প্রতিবন্ধী। প্রতিবন্ধীদের অবস্থার চাইতে তাদের মা-বাবাদের মানসিক কষ্ট আমার কাছে অধিক ভয়াবহ ও বেদনাদায়ক মনে হয়। ওদের কথা ভাবলে আমার দম আটকে আসার উপক্রম হয়।

গল্পটা পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল গল্প নয়, একটা সত্য কাহিনি পড়ছি। নীচের ফুটনোট 'চরিত্রগুলো কাল্পনিক' পড়ে বুঝলাম এবং আরো কয়েকটা কমেন্ট থেকে নিশ্চিত হলাম সত্য কাহিনি অবলম্বনে রচিত।

'রাজা, তোমার বাবা এখন কোথায়?' এ প্রশ্নে নিশ্চয়ই রাজার বুক ফেটে যাচ্ছিল- প্রথমত বাবাকে হারানোর কষ্টে এবং দ্বিতীয়ত, কথা বলতে না পারায় সেই বেদনা আরো প্রকট হচ্ছিল। রাজার এই মানসিক অবস্থাটাই আমাকে কষ্ট দিয়েছে।

গল্প ভালো লাগলো স্যার।

শুভেচ্ছা রইল।

২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথমত বাবাকে হারানোর কষ্টে এবং দ্বিতীয়ত, কথা বলতে না পারায় সেই বেদনা আরো প্রকট হচ্ছিল। রাজার এই মানসিক অবস্থাটাই আমাকে কষ্ট দিয়েছে - এরকম একটা কষ্ট থেকেই এ পোস্ট লিখেছি। পড়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত।

২১| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:১৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান ,



" রাজা " যেন লাখো প্রতিবন্ধীদের হয়ে আপনার গল্পে বোবা কান্না কেঁদে গেলো । তবে এটা শুধু গল্পই নয় , গল্পের আড়ালে প্রতিবন্ধী শিশুদের আর্তনাদ । মনের অব্যক্ত অনুভবগুলোর মৌনভাষ ।
টাচি লেখা ।

( আমার পোস্টে আজকে করা আপনার মন্তব্যের জবাব দিয়ে এসেছি )

২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৩৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: তবে এটা শুধু গল্পই নয় , গল্পের আড়ালে প্রতিবন্ধী শিশুদের আর্তনাদ । মনের অব্যক্ত অনুভবগুলোর মৌনভাষ - আপনার এমন চমৎকার একটা পর্যবেক্ষণ আমাকে অনেক অনুপ্রাণিত করে গেল।
(আরো দুটো- অর্থাৎ "কেউ কথা রাখে না" এর ঠিক পরের দুটো পোস্টে আমার মন্তব্য দেখা আপনার এখনো বাকী আছে।) :)

২২| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১০:১৯

সোহানী বলেছেন: দেশে প্রতিবন্ধী কোটা বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছে। আর বিদেশে বসে দেখছি প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রতিটি পয়েন্টে আলাদাভাবে প্রতিটি স্থানে ওদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা। কি পরিমান সাহায্য সহোযোগিতা যে তাদেরকে করা হয় তা না দেখলে বিশ্বাস কেউ করবে না। ওরাই এখানকার রাজা প্রজা। অথচ আমাদের দেশে তারা সবচেয়ে অবহেলিত।

ভালো লাগলো প্রিয় লেখক স্পর্শকাতর অনুভূতিকে নিয়ে লিখার জন্য।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:০৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রতিবন্ধীরা নিয়তির কাছে অসহায়। তাদের সাথে সহমর্মিতায়, তাদের সহায়তায় যারা এগিয়ে আসে, তারা দেবতুল্য।
আপনার মন্তব্য এবং প্লাস অনেক প্রাণিত করে গেল।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা---

২৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:১৪

করুণাধারা বলেছেন: পোস্টটা পড়েছিলাম ঈদের আগের রাতে, কিন্তু ঈদের ব্যস্ততায় তখন আর লগইন করা হয়ে ওঠেনি। অতএব, এতদিন পর এলাম। ভালো লাগা জানাই, যে গভীর দরদী মন নিয়ে আপনি এক প্রতিবন্ধী মানুষের কষ্টের ছবি এঁকেছেন তাকে। তার কাছের মানুষদের মন যদি তার প্রতি এর অর্ধেকও দরদী হত তাহলে হয়তো বা ছেলেটির কষ্ট অনেক কমে যেত। এই গল্পে আপনি দুটো বিষয়ে আলোকপাত করেছেন- ১) পিতা-মাতার অবহেলার কারণে সন্তানের এত বড় ক্ষতি হতে পারে যা আর কখনো শোধরানো যায় না এবং ২) অনেক মা বাবাই তাদের মেধাবী ও অমেধাবী সন্তান, সুস্থ ও প্রতিবন্ধী সন্তানের প্রতি আচরণে খুব তারতম্য করেন, যা কখনই উচিত নয়।

গল্প বলার স্টাইলে +++++

২৬ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:১৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ঈদের ব্যস্ততার পরে পুনরায় এসে মন্তব্য করে যাবার জন্য ধন্যবাদ।
জ্বী, আপনি সঠিকভাবেই আমার মূল বক্তব্যটাকে চিহ্নিত করেছেন। তবে এখানে পরের পয়েন্টটাতে বরং বলা যায়, সুস্থ ও প্রতিবন্ধী সন্তানের প্রতি আচরণে তারতম্য করাই উচিত, প্রতিবন্ধী বাচ্চাটার প্রতি অধিকতর নজর এবং ভালবাসা দিয়ে।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। ঈদ মুবারক, অনেক শুভকামনা ও শুভেচ্ছা!

২৪| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:২৩

সোহানী বলেছেন: অামি যখন এ লিখা পড়ছিলাম তখন আমার হাজবেন্ড ও সাথে পড়ছিল। তখন আপনার পরিচয় দিচ্ছিলাম আর আগের লিখাগুলো দেখাচ্ছিলাম। ও খুব সারপ্রাইজড্ হলো। ও বললো আপনার প্রফেশানে সাধারনত এ ধরনের মানসিকতার ও এ রকম ট্যালেন্ট লোকজন কম দেখা যায়। যারা এ পর্যায়ে অাসে তারা এক্সট্রা ট্যালেন্ট। ও অনেকগুলো লিখা পড়লো তবে মন্তব্য করতে পারছে না কারন তার এ্যাকাউন্ট নেই ও বাংলা লিখতে জান বের হয়ে যায়............... B:-/

২৭ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাহ, কি চমৎকার কথা! দু'জনে মিলে একসাথে ব্লগ পড়া!
অনেক ধন্যবাদে, আমাকে এবং আমার লেখাকে আপনার হাজব্যান্ডের কাছে ইন্ট্রোডিউস করে দেবার জন্য। ওনার মন্তব্য ওনার উদারতার পরিচায়ক। মানুষের প্রশংসা করতে হলে একটি উদার মন দরকার। অনুপ্রাণিত হ'লাম ওনার মন্তব্যে।
তবে, ৩১ বছর ধরে প্রফেশনে থাকাকালীন কলমটাকে খাপবন্দী রেখেছিলাম। এখন প্রচুর অবসর, তাই পুরনো চর্চায় ফিরে এসেছি।

২৫| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৯

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: যে কোন ধরনের প্রতিবন্ধীত্ব, পরিবার এবং শিশুটিকে আজীবন কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: এটা এমন একটা ব্যাপার, যার উপরে কারো কোন হাত নেই। কেবলমাত্র ভালবাসাই পারে প্রতিবন্ধী মানুষটিকে কিছুটা স্বস্তি ও শান্তি দিতে। এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন ব্যক্তিটির মা বাবা, বিশেষ করে মা।
গল্পটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে প্রীত হ'লাম।

২৬| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৫৫

প্রামানিক বলেছেন: রাজার কষ্টের কাহিনী হৃদয় ছুঁয়ে গেল। এরকম অনেক ঘটনা অহরহ বাস্তবে ঘটে। দেখে কষ্টই লাগে। ধন্যবাদ খায়রুল আহসান ভাই।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: হ্যা, "এরকম অনেক ঘটনা অহরহ বাস্তবে ঘটে" থাকে। এসব ঘটনাগুলো হৃদয়বিদারক।
গল্পটা পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ, প্রামানিক। মন্তব্যে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ভাল থাকুন, শুভেচ্ছা---

২৭| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:২৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খায়রুল ভাই,
অফ লাইনে লেখাটি পড়েছিলাম পোস্ট করার দিনই |এখন যা লিখছি সেটা পড়ার পরেই মনে এসেছিলো | কমেন্ট সময়মত পরে করবো ভেবেছিলাম কিন্তু ভুলে যাওয়াতে আর আর কমেন্ট করা হয় নি I আজ সোহানীর পোস্ট করা লেখাটা পড়তে যেয়ে মনে হলো আরে অমিতো আপনার লেখাটা পড়েছিলাম কিন্তু কমেন্ট করা হয়নি ! তাই এলাম মন্তব্যটা করতে ই

লেখাটা একটু সংক্ষিপ্ত হয়ে গেছে মনেহলো I স্পেসিফিকালি রাজার সাথে তার বাবার সম্পর্কের গভীরতা গল্পে তেমন করে আসেনি I তাই বাবার মৃত্যু আর তাতে রাজার অনেক খারাপ লাগাটার মধ্যে খানিকটা ডিসকানেকট হয়েছে বলে মনে হয়েছে (একান্তই আমার ভাবনা এটা) I অনেক ভাবনা থেকে লেখাটা লিখেছেন বোঝা গেলো বিষয় নির্বাচন থেকেই | আমাদের দেশে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে ভাবনা খুব কম দেখে কথাটা মনে হলো I মায়াময় একটা লেখায় ভালোলাগা রইলো অনেক I

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: একান্তই আমার ভাবনা এটা - আপনার ভাবনাটা একদমই সঠিক, ধন্যবাদ এ মূল্যবান পর্যবেক্ষণটুকু প্রকাশ করার জন্য।
এটা নিয়ে যে আমি ভাবিনি, তা নয়। তবে দু'টো কারণে এ ব্যাপারে আমি বেশী কিছু বলিনি। এক, পোস্টের কলেবর বৃ্দ্ধি পাবে। দুই, রাজার বাবা এখন লোকান্তরে। তাই এ গল্পে আর তাকে ডেকে আনতে চাইনি।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন, শুভকামনা---

২৮| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৪৩

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: গল্পটি পড়ে রাজার জন্য খারাপ লাগছে :(

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: গল্পটি পড়ে রাজার জন্য খারাপ লাগছে - গল্পের মূল চরিত্রের সাথে একাত্ম বোধ করেছেন জেনে প্রীত হ'লাম। প্লাসে অনুপ্রাণিত।
ভাল থাকুন, শুভকামনা---

২৯| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪১

জাহিদ অনিক বলেছেন:
রাজা মিয়ার জন্য প্রাণটা ডুকরে উঠলো------ সেটা অবশ্যই আপনার লেখনীর গুণে।
চমৎকার।

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: যে প্রাণ অন্য প্রাণের ভাষা বোঝে, সে প্রাণ তো অন্যের ব্যথায় ডুকরে উঠবেই। সেটা লেখকের লেখার গুণে যতটা, তার চেয়ে অনেক বেশী ঐ প্রাণটির সংবেদনশীলতার কারণে।
চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত।

৩০| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ভোর ৬:০৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
সোহানী আপুর পোস্ট পড়ে আজ আবারও পড়তে এলাম, স্যার।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: এই পোস্টের প্রথম মন্তব্যদাতা ছিলেন আপনি। হয়তো শেষটাও দিলেন আপনিই। প্রথম 'লাইক'টাও ছিল আপনারই।
দ্বিতীয়বার এসে মন্তব্য রেখে যাবার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা জানবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.