নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমাদের কথা বলতে এসেছি। আমি বাংলাদেশের কথা বলবো।আমি পৃথিবির অবহেলিত মানুষের পক্ষে ।জয় বাংলার প্রতিটি শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে। ৭১-এর স্বাধীনতা রক্ষায় জিবন বাজী রেখে লড়াই করে যাবো।জিবনের শেষ রক্ত বিন্দু দিয়ে ।জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ।

ক্লোন রাফা

আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।

ক্লোন রাফা › বিস্তারিত পোস্টঃ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক বার্তাকেও তুলে ধরছেন।

শেখ হাসিনা একই সঙ্গে বহু মাঠে খেলছেন, তবে এটাও বোঝা যাচ্ছে যে দেশের ভেতরে, বাইরে তাঁকে চ‍্যালেঞ্জ জানাতে তাঁর শত্রুরাও বসে নেই। কেউ বিদেশে পাড়ি দিচ্ছেন, কেউ দেশের ভিতরেই নিজেরাই যাচাই করে দেখতে চাইছেন যে শেখ হাসিনা আদৌ দেশে ফিরতে পারবেন কি পারবেন না! মজার ব্যাপার হোলো লক্ষ লক্ষ মানুষ তাকে উত্তরও দিয়ে দিয়েছে মুখের উপর! এবার হয়তো তারও পালানোর পথ খুঁজতে হবে!

মোটের কথা আওয়ামী লীগ এখন ষোলো আনার উপর আঠারো আনা রাজনীতি করছে, দেশের আর সব রাজনীতি ফেইল, নাই হয়ে গেছে!

ভারতীয় গণমাধ্যম The Wall কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা মূলত একটি রাজনৈতিক যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন! তিনি বলেছেন - তিনি ফিরবেন, লড়বেন, মরতে হলে মরবেন! এই বক্তব্যকে অনেকে আবেগ হিসাবে দেখছেন। কিন্তু আবেগ নয়, এটি একটি রাজনৈতিক বার্তা। এটির অর্থ হলো শেখ হাসিনা আত্মসমর্পণ করেননি, আওয়ামী লীগ আত্মসমর্পণ করেনি, শেখ হাসিনা পালায় নি! বরং দুই বছরের দমন পীড়ন এর পর তারা নুতন কৌশলে ফিরে এসেছে, ফিরে আসছে! দেখুন পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে ঠেকেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে পারবে। আবার একই সঙ্গে বলছে তাঁকে ট্রাভেল পাস দেয়া হবে না! আবার ভারতকে অনুরোধ করা হবে তাকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ফিরে পাঠাতে! প্রশ্ন হচ্ছে যদি তিনি এতোটাই অজনপ্রিয় হন, যদি তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ শেষ হয়ে গিয়ে থাকে তবে তাঁর ফেরা ঘিরে এতো উদ্বেগ কেন? কেনো তাঁর দেশে ফেরার পথ আটকে রাখার জন‍্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে এতো ব‍্যস্ততা? এর উত্তর খুব সোজা, কারণ তারা জানে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মেরুকরণ নুতন পর্যায়ে চলে যাবে!

আর এই ভয় শুধু আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষের নয়। বিএনপির ভিতর থেকেও সেই ভয় প্রকাশ্যে বের হয়ে আসছে! বিএনপি'র সাবেক নেতা রুমিন ফারহানা বলেছেন শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষমতা বিএনপির নেই! এরচেয়ে বড় স্বীকারোক্তি বা রাজনৈতিক সত্য আর কি হতে পারে? একজন সাবেক বিএনপি নেতা কার্যত বলে দিলেন যে শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তন বিএনপির জন্য রাজনৈতিক ভূমিকম্পের সমান।

আরো মজার বিষয় হলো যাদের কাঁধে ভর করে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছিলো তারাও এখন ভিন্ন কথা বলছেন। অবৈধ ইউনুস সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন পর্যন্ত স্বীকার করছেন শেখ হাসিনা ফিরে আসবেন, নির্বাচনে অংশ নেবেন, অর্থাৎ যারা আওয়ামী লীগের কবর খুঁড়েছিলো তারাই এখন বলছে - লাশ পাওয়া যায়নি!

কিন্তু শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় চালটি দেশের ভেতরে নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে! এতোদিন আন্তর্জাতিক মহলে একতরফাভাবে একটি বয়ান প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল, বলা হয়েছিলো জুলাই এর তথাকথিত গণ অভ্যুত্থান ছিলো জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লব! বলা হয়েছিলো ১৪০০ মানুষকে হ*ত‍্যা করা হয়েছে! বলা হয়েছিলো শেখ হাসিনা গণহ*ত্যার নির্দেশদাতা!

সেই বয়ানকে কেন্দ্র করেই আন্তর্জাতিক চাপ, নিষেধাজ্ঞা, বিচার এবং রাজনৈতিক বৈধতার খেলা চলেছে এতোদিন! এখন সেই জায়গাতেই আঘাত করেছে আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা!

শেখ হাসিনার বৃটিশ আইনজীবী স্টিভেন পাউল জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন নিহতের সংখ্যা নিয়ে, তদন্তের পদ্ধতি নিয়ে, তথ‍্য যাচাই এর মান নিয়ে, এমনকি পুরো অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়েও।
অর্থাৎ আওয়ামী লীগ আর আত্মপক্ষ সমর্থনের অবস্থানে নেই তারা এখন অভিযোগকারীকেই কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে!

এ বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ ২৪শের তথাকথিত গণঅভ্যুত্থানে আন্তর্জাতিক বৈধতা প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন নুতন নয়!

ইউনুস সরকার ক্ষমতা দখলের পর থেকে জাতিসংঘের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের সাথে তাদের অস্বাভাবিক ঘনিষ্ঠতা, আন্তর্জাতিক প্রচারণা, একপাক্ষিক মানবাধিকার বয়ান এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে অনেকদিন ধরেই প্রশ্ন ছিলো! প্রথমবারের মতো সেই প্রশ্নগুলি একটি সংগঠিত আইনি এবং রাজনৈতিক চ‍্যালেজ্ঞে রূপ দিলো আওয়ামী লীগ।

মজার ব‍্যাপার হচ্ছে জাতিসংঘের ঢাকাস্থ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার, ভারতীয় বংশোদ্ভূত হুমা খান- যিনি এই পূর্ণ নাটকটি সাজিয়েছেন এবং পুরো তথ্য দিয়ে এবং বাংলাদেশের শেখ হাসিনার সরকারের পতনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন--

সব বিষয়ে প্রশ্ন তুলে এখন আওয়ামী লীগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার সুরাহা চাইছেন। অর্থাৎ এখন শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের আদালতের বিরুদ্ধে লড়ছেন না, তিনি আন্তর্জাতিক বয়ানের বিরুদ্ধেও লড়ছেন। এখানেই আওয়ামী লীগের বর্তমান রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি!
তারা একই সাথে স্বদেশের ভিতরে সংগঠন পূনর্গঠন করেছে, তৃণমূলকে সক্রিয় করেছে, নির্যাতিত নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রাখছে আবার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আইনি এবং কূটনৈতিক লড়াইও চালাচ্ছে!

অন্যদিকে তাদের প্রতিপক্ষরা এখনও মূলত আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ রাখা, মামলা দেয়া এবং গ্রেফতারের রাজনীতি নিয়েই ব‍্যস্ত। আমরা মিডিয়ায ছড়িয়ে পড়া নানান ভিডিওতে দেখতে পাই-বিভিন্ন ছাত্রলীগ নেতা, যুবলীগ নেতাদের ধরে ধরে কু'পি'য়ে হ*ত্যা করা হচ্ছে, মে*রে ফেলা হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে নারী সদস্যদের হেনস্থা করা হচ্ছে, ধ'র্ষ'ণ করা হচ্ছে, অবস্থা তো ভয়াবহ!

এরই মধ্যে ইউনুস সরকারের দ্বিতীয় প্রধান ব‍্যক্তি হিসাবে অনেকেই যাকে চিনতো, যাকে একজন ভয়ঙ্কর এবং একটা নোংরা লোক হিসেবে এতদিন মানুষ চিনে, সেই আসিফ নজরুলের ফেসবুক জরিপের ঘটনাও কিন্তু প্রকৃতভাব অনেক কিছুই বলে দিচ্ছে।

আসিফ নজরুল ভেবেছিলেন হয়তো মানুষ শেখ হাসিনার ফেরাটাকে অসম্ভব বলে উড়িয়ে দেবে। কিন্তু কয়েক ঘন্টার মধ্যেই যারা মনে করেন শেখ হাসিনা ফিরবেন তাদের সংখ্যা, যারা মনে করেন শেখ হাসিনা ফিরবেন না- তাদের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যায়! এটি বৈজ্ঞানিক জরিপ নয়, কিন্তু রাজনৈতিক মনোস্তত্ত্বের একটি শক্তিশালী ইঙ্গিত!

মানুষ অন্তত এই বিশ্বাস করছে যে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অধ‍্যায় শেখ হয়নি, আওয়ামী লীগের রাজনীতি শেষ হয়ে যায়নি, শেখ হাসিনা ফিরছে, আওয়ামী লীগ আছে! যাওয়ার তো প্রশ্নই যখন আসছে না তখন ফেরার প্রশ্ন আসছে কেনো?

ইতিহাসের দিকে তাকালেও বিষয়টি অবাক করার মতো! ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফিরেছিলেন যখন, আওয়ামী লীগ ছিলো ক্ষমতার বাইরে, ব‍্যক্তিত্ব সংকটে এবং রাজনৈতিক ভাবে বিপর্যস্ত!

২০০৭ সালে শেখ হাসিনা যখন ফিরেছিলেন তখন সেনা সমর্থিত সরকার তাঁকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিল ! শেখ হাসিনা যখন লন্ডন এয়ারপোর্টে, বাংলাদেশে যাওয়ার জন‍্য প্লেনে উঠবেন--তখন তাঁর কাছে একটি ফোন এসেছিল। সেই ফোনটি এসেছিলো মইনুল হোসেনের কাছ থেকে, যিনি আইন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছিলেন ১/১১ সরকারের! ব‍্যারিষ্টার মইনুল হোসেন বলেছিলেন- “বোনটি তুমি দেশে আইসো না"! শেখ হাসিনা বলেছিলেন- "আমি দেশে আসবো, পারলে ঠেকান"!

এই যে দুই ক্ষেত্রেই শেখ হাসিনার প্রত‍্যাবর্তন শেষ পর্যন্ত তাঁর প্রতিপক্ষদের সব হিসাব নিকাশ ওলট পালট করে দিয়েছিলো! এবারের প্রত‍্যাবর্তন আরো বড়, আরো বিশাল, আরো ব‍্যাপক!
কারণ এবার তিনি শুধু আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসাবে ফিরবেন না, তিনি এমন একজন রাজনৈতিক চরিত্র হিসেবে ফিরবেন দুই বছর যাবত যাকে রাষ্ট্রীয়, বিচারিক, আন্তর্জাতিক এবং মিডিয়া পর্যায়ে একযোগে আক্রমণ করা হয়েছে, কোনঠাসা করা হয়েছে, অথচ তিনি রাজনৈতিকভাবে টিকে আছেন, সংগঠনটিকে টিকিয়ে রেখেছেন, এমনকি পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছেন!

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সবচেয়ে বিরোধ হলো যে দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেই দলই জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আছে শুরু থেকেই! যে নেত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তাকে নিয়েই সবচেয়ে বেশী আলোচনা, যাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে তিনিই দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণের সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর!

যাকে বাংলাদেশের মানুষের স্মৃতি থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছিলো সবাই - এখন তারাই আবার বলছে আগেই ভালো ছিলাম। আমরা তাঁকেই আবার ফিরে চাই!

এটাই বিএনপি-জামাত-এনসিপির এবং অবৈধ ইউনুস সরকারের উত্তরাধিকার গ্রহণকারী দলগুলোর সবচেয়ে বড় দুঃস্বপ্ন!

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন শেখ হাসিনা ফিরবেন কি ফিরবেন না সেটা নয়, কারন সে প্রশ্নের উত্তর সময় দেবে। আসল প্রশ্ন হলো শেখ হাসিনা ফিরলে কারা লাভবান হবে? কারণ শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন একক কোনো ব‍্যক্তির ফেরা নয়, অথবা শুধুমাত্র একজন মানুষের ফিরে আসা নয়, এটি সব সময়ই- শেখ হাসিনার ফেরাটা সব সময়ই ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দেয়ার ঘটনা!

আর এবারও সেই আশঙ্কাই সবচেয়ে বেশী তাড়া করে বেড়াচ্ছে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের - ইউনুসকে, ইউনুসের উপদেষ্টাদের, তারেককে, বিএনপিকে, জামায়াতকে, এনসিপির লালু-ভুলু-কালুদের তো বটেই! দেখা যাক কি হয়!

তোমরা ভয় পাও কেন ⁉️কারন তোমারা নিজেরা খুব ভালো করেই জানে , তোমরা কি করেছো‼️

দূর্গমগীরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার,
লঙ্গিতে হবে রাত্রি নিশিথে যাত্রীরা হুঁশিয়ার।



মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কোথাও এমন উদাহরণ নেই যে একই শাসক আবার ফিরে এসে ক্ষমতায় বসেছেন । সো শেখ হাসিনার ফেরার কোনো তাড়া নেই ।

১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:০০

ক্লোন রাফা বলেছেন: আতংকিত মানুষ এই ভেবে সান্তনা পাওয়ার চেষ্টা করছে। পৃথিবির কোনো দেশের ইতিহাসের সাথে বাংলাদেশের ইতিহাসের তুলনা চলেনা।
তিনটি পারমানবিক দেশের সাথে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ সৃষ্ট করেছে বাঙালী! স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতা এনেছে বাঙালী। আর এগুলো সবই করেছে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ , ছাত্রলীগ নেতৃত্বের যায়গা থেকে। পৃথিবীর মানুষ ইতিপুর্বে যা প্রতক্ষ্য করেনি তাই দেখবে।

২| ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:১৫

আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনার আপা তার অনুসারীদের অথৈ সাগরে ফেলে লেজ গুটিয়ে পালাল কেন? আসতে কন-

১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৫

ক্লোন রাফা বলেছেন: চিন্তা ভাবনার দৈণ‍্যতা সব সময় থাকে কিছু মানুষের মত দেখতে প্রাণীর। বিশেষ করে কাঠাল পাতা ভক্ষণকারি শ্রেণীর। আপা সরকারি সেনা, নৌ , বিমান বাহিনীর চৌকস অফিসারদের দ্বারা নিরাপদ স্থানে অবস্থান করছেন। এটাকে যদি পালানো বলে তাহলে পৃথিবীর প্রতিটি দেশের সরকার প্রধান প্রতিনিয়ত পালায়।

কেউ পালিয়ে গেলে ফিরে আসার জন্য উদগ্রীব হয় এটা দেখিনি। অথচ আপা প্রত‍্যেকবার মামলা , হামলা এবং বিপদ নিয়ে ফিরে আসে। আপার অনুসারী কেউ তার পালিয়ে যাওয়ার গল্পে বিশ্বাসী নয়। আপা অনেকের জীবন রক্ষা করেছে বলেই প্রতিয়মান॥

৩| ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৫২

মাথা পাগলা বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কোথাও এমন উদাহরণ নেই যে একই শাসক আবার ফিরে এসে ক্ষমতায় বসেছেন । সো শেখ হাসিনার ফেরার কোনো তাড়া নেই ।

জামাত-শিবির আপনাকে ভুল ইতিহাস শেখাচ্ছে, আপনিও এগুলো ছড়াচ্ছেন।

১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৩৪

ক্লোন রাফা বলেছেন: ওরা নিজেরাই নিজেদের সান্ত্বনা দিতে চেষ্টা করছে। কারণ শেখ হাসিনা ফেরার পর তৃণমূল সব হিসেব মিটিয়ে দেবে। কারণ ২০২৪শে সবচেয়ে বেশি অন‍্যায়ের স্বিকার হয়েছে নিরিহ আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং প্রাথমিক পর্যায়ের নেতা কর্মীরা।

যারা হাইব্রিড কিংবা লুঙ্গির নিচে ছিলো তারা সব ভোল পাল্টে ফেলেছে। আর ক্রিমিনাল সব ছিলো জামাত এ এনসিপির গুপ্ত আওয়ামী লীগ। বড় যারা দুর্নীতিবাজ ছিলো তাদের রক্ষাকারী হলো সুদি মহাজনের আত্মীয়, জামাত, বিএনপি এবং সমন্বয়করা। প্রত‍্যেকেই কোটি টাকার বিনিময়ে পাচার করে দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে দেশ বিক্রি করে যে টাকা পেয়েছে সেই টাকা ভোগ করার জন্য এক দুষ্কৃতী আরেক দুস্কৃতিকারিক্ রক্ষা করছে।

৪| ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টের শিরোনাম পড়েই লাইক দিয়েছি। তারপর পুরো লেখা পড়েছি।
শেখ হাসিনা ফিরলে জুলাই যোদ্ধারা পালাবে। এনসিপির অনেকেই প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলবে। আমি নিশ্চিত অনেক লোক রাতে ঘুমাতে পারে না। তাদের ভয় শেখ হাসিনা ফিরবে।

১৪ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:২৪

ক্লোন রাফা বলেছেন: আর বেশি দূরে নেই/ হাল ধরার জন্য শেখ হাসিনা স্বশরীর আসছে । আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ,যুবলীগ সহ সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়ে গেছে ।

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ॥

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.