নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কথাচ্ছলে কত কথা!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:১৭

সেদিন প্রাতঃভ্রমণে বের হয়েই এমন একজনের দেখা পেলাম, যাকে আমি চিনি, কিন্তু যিনি আমাকে চিনেন না। তবে আমি তাকে চিনলেও, তার নামটা ঠিকমত স্মরণ করতে পারছিলাম না। আজকাল এমনটা প্রায়ই হয়; চেনা মানুষের নামটা সময়মত কিছুতেই মনে আসে না, ফলে অনেক সময় বিব্রত বোধ করি।

আমার বাসার কাছাকাছি একই নামে দু’জন ব্যক্তি বাস করেন, তাদের মাঝে অস্বাভাবিক রকমের মিল থাকাতে প্রায়ই এলাকাবাসী, ফেরিওয়ালারা, পত্রিকাওয়ালা, হোম ডেলিভারীর লোকজন ইত্যাদি নানারকমের বিভ্রান্তিতে পড়েন। তাদের দু’জনের মধ্যে মিলগুলো এরকমঃ
*দু’জনের একই নাম।
*দু’জন বাল্যকালে একই স্কুলে পড়াশুনা করেছেন।
*দু’জনেই বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দু’জনেই একই পদবীতে অবসরে গিয়েছেন।
*দু’জন প্রায় একই উচ্চতার , একজন উজ্জ্বল শ্যামবর্ণের, অপরজনকে নির্দ্বিধায় ফর্সা বলা যায়। প্রথমজনকেও অনেকেই ফর্সার শ্রেণীভুক্ত করতে পারেন।
*দুজনেরই পাকাচুল, তবে একজনের মাথায় কাশফুল, অপরজনের গোলমরিচের গুড়ো আর লবণের মিশ্রণ (salt and pepper)। উভয়ের মাথায় এখনো চুলের পরিমাণ সমান, প্রায় ৮০%।
*দুজনেই ভীষণ হাসিখুশী স্বভাবের, কৌতুকপ্রিয়।
*দু’জন পাশাপাশি বাসায় থাকেন।
*স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তারা উভয়েই পাকিস্তানে আটকা পড়েছিলেন এবং দু’জনেই ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

যাকে নির্দ্বিধায় ফর্সা বলা যায়, তার সাথেই আমার সেদিন দেখা হয়েছিল, এবং তারই মাথায় কাশফুলের মত পক্ক কেশ। নিজের পরিচয় দিয়ে তাঁর সাথে একই লয়ে হাঁটা শুরু করলাম। প্রথম আলাপেই তিনি আকর্ণ বিস্তৃত হাসি দিয়ে স্বাগত জানালেন এবং সৌজন্য হিসেবে তার নামটিও বললেন, যা আমার জানা ছিল কিন্তু তখন মনে পড়ছিল না। তিনি আমাকে বিনয়ের সাথে বললেন, প্রথম রাউন্ডে তিনি বেশী জোরে হাঁটতে চান না, তাই তার সাথে হেঁটে হয়তো আমার পোষাবে না। আমি বললাম, আমিও শুরুতে ধীরেই হাঁটি, আর তা ছাড়া কোন তাড়া নেই তো! উনি হো হো করে হেসে উঠলেন। আলাপে আলাপে তার আরো কিছু পরিচয় জানলাম। আমাদের মধ্যে কমন কয়েকজন পরিচিতদের নাম বের হলো এবং তাদের সম্পর্কে কিছুটা আলাপও হলো। অবসর সময়টা তিনি কি নিয়ে কাটাচ্ছেন জিজ্ঞেস করাতে আবার হো হো করে হেসে বললেন, এ্যাকুরিয়ামের মাছ নিয়ে সকালটা কাটে, তারপর এটা ওটা করেই বাকী সময়টাও কেটে যায়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, মাছকে কি শুধু তিনিই খাওয়ান নাকি ভাবীসহ দু’জনে মিলেই খাওয়ান। তিনি হেসে জানালেন, ভাবী সকাল সাড়ে সাতটায় বাসা থেকে বের হয়ে যান, তিনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষা। ভাবী অফিসে চলে যাবার পর থেকে দুপুর দুইটা আড়াইটা পর্যন্ত তিনিই ঘরদোর সামলে রাখেন। আবার হেসে আরেকটু যোগ করলেন, “এটাই ভাল, কিছুক্ষণ একজন ঘরে থাক, অপরজন বাইরে। চব্বিশ ঘন্টা দুইজনে একসাথে ঘরে থাকাটা শান্তির জন্য হুমকি স্বরূপ! হা হা হা”----

আলাপে আলাপে তিনি জানালেন, তিনি যখন পাকিস্তানে আরো অনেকের সাথে আটক ছিলেন, তখন ভাবী এ দেশে বসবাসরত ছিলেন। তাদের মাঝে আগে থেকেই আলাপ পরিচয় ছিল। আটক থাকা অবস্থায় ভাবীর মা বাবা ভাবীকে অন্য ছেলের সাথে বিয়ে দিয়ে দেবার জন্য অত্যধিক চাপ সৃষ্টি করেন, কিন্তু ভাবী ছলে বলে কৌশলে সেসব প্রতিহত করতে সক্ষম হন। কিন্তু তিনি দেশে ফেরার পরে ভাবী আর কোন অজুহাত দেখাতে পারছিলেন না, তাই ভাবী এবারে তার উপর চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য, কেননা সামাজিক চাপে তার পিতামাতা অনেকটা বিব্রত হচ্ছিলেন। আবার সেই হাসি দিয়ে তিনি জানালেন, দেশে ফিরে আসার চার মাসের মাথায় তিনি প্রায় কপর্দকশূন্য অবস্থায় ভাবীকে বিয়ে করে বসলেন। পাকিস্তানে বন্দী থাকায় তার হাতে কোন সঞ্চয় ছিল না। দেশে ফেরার পর চার মাসের বেতনে আর কতটুকুই বা জমাতে পেরেছিলেন! আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে এসে তিনি আস্তে করে বললেন, জানেন, আমাদের দেনমোহর কত টাকা ছিল? আমি কৌতুহল প্রকাশ করে বললাম, কত? হো হো করে হাসতে হাসতে তিনি জানালেন, মাত্র দশ হাজার এক টাকা! আর সেই দেন মোহরের টাকা তিনি পরিশোধ করেছেন চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণেরও অনেক পরে, মাত্র কয়েক বছর আগে। আমি আবার কৌতুহল নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, এতদিন পরে সেই দশ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে কত টাকা পরিশোধ করলেন? হা হা হা, হো হো হো করে হাসতে হাসতে তিনি বললেন, আরে ভাই, আপনার ভাবীও তো সেই একই অনুযোগ করে বলেছিল, বিয়ের এত বছর পর তুমি আমার দেন মোহরের টাকা শোধ করছো, সেই দশ হাজার টাকা কি এখনোও দশ হাজার টাকাই আছে? আমি তাকে বলেছি, “যেই আইনের বলে দেন মোহরের টাকা ধার্য করা হয়, সেই আইনে তো সুদ হারাম! তুমি আইনের একাংশ মানবে, আর বাকীটা মানবে না, তা তো হয় না!” এর পরে সে আর বেশী জোরাজুরি করে নাই! অবশ্য জোর করার মানুষ সে নয়, এ টাকাটা তাকে কোনদিন না দিলেও সে কিছু বলতো না, হা হা হা!

বিয়ের সময় তিনি ভাবীকে কোন লাল বেনারসী বা কাতান শাড়ি দেন নাই, দিয়েছিলেন নীল রঙের একটা বিয়ের শাড়ি। কারণ হিসেবে তিনি জানালেন, বিয়ে করেছেন তো ধার দেনা করে, ব্যাঙ্ক থেকে কর্জ করেও কিছুটা। বিয়ের পরে তো এখানে সেখানে পার্টিতে যেতে হবে। বিয়ের লাল শাড়ি পরে তো কোন পার্টিতে যাওয়া যাবেনা, কিন্তু আপাততঃ নীল শাড়ি পরে তো প্রথম প্রথম কয়েকটা জায়গায় যাওয়া যাবে। পরে সময় সুযোগ বুঝে একটা লাল বেনারসী শাড়ি কিনে দেয়া যাবে, কিন্তু পরে আর সে কথাটা তার খেয়ালে আসে নাই! কিন্তু এ অনুযোগটা ভাবীর রয়েই গেছে; সব মেয়েদের বিয়ের লাল শাড়ি থাকে, তার নেই! সংসার জীবনের এসব বিষয়ে হাসতে হাসতে তার নিজস্ব কিছু ব্যর্থতার কথা বলতে বলতেই এক সময় তার খেয়াল হলো যে তার এ্যাকুরিয়ামের মাছের খাবার সময় হয়ে গেছে। হাসিমুখেই আমরা একে অপরের কাছ থেকে বিদায় নিলাম। আমার নিজস্ব হিসেব অনুযায়ী আমার তখনো প্রায় পনের মিনিট হাঁটা বাকী ছিল, কিন্তু উনি চলে যাবার পর আমার আর হাঁটতে ইচ্ছে করছিল না। একজন সুখী লোকের কথা ভাবতে ভাবতে বাড়ী ফিরে এলাম। আসার পথে ভাবছিলাম, সামগ্রিকভাবে আমাদের এ জীবনটাতে, এবং আরো প্রাসঙ্গিকভাবে আমাদের দাম্পত্য জীবনটাতে সুখ-শান্তি নির্ভর করে মূলতঃ সমঝোতা, অনুকূল বোঝাপড়া বা ‘আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ (এ শব্দটা আমরা সহজতরভাবে বুঝে থাকি) এর উপর। আমাদের এলাকায় ওনারা এক আদর্শ সুখী দম্পতি হিসেবে সুপরিচিত। অনুমান করতে পারি, অবশ্যই এটা উভয়ের গুণে, ভাবীর হয়তো কিছুটা বেশী!


ঢাকা
০৫ এপ্রিল ২০১৯

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

হাবিব স্যার বলেছেন: ব্যাংক ঋণ নিয়ে বিয়ে তাই বলে কি নীল শাড়ি দিতে হবে? তাও আবার বিয়ের সময়!!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথম মন্তব্য এবং প্রথম প্লাসের জন্য ধন্যবাদ।
তাই বলে কি নীল শাড়ি দিতে হবে? তাও আবার বিয়ের সময়!! - রঙে কিইবা আসে যায়, যদি মিয়া বিবি এ নিয়ে মাথা না ঘামায়!!!

২| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


পাকিস্তান এসব সৈনিকদের ৩৪ মাস আটকে রেখেছিলো, সেই সময়ের বেতনের টাকাটা কি দিয়েছিলো? নিজের সৈনিকদের নিজেরা আটকে রাখলে বেতন দেয়টা উচিত ছিলো!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৪০

খায়রুল আহসান বলেছেন: বেতন নয়, তবে সাবসিস্টেন্স এলাউন্স নামে কিছু একটা দিত বলে শুনেছি।

৩| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


উনি এট উথাল পাথালের মাঝেও সুখ খুঁজে পেয়েছেন, এটাই জীবনের সফলতা।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: হ্যাঁ, উনি জীবনে একজন সফল মানুষ।

৪| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: রেস্পেক্টেড স্যার,

খুব সুন্দর অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন। ওনাদের সুন্দর দাম্পত্য জীবনের ছবি ফুটিয়ে তুলেছেন। ঠিকই তো সমঝোতার আরেক নাম সংসার। জীবন সমুদ্রে উত্থান-পতন থাকবেই। তার মধ্যেও আমাদের একে অপরকে সম্মান রেখে এগিয়ে যেতে হবে । বদলে যাবে আমাদের চারপাশটা।বদলে যাবে আমাদের পাশের লোকজনের চাওনি। শিক্ষা মূলক চমৎকার পোস্টে মুগ্ধতা ++

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা আপনাকে।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: সংসারের আরেক নাম সমঝোতা - চমৎকার কথা বলেছেন (যদিও আমি কথাটাকে একটু ঘুরিয়ে বললাম!)।
সমঝোতা থেকে বিশ্বাস জন্ম নেয়, বিশ্বাস থেকে ভালবাসা।
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!

৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

করুণাধারা বলেছেন: দাম্পত্য জীবনের সফলতার মূল সূত্র স্বামী স্ত্রীর পারস্পরিক সমঝোতার মধ্যে নিহিত। আপনি এক কথোপকথনের মাধ্যমে এই কথাটা চমৎকারভাবে বুঝিয়ে দিলেন। উপস্থাপনা ভালো লেগেছে, প্লাস।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: দাম্পত্য জীবনের সফলতার মূল সূত্র স্বামী স্ত্রীর পারস্পরিক সমঝোতার মধ্যে নিহিত - একদম ঠিক কথা বলেছেন আপনি।
লেখাটা আপনার ভাল লেগেছে জেনে প্রীত হ'লাম। প্লাসে অনুপ্রাণিত।
ভাল থাকুন, শুভকামনা---

৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

ঢাকার লোক বলেছেন: খুব সুন্দর লিখেছেন ! আল্লাহ এই সুখী দম্পতিকে সুখী রাখুন আজীবন !!

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:০০

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। দোয়ার জন্য আল্লাহ রাব্বুল 'আ-লামীন আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন এবং আপনার দোয়া কবুল করে নিন!
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।

৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: একজন সুখী মানুষের গল্প।বর্ননা গুণে বেশ ভাল লাগলো।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: গল্পটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ, গিয়াস উদ্দিন লিটন। আর লেখার প্রশংসা পেয়ে অনুপ্রাণিত হ'লাম।
শুভেচ্ছা জানবেন।

৮| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: প‌ড়ে বি‌মো‌হিত হলাম। আপনার জন্য শুভ কামনা।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:১৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন। গল্প পড়ে আপনি বিমোহিত হয়েছেন জেনে আমিও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
শুভেচ্ছা রইলো----

৯| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার শেষ কথাটাই ঠিক। উভয়ের গুণেই গড়ে ওঠে একটি আদর্শ সুখী সংসার। আর এই গুণের পরিমানটা নারীর বুঝি একটু বেশিই থাকতে হয়।

পৃথিবীর প্রতিটি সংসারে নেমে আসুক প্রশান্তির অনাবিল পরশ।

সুন্দর স্মৃতি রোমন্থন ভালো লাগলো। পোস্টে +++

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:০২

খায়রুল আহসান বলেছেন: পৃথিবীর প্রতিটি সংসারে নেমে আসুক প্রশান্তির অনাবিল পরশ - তাই হোক, তাই হোক!
সুন্দর মন্তব্যে এবং প্লাসে অনেক অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা...

১০| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি একজন অভিজ্ঞ মানুষ। অভিজ্ঞতার দাম আছে। অভিজ্ঞতার দরকার আছে। এই জন্যই চাকরীতে অভিজ্ঞতা চায়।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে প্রীত হ'লাম।
শুভেচ্ছা রইলো...

১১| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:০৪

সুমন কর বলেছেন: দশ হাজার এক টাকা !! আর হ্যাঁ, বোঝাপড়াটা খুবই জরুরী। কথাগুলো পড়ে ভালো লাগল।

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: বোঝাপড়াটা খুবই জরুরী - অবশ্যই। একটা শব্দই সুখী দাম্পত্য সম্পর্কের জন্য মূলমন্ত্র, সেটা হচ্ছে সততা
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনেক অনুপ্রাণিত। ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা----

১২| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:০৯

বলেছেন: আন্ডারস্ট্যান্ডিং টা যেন আন্ডারমাইন'স না হয় তারজন্য সকলের দাম্পত্য জীবনে ছাড় দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।


ধন্যবাদ মান্যবর আপনার পোস্ট সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে সক্ষম হবে।


০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: সকলের দাম্পত্য জীবনে ছাড় দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে - সুন্দর কথা বলেছেন। ভালবাসা থাকলে তার টানে ছাড় এমনি এমনি চলে আসে।
পরের কথাটার জন্য ধন্যবাদ। অনুপ্রাণিত হ'লাম।

১৩| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৩৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আহা! আমাদেরনারীরা এখনো কত উদার!

দশহাজার এক টাকাই মেনে নিল খুশী মনে!
আর আমরা কতইনা অবিচার করি। আল্লাহ তাদের যে শৌলিক অধীকার গুলো দিয়েছে তাও সামাজিক বিধানের নামে কেড়ে নিতে চাই। তাদের আয়ে পুরুষের কোন অধিকার নেই বলা পরো অবদমন নীতির কত কৌশলী প্রয়োগে রত! নারীকে নিজের মতোই এক স্বতন্ত্র পৃথক স্বত্তা হিসেবে পূর্ন মর্যাদা এবং অধিকারে রাখার খোদায়ী নির্দেশো পালনে শিথিলতা প্রায় অধিকাংশের!
অথচ সব কিছূর পরও তারা দিন শেষে ভালবেসে আবার বুকে ঠাই দেয়! এ যে কত বড় ঔদার্য্য- পুরুষ যদি অনুভব করতে পারো! নারীকে চোখের পাতায় করে রাখতো।

++++++++

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আসলেই আমাদের নারীরা খুবই উদার।
নারীর গর্ভ মানব সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মানব প্রজন্মের ধারক এবং বাহক। তারা পুরুষের অবদমন এবং নিয়ন্ত্রণ কোনক্রমেই প্রাপ্য নহেন। নারীর ভালবাসা এবং মমতার ছায়াতলেই পুরুষ-নারী নির্বিশেষে প্রতিপালিত হয়।
চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আপনার কন্যামাতা কি সেই সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ভয়াবহ শকটি পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পেরেছে?

১৪| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৫৮

নীলপরি বলেছেন: ভীষণ ভালো লাগলো জীবনের কথকথা ।
+++++

শুভকামনা

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: লেখাটা আপনার ভাল লেগেছে জেনে প্রীত হ'লাম। মন্তব্যে অনুপ্রাণিত।
অনেক, অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা----

১৫| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪০

অন্তরা রহমান বলেছেন: এমন একট সংসারই তো চাই - যেখানে ভাত-তেল-নুন না থাকলেও অনেকটা ভালোবাসা থাকবে৷ আর সেটাই সব অভাব ভুলিয়ে দেয়।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার কোন লেখায় আপনি বুঝি এই প্রথম এলেন- আপনাকে আমার ব্লগে সুস্বাগতম!
এমন একট সংসারই তো চাই - যেখানে ভাত-তেল-নুন না থাকলেও অনেকটা ভালোবাসা থাকবে৷ আর সেটাই সব অভাব ভুলিয়ে দেয় - কথাটা খুব সুন্দর বলেছেন। তবে এর বিপরীতেও কিন্তু একটা বিখ্যাত সংলাপ রয়েছেঃ - "অভাব যুখন ঘরের দরজায় করাঘাত করে, ভালবাসা তখন জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়" - বা অনেকটা এরকম। :)

১৬| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে , বলে গেছেন বহু গুণী জনে । আপনার এ সুন্দর লেখাটিতেওে তা উঠে এসেছে মোহনীয় প্রাণোচ্ছল লেখার বাতাবরণে । লেখাটিতে থাকা দশ হাজার টাকার দেন মোহরানা প্রসঙ্গে মনে পড়ে যায় উনিশ শতকের গোড়ার দিকে ঢাকার নবাব পরিবারের দেন মোহরের কথা। সংগ্রহে থাকা পুরাতন তথ্য ঘেটে দেখা যায় ১৯১৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি খাজা মওদুদ তার দিন লিপিতে লিখেন যে, “খাজা হামিদুল্লাহর সঙ্গে দশ হাজার টাকা দেনমোহরের বিনিময়ে নওয়াব সলিমুল্লাহর মেয়ে আকতার বানুর আকদ হয় আহসান মঞ্জিলে। (“নওয়াব পরিবারের ডয়েরিতে ঢাকার সমাজ ও সংস্কৃতি”,অনুপম হায়াৎ,বাংলাদেশ কো অপারেটিভ বুক সোসাইটি)।

আপনার এই সাহিত্য কর্মটিতে অপরাপর বিষয়ের সাথে দেন মোহর পর্বটি উঠে এসেছে সুন্দর ভাবে । বাংগালী সমাজের নারী মননের চিত্রটিই যেন ফুটে উঠেছে এই ্অনবদ্ধ রচনাটিতে ।অবশ্য ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ পুর্ব ও তার পরবর্তী কালের সাহিত্য কর্মেও দেন মোহর পর্ব নিয়ে রয়েছে বেশ সুন্দর সুন্দর কথা যা একটা আর্থ সামাজিক প্রভাব রয়েছে আমাদের নারী সমাজে ।

মোহরানা প্রসঙ্গে ঐতিহাসিক ভাবেই দেখা যায় যে ধর্মীয় মহাপুরুষেরা নিজেদের বিয়ের সময় দেনমোহর হিসেবে ধার্য করেছেন যৎসামান্য অর্থ।আর স্ত্রীর কাছ থেকে তা মাফ করিয়ে নিয়েছেন বিবিধ কৌশলে ।আমাদের সমসাময়িক সমাজেও দেখা যায় নারীর মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য ও নারীর অধিকার সংরক্ষনের জন্য দেনমোহরের প্রথার আওতায় মোল্লা সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগন বিয়ের মজলিসে দেনমোহর হিসেবে অনেক ক্ষেত্রেই মোটা অঙ্কের টাকা ধার্য করতে সম্মত হয়ে যান । কিন্তু তা করা হয় কেবল মাত্র সামাজিক ইজ্জত বাড়ানোর জন্য। নতুন বিবির প্রতি অনুরাগবশত: নয়। বরং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়ে যাবার পরপরই সে বা তারা তৎপর হয়ে ওঠে ওই রীতির জাল থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য।

এ রীতি অবশ্য আগেও ছিল । খুব বেশীদুর যেতে হবেনা আমাদের দেশের ৫০ দশকের সাহিত্য ‘আনোয়ারা’, ‘সালেহা ’, ‘গরীবের মেয়ে’, প্রতিটি উপন্যাসে দেনমোহর প্রসঙ্গটি যদিও দেখা যায় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে এবং তা নিষ্পত্তির পথনির্দেশনা দেয়া হয়েছে তার পরেও সে সব সাহিত্যে নতুন বধূ দেনমোহরের দাবি হাসিমুখে ত্যাগ করেছে বলে দেখানো হয়েছে । পুরুষতন্ত্রের প্রতিনিধিত্বকারী সেসব সাহিত্যে লেখকগন স্বামী ধনের ভালোবাসার মোহসাগরে আটকে থাকা স্ত্রীদের প্রত্যেককেই দেনমোহরের দাবি হাসিমুখে ত্যাগ করিয়েছেন। কেননা পতিদেবতার কাছ থেকে তাদের চাওয়ার আর কিছুই নেই। পতির জন্য সে জীবন উৎসর্গ করতেও রাজী, দেনমোহরের দাবি ত্যাগ তো সামান্য ব্যপার। আনোয়ারাকে যখন নূরুল এসলাম বিয়ে করেন তখন ভলোবাসার অজুহাতে দেনমোহরের পরিমান খাটো করে ফেলেন ।‘সালেহা’ র লখক তার নায়িকা জোহরাকে দিয়ে দেখিয়েছেন যে দেনমোহরের দাবি ত্যাগ করা অতিশয় জরুরি।গরীবের মেয়ে উপাখ্যানের নূর মোহাম্মদও নানা উছিলা খুঁজতে থাকেন দ্বিতীয়া স্ত্রী নূরীর কাছ থেকে দেনমোহরের দায় হতে পরিত্রান পাওয়ার জন্য।এসব উপন্যাসে চেতনে অথবা অবচেতনে লেখকগন দেখিয়েছেন কেবলমাত্র দেনমোহরের দায় থেকে স্বামীকে মুক্তি দেয়াই প্রকৃত পতিব্রতার কাজ নয় , সকল ধন সম্পত্তিই স্বামীকে অর্পন করা পতিব্রতার কাজ।

এর অনেক বিরোপ প্রভাব দেখা যায় আমাদের আজকের সমাজে । গরীব হত দরিদ্র পরিবারের নারীগনই এর বেশী ভুক্তভোগী। আপনার লেখাটির মধ্যে থাকা তাৎক্ষনিক বিনোদন উপভোগের থেকেও দীর্ঘমেয়াদে সামাজিক মুল্যবোধে এর প্রভাব ফেলার মত গুণাবলী নিহীত থাকার বিষয় অনুভুত হওয়ার কারণে কথাচ্ছলে মন্তব্যটিকে খানিকটা লম্বা করে ধয্যচ্যুতি ঘটানোর জন্য ক্ষমা করবেন ।উল্লেখ্য যে নারীর প্রতি বৈষম্য ও সংহিসতা আমাদের সমাজে এখনো খুব একটা কমেনি বরং তা প্রবল ভাবেই অস্তিস্তমান রয়েছে। যৌতুকের কারনে প্রমীলা নির্যাতন ও বধ এখানো সমাজের প্রায় অপ্রতিরোধ্য একটি চিত্র।

একথা সত্য যে আমাদের দেশের সুশীল সমাজ, নারী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরেই নারী- পুরুষের সম অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছেন। নারী সংগঠনগুলোর দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফলে নারীদের ওপর সহিংসতার বিরুদ্ধে কথা বলার জায়গা তৈরি হয়েছে বটে। কিন্তু নারী স্বার্থের আন্দোলনটি ফল ও বলহীন হয়ে যাচ্ছে ধর্মীয় মৌলবাদ ও অন্ধত্ব, গোঁড়ামি আর বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে। রাজনীতির দুর্বৃত্তায়ন, ব্যক্তিক, সামষ্টিক মূল্যবোধের পতন, সুষ্ঠু আইনচর্চার অভাব, আইন আদালতের প্রতি মানুষের অনাস্থা প্রভৃতি কারণে, নারীদেরকে নিরাপত্তাহীন করে রেখেছে। বর্তমান ও গত সরকার নানা ভাবে নানা ঢংয়ে নারীদের অধিকারের বিষয় নিয়ে নানা রকম মাত্রায় বিভিন্ন শক্তির কাছে আতসমর্পন করছে। এ দেশের নারীরা রয়ে গেছে অসীম তমসার মধ্যে। এ তমসায় একবিন্দু জ্যোতির্ময়তায় কিভাবে পৌঁছানো যাবে তা একমাত্র ভবিষ্যতই বলতে পারবে। তবে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন, মোহর-ভরণপোষণ আদায় , সন্তানের অভিভাবকত্ব প্রভৃতি নিয়ে সকল জ্যান্ত প্রহসনের অবসান ঘটতে পারে কেবল মাত্র আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির মূল কাঠামোর পরিবর্তনের মাধ্যমে। আর এ ক্ষেত্রে সকলকে সচেতন করে তুলতে পারে আপনার মত শক্তিমান গুণী সব লেখকের সাহত্যি কর্ম ।

মুল্যবান লেখাটির জন্য অভিনন্দন রইল সাথে এটি প্রিয়তে গেল ।

নিরন্তন ভাল থাকার শুভকামনা রইল

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০১

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথমেই, আমার এ লেখাটাকে আপনার "প্রিয়" তালিকায় তুলে রাখার জন্য অশেষ ধন্যবাদ এবং আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
দেন মোহর নিয়ে আপনার এ দীর্ঘ আলোচনাটি আমার এ পোস্টের ঐশ্বর্য হিসেবে চিরদিন বহাল থাকবে।
জ্ঞানগর্ভ আলোচনা, প্লাস এবং "প্রিয়" এর কারণে অনেক অনুপ্রাণিত হ'লাম।
অনেক, অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা---

১৭| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: আপনার কন্যামাতা কি সেই সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ভয়াবহ শকটি পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পেরেছে

অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা স্মরন করে খবর নেয়ায়!
ঐসময়তো খুবই দ্রুত রিকভার করেছিল। কিন্তু ইদানিং নাকি বাইরে যেতে ভয় লাগে। বলছে!
টেনশনে আছি। সাহস দিচ্ছি। দোয়া করবেন।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩০

খায়রুল আহসান বলেছেন: সাহস দিচ্ছি - হ্যাঁ, এক্ষণে সেটাই বেশী প্রয়োজন। এসব ঘটনা শিশু কিশোরদের মনে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

১৮| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:৫০

মা.হাসান বলেছেন: আন্ডারস্ট্যান্ডিং বড় বিষয়। অামার হিসেবে আন্ডার স্ট্যান্ডিং মানে আমি আমার বেটার হাফের নিচে দাড়াবো। অর্থাৎ বস ইজ অলওয়েজ রাইট।
লেখায় মুগ্ধতা। সকলের জীবন ভালোবাসায় ভরে উঠুক।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: বস ইজ অলওয়েজ রাইট[/sb বাট হু ইজ দ্য বস??? :)
সকলের জীবন ভালোবাসায় ভরে উঠুক - গভীর রাতে বসে একটা চমৎকার কথা লিখে গেছেন, যা দিনরাত্রির সীমারেখা ভেদ করে সকল পাঠকের মন সব সময় উজ্জ্বল করে যাবে।
অনেক, অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা---

১৯| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৪

মলাসইলমুইনা বলেছেন: খায়রুল ভাই,
খুব ভালো লাগা নিয়ে লেখাটা পড়লাম ।
আমাদের জীবনটা সুন্দর করে সাজাতে মনে হয় বিরাট কোনো আয়োজনের দরকার নেই ।ছোটছোট চাওয়া পাওয়া গুলো পূরণ করেই মনে হয় জীবনটা রাজসিক সাজে সাজানো যায় ।আমরা সেটাই না বুঝে গ্রান্ড পার্টির খোঁজ করতে থাকি জীবনকে সুখী সুন্দর করতে। আসলে যার খুব একটা দরকারই নেই । আপনার লেখাগুলো পরে সেটাই আবার মনে হলো । জীবন থেকে নেয়া লেখায় অনেক ভালো লাগা ।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: ছোটছোট চাওয়া পাওয়া গুলো পূরণ করেই মনে হয় জীবনটা রাজসিক সাজে সাজানো যায় - এটাই মূল কথা। কীপ ইওর লাইফ সিম্পল, কীপ ইয়োর ওয়ান্টস সিম্পল।
লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ। সুন্দর মন্তব্যে অনুপ্রাণিত।

২০| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩১

অন্তরা রহমান বলেছেন: আমাদের জাতীয় কবি নাকি এই কথাটা বলে গিয়েছেন। বাস্তববাদী মানুষ ছিলেন, রুঢ় সত্যটাই তার মুখ দিয়ে বের হয়েছে। আমরা স্বপ্নালু মানুষ, তাই নিজেদের মনের ইচ্ছা জানিয়ে যাই যা সত্যি হওয়ার সম্ভাবনা এই সুখী দম্পতির মতনই - দুর্লভ। আমার ব্লগ বাড়িতেও আমন্ত্রন রইলো। ভালো থাকবেন।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমি যতদূর জানি, কথাটা একটি বিখ্যাত বাংলা সিনেমার (ভারতীয়) সংলাপ। অবশ্য আমার এ জানাটা ভুলও হতে পারে।
আমার ব্লগ বাড়িতেও আমন্ত্রন রইলো - আপনার প্রথম পোস্টটা পড়ে এলাম। :)

২১| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৪৩

সোহানী বলেছেন: লিখাটা দু'দিন আগে পড়লেও সময়ই করতে পারছিলাম না সামুতে উকিঁ দিতে কারন অফিস নিয়ে অসম্ভব বিজি আছি এবং পুরো শনিবার অফিস করেছি। সপ্তাহের দু'দিন এর একদিন মাইনাস হলে খুব কষ্ট হয়ে যায় ম্যানেজ করতে। এখানে তো আর দেশের মতো না... হও বললেই সব হয়ে যাবে :(( । কিন্তু এ দু'দিন আপনার এ লিখা মাথায় ঘুরছিল।

হাঁ, শেষের দু'লাইনে যা বলার বলে দিয়েছেন। এই সত্যটা যে উপলব্ধি করতে পেরেছে সেই পেয়েছে সংসার জীবনের সুখের চাবি। কিন্তু আমি খুব কম মানুষকেই পেয়েছি এ সত্যটা উপলব্ধি করতে। যদিও কেউ কেউ বুঝতে পারে তবে অনেক বয়সে। ততদিনে জীবনের অনেক চমৎকার মূহুর্ত হারিয়ে ফেলে নিজেরই অজা্তে। জীবনের অনেকটা সময় নারী অধিকার নিয়ে কাজ করেছি বলে অনেক কিছু দেখেছি ভীতরে বা বাইরে।

অনেক অনেক ভালো থাকেন প্রিয় লেখক।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমি খুব কম মানুষকেই পেয়েছি এ সত্যটা উপলব্ধি করতে। যদিও কেউ কেউ বুঝতে পারে তবে অনেক বয়সে। ততদিনে জীবনের অনেক চমৎকার মূহুর্ত হারিয়ে ফেলে নিজেরই অজান্তে - আপনি একটি সঠিক এবং চমৎকার পর্যবেক্ষণ করেছেন।
বিশ্বাস এবং বিসর্জন ভালবাসার ভিত গড়ে দেয়, অত্যন্ত মজবুত ভাবে। কিন্তু একবার সে ভিতে ফাটল দেখা দিলে সেটা মেরামতের আর কোন কার্যকরি উপায় থাকে না।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত। ধন্যবাদ ও শুভকামনা----

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.