নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিদায় বসন্ত, বিদায় বসন্তের পাখিঃ

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৩

Click This Link

আজ (০৫ এপ্রিল ২০১৯) পবিত্র জুম্মার নামায আমাদের মাসজিদের দক্ষিণ পার্শ্বস্থ এক্সটেনশন বা গাছ গাছালি ঘেরা উন্মুক্ত আকাশের নীচে, বর্ধিত স্থানটিতে পড়েছি। এর কারণ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ভেতরের কক্ষে প্রবেশ করার জন্য সবাই হুড়োহুড়ি করে, আগে থেকে বসে থাকা মানুষের ঘাড়ের উপর দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে ফাঁক ফোকর খুঁজে নিয়ে প্রথমে সুঁই এর মত গুটিশুটি স্থান করে নেয়, পরে ফালের মত স্থান অধিকার করতে চায়, যা আমার মোটেই পছন্দ নয়। হুড়োহুড়ি আমি একদম পছন্দ করি না। আর তা ছাড়া আজ সকালের দিকে একটু হাল্কা বৃষ্টির মত হয়ে যাওয়াতে আবহাওয়াটাও তুলনামূলকভাবে সহনীয় ছিল। তাই খোলা আকাশের নীচে গাছের ছায়ায় বসেই বেশ আরাম বোধ করছিলাম। যেই না ইমাম সাহেব নামায শুরু করলেন, আর অমনি একটা কোকিল শুরু করলো তার মুহুর্মুহু ‘কুউ কুউ’ মর্মভেদী কূজন। ওর এ নিরন্তর ডাক শুনে মনটা বারে বারে কেমন কেমন করে উঠছিলো। জানিনা, কোন খেয়ালে সে কাকে ডেকে চলেছিল, কিন্তু তার এ ডাক আমাকে নামাযে আমার অমনযোগিতার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিল এবং আমাকে ঠিক তার মত করেই স্রষ্টাকে ডাকার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিল। আমি মুহূর্তেই যেন সম্বিৎ ফিরে পেলাম, আমি নামাযের মধ্যেই স্রষ্টার কাছে কিছু প্রার্থনা রেখে এলাম। তার মধ্যে অবশ্য সেই অদেখা কোকিলটার জন্যেও কিছু কথা ছিল।

পঞ্জিকার হিসেব অনুযায়ী বসন্তের দুই মাস, অর্থাৎ ফাল্গুন আর চৈত্র মাসে কোকিল ডাকার কথা। কিন্তু আমাদের এখানে আমি গত কয়েক বছর ধরে মাঘের মাঝামাঝিতেই কোকিলের প্রথম ডাকটা শুনে আসছি। এ নিয়ে আমি প্রতিবছরই কোকিলের প্রথম ডাক শোনা নিয়ে লিখেছি, ব্লগে নয়, অন্যত্র। এ ডাক আমি শুনতে পাই বোশেখের মাঝামাঝি পর্যন্ত। তার মানে প্রায় তিন/সাড়ে তিন মাস ধরে আমি এ সময়টাতে প্রতিদিন প্রকৃতি থেকে ক্ষণে ক্ষণে এক মধুর আবাহনের মূর্ছনা অনুভব করে থাকি। তার পরে ধীরে ধীরে এ অব্যক্ত মধুর সঙ্গীত প্রকৃতির আড়ালে বিলীন হয়ে যায়। এরা তখন কোথায় যায়, কোথায় থাকে কে জানে! হয়তো এখানেই আশে পাশের কোন গাছে থাকে, তবে তাদের কন্ঠে আর সে গান বাজে না।

আজকের কোকিলটার ডাক শুনে কেন যেন মনে হলো, বিদায়ের ঘন্টা যেন ধনিত হচ্ছে। দিনপঞ্জী অনুযায়ী বসন্ত শেষ হতে আর মাত্র একটি সপ্তাহ বাকী। ওদের আসন্ন বিদায়ের কথা জানাতেই যেন আজ ওর এই নিরন্তর একটানা ডেকে যাওয়া। ওদের এ ডাক আরও কিছুদিন হয়তো শুনতে পাবো, তার পরে অপেক্ষা করতে হবে আবারো সেই মাঘের মাঝামাঝি পর্যন্ত। মানুষ আর অচেনা পাখির মধ্যে কিইবা এমন হার্দিক সম্পর্ক থাকতে পারে, কিন্তু তবুও ওদের এ সাময়িক বিদায়ের কথা ভেবে কিছুটা বেদনাহত হচ্ছি তো বটেই। প্রতিটি বিদায়ই মনে হয় বেদনার উদ্রেক করে----


ঢাকা
০৫ এপ্রিল ২০১৯
(ছবিসূত্রঃ গুগল)

মন্তব্য ৪২ টি রেটিং +১৭/-০

মন্তব্য (৪২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৪৩

ম্যাড ফর সামু বলেছেন: বসন্ত প্রকৃতিতে বিদায় নিলেও রয়ে গেছে হৃদয়ে। তাই প্রকৃতির বসন্ত নিয়ে তেমন একটা ভাবি না!

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: সেটাই ভাল, বসন্ত হৃদয়ে ধারণ করোতে পারলে আর প্রকৃতির বসন্ত নিয়ে তেমন একটা না ভাবলেও চলে! :)
মন্তব্য এবং প্লাসের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। প্রীত ও অনুপ্রাণিত।

২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৪১

নজসু বলেছেন:



অনেক সময় কোন কোন কোকিলের ডাক শুনলে মনটা বিষাদে এমনিতেই কেমন আনমনা হয়ে যায়।
কোন কোন কোকিলের ডাকে এমনিতেই বিষাদ থাকে মাঝে মাঝে।

তবে, আপনার হৃদয় বিদায়ের বিষাদে আচ্ছাদিত হয়েছে ।
এক বছর পর আবার যখন কুহু কুহু ডাক কানে বাজবে মনটা ঠিকই তখন আনন্দে আন্দোলিত হবে।
শুভকামনা প্রিয়।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: অলস মধ্যাহ্নে কিংবা নির্জন বিকেলে কোন একটা কোকিলের কুহু কুহু ডাক ঠিক বিষাদ নয়, তবে কেমন যেন একটা উদাসী হু হু করা অনুভব বুকের মাঝে বাজিয়ে যায়।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা---

৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


বসন্ত মানুষকে আরেকটা বছরের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করে; কোকিলের উপর প্রকৃতি মানুষের মনে বন্ধুতের বীজ বপনের ভার দিয়েছে, মনে হয়।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: আাপনার এ দার্শনিক মন্তব্যটা পড়ে মুগ্ধ হ'লাম।
অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা----

৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: পুরুষ কোকিলই কেবল গান গাইতে পারে। এদের রঙ কালো।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: পুরুষ কোকিলই কেবল গান গাইতে পারে। এদের রঙ কালো - আপনি ঠিক বলেছেন। যেমন পুরুষ ময়ূরেরাই পেখম মেলে নাচে, ময়ূরীদের আকৃষ্ট করার জন্য। এটাই প্রকৃ্তির নিয়ম। তবে শুধু মানুষের বেলায়ই মনে হয়, নারীরা পুরুষদেরকে আকৃ্ষ্ট করার জন্য সাজগোজ করে।
অনেক আগে পল্লীকবি আব্দুল আলীম সাহেব কমলাপুরে যখন বাস করতেন (১৯৬২-৬৪), পাড়ার ছেলেপুলেরা ওনাকে 'কালো কোকিল' নামে আড়ালে ডাকতো। উনি সেটা জানতেন এবং কখনো শুনে ফেললে মুচকি মুচকি হাসতেন। উল্লেখ্য, তাঁর গায়ের রঙ ছিল কুচকুচে কালো।

৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

হাবিব স্যার বলেছেন: কোকিলেরা এতো ভালো গান গায় কিন্তু তারা বাসা বানাতে জানে না কেন?

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: কি জানি কেন!
বাসা বাঁধার ব্যাপারে তারা ছল চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে থাকে বলে জেনেছি বই পত্রে। আসলে তারা কি সত্যি সত্যিই কাকের বাসায় ডিম পেরে বাচ্চা বড় করে, সে ব্যাপারে আমার একটু সন্দেহ আছে। সে যাই হোক, কোকিলের কন্ঠ ও সুর বড়ই মধুর, অন্ততঃ এ ব্যাপারে আমার কোনই সন্দেহ নেই।

৬| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:২৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বাহ
একেই বলে ভাবুক স্বত্তা!

সমসাময়িক হীনমন্যতা ছাড়িয়ে প্রকৃিতর কোলে বসে প্রকৃতির ডাক
আবার স্রষ্টার স্মরনে বিঘ্নতার পথে বেয়ে দৃঢ়তায় স্থিতি
প্রকৃতির বদলে যাওয়া, জীবনর রহস্যের সন্ধান
একেইতো বলে জ্ঞান । :)

অসাধারন প্রিয় সিনিয়র

+++++++++

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে, কবিতা পড়ে এমন চমৎকার একটি মন্তব্য এখানে রেখে যাবার জন্য।
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
অনেক, অনেক শুভকামনা----

৭| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫১

জুন বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন আমাদের দেশে কোকিল বসন্তকে জানান দিয়ে থাকে খায়রুল আহসান । যদিও ডিম পাড়া বা বাচ্চা প্রতিপালনে তারা কুট চালাকির আশ্রয় নিয়ে থাকে তারপরও তাদের জন্য আমাদের মন আকুল হয়ে ওঠে আর তা মনে হয় তাদের কুহু কুহু তানের জন্যই ।
ব্যংককে প্রচুর কোকিল। সারা বছর সারাদিনই তাদের কুহু কুহু ধ্বনি মাতিয়ে তোলে চারিদিক ।
কিন্ত থাইল্যান্ডতো চির বসন্তের দেশ না তবে কেন তারা সারাবছর ডাকে বুঝতে পারি না !

ছবি যোগ করতে হলে আপনার লেখার এডিট ভার্সনের নীচে একটি বক্স আছে যাতে লেখা ছবি যোগ করতে হলে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন । ওখানে ক্লিক করলে আপনার সংরক্ষিত ছবিটি ব্লগ লিখুন পাতায় যোগ করতে পারবেন । এখনো এই পোস্টকে এডিট ভার্সনে নিয়ে যোগ করতে পারেন ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩০

খায়রুল আহসান বলেছেন: কোকিল এবং ঘুঘুর ডাক শুনলে আমাকে কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হতেই হয়। আবার চড়ুই পাখির কিচির মিচিরও ভালবাসি! :)
ধন্যবাদ জুন, আপনার বাতলে দেয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে গুগল থেকে একটি ছবি ডাউনলোড করে শেষ পর্যন্ত পোস্টের নীচে সংযোজন করতে সক্ষম হ'লাম।
মন্তব্য, প্লাস এবং পরামর্শের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকুন, শুভকামনা----

৮| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনার লেখা পড়লে দেশে থাকা আমার মা বাবার কথা মনে পড়ে যায়। মনটা আদ্র হয়ে ওঠে। অনেক অনেক ভাল ও সুস্থ থাকুক, এই কামনাই করি।

১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমিও দোয়া করছি, দেশে থাকা আপনার মা বাবাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সুস্থ থকুন, নিরাপদে থাকুন।
আমার সামান্য লেখাগুলো পড়ে আপনার মনটা আর্দ্র হয়ে ওঠে জেনে অভিভূত হ'লাম। প্রবাসে ভাল থাকুন, এই শুভকামনা রইলো।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হয়েছি। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা----

৯| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩৮

করুণাধারা বলেছেন: প্রতিটি বিদায় মনে হয় বেদনার উদ্রেক করে......

খুব সত্যি কথা। যে চলে যায় তার কথা বেশি মনে পড়ে.......

আপনার লেখা পড়ে যে কবিতা মনে পড়লো, তার শেষ লাইনগুলো:
“কুহেলী উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী-
গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে
রিক্ত হস্তে। তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোন মতে।”

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবি সুফিয়া কামাল এর "তাহারেই পড়ে মনে" কবিতার শেষাংশটুকু উদ্ধৃত করে আপনি আমার ভাবনার কথাই পুনর্বার মনে করিয়ে দিলেন- যে চলে যায়, তার কথাই বেশী মনে পড়ে; হোক সে ফাগুনের বসন্ত, হোক সে মাঘের শীত।
চমৎকার এ মন্তব্যটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হয়েছি।

১০| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:১৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: কোকিলের মর্মভেদী কূজন বসন্তের বিদায়ে হৃদয়কে করল দোলায়িত। অসহায় মন নিয়ে হাপুস নয়নে প্রতীক্ষায় থাকি যেন পরের বসন্তের জন্য । সূরা ফাতেহার উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে কোকিলের মর্মভেদী চিৎকারের প্রাসঙ্গিকতায় মুগ্ধতা।++

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: মাত্র তিনটে লাইনে চমৎকার একটি মন্তব্য করে গেলেন, পদাতিক চৌধুরি। মন্তব্যে এবং প্লাসে অভিভূত এবং অনুপ্রাণিত হ'লাম।
অনেক, অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা---

১১| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৫৬

মা.হাসান বলেছেন: এখন দেশে চির বসন্ত , আমিতো সব সময়ই কোকিল দেখি পত্রিকায়, টেলিভিশনে- সব জায়গায়।
কোকিলের কারণে নামাজের ক্ষণিকের ধ্যানের ডিরেকশন পরিবর্তন এবং ফিরে আসা সব কিছুরই একটা কারণ আছে, এসব যিনি নিয়ন্ত্রন করেন তিনিই জানেন, আমরা মুগ্ধ হয়ে দেখে যাই।
কোকিল তার মতো করেই স্রষ্টাকে ডাকার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিল- ভালো বলেছেন।
অনেক শুভ কামনা।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার মত চির বসন্তের দেশ এ দেশের আপামোর জনসাধারণও তো সর্বত্র কোকিল দেখে চলেছে, কিন্তু এসব কোকিলের কন্ঠ আম জনতার কাছে প্রাকৃতিক কোকিলের কন্ঠের ন্যায় কুহুতান হিসেবে ধ্বনিত হয় না। বিশেষ বিশেষ শ্রোতৃবর্গের কাছে এরা কোকিলকন্ঠী থাকবে ততদিন পর্যন্ত, যতদিন তাদের কিছু দেয়ার থাকবে। আর তার পরেই তাদের কন্ঠ দাঁড়কাকের কন্ঠের ন্যায় কর্কশ প্রতীয়মান হবে।
আপনার বাকী কথাগুলো আমাকে অনেক শান্তি দিয়ে গেল!
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত। অনেক, অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা----

১২| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:১১

বলেছেন: সময়ের পালাবদল ভাবুক হৃদয়ে চোট দিয়ে যায়।


ভালো থাকুন।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: সময়ের পালাবদল ভাবুক হৃদয়ে চোট দিয়ে যায় - হ্যাঁ, আপনার এ মন্তব্যটা নিয়েও অনেক কিছু ভাবার অবকাশ রয়েছে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। শুভকামনা----

১৩| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৪:০৬

সোহানী বলেছেন: আহ্ কোকিলের ডাক, বসন্ত, সাদা লালের মিছিল, পান্তাভাত ইলিশ............... জীবনের সব আনন্দইতো নিজের কালচারে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: জ্বী হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন- জীবনের সব আনন্দই তো নিজের কালচারে! তবে মনে হয়, পহেলা বৈশাখ উদযাপনে ইলিশটা ঠিক গ্রাম বাংলার কালচারে কখনোই ছিল না, হালের কর্পোরেট জগতের এতদুপলক্ষে অনুপ্রবেশের আগ পর্যন্ত।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত। শুভকামনা নিরন্তর---

১৪| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:০৪

নীলপরি বলেছেন: আমিও কিছু আগে থেকেই কোকিলের ডাক শুনতে পাই । খুব ভালো লাগলো লেখাটা । মন আপ্লুত হয়ে গেলো ।

ছবিটা তো লেখার সাথে দেখা যাচ্ছে না । লিংকটা কী যুক্ত হয়নি ? একটু দেখে নেবেন স্যর ।

শুভকামনা

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার এ ছোট্ট পোস্টটা আপনার খুব ভাল লেগেছে জেনে অনুপ্রাণিত বোধ করছি। প্রেরণাদায়ক মন্তব্য এবং প্লাসের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
ছবিটা শেষ পর্যন্ত দিতে পেরেছি, ব্লগার জুন এর সুপরামর্শক্রমে। তাকেও এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

১৫| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:১৪

টারজান০০০০৭ বলেছেন: খারাপ মনটা আরও খারাপ করে দিলেন। যখন যাবার সময় হয় তখন সবকিছুতেই বিদায়ের সুর শোনা যায়। :(

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: যখন যাবার সময় হয় তখন সবকিছুতেই বিদায়ের সুর শোনা যায় - কথাটা নিয়ে ভাবছি।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৬| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৯

অন্তরা রহমান বলেছেন: বিজয় সরণীতে একটা ব্রেইন ডিফেক্ট কোকিল থাকে। সময়ে-অসময়ে ডাকে। আমি এই রাস্তায় জ্যামে পড়লেই কান পেতে রই। একবার ডাকলেই জ্যামের কষ্ট ভ্যানিশ।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: ব্রেইন ডিফেক্ট কোকিল??? সময়ে-অসময়ে ডাকে বলেই কি এরকমটি মনে হলো??? :)

১৭| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:০৬

সুমন কর বলেছেন: আপনার সুন্দর লেখাটি পড়ে কোকিলের ডাক মিস করলাম........অনেকদিন শুনি না। +।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:১০

খায়রুল আহসান বলেছেন: বসন্তে কোকিলের ডাক না শুনলে মনে হয়, বসন্তটাই বৃথা যায়।
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা----

১৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩৩

জুন বলেছেন: আপনি যদি কোকিলের ছবিটা উপরে দিতে চান তবে এডিট মোডে গিয়ে নীচ থেকে ছবির লিংকটি কাট করে উপরে নিয়ে পেষ্ট করলেই হবে। ধন্যবাদ

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: জ্বী, দিতে পেরেছি। অনেক, অনেক ধন্যবাদ।

১৯| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আহা কোকিল !! সব সময় সব অবস্থায় ই আনন্দ তার ডাকে।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:১৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাংলাদেশের পাখিদের মধ্যে কোকিল আর ঘুঘুর ডাক সবচেয়ে মধুর, বিশেষ করে উদাস দুপুরে কিংবা অলস অপরাহ্নে।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনেক অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা----

২০| ১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৫

আখেনাটেন বলেছেন: বিদায় মানেই বেদনা...


দেশে বসন্ত আসে বসন্ত যায়। কিছু মানুষের সারাবছরই বসন্ত, কিছু মানুষের সারা বছর গ্রীষ্ম-- খরা কিংবা হাহাকার, যেমন, তনু, রূপা, রাফির পরিবার।

১২ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২১

খায়রুল আহসান বলেছেন: বাস্তবিকই, এক চরম ভারসাম্যহীন সমাজে আমরা বাস করছি। এ রকম ভারসাম্যহীনতা সমাজের স্থিতিস্থাপকতা বিনষ্ট করে।
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা!!!

২১| ২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০

স্বপ্নডানা১২৩ বলেছেন: শেষ প্যারায় বিষাদের সুর ছুঁয়ে গেল ।

২১ শে এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: বিদায় মানেই বেদনা, বিদায় মানেই বিষাদ। শেষ অনুচ্ছেদের মত খোদ শিরোনামের মধ্যেও "বিষাদের সুর" নিহিত আছে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.