নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার পছন্দের নির্বাচনী ইশতিহার

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:০১

যারা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন ও জানেন, তারা নিঃসন্দেহে ওপরের ঐ শিরোনামটা দেখে চমকে উঠবেন। কারণ, আমি সারাজীবনে কখনো রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম না। তবে প্রত্যক্ষভাবে রাজনৈতিক কোন কর্মকান্ডে জড়িত না থাকলেও, দেশের এবং বহির্বিশ্বের রাজনীতির গতি প্রকৃ্তির উপর একটা নির্মোহ ও নিরাসক্ত দৃষ্টি সব সময়েই রেখেছি। আর মাত্র তিন দিন পরে অনুষ্ঠিত হবে আমাদের দেশের একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচন নিয়ে ব্লগারদের ভাবনাগুলো কেমন, বা তারা প্রার্থীদের কাছ থেক কী প্রত্যাশা করেন, সেটা একটি ইশতিহার আকারে প্রকাশ করার জন্য কাল্পনিক_ভালবাসা একটি পোস্টের মাধ্যমে আহবান জানিয়েছেন। সেই থেকে আমারও মনে ভাবনা এলো, আমি যদি রাজনীতি করতাম, তা’হলে নির্বাচনের প্রাক্কালে আমি যে নির্বাচনী ইশতিহার তৈরী করতাম, তাতে কী কী কথা থাকতো? মোটা দাগে সেসব ভাবনা নিয়েই আমার আজকের এ পোস্ট।

কাল্পনিক_ভালবাসা এর এতদসংক্রান্ত পোস্টটা পড়ার পর এ ব্লগে বহু ইশতেহার এসেছে, কিন্তু আমি তার কোনটাই পড়িনি, প্রভাবিত হয়ে যেতে পারি এই ভেবে। তারপরেও, অনেকের ভাবনার সাথে আমার ভাবনাগুলোও মিলে যেতেই পারে, এবং সেই সাথে ইশতিহারের পয়েন্টগুলোও। এই পোস্ট দেয়ার পরে আমি ইশতিহার নিয়ে লেখা অন্যদের পোস্টগুলোও যত বেশী পারি, পড়ে দেখবো বলে আশা করছি।

আমার সে ইশিতিহারে নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের উল্লেখ থাকতোঃ

১। আইন ও আদালত সংস্কারঃ যারা জীবনে কখনো কোন মামলা মোকদ্দমার মুখোমুখী হন নি, তারা হয়তো এটা বুঝবেন না, কিন্তু যাদের এ দুঃসহ অভিজ্ঞতা একবার হয়েছে, তারা ঠিকই বুঝবেন যে এ সমস্যাটা কতটা মারাত্মক! দেশে অসংখ্য মামলা যুগের পর যুগ ধরে ঝুলে আছে, মামলা চালাতে গিয়ে ধনী দরিদ্র নির্বিশেষে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়াও আদালতের আনাচে কানাচে যে দুর্নীতি ছড়িয়ে আছে সেটাও অভিযুক্তদেরকে অক্টোপাসের মতই জড়িয়ে ধরে। তার উপর মরার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে আসে সরকার পরিবর্তন বা নির্বাচনের সময় রুজুকৃত অসংখ্য রাজনৈতিক মামলা, যার ফলে মামলার ভারে ন্যুব্জ আদালত কোন কূল কিনারা খুঁজে পায় না, জেলখানাগুলোতেও যেন “তিল ঠাঁই আর নাহি রে” অবস্থা! তাই আমরা (মানে আমার কল্পিত দল) একটা আইন ও আদালত সংস্কার কমিশন গঠন করে আইন এবং আদালতের যেখানে যেখানে সংস্কার প্রয়োজন, তা করবো। ঝুলন্ত মামলার সংখ্যা যতটা সম্ভব, দ্রুতহারে নামিয়ে আনা হবে। দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত ব্যক্তিদের কাছে সুবিচার যেন সহজলভ্য হয়, সেজন্য আইনে প্রয়োজনীয় বিধান রাখা হবে।

২। বিশ্বের অন্যান্য সভ্য দেশগুলোতে যেভাবে অভিযুক্তরা সহজে জামিন লাভ করে, এ দেশেও সেরকম সম্মানজনক ব্যবস্থাই করবো। আদালত কর্তৃক দন্ডিত হবার আগে পর্যন্ত কোন অভিযুক্তের সাথে অপরাধী হিসেবে ব্যবহার করা যাবেনা। আর, পুলিশের রিমান্ড প্রথা থাকবে না।

৩। আদালতের বাইরে আপোষনামা বা সালিশনামার মাধ্যমে মামলা নিষ্পত্তিকে (Out of Court Settlement) উৎসাহিত করা হবে। এ ব্যাপারে সুপ্রীম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মরহুম কামাল উদ্দিন মহোদয় বেশ কিছু কাজ করেছিলেন। তার সুপারিশগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

৪। বিচারকগণের এবং সাংবিধানিক পদ সমূহে অধিষ্ঠিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন বা অসদাচরণের কোন অভিযোগ উল্থাপিত হলে দ্রুত তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনকে সর্বাবস্থায় দুর্নীতিমুক্ত এবং অনৈতিকতামুক্ত রাখা হবে। সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে প্রশাসনিক খবরদারির আওতামুক্ত রাখা হবে

৫। প্রশাসনঃ একইভাবে একটি প্রশাসনিক সংস্কার কমিশন গঠন করে তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে যেন প্রশাসন গণমুখী ও জনবান্ধব হয়। নিজে গণবিরোধী কিংবা গণস্বার্থ বুঝতে অক্ষম, এমন প্রশাসকদেরকে খুঁজে বের করে তাদেরকে মাঠ প্রশাসনের বাইরে অন্যত্র বদলি করা হবে এবং তার আগে তারা কোন গণবিরোধী কাজে ব্যক্তিগত উচ্ছ্বাসে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়ে থাকলে তাদেরকে বিচারের সম্মুখীন করা হবে।

৬। পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রথা উঠিয়ে দিয়ে জন প্রতিনিধিদের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া হবে। পুলিশের কাছ থেকে শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি(দে)র বিরুদ্ধে কোন মামলা থাকলে ধারা উল্লেখ পূর্বক তার লিখিত বিবরণী চাওয়া হবে।

৭। আমাদের দেশের প্রশাসনিক অবকাঠামো অত্যন্ত মাথাভারী। একটি আলাদা কমিটি করে প্রশাসনিক অবকাঠামো পুনর্গঠিত করা হবে। অফিসে কোন পিয়ন আর্দালি রাখা হবেনা, যারা বেশীরভাগ সময় চা নাস্তা আয়োজনের বাইরে শুধু টুলে বসে ঘুমায়।

৮। রেল প্রশাসনকে পুনর্গঠিত করে যাত্রীবান্ধব করা হবে। রেলখাতে পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ করে নতুন নতুন লাইন তৈরী করা হবে এবং জরাজীর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়া পুরনো লাইনগুলো সংস্কার করে পুনরায় চালু করা হবে। সড়ক যানবাহনের মালিক, শ্রমিক ও দালালদের সমিতিগুলোকে কঠোর আইনের মাধ্যমে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে এবং যানবাহন চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সকল দুর্বৃত্তপনা বন্ধ করা হবে। রেলওয়ের দখলকৃত জমি পুনরুদ্ধার করে দক্ষ প্রশাসনের মাধ্যমে রেলের রাজস্ব আয় বৃ্দ্ধি করা হবে।

৯। নকল মুক্তিযোদ্ধাদের ছাঁটাই করে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানো হবে। মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের স্ত্রীদেরকে ফ্রী পাস দেয়া হবে যেটা প্রদর্শন করে তাঁরা সরকারী/বেসরকারী যেকোন বাহনে বিনামূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন। স্ত্রী মারা গেলে কিংবা স্ত্রীর অবর্তমানে যে কোন একজন সন্তান এ সুযোগ ব্যবহার করতে পারবেন। বিমান ভ্রমণের জন্য তাঁরা ৫০% মূল্যহ্রাস পাবেন। চিকিৎসার জন্য সরকারী হাসপাতালে ভর্তির ব্যাপারে তারা আজীবন অগ্রাধিকার পাবেন এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা পাবেন। বেসরকারী হাসপাতালেও অন্ততঃ ৫০% ছাড় পাবেন।

১০। সকল প্রশাসনিক নিয়োগ কেবলমাত্র মেধাভিত্তিক হবে এবং প্রশাসনিক পদে নিয়োগের জন্য সকল কোটা প্রথা বিলোপ করা হবে

১১। ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে ওঠা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনুমতি কঠোর স্ক্রীনিং এর মাধ্যমে পুনঃপরীক্ষা করা হবে এবং নিম্নমানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উঠিয়ে দিয়ে তার পরিবর্তে প্রয়োজনবোধে সরকারী সহায়তায় ভোকেশনাল ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা উৎসাহিত করা হবে।

১২। মেয়েদের শিক্ষা দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ফ্রী করা ছাড়াও দরিদ্র ছাত্রীদেরকে শিক্ষাব্যয় নির্বাহের জন্য বৃত্তি প্রদান করা হবে। বিদেশে গৃহসেবিকা হিসেবে নারীদের নিয়োগ বন্ধ করে তাদেরকে উপযুক্ত শিক্ষার মাধ্যমে যথোপযুক্ত পেশায় নিয়োগলাভে উৎসাহিত করা হবে।

১৩। আইন পাশ করে প্রাইভেট কোচিং বন্ধ করে দেয়া হবে। শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করে শ্রেণিকক্ষেই পর্যাপ্ত শিক্ষাদানে বাধ্য করা হবে। ছাত্রছাত্রীদের অকৃতকার্যতার দায় কিছুটা হলেও শিক্ষকদেরকে বহন করতে বাধ্য করা হবে।

১৪। রাজধানী ঢাকার এবং অন্যান্য বিভাগীয় শহরের যান চলাচল ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার এনে যানজটকে সহনীয় পর্যায়ে আনা হবে। রাস্তার মোড়গুলোতে হাস্যকরভাবে অসভ্য দেশের মত দড়ি দিয়ে যান নিয়ন্ত্রণ করার পরিবর্তে বহু ব্যয়ে স্থাপিত ট্রাফিক লাইট ব্যবস্থার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা হবে। রাজধানীতে ভিভিআইপিদের চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা করা হবে, যেন তাদের নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে নিরাপত্তা রক্ষীগণ আপামোর জনসাধারণকে ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে রাস্তার উপর আটকে না রাখে।

১৫। দেশের প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে এবং বিদ্যমান জরাজীর্ণ স্টেডিয়ামগুলোর সংস্কার করে সাড়া বছর জুড়ে এগুলোর পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা হবে। এখনকার মত শুধু বছরের কিছু নির্দ্দিষ্ট সময় ছাড়া স্টেডিয়ামগুলোকে অব্যবহৃত রাখা হবে না। আন্তঃ স্কুল, আন্তঃ কলেজ খেলাধুলা, শরীর চর্চা এবং এ্যাথেলেটিক্স প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বিশেষ বিশেষ জাতীয় দিবসগুলোতে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হবে। ভূমিদস্যুদের কাছ থেকে সরকারী ভূমি উদ্ধার করে সেখানে ব্যায়ামাগার এবং শরীর চর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। জলদস্যুদের থেকে জলাধার উদ্ধার করে মৎস্যজীবিদের মাঝে সমবায় সমিতির মাধ্যমে ইজারা দেয়া হবে এবং তাদের অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলে জলপথগুলো জলযান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

১৬। দ্বীপাঞ্চলের অধিবাসীদেরকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুরক্ষা করার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিক্রিয়া মোকাবিলা করার জন্য উন্নত বিশ্বের সহযোগিতা কামনা করে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

১৭। সংসদীয় সংস্কারঃ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের বয়স সীমা নির্বাচনের তারিখে ৩৫ থেকে ৭৫ এর মধ্যে সীমিত করা হবে। একজন ব্যক্তি অনধিক দুইবার সরকার প্রধান হতে পারবেন, এমন বিধান রাখা হবে। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা এমনভাবে বৃ্দ্ধি করা হবে যেন তা শুধুই সরকারের আনুমোদনিক না হয়ে কিছুটা রাষ্ট্রের অভিভাবকসুলভও হয়।

১৮। সাংসদদেরকে শুল্কমুক্ত যানবাহন প্রদান প্রথা বাতিল করা হবে। বিনিময়ে তাদেরকে ফ্রী পাস দেয়া যেতে পারে।

১৯। সংসদে কোন ভোটাভুটির সময় সাংসদদের ফ্লোর ক্রসিং এর উপর আরোপিত সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞা সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রত্যাহার করা হবে, যেন তারা নিজ বিবেক এবং মুক্তচিন্তা দ্বারা পরিচালিত হয়ে প্রয়োজনবোধে দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও তাদের মত প্রকাশ করতে পারে্ন।

২০। সংস্কারের লক্ষ্যে উপরে যেসব কমিশন/কমিটির কথা বলা হয়েছে, তার সদস্য সংখ্যা হবে ১৫। তাদের মধ্যে কমপক্ষে ১০ জন কোন আলোচনাসভায় উপস্থিত থাকলেই কোরাম পূর্ণ হয়েছে বলে বিবেচিত হবে। ১৫ জনের মধ্যে ১ জন হবেন সভাপতি, যিনি সাধারণ ক্ষেত্রে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় নিজের ভোট প্রয়োগ করবেন না। কিন্তু কখনো যদি সমান সমান ভোটের কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অচলাবস্থা দেখা দেয়, তখন তিনি নিজের ভোটটি প্রয়োগ করে সিদ্ধান্তে উপনীত হবেন।

সবাইকে ইংরেজী নতুন বছর - ২০১৯ এর অগ্রিম শুভেচ্ছা!!! :)

মন্তব্য ৬০ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৬০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:১৮

বিজন রয় বলেছেন: আমার একটাই ইশতেহার, এই বাঙালজাতিকে মানুষ করা।

++++

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার একটাই ইশতেহার, এই বাঙালজাতিকে মানুষ করা - দশ কথার এক কথা দিয়েই ইশতিহারের কাজটা করে ফেলেছেন, কবি!
প্রথম মন্তব্য এবং প্রথম প্লাসের জন্য অশেষ ধন্যবাদ!

২| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২২

অগ্নি সারথি বলেছেন: আপনার পক্ষ থেকে মনে মনে একটা ইশতেহার খুজছিলাম হয়তোবা খায়রুল ভাই! যদিও আমি নিজে লিখতে পারি নাই, হয়তোবা আমি ভোট দেয়াদের দলে। পুরোটাই পড়লাম, চার নাম্বারটা সব থেকে বেশী ভালো লেগেছে যদিও সবগুলোই সুন্দর এবং সাম্প্রতিক সময়ের দাবী। তবে এই ইশতেহারে আমলারা প্রচন্ড ভাবে বিরক্ত হবে বলে আমার বিশ্বাস এবং আপনাকে তারা কোনভাবেই ক্ষমতায় বসাতে রাজী হবে না। ভোট নষ্ট হবে জানি, তবু আমার ভোটটা আপনাকে দিয়া গেলাম।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩২

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্টটা মনযোগ দিয়ে পড়েছেন, এজন্য ধন্যবাদ।
তবে এই ইশতেহারে আমলারা প্রচন্ড ভাবে বিরক্ত হবে বলে আমার বিশ্বাস - তা হলে আর কীই বা করা যায়! :(
ভোট নষ্ট হবে জানি, তবু আমার ভোটটা আপনাকে দিয়া গেলাম - ভাগ্যিস, আমি সত্যি সত্যি ভোটপ্রার্থী হই নি। হলে আপনার মূল্যবান ভোটটা নষ্ট করার অপরাধে নিজেকে অপরাধী ভাবতাম!! :)

৩| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২৪

মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:

আইনের সংস্কার যদি অগ্রাধিকার পায়, তবে উন্নয়ন সেখান থেকেই শুরু হবে। 'মুক্তচিন্তা দ্বারা পরিচালিত' বলতে যা বুঝালেন সেটি ঘটলে প্রথমত ক্ষমতাসীনদের জন্য সেটি বুমেরাং হবে। তবে, সেটিই হবে 'অংশগ্রহণমূলক' উন্নয়নের সোপান এবং নতুন প্রজন্মের প্রধান চাওয়া। আমজনতার বোধক্ষমতার ভেতরে একটি চমৎকার ব্লুপ্রিন্ট এঁকেছেন! দ্বিমত করার কিছু নেই।

কবি বিজন রয়ও মন্দ বলেন নি।

আপনাকেও নতুন বছরের শুভেচ্ছা...

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৩০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আইনের সংস্কার যদি অগ্রাধিকার পায়, তবে উন্নয়ন সেখান থেকেই শুরু হবে - একদম ঠিক কথাটি বলেছেন। আর আইন যথেষ্ট আছে, আইনের প্রয়োগ শুরু হলেই দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অনাচার অনেকাংশে কমে যাবে।
আমজনতার বোধক্ষমতার ভেতরে একটি চমৎকার ব্লুপ্রিন্ট এঁকেছেন! - অনেক ধন্যবাদ। এমন চমৎকার মূল্যায়নে অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ভাল থাকুন সপরিবারে, সবসময়। শুভেচ্ছা ---

৪| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২৪

যোখার সারনায়েভ বলেছেন: রিমান্ড না থাকলে পুলিশকে কেউ টাইম দিবে না ।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: তাই নাকি?

৫| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৩

পদ্ম পুকুর বলেছেন: এখন পর্যন্ত সেরা ইশতেহার।

শুনেছিলাম ২০০৮ সালের আওয়ামীলীগের ইশতেহার লিখেছিলেন ড. আবুল বারাকাত এবং মোস্তফা জব্বার আবার বিএনপির ইশতেহার লেখার পেছনে ছিলেন শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমান। আমার ওনাদের ধরণের মেরিট নেই, আমিও তাই অগ্নিসারথির মত ভোটদেয়াদের দলেই থাকলাম।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: এখন পর্যন্ত সেরা ইশতেহার - অনেক ধন্যবাদ।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনেক অনুপ্রাণিত হ'লাম।
শুভকামনা---

৬| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: রেস্পেক্টেড স্যার,

এখনো পর্যন্ত যে কয়টি ইশতেহার দেখলাম , কাউকে এতোটুকু অসম্মান না করেও বলব আপনারটি পূর্ণাঙ্গ লাগলো।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা আপনাকে।


২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৪০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনারটি পূর্ণাঙ্গ লাগলো - মাত্র বিশটি পয়েন্টে সবকিছু বলা যায়না। আরো অনেক কিছু বলার/করার ছিল/আছে।
এত ইশতিহারের মাঝে আমারটাও পড়ার জন্য এবং পড়ে তা এ্যাপ্রিশিয়েট করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। শুভেচ্ছা রইলো অনেক ----

৭| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৪

কালীদাস বলেছেন: শিক্ষার ব্যাপারটা অনেকটাই ভাল বলেছেন। ইউনিভার্সিটির ফি চেন্জ করা উচিত, পাবলিক ভার্সিটিতে এত মিনি মাগনা পড়ার সিসটেম চেন্জ করা দরকার। শিক্ষাষ্ফীতি আসমানে যেয়ে ঠেকছে, যেটা পরবর্তীতে জব মার্কেট ইন-স্টেবল করে ফেলছে। দুর্ণীতির পয়েন্টগুলোও চমৎকার।

মুক্তিযোদ্ধাদের পয়েন্ট-টার জন্য অনেক ধন্যবাদ। এটা আরও অনেক আগেই করা উচিত ছিল।

এনিওয়ে, আপনার কাছে দুইটা পয়েন্ট খুবই আশা করেছিলাম অন্য কারো ইশতেহারে সে অর্থে না পেয়ে (ব্লগে বা বাস্তবে)। এনভায়রনমেন্ট এবং পেনশন সিসটেম। এনভারয়নমেন্ট শুধু দুর্গম অঞ্চলের লোকেদের জন্য না, আমি দেশের সবকিছুর জন্য বলছি- এনার্জি, ইনডাস্ট্রিয়ালাইজেশন, ... সব! আমাদের জন্য খুব খারাপ কিছু অপেক্ষা করছে নাহলে। পেনশন সিসটেম জিনিষটা অনেক ক্ষেত্রেই এখন হেলথ সিসটেমের সাথে সিনক্রোনাইজড করার প্রয়োজন হয়ে পড়ছে ইমিডিয়েটলি। এই পয়েন্টটা নিয়ে হয়ত আমি একটা পোস্ট লিখে ফেলতে পারি সময় বের করতে পারলে।

এনিওয়ে, থ্যাংকস :)

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: পাবলিক ভার্সিটিতে এত মিনি মাগনা পড়ার সিসটেম চেন্জ করা দরকার - সম্পূর্ণ একমত। জব মার্কেট আনস্টেবল করার কথাটাও সঠিক।
মাত্র বিশটি পয়েন্টে সবকিছু বলতে পারিনি। আরো অনেক কিছু বলার/করার ছিল/আছে। তার মধ্যে অবশ্যই এনভায়রনমেন্ট এবং পেনশন সিসটেম ও পড়বে।
অনেক ইশতিহারের মাঝে আমারটাও পড়ার জন্য এবং পড়ে তা এ্যাপ্রিশিয়েট করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
মন্তব্যে অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা ----

৮| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: অত্যন্ত যুগোপযোগী।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে প্রীত হ'লাম।

৯| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:২৬

রাকু হাসান বলেছেন:

সবগুলো পয়েন্ট ভালো লাগছে । তবে ১৫ নাম্বার পয়েন্ট কার্যকর করতে ঠিক কেমন বাজেট দরকার ,তা ভেবেই পাচ্ছি না । উপরে শ্রদ্ধাভাজন কালীদাস ভাই খুব ভালো মন্তব্য করেছেন । কালীদাস ভাইয়া --প্লিজ লিখুন ,প্লিজ ,আশা করি অনুরোধ টা রাখার চেষ্টা আপনি করবেন ।

আপনার মতো জ্ঞানী সম্মানিত মানুষের ইশতেহার পেয়ে ভালো লাগছে ।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:০৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক উপজেলায় ইতোমধ্যে কিছু স্টেডিয়াম বিদ্যমান আছে। আর ভাল কাজের জন্য বাজেটের অভাব হবে না। দেশের তরুণ ও যুবসমাজকে ইন্টারনেট ও স্মার্টফোনের আসক্তি থেকে ফিরিয়ে এনে খেলার মাঠে নামাতে হবে। খেলাধুলা ও শরীর চর্চা বিশুদ্ধ বিনোদন। দেহ ভাল থাকলে মনও ভাল থাকে। মন ভাল থাকলে কাজের প্রোডাক্টিভিটি বাড়ে।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা ----

১০| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৩

হাবিব স্যার বলেছেন: মনোযোগ দিয়ে পড়ার পর মন্তব্য করবো ইনশাআল্লাহ........

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: আচ্ছা, ঠিক আছে। আপাততঃ এটুকুর জন্যই ধন্যবাদ। হয়তো কোন আবশ্যকতার কারণে যথাযথ মন্তব্য করতে না পেরে যেটুকু সৌজন্য ও সম্মান প্রদর্শন করে গেলেন, এতেই আমি বেজায় খুশী, হাবিব স্যার!
অপেক্ষায় রইলাম।

১১| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩২

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: প্রিয় সিনিয়র,
সত্যি ফেসবুকে দেখৈ রীতিমতো অবাক হয়েছিলাম :)

ভাগ্যিস কাভা ভাইয়ের কথা রেখেছিলেন। নইলে আমরা এমন দারুন ইশতেহার থেকে বঞ্চিত হতাম।

সময়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ গণ মানুষের কল্যানে ভাবনা গুলো চমৎকার। কৃষি বিষয়টা বাদ পড়ে গেছে কি?
সত্যি বলতে কি আমাদের চলমান রাজৈনিতক অনাচারের কারণে অনেক বিষবৃক্ষের জন্ম হয়েছে। যে বিষে পুরো জাতি জর্জরিত। অথচ সাধারন নীতি নৈতিকতার মৌলিক চর্চাটুকু থাকলে এসব নিয়ে ভাবনারই প্রয়োজন পড়তো না।

তার মধ্যে বিচার ব্যবস্থা, পুলিশ, ট্রাফিক, দূর্নীতি অন্যতম।
ক্ষমতার অপব্যবহারের সংস্কৃতি এসব সেক্টরকে এতটাই ম্যানিপুলেট করেছে- মূল চেহারার জন্যেও আন্দোরন করতে হয় বা ইশতেহারে রাখতে হয়। এভাবেই বুঝি আমরা ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছি।

মৌলিক বিষয়গুলো নিশ্চিত করণে সুশাসন আর গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত হলে এবং চর্চা নিশ্চিত হলে আমরা সহজেই এগিয়ে যেতে পারি সুন্দর সমৃদ্ধ এক বাংলাদেশের পথে।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা :)

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: কেন রীতিমতো অবাক হয়েছিলেন?
কৃষি বিষয়টা বাদ পড়ে গেছে কি? - হ্যাঁ, অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলেও সেটা দেখছি বাদ পড়ে গেছে। তবে প্রশাসন ও সমাজব্যবস্থাকে দুর্নীতিমুক্ত করতে পারলে এর শুভ পরিণতি হিসেবে কৃ্ষিসহ অনেক বিভাগেই স্বয়ংক্রিয় উন্নতি সাধিত হবে।
অনেক ধন্যবাদ, অনেকগুলো ইশতিহারের মাঝে আমারটাও পড়ার জন্য এবং পড়ে মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য।
শুভকামনা....

১২| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১২

বলেছেন: সিনিয়রদের চিন্তা ভাবনাই দেশ ও দশের কল্যাণ -- তা এই ইশতেহারে ওঠে এসেছে।



বিনম্র শ্রদ্ধা।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ, ইশতেহারটি পড়ার জন্য। উদার মন্তব্যের সৌজন্য ও সম্মান আমাকে অভিভূত করে গেলো!
অনুপ্রাণিত হ'লাম।

১৩| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৩

প্রামানিক বলেছেন: চমৎকার ইশতেহার। এই ইশতেহার অনুযায়ী দেশ চললে দেশে অবশ্যই শান্তি আসবে। ধন্যবাদ খায়রুল ভাই।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেকগুলো ইশতিহারের মাঝে আমারটাও পড়ার জন্য এবং পড়ে মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য আপনাকে জানাচ্ছি অনেক, অনেক ধন্যবাদ, প্রামানিক
ভাল থাকুন, শুভকামনা....

১৪| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৫০

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,



জানিনে কথাটি কিভাবে নেবেন - আপনারা যারা যারা এভাবে নির্বাচনের ইশতেহার লিখে চলেছেন , তাদের সব আশাতেই গুড়েবালি পড়ে এসেছে বিগত প্রায় তিন যুগ ধরে। প্রতিবারই "যেই লাউ, সেই কদু" হয়েছে।
নির্বাচনের যে ইশতেহারগুলো আপনারা দেখেন তাতে যতো ভালো কথাই থাকুক না কেন দিনশেষে তার আড়ালের মূখ্য ও একমাত্র উদ্দেশ্যই হলো ---" ভোট দে মা, চেটেপুটে খাই!"

আসলেই চমকে উঠেছিলুম আপনাকে নির্বাচনের ইশতেহার লিখতে দেখে। এতেই বোঝা যায় আমাদের মতো সাধারন মানুষের চাওয়া পাওয়াটা কি এবং কতোখানি! দেশের জন্যে আমাদের মতো ছা-পোষা মানুষ কি ভালোবাসা ধরে রেখেছে বুকে!
কিন্তু আমরা তো সবাই-ই জানি নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে জনপ্রতিনিধি হিসাবে নীতিবান সৎ মানুষের কার্যকর ভূমিকা পালনের সুযোগ ছিলোনা কোনও কালে যারা আমাদের চাওয়া পাওয়াটাকে অনায়াস করবেন! অথচ এর বিপরীতে গত সাতচল্লিশটি বছর ধরে রাষ্ট্র এবং সামাজিক পরিমন্ডলের প্রতিটি স্তরে যে “আতঙ্কিত” হবার মতো পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে তা হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলোর শ্রেণী স্বার্থে যাতে করে ‘ ফর মি ’ র গণতন্ত্রে পৌঁছানোর প্রতিটি পথ কায়েমী ভাবে নিরঙ্কুশ হয়। এতে যে ‘গেল গেল’ রব ওঠেনা, তা নয়। তবে তারা বেঁচে যায় একটি খুটির জোরে। সে খুটিটিই হলো ‘ভোট’। এবং এর জোরেই শোষন নিপীড়নের যাবতীয় হাতিয়ার ও সংগঠনের তারাই একমাত্র নিয়ন্ত্রক হয়। সেটিই তাদের রক্ষা কবচ। এরকম (যা আমরা এতোদিন দেখে এসেছি) চিরস্থায়ী একটি কায়েমী সুবিধা বজায় রাখতে শাসন ক্ষমতা কুক্ষিগত করার প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তাকে তো পাশ করতেই হয়। সে কারনে জনগণের দোহাই দিয়ে একটি আবহাওয়া তৈরীর মধ্যে দিয়েই তারা নেমে পড়েন ভোট যুদ্ধে। তারা এই যুদ্ধ জয় করতে পারলে আমজনতাকে কিভাবে সোনায় মুড়ে দেবেন, এমন সাতকাহন ভরা ইশতেহার নামের চটকদার কথার মুলো ঝুলিয়ে রাখেন আমাদের সামনে যদিও আমরা জানি এর প্রায় কোনটিই বাস্তবে রূপ নেবেনা।

আপনাদের সবার নির্বাচনী ইশতেহারগুলো পড়ে দুঃখ হয়, হায়রে দলগুলোর কাছে এমন কথাগুলোর মূল্য কতোটুকু! জনমানুষের এসব আশা আকাঙ্খা কবেই বা হাতের নাগাল হবে!

বড় কষ্ট নিয়ে, দেশ গড়তে আপনার এমন সুন্দর ও মূল্যবান ভাবনাগুলো নিয়ে এমন পোস্টে এভাবে লিখলুম। ক্ষমাপ্রার্থী আপনাদের সকলের কাছে।

শুভেচ্ছান্তে।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আহমেদ জী এস, আপনার কষ্টটা বোধগম্য। এ নিয়ে বহুদিন আগে লেখা আপনার পোস্টগুলোও পড়েছি। আমি এই ইশতিহারটিকে একটি পেপার এক্সারসাইজ হিসেবেই নিয়েছি। কিছুটা হলেও ত ব্রেইন স্টর্মিং চলছে, যদিও আপনার এ সংক্রান্ত ভাবনা অনুযায়ী, ভুলপথে!
আপনি যা ভাবছেন, এবং বলছেনও, তা অস্বীকার করার উপায় নেই। ভোট আজ শোষনের হাতিয়ার, জনতার কাঁধ (ভোট), শুধুই ক্ষমতায় যাওয়ার সোপান।
যখন এ লেখাটি লিখছি, তখন দেশ এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মুখে। সবাই দেখছে কী হচ্ছে, কিন্তু ভয়ে কেউ মুখটি খুলছে না। নির্বাচনটাই শেষ কথা নয়। নির্বাচনের পরেও তো দেশ থাকবে, জনগণ থাকবে, দেশ চালাতে হবে। ভুলপথে চলা রেলের ভেতর সম্মোহিত জনতা আর কতদিন সম্মোহিত থাকবে, কে জানে। যখন সম্মোহন কেটে যাবে, তখন তারা বুঝতে পারবে তারা ভুল গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে। তখন হয়তো কেউ লাফিয়ে নেমে যাবে, আবার কেউ দৌড়াবে ট্রেনের চালকের দিকে গতিপথ পরিবর্তনের জন্য। কিন্তু রেল তো সড়ক যানের মত সহজে গতিপথ পরিবর্তন করতে জানেনা!!!

১৫| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:০৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এখন পর্যন্ত পড়া আমার সেরা ইশতেহার এটা....
তবে ১৫ নাম্বারটা বাস্তবায়ন করা টাফ...

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: তবে ১৫ নাম্বারটা বাস্তবায়ন করা টাফ... - আমার মনে হয়, ততটা টাফ হবে না। প্রতিটি উপজেলার সব ক্ষেত্রে শুধু চাঁদাবাজি বন্ধ করতে পারলেই এ টাকাটা উঠে যাবে।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা----

১৬| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:১৭

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: আপনার অভিজ্ঞতা এবং পড়াশোনার জন্যই এত সুন্দর একটা ইশতেহার পড়তে পারলাম।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: ইশতিহারটি পড়েছেন, পড়ে একটি সুন্দর মন্তব্য করেছেন এবং শেষে একটি প্লাস + ও দিয়ে গেছেন, এসব কিছুর জন্যই জানাচ্ছি আন্তরিক ধন্যবাদ।
আমিও এইমাত্র আপনার চমৎকার ইশতিহারটি পড়ে এলাম। বলা বাহুল্য, সেটা পরে আমি মুগ্ধ হয়েছি, এবং সেজন্য আমার কিছু সাজেশনসহ একটি দীর্ঘ মন্তব্যও রেখে এসেছি। আশাকরি, আপনি আমার সাজেশনগুলো বিবেচনা করে দেখবেন এবং সুদূর ভবিষ্যতে একদিন যদি সত্যি সত্যি সরকার গঠনের সুযোগ পান, সেগুলো মনে রাখবেন!! :)

১৭| ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৩৫

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:


স্যার

আপনার ইশতেহার পেলে দল গুল আপনাকে নিয়োগ দিয়ে ফেলত । যাক ভালো হয়েছে তা হয়নি । তখন হয়ত আপনার লেখা গুলো মিস করতাম । তার চেয়ে আপনি আমাদের আপনার লেখা দিয়ে মুগ্ধ করে যান ।

৯, ১৪, ১৫ গুলোর সাথে আমি একমত ।

আমাদের নকল মুক্তিযোদ্ধা বাদ দেয়া জরুরী । আর যানজটের সমস্যার সমাধান করা উচিত ।

২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেকগুলো ইশতিহারের মাঝে আমারটাও পড়ার জন্য এবং পড়ে চমৎকার মন্তব্যের মাধ্যমে আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য আপনাকে জানাচ্ছি অনেক ধন্যবাদ, অপু দ্যা গ্রেট
ভাল থাকুন, শুভকামনা....

১৮| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৭

নতুন নকিব বলেছেন:



চমৎকার একটি ইশতিহার পাঠ করলুম। দেশ এবং দেশের মানুষের কল্যান ভাবনা অন্তরজুড়ে বিরাজ করলেই কেবল এমন সুন্দর ইশতিহার উপহার দেয়া সম্ভব।

তবে হতাশার কথা, উত্তম এসব কথা ভার্চুয়াল এই জগতে যতই বলা হোক না কেন, ভোটের পরে দুর্নীতি, অন্যায়, অবিচার, লুটপাটের দানবীয় সয়লাব পূর্বের মত ঠিকই শুরু হবে।

প্রতিটি পয়েন্টই সুন্দর। সবচে' ভাল লেগেছে, বিদেশে মহিলাদের গৃহসেবিকার কাজে না পাঠানোর পয়েন্টটি।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রতিটি পয়েন্টই সুন্দর। সবচে' ভাল লেগেছে, বিদেশে মহিলাদের গৃহসেবিকার কাজে না পাঠানোর পয়েন্টটি - অনেক ধন্যবাদ, অনেকগুলো ইশতিহারের মাঝে আমারটাকেও আপনার পাঠ তালিকায় ঠাঁই দেয়ার জন্য। আপনার মনযোগী পাঠে উৎসাহিত হ'লাম। প্লাসে অনুপ্রাণিত।

১৯| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনেকগুলো জরুরী সংস্কারের কথা বলেছেন, ভালো হয়েছে ইশতেহার।

১৯ নং, সবচেয়ে দরকারী বিষয়; ড: কামাল সাহেবেরা এইখানে আমাদের সংবিধানকে খোঁড়া সংবিধানে পরিণত করেছেন,

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভালো হয়েছে ইশতেহার - ধন্যবাদ, অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ফ্লোর ক্রসিং এর বাঁধ খুলে দিলে দলগলোও আরো সতর্ক হবে তাদের নীতি নির্ধারণে, এবং দলের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উন্নয়নে। নেতা নেত্রীর অহেতুক স্তুতি বন্দনা কমে যাবে।

২০| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০২

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: আমাদের দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দল গুলো যদি সত্যি সত্যি এমন একটি ইশতেহার দেশের জনগনের জন্য পেশ করত তবে কতই না ভাল হত।
আহমেদ জী এস ভাইয়ার মন্তব্যটি অনেক ভাল লেগেছে।
তবু আমরা সাধারন জনগন একটা সুন্দর দেশের স্বপ্ন দেখে যাব সব সময়।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:১৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: তবু আমরা সাধারন জনগন একটা সুন্দর দেশের স্বপ্ন দেখে যাব সব সময় - অবশ্যই। এ আশা বুকে বেঁধেই তো আমরা বেঁচে আছি।
অনেক ধন্যবাদ, অনেকগুলো ইশতিহারের মাঝে আমারটাও পড়ার জন্য। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

২১| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২২

সোহানী বলেছেন: আবার আসবো প্রতিটা পয়েন্টে আমার মত নিয়ে। আপাতত শুধু জানান দিয়ে গেলাম যে পড়েছি.................

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:২৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপাতত শুধু জানান দিয়ে গেলাম যে পড়েছি................. - আমি তাতেই খুশী।
আরেকবার আসলে আরো খুশী হবো। :)

২২| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৭

কুঁড়ের_বাদশা বলেছেন: ইশতেহার ভালো লাগলো..... যদি আপনার মত করে সবাই ভাবতো তাহলে কতই না সুন্দর হতো আমাদের মাতৃভূমি টা।



বর্তমানে সব রাজনৈতিক দলগুলো ভালো ভালো ইশতেহার দেয় কিন্তু ক্ষমতায় এসে তার কোন কিছুই পালন করে না তারা,সবাই শুধু ধান্দায় থাকে বাংলাদেশটারে গিলে খাওয়ার। :(

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:১৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: যদি আপনার মত করে সবাই ভাবতো তাহলে কতই না সুন্দর হতো আমাদের মাতৃভূম টা - কুঁড়ে হওয়া সত্তেও কষ্ট করে ইশতিহারটি পড়ে যাবার জন্য ধন্যবাদ, কুঁড়ের_বাদশা!
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।

২৩| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:২৫

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: সুদূর ভবিষ্যতে একদিন যদি সত্যি সত্যি সরকার গঠনের সুযোগ পান, সেগুলো মনে রাখবেন!! :)
অবশ্যই শ্রদ্ধেয় :)

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ। :)

২৪| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: খায়রুল আহসান ভাই,

সুন্দর ইশতেহার।

আপনার দৃষ্টিতে উন্নয়নের গণতন্ত্র কি? আমি তো বুঝিনা।এটা কি মানুষকে জিম্মি করে রাখা নাকি ভিন্নাদর্শের সব রজনীতির বিলোপ সাধন??? #:-S

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: উন্নয়নের গণতন্ত্র আবার কী? আমিও তো সেটা বুঝিনা। গণতন্ত্র হচ্ছে গণমানুষের তন্ত্র, গণমানুষের ইচ্ছা অনিচ্ছাকে সমীহ করা, তাদের বাক স্বাধীনতা, তাদের ধর্ম, কর্ম পালনের, চলাচলের, সংগঠিত হওয়ার স্বাধীনতা, যতক্ষণ না তারা রাষ্ট্রবিরোধী কোন কাজ করছে। সরকার বিরোধী হওয়া জায়েজ, কিন্তু রাষ্ট্রবিরোধী হওয়া নয়।

২৫| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০০

স্বপ্নীল ফিরোজ বলেছেন: Excellent

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, প্রীত হ'লাম।
শুভেচ্ছা---

২৬| ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: অত্যন্ত সু‌লি‌খিত ইশ‌তেহার। রাজনী‌তির নেতা‌দের এটা পড়ার দরকার আ‌ছে।

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: রাজনীতিক নেতাদের এসব পড়ার সময় কখনোই হবেনা।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, প্রশংসায় অনুপ্রাণিত হ'লাম।

২৭| ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:২৩

সোহানী বলেছেন: প্রিয় খায়রুল ভাই, যে পয়েন্টগুলো উল্লেখ করেছেন তা অবশ্যই গুড়ুত্বপূর্ণ কিন্তু আপনার নিশ্চয় ম্যাসলোর নিড থিউরির কথা মনে আছে। বেসিক নিড পুরণ হবার পরই বাকি নিডগুলো মাথা চাড়া দেয়। আপনার কিছু পয়েন্টগুলোকে ম্যাসলোর থিউরির স্টাইলে ভাগ করতে পারি। আপনি জানেন একটি রাষ্ট্রের ইশতেহার ডিপেন্ড করে তার সার্বিক উন্নতির উপর। আমেরিকার ইশতেহার আর আমাদের চাওয়ার ভিতর এক আকাশ পার্থক্য। তারপরও এ চাহিদাগুলো আমাদের সার্বিক চাহিদা, এগুলো ছাড়া একটি রাষ্ট্র কখনই পূর্নতা পেতে পারে না। যেমন;

আইন আদালত এর সার্বভৈামত্ব সবার প্রথম দরকার। অনেকটা বেসিক নিড। এটি না থাকলে অন্য কোনটাই পূরন সম্ভব নয়। আপনি বাকি যা বলেছেন তা পুরোপুরি ডিপেন্ড করে এর উপর।

পুলিশ রিমান্ড, দূর্নীতি দমন সবই এক নিমিষেই বন্ধ হয়ে যাবে যদি আইনের শাসন ও তার প্রয়োগ থাকে।

তবে আউট অব কোর্ট স্যাটেলমেন্ট নিয়ে আমার দ্বিমত আছে। উন্নত দেশে এটি বাস্তবায়ন হচ্ছে কারন কঠোর আইন আছে এবং সকলে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু আমাদের দেশে তা সম্ভব নয়। কেন গ্রাম্য বিচার শালিস এর একটি বড় উদাহরন। অশিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত মানুষগুলো বিচারের নামে যে অবিচার করে তা অবিষ্বাস্য। তাদের হাতে বিচারের ভার ছেড়ে দেয়া যায় না।

যাইহোক……আমরা আমাদের আশার কথা বলে যাই। কেউ কি একটু শুনবে?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০২

খায়রুল আহসান বলেছেন: আবারো ফিরে এসে মন্তব্য করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আইন আদালত এর সার্বভৈামত্ব সবার প্রথম দরকার - হ্যাঁ, সঠিক। আর সে জন্যেই তো আইন আদালত এর সংস্কারের কথা দিয়েই আমি আমার ইশতিহারটি শুরু করেছি! :)
পোস্টে প্লাস + তো আগেই দিয়ে গিয়েছিলেন। সেটার জন্যেও অনেক ধন্যবাদ।
শুভকামনা----

২৮| ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ব্লগে নিয়মিত নই বলে অনেকের পোষ্ট দেখা হয়ে উঠছেনা । এই মুল্যবান পোষ্টটি দেখতে বিলম্ব হলো । অবশ্য এই মহুর্তে দেশের বাইরে থাকায় ইসতেহারে অনুপ্রেরিত হলেও কোন কাজে দিতনা আমার জন্য তবে হয়তবা মন্তব্য দানের মাধ্যমে জনমত গঠনে খুব ছোট্ট হলেও একটি ভুমিকা রাখতে পারতাম । কি আর করা এখন শুধুই আফছুছ হচ্ছে । তবে ইসতেহারের মুল লক্ষ্য যদি ক্ষমতায় যাওয়ার বাহন না হয়ে ক্ষমতায় গিয়ে কি করা হবে ধরে নেয়া হয় তাহলে এটা নির্বাচনের পরে পাঠ করাও বেশ উপযোগী হতে পারে ।

যাহোক, লেখাটি বেশ মনযোগ দিয়ে পাঠ করেছি । সুচিন্তিতভাবে লিখিত ও বাছাইকৃত সবগুলি প্রস্তাবিত বিষয়ই একটি গনমুখী নির্বাচনী ইসতেহারে যুক্ত হওয়ার দাবী রাখে বলে আমি মনে করি এর জন্য অন্তরের অন্তস্থল হতে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ।

তবে আমার মতে এই প্রস্তাবিত নির্বাচনী ইসতেহারে বর্ণিত প্রথম বিষয়টি নির্বাচনী বৈতরনী পার হওয়ার জন্য যে কোন দলের জন্য যতেষ্ট । সরকার গঠন করতে পারলে নির্বাচন পরবর্তী ১০০ দিনের মধ্যে বাস্বায়নের পুরাপুরী ব্যবস্থা নেয়া হবে মর্মে ( যদিউ এটা বাস্তবায়নে কয়েক সাল লেগে যাবে এর বাস্তবায়নের জন্য কমিটি গঠন ও কমিটি মিটিং সিটিং নিয়েই , দেশের বভিন্ন পর্যায়ের বেশ কিছু কমিটির সদস্য সচিব হিসাবে নীজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি ) বিষয়টি নির্বাচনী ইসতেহার হিসাবে দিয়ে যে কোন দল নির্বাচনী বৈতরনী সাফল্যের সহিত পার হতে পারবে বলে মনে করি । এই বিষয়টি কেন নির্বাচনী ইসতেহারে থাকা প্রয়োজন তা তথ্য পরিসংখ্যানসহ তুলে ধরে , কিভাবে কোন পদ্ধতিতে এটা বাস্তবায়ন করা হবে এবং এটা বাস্তবায়ন করলে দেশের কি কি উপকার হবে তা তুলে ধরে জনগনকে আস্থায় নিতে পারলে যথেষ্ট হবে বলে মনে করি । বিচার ব্যবস্থার মুল নীতি হলো আইনের চোখে সকলেই সমান , কোন অপরাধী ছাড়া পাবেনা কোন নিরাপরাধী সাজা পাবেনা এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিরপেক্ষ ও সঠিক বিচার পাবে এটা নিষ্চিত করতে পারলে সবকিছু এমনিতেই সোজা হয়ে যাবে । দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর হতে শুরু করে সকলেই এমন কি বিচার বিভাগ, সামরিক , পুলিশ , সরকারী বেসরকারি প্রশাসন , দুর্নীতি দমন কমিশন , শিক্ষা , স্বাস্থ্য ব্যবসা বানিজ্য সকল কিছুই বিচারের ভয়ে সোজা হয়ে যেতো । আর অন্যান্য বিষয়গুলি দেশের সকল পার্টিতো আদের পার্টি গঠনতন্ত্রে লিখেই রেখেছে ও নির্বাচন কমিশনে জমা রেখেছে অনেক পুর্বেই । সেখানে তারা বলেছে তারা কিসের জন্য এবং দেশ ও দশের মঙ্গলের জন্য কি কি কাজ করবে । সকলেরই একটি কমন লক্ষ আছে আর তা হল ক্ষমতার ভিতর বাইরে থাকার সর্বাবস্থায় দেশের জন্য কাজ করে যাওয়া , ক্ষমতায় যাওয়াটা মুল লক্ষ্য নয় মুল কাজ হলে দেশ সেবা ।

কিন্তু দু:খ জনক হলো কোন নির্বাচনী ইসতেহারে দেখলামনা যে তারা বলেছেন ক্ষমতায় যদি না যেতে পারি তাহলেও মেজরিটি পার্টির ইসতেহারে থাকা ও জনগনের ম্যান্ডেট পাওয়া বিষয়গুলি বাস্তবায়নে সর্বাত্তক সহযোগীতা করব । নির্বাচন সুষ্টু কিংবা গ্রহনযোগ্য হোক বা না হোক সেটা নির্বচনের পরের বিষয়, নির্বাচনের আগে এই পয়েন্টটি যুক্ত হতে দোষ কোথায় । তার মানে তাদের সকলেরই মনে মনে থাকে নির্বাচিত হতে না পারলে তালগুল পাকাব , হরতালে মরতালে দেশকে অচল করে শুধু সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য জনদুর্ভোগ বারাব। তাই মনে হয় সুষ্টু ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারকে সর্বতোভাবে জনগনের ম্যান্ডেট পাওয়া বিষয়াবলী বাস্তবায়নে সর্বাত্বক সহযোগীতা কবর বলে অঙ্গিকারের বিষয়টি নির্বাচনী ইসতেহারে যুক্ত করা প্রয়োজন , যাতে নির্বাচন পরবর্তীকালে দেশে কোন অশান্ত পরিবেশের সৃষ্টি না হয় । জনগন কাংখিত সুখ না পেলেও যেন কোন দুর্ভোগের স্বিকার না হয় ।

শুভেচ্ছা রইল ।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: এই মুল্যবান পোষ্টটি দেখতে বিলম্ব হলো - অনেক ধন্যবাদ, ডঃ এম এ আলী, আমার এ সামান্য প্রয়াসকে 'মূল্যবান" হিসেবে মূল্যায়িত করার জন্য।
নির্বাচিত সরকারকে সর্বতোভাবে জনগনের ম্যান্ডেট পাওয়া বিষয়াবলী বাস্তবায়নে সর্বাত্বক সহযোগীতা করবো বলে অঙ্গিকারের বিষয়টি নির্বাচনী ইসতেহারে যুক্ত করা প্রয়োজন - খুবই ভাল একটা কথা বলেছেন, এটা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু জনগণের ম্যান্ডেট কি আসলেই নির্বাচিতরা পেলেন, নাকি তা ছল চাতুরি, জোর জবরদস্তি, ভয় ভীতির জোরে করায়ত্ত করে নিলেন, সেটাও বিবেচনা করা প্রয়োজন।

২৯| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ইশতেহারে ভালো লাগা।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন, শুভকামনা---

৩০| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৫

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: সবিনয়ে বলছি আপনার কোন মন্তব্য
আমার লেখা ইশতেহারে
আমি দেখতে পাই নাই ।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:০৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: এতটা বিনয়ের সাথে কথাটা স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ, আমি নিজেই একটু লজ্জা পেলাম, মিস হয়ে যাবার জন্য।
এখন দেখতে পাবেন। :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.