নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।

খায়রুল আহসান

অবসরে আছি। কিছু কিছু লেখালেখির মাধ্যমে অবসর জীবনটাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছি। কিছু সমাজকল্যানমূলক কর্মকান্ডেও জড়িত আছি। মাঝে মাঝে এদিক সেদিকে ভ্রমণেও বের হই। জীবনে কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করিনি, এখন তো করার প্রশ্নই আসে না। জীবন যা দিয়েছে, তার জন্য স্রষ্টার কাছে ভক্তিভরে কৃতজ্ঞতা জানাই। যা কিছু চেয়েও পাইনি, এখন বুঝি, তা পাবার কথা ছিলনা। তাই না পাওয়ার কোন বেদনা নেই।

খায়রুল আহসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

হাইকুঃ এক এক করে (অনুবাদিত)

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:২০

অনুবাদিত হাইকুঃ এক এক করে

এক এক করে ওরা চলে যায়
আমার সবগুলো চড়ুই উড়ে যায়
আমার আকাশ নিঃসঙ্গ পড়ে রয়!

মূলঃ Susan Williams
অনুবাদঃ খায়রুল আহসান

কবি পরিচিতিঃ কবি Susan Williams একজন আমেরিকান সৌখিন কবি। তিনি ওয়াশিংটনের রিচল্যান্ডে বসবাস করেন।

মূল কবিতাটি (হাইকু) নিম্নে দেয়া হলোঃ

One by one

one by one they leave
all my sparrows fly away
lonely are my skies

By- Susan Williams

অনুবাদকের বক্তব্যঃ

সুসান উইলিয়ামস এ যুগের কোন নাম করা কবি নন। তিনি শখ করে কবিতা লিখে থাকেন, তবে প্রচুর কবিতা পড়েন। কোন কবিতা পাঠের পর তিনি যে মন্তব্য করে থাকেন, তাতে বোঝা যায় যে কবিতা সম্পর্কে তিনি ভাল জ্ঞান রাখেন। তিনি একটি ইংরেজী কবিতার ওয়েবসাইটে প্রায় নিয়মিতভাবে নিজের লেখা কবিতা প্রকাশ করেন এবং অন্যদের কবিতায় তার মন্তব্য রাখেন।

৫-৭-৫ ধ্বনিবিন্যাসে (সিল্যাবলসে) লিখিত এই ইংরেজী হাইকুটি হাইকু’র শর্তাবলী সঠিকভাবে পূরণ করেছে বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। ‘হাইকু’ সম্পর্কে সবাই জানেন, এ নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। তবুও, অতি সংক্ষেপে বুঝানোর জন্য আমার অনুজপ্রতিম বন্ধু টিটো মোস্তাফিজ (Tito Mostafiz) কর্তৃক সম্প্রতি প্রকাশিত তার একটি পোস্ট থেকে কিছু কথা উদ্ধৃত করা হলোঃ

“সপ্তদশ শতাব্দীতে জাপানী সাহিত্যে কবিতার ক্ষুদ্রতম রূপ হাইকুর উদ্ভব ঘটে। শিরোনামবিহীন এ কবিতায় তিনটি লাইন থাকে। প্রথম ও তৃতীয় লাইনে পাঁচ এবং দ্বিতীয় লাইনে সাত, মোট সতেরটি অক্ষর/মাত্রা/শব্দাংশ (Syllable or morae) নিয়ে হাইকু লেখা হয়। হাইকুর দুটি অংশ। কিগো আর কিরেজি। হাইকুর প্রথম লাইন কিংবা ‍তৃতীয় লাইনে সাধারণত কোনো ঋতু বা প্রকৃতির উল্লেখ থাকে। প্রকৃতি সম্পর্কিত এই এক লাইন কিগো। অন্য দুটি লাইন কিরেজি, যাতে হঠাৎ দেখা কিংবা অনুভবের কথা বলা হয়। কিগো এবং কিরেজির সম্পর্ক-সূত্রটি বৈপরীত্য কিংবা তুলনায়। এ দুটি অংশ একসাথে একটি দৃশ্যকল্প তৈরী করে”।

হাইকু লেখা তুলনামূলকভাবে সহজ বিধায় এটা বেশ জনপ্রিয়। জনপ্রিয়তা লাভের সাথে সাথে এর নিয়মাবলীও বিশ্বের বিভিন্ন ভাষা ও প্রকৃতির সাথে তাল মিলাতে গিয়ে যে যার মত অনেক শিথিল করে নিয়েছে। মূল জাপানী হাইকু প্রথাগতভাবে সাধারণতঃ এক লাইনেই লেখা হয়ে থাকে। শিরোনামহীন হবার কথা থাকলেও, অনেকে হাইকুতে শিরোনাম ব্যবহার করে থাকেন। জাপানী ভাষায় কোন বহুবচন নেই বিধায় হাইকু একবচনে লেখা হয়, কিন্তু অন্যরা বহুবচনও ব্যবহার করেন। তবে আরো কিছু মূল নিয়ম মানা হয়ে থাকে, যেমন হাইকু সবসময় ‘বর্তমান কাল’ এ লেখা হয়, অতীত বা ভবিষ্যৎ কালে নয়। হাইকুতে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহার করা হয় না, ইংরেজী হাইকুতে কোন ‘ক্যাপিটাল লেটার’ ব্যবহার করা হয়না, ইত্যাদি।

যে কারণে এ হাইকুটি অনুবাদকের ভাল লেগেছেঃ

হাইকুটি হাইকু’র শর্তাবলী পূরণ করা ছাড়াও এর অভ্যন্তরে একটি রূপক অর্থ তথা চিত্রকল্প অন্তর্নিহিত রয়েছে। প্রকৃতির মত মানুষের জীবনকেও চারটি কিংবা ছয়টি ‘ঋতুবৈচিত্রে’ ভাগ করা যায়। সে বিভাজন অনুযায়ী অনুবাদকের জীবনে এখন হেমন্তকাল, এ মুহূর্তে প্রকৃতিতেও তেমনি। এ সময়ে বাগান থেকে যেমন একে একে ‘চড়ুইগুলো’ উড়ে যায়, মানুষের জীবন থেকেও তেমনি একে একে বন্ধু এবং আত্মীয়স্বজনের বিদায় নেয়ার খবর আসতে থাকে। এ বিদায় কখনো লোকান্তরজনিত, কখনো স্থানান্তরজনিত (পরিযায়ী পাখির মত অভিবাসনে যাওয়া/থাকা)।

মাত্র গতকালই একদিনে আমি তিনজন প্রাক্তন সহকর্মীর ‘উড়ে যাবার’ খবর পেয়েছি। তাদের মধ্যে একজন বয়সে আমার সামান্য বড়, বাকী দু’জন সামান্য ছোট। এভাবেই একদিন পাখিহীন আকাশটাকে বড় ‘নিঃসঙ্গ’ মনে হয়। মাত্র তিনটি লাইনে প্রকৃতির সাথে মানব জীবনের সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি বাস্তব চিত্রকল্প এত সুন্দরভাবে আঁকা হয়েছে বলেই আমি এ ছোট্ট কবিতাটি অনুবাদে অনুপ্রাণিত হয়েছি।

ঢাকা
৩০ কার্ত্তিক ১৪২৭
১৫ নভেম্বর ২০২০

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৩১

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
তিন লাইনের হাইকু আর তার অনুবাদ ভাললেগেছে।

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: প্রথম মন্তব্য এবং প্রথম প্লাসের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
"তিন লাইনের হাইকু আর তার অনুবাদ ভাললেগেছে" - জেনে প্রীত হ'লাম। শুভকামনা....

২| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৪২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: খুব সুন্দর

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। প্রশংসায় এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।

৩| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৫৫

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: ছোট'র ভেতরে বড়'র বাস।
ভাল লাগল। আমার শুভেচ্ছা রইল।

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমার শুভেচ্ছা রইল - শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। অর্থপূর্ণ মন্তব্যে অনুপ্রাণিত।

৪| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আমার মাঝে মাঝে মনে হয় সময় হয়ে গেছে। যে কোনো দিন যে কোনো সময় অচীনপুর রেল স্টেশনের ট্রেন চলে আসবে - সহায় সম্বলহীনভাবে খালিহাতে ট্রেনে চেপে বসতে হবে। ওয়ান ওয়ে টিকেট।

আপনার কবিতা পড়ে মনের আদ্রতার কারণে মনের কথা লিখেছি মন্তব্যে। আমাদের সবাইকে চলে যেতে হবে, পৃথিবীতে আমাদের অস্থায়ী নিবাস মাত্র।


১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: সকলের জানা ধ্রুব সত্য এবং রূঢ় বাস্তব কথাটাই আপনি বলেছেন ঠাকুরমাহমুদ, তবুও আপনার মন্তব্যটা পড়ে আমারও মনটা আর্দ্র হয়ে গেল। যেভাবে লিখেছেন, সত্য হলেও সেভাবে ভাবতে কষ্ট হয়, যদিও এটাই চিরসত্য; কবিতায়ও সে কথাই বলা হয়েছে।

৫| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভাষা ও রূপকের মধ্য দিয়ে মানব মনের অনুভবতাকে প্রকাশ।

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনেক সুন্দর করে বলেছেন, ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
১০ নং মন্তব্য প্রসঙ্গে বলছি, 'হাইকু' আমারও তেমন ভাল লাগেনা। কবিতা লিখতে গিয়ে অঙ্ক কষতে মন চায় না। অথচ হাইকু, লিমেরিক, ইত্যাদি লিখতে গেলে সিল্যাবল এর উপর চোখ রাখতে হয়।
আমি এখনো পুরনো যুগের কবিতা পড়ি, আবৃত্তি করি। তবে আধুনিক কবিতাও বেশ পছন্দ করি।

৬| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:১৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সার্থক রূপকাশ্রিত লেখা।

১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: "সার্থক রূপকাশ্রিত লেখা" - এমন প্রশংসাবাক্য পেয়ে অনেক অনুপ্রাণিত হ'লাম, যদিও প্রশংসাটুকু মূল কবির'ই প্রাপ্য।
অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

৭| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:০৭

ফয়সাল রকি বলেছেন: বিষাদময় হাইকু।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: বিদায় বিষাদময়, নিঃসঙ্গতা নিরানন্দই হয়ে থাকে।

৮| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হাইকু সম্পর্কে বিশদে জেনে সমৃদ্ধ হলা‌ম।‌ আগে ভাসা ভাসা ধারণা ছিল।
পোস্টের শেষ প্রান্তে এসে জানলাম উড়াল দেওয়ার সময়ের প্রাসঙ্গিকতা।
জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে বাঁধা নেই। উপরওয়ালা যার যখন মনে করবেন ঠিক নিয়ে নেবেন। আপনি বিচক্ষণ বিদ্বজন। তবুও বলছি স্যার, "একজন সুখী মানুষ, স্রষ্টার অপার ক্ষমা ও করুণাধন্য, তাই স্রষ্টার প্রতি শ্রদ্ধাবনত।"চমৎকার উপলব্ধি যেখানে, সেখানে মনে কোন দুর্বলতা বিষণ্ণতাকে স্থান দেবেন না।
পোস্টে লাইক।
বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা স্যার আপনাকে।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: মিরোরডডল এর "সেই তুমি" পোস্টটা পড়ছিলাম। মাঝে মাঝেই সেটা পড়ি আর তার নির্বাচিত আইয়ব বাচ্চুর গানগুলো শুনি। একটু আগে বাচ্চু'র "উড়াল দেবো আকাশে" গানটা স্টার্ট করে আপনার মন্তব্যের উত্তর দিতে আসলাম। এটা ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচিত নয়, গানের ক্রমধারা অনুযায়ী গানটা সামনে এসে গেছে। এখানে এসে দেখি আপনিও সেই উড়াল দেয়ার কথা এখানে বলেছেনঃ "পোস্টের শেষ প্রান্তে এসে জানলাম উড়াল দেওয়ার সময়ের প্রাসঙ্গিকতা"

আগের প্রতিমন্তব্যটাতেই বলেছি, বিদায় বিষাদময়, নিঃসঙ্গতা নিরানন্দই হয়ে থাকে। প্রকৃতিতে যখন পাতা ঝরে, পাখি চলে যায়, তখন প্রকৃতি হরষ-বিষাদের চক্রধারায় বিষাদের প্রতীক হিসেবেই প্রতিভাত হয়। আবার, ইংরেজ কবি পি. বি. শেলী যেমন তার "Ode to the West Wind" কবিতায় বলেছেন, "শীত যদি এসেই পড়ে, বসন্ত কি দূরে থাকতে পারে"?- সেই চক্রধারায় আবার বসন্ত এসে পড়ে, আবার ফুল ফোটে, আবার পাখি গান গায়। তখন প্রকৃতি আনন্দের, প্রাণের, প্রেমের প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়। সুতরাং, কোন বিষণ্ণতাই স্থায়ী নয়, যেমন কোন প্রফুল্লতাও নয়। এ নিয়ে ভাববার কিছু নেই, মনটাকে প্রকৃতির সাথে সমন্বয় করে চললেই সব পরিস্থিতিই উপভোগ করা যায়।

আপনার আন্তরিক মন্তব্য এবং বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপনে অভিভূত হয়েছি। মন্তব্যে এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত।

৯| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: আজ বাংলা কার্তিক মাসের শেষ দিন নাকি?

হাইকু আমার ভালো লাগে। কিন্তু হাইকু লেখার ক্ষমতা আমার নেই।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২০

খায়রুল আহসান বলেছেন: জ্বী, গতকালই কার্ত্তিক মাসের শেষ দিনটি ছিল।
হাইকু লেখা কিন্তু কঠিন নয়। শুধু ধ্বনিমাত্রার দিকে একটু খেয়াল রাখতে হয়, এই যা। যেমনঃ
"কোজাগরী চাঁদ
আলো ঝলমল চারিধার
কাটে না আঁধার"

আমার পোস্টের হাইকু'র উপরল্লিখিত শর্তাবলীর সাথে মিলিয়ে দেখুন, মিলে গেছে! এটা অবশ্য আমার লেখা নয়। এটার লেখক আমার অনুজপ্রতিম বন্ধু টিটো মোস্তাফিজ।

১০| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৮

চাঁদগাজী বলেছেন:



একটা কথা বলতে ভুলে গেছি, হাইকু আমার ভালো লাগে না।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: জ্বী, উপরে ৫ নং প্রতিমন্তব্যে বলেছি, "'হাইকু' আমারও তেমন ভাল লাগেনা। কবিতা লিখতে গিয়ে অঙ্ক কষতে মন চায় না। অথচ হাইকু, লিমেরিক, ইত্যাদি লিখতে গেলে সিল্যাবল এর উপর চোখ রাখতে হয়।"
তুলনামূলকভাবে হাইকু'র চেয়ে বরং আমি লিমেরিক পছন্দ করি, কারণ লিমেরিকে হিউমার একটি প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। আর হিউমার কে না ভালবাসে?

১১| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৩

কালো যাদুকর বলেছেন: সুসানের কবিতা মাঝে মাঝে পড়ি। ভাল লাগে। হাইকু নিয়ে আরো পড়তে হবে। বেশ ইন্টারেসটিং।

সবাই একে একে চলে গেলেও, আমরা তো আছি। লোনলি ফিল করলেই ব্লগে চলে আসুন।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০১

খায়রুল আহসান বলেছেন: এখন তো ব্লগ নিয়েই ব্যস্ত থাকি দিনের অনেকটা সময়। ফেইসবুকের কয়েকটি সাহিত্য বিষয়ক গ্রুপেও থাকি, তবে তুলনামূলকভাবে অনেকটা কম সময় ধরে। ইংরেজী-বাংলা মিলিয়ে আরও ৪/৫টা সাহিত্য ও কবিতার ওয়েবসাইট ভিজিট করি প্রায় নিয়মিতভাবে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

১২| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৭

করুণাধারা বলেছেন: অল্প কটা শব্দে অনেক কথা বলা হয়ে গেল; যে কারণে আপনার ভালো লেগেছে আমারও সেই কারণেই ভালো লাগলো এই হাইকু। একে একে সব পাখি উড়ে যায়, শূন্য আকাশ পড়ে থাকে... সব পাখি ঘরে ফেরে, ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন...

সুসান উইলিয়ামসের লেখা আগে পড়িনি, আপনার সুন্দর অনুবাদের মাধ্যমে তার লেখার সাথে পরিচয় হলো। অনেক ধন্যবাদ।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: হাইকুটি ভাল লাগার সঠিক কারণটি আপনি ঠিকই ধরতে পেরেছেন।
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
রোযার মাসে ইনহেলার ব্যবহারে রোযা ভাংবে কিনা, এ বিষয়ক আপনার পোস্টের এক নম্বর লিঙ্কে দেয়া ভিডিওটি দেখলাম। আমি মুফতি সাহেবের সাথে সম্পূর্ণ একমত। ইনহেলার কখনো পান কিংবা আহার, কোনটারই বিকল্প হতে পারেনা।

১৩| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



হাইকোটির অনুবাদ প্রাণবন্ত হয়েছে ।
মুল হাইকোটি , এর রচয়িতা পরিচিতি,
এটি অনুবাদের পটভুমির বর্ণনা সাথে
হাইকোটির গুঢ় ভাবার্থের প্রকাশ বেশ
অনুপম ও হৃদয়গ্রাহী হয়েছে।

মাত্র ৫ দিন আগে আমার প্রিয় ছোট বোন
হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছে।
দু:খ ভারাক্রান্ত এ সময়ে সামুতে ডুকে এই
হাইকোটি পাঠে অশ্রু সম্বরন করতে পারিনি ।

ছোট্ট তবে অসীম ব্যপ্তিময় হাইকোটিকে
প্রিয়তে তুলে রাখলাম । এর মুল রচয়িতার
প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী ।

আপনার প্রতি রইল রইল শুভেচ্ছা ।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১১

খায়রুল আহসান বলেছেন: হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আপনার প্রিয় ছোট বোনের ইন্তেকালের খবরে খুবই মর্মাহত হ'লাম, আলী ভাই! আল্লাহ রাব্বুল 'আ-লামীন ওনাকে ক্ষমা করে দিন এবং জান্নাত নসীব করুন! এমন মর্মান্তিক সময়ে হাইকু'টি পড়ে আপনি অশ্রু সম্বরন করতে পারেননি, একথা জেনে নিদারুণ ব্যথিত বোধ করছি। কায়মনে প্রার্থনা করছি, আল্লাহ রাব্বুল 'আ-লামীন আপনাকে এ শোক সইবার তাওফিক দিন!

আমার এ পোস্টটি "প্রিয়তে" তুলে রাখার জন্য অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

১৪| ১৫ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,




বিষাদ মাখা হাইকুর মতোই অনুবাদক হিসেবে আপনার বক্তব্যের শেষটাও বিষাদময়।

আমিও একটু বিষাদের ছোঁয়া রেখে গেলুম ---

সাম ডে আই অলসো উইল লীভ
এ্যান্ড ওউন্ট আসক টু ফরগিভ-
মাই সিনস হুইচ আর ভেরী এলাইভ ।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫০

খায়রুল আহসান বলেছেন: বিষাদমাখা আপনার লাইন তিনটে অনবদ্য হয়েছে। মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

ইতোমধ্যে আপনার প্রথম বৈদেশ যাত্রা এবং সহযাত্রী গ্রেনেড ..... পোস্টটি পড়ে এলাম। দারুণ উত্তেজনায় ভরপুর আপনার জীবনের প্রথম ভ্রমন কাহিনীটি পড়ে আমি নিজেও বেশ উত্তেজনা বোধ করছিলাম। যাক, শেষে এসে গ্রেনেড কদবেলে রূপান্তরিত হওয়াতে স্বস্তি পেলাম।

১৫| ১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:০৬

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: গভীর ভাবার্থের কবিতা। মানুষের একাকীত্বের বয়ান।জীবনের পরিক্রমায় একসময় সবকিছুই হারিয়ে মানুষ অবশেষে একা হয়ে পড়ে।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: "জীবনের পরিক্রমায় একসময় সবকিছুই হারিয়ে মানুষ অবশেষে একা হয়ে পড়ে" - চমৎকার বলেছেন কথাটা।
প্রকৃতিতে যেমন ঋতুচক্র আছে, শীত-বসন্ত আছে, মানুষের জীবনেও তেমনি আনন্দ-বেদনা চক্রাকারে আবর্তিত হয়।
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
অনেক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

১৬| ১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:১৪

সোহানী বলেছেন: আমি কবিতার মানুষ না। কবিতা ভালোলাগে কিন্তু এ সম্পর্কে জানি কম তাই হাইকু ও আমার কাছে অজানা।

ভালো লাগলো আপনার অনুবাদ, ভালো লাগলো হাইকু সম্পর্কে জেনে। আর ভালো লাগলো একজন অখ্যাত কবির অনুভূতি ও সাথে আপনার।

চলে যাবো এটা জানি, এ নিয়ে দু:খ বা আক্ষেপ নেই। অনেকদিন বেচেঁ থাকার ও কোন ইচ্ছে নেই। কিন্তু নিজে বেচেঁ থেকে প্রিয় মানুষদের চলে যাওয়া দেখতে ভালো লাগে না।

জী এস ভাই এর কবিতায় ভালো লাগা।

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩০

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবিতার মানুষ না হয়েও আপনি আমার প্রায় সব কবিতাই পড়েছেন, মন্তব্য করেছেন, অনেকগুলোতেই প্লাস দিয়ে উৎসাহিত করেছেন, এটা আপনার বড় বদান্যতা ও উদারতা। এজন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আহমেদ জী এস এর কবিতার লাইন তিনটে সত্যিই অনবদ্য হয়েছে।

১৭| ১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:২০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
একে একে নিভেছে দেউটি
জীবন গেল খুঁজে মাকান আর রুটি
শেষ বেলায় শেষ মেলায়
নিজের বলে পেয়েছি হায়
পরে পাওয়া- বিশাল শুন্যতাটিই।।

পরম শুন্যতা জাগানিয়া হাইকু আর সংশ্লিষ্ট ভাবনার ছুঁয়ে যাওয়ার ফল . . .
অনুবাদে আর বিশ্লেষনে +++++++

১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্ট পাঠান্তে চমৎকারভাবে আপনার অনুভূতিগুলো শেয়ার করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।
কোভিড-১৯ টেস্টে আপনার রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় অনেক স্বস্তি পেলাম।
ভাল থাকুন, শুভকামনা....

১৮| ১৬ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩২

ধ্রুবক আলো বলেছেন: খুব সুন্দর

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২১

খায়রুল আহসান বলেছেন: মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
অনেক দিন পরে এলেন। কেমন আছেন?
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

১৯| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
পড়ে খুবই ভালো লেগেছে।

ভালো থাকবন সব সময়।
সু্স্থ থাকবেন সব সময়।

করোনার কারণে সম্ভবত এখন আর বিদেশে বেড়াতে যেতে পারছেন না।
অস্ট্রেলিয়াই ছিল আপনার শেষ ভ্রমণ।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৩৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: জ্বী, এ বছরের শুরুর তিনমাসে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউযীল্যান্ডেই ছিল আমার শেষ ভ্রমণ। যেদিন ফিরে আসি, তার পরদিন থেকেই অস্ট্রেলিয়াতেও লকডাউনের কারণে আকাশভ্রমণ নিষিদ্ধ হয়ে যায়, এবং বাংলাদেশেও, সামান্য ক'টি এয়ারলাইন্স বাদে। অস্ট্রেলিয়া ভ্রমণ নিয়ে আরো কয়েকটি পর্ব শুরু করার ইচ্ছে আছে, তবে সফরটি ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ছিল বিধায় চিত্রসহ এর বিশদ বিবরণ দেয়া অনেক সময় সম্ভব হয় না, পাঠকেরও তাতে আগ্রহ কম থাকে।
মন্তব্যে এবং প্লাসে প্রীত ও অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

২০| ১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৩২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




সাপ্তাহিক যায়যায়দিন এর কল্যানে কবি রফিক আজাদ সাহেবের সাথে আমার পরিচয় হয়। কবি রফিক আজাদ সাহেব এর একটি ছোট কবিতা লেখার আগ্রহ পাচ্ছি আপনার পোস্টে।

জীবন!
কাঁচের উপর চলতে হয়।


এই পাঁচ শব্দে তিনি কবিতা তৈরি করে সবাইকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি কি পারেন। সে এক বড় গল্প একদিন হয়তো পোস্ট দিবো। ব্লগার ডাব্বা’র পোস্টে আপনার মন্তব্য উত্তর দিয়েছি। এছাড়া গতকাল আমার একটি পোস্ট ছিলো আমরা তাজা শাক সবজি বলতে কি খাচ্ছি - পড়ে দেখতে পারেন।

১৭ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: কবি রফিক আজাদ এর মাত্র পাঁচ শব্দের কবিতাটি এখানে (মন্তব্যে) পোস্ট করার জন্য ধন্যবাদ।
"গতকাল আমার একটি পোস্ট ছিলো আমরা তাজা শাক সবজি বলতে কি খাচ্ছি - পড়ে দেখতে পারেন।" - পড়েছি এবং মন্তব্যও করেছি।

২১| ১৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২৩

মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন: চমৎকার হয়েছে। দারুণ ভালো লাগলো। শুভকামনা রইলো অবিরত হে সুপ্রিয়।

১৮ ই নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১২

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্টে আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। প্রশংসায় এবং প্লাসে প্রীত ও প্রাণিত হ'লাম।
আপনার জন্যেও অনেক শুভকামনা রইলো।

২২| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২১

রামিসা রোজা বলেছেন:

এতো সুন্দর একটি অনুবাদ কিভাবে যে মিস করলাম
মাঝেমধ্যে মনে হয় পাখিদের সাথে কি আমাদের কোথায়
যেনো মিল খুজে পাই নিঃসঙ্গতায় না মৃত্যুতে ?
বিষন্ন মনেও তারপরও অনেক ভালোলাগা +++

২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: 'মাঝেমধ্যে মনে হয় পাখিদের সাথে কি আমাদের কোথায় যেনো মিল খুজে পাই' - পাখিরা মানুষের চেয়ে সুখী বলে মনে হয় আমার কাছে।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনেক অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা....

২৩| ২৪ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৪

ঢুকিচেপা বলেছেন: হাইকু বিষয়ে কিছুই জানতাম না।
তিন লাইনের হাইকু লিখতে যে নিয়ম মানতে হয়, ব্যাপারটা দারুণ।

২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

খায়রুল আহসান বলেছেন: জ্বী, মাত্র তিন লাইনের হাইকু লিখতে গিয়েও অনেক নিয়ম কানুনের কথা মনে রাখতে হয়।
মন্তব্যে এবং প্লাসে অনেক অনুপ্রাণিত হ'লাম।
ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা....

২৪| ২৭ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ব্লগার রাজীব নুরের “নীলা” পোস্টে আপনার মন্তব্য পড়ে অত্যন্ত দুঃখ পেয়ে একটি মন্তব্য করেছি অনুগ্রহ করে পড়বেন।

২৮ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৫৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: পড়েছি।
আপনার অনুভূতি প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ।
আপনি ঠিকই বলেছেন, মন্তব্যটা একটা পোস্ট হতে পারতো। দেখি, সময় পেলে আগামীতে সেটাকে নিয়ে একটা পোস্ট লেখার ইচ্ছে আছে, চেষ্টা করবো।

২৫| ২৮ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৮:৩৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
স্যার,
কবিতা নিয়ে একটি সাধারণ আলোচনা যদি করতেন।
যেমন কবিতা কী? কিভাবে লিখতে হয় ? ছন্দ ইত্যাদি জিনিস গুলো।

আমরা অনেকেই কবিতা বুঝি না বলেই হয়তো পড়তে ভালো লাগে না। ব্লগে এত কবিতা আসে। পড়ে দেখা হয়নি ।
কারণ বুঝতে পারিনা কবিতার মাধ্যমে কবি মহোদয় কি বলতে চেয়েছেন।

আপনি যদি সুন্দর একটি আলোচনার মাধ্যমে সহজ-সরল ভাবে বিষয়টা তুলে ধরতেন অনেক উপকার হত।

২৯ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: এসব বিষয়ের উপর আলোচনা করার মত যোগ্যতা আমার নেই। হঠাৎ হঠাৎ করে মনে কিছু কথা আসে, ভাবের উদয় হয়- সেসবই এখানে সেখানে লিখে রাখি, জানিনা সেগুলোর কোনটা কবিতা হয় কিনা।

এ নিয়ে আলোচনা করার মত জ্ঞান গরিমা আছে কবি সোনাবীজ এর, আহমেদ জী এস এর এবং আরও অনেক বিদগ্ধ কবির। যতদূর মনে পড়ে, কবিতা নিয়ে সোনাবীজ এর বেশ কয়েকটি পোস্ট এ ব্লগেই রয়েছে, যা পাঠ করে আগ্রহী পাঠকেরা উপকৃত হতে পারেন। এ ছাড়া, কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এর "কবিতার ক্লাস" নামে একটি উচ্চমানের বই রয়েছে, ছন্দ বিষয়ক জ্ঞানার্জনের জন্য যা অনেকে পাঠ করে থাকেন।

কবিতা বোঝার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.