নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

খায়রূল ইসলাম

খায়রূল ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাইবার ভিকটিমদের জন্য......

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ৩:৩২

সাইবার ভিকটিমদের জন্য......



প্রতিজ্ঞা ও প্রত্যাশা থেকে একটি আন্তরিক প্রচেষ্টা মাত্র----





আইনজীবী হিসাবে যখন ব্যক্তিগত ভাবে কাজ শুরূ করি, তখন থেকেই মনের কোনে একটি প্রতিজ্ঞা ছিল, মানুষের জন্য কিছু করার। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রামে, এতটা স্বার্থপর ছিলাম যে, কখন আটটি বছর পার করলাম তা একদমই মনে নেই।পারিবারিক প্রয়োজনে যখন অনাকাঙ্খিত একটা ছুটি পেলাম, তখনই বিবেক আমাকে মনে করিয়ে দিল, আমার প্রতিজ্ঞার কথা। ইতিমধ্যে কিছুটা বুঝে বা কিছুটা না বুঝে, বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত থেকে, চেষ্টা করেছি, কাজের পাশাপাশি কিছু একটা করার।কিন্তু আমার প্রত্যাশা কখোনই পুরন হয় নাই । হয়তো আমার সামর্থ্যর সিমাবদ্ধতা ছিল বা মানবাধিকার রক্ষার নামে সফল সংগঠন গুলোর উদ্দেশ্যই আমার কাছে পরিস্কার ছিল না। মোট কথা মানিয়ে নিতে পারি নাই । এরপর সিদ্ধান্ত নিলাম যা করার তা আমাকে একাই শুরূ করতে হবে।তারপর দেখা যাবে কি হয় !

এবার সমস্যা আসলো কোন বিষয় নিয়ে কাজ করব।আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা বা তথ্য প্রযুক্তির সাথে আগে থেকেই একটা নিবিড় সম্পর্ক থাকায়, প্রায়ই নতুন একটি সমস্যা চোখে পড়ত। সাইবার অপরাধ , হলো সেই সমস্যার নাম।সমস্যাটি এতটা জটিল ও ভয়াবহ যে, অপরাধীরা পেশাগত ভাবে বা বিকৃত মানসিকতার কারনে, নিজের অজান্তেই,অনেকের ক্ষতি করে ফেলে। আমি লক্ষ্য করলাম, অনেকে মজা করার জন্যও, অপরাধটির সাথে জড়িয়ে যায়। দ্রুত অপরাধটি ছড়িয়ে পরার অন্যতম প্রধান কারন অপরাধীরা সবসময়ই থাকে আইনের বাইরে।শাস্তি পাবার কোন উদাহরন চোখে পড়ে না কোথাও । অপরাধীরা জানে তারা থাকবে, ধরাছোঁয়ার বাইরে আর ভিকটিমদের ও ধারনা এর কোন প্রতিকার নাই বা তাদের সুস্পষ্ট কোন ধারনা নেই, পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ে।

এবার আমি শুরূ করলাম ব্যাপকভাবে গবেষনা।অত্যন্ত আশ্চার্যভাবে লক্ষ্য করলাম বাংলাদেশে সরকারীভাবে কিছুটা অগ্রগতি হলেও, বেসরকারীভাবে এই বিষয়ে কোন কাজই হয় নাই।বিচ্ছিন্ন ভাবে কিছু উদাহরন থাকলেও তা প্রয়োজনের তুলনাই বলার মতো কিছুই না। অথচ প্রতিদিন পত্রিকার পাতা খুললেই চোখে পড়ে সাইবার অপরাধের ভয়াল রূপ আন্তর্জাতিক গন্ডি পেরিয়ে অনেক দিন থেকে তা আমাদের দেশের মানুষকেও গ্রাস করছে। বিশেষত তরূন-তরূণীরা ও শিশুরা এর শিকার হচ্ছে বেশী।অনভিজ্ঞতা ও অজ্ঞতার কারনে, তাদের অভিভাবকগনরাও পারছে কিছু করতে। সুতরাং আমার বিষয়বস্তু নির্ধারন করতে আর বেশী ভাবতে হয় নাই। এবার পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরূ করার পালা। মুলত অপরাধটি সংঘঠিত হয়, তথ্য প্রযুক্তি বা অনলাইন বা ইন্টারনেট এর মাধ্যমে। এখানে ভীকটিমদের প্রাইভেসি ও অনুকুল পরিবেশ একটি গুরূত্বপূর্ণ বিষয় এবং তিনটি বিষয় মুলত তাদেরকে সহায়তা বা আত্ববিশ্বাস যোগাতে পারে। প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা বা কাউন্সিসিলিং, প্রয়োজনীয় আইনগত তথ্য সরবরাহ এবং কোন কোন ক্ষেত্রে আইনের আশ্রয় নিতে ভিকটিমদের সহায়তা করা। এই বিষয় মাথায় রেখে, বুঝতে পারলাম, ভিকটিমদের সাথে, যোগাযোগ করার একটি সহজ মাধ্যম, পুরো বিষয়টি একজন সাইবার ভিকটিমকে সর্বাধিক সহায়তা করবে। একটি ওয়েবসাইট সেই ক্ষেত্রে আমার স্বপ্ন পুরন করতে পারবে বলে, আমার মনে হয়েছে ॥ অবশেষে দাড় করালাম “A Segment of a Shining and Rising Bangladesh” যার সংক্ষিপ্ত নাম -SSRB- । সবার সহযোগীতা ছাড়া।আমার স্বপ্নটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। স্বপ্নটি আমার ব্যক্তিগত হলেও, আমি চাই সবার একটু সহযোগীতা।কারন সবার সহযোগীতায় আমরা এই অপরাধীদের আইনের কাঠামোর মধ্যে নিয়ে এসে,শাস্তির ব্যবস্থা করতে পারি। পারি ভিকটিমদের আত্ববিশ্বাস দিতে। আমরা যারা প্রযুক্তিকে সব সময় ব্যাবহার করছি। যে কেউ শিকার হতে পারি এর ভয়াবহতায়।সবার আন্তরিক সহযোগীতা পেলে, আমার স্বপ্নটি পুরন হয়।আপনি নিজে “A Segment of a Shining and Rising Bangladesh” সম্পর্কে অবগত থাকুন এবং অপরকে অবগত করুন। পরিচিত কারোও প্রয়োজন হলে,তাকে সাহায্য করূন যোগাযোগ করতে। আসুন সবাই মিলে বাংলাদেশকে সাইবার অপরাধ মুক্ত করি।

যোগাযোগের ঠিকানা:

“A Segment of a Shining and Rising Bangladesh”

Address: http://www.ssrb.com.nu



মো:খায়রূল ইসলাম

এডভোকেট,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

e-mail: [email protected]

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.