নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিজেকে লেখক বলে পরিচয় দিতে সংকোচ হয়; লেখালেখি ইবাদতসদৃশ সাধনা বলেই লিখি। নিজেকে জানা, বিশ্বকে অনুধাবন করা এবং সর্বোপরি মহান স্রষ্টার পরিচয় অন্বেষণই আমার নীরব যাত্রার পাথেয়। দূরে সরিয়ে দেওয়া নয়-সৃষ্টিকূলকে ভালোবাসায় আগলে রাখার শিক্ষাই ইসলামের মূল বাণী।

নতুন নকিব

যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দল-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রন-ক্লান্ত। আমি সেই দিন হব শান্ত।

নতুন নকিব › বিস্তারিত পোস্টঃ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এ ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া সময়ের দাবি। যদি তদন্তে কারও অবহেলা, গাফিলতি কিংবা দায়িত্বে চরম ব্যর্থতার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়।

কিন্তু তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগেই পুরো হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া একটি প্রশ্নবিদ্ধ, অসম এবং জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে মনে হচ্ছে।

আদ্-দ্বীন হাসপাতাল শুধু একটি বেসরকারি হাসপাতাল নয়; এটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের কাছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবার একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। হাজারো রোগী প্রতিদিন এখানে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া মানে শুধু একটি হাসপাতালকে শাস্তি দেওয়া নয়, বরং অসংখ্য রোগীকে চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করা।

ছবি, আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ওয়েবসাইট থেকে।

আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখানে শত শত মেডিকেল শিক্ষার্থী ও নার্সিং শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। লাইসেন্স বাতিলের ফলে তাঁদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। তাঁদের ভবিষ্যৎ, চলমান শিক্ষা কার্যক্রম এবং পেশাগত প্রশিক্ষণের বিষয়টি কি যথাযথভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে?

রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া, প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা নয়। কোনো প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম হলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, কিন্তু একটি বৃহৎ সেবামূলক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কার্যত বন্ধ করে দেওয়া সমস্যার সমাধান নয়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ, রোগী, শিক্ষার্থী এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা।

আমরা মনে করি, আবেগতাড়িত বা চাপের মুখে নেওয়া সিদ্ধান্তের পরিবর্তে সরকারকে ন্যায়বিচার, আইনের শাসন এবং জনস্বার্থের ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। নবজাতকদের মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক, দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হোক, কিন্তু হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত অবশ্যই পুনর্বিবেচনার দাবি রাখে।

কারণ একটি দুর্ঘটনার বিচার করতে গিয়ে যদি একটি জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের সাধারণ মানুষই। মাথা ব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলা কখনোই সমাধান হতে পারে না। সুতরাং, অবিলম্বে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগেই পুরো হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
করে দেওয়া একটি প্রশ্নবিদ্ধ, অসম এবং জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে মনে হচ্ছে।

...........................................................................................................
বর্তমানে এদেশের জনগন যেমন অস্হিরতায় ভুগছে
তেমনি প্রশাসন হুজুগে, ভূতুরে সব কাজ করছে ।
এই আবদ্বীন হাসপাতালের অতীত ইতিহাস যাই থাকুক,
তাকে সকল ষ্টান্ডার্ড নিয়ম সমূহ পালন করে পুণ: লাইসেন্স ফেরত পাবার
আবেদন করা উচিৎ ।
এর পাশাপাশি দাবী করব যে, সারা দেশে অনেক নিম্ন মানের হাসপাতাল ও ক্লিনিক
চালু আছে, স্বাস্হ্য অধিদপ্তর তা জানে , সেসব কেন বন্ধ হচ্ছেনা ???
নাকি ওখান থেকে যে মাসোহারা আছে তার ভাগ পায় বলে চোখ বন্ধ করে থাকতে হবে ???

১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য।

আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। আইনের শাসন ও ন্যায্যতার স্বার্থে একই মানদণ্ড সকল প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। যদি কোনো হাসপাতাল বা ক্লিনিক নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া অবশ্যই জরুরি। তবে সেই ব্যবস্থা যেন স্বচ্ছ তদন্ত, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এবং প্রতিষ্ঠিত আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে হয়, সেটিও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ক্ষেত্রেও যদি কোনো ত্রুটি বা অনিয়ম থেকে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি যদি সকল বিধি-বিধান ও মানদণ্ড পূরণ করে থাকে কিংবা প্রয়োজনীয় সংশোধনী ব্যবস্থা গ্রহণ করে, তাহলে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী পুনরায় লাইসেন্সের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাওয়াও ন্যায়সংগত।

আপনার আরেকটি প্রশ্নও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। দেশের বিভিন্ন স্থানে নিম্নমানের সেবা দেওয়া হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে যদি একই ধরনের কঠোর ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তাহলে জনগণের মধ্যে বৈষম্য ও নির্বাচনী প্রয়োগের ধারণা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানভেদে নয়, বরং একই নীতিমালার ভিত্তিতে সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করা।

আবারও ধন্যবাদ আপনার চিন্তাশীল মতামত শেয়ার করার জন্য। জনস্বার্থ, জবাবদিহি এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হোক, সেটাই আমাদের সবার প্রত্যাশা।

২| ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কি থেকে কি হয়ে গেলো।

১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১

নতুন নকিব বলেছেন:



সেটাই। সরকার যে কার বুদ্ধিতে চলছে, বুঝা খুবই কঠিন।

৩| ১২ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৩

শায়মা বলেছেন: একদিকে ঠিকই আছে। ডক্টরেরা আজকাল দায়িত্বে অবহেলা বাড়িয়ে দিয়েছে।

আর ঐ প্রতিষ্ঠানে যারা পড়ছে তাদের ক্ষতি হলো এ কথা ঠিক। তবে অমন দায়িত্বগিয়ানহীন প্রতিষ্ঠানে পড়া ছাত্রছাত্রীরা যদি দেখে এত অবহেলা এত মৃত্যুতেও কোনো শাস্তি নেই তবে তারা কি শিখবে?

যাইহোক সরকারের উচিৎ এদেরকে ভালো কোথাও পড়তে পাঠানো।

১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ মূল্যবান মতামতের জন্য।

তোমার কথার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আছে। চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে দায়িত্বহীনতা বা অবহেলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, এবং যদি তদন্তে কারও গাফিলতি প্রমাণিত হয়, তাহলে অবশ্যই কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। এতে দ্বিমতের সুযোগ নেই।

তবে আমার মূল আপত্তি শাস্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং শাস্তির ধরন নিয়ে। যদি কয়েকজন ব্যক্তি বা কোনো নির্দিষ্ট বিভাগের ব্যর্থতা থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই ন্যায়সঙ্গত। কিন্তু একটি বৃহৎ হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ এবং নার্সিং ইনস্টিটিউটের পুরো কার্যক্রম বন্ধ করে দিলে তার প্রভাব পড়ে হাজারো রোগী, শিক্ষার্থী ও কর্মীর ওপর, যাদের অনেকের কোনো দায়ই নেই।

তবে তোমার শেষ কথাটির সঙ্গে আমি একমত। সরকারের উচিত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।

আবারও ধন্যবাদ, ভিন্নমত হলেও তোমার বক্তব্য আলোচনাকে সমৃদ্ধ করেছে।

৪| ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৩

আলামিন১০৪ বলেছেন: ডাক্তাররা রোগী মেরে বহাল তবিয়তে থাকে. এর সুরাহা হওয়া উচিত

১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য।

চিকিৎসকের অবহেলা বা ভুল চিকিৎসার কারণে কোনো রোগীর ক্ষতি হলে অবশ্যই তার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এতে কোনো দ্বিমত নেই। তবে একই সঙ্গে এটাও গুরুত্বপূর্ণ যে, অভিযোগ প্রমাণের আগেই পুরো একটি প্রতিষ্ঠানকে শাস্তি দেওয়া হলে অনেক নিরপরাধ রোগী, শিক্ষার্থী এবং স্বাস্থ্যকর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

আমাদের প্রত্যাশা, প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা হোক এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক। আবার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাও যেন অযথা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়েও ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন।

মন্তব্য করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

৫| ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪২

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আমার কাছে একটি বুদ্ধি আছে- হাসপাতালের নাম চেঞ্জ করে আবার নতুন করে লাইসেন্স নিলেই হয়ে গেলো।

১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৫

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ, জ্যাক স্মিথ। আপনার মন্তব্যটি ব্যঙ্গাত্মক হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরে। সমস্যার সমাধান নাম পরিবর্তনে নয়, বরং প্রকৃত ঘটনা তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা করার মধ্যেই নিহিত। তাই বিষয়টি আইন, ন্যায়বিচার ও বাস্তবতার আলোকে বিবেচিত হওয়া উচিত।

৬| ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৩০

রাজীব নুর বলেছেন: আদ্ব-দীন হাসপাতাল হলো গরীবদের হাসপাতাল। এর লাইসেন্স বাতিক করা অন্যায় হয়েছে।

১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ প্রিয় রাজীব নুর।

আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। কোনো প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম বা অবহেলা থাকলে অবশ্যই দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে একটি হাসপাতাল, যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য নিম্নআয়ের মানুষ চিকিৎসাসেবা পান এবং শত শত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন, সেটির লাইসেন্স বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সব দিক গভীরভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিই হওয়া উচিত প্রধান লক্ষ্য।

৭| ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৫৪

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আদ্ব-দীন হাসপাতাল হলো গরীবদের হাসপাতাল।
...........................................................................
তাই বলে কি সেবার মান ,মানসম্মত থাকবে না ???
দ্বায়িত্ব বোধ থাকবেনা ?
নবজাতক শিশুর জন্য বিশেষ ব্যবস্হা থাকবেনা ???

১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

কোনো হাসপাতাল গরিবের জন্য সেবা দেয় বলেই সেখানে অবহেলা, দায়িত্বহীনতা বা সেবার মানের ঘাটতি গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। যদি কারও গাফিলতি বা ত্রুটি থেকে থাকে, তাহলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তবে প্রশ্ন হলো, অপরাধ বা অবহেলার দায় যদি ব্যক্তি বা নির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনার হয়, তাহলে কি পুরো হাসপাতাল বন্ধ করে দিয়ে হাজারো রোগী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলা সমাধান? আমরা দায়ীদের শাস্তি চাই, কিন্তু একই সঙ্গে ন্যায়সঙ্গত ও ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্তও প্রত্যাশা করি।

মতামতের জন্য ধন্যবাদ।

৮| ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯

নতুন বলেছেন: লাইসেন্স বাতিল সমাধান না।

কয়েকদিন বন্ধ রেখে ( নতুবা কর্তিপক্ষের টনক নড়বেনা) সংস্কার করে দায়ী ব্যাক্তিদের কাজের অবহেলার সাজা দিয়ে আবার চালু করতে হয়।

১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৯

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় নতুন ভাই। আপনার মতামত যুক্তিযুক্ত। সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে আবার সেবা চালু করাই বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে।

৯| ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:০৯

নতুন বলেছেন: আর হাসপাতালের মতন গুরুত্বপূর্ন প্রতিস্ঠানকে

HACCP, ISO 9001, 45001 মতন সিসটেমের উপরে সাটিফাইড হওয়া বাধ্যতামুলক করতে হবে।

এবং প্রতিবছর অডিত করতে হবে। অনিয়োমের বিরুদ্ধে অনেক বড় জরিমানার ব্যবস্থা থাকতে হবে। যেমন যেই ঘটনা করেছে তাতে কোটি টাকা জরিমানা হতে হবে, ক্ষতিপুরন দিতে হবে।

জবাবহিদিতা না থাকলে মানুষ সোজা থাকে না।

১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩২

নতুন নকিব বলেছেন:



আপনার পরামর্শটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত। হাসপাতালের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে HACCP, ISO 9001 ও ISO 45001-এর মতো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বাধ্যতামূলক করা এবং নিয়মিত অডিটের মাধ্যমে কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অবশ্যই প্রয়োজন। একই সঙ্গে বড় অঙ্কের জরিমানা ও ক্ষতিপূরণের বিধান থাকলে অবহেলা অনেকটাই কমে আসবে।

মূলত শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতাই এমন ট্র্যাজেডি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ধন্যবাদ।

১০| ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।

১৪ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২১

নতুন নকিব বলেছেন:



ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। পোস্টে আবার আসার জন্য কৃতজ্ঞতা। আপনার মতামতই আলোচনাকে আরও সমৃদ্ধ করে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.