নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোন এক মধ্যাহ্নের জনশূন্য পথে

০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১২:২০

ইংরেজী কবিতাটি লিখেছিলাম গত বছরের ০৭ অক্টোবরে। আজ কেন জানি, নিজের কবিতাটিকেই অনুবাদ করতে ইচ্ছে হলো। দুটোই এখানে দিলাম।


কোন এক মধ্যাহ্নের জনশূন্য পথে

এ পথ বেয়ে চলে বহু পথিক,
প্রতিদিন একা একা, কিংবা দলে দলে,
সকাল বিকেল নিয়মিত অনুশীলন কালে।
আবার কেউ কেউ হাঁটে সান্ধ্য কোলাহলে।

বিশ্বাসী মু’মিনগণ প্রতিদিন এ পথেই চলে
কারণ এ পথ তাদেরকে পৌঁছে দেয় মাসজিদে,
যেখানে তারা অবনত হয় সিজদায়, প্রার্থনায়,
দিনে পাঁচবার, ঝলমলে রোদে কিংবা ঝড় বৃষ্টিতে।

ডানের পথ এবং বামের খাল,
দুটোই যখন নীরব নিথর কোন এক মধ্য প্রহরে,
আমি হাঁটছিলাম একা একাই, তখন সে পথ ধরে।
পথটাকে খুব ভালবেসে, নিলেম চিত্র ধারণ করে!

(প্রতিদিন এ পথ ধরেই আমি মাসজিদে যাই, দিনে অন্ততঃ কয়েকবার। যাওয়ার পথে বাঁ দিকে পথের সমান্তরাল একটি সরু খাল পড়ে। বাঁকা পথ ও বাঁকা খাল, দুটোই দেখতে ভারী সুন্দর লাগে। উভয় পার্শ্বে গাছ গাছালি লাগানো আছে, সেখানে পাখিও বসে থাকে। পথের ডান পাশে কোথাও কোথাও ঘাসফুল ফুটে থাকে, আবার কোথাও কোথাও রোপিত চারাগাছে কিছু রঙিন ফুলও। এসব মনোহর দৃশ্য আমার মনের জানালা খুলে দেয়। অবিশ্বাস্য তবে সত্য, আমার অনেক কবিতার জন্ম হয়েছে এই তিন মিনিটের পথ হাঁটা কালেই।)

ঢাকা
৩১ মে ২০১৯



On A Lonely Walkway, On A Mid Summer Day

Many passers-by traverse this walkway
Individually or in groups, everyday
In their morning and afternoon strolls,
Some do so even when the evening falls.

Many devout followers of faith everyday
Walk this path as it falls on their way
To the Masjid, where they prostrate and pray
Rain or shine, five times a day.

The path on the right and the canal on the left
Both at past midday looked quite bereft
Just at that time, while I was walking alone
I captured the sight, in the camera of my cellphone.

(This is the path I walk every day to go to the Masjid. The path runs parallel to the narrow canal on the left. Their curvatures are beautiful and they, along with the green plantations astride, open the doors to many thoughts and imaginations even during the small three minutes' walk. Some of my poems were conceived during such short walks.)

Dhaka
07 October 2018
Copyright reserved.




এই সেই পথ, এই সেই সরু খাল!

মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৭

রোকসানা লেইস বলেছেন: পথ নিয়ে লেখাটি সুন্দর

০১ লা জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, রোকসানা লেইস। অনেকদিন পরে আপনাকে আমার কোন পোস্টে পেয়ে প্রীত হ'লাম। আর লেখার প্রশংসায় অনুপ্রাণিত।

২| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১২:৪৬

বলেছেন: মাশা আল্লাহ,,,
খুব ভাল লাগলো
শুভ কামনা,,

০১ লা জুন, ২০১৯ সকাল ১১:১৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: পাঠ এবং মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে প্রীত ও অনুপ্রাণিত।

৩| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১২:৫৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+

০১ লা জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ কবি। অনুপ্রাণিত। +

৪| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার কবিতা প্রকৃতির সাথে মিশে আছে!
অনেকটা টাইলস ধরণের ইটের রাস্তাটি কোথায়? অনেক সুন্দর রাস্তা!

আমি ভাবছি, কিছু শিয়াল ধরে ঢাকা শহরে ছেড়ে দেবো।

০১ লা জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার কবিতা প্রকৃতির সাথে মিশে আছে - চমৎকার প্রেরণাদায়ক মন্তব্য, অনেক ধন্যবাদ।
রাস্তাটি বারিধারা ডিওএইচএস এলাকায়। আগে এ পায়ে হাঁটা রাস্তাটিতে বর্ষার সময় জায়গায় জায়গায় পানি জমে থাকতো। এতে বয়স্ক মুরুব্বীদের চলাচলে ভীষণ অসুবিধে হতো। এখন রাস্তাটিকে সমান করে ইটের খসখসে টাইলস বসানো হয়েছে। তাই এখন বৃষ্টি হলেও পথ চলতে অসুবিধে হয় না।

৫| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ২:০৫

চাঙ্কু বলেছেন: সুন্দর পথের কবিতা!!

০১ লা জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার মন্তব্যটাও খুব সুন্দর, তাই অনেক ধন্যবাদ।

৬| ০১ লা জুন, ২০১৯ ভোর ৬:২৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
ঢাকা শহরে এমন সুন্দর রাস্তা আছে আমার জানা ছিল না, স্যার।

০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: সবাই নিয়ম নীতি মেনে চললে পরিবেশ সুন্দর রাখাটা কোন ব্যাপার না।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। প্লাসে অনুপ্রাণিত।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা। ভাল থাকুন....

৭| ০১ লা জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর।

০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ৮:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে প্রীত হ'লাম।

৮| ০১ লা জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৪

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: খুবই সুন্দর

০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ১০:১৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রশংসা এবং প্লাসের জন্য অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা জানবেন।

৯| ০১ লা জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৬

জাহিদ অনিক বলেছেন: বাহ! মূল কবিতা ও তার বাংলা অনুবাদ দুটোই বেশ সুন্দর লেগেছে। যদিও দুইটাই আপনার লেখা, তাই মূল কবিতা- অনুবাদ কবিতা না বলে দুইটই মৌলিক কবিতা বলা যায়।
একজন কবি নিজেই যখন নিজের কবিতার অনুবাদ করেন তখন তার চিন্তাভাবনা মিশে থাকে আলাদাভাবে উভয় কবিতাতেই।

ছবিটা বেশ সুন্দর, রাস্তাটি কবিতার মতই তন্বী দেহ যেন।

০২ রা জুন, ২০১৯ সকাল ১১:০৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: একজন কবি নিজেই যখন নিজের কবিতার অনুবাদ করেন তখন তার চিন্তাভাবনা মিশে থাকে আলাদাভাবে উভয় কবিতাতেই - এ কথাটা আপনি ঠিক বলেছেন, অনস্বীকার্য।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানবেন।

১০| ০১ লা জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৪

রাকু হাসান বলেছেন:

আপনার কবিতা প্রকৃতির সাথে মিশে আছে! --৪ নং মন্তব্যের মতো আমারও বক্তব্য এটি।
প্রকৃতির ছোঁয়া আপনার কবিতার যেন এক দারুণ বৈশিষ্ট্য আগেও লক্ষ্য করেছি। তাই তো ভালো লাগে আপনার কবিতা ।
রাস্তাটি হতে পারে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ।
সাজ্জাত ভাই-এমন রাস্তা বাংলাদেশে আছে । ঢাকা ক্যান্টমেন্টে এমন ধরনের রাস্তা দেখা অস্বাভাবিক কিছু না হয়তো ।
স্যার হয়তো দ্বিমত হবেন না ।

০২ রা জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রকৃতির ছোঁয়া আপনার কবিতার যেন এক দারুণ বৈশিষ্ট্য আগেও লক্ষ্য করেছি। তাই তো ভালো লাগে আপনার কবিতা - আপনার এ প্রশংসা আমাকে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করে গেল! পঞ্চম প্লাসটাও। অনেক, অনেক ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা.....
ছবির রাস্তাটি ঠিক ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকার ভেতরের নয়, তবে কাছাকাছি। বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার।

১১| ০১ লা জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: তিন মিনিটের পথের সৃষ্টি বেশ ভাল লাগলো।

০৩ রা জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার এ ছোট্ট মন্তব্যটাও আমার বেশ ভাল লাগলো।
আশাকরি ভাল আছেন। ভাল থাকুন, সপরিবারে।
ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা!!!!

১২| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩০

জুন বলেছেন: কত ছোটখাট বিষয় নিয়ে কি অসম্ভব সুন্দর লেখাই না আপনি লিখে থাকেন খায়রুল আহসান! সত্যি মুগ্ধ হোলাম আপনার কবিতায়। ভালোলাগা রইলো অনেক ।
ভালো থাকবেন।
+

০৩ রা জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রশংসায় এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। অনেক, অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন!
আপনার আমার জন্য যারা কেঁদেছিল পোস্টে একটা মন্তব্য রেখে এসেছিলাম। সেটা বোধহয় আপনি এখনো দেখেন নি? সেখানে একটা প্রশ্ন ছিল।

১৩| ০১ লা জুন, ২০১৯ রাত ১১:২৭

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: বাহ্,অনেক পরিপাটি ও গুছানো কবিতা।

০৩ রা জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবিতা দুটো পড়ার জন্য ধন্যবাদ। মন্তব্যে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
শুভেচ্ছা.....

১৪| ০২ রা জুন, ২০১৯ রাত ১২:৪৮

ওমেরা বলেছেন: খুব সুন্দর কবিতা।

০৩ রা জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবিতা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানবেন।

১৫| ০২ রা জুন, ২০১৯ রাত ১:০৮

সুমন কর বলেছেন: সুন্দর এবং +।

০৩ রা জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রশংসায় এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হ'লাম। অনেক, অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছ!!!

১৬| ০২ রা জুন, ২০১৯ রাত ১:৫৮

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: আরেকটা বিকল্প শেষ লাইন মাথায় এসেছে, "আলগোছে ছবিখানি পুরে নেই মুঠোফোন 'পরে।"

০৩ রা জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: বুঝতে পেরেছি, বাংলা কবিতার শেষের লাইনটি আপনার মোটেই পছন্দ হয়নি। আমারও একটু খুঁত খুঁত ভাব ছিল। তাই শেষের লাইনটি সম্পাদনা করে নিলাম।
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। প্রবাসে ভাল থাকুন, শুভকামনা....

১৭| ০২ রা জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:০৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: পথিকই পথের সৃষ্টি করে, জীবনটাও চলে এই পথেপথেই.....

দিনশেষে রাস্তায় পড়ে থাকে হাজারো পদধূলি.....

বাংলা এবং ইংরেজি দুটো কবিতাই দারুণ লাগলো। কিছু মুহূর্তের রেশ সুচারুভাবে ফুটে উঠেছে।


পোস্টে বর্ষার রিমঝিম শব্দ তোলা ভালোলাগা.....


০৩ রা জুন, ২০১৯ রাত ৮:২৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, এমন সুন্দর একটা কাব্যিক মন্তব্যের জন্য। এর আগের কথাগুলোও ভাল লেগেছে। +
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।
শুভকামনা....

১৮| ০২ রা জুন, ২০১৯ দুপুর ১:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: রেস্পেক্টেড স্যার,

কবিতার প্রতি ছত্রে ছত্রে এবং শব্দচয়নে ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম ++ । পাঁচ ওয়াক্তের পথটি শুধু দৃশ্যপটেও নয় কাব্যময় মনকে ডায়েরির পাতায় পাতায় ভরে উঠুক।

শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

০৩ রা জুন, ২০১৯ রাত ১০:৩৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবিতার প্রতি ছত্রে ছত্রে এবং শব্দচয়নে ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম ++ - অনেক ধন্যবাদ, আপনার এ ভাল লাগার কথাটুকু এখানে জানিয়ে যাবার জন্য।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।
শুভকামনা....

১৯| ০৪ ঠা জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: মুল কবিতা ও তার প্রাঞ্জল অনুবাদ পাঠে মুগ্ধ
ফুটপাথের দৃশ্যটিও মনোহর ।
ইদানিং ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায়
গিয়ে রাস্তার পাশে রঙগীন টাইলসের
ফুটপাথের দৃশ্য দেখে ভাল লেগেছিল,
যাহোক, কবিতা পাঠে মনে জেগে উঠা
কিছু কথামালা বলে যাই এখানে ।

খালের ধারে পথ
পথের ধারে গাছ
গাছে ধরা বাহারী ফুল
ডালে বসা গাখীর গান
পথে যেতে ভেসে আসে
আজানের সমধুর আহ্বান
এমন প্রফুল্য মনেইতো
কবিতা লেখার জন্য
দেয় ভাবের যোগান,
কামনা করি এপথেই
নিত্য হোক আনাগোনা
কবির মনো জগতে
জেগে উঠা ভাবে
সমৃদ্ধ হোক সামুর
বিচিত্র কাব্য ভুবন
আর আমরা তাতে
মনসুখে করি আবাহন।
ভাল থাকুন
আপনার জন্য রইল

০৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার কিছু প্রেরণাদায়ক কথা এখানে রেখে যাওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, ডঃ এম এ আলী। প্লাসেও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
"গাছে ধরা বাহারী ফুল
ডালে বসা গাখীর গান
পথে যেতে ভেসে আসে
আজানের সমধুর আহ্বান
এমন প্রফুল্য মনেইতো
কবিতা লেখার জন্য
দেয় ভাবের যোগান"
-- বাহ, কি সুন্দর ছন্দে ছন্দে কথাগুলো বললেন! +

২০| ১১ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫২

করুণাধারা বলেছেন: আপনার ইংরেজি কবিতা আমার বরাবরই পছন্দ, বাংলা অনুবাদটাও ভালো হয়েছে। অবশ্য আমার মনে হয় এমন সুন্দর পথ দিয়ে হেঁটে যেতে পারলে আমার মোটা মাথাতেও কবিতার ছন্দ এসে যেত!
B-)
না, এটা ঠাট্টা করে বললাম, আমি কোনো মতেই কবিতা লিখতে পারব না।

আসলে ঢাকা শহরের খুব বেশি জায়গায় এমন চমৎকার ঘাসে ঢাকা জমির ওপর এমন চমৎকার হাঁটার পথ দেখা যায় না। কিছুদিন আগে মহাখালী ডিওএইচএস এ এমন সুন্দর পরিবেশ দেখে ভাবছিলাম, কি করে এমন থাকে! ডিওএইচএস এ কিছু করতে গেলে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অনুমতি প্রয়োজন হয় বলে শুনেছিলাম। আপনার কাছে একটা জিনিস জানতে চাচ্ছি- ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কি এখানকার বাড়ির প্ল্যান পাশ করে? ঢাকা শহরের একটা এলাকাকে আবাসিক এলাকায় পরিনত করার সময় রাজউক জমি একোয়ারের পর প্রথমে কোথায় কতগুলো বাড়ি হবে, লেক-রাস্তা কোথায় হবে সব ঠিক করে। তারা বাড়ির প্ল্যান পাশ করে, এবং রাস্তাঘাটসহ এলাকার দেখভাল করে সিটি কর্পোরেশন। এই দুই প্রতিষ্ঠানই তাদের কাজ ঠিকমতো করে না। এর ফল হয়েছে এই, ঢাকার প্রতিটি এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে ঘরবাড়ি উঠছে, রাস্তাঘাটের অবস্থাও খুবই খারাপ। সেজন্যই জানতে চাচ্ছিলাম, ঢাকার অন্যান্য আবাসিক এলাকার মত ডিওএইচএস গুলোও কি রাজউক আর সিটি কর্পোরেশনের পরিকল্পনায় তৈরি হয়?

১১ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: DOHS গুলো একটা নির্বাচিত পরিষদের মাধ্যমে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ কর্তৃক পাশকৃত ক্যান্টনমেন্ট এ্যাক্ট এর মাধ্যমে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড কে ক্যান্টনমেন্ট সমূহের ভূমি সংক্রান্ত প্রশাসনিক ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। ক্যান্টনমেন্ট এক্সিকিউটিভ অফিসারকে অর্থদন্ড এবং কারাদন্ড আরোপের ম্যাজিস্ট্রেসী ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু মৌলিক বিষয়াবলীতে, যেমন কোথায় কত তলা পর্যন্ত বিল্ডিং ওঠানো যাবে, কত তলা দালানের জন্য পরিসীমায় কতটুকু জমি ছাড় দিতে হবে, ইত্যাদি বিষয়ে রাজউক বা সিটি কর্পোরেশন যে নীতিমালা প্রণয়ন করে, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডও তা মেনে চলে। তবে হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারণ এবং তা আদায় করে থাকে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড। দালান কোঠার প্ল্যানও পাশ করে থাকে ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড, কেউ আইন না মানলে অর্থদন্ড আরোপ করে তা আদায়ও করে থাকে তারাই। মূল নক্সার কিছুটা ব্যত্যয় ঘটানোর জন্য একজন সেনাপ্রধানকেও অর্থদন্ড দিতে হয়েছিল।

২১| ১১ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৪

করুণাধারা বলেছেন: রাজউকের কর্মকাণ্ড নিয়ে আমি কিছু লিখতে চাচ্ছিলাম, সে জন্য এই তথ্য জানতে চাইছি।

১১ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি লিখুন, তবে কোথাও নামোল্লেখ না করাই সমীচীন হবে।

২২| ১৬ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৯

করুণাধারা বলেছেন: নাম উল্লেখ করার কোন ইচ্ছা নেই। আমার শুধু কিছু জানার দরকার ছিল, সেটা জেনে গেছি; অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:২১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.