নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

“কলিমদ্দিকে আবার দেখা যায় ষোলই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাজারের চা স্টলে। তার সঙ্গীরা সবাই মুক্তি, সে-ই শুধু তার পুরনো সরকারি পোশাকে সকলের পরিচিত কলিমদ্দি দফাদার।”

কলিমুদ্দি দফাদার

“ঘুরছি আমি কোন প্রেমের ই ঘুর্নিপাকে, ইশারাতে শিষ দিয়ে কে ডাকে যে আমাকে”

কলিমুদ্দি দফাদার › বিস্তারিত পোস্টঃ

ক্যাডিলাক এন্ড ডায়নোসরস....

০১ লা আগস্ট, ২০২৫ বিকাল ৪:৩৭



ক্যাডিলাক এন্ড ডায়নোসর; একসময়ের জনপ্রিয় একটি আর্কেড গেম। বাংলাদেশের অবশ্য বেশি পরিচিত "মোস্তফা" গেম হিসেবে। ১৯৯৩ সালে জাপানিজ নামকরা গেমিং কোম্পানি কেপকম এটি রিলিজ করে। একটি কমিক সিরিজের কাহিনীর উপর বেস করে গেমটি ডেপেলপ করা হয়। ৭০-৮০ দশক আর্কেড গেমের স্বর্নযুগ হলে ও ৯০ দশকে ক্যাডিলাক এন্ড ডাইনোসর,‌ স্টিট ফাইটার মত গেমগুলোর উত্তাপ সারাবিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। এটি রিলিজের সাথে সাথে বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাজারো গেমস প্রেমিদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠে। মুলত গ্রাফিক, সাউন্ড কোয়ালিটি, স্টোরি টেলিং ছিল গেমটি জনপ্রিয় হয়ে উঠার অন্যতম প্রধান কারন। আমার বাসায় একটা টিভি গেমস ছিল জাপানি সেগা জেনেসিসের। মারিও, টেংকিয়া, নেস জেপার এর মত গেম গুলো টিভিতে বসে খেলতাম‌; বেশি খেইলা অবশ্য এইটা নষ্ট কইরা ফেলি। কয়েক বছর পর আমার বড় ভাই কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার পড়ার সুবাধে বাসায় পিসি চলে আসে। তো অফ লাইন এমন কোন গেম নাই মনে হয় খেলা হয় নাই।

যাদের জন্মা ৮০-৯০ দশকে এ তাঁদের কাছে এই গেমের স্মৃতি অমলীন। বাংলাদেশের প্রতিটি পড়া-মহল্লায় অলিতে গলিতে ছোট টিভি গেমসের দোকানে হাজারো কিশোরের হাতে খড়ি 'মোস্তফা' গেম দিয়ে। মোটামোটি ২০০৮-২০০৯ পর্যন্ত আর্কেড গেমগুলো বাংলাদেশে টিকে ছিল। সাইবার ক্যাফেতে উত্থান, মোবাইল ফোন গেমের জনপ্রিয়তা আস্তে আস্তে আর্কেড গেম গুলো হারিয়ে যায়। আর বিশ্বব্যাপী পিএস, এক্স বক্স কনসোল গেমিং দিকে ঝুঁকে পড়ে। কেপকম সিরিজের "স্ট্রিট ফাইটার" এখন অবধি অন্যতম জনপ্রিয় একটি গেম; যার নিউ ভার্সন টি সর্বশেষ ২০২২ বের হয়। আর্কেড বা পুরানো গেমগুলো এখনো গেম প্রেমীরা সংগ্রহে রাখেন। বর্তমানে সারাবিশ্ব গেম ইন্ডাস্ট্রির ভেলু ৩০০ বিলিয়ন ডলারের। নানা রকম গেম নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয় যার‌ প্রাইজমানি থাকে চোখ কপালে উঠার মত।
জনপ্রিয় একটি গেম সিরিজ জিটিএ ৬ এর গ্রাফিক এন্ড মার্কেটিং খরচ করা হয়েছে ২ বিলিয়ন‌ ডলারের মত।

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:০৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: Mustafa mustafa
don't worry mustafa
Hum hain tumhaare, mustafa.

কয়েন দিয়ে খেলতে হতো । আমি ভাইস সিটি আর ফিফা খেলতাম। পরে বুলু হোয়েল , পাবজি , এসব খেলেছি । :-B

০১ লা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৫২

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: ব্লু হোয়েল তো শুনেছি সাংঘাতিক গেম!!!
করোনার সময় আর আগের এক বছর আমি ও অনেক পাবজি খেলছি।
এখন আপডেট আসার পর আর ভাল লাগে না।

২| ০১ লা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:১৫

শায়মা বলেছেন: আমিও একটা সময় ভিডিও গেম খেলতাম ভাইয়া। :) লায়ন কিং খেলতে খেলতে টেবিল ভেঙ্গে পড়েছিলাম লায়নের সাথে লাফ দিয়ে হা হা

০১ লা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৫৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: হা! হা্! হা! লাইন কিং বেশ মজার গেম। এই ধাঁচের আরো কিছু গেম আছে।
হায় হায় তুমি যে আপু গেম প্রমি টেবিল ভেংগে পড়ছো? :P

৩| ০১ লা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:১৪

শায়মা বলেছেন: আরও খেলেছি ডুম ২ কিংবা ৩
প্রিন্স অব পারসিয়া
প্যারানয়েড না কি যেন একটা গেম ছিলো সে অনেকদিন আগের কথা। বল ভাঙ্গতে হত......

০১ লা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৩৫

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: আপু কি ড্রিঙ্কস বল গেমের কথা বল্লা?
হ্যাঁ এইটা অনেক জনপ্রিয় ছিল।
ডুমের নাম শুনি নাই,
প্রিন্স অফ পার্সিয়া, টারজান, মাংনকি সুইমার
মজার গেম।

০১ লা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৩৮

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: আপু তুমি হারমনি ছাড়া আর কিছু বাজাও?
রবীন্দ্র, নজরুল,‌ লোকজ, দেশাত্মবোধক কি গান করো বেশি?

৪| ০১ লা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৫৫

শায়মা বলেছেন: আমি তানপুরা হারমোনিয়ান আর তবলা শিখেছিলাম ছোটবেলায় আর বুড়াবেলায় কিবোর্ড আর স্টিল গিটার স্কুলে যাই....... হা হা

আমি মেইনলি রবীন্দ্র সঙ্গীত গাই তবে দেশাত্ববোধক, লোকজও গাই। নজরুল কম কম মানে বলতে গেলে গাই না কারণ এত গলায় জোর নেই হা হা

০১ লা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১০:১৯

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: তানপুরা! ওয়াও‌! দারুন।
ইন্ডিয়ান একটা ছেলে দারুন বাজায় নাম রিসাব! শুনেছো কিনা জানিনা?
শ্রী রবি শংকরের থেকে শেষ ছাত্র।

রবীন্দ্রসঙ্গীত ভাল। অষ্ট্রেলিয়া যেহেতু আছো অপেরাটা শিখে ফেলো। :-P

৫| ০১ লা আগস্ট, ২০২৫ রাত ৯:৩০

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: অনেক কিছু মনে পড়ে যাচ্ছে। স্কুল ফাঁকি দিয়ে এলাকার বাজারে এই গেইম খেলতে গিয়ে মা'র হাতে ধরে পড়ে আমি বেদম মার খেয়েছিলাম। ভাবতে গেলে এখনো পিঠে ব্যাথা করে :(( । এক সময় কসাই ও পরে ব্লেড বস-কে ভীষণ অপছন্দ করতাম। এখন খেলা শিখে গেছি B-) । এখন আমার ছেলেও অনলাইনে "ব্রলহাল্লা" খেলে :P । আমার কাছে গেইমটা এখনো আছে। অনেকদিন অবশ্য খেলা হয় নি। স্মৃতিচারণমূলক পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

০১ লা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১১:৫৭

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: স্কুল ফাঁকি দিয়ে এলাকার বাজারে এই গেইম খেলতে গিয়ে মা'র হাতে ধরে পড়ে আমি বেদম মার খেয়েছিলাম।
হা হা হা! এমন কম বেশি মজার স্মৃতি সবার ই আছে। আমার এক বন্ধুকে স্কুল স্যার কান ধরে দোকান থেকে নিয়ে আসছে। Old is gold। এক কয়েন ব্লেড এর পর পিচ্চি বস পর্যন্ত যেতে পারতাম। :-P কসাই কে মেস দিয়ে বাটে ধরতাম। কম্পিউটার আসার পর আর কয়েন নিয়ে ভাবি নাই; প্রতিদিন ১ বার গেম ওভারে করতাম।

আমার কাছে একটা রেট্রো পকেট মিনি আছে; কোথাও ট্রাভেল গেলে খেলি। কিন্তু শৈশবের সেই অনুভূতি এখন আর আসে না।

৬| ০২ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:০৬

লোকমানুষ বলেছেন: ঐ সময়ে গেমসের ঐ দোকান গুলোতে যারা যেতো, তাদের সবাইকে মোটাদাগে 'স্কুল পলাতক' ধরে নেয়া হতো। গেম খেলে যদিও খুব সুবিধা করতে পারতাম না। কিন্তু বন্ধুদের খেলতে দেখতে দারুন আনন্দ লাগত। মাঝে-মাঝে তাদেরকে নিজের কয়েন দিয়ে দিতাম খেলা দেখার জন্য :P
অষ্টম শ্রেনীতে অধ্যায়ন কালে এক সহপাঠীকে পেলাম, যার বাবার এই গেমসের দোকান ছিল। হাফ-ডে গুলোতে আমরা কয়েকজন মিলে ওদের দোকানে চলে যেতাম। সাধারণত প্রতি কয়েন ২টাকা করে হলেও, দোকান কর্মচারীকে বন্ধুর পরিচয় দিলে ১০ টাকার বিনিময়ে আমাদের ৬টি করে কয়েন দিতো :#)
ডবল-ড্রাগন, দ্যা কিং অফ দা ফাইটারস ৯৭/৯৮, স্ট্রিট ফাইটার, ১৯৪২(ফাইটার জেট), প্যাকম্যান, মর্টাল কমব্যাট এমন আরও বেশ কিছু গেম‍্‍স তখন খুব জনপ্রিয় ছিল।

০২ রা আগস্ট, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:৫৯

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: ওয়াও! যা লিখেছেন সবটুকু ইং সত্য! বুঝলাম আপনি ও পুরান‌ পাপী ;)
হ্যাঁ গেমসের দোকানে গুলোতে কিং অফ ফাইটার, স্টিট ফাইটার গেম গুলোতে অনেক কম্পিটিশন হতো।
এত ভাল ভাল প্লেয়ার, হাতের মুভমেন্ট, পাওয়ার ছাড়ার টাইমিং এতো ভাল যে
এক কয়েক দিয়ে টিকে থাকা দায়। :D

নিউ গিউ আর কেপকম সিরিজের গেম গুলো বেশি চালাইতো। ফাইনাল ফাইট, কেপটিন কমান্ডো, মেটাল প্লাগ ও ভাল চলতো।
আপনাল ব্লগিং আইডি থেকে আমাকে প্রথম মন্তব্য করায় আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সাথে এত সুন্দর মন্তব্যের জন্যে।

৭| ০২ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১০:২৮

লোকমানুষ বলেছেন: পুরাণ পাপী বলায় মনে পড়লো :P
এক বন্ধু ছিল (সহপাঠী নয়), দ্যা কিংস অফ ফাইটারস গেমে যার 'রবার্ট' কে ছাড়া চলতো না। বহু ম্যাচ কেবল সে এই একটি প্লেয়ার দিয়েই জয় করেছে। কিন্তু সমস্যা হল, তার জাত ততদিনে গেম ব্যাবসায়ীরা বুঝে গেছে। তাই তার কাছে দ্যা কিংস অফ ফাইটারস এর জন্য কয়েন দিতে চাইতো না। পাশাপাশি দুটো দোকান, নিজেদের মাঝে বোঝাপড়া যেমনই হোক, এই একটি ব্যাপারে তাদের সিদ্ধান্ত এক স্থানে মিলিত হয়েছিল =p~
তো তার জন্য আমরা নিজেরা কয়েন পুশ করতাম, তারপর প্লেয়ার চ্যুজ করে প্রথম কয়েক সেকেন্ড কন্ট্রোলার হাতে রাখতাম, তারপর সুযোগ বুঝে ঐ বন্ধুর কাছে কন্ট্রোলার বুঝিয়ে দিতাম। :#)

গেম ব্যাবসায়ীরা ব্যাপারটা বুঝতো, কিন্তু তা নিয়ে খুব গোলমাল করত না। তবে ২টি ম্যাচের বেশিও খেলতে দিতো না, মেশিন বন্ধ করে দিতো। তাদের কাছে ঐ বন্ধুর পরিচয় ছিল 'পুরান পাপী' =p~ =p~ =p~

০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ রাত ১২:৫৮

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: কিংস অফ ফাইটারে মনে হয় তিনটা প্লেয়ার নিয়ে খেলতে হতো। যতদূর মনে পড়ে লরি, কাইয়ূ ছিল সবার ফেভারিট। আর বাকি কেউ গলায় বল ঝুলানো আসামি বা পিচ্চি মানংকি কোন একটা নিয়া নিত। গেমসের দোকানের খেলায় এত পাওয়ার ইউজ হয় যে এক কয়েনে গেম ওভার করে, যেইটা আবার কম্পিউটারে জয়েস্টিক ছাড়া সম্ভব না।

আর হ্যাঁ! কিছু চামার দোকানদার ছিল! যেমন মোস্তফায় ২০ ইউজ করতে দিত না; বস আসলে বাঁটে ধরতে দিত না, এক কয়েন এ পিচ্চি বস এর খেলতে দিতে না। আবার ফাইটিং গেম গুলোতে কি জেন করে রাখতো যাতে ২-৩ টা ঘুষিতেই লাইফ শেষ।

৮| ০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ ভোর ৪:০২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



যথার্থ বলেছেন । কেডি লাক গেমিং একটি প্রিমিয়াম কোয়ালিটির, হাই-পারফরম্যান্স গেমিং সল্যুশন, যা জাপানি
প্রযুক্তির নিখুঁততা ও নান্দনিকতার প্রমাণ রাখে। যারা একটি দীর্ঘমেয়াদী, নির্ভরযোগ্য এবং অভিজ্ঞতা-সমৃদ্ধ গেমিং
প্ল্যাটফর্ম খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে একটি চমৎকার পছন্দ। যদিও কেডি লাক গেমিং কিছুটা প্রিমিয়াম
দামের রেঞ্জে রয়েছে, তবে এর ফিচার ও গুণমান বিবেচনায় দামটি যথাযথ বলেই মনে হয়। এটি যারা সিরিয়াস
গেমার বা গেমিংকে পেশা হিসেবে নিতে চান, তাদের জন্য নিঃসন্দেহে একটি চমৎকার বিনিয়োগ হবে বলে
মনে হয় ।
শুভেচ্ছা রইল

০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১২:৩৪

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

৭০-৯০ দশক পর্যন্ত জাপানিজ গেমিং, ইলেকট্রিকস এনিমেশন একচেটিয়া রাজত্ব ছিল।Cadillac & Dinosaurs গেমটি তার একটি উৎকৃষ্ট উদাহারন। আমেরিকান মার্কেট আর বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করার জন্যে তারা অবশ্য জাপানি সিরিজ থেকে কিছুটা ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

৯| ০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১০:০৬

জনারণ্যে একজন বলেছেন: হ, ডঃ আলী - ঠিকই কইছেন।

চ্যাট জিপিটি জিন্দাবাদ।

০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১২:৪২

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: কেমন আছেন?
এআই, চ্যাট জিপিটি নিয়ে আপনার দক্ষতা বেশ প্রশংসনীয়।
৫০-৬০ দশকের জন্ম নেওয়া জেনারেশনের বেড়ে উঠা ভিন্ন ভাবে।
গেমস, ছবি গ্লোবালাইজেশনের ছোঁয়া তখন তেমন‌ পড়েনি।
রেডিও ছিল বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম; গেমস নিয়ে তাঁদের
ধারনা না থাকাটাই স্বাভাবিক; ধন্যবাদ।

১০| ০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১০:১২

রাজীব নুর বলেছেন: এই গেমসটা আমি পাগলের মতো খেলেছি।

০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ দুপুর ১২:৪৩

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: জেনে খুব ভাল লাগলো।
আর কি কি গেম খেলছেন?

১১| ০৩ রা আগস্ট, ২০২৫ সকাল ১০:২১

জনারণ্যে একজন বলেছেন: @ রাজীব, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার জন্য গণহারে মন্তব্য কি কোনো দাওয়াই? আমার জানা নেই। তবে আপনার সাত-সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক্টিভিটিস দেখে তাই তো মনে হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.