| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কালিদাস কবিয়াল
রাঘব-বোয়ালের রাজত্বে জন্মেই জেনেছি- চুনোপুঁটির জীবন দুলছে বিশাল হা-য়ের ভিতর; তবু বৃষ্টির জলে দিতে চাই তিন লাফ.........!
তারপর বসন্ত, যাবে? ঘর না থাকার একটি শিল্পানুকূল ভাবালুতা আছে, চতুর্মাত্রিক বায়স্কোপের দরোজা পেরুলেই সিঁড়িগুলো কেবল আকাশপ্রবণ। সামগ্রিক নিমগ্নতাকে চৈত্রের রোদে শুকিয়ে পাঁজরবন্ধী করা গেলে ভোলগা তীরবর্তী বোশেখের অগ্রিম ব্যয়সংকোচন নীতি আমলে নিয়ে অতি দীর্ঘ পাললিক পরিব্রাজন অসম্ভব কিছু তো নয়। আমরা পারবো, বিশ্বব্যাংকের মলাটে এ মৌসুমে কৃষ্ণচূড়ার বাজেটেও পর্যাপ্ত শুল্কমুক্ত ভর্তুকির আশ্বাস পাওয়া গ্যাছে হরপ্পার চাঁদে প্রত্নতান্ত্রিক সেতু নির্মাণে। মার্কিন ড্রোনের সাথে আপোষ করে নিলে নো-ম্যান্স ল্যান্ডের প্রাগৈতিহাসিক কাঁটাতার থাকে না আর। পাখিদের পাসপোর্টে পৃথিবীর প্রচুর ফুলে-ফলে সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনে জাতিসঙ্গও তর্জনী দেখাবে না, এমন গ্যারান্টি ছিল দাতাগোষ্ঠী কোকিলদের। অতএব, এই শিল্পানুকূল ভাবালুতার প্রসবকালীন যাবতীয় যন্ত্রণাকে আপাতত কটকটি-অলার কাছে কেজি দরে বিক্রি করে খুচরো সঞ্চয়টুকুও আঁচলের খুটে নাও।
কাঁধ-ব্যাগে বাস্তুভিটাসহ আমি রেডি, যাবে তো?
৩১/০৩/২০১৩ইং
বেলকম, সাউথ আফ্রিকা
©somewhere in net ltd.