নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের কাশ্মীর ভ্রমণঃ অনিশ্চয়তার দোলাচলে যে যাত্রার শুরু- ২

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

যদিও আমি ড্রাইভারকে বলেছিলাম, ‘থোরাসা জালদি যাইয়ে’ তথাপি সে গাড়ী চালাচ্ছিল নির্দ্দিষ্ট গতিসীমার মধ্যে থেকেই, অর্থাৎ ঘন্টায় অনূর্ধ্ব ৭০ কি.মি. গতিতে। সঙ্গত কারণেই, কেননা সে আমার কারণে পুলিশের কাছে ধরা খেতে চায় না। টার্মিনালটি দৃশ্যমান হয়ে যতই কাছে আসছিল, ততই স্বস্তি পাচ্ছিলাম। এক সময় ড্রাইভার গাড়ী থামালো, আমিই প্রথমে গাড়ী থেকে নামলাম, সবসময় কাঁধে ঝোলানো আমার ট্রাভেল ব্যাগটাকে হাতে নিয়ে। নেমেই দেখতে পেলাম হলুদ জার্সি পরা একজন বৈধ ‘চেক-ইন সহায়তাকারী’ আমার দিকে এগিয়ে আসছে। সে আমাকে হাসিমুখে জিজ্ঞেস করলো, অর্থের বিনিময়ে চেক-ইন কাজে সহায়তা করবে কিনা। এতদিন ধরে ট্রাভেল করছি, কোনদিন এই কাজের জন্য কারো সহায়তা নিতে হয়নি, তাই আমি তাকে বিনয়ের সাথে না করলাম। সে হাসিমুখে বিদায় নিতে নিতে আমাকে আমাদের ফ্লাইট নাম্বার জিজ্ঞেস করলো। কয়েকবার টিকেট দেখতে দেখতে ততক্ষণে ফ্লাইট নাম্বারটা আমার মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। আমি কনফিডেন্টলি বললাম, এসজি ১৩০। সাথে সাথে ছেলেটির মুখের হাসি বিলীন হয়ে গেল, তার বদলে কপালে ভ্রু-কুঞ্চন দেখা দিল। সে উৎকন্ঠিৎ হয়ে বললো, “স্যার, আপকো ফ্লাইট তো ইয়ে টার্মিনাল সে নেহী ছোঁড়েগা। আপকো টার্মিনাল-১ মে জানা পারেগা”। সাথে সাথে আমার ঠোঁট ফসকে বেড়িয়ে গেল, “আর ইউ শিওর?” সে ২০/২৫ গজ সামনে একটি গেটের সামনে কর্তব্যরত এক ইউনিফর্মধারী নিরাপত্তারক্ষীকে দেখিয়ে দিয়ে বললো, বিশ্বাস না হলে তার কাছ থেকে শিওর হয়ে নিতে। আমি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হাতে ধরা ব্যাগটাকে মেঝেতে রেখেই দ্রুতপায়ে সেই নিরাপত্তা রক্ষীর কাছে গেলাম। সে সেলফোনে আমাদের টিকেট দেখে গম্ভীরভাবে বললো টার্মিনাল-১ এ যেতে। ইতোমধ্যে পুলিশ হুইসেল বাজিয়ে উবার ড্রাইভারকে গাড়ী সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়ায় সে গাড়ীটিকে বেশ কিছুদূর এগিয়ে নিয়ে রাখলো। আমি সেটা লক্ষ্য করে নিরাপত্তা রক্ষীর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে পেছনে না গিয়ে দৌড়ে সামনে গিয়ে গাড়ীতে উঠেই বললাম, জালদি চলো! ঘড়ির দিকে তাকিয়ে মনকে প্রবোধ দিচ্ছিলাম, আছে, এখনো সময় আছে। ড্রাইভারও সেটাই বলছিল।

ইতোমধ্যে রাস্তায় জ্যাম জমাট বাঁধতে শুরু করেছিল। দশ মিনিটের রাস্তা পঁচিশ মিনিটে অতিক্রম করে অবশেষে টার্মিনাল-১ এ পৌঁছলাম। গাড়ী থামার পর একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ছেড়ে গাড়ী থেকে কেবল বাম পা টা নামিয়েছি, তখনি স্বভাবসুলভ অভ্যাসে কাঁধে ঝোলানো ব্যাগটার খোঁজ করলাম। সাধারণতঃ গাড়ীতে বসা অবস্থায় আমি সেটাকে আমার পাশেই রাখি, অন্যান্য ব্যাগ যেখানেই থাকুক না কেন। দেখলাম, সেটা গাড়ীতে নেই। হন্তদন্ত হয়ে আমার স্ত্রী ও ছেলে সবখানে খুঁজতে লাগলো। ইতোমধ্যে আমি যা বোঝার বুঝে গেছি। তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিলাম, কাশ্মীর ভ্রমণ ছাড়া যাবে, ব্যাগ ছাড়া যাবেনা। ড্রাইভারকে বললাম, ‘টার্মিনাল-২ মে ফের ওয়াপস চালিয়ে’! শুনে ড্রাইভারের চক্ষু ছানাবড়া। সে বললো, ‘স্যার, আপ ফ্লাইট মিস করেঙ্গে’। আমি বললাম, ‘ঠিক হ্যায়, কোই বাত নেই, আপ চালিয়ে প্লীজ’। সে আবার ফেরত রাস্তা ধরলো। আমি কোন স্টেথোস্কোপ ছাড়াই আমার বুকের লাব-ঢাব স্পন্দন ধ্বনি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম। দোষটা আমারই ছিল, কারণ আমি সেই নিরাপত্তা রক্ষীটির কাছে যাওয়ার সময় তড়িঘড়ি করে আমার সেই ব্যাগটাকে আমার স্ত্রী বা ছেলের হাতে না দিয়ে, কিংবা কাঁধে না ঝুলিয়েই মেঝেতে রেখে ত্রস্তপদে তার কাছে গিয়েছিলাম, ওরাও কেউ খেয়াল করেনি যে আমি ব্যাগটাকে সেই হলুদ জার্সি পরা ছেলেটার সামনে মেঝেতে রেখেই নিরাপত্তা রক্ষীর কাছে গিয়েছিলাম। আবার পুলিশের তাড়া খেয়ে ড্রাইভার গাড়ীটাকে সামনে এগিয়ে আনাতে আমারও লক্ষ্য ছিল তাড়াতাড়ি গাড়ীতে গিয়ে ওঠা। পেছনে গিয়ে ব্যাগটা আনার কথা মোটেই খেয়াল ছিলনা। জীবনে এই প্রথম নিজেকে একজন ভিলেন মনে হচ্ছিল।

যখন আমি এরকম কোন অবস্থায় পড়ি যে সামনে ঘোর অন্ধকার ছাড়া আর কিছুই দেখতে পারিনা, তখন আমি আমার অন্তরের অন্তঃস্থলে রাখা এক আলোবর্তিকার সন্ধান করি। সে আলো বিচ্ছুরিত হতে কিছুটা হয়তো সময় নেয়, তবে তা অবশ্যম্ভাবীরূপে আমাকে পথ দেখায়। আমি মনে মনে সাহস পেতে থাকলাম, কিন্তু সে সাহসেরও তো একটা সীমা আছে!!!

চলবে.... (অল্প কথার পোস্ট, ছবি নেই!)

ঢাকা
১১ মে ২০১৯

মন্তব্য ৬৭ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৬৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৯

নজসু বলেছেন:


১ম

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪১

রাজীব নুর বলেছেন: শেষে ব্যাগটা কি পেয়েছিলেন??

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: পড়তে থাকুন, জবাব পেয়ে যাবেন। :)

৩| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৪

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: ২য় =p~

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আচ্ছা, ঠিক আছে।

৪| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৬

নজসু বলেছেন:



কামাল ভাই সিরিয়াল নাম্বার ৩ । :-B

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: সিরিয়াল একটা হলেই হলো! :)

৫| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ব্যাগ পেয়েছিলেন পরে? ভালো লাগলেঅ

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: বলছি, সাথে থাকুন। :)

৬| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:০৪

সাদা মনের মানুষ বলেছেন: আমার কাশ্মীর ভ্রমণটাও অনেকটা এমনই জটিল ছিল, ট্রেন থেকে জম্মুতে নেমে এসে যখন ট্যাম্পু ট্রাভেলারে উঠব ঠিক তখনি দেখা গেল আমাদের টিম লিডারের মানি ব্যাগ সাথে নেই (আমাদের টিম লিডার ছিলেন এই ব্লগের বোকা মানুষ বলতে চায়)। তখনি তিনি আমাকে নিয়ে সেই ট্রেনের খোঁজে আবার প্লাটফরমে ঢুকেন। অনেক চেষ্টা তদবির আর দৌড়াদৌড়ি করে যখন মানি ব্যাগটা পেলাম তখন সেখানে থেকে ইন্ডিয়ান পাঁচ হাজার রুপী লাপাত্তা। অবশ্য ওখানে আরো অনেক দরকারী কাগজ এবং ক্রেডিট কার্ড ঠিকই ছিলো।

সেই সময়টায় আমাদেরও আপনার মতোই হয়েছিল মনের অবস্থা। বাকিটা পড়ার অপেক্ষায়...........

১২ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: সাদা মন আর বোকা মনের মানুষ তাহলে এক হয়েছিল সেদিন? তাহলে তো এমনটি ভুলোমনা হবারই কথা! :)
বাকিটা পড়ার অপেক্ষায়........... - আচ্ছা, সাথে থাকুন তাহলে। অচিরেই পাবেন পরের পর্ব।

৭| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫

মা.হাসান বলেছেন: আপনি তো অল্প কথায় সারলেন, আমাদের যে টেনশনের বারোটা বাজালেন। আরো দু পর্ব উৎকণ্ঠায় রাখবেন আগেই বলেছেন। শেষ পর্যন্ত আমাদেরও হার্টবিট মনে হয় স্টেথোস্কোপ ছাড়া শোনা যাবে।

কাধের ঝোলা ব্যাগের কারনে একাধিক বার বড় ঝামেলায় পড়েছি। এখন ছোট খাট জিনিসের জন্য এটা ব্যবহার করি-


দিল্লি -কোলকাতায় ড্রাইভাররা অত্যন্ত সতর্ক। পুলিশ ধরলে খবর আছে। নিয়ম ভঙ্গ করে চালানোর ঘটনা কম। তবে উত্তর ভারতের কোথাও কোথাও বেপরোয়া দেখেছি, এবং কেরালায় এরকম হয় শুনেছি ।
এয়ারপোর্ট এলাকায় ছবি না তোলাই ভালো, পুলিশ অনেক ঝামেলা করে।
প্রথম পর্বের পর লম্বা অপেক্ষায় না রেখে ২য় পর্ব দেয়ায় অনেক ধন্যবাদ।
কোলকাতা এয়ারপোর্টের রিটায়ারিং রুম সম্পর্কে যা বলেছেন তাতে আমার বক্তব্য- কানেক্টিং ফ্লাইট না থাকলে ওখানে জায়গা হয় না, লাগেজ লকারও ব্যবহার করতে দেয় না। ওখানে ডরমেটরিতে ৭০০ রুপি কোলকাতা হিসেবে সস্তা। আপনারা তিনজন ছিলেন, দুই জন বা এর বেশি থাকলে হোটেল ভাড়া পার হেড তুলনামূলক কমে আসে। একই কথা ট্যাক্সি ভাড়ার ক্ষেত্রেও সত্য। তবে স্বাচ্ছন্দের জন্য আমি একা বেড়ানো পছন্দ করি বেশি।
৩য় পর্বও আশা করি তাড়াতাড়ি ছাড়বেন, তা সম্ভব না হলে একজন হার্ট স্পেশালিস্টের নাম শেয়ার করতে পারেন।

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার এই মডেলের এটাও ছিল আমার কোমরে পেচানো। সেটাতে থাকে শুধু পাসপোর্ট, টিকেটের হার্ড কপি (সফ্ট কপি থাকলে হার্ড কপি সাথে না রাখলেও চলে, তবে নিশ্চয়তার জন্য আমি রাখি) আর সেলফোন। আর থাকে দু'কোণের একটা চ্যাম্বারে ব্যাগের চাবি, যদি কখনো ব্যাগ খুলে দেখাতে বলে!
প্রথম পর্বের পর লম্বা অপেক্ষায় না রেখে ২য় পর্ব দেয়ায় অনেক ধন্যবাদ - খুশী হ'লাম! :)
এবারে বুঝলাম, মাত্র একটি রাতের ব্যাপার হলে হোটেলই বেশী সাশ্রয়ী। ওরা খুব খাতির যত্ন করে রাখে, সময়মত গাড়ীতে করে পৌঁছে দিয়ে যায়।
এ সিরিজের আগের পর্বে আপনার মন্তব্যের সূত্র ধরে তিনটে প্রতিমন্তব্য করেছিলাম। আশাকরি, পড়ে দেখেছেন।

৮| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: চলুক, সাথে আছি

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আশাকরি, একবার সময় করে প্রথম পর্বটাও পড়ে নেবেন।

৯| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮

মা.হাসান বলেছেন: মূল ছবি অনেক ছোট ছিল। এখানে বেমানান বড় হয়ে সৌন্দর্য নষ্ট করছে এর জন্য দুঃখিত। ছবির আকার কি হবে ব্লগে পোস্ট করার আগে বোঝার ব্যবস্থা থাকলে এটা এড়াতে পারতাম।

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: কোন ব্যাপার না। :)
কষ্ট করে ছবি তুলে পোস্ট করেছেন, এজন্য অশেষ ধন্যবাদ।

১০| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮

ইসমত বলেছেন: বরাবরের মতো সাবলীল বর্ণনা, মনে হচ্ছিল আমিও সাথেই ছিলাম; আমার সামনেই যেন সব ঘটছে।

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: ওরে বাবা! এ যে দেখছি এ ব্লগের একজন প্রিমিটিভ ব্লগার আমার পোস্টে এসেছেন! ১৩ বছর ৪ মাস ধরে আপনি এখানে ব্লগিং করে চলেছেন, কতই না সমৃদ্ধ আপনার সঞ্চয়ের ঝুলি!
বরাবরের মতো সাবলীল বর্ণনা, মনে হচ্ছিল আমিও সাথেই ছিলাম; আমার সামনেই যেন সব ঘটছে। - খুবই খুশী হ'লাম আপনার মত একজন পুরনো ব্লগারের কাছ থেকে এমন এ্যাপ্রিসিয়েশন পেয়ে।
বরাবরের মতো --- তার মানে আপনি আমার লেখার সাথে পরিচিত? আগেও দু'চারটে পোস্ট পড়েছেন?
ধন্যবাদ, মন্তব্যের জন্য।

১১| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


তাড়াহুড়োর সময়ই ভুলভ্রান্তিগুলো ঘটতে থাকে

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: তাড়াহুড়োর সময়ই ভুলভ্রান্তিগুলো ঘটতে থাকে - একদম ঠিক কথা!
আর তারপরে যদি কিছু ক্যাটালিস্ট কাজ করে, তাহলে তো কোন কথাই নেই! এ গল্পে পুলিশের হুইসেল বাজিয়ে উবার চালককে সামনে খেদিয়ে দেয়াটা বিভ্রম ঘটাতে ক্যাটালিস্ট এর কাজ করেছিল।

১২| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪১

নীলপরি বলেছেন: ভালো লাগলো উপস্থাপনা । ভ্রমণ কাহিনীতে সাসপেন্স র‌য়ে গেলো ।
শুভকামনা

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: ছোট্ট করে লেখা এ সত্য ঘটনাটি আপনার ভাল লেগেছে জেনে প্রীত হ'লাম।
ভ্রমণ কাহিনীতে সাসপেন্স র‌য়ে গেলো - একটু সাসপেন্স ইচ্ছে করেই রেখে দিচ্ছি। তা না হলে আমি যে কী বিপদে পড়েছিলাম, সেটা আপনারা টেরও পেতেন না। আর কাহিনীতে যে কিছুটা সাসপেন্স এবং অনিশ্চয়তা থাকবে, তা হয়তো শিরোনামটি থেকেই আঁচ করা যায়।
আপনি কাহিনীটি পড়ে যাচ্ছেন এবং মন্তব্য করে যাচ্ছেন, সেজন্য অশেষ ধন্যবাদ।
প্লাসে অনুপ্রাণিত।

১৩| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৫

করুণাধারা বলেছেন: আপনি মনে হয় নিজে যে উৎকণ্ঠার সময় পার করেছেন, আমাদেরকেও সেই উৎকণ্ঠা অনুভব করাতে চাইছেন!! নাইলে আরেকটু বেশি পোস্ট করতেন, লিখে ফেলেছেন তো সেই ১ মাস আগে ১১ই মে।

উৎকন্ঠিত হয়ে অপেক্ষায় রইলাম।

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি মনে হয় নিজে যে উৎকণ্ঠার সময় পার করেছেন, আমাদেরকেও সেই উৎকণ্ঠা অনুভব করাতে চাইছেন!! - কথাটি একেবারে মিথ্যে বলেন নি। কেন, তা উপরের প্রতিমন্তব্যে বলেছি।
নাইলে আরেকটু বেশি পোস্ট করতেন - আমার লেখাগুলো, কবিতা বাদে, সাধারণতঃ একটু দীর্ঘই হয়ে থাকে। ১১০০ থেকে ১৫০০ শব্দের মধ্যে আমি আমার পোস্টকে সীমিত রাখার চেষ্টা করি। দৈর্ঘের কারণে পাঠকেরা অনেক সময় আমার লেখা এড়িয়ে চলেন, তা আমি বেশ বুঝতে পারি। সময়ের ব্যাপ্তি অনুযায়ী প্রথম পর্বের তুলনায় এ পর্বটি অধিক সংখ্যায় পঠিত, ন্যূনতর শব্দসংখ্যা এর অন্যতম কারণ।
সুলেখক যারা, তারা অল্প কথায় অনেক কিছু প্রকাশ করতে পারেন। আমি যখন নিজের পোস্ট পড়তে বসি, তখন আমার নিজের চোখেই ধরা পড়ে, কোথায় কোথায় লেখাকে সংকুচিত করতে পারতাম। তবুও আমি তা করি না। কারণ আমি মূলতঃ লেখকের চেয়ে বেশী একজন কথক। পাঠকের উদ্দেশ্যে বলা গল্পকে আমি শব্দের কৃচ্ছতায় আবদ্ধ করতে চাই না।
আর সাসপেন্সের বিষয়ে বলতে পারি, মাঝে মাঝে আমার কলম একটা নির্দ্দিষ্ট জায়গায় এসে থেমে যায়। আমি কলমের হুকুমকে মান্য করি। শব্দ সংখ্যা বাড়াতে কলমের সাথে কখনোই যুদ্ধ করি না। এ পর্বে কলমটা এখানেই এসে থেমে গিয়েছিল, তাই ব্রাকেটে অকপটে স্বীকার করেছি, এটা একটা "অল্প কথার পোস্ট"!
আপনার মন্তব্যটাও অল্প কথার হলেও, ভাল লেগেছে। আর বলাই বাহুল্য, প্লাসেও অনুপ্রাণিত।

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:২২

খায়রুল আহসান বলেছেন: লিখে ফেলেছেন তো সেই ১ মাস আগে ১১ই মে। - সফর শেষ করে ০৭ ম৩ ২০১৯ তারিখে বাড়ী ফিরে এসেছিলাম। ১১ই মে তে সুযোগ পাই একটু সময় নিয়ে ল্যাপটপে বসার। এক দিনেই প্রথম চারটি পর্ব ভাগ ভাগ করে লিখে ফেলেছিলাম- সকালে, যোহরের পরে, আসরের পরে আর তারাবীর পরে।

১৪| ১২ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: শেষের লাইনগুলো খুব টানটান আর উত্তেজনার সাথে পড়লুম,খুব আকর্ষন ছিলো,তবে আজকেই শেষ করলে ভালো হত। ব্যস্ততার কোলাহলে পূর্ণ আমার চারিপাশ,সেখান থেকে ভের হওয়া অনেক কষ্টের,২৩ বছর বয়সে অনেক দায়িত্ব, দায়িত্বের কারনে পড়ালেখা থেকে প্রবঞ্চিত হতে হয়েছে। দোয়া করবেন, আমার সাহিত্য সাধনা যেন শেষ পর্যন্ত রূপ পায়। অল্প কথা বলতে গিয়ে অনেক কথা বলে ফেলছি। শুভকামনা জানিবেন আগামী পর্বের জন্য,দেখা হবে আবার আমাদের আগামী পর্বে।

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:২৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: ২৩ বছর বয়সে অনেক দায়িত্ব, দায়িত্বের কারনে পড়ালেখা থেকে প্রবঞ্চিত হতে হয়েছে। দোয়া করবেন, আমার সাহিত্য সাধনা যেন শেষ পর্যন্ত রূপ পায় - এ কথাটা জেনে আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা অনেক বেড়ে গেল।
আমার মতে, মানুষের জীবনে ২৩ বছরের সময়টা খুবই ইম্পরট্যান্ট। আমি যখন কলেজের ছাত্র ছিলাম, তখন আমাদের ইংরেজী সিলেবাসে একটা কবিতা ছিল- On His Having Arrived At The Age Of Twenty Three। আমার বয়স যখন ২৩ বছর হলো, তখন আমি কবিতাটিকে এবং কবিকে খুব করে স্মরণ করতাম।
আপনার জন্য আন্তরিক শুভকামনা রইলো।

১৫| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: রেস্পেক্টেড স্যার,

অভিজ্ঞতাটি যেদিন প্রথম ফেসবুকে পড়েছিলাম সেদিন ঘটনা যতটা এগিয়েছে ততই ব্যাগটিকে অভিশপ্ত কালো ব্যাগ বলেই মনে হচ্ছিল। আশঙ্কা হচ্ছিল যে কাশ্মীর সফরটিই না শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায়। তবে আজ যেহেতু গল্পের পরবর্তী অংশটি জানা থাকায় টেনশন না হলেও বেশ মজা পেলাম।মজা পেলাম চূড়ান্ত টেনশনের সময় আপনার হৃদপিণ্ডের কম্পমকে নিয়ে সুন্দর উপস্থাপনে। কাশ্মীর ভ্রমণের এই অংশটুকুকে আমার মনে হয় আপনার হৃদয়ের 'ভয়ংকরতম সুন্দর' আখ্যা দেওয়া যেতেই পারে।
যাই হোক কাল ব্যাগের সন্ধানে আমরা বাবা আপনার সঙ্গে চললাম পরবর্তী পর্বে।
পোস্টে ষষ্ঠ লাইক।
মা.হাসান ভাইয়ের কালো ব্যাগটিও ভারী সুন্দর। যদিও আপনার লেদার ব্যাগটিও ছিল ভীষণ আরিস্টোক্রেসি।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আশঙ্কা হচ্ছিল যে কাশ্মীর সফরটিই না শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়ে যায় - বাতিল হবারই তো উপক্রম হয়েছিল। আল্লাহ'র অশেষ দয়ায় বেঁচে গেছি।
মন্তব্য এবং প্লাসের জন্য ধন্যবাদ।

১৬| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: একটু টাইপো হয়ে গেছে,
যাই হোক কালো(কাল) ব্যাগের সন্ধানে আমরা আবার(বাবা) আপনার সঙ্গে চললাম পরবর্তী পর্বে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: সমস্যা নেই। বুঝতে পেরেছি।

১৭| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: কলকাতায় একবার গিয়েছিলাম। আপনার ভ্রমণ কাহিনী পড়ে মনে হচ্ছে ভারতের আরো বেশ কিছু জায়গায় যাওয়া দরকার। সাধ আছে, সাধ্য নেই।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৪৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভারত একটি বিরাট দেশ। কয়েকবার সময় নিয়ে না ঘুরলে দেশটিকে মোটেই চেনা যাবে না।

১৮| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১১

রাকু হাসান বলেছেন:

করুণাধারা বলেছেন: আপনি মনে হয় নিজে যে উৎকণ্ঠার সময় পার করেছেন, আমাদেরকেও সেই উৎকণ্ঠা অনুভব করাতে চাইছেন!! নাইলে আরেকটু বেশি পোস্ট করতেন, লিখে ফেলেছেন তো সেই ১ মাস আগে ১১ই মে।

উৎকন্ঠিত হয়ে অপেক্ষায় রইলাম
---আমারও একই কথা । হুম সাথেই আছি । ছবিহীন ভ্রমণ ব্লগ কেমন জানি লাগে । ছবি হলে আরও ভালো হত । তবে আপনার উপস্থাপনা যেসবে প্রলেফ দিয়েছে ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্য এবং প্লাসের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
যথাস্থানে ছবি পাবেন। এখানে তো এক টেনশন ছাড়া আর অন্য কিছু দেখা বা ভাবার উপায় ছিল না।

১৯| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৩৮

বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম--------


ছবি চাই

১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্য এবং প্লাসের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ছবির ব্যাপারে উপরের প্রতিমন্তব্যে বলেছি।

২০| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১০:৫১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হুম সুখের কথা এই যে আপনার চেয়ে আমরা আর একটু ভালো অবস্থায় আছি ;)
আপনি উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তার পথ বেয়েছেন আর আমরা গল্প শুনছি ততখানি উৎসুক হয়ে কিন্তু নিঃশ্বাস ফেলে। ততক্ষণে আমরা জেনে গেছি যে শুরুটা যেমন ই হোক চমৎকার এক ভ্রমণ শেষে আপনি নিরাপদে ব্লগে ফিরেছেন।


লেখায় ভালোলাগা।

১৩ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি উৎকণ্ঠা আর অনিশ্চয়তার পথ বেয়েছেন আর আমরা গল্প শুনছি ততখানি উৎসুক হয়ে কিন্তু নিঃশ্বাস ফেলে। ততক্ষণে আমরা জেনে গেছি যে শুরুটা যেমন ই হোক চমৎকার এক ভ্রমণ শেষে আপনি নিরাপদে ব্লগে ফিরেছেন। - এ কথাটাই শুনতে চাচ্ছিলাম কোন পাঠকেও কাছ থেকে। আপনি বললেন, প্রীত হ'লাম।
প্লাসে অনুপ্রাণিত। সাথে থাকুন, আরো উৎকন্ঠা, অবশেষে অবসান!!!

২১| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১:৩৬

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: এই পর্বও ভাল লেগেছে। পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

১৩ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, সাথে থাকার জন্য এবং পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকার জন্য।
ভাল থাকুন, শুভকামনা....

২২| ১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৩:১৯

ওমেরা বলেছেন: ওহ্ কি ভয়ংকর উৎকন্ঠায় পার করা সময়টার চমৎকার বর্ণনা ! ভাল লাগল ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১:১৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: ওহ্ কি ভয়ংকর উৎকন্ঠায় পার করা সময়টার চমৎকার বর্ণনা ! ভাল লাগল - সুন্দর মন্তব্য, প্রীত হ'লাম।
প্লাসে অনুপ্রাণিত। আগামীকাল তৃতীয় পর্ব পাবেন।

২৩| ১৩ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৫:৫৩

হাবিব স্যার বলেছেন: ছবি থাকলে আরো ভালো লাগতো.........

১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: এই পোস্ট পড়ে কিসের ছবি দেখাড় ইচ্ছে আপনার মনে জেগেছে, হাবিব স্যার? - টার্মিনাল-১ থেকে টার্মিনাল-২ এর রাস্তাঘাটের ছবি, দিল্লী বিমান বন্দরের ছবি, নাকি আমাদের টেনশন আক্রান্ত মুখচ্ছবি?

২৪| ১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:০৯

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: পড়তে থাকুন, জবাব পেয়ে যাবেন।


ব্যাগ পেয়েছেন। মন তাইই বলছে।
পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি।

১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:২৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: সবুরে মেওয়া ফলে!

২৫| ১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৪৯

জুন বলেছেন: আপনি তো মনে হয় ব্যাগটা ফিরে পেয়েছিলেন খায়রুল আহসান, নাহলে এমন করে কখনোই লিখতে পারতেন না । আর এক মাস ধরে ভারতের ছটি জায়গা ঘুরে ফিরে আসবো দেশে, দিল্লী ট্রেন স্টেশনে আমাদের স্যুটকেস কেটে পাসপোর্টের ছোট ব্যাগ যা দশ মিনিটের জন্য রাখা হয়েছিল সেটা চুরি, তাতে ছিল ডলার আর ঢাকা ফেরত আসার কলকাতা ঢাকা প্লেনের টিকিট । ট্রেনের টিকিটগুলো শুধু পকেটে ছিল বলে কলকাতায় ফিরে আসতে পেরেছিলাম । তারপর যে কি অবর্ননীয় কষ্ট হয়েছিল ঢাকা ফিরতে তা বলাই বাহুল্য ।
আপনার লেখার সাথে রইলাম আমিও ।
+

১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনি তো মনে হয় ব্যাগটা ফিরে পেয়েছিলেন খায়রুল আহসান, নাহলে এমন করে কখনোই লিখতে পারতেন না -- :) :)
তারপর যে কি অবর্ননীয় কষ্ট হয়েছিল ঢাকা ফিরতে তা বলাই বাহুল্য - এমন একটা বিপদে পড়ার কথা চিন্তা করেই তো আমার মাথাটা যেন ঘুরছে! ভাইয়া এ পরিস্থিতি কিভাবে সামাল দিলেন, কে জানে!
আমার মনে হয় ভারতেও আমাদের এখানে যা যা করতে হয়, আপনাদের তাই করতে হয়েছিলঃ নিকটস্থ থানায় জিডি, হাই কমিশনে দরখাস্ত, তারপর অপেক্ষা আর অপেক্ষা... অবশেষে হাতে নতুন পাসপোর্ট অথবা ট্রাভেল পারমিট। পুরনো পাসপোর্টে অন্য কোন দেশের সচল ভিসা লাগানো থাকলে তো সেটাও গেল! কি দুঃসহ যন্ত্রণা।
পাসপোর্টের ছোট ব্যাগটা স্যুটকেসে রাখতে গেলেন কেন? :)

২৬| ১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৫৮

জুন বলেছেন: * চুরি হওয়া ব্যাগটিতে ছিল ডলার, ঢাকা ফেরত আসার কলকাতা ঢাকা প্লেনের টিকি ছাড়াও আমাদের তিনজনের পাসপোর্ট । বিদেশ বিভুই এ পাসপোর্ট হারানোর মত ভয়ংকর আর কিছুই হতে পারে না

২৭| ১৩ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: @আনমোনা,
আমার এ অল্প কথার, ছবিহীন পোস্টটিকে কে তার "প্রিয়" তালিকায় তুলে নিল, এটা বের করতে বেশ বেগ পেতে হলো কারণ আপনি এ পোস্টে কোন মন্তব্য করেন নি। আপনার ব্লগপাতা ঘুরে এসে দেখলাম, আপনি প্রায় পাঁচ মাস ধরে এ নামে এখানে ব্লগিং করছেন, কোন লেখা পোস্ট করেন নাই, কোন লেখায় মন্তব্য করেন নাই, সুতরাং কোন মন্তব্য পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। কিন্তু তার পরেও, আপনি এ ব্লগের মোট ১৬টি পোস্ট আপনার "প্রিয়" তালিকায় রেখেছেন, যার মধ্যে আমার এ পোস্টটি সর্বশেষ সংযোজন।
আমার এ মন্তব্যটি যদি আপনি কোন সময় পড়ে থাকেন, তবে আপনি এজন্য আমার আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানবেন। সেই সাথে অনুরোধ থাকলো, আপনিও কিছু একটা লিখুন!
এত অল্প কথার একটা পোস্ট কি কারণে আপনার "প্রিয়" তালিকায় গেল, সেটা জানা যাবে কি?

২৮| ১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৪০

নজসু বলেছেন:



আল্লাহ ভালো জানেন ব্যাগটা পেয়েছিলেন কিনা।
আগ্রহ সৃষ্টি হয়ে থাকলো।

ঢাকার মতো ওখানেও দেখছি জ্যাম জেলিতে গোবেচারা অবস্থায় পড়তে হয়। :-B

১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: আগ্রহ সৃষ্টি হয়ে থাকলো - আগ্রহটা আরেকটু ধরে রাখুন, অচিরেই আপনিও জানতে পারবেন! :)
দিল্লীর জ্যাম নাম করা জ্যাম!

২৯| ১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৫

নজসু বলেছেন:



আপনার মন্তব্যের সূত্র ধরে আমিও ব্লগার আনমোনার ব্লগ ঘুরে আসলাম।
উনার ব্লগে গিয়ে উনার প্রতি কৃতজ্ঞতায় আমার মনটাও ভরে গেলো।
কারণ, উনি আমারও একটি লেখা প্রিয় তালিকায় রেখেছেন।
আমিও এই পোষ্টের মাধ্যমে ব্লগার আনমোনাকে শুভেচ্ছা জানাই।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: আশাকরি, ব্লগার আনমোনা কোন একদিন আপনার এবং আমার শুভেচ্ছাবার্তাটি পেয়ে যাবেন।

৩০| ১৩ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৫

জুন বলেছেন: ছোট ব্যাগটা কেন রাখতে গেলাম সে এক ইতিহাস খায়রুল আহসান। এক মাসের ট্যুরে ভারত। প্রথমে গেলাম সিমলা কুলু মানালী চন্ডীগড়। সেখান থেকে ফিরে এসে শীতের কাপড় ভরা দুই সুটকেস স্টেশনের ক্লোক রুমে রেখে হালকা কাপড় নিয়ে গেলাম আগ্রা জয়পুর আজমীর। সেখান থেকে ফিরে এসে সব সুটকেস আর ব্যাগ হলো সাত। ছেলে তখন ছোট বছর সাতেকের, তাকে ধরে রাখতে হবে যাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য উঠেছিলাম স্টেশের রিটায়ারিং রুমে। ট্রেনের টিকিট অনেক আগেই কাটা ছিল। আপনার ভাই এর হাতে সারা মাস জুড়ে সেই হ্যান্ড ব্যাগ যাতে পাসপোর্ট সহ দরকারী জিনিস। একটা কুলী ডেকে আনলো মাল প্লাটফর্ম এ নিতে। তার আগে সুটকেসে ব্যাগটা ভরলো ট্রেনে উঠে নিয়ে নিবে। কুলী নিয়ে এসে তার সামনে আমাকে তিনবার জিজ্ঞেস করলো পাসপোর্ট এর ব্যাগটা এখান থেকে বের করেছি কি না? তারপর ট্রনে উঠে কুলী আমাদের অপোজিটের বার্থে মালামাল সাজিয়ে রেখে আরো দশ টাকা বেশি দেয়ার জন্য হাসিমুখে জোর করছিলো। আমি দেখলাম পাশের কুপের বার্থে এক লোক উঠলো। ভাবলাম যাত্রী। কুলী নেমে গেলো ট্রেনও ছাড়লো। আমার স্বামী উঠে সুটকেস খুলে দেখে ওই ব্যাগটা নেই। আমাকে আবার জিজ্ঞেস করলো আমি নিয়েছি কি না। তারপরই দেখে সাইড কাটা। তারপর আপনি যা বললেন। তার উপর আমরা গিয়েছিলাম বনগা হয়ে। সেই বনগা গিয়ে আমাদের জিডি করতে হয়েছিল। একজন বলে দিয়েছিল যাতে দিল্লির কথা না বলি। তাহলে আমাদের দিল্লি যেতে হবে। তারপর বনগা সীমান্তের বড় বাবু মেজ বাবু আর ছোট বাবুর কাছে ঘুরতে ঘুরতে নাকের পানি চোখের পানি এক। অনেক আগে ঢুকেছি তাই ফাইল খুজে পাচ্ছে না। কি যে অবস্থা। রাতে কলকাতা ফিরে আসি। আল্লাহর অশেষ রহমত হাই কমিশনে ওর জুনিয়ার ফ্রেন্ডের বন্ধু ছিল। তারপর ও বেশ কিছু ছুটি থাকায় কাজটা শেষ হতে সময় লেগেছিল। ভারতের পাসপোর্ট অফিসের বড় বাবু যে আমাদের পারমিট দিবে উনি আমাদের বসিয়ে রেখে কি ভাবে জাতিসংঘে চাকরি পাওয়া যায় সে ব্যাপারে জানতে চাইলেন এক ঘন্টা ধরে। ছবি লাগবে সব বন্ধ পুজায়। শেষ পর্যন্ত আসতে পারলাম। এরপর আপনার ভাই অনেক বছর ইন্ডিয়া যেতে ভয় পেতো। এই হলো কেন রেখেছিলো সুটকেসে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:১৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: এমন বিপদে পড়লে মাথা ঠিক রাখা দায়। আপনার মন্তব্য পড়ে বুঝতে পারছি বড়ভাই আমার খুব ঠান্ডা মাথার লোক। তাই উনি এত বড় একটা ধাক্কা সামলে উঠতে পেরেছিলেন।

৩১| ১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১২

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,





একেবারে জায়গা মতো হার্ড ব্রেক করেছেন। পাঠকেরা ঝাঁকি খাবে অবশ্যই। ১ নং ২নং টার্মিনালের মতোই অনিশ্চয়তায় রাখলেন! ব্যাগটি পেলেই আবার আপনার সাথে সাথে রওয়ানা দেবো.............

(ব্যাগটি যে ফেরৎ পাবেন সে কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা কারন, পাওয়া না গেলে এই পোস্টের জন্মই হতোনা।)

১৪ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৪২

খায়রুল আহসান বলেছেন: ব্যাগটি যে ফেরৎ পাবেন সে কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা কারন, পাওয়া না গেলে এই পোস্টের জন্মই হতোনা - জ্বী, এটা জেনেও যে কাহিনীটা পড়ে যাচ্ছেন, মন্তব্য করে যাচ্ছেন, প্লাস দিয়ে যাচ্ছেন- এর সব কিছুর জন্যেই অশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

একেবারে জায়গা মতো হার্ড ব্রেক করেছেন - আপনার এ সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণে ভীষণ খুশী হ'লাম, আহমেদ জী এস

৩২| ১৫ ই জুন, ২০১৯ রাত ১:৩৭

নতুন নকিব বলেছেন:



চমৎকার একটি ভ্রমন সিরিজ!

শুভকামনা। +++

১৫ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:০৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। আশাকরি, আগামী পর্বগুলোতেও সাথে থাকবেন।
শুভেচ্ছা জানবেন।

৩৩| ২০ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩১

পুলক ঢালী বলেছেন: শ্বাসরুদ্ধকর, টেনশনিত। পরবর্ত্তী পর্ব পাঠের অপেক্ষায়, টেনশন সাসটেইন্ড তাই অল মন্তব্য পাঠ করাটা স্কিপ্ড। :D

২১ শে জুন, ২০১৯ রাত ৯:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: টেনশন সাসটেইন্ড তাই অল মন্তব্য পাঠ করাটা স্কিপ্ড - নাইস কমেন্ট, থ্যাঙ্কস!

৩৪| ১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩১

সোহানী বলেছেন: মা: হাসানের মতো আমি ও বলি সবসময়ই এরকম কিচু হাতে রাখবেন ভ্রমণে। আমি অলওয়েজ ক্রস ব্যাগ রাখি কারন আমার নিজেরেও ব্যাগ হারানোর বাতিক আছে। গত দুই সাপ্তাহ আগে আমি ফুড কোর্টে ব্যাগ রেখে চলেগেছি। এমন কি বাসার কাছাকাছি এসেও খেয়াল নেই। এবং ব্যাগে ভালোই টাকা পয়সা ছিল। তবে আমার ভাগ্য বরাবরই ভালো। ফুড কোর্টে আমার এক পুরাতন স্বল্প পরিচিত কলিগের দেখা পেয়েছিলাম। সম্ভবত সে খেয়াল করেছিল ব্যাগটা আমি চলে যাবার পর। তারপর সে সিকিউরিটিতে জমা দেয়। এরকম ব্যাগ হারায়ে ফেরত পাওয়া আমার সারাজীবনের সঙ্গী। তারপরও ঠিক হইনি................হাহাহা

যাক্, জী ভাইয়ের মতোই বুঝতে পারছি ব্যাগটা ঠিকই ফেরত পেয়েছেন নতুবা সিরিজটা এগোতো না। ;)

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: পুরনো পোস্টে এসে মন্তব্য করে যাবারর জন্য ধন্যবাদ।
মা. হাসান এর দেয়া মডেলের মত ওরকম আরো একটা ব্যাগ আমার কোমরে প্যাঁচানো ছিল। কিন্তু ওটুকুতে তো আর সবকিছু ধরে না। তাই কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আরো একটা কাঁধে ঝোলানো ব্যাগ ক্যারী করেছিলাম। ওটাই ভুলে ফ্লোরে রেখেই গাড়ীতে চড়েছিলাম, নিরাপত্তা রক্ষীদের হুইসেলের তাড়া খেয়ে।
আমি অলওয়েজ ক্রস ব্যাগ রাখি কারন আমার নিজেরেও ব্যাগ হারানোর বাতিক আছে - আমিও এখন থেকে সেটাই করবো বলে ঠিক করেছি। প্লেনে না ওঠা পর্যন্ত সেটা আর কাঁধ থেকে নামাবোই না!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.