নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাইক্রোফিকশনঃ বহে সমান্তরাল

২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৬

তূর্য কখনোই মুখ ফুটে তন্বীকে বলতে পারেনি, ‘ভালবাসি’। বরং মাঝে মাঝে সে তন্বীর নিছক সৌজন্যমূলক কথাবার্তাকেও অতি আগ্রহ গণ্য করে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। অথচ ভেতরে ভেতরে সে অনুভব করেছে, তার সকল চিন্তা চেতনা, ধ্যান ধারণা তন্বীকে ঘিরেই। তন্বী বুদ্ধিমতী মেয়ে। সে জানতো, দুটো সমান্তরাল রেখা একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকতে পারে, এক হতে পারে না।

কিন্তু প্রখর বুদ্ধিমতী হলে কী হবে, তন্বীও তো আজন্ম অন্তর্মুখী। সে পরিস্থিতি অনুধাবন করতে পারে, কিন্তু ঘটানোর উপক্রম করতে পারেনা। তারও ভেতরে সে এক অনির্বচনীয় আকর্ষণ অনুভব করে তূর্যের প্রতি, কিন্তু নানা ছলা কলার আশ্রয়ে সে সেই অনুভূতি ঢেকে রাখতে পারঙ্গম। তাই ওদের জীবন বয়ে চলে সামান্তরিকের সমান্তরাল রেখার মত।

দিনশেষে ওরা উভয়ে একান্ত অবসরে সঙ্গীতাশ্রয়ী হয়। প্রতিদিন গানের কথা থেকে একটিমাত্র চরণ বেছে নিয়ে ভাবতে থাকে.... অবাক হয়ে ভাবে ওদের নিজের কথাটা গীতিকবি কি করে এত সুন্দর করে বলে গেলেন! কাকতালীয়ভাবে, ওরা আজ দু’জনেই শুনছে দ্বিজেন্দ্রলাল রয় এর গান, আজি তোমার কাছে ভাসিয়া যায়..... আজ ওরা শেষ লাইনটি শোনার জন্যই গানটি বারবার শুনছে!!!

(শব্দ সংখ্যাঃ ১৬০)

ঢাকা
২৮ মার্চ ২০১৯

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দু'জনেরই সমান্তরাল হওয়ার দরকার কি? একজন বক্র হলেই তো সমস্যা মিটে যায়!! :P

২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: তা তো বটেই, তবে তাহলে তো আর এটা গল্প হতো না! :)
প্রথম মন্তব্য এবং প্রথম প্লাসের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ, ভুয়া মফিজ!

২| ২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:০১

চাঁদগাজী বলেছেন:


গানটি শুনলাম, এর আগে কখনো শুনিনি।

২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: এখন ডি এল রয় এর গান অনেকেরই শোনা হয়না। আমাদের আগের প্রজন্ম অবশ্য রবীন্দ্রনাথের সাথে অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত, দ্বিজেন্দ্রলাল রয় প্রমুখের গান নিয়মিত শুনতেন।

৩| ২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৬

করুণাধারা বলেছেন: এটা একটা অতি পুরাতন গল্প! পাত্র পাত্রীর নাম গুলো বারবার পাল্টে যায় শুধু, কিন্তু তাদের ভালোবাসা- বেদনা চিরকাল সেই একই রকম রয়ে যায়।

গানটা আমার জন্য নতুন; শুনে ভালো লাগলো।

২৮ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: এটা একটা অতি পুরাতন গল্প! - এতে কোন সন্দেহ নেই। আসলে দ্বিজেন্দ্রলাল রয় এর চমৎকার এ গানটি আপনাদেরকে শোনাবার জন্যই গল্পের ফাঁদ পেতেছি! :)
মন্তব্য এবং প্লাসের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৪| ২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৭

মা.হাসান বলেছেন: সমান্তরালই থাক, সব সময় মিলে যাওয়া উচিৎ না।
আদিতি মহসিন নিঃসন্দেহে এসময়ের বা গত কয়েক দশকের মধ্যের সময়ের একজন সেরা শিল্পি। তার গলায় আগে এ গানটা শুনি নি। কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায় এবং নীলুফার ইয়াসমিনের গলায় শুনেছি। আমার কাছে নীলুফার ইয়াসমিনের গাওয়াটাই এখনো বেশি ভালো লাগে।
নীলুফার ইয়াসমিনের গলায় গাওয়া এই গান
আপনার জন্য আরেকটা গান, পান্নালাল ভট্টাচার্যের গাওয়া- কবে তৃষিত এ মরূ।
পোস্টটির জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৮ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:০১

খায়রুল আহসান বলেছেন: মিলে যাবার পরেই তো বিকর্ষণের সম্ভাবনা থাকে। তাই আপনি ঠিকই বলেছেন, সমান্তরালই থাক, সব সময় মিলে যাওয়া উচিৎ না
পান্নালাল ভট্টাচার্যের গাওয়া গানটি খুবই ভাল লাগলো। লিঙ্ক দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমার এ ধরণের ধীরগতির গানই ভাল লাগে।
নীলুফার ইয়াসমিন এর কন্ঠ বাংলাদেশী শিল্পীদের মধ্যে সর্বাধিক পরিশীলিত ছিল বলে আমি মনে করি। কিন্তু এ গানটি তিনি কিছুটা দ্রুত লয়ে গেয়েছেন বলে মনে হল। আমার কাছে অদিতি'র গাওয়া গানটি বেশী ভাল লেগেছে।
পোস্টে প্লাস দিয়েছেন দেখে যুগপৎ বিস্মিত ও আনন্দিত হয়েছি। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!!!

৫| ২৮ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খায়রুল ভাই,
জীবনের কঠিন বেদনার গল্প এত সহজ করে শোনালেন !আপনার মাইক্রোফিকশন পরে দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা - মলয় কুমার গাঙ্গুলী-র এই গানটাও মনে হলো ।

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:০৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার এ গানটার লিঙ্ক দেয়ার জন্য ধন্যবাদ, মলাসইলমুইনা। আমার এ ছোট্ট লেখাটাও যে আপনাকে একটি গানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে, এতেই অনেক খুশী হ'লাম- তা গল্প যেমনই হোক!
ব্লগের এ দুঃসময়ে ব্লগের সাথেই আছেন দেখে খুব ভাল লাগছে।
ভাল থাকুন, শুভকামনা---

৬| ২৮ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জলদি কোন এক জংশনে সমান্তরাল লাইনের ক্রসিং হোক ;)
নতুন গল্পের নতুন মোড়কে :)

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: এক যাত্রায় অনেকগুলো জাংশনই ক্রস করতে হয়। কিন্তু প্রতিটি ক্রসিং এর পর পরই আবার সে "বহে সমান্তরাল"! :)
গল্প পড়ে নিজস্ব ভাবনাটুকু শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
শুভকামনা---

৭| ২৮ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০৯

জাহিদ অনিক বলেছেন:
ভালোবাসার গভীরতা বেশী হলেও সাধারণত কেউই কিছু বলতে পারে না। এক্ষেত্রেও এমনটা কিনা, অথবা ইন্ট্রোভার্ট বলেই কেউ প্রকাশ করতে পারছে কিনা -- একটু দ্বিধা থাকলেও, মাইক্রোফিকশন ভালো লেগেছে।
প্রেমের এমন আকুলতাই কাম্য।

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: একটু দ্বিধা থাকাটাই স্বাভাবিক এবং কাম্য। গল্প পড়ে যে যেমন করে পারে ভেবে নিক। এটাই কাম্য।
আর আপনার "প্রেমের এমন আকুলতাই কাম্য" - কথাটাও বেশ আনন্দ দিয়ে গেল।
মন্তব্য এবং প্লাসের জন্য ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!!!

৮| ২৮ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:১০

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আহারে ..............

বিদ্রোহী ভৃগু দাদার সঙ্গে একমত।

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আহারে ... - কাহার জন্য এই 'আহা'? :)

৯| ২৮ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:১২

আখেনাটেন বলেছেন: মাইক্রোফিকশন মনে ধরেছে। সমান্তরালে বইলেও ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঠিকই চলছে। :D

অদিতি মহসিনের কন্ঠে গানটিও শুনলাম। সুন্দর ।

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: মাইক্রোফিকশন মনে ধরেছে। সমান্তরালে বইলেও ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঠিকই চলছে - ধন্যবাদ, এমন ইন্টারেস্টিং একটা কমেন্টের জন্য। আর অদিতি'র গানটা ভাল লেগেছে জেনে প্রীত হ'লাম।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।
শুভকামনা------

১০| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৯:২৬

সোহানী বলেছেন: ওয়াও হোয়াট এ এক্সপ্রেশান.............। কেমন যেন উত্তম সুচিত্রা বা শাবানা রাজ্জাক স্টাইলের প্রেম। যাহোক এটি যদি সূচনা হয় তাহলে দারুন কিছু ওয়েট করছে নি:সন্দেহে।

মা.হাসান বলেছেন: সমান্তরালই থাক, সব সময় মিলে যাওয়া উচিৎ না।....... একটু ও মানতে রাজি নই। এমনিতে ই ব্যার্থ প্রেমের ছড়াছড়ি আর সংখ্যা নাই বাড়ুক।

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: জলদি কোন এক জংশনে সমান্তরাল লাইনের ক্রসিং হোক ;) নতুন গল্পের নতুন মোড়কে :)

হাঁ, এরকম কিছুর প্রত্যাশায়।

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: সবাই প্রেমের মিলনাত্মক পরিণতি চায়! এ জন্যেই তো কবি গাহিয়াছেনঃ
এরা সুখের লাগি চাহে প্রেম, প্রেম মেলে না, শুধু সুখ চলে যায়। এমনি মায়ার ছলনা। :)
নিজস্ব ভাবনাটিকে অত্যন্ত জোরালোভাবে উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হয়েছি।

১১| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:৩৮

হাবিব স্যার বলেছেন: এটা কি সত্যি গল্প? তূর্যকে?

২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: এটা সকলের অতি পরিচিত একটা গল্প (৩ নং মন্তব্য দ্রষ্টব্য) :)
আমি শুধু আমার পছন্দের দুটো নাম গল্পের চরিত্রদুটোর উপরে আরোপ করে দিয়েছি। :)
গল্প পাঠে, মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত। ধন্যবাদ ও শুভেছা!!!

১২| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,



আপনার এই পোস্টের কিছু মন্তব্যও সঙ্গীতাশ্রয়ী হয়েছে।
আপনার গানের শেষ লাইনটি শোনার পরে তূর্য আর তন্বীর মনে যে রেশ রয়ে যায় তা মনে হয় এমনটিই -- জীবনও মরনের সীমানা ছাড়ায়ে....

ভালোবাসা এমন সমান্তরাল হলেই বুঝি অসীম দূরত্বে শুধু হাত ধরে পাশাপাশিই চলে, মেলেনা কখনও। আর সমান্তরাল না হলে তার মিলনেই শেষ ও সমাপ্তি, মাধুর্য্যবিহীন....................

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার শেষের কথাটি দিয়েই শুরু করছি। মিলনেই শেষ ও সমাপ্তি, মাধুর্য্যবিহীন - এই অমূল্য উপলব্ধিটুকু অর্জন করতে পারলে জীবনের মাধুর্যে্ অবগাহন করা সহজ হয়, এটা অনেকে বুঝেনা।
জয়তী চক্রবর্তী "জীবন মরণের সীমানা ছাড়ায়ে" গানটি অসাধারণ গায়কিতে গেয়েছেন। চমৎকার এ গানটির লিঙ্ক দেয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি নিশ্চিত, আমি ছাড়াও আরো অনেক পাঠক আপনার লিঙ্কে দেয়া এ গানটি শুনে মুগ্ধ হবেন। আর গল্পের সাথেও অতি চমৎকারভাবে গানটি লিঙ্ক করেছেন।
আপনার এ সুন্দর মন্তব্যে পোস্টটি সমৃদ্ধ হলো। অনেক, অনেক ধন্যবাদ।

১৩| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:১৬

জুন বলেছেন: এই গল্প কি চলবে খায়রুল আহসান? এভাবে রেল লাইন বহে সমান্তরাল হতেই পারে না। আপনি জলদি লাকসাম জংশনে তাদের দেখা করার ব্যবস্থা করুন। একজন চিটাগাং যাচ্ছে আরেকজন সিলেট #:-S
B-)
খুব ভালোলাগলো ছোট একটুখানি লেখা।
+

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১০:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের রম্য অংশটুকু বেশ উপভোগ করলাম; :D
খুব ভালোলাগলো ছোট একটুখানি লেখা - আর এ কথাটুকুতে অনুপ্রাণিত হ'লাম। প্লাসেও।
অনেক, অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়ে যাবার জন্য, সাথে একটু ফান যোগ করে দেয়ার জন্য।
আপনার দুটো পুরনো পোস্ট "মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ" এবং "ব্রীজ অন দ্য রিভার কাওয়াই" এ আমার দুটো নতুন মন্তব্য রেখে এলাম।

১৪| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন?

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ সকাল ১১:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: ওয়া আলাইকুম আস সালাম! আমি ভাল আছি।
আশাকরি, আপনিও দন্তবেদনার যন্ত্রণামুক্ত হয়েছেন।
ভাল থাকুন, শুভকামনা...

১৫| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:২৩

সুমন কর বলেছেন: সুন্দর মাইক্রোফিকশন। কিছু মন্তব্যও পোস্টটিকে আরো অর্থপূর্ণ করে তুলেছে।

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ১২:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: কিছু মন্তব্যও পোস্টটিকে আরো অর্থপূর্ণ করে তুলেছে - ঠিক বলেছেন। সেইসব মন্তব্যকারীগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আপনার মন্তব্যটাও সুন্দর। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা----

১৬| ২৯ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৫৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সুন্দর হয়েছে মাইক্রোফিকেশন; বহে সমান্তরবল । এটি পাঠে মনে পড়ে কোন এক লেখায় পড়েছিলাম উড্রো উইলসন এর একটি অতি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় প্রভাবিত হয়ে তার মন্ত্রিসভায় একজন সদস্য তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে এটি প্রস্তুত করতে তাঁর কতক্ষণ সময় লেগেছে। উইলসন তাকে বলেছিলেন "এটা নির্ভর করে" । তিনি বলেছিলেন ‘আমি দশ মিনিট কথা বলতে চাইলে, আমার প্রস্তুতির জন্য এক সপ্তাহ দরকার! পনের মিনিট কথা বলতে চাইলে , তিন দিন দরকার ,আধা ঘন্টা বলতে চাইলে দুই দিন দরকার ; আর এক ঘন্টা বলতে চাইলে আমি এখনিই প্রস্তুত" । তাইতো ভেবে কিছুটা অবাক হই এই মাইক্রোফিকেশন স্টরি রচনায় কতটা সময়ই না জানি আপনার লেগেছে । যাহোক, গল্পটিকে আরো একটু টেনে টুনে মাইক্রোফিকেশন এর গ্রহণযোগ্য লিমিট ৩০০ শব্দের কাছাকাছি গিয়ে কিছুমিছু হওয়াতক পর্যায়ে ইতি টানলে আমাদের তৃপ্তি আরো কিছুটা বাড়তে পারত বলে মনে করি ।

অনেক শুভেচ্ছা রইল

৩০ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: হা হা হা, দারুণ একটা মজার কথা শোনালেন, আলী ভাই! তবে উড্রো উইলসন এর এ কাহিনী শুনে আপনার অবাক হওয়াটা যৌক্তিক বটে, এবং কিছুটা সত্যও। কারণ, আমি সত্যি সত্যি এই মাইক্রোফিকশনটি লিখতে প্রায় সপ্তাহ দুয়েক ভাবনা চিন্তা নিয়ে খেলা করেছি। অথচ আমার হাজার শব্দের পোস্টগুলোও প্রায় তাৎক্ষণিকভাবেই লিখা। সেভাবেই আমি লিখতে পছন্দ করি, এবং লেখার পরে খুব বেশী সম্পাদনা করতে পছন্দ করি না।
গল্পটিকে আরো একটু টেনে টুনে মাইক্রোফিকেশন এর গ্রহণযোগ্য লিমিট ৩০০ শব্দের কাছাকাছি গিয়ে কিছুমিছু হওয়াতক পর্যায়ে ইতি টানলে আমাদের তৃপ্তি আরো কিছুটা বাড়তে পারত বলে মনে করি - দেখুন, মাইক্রোফিকশনেের গ্রহণযোগ্য শব্দসীমা অধিকাংশ সাহিত্যমোদীদের কাছে ৩০০ শব্দ হলেও, আমেরিকার মাইক্রোফিকশন মানডে ম্যাগাজিনের সম্পাদক গেইল টাওয়েল তার মাইক্রোফিকশনের শব্দসংখ্যা এক শতের বেশি বাড়াতে কিছুতেই রাজী নন। লক্ষ্য করে দেখুন, আমি উভয় মতবাদ থেকে একটা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে (প্রায় ৫০% প্লাস/মাইনাস) ১৬০ শব্দ সংখ্যায় আমার মাইক্রোফিকশনটি সাজিয়েছি। এই গাণিতিক ব্যালেন্স বজায় রাখতে পারার জন্য কিছুটা ক্রেডিট তো বোধহয় আমি পেতেই পারি, কি বলেন? :)
চমৎকার মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম। অনেক ধন্যবাদ।
আপনার ব্যাক পেইন (ডিস্ক প্রলাপ্স) সম্পূর্ণ নিরাময় হয়েছে কি? ভাল থাকুন, শুভকামনা----

১৭| ৩০ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ধন্যবাদ সুন্দর প্রতি মন্তব্যের জন্য ।
মাইক্রোফিকশনটি সাজাতে গাণিতিক ব্যালেন্স বজায় রাখতে পারার জন্য কিছুটা নয়, পুর্ণ ক্রেডিটই আপনার প্রাপ্য । অভিনন্দন রইল ।

ডিস্ক প্রলাপ্স ইহজনমেও সারবে বলে মনে হয় না । আমার জন্য দোয়া করবেন ।

শুভেচ্ছা রইল

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৫:০০

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভাই, আপনার জন্য অবশ্যই দোয়া করবো। আগেও করেছি। দেশে এসে ফিরে গেলেন, আগে জানতে পারলে কিছুক্ষণের জন্যে হলেও, একটু দেখা করার প্রয়াস পেতাম।
দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, ব্যথা বেদনার দ্রুত উপশম হোক, মহান আল্লাহ রাব্বুল 'আ-লামীন এর কাছে এই প্রার্থনা রইলো----

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.