নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

করুণাধারা

করুণাধারা

জীবন যখন শুকাইয়া যায় করুণাধায় এসো

করুণাধারা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মাইন্ড অফ গড- স্টিফেন হকিং যা জানতে পারেননি!

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৮



স্টিফেন হকিং  আজীবন একটি মহা তত্ত্ব আবিষ্কারের অপেক্ষায় ছিলেন, যার নাম তিনি দিয়েছেন Grand unified theory বা Theory of everything, যে তত্ত্ব কোটি কোটি গ্যালাক্সি আর অতি ক্ষুদ্র কোয়ার্ককে একই সূত্রে বেঁধে দেবে। আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম বইতে স্টিফেন হকিং আলোচনা করেছেন মহাবিশ্বের সূচনা, মহাবিশ্বের ধরণ ও এর ভবিষ্যৎ নিয়ে, ব্ল্যাক হোল নিয়ে, এবং  ধারণা দিয়েছেন স্থান-কাল নিয়ে গঠিত চতুর্থ মাত্রা সম্পর্কে। বইটি শেষ করেছেন এই বলে, 'If we find the answer to that, it would be the ultimate triumph of human reason- for then we would know the mind of God.'

১৯৯৩ সালে বইটি প্রথমবার পড়া শেষ করে মনে হয়েছিল স্টিফেন হকিং যদি মাত্র একবার কোরআন শরীফ পড়তেন, তাহলেই অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যেতেন, আর জানতে পারতেন- the mind of God.

এই বইতে তিনি মহাকাশ বিজ্ঞানের এমন অনেক আবিষ্কারের কথা বলেছেন, যা কেবল বিংশ শতাব্দীতে আবিষ্কৃত হয়েছে। তিনি কখনো জানেননি, দেড় হাজার বছর আগে অবতীর্ণ পবিত্র কোরআন শরীফে তার উল্লেখ আছে।

এই পোস্টে ইংরেজিতে লিখিত বাক্যগুলো আমি 'আ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম' বইয়ের ১৯৮৮র সংস্করণ থেকে হূবহু উদ্ধৃত করেছি। কোরআন শরীফের আয়াত উদ্ধৃত করেছি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কুরআনুল করিম থেকে।

 শুরু করি মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ নিয়ে। হকিং বলছেন, "It is an interesting reflection on the general climate of thought before the 20th century that no one had suggested that the universe was expanding or contracting." ( পৃষ্ঠা-৬). "The discovery that the universe is expanding was one of the great intellectual revolution of the 20th century." পৃষ্ঠা- ৪২

 যে জ্ঞানকে হকিং বলছেন বিংশ শতাব্দীর বিশাল বুদ্ধিবৃত্তিক বিপ্লব( great intellectual revolution), অর্থাৎ মহাবিশ্ব যে সম্প্রসারিত হচ্ছে- তা আল্লাহ জানাচ্ছেন  এখানে,

'আমি আকাশ নির্মাণ করিয়াছি আমার ক্ষমতাবলে এবং আমি অবশ্যই মহা সম্প্রসারণকারী' (সূরা যারিয়াত, আয়াত ৪৭)

মহাবিশ্ব ( universe) সম্পর্কে আধুনিক ধারণার সূচনা করেন এডউইন হাবল। ১৯২৪ সালে তিনি প্রথম আবিষ্কার করেন যে আমাদের ছায়াপথ ছাড়াও মহাকাশে আরো লক্ষ কোটি ছায়াপথ আছে ( পৃষ্ঠা ৩৮)। ১৯২৯ সালে তিনি আবিষ্কার করেন, ছায়াপথ গুলো চলমান, আমাদের ছায়াপথ থেকে দূরে অবস্থিত ছায়াপথগুলোর তাদের দূরত্বের সমানুপাতিক হারে আমাদের থেকে সরে যাচ্ছে।( পৃষ্ঠা ৪২)  অর্থাৎ ছায়াপথগুলো, যার প্রতিটিতে অবস্থিত লক্ষ কোটি তা স্থির নয়, চলমান- সরে যেতে যেতে এক সময় বহু দূরে চলে যায়।
 হকিং বলছেন  "it was quite a surprise, therefore, to find that most galaxies appeared red- shifted; nearly all were moving away from us! The farther a galaxy is, the faster it is moving away!"(পৃষ্ঠা ৪১-৪২) ।
হকিং যদি জানতেন, নক্ষত্রের সরে যাওয়ার কথা কোরআন শরীফে বলা আছে, এভাবে-
"আমি শপথ করি সেসব নক্ষত্রগুলোর, যারা পশ্চাতে সরে যায়, চলমান হয় ও অদৃশ্য হয়"
সূরা তাকভীর আয়াত ১৫-১৬:

৩৬ পৃষ্ঠায় হকিং বলছেন, "In the theory of relativity there is no unique absolute time, but instead each individual has his own personal measure of time that depends on where he is and how he is moving." সময়ের যে কোন অনন্য, পরম মান নেই বরং তা পর্যবেক্ষকের অবস্থান ও গতির উপর নির্ভর করে এটা আইনস্টাইন  আবিষ্কার করেছিলেন বিংশ শতাব্দীতে।  সময়ের মান যে একেকজনের কাছে একেক রকম হতে পারে এটা কোরআন শরীফে বলা আছে । যেমন:
তিনি আকাশ থেকে পৃথিবী পর্যন্ত সমুদয় বিষয় পরিচালনা করেন অতঃপর একদিন সমস্ত কিছুই তাহার সমীপে সমুত্থিত হইবে যে দিনের পরিমাপ হইবে তোমাদের হিসাবে হাজার বছর সূরা সাজদা আয়াত ৫
ফেরেশতা এবং রূহ আল্লাহর দিকে উর্ধ্বগামী হয় এমন একদিনে যার পরিমাণ পৃথিবীর হাজার বৎসর সূরা মাআরিজ আয়াত ৪

The arrow of time অধ্যায়ে হকিং প্রশ্ন করছেন, "Why do we remember the past but not the future?" (পৃষ্ঠা ১৫২)।  ভবিষ্যতকে স্মরণ করা- এটা আমাদের ধারণার অতীত একটা বিষয়। অথচ পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলছেন ভবিষ্যতকে স্মরণ করা সম্ভব!
"স্মরণ কর, আমার বান্দা ইব্রাহীম ইসহাক ও ইয়াকুবের কথা, উহারা ছিল শক্তিশালী ও সূক্ষদর্শী আমি তাহাদিগকে অধিকারী করিয়াছিলাম এক বিশেষ গুণের, উহা ছিল পরলোকের স্মরণ।"
সূরা সাদ: আয়াত ৪৫-৪৬

মহাবিশ্ব সম্পর্কে আধুনিক ধারণার সূত্রপাত করেন নিকোলাস কোপারনিকাস। তিনি ১৫১৪ সালে প্রথম ধারণা দেন যে সূর্যের চারপাশে পৃথিবী আর অন‍্য গ্রহ-নক্ষত্রেরা ঘুরছে।(পৃষ্ঠা ৪) এর আগে পর্যন্ত ধারণা করা হতো যে, পৃথিবী স্থির আর সূর্য আর অন্য গ্রহ-নক্ষত্রেরা পৃথিবীকে ঘিরে ঘুরছে। এরপর কেপলার, গ্যালিলিও এবং সবশেষে নিউটন সপ্তদশ শতাব্দীতে মহাবিশ্ব সম্পর্কে এই ধারণার সূত্রপাত করেন যে, সূর্য নিজ কক্ষ পথে আবর্তন করে চলমান, একইভাবে পৃথিবী এবং  চাঁদ নিজ  কক্ষপথে চলমান- পৃষ্ঠা ৬। অথচ দেড় হাজার বছর আগেই পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে: 

"সূর্য ও চন্দ্র আবর্তন করে নিজ কক্ষপথে" - সুরা আর রাহমান, আয়াত ৫
"সূর্য ভ্রমণ করে করে তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে, ইহা পরাক্রমশালী  সর্বজ্ঞের নিয়ন্ত্রণাধীন"- সূরা ইয়াসিন, আয়াত ৩৮।

মহাবিশ্বের কি কোন শুরু আছে নাকি  মহাবিশ্ব চিরকালীন- এই প্রশ্ন বিজ্ঞানীদের তাড়িত করেছে, দুই পক্ষেই মতের পাল্লা ভারী হয়েছে কিন্তু বিংশ শতাব্দীর আগে এর  মীমাংসা হয় নি। ১৯২৯ সালে এডউইন হাবলের সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব আবিষ্কারের পর এই প্রশ্নের মীমাংসা হল- জানা গেল যে এই মহাবিশ্বের শুরু আছে।

"This Discovery finally brought the question of the beginning of the universe into the realm of science."- পৃষ্ঠা ৯

অথচ সৃষ্টির সূচনার কথা আল্লাহ বলছেন দেড় হাজার বছর আগে, কোরআন শরীফের বহু আয়াতে।

"বল, তোমরা যাহাদের শরীক কর তাহাদের মধ্যে কি এমন কি কেহ আছে, যে সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনয়ন করে ও পরে উহার পুনরাবর্তন ঘটায়? বল, আল্লাহই সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনয়ন করেন ও পরে উহার পুনরাবর্তন ঘটান, সুতরাং তোমরা কেমন করিয়া সত্য বিচ্যুত হইতেছ?"- সুরা ইউনুস, আয়াত ৩৪।
"উহারা কি লক্ষ্য করে না, কিভাবে আল্লাহ সৃষ্টিকে অস্তিত্ব দান করেন, অতঃপর উহা পুনরায় সৃষ্টি করেন? ইহা তো আল্লাহর জন্য সহজ"- সূরা আনকাবুত, আয়াত ১৯

সৃষ্টির যে শুরু আছে, একথা আরো আছে সুরা বাকারার ১১৭ আয়াতে, সূরা ইউনুস এর ৪ আয়াতে, সূরা নমলের ৬৪ আয়াতে,  সুরা রুমের ১১ আয়াতে, সূরা বুরুজের ১৩ আয়াতে। এই সবকটি আয়াতে ব্যবহৃত শব্দটি "বাদা'আ"-
এর অর্থ কোন কিছুকে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বে আনা। সাধারণ সৃষ্টি করা বোঝাতে  খালাকা (সূরা আরাফ আয়াত ৫৪) বা বানাআ(সূরা শামস আয়াত ৫) ব্যবহার করা হয়েছে। বাদা'আ বলতে বোঝায় এমন সৃষ্টি যার কোন অস্তিত্ব ছিল না- যেমন, মহাবিশ্বের সৃষ্টি।

ব্ল্যাকহোলের  প্রভাবের উল্লেখও আছে পবিত্র কোরআনে। ব্ল্যাকহোল হল কোন তারার অন্তিম পরিণতি। সূর্যের চেয়ে অন্তত দেড় গুণ বড় কোন তারার জ্বালানি যখন শেষ হয়ে যায়, তখন সেই তারা ক্রমশ ঠান্ডা হয়ে আসে আর প্রচন্ড অভিকর্ষের  কারণে পরিণত হয়  ব্ল্যাকহোলে। এই ব্ল্যাকহোল দেখা যায়না, কারণ ব্ল্যাকহোলের সীমানা, ইভেন্ট হরাইজন ব্ল্যাকহোলকে ঢেকে রাখে। হকিং বলছেন,

"The singularities produced by gravitational collapse occur only in places, like black holes, where they are decently hidden from outside view buy an event horizon."-পৃষ্ঠা ৯৩
Event horizon কি কাজ করে, তা হকিং এর ভাষায়:
"The event horizon, the boundary of the region of spacetime from which it is not possible to escape, acts rather like a one-way membrane around the black hole."  (পৃষ্ঠা ৯৪)। one-way membrane মানে কেবল ঢোকা যায় এমন আবরণ বা দরজা। ব্ল্যাকহোলের মধ্যে কোন মানুষ পড়ে গেলে অভিকর্ষের প্রচন্ড টানে তার শরীর হয়ে যাবে সুতার মতো সরু, হকিং বলছেন স্প্যাগেটির মত হয়ে যাবে। (পৃষ্ঠা-৯১)। ব্ল্যাকহোলের এই  প্রভাবগুলোর বর্ণনা আছে সূরা আরাফের ৪০ নাম্বার আয়াতে।

"যাহারা আমার নিদর্শনকে অস্বীকার এবং সে সম্বন্ধে অহংকার করে তাহাদের জন্য আকাশের দ্বার উম্মুক্ত করা হইবে না, এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না, যতক্ষণ না সূচের ছিদ্র পথে উট প্রবেশ করে। এইরূপে আমি অপরাধীদেরকে প্রতিফল দিব।" 

 হকিং বলছেন, অবশ্য  কখনো astronaut (কোন মানুষ)-এর পক্ষেও আবরণহীন সিঙ্গুলারিটি (naked singularity) দেখা সম্ভব হতে পারে। সেক্ষেত্রে, "He may be able to avoid hitting the singularity and instead fall through a "wormhole" and come out in another region of the universe."-পৃষ্ঠা ৯৩। অর্থাৎ মহাকাশের কোন অংশের আবরণ ভেদ করে আবরণের ওধারে, মহাবিশ্বের অন‍্য অংশে, জান্নাতে, বা জাহান্নামে চলে যাওয়া যাবে।  আকাশের আবরণ সরিয়ে নেওয়া, আকাশে পথের (wormhole) কথা বলা আছে এভাবে-
" যখন আকাশের আবরণ অপসারিত হইবে" সূরা তাকভীর, আয়াত ১১
"আকাশ উন্মুক্ত করা হইবে,  ফলে উহা হইবে বহু  দ্বারবিশিষ্ট।" সূরা নাবা, আয়াত ১৯
'শপথ বহুপথ বিশিষ্ট আকাশের" সূরা যারিয়াত আয়াত ৭

বিগ ব্যাঙের সময় মহাবিশ্ব ছিল অসীম ক্ষুদ্রায়তনের, অসীম ঘনত্ব এবং অসীম তাপমাত্রা
বিশিষ্ট। বিগ ব্যাঙের পর মহাবিশ্ব সম্প্রসারিত হতে থাকে আর এর তাপমাত্রা কমতে থাকে। বিগব্যাং-এর ১ সেকেন্ড পর তাপমাত্রা কমে হাজার কোটি ডিগ্রীতে নেমে আসে। এই প্রচণ্ড তাপমাত্রায় পদার্থকণার সংঘর্ষের ফলে উৎপন্ন হয়  ইলেকট্রন/এন্টি- ইলেকট্রন যুগল এবং নিউট্রিনো এবং এন্টি- নিউট্রিনো যুগল।ইলেকট্রন/এন্টি- ইলেকট্রন যুগল পরস্পরকে বিনাশ করে, তৈরি হয় ফোটন নামের আলোক- কনিকা। মহাবিশ্বের তাপমাত্রা কমে যাবার সাথে সাথে ইলেকট্রন/এন্টি- ইলেকট্রন যুগল উৎপন্নের হার, পরস্পরকে বিনাশের হারের চাইতে কমে যেতে থাকে। ফলে ফোটন উৎপন্ন হবার হার বেড়ে যায়। নিউট্রিনো/এন্টি-নিউট্রিনো যুগল কিন্তু এভাব পরষ্পরকে ধ্বংস করতে পারে না, তাই হয়তোবা আদি মহাবিশ্বের নিউট্রিনো/এন্টি-নিউট্রিনো আজো রয়ে গেছে! এদের দেখবার সরাসরি কোন উপায় নেই- কিন্তু সম্ভবত এ সেই অজানা বস্তু যার উপস্থিতির কারণে মহাবিশ্ব সম্প্রসারণের হার নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় থাকছে, এরই নাম বিজ্ঞানীরা দিয়েছেন ডার্ক ম্যাটার বা অন্ধকার বস্তু- পৃষ্ঠা- ৪৯ ও ১২৩।

নিউট্রিনো/এন্টি-নিউট্রিনোর  ডার্ক ম্যাটার হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে হকিং বলছেন;
We might be able to detect them indirectly; they could be a form of "dark matter." পৃষ্ঠা ১২৩

এভাবে আদি মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও তাপমাত্রা কমার ফলে উৎপন্ন ইলেকট্রন/এন্টি- ইলেকট্রন যুগল থেকে এসেছে আলো আর নিউট্রিনো/এন্টি-নিউট্রিনো আজো রয়ে গেছে অন্ধকার বস্তু হিসেবে। মহাবিশ্বের সৃষ্টির সময় আলো ও অন্ধকার সৃষ্টির কথা সূরা আনআমের প্রথম আয়াতে আল্লাহ বলছেন,

"সকল প্রশংসা আল্লাহরই যিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করিয়াছেন আর সৃষ্টি করিয়াছেন অন্ধকার ও আলো। এতৎসত্ত্বেও কাফিরগণ তাদের প্রতিপালকের সমকক্ষ দাঁড় করায়।"

মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের হার প্রতি একশ কোটি বছরে শতকরা পাঁচ থেকে দশ ভাগের মধ্যে থাকে। (পৃষ্ঠা-৪৯)। সম্প্রসারণের এই হার মহাবিশ্বের সূচনা থেকে শুরু করে দশ বিলিয়ন বছর পরও কেন প্রায় অপরিবর্তিত রয়ে গেছে এই প্রশ্নের জবাব হকিং কেবল খুঁজেই গেছেন, কিন্তু কোনো উত্তর পাননি ( পৃষ্ঠা-১২৮)। দেখা গেছে, বিগব্যাং-এর এক সেকেন্ড পর যদি সম্প্রসারণের  হার এক হাজার কোটি কোটি ভাগের এক ভাগ কম হতো, তাহলে মহাবিশ্ব আর আজকের অবস্থায় পৌঁছাতে পারতো না। হকিং বলছেন,
"If the rate of expansion one second after the Big Bang had been smaller by even one part in a hundred thousand million million, the universe would have re collapsed before it reached its present size."

 এতটাই  সূক্ষ্ম এই পরিমাপের হিসাব, একে কি বলা যায় ? কাকতালীয় নাকি অসীম জ্ঞানী কোন সৃষ্টিকর্তার পরিকল্পনা?
অবশ্য  মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় আরো অনেক কিছু খুবই সূক্ষ্ম হিসাব করে করা হয়েছে, যে হিসেব যদি এদিক-ওদিক হত এক চুল পরিমাণ নয়, বরং চুল পরিমাণের কোটি ভাগের এক ভাগ, তাহলে আর কোন প্রাণের বিকাশ ঘটত না। কিছু মৌলিক সংখ্যা ব্যবহার করে সমস্ত বৈজ্ঞানিক সূত্র তৈরি হয়। এমন মৌলিক সংখ্যার উদাহরণ হচ্ছে  ইলেকট্রনের বৈদ্যুতিক চার্জ এর মান, বা প্রোটন ও  ইলেকট্রনের ভরের অনুপাত ইত্যাদি (পৃষ্ঠা-  ১৩১)। হকিং বলছেন,

"The remarkable fact is that the values of these numbers seem to have been very finely adjusted to make possible the development of life. For example if the electric charge of the electron had been only slightly different, stars either would have been unable to burn hydrogen and helium, or else they would  not have exploded." (পৃষ্ঠা-  ১৩২)
আল্লাহ বলছেন, "তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করিয়াছেন সৃষ্ট জীবের জন্যে" সুরা আর রাহমান, আয়াত ১০

দেখা যাচ্ছে, পৃথিবীতে মানুষের আগমন কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং মহাবিশ্বের সূচনা থেকে (বিগ ব্যাং) আজকের দৃশ্যমান মহাবিশ্বর (যার দৈর্ঘ্য একের পর চব্বিশটা শূণ্য বসিয়ে যে সংখ্যা পাওয়া যাবে তত মাইল- পৃষ্ঠা ১৩) সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রন প্রোটনের ভর পর্যন্ত সমস্ত কিছুই পরিমাপ কৃত। পবিত্র কোরআনে আছে,

"আমি প্রত্যেক কিছু সৃষ্টি করিয়াছি নির্ধারিত পরিমাপে"- সূরা কামার আয়াত ৪৯

"-----তিনি সমস্ত কিছু সৃষ্টি করিয়াছেন এবং প্রত্যেককে পরিমিত করিয়াছেন যথাযথ অনুপাতে।" সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ২

"One can take this either as  evidence of a divine purpose in Creation." পৃষ্ঠা-  ১৩২। এই প্রমাণ পাবার পরও হকিং মাইন্ড অফ গড বুঝতে পারলেন না!

জানিনা, পবিত্র কোরআন পড়লে হকিং তার নাস্তিক‍্য মতবাদ থেকে সরে আসতেন কিনা, নাকি তার হৃদয় মোহরকৃত হয়ে গেছিল! পোস্টের আয়তন বেড়ে যাচ্ছে দেখে অনেক কিছু জিনিস না লিখে এখানেই ইতি টানলাম।

এই পোস্টে মহাবিশ্ব সম্পর্কে বিংশ শতাব্দীতে  অর্জিত অনেক জ্ঞান পবিত্র কোরআনের কোথায় কোথায় আছে আমি তার উল্লেখ করেছি। পোস্টে উল্লেখিত বিষয়ে কারো কোন জিজ্ঞাসা থাকলে  তার উত্তর দেবার চেষ্টা করব, কিন্তু কোনো অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যের উত্তর আমি দেব না।

মন্তব্য ৬৮ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৬৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


কোরান শরীফকে সম্প্রসারণ করে, শেষে হকিং'এর বইতে পরিণত করার চেষ্টা করছেন?
দেখিয়েন, আপনার কারণে শেষে পাঠক মনে করবেন যে, হকিং'এর বই হচ্ছে, কুরানের ইংরেজী অনুবাদ!

কোরানের ভুমিকা হলো ধর্মকে বিশুদ্ধভাবে তুলে ধরা; হকিং'এর ভাবনা হলো আমাদের চারিপাশের মহাবিশ্ব; এখানে আপনার ম্যাঁওপ্যাঁও যোগ করা কি সম্ভব হবে?



২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:০৯

করুণাধারা বলেছেন: কোরআন শরীফে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার আয়াত আছে, তার মধ্যে কিছু কিছু আয়াত আশ্চর্যজনকভাবে দেড় হাজার বছর পরের মহাকাশ বিজ্ঞান সম্পর্কিত জ্ঞান ও তথ্য জানাচ্ছে, আমি তার থেকে কিছু আয়াত কেবল উল্লেখ করেছি। ঠিক কি সম্প্রসারণ করে আমি কোরআন শরীফকে হকিং এর বই বানিয়ে ফেললাম এটা বুঝতে পারলাম না!!

দেখি, ম্যাঁওপ্যাঁও কিছু যোগ করা যায় নাকি! অন্য কোন ইউনিভার্স থেকে হয়তো কেউ সিগন্যাল হিসেবে ধরে ফেলবে। ;)

একটু সময় করে পোস্টটা পড়লে বাধিত হই।

ভালো থাকুন।

২| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্ট প্রথম বার পড়লাম। কিছুই বুঝলাম না।
২য় বার পড়ার পর কিছুটা বুঝলাম। তাই তর্কে গেলাম না।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

করুণাধারা বলেছেন: যদি একটু বুঝিয়ে বলতেন কী বোঝেননি, তাহলে আমি বুঝতে পারতাম কি আমি বোঝাতে পারিনি! যাহোক, কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকুন সব সময়।

৩| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


নবী (স: ) জীবিত থাকা অবস্হায়, ও খলীফা ওমরের সময়, আরবেরা কোরান বুঝতেন; কিন্তু মহা বিশ্ব বুঝতেন না; এখন মানুষ কোরান বুঝেন, ও মহা বিশ্বের কিছুটা বুঝেেন!

তা'হলে, মহা বিশ্বকে সম্পর্কে মানুষের ধরণা বেড়েছে; হকিং মহা বিশ্বকে সাধরণ মানুষ থেকে হাজার গুণে বেশী অনুধাবন করেছেন; কোরানে আগে যা ছিল মহা বিশ্ব সম্পর্কে, এখনো তাহাই আছে; ফলে, কোরানের পাঠকেরা মহা বিশ্ব সম্পর্কে হকিং'এর সমান জানে না।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৫৫

করুণাধারা বলেছেন: ফিরে এসে মন্তব্য করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

পদার্থবিজ্ঞানে একটা কথা আছে, phase difference। আপনার ভাবনার সাথে আমার ভাবনার phase difference আছে ।আপনার ভাবনা নিয়ে আপনি থাকুন, আমি আমার মত ভাবি।

৪| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:১৭

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: আপনার এই পোস্টটা এক কথায় স্বর্ণাক্ষরে বাঁধিয়ে রাখার মত। বিরুদ্ধবাদীরা এখানেও বিভিন্ন ধরনের ছিদ্রান্বেষণের চেষ্টা করবে। ক্যাচাল বাধিয়ে কুরআনের আয়াতকেও ভুল বলে দাবি করে বসতে পারে। ওসব কথায় কান না দিয়ে আপনি নিজের কাজ করে যান।আপনার জন্য শুভকামনা।

পোস্ট প্রিয়তে নিলাম।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১৬

করুণাধারা বলেছেন: আপনার মন্তব্যে আমি আপ্লুত হলাম, সম্রাট ইজ বেস্ট। অসংখ্য ধন্যবাদ।

কুরআনের কিছু আয়াত উল্লেখ করেছি, অতএব আমাকে ভুল প্রমাণ করবার জন্য অনেকেই সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা চালাবেন, সেটা আমি জানি। এসব না করে যদি তারা একবারের জন্য পোস্ট টা পড়তেন তবে হয়তো কিছু জানতে পারতেন! স্টিফেন হকিং এর আমার ভালো লেগেছে "We are all time travellers journeying together into the future. But let's work together to make that future a place we want to visit."

পোস্টে লাইক দিয়েছেন এবং পোস্টটি প্রিয়তে নিয়েছেন- এটা আমার জন্য অনেক অনুপ্রেরণার। আপনারর জন্য এই ভিডিওটি।
Before I Die - You Must Know This About The Futur…: http://youtu.be/vsWnynNMCzk

৫| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


স্টিফেন হকিংসকে নিজের মত থাকতে দিন।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:১৮

করুণাধারা বলেছেন: আদেশ শিরোধার্য করে নিলাম।

নিশ্চিন্তে থাকুন, ভালো থাকুন।

৬| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ৯:২৩

মধ্যবিত্তের ছেলে বলেছেন: চাঁদগাজী সাহেবকে চাঁদে পাঠানো হোক। সেখানে ঘুড়ে মহাকাশ গবেষণা করুক। হে হে হে

লেখক, কিছু মনে করবেন না, কথাটা বলেছি কারণ আমার মনে হয় উনি মস্তিষ্ক বিকৃত টাইপের মানুষ। কিছু না বুঝেই মন্তব্য করে থাকেন।

লেখাটা পড়ে ভাল লেখেছে।।

২৩ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:১৮

করুণাধারা বলেছেন: চাঁদগাজী ট্রাক্টরে চড়ে চাঁদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, দৃশ্যটা কল্পনা করে আমিও হেসে ফেললাম।

এই পোস্টটা অনেকেরই ভাল লাগবে না এটা জেনেই আমি পোস্ট করেছি, এর মাঝে যদি কেউ বলে ভাল লেগেছে তবে মনে হয় পোস্ট দেয়া সার্থক হয়েছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন।

৭| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১:৫৫

সিসৃক্ষু বলেছেন: আমি স্তম্ভিত।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:১৩

করুণাধারা বলেছেন: সিসৃক্ষু, আপনি কেন স্তম্ভিত ঠিক বুঝতে পারলাম না! তবু, আমার ব্লগে আপনার উপস্থিতিতে আমি আনন্দিত।

ধন্যবাদ, ভালো থাকুন।

৮| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৪১

ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ বলেছেন: @করুণাধারা-১.স্টিফেন হকিং-র A brief history of time কোনো বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের একাডেমিক বই নয়। এটি একটি জনপ্রিয় ধারার বিজ্ঞান গ্রন্থ। এই গ্রন্থটির মূলবিষয় বিশ্বজগতের উৎস-সন্ধান। পাশ্চাত্যের নামকরা অনেক বিজ্ঞানী সাধারণ মানুষের জন্য সহজবোধ্য ভাষায় বিজ্ঞান গ্রন্থ লিখেন। যেমন স্টিফেন হকিং, কার্ল সাগান, মিশিও কাকু। আপনাকে Academic book এবং Popular science book- এর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে।
২.হকিং এর বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৮ সালে। আপনি পড়েছেন ১৯৯৩ সালে। পড়েই আপনার মনে হয়েছিল কোরআন শরীফ একবার পড়তে পারলে হকিং অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যেতেন। আপনি ২৫ বছর সময় পেয়েছিলেন। কেন কোরআন শরীফের একটি ইংরেজী অনুবাদ তার কাছে পাঠাতে পারেননি ?
৩. কোরআন শরীফে যখন এত বৈজ্ঞানিক তথ্যের সমারোহ তখন ৫০টির অধিক মুসলিম দেশের ১৬০ কোটি মুসলিমরা আজ আধুনিক বিজ্ঞানে এত পিছিয়ে কেন ?
৪ . ইহুদি-নাসারা বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারের পর কেন এসব কথা আপনাদের চোখে পড়ে?
৫ .সংশয়, প্রশ্ন, তত্ত্ব,পরীক্ষা, প্রমাণনির্ভর বিজ্ঞান দিয়ে বিশ্বাসনির্ভর ধর্ম- কে defend/ promote করার কি দরকার ?

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:১৫

করুণাধারা বলেছেন: ভিন্নচিন্তা ভিন্নমত ভিন্নপথ, আপনি আমার পোস্ট পড়েননি। ভাসাভাসা ভাবে কিছুটা পড়ে বুঝেছেন আমি স্টিফেন হকিং এর বইয়ের অনেক তথ্য যে কোরআন শরীফে আছে, এটা নিয়ে লিখেছি। যদিও পোস্টের শেষে আমি জানিয়েছিলাম যে, পোষ্টের সাথে প্রাসঙ্গিক নাহলে আমি মন্তব্যের উত্তর দিব না, আর আপনার প্রশ্নগুলো প্রাসঙ্গিক নয়, তবুও আপনার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি।
-১.স্টিফেন হকিং-র A brief history of time কোনো বিশ্ববিদ্যালয় লেভেলের একাডেমিক বই নয়। এটি একটি জনপ্রিয় ধারার বিজ্ঞান গ্রন্থ। এই গ্রন্থটির মূলবিষয় বিশ্বজগতের উৎস-সন্ধান। পাশ্চাত্যের নামকরা অনেক বিজ্ঞানী সাধারণ মানুষের জন্য সহজবোধ্য ভাষায় বিজ্ঞান গ্রন্থ লিখেন। যেমন স্টিফেন হকিং, কার্ল সাগান, মিশিও কাকু। আপনাকে Academic book এবং Popular science book- এর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে।

--পার্থক্যটা বুঝতে পারলে আমার কি উপকার হত? আমি কি বইয়ের ধরন নিয়ে কোন আলোচনা করেছি এখানে? পোস্টের বক্তব্যের সাথে এই মন্তব্যের প্রাসঙ্গিকতা কোথায়?

২.হকিং এর বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৮ সালে। আপনি পড়েছেন ১৯৯৩ সালে। পড়েই আপনার মনে হয়েছিল কোরআন শরীফ একবার পড়তে পারলে হকিং অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যেতেন। আপনি ২৫ বছর সময় পেয়েছিলেন। কেন কোরআন শরীফের একটি ইংরেজী অনুবাদ তার কাছে পাঠাতে পারেননি ?

--আমি কি কাজ, কেন করিনি, তার জবাবদিহিতা আপনাকে করবো কেন?

৩. কোরআন শরীফে যখন এত বৈজ্ঞানিক তথ্যের সমারোহ তখন ৫০টির অধিক মুসলিম দেশের ১৬০ কোটি মুসলিমরা আজ আধুনিক বিজ্ঞানে এত পিছিয়ে কেন ?
--এই প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারি, কিন্তু দেব না!


৪ . ইহুদি-নাসারা বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারের পর কেন এসব কথা আপনাদের চোখে পড়ে?
৫ .সংশয়, প্রশ্ন, তত্ত্ব,পরীক্ষা, প্রমাণনির্ভর বিজ্ঞান দিয়ে বিশ্বাসনির্ভর ধর্ম- কে defend/ promote করার কি দরকার ?

--অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন। উত্তর দেবার কোন দায় আমার নেই।

৯| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৯:৪৭

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: যারা মহান আল্লাহকে বিশ্বাস করেনা তাদের কে যতকিছু দিয়েই বোঝান না কেন কিছুই বুঝবে না।

২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ১১:১৯

করুণাধারা বলেছেন: ঠিক বলেছেন, মোস্তফা সোহেল, এটা কিছুতেই বিশ্বাস করবার নয়। নিজেরাও বিভ্রান্ত, অন্যকেও বিভ্রান্ত করতে চায়।

মন্তব্য এবং প্লাসে অনুপ্রাণিত হলাম। অজস্র ধন্যবাদ।

১০| ২৪ শে এপ্রিল, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৮

গড়ল বলেছেন: সব কিছু আবিষ্কার হওয়ার পর কোরান থেকে বের হয় কেন, কোরান বিশেষজ্ঞরা কি তাহলে অথর্ব? এত মুফতি, এত এত আলেম ওলামা তারা কেউ এইটা বলতে পারল না? ওদের মাথায় গু না গোবর?

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২০

করুণাধারা বলেছেন: কোরআন শরীফ কোন বিজ্ঞান গ্রন্থ নয়। এটা ধর্মগ্রন্থ, জীবন বিধান। যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস করে তাদের জন্য হেদায়েত, উপদেশবাণী। এই উপদেশ বানীর মাঝে মাঝে অনেক বৈজ্ঞানিক তথ্য আছে। দেড় হাজার বছর আগের মানুষের সেই বিজ্ঞানের জ্ঞান ছিল না, তাই তারা তখন এটা বুঝতে পারেনি। এখন তারা সেই জ্ঞান অর্জন করেছে, তাই তারা বুঝতে পারছে এই তথ‍্য কোরআনে আগে থেকেই আছে। একে বলে Quranic miracle. আপনি এটা বিশ্বাস করুন বা না করুন, আমার কিছুই করার নেই।

ভালো থাকুন।

১১| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

নাঈমুর রহমান আকাশ বলেছেন: কোরআনের সব কথাকে আক্ষরিক অর্থে ধরতে গেলে আসলেই অনেক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হবে। কারণ আল্লাহ তা'আলা কোরআনে বহুস্থানে রূপকার্থে শব্দ ব্যবহার করে অর্থ বুঝিয়েছেন।
সবসময় শুধু আভিধানিক অর্থ করে মহান পবিত্র গ্রন্থ কোরআন-কে রূপকথার গল্পে পরিণত করেছে আজকালকার মোল্লারা।

০৩ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫

করুণাধারা বলেছেন: ঠিক বলেছেন। কোরআনের আক্ষরিক অনুবাদ করতে গেলে অনেক বিভ্রান্তির অবকাশ থাকে। আল্লাহ আমাদের সব রকম বিভ্রান্তি থেকে হেফাজত করুন।

ভালো থাকুন।

১২| ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৮ রাত ১০:২৪

আজমান আন্দালিব বলেছেন: চমৎকার লেখা। কোরআনের আয়াত দিয়ে বর্তমান মহাবিশ্বের অনেক কিছু ব্যাখ্যা করা সম্ভব। আপনি লিখে যান। এই লেখাটিও সহজবোধ্য হয়েছে। এরকম লেখা আরও চাই।

০৩ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৩৮

করুণাধারা বলেছেন: আপনার মন্তব্যে আমি অনুপ্রাণিত হলাম, আজমান আন্দালিব। আপনি লেখাটি বুঝতে পেরেছেন জেনে ভাল লাগল। চেষ্টা করব, আবারো লেখার।

ভালো থাকুন।

১৩| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৪৫

খায়রুল আহসান বলেছেন: আমি সাধারণতঃ মূল পোস্ট পড়ার পর সবগুলো মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য পড়ে নেই। মূল পোস্টের বক্তব্য বুঝতে কোথাও অসুবিধে হলে অনেক সময় মন্তব্য প্রতিমন্তব্য থেকে অনেক না বুঝা বক্তব্য পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু আজ আমি আপনার এ অসাধারণ পোস্টটা পড়ে সরাসরি মন্তব্যে চলে এলাম আপনাকে সাধুবাদ জানাতে, এমন একটা কঠিন আলোচনাকে পবিত্র ক্বুর-আন এর আলোকে এত সহজ করে বুঝিয়ে দেয়ার জন্যে। আল্লাহ রাব্বুল 'আ-লামীন আপনার এ মহতি প্রয়াসকে কবুল করুন এবং সাফল্যমন্ডিত করুন!
আমি মনে করি, মাইন্ড অভ গড বুঝতে হলে বিজ্ঞানী হতে হয় না, একজন ধীশক্তিসম্পন্ন, চিন্তাক্ষম, সৎ বোধের মানুষ হলেই হয়।

০৩ রা মে, ২০১৮ দুপুর ২:৫৫

করুণাধারা বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেয়ে আমার মনের সংশয় দূর হলো, অসংখ্য ধন্যবাদ সেজন্য।

এই পোষ্ট লিখার আগে আমি খুব সংশয়ে ছিলাম, এমন বিষয় নিয়ে লেখা উচিত হবে কিনা এবং লিখার পর মন্তব্যাঘাত সামলাতে পারবো কিনা তাই নিয়ে। তবু লিখলাম, কারণ আমি আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাচ্ছিলাম।

এই বইটা আমি এমন একজন মানুষকে দেই যিনি আল্লাহকে নিয়ে কোনোরকম মাথা ঘামাতেন না। জানিনা কেন, ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম পড়ার কিছুদিন পরই তার কোরআন শরীফের অনুবাদ পড়ার ইচ্ছে জাগে। তিনি কোরআন শরীফ পড়লেন এবং আবিষ্কার করলেন বিংশ শতাব্দীতে আবিষ্কৃত cosmologyর অনেক তথ‍্য কোরআন শরীফে বলা আছে। এরপর থেকে তিনি নিয়মিত নামাজ ও কোরআন শরীফ পড়া শুরু করলেন।

আপনিসহ আরো দুজন আমার পোস্টে লাইক দিয়েছেন এবং পোস্ট প্রিয়তে নিয়েছেন, এটা আমার জন্য বিশাল অনুপ্রেরণার। ধন্যবাদ আরেকবার।

১৪| ২৮ শে এপ্রিল, ২০১৮ সকাল ৭:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: বেশ কিছু মন্তব্যের চমৎকার উত্তর দিয়েছেন। সেগুলোতে 'লাইক' +। ৫ নম্বরটা বেশী ভাল হয়েছে। :) :)

০৩ রা মে, ২০১৮ বিকাল ৩:০০

করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ আরেকবার ফিরে এসে অনুপ্রেরণা দেবার জন্য। বিতর্ক এড়াতে এমন প্রতিমন্তব্য!! আল্লাহর অশেষ রহমত যে তেমন কঠিন মন্তব্যাঘাত সামলাতে হয়নি!

ভালো থাকুন, শুভকামনা।

১৫| ০৪ ঠা মে, ২০১৮ সকাল ৯:৪৫

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সত্য বহুমাত্রিক। অবস্থান আর আপেক্ষিকতা এবং জানার ফেরে একই সত্য ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় উপস্থাপিত হতে পারে!

সমাজে একটা শ্রেণী আছে জ্ঞানান্ধ! তাদের কাছৈ বর্তমানই সব। এর স্বপক্ষে সকল যুক্তি তারা খোঁজে!
তাদের কাছে ধর্ম মানেই বাতিল একটা প্রিস্ট্যান্ড নিয়েই বসে থাকে।
অথচ জ্ঞানানুসন্ধানে এটা হতেই পারেনা। তাকে সবরকম সম্ভাব্য উৎসকে বিবেচনায় নিতে হবে। যদি প্রকৃত বিজ্ঞান মনস্ক হয়!
কিন্তু তারা আগেই কোরআনকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে তার জন্য প্রযোজ্য সূত্র, কু-যুক্তি, উৎস, সন্ধানে কোমর বেঁধে ঝাপিয়ে পড়ে!
তারা নিজেরা কোন পদার্থ নয়। বাই প্রোডাক্ট! ইসলামের বিরুদ্ধাচরণের জন্য আমেরিকা ব্রিটেনে সংসদে বাজেট পাস হয় এই সত্য তারা কাকের মতো চোখ বন্ধ রেখে অস্বীকার করতে চায়! তাদের কথায় কান দেবার দরকার নেই।

সত্য আলোর মতো।

০৪ ঠা মে, ২০১৮ দুপুর ১২:২২

করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ বিদ্রোহী ভৃগু, আপনার এই মন্তব্য আমার জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক।

আমি যা সত্য বলে জানতে পারি, যা আমার ভালো লাগে, তা সবার সাথে ভাগ করার জন্যই ব্লগে লেখা। হয়তো সবাই আমার মতো করে ভাবতে পারেন না, বা ভাবতেই চান না অথবা কোরআন শব্দটাই হয়ত তাদের মনে বিরূপতা এনে দেয়, তাই তারা বিরুদ্ধতা করেন। কিন্তু সত্য অপরিবর্তনশীল চিরকাল, আমরাই তাকে চিনতে পারিনা!!

সবসময় ভালো থাকুন, বিদ্রোহী ভৃগু।

১৬| ১১ ই মে, ২০১৮ সকাল ১০:৪৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: অত্যন্ত চমৎকার একটা মন্তব্যের জন্য বিদ্রোহী ভৃগুকে ধন্যবাদ, সেই সাথে যথোপযুক্ত প্রতিমন্তব্যের জন্য আপনাকেও।

২৫ শে মে, ২০১৮ সকাল ৯:২১

করুণাধারা বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ আবার ফিরে আসবার জন্য। আরেকটা জিনিস শেয়ার করার ছিল, যা পোস্ট বড় হয়ে যাচ্ছে দেখে তখন আমি দেইনি। এটা তাই আপনার জন্য: 

 মহাবিশ্বে, কিংবা আমাদের চারপাশের সমস্ত কিছুর মধ্যে একটা সামঞ্জস্যতা দেখা যায়। এই ব‍্যাপারটা আমাদের মত স্টিফেন হকিংকেও  অবাক করেছিল, তাই তিনি বলেছেন, "Why is   the universe so uniform on a large scale?" পৃষ্ঠা-১২৭।

অথচ সূরা মুলকে আল্লাহ বলছেন:

"যিনি সৃষ্টি করিয়াছেন স্তরে স্তরে সপ্তাকাশ। দয়াময় আল্লাহর সৃষ্টিতে তুমি কোন খুত দেখিতে পাইবে না; তুমি আবার তাকাইয়া দেখো, কোন ত্রুটি দেখিতে পাও কি?"

" অতঃপর তুমি বারবার দৃষ্টি ফিরাও, সেই দৃষ্টি ব্যর্থ ও ক্লান্ত হইয়া তোমার দিকে ফিরিয়া আসিবে।" সুরা মুলক, আয়াত ৩-৪

 আসলে আল্লাহর সৃষ্টিতে কোন খুঁত দেখতে পাওয়া যায় না। আল্লা মহান, এটা যেন সব সময় মনে রাখতে পারি- আল্লাহ যেন সেই তাওফিক দেন আমাদেরকে।

আপনি ভালো থাকুন, দোয়া রইল।

১৭| ২৫ শে মে, ২০১৮ সকাল ৯:৩৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: ১৬ নং প্রতিমন্তব্যে অভিভূত! আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ এবং দোয়া!

২৫ শে মে, ২০১৮ সকাল ৯:৪১

করুণাধারা বলেছেন: আরেকবার ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

১৮| ২৯ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৫

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: ৮ নম্বর মন্তব্যের মত আমার ও অনেক প্রশ্ন ছিল। কিন্তু আপ্নিত বলেই দিয়েছেন উনার কমেন্ট অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে বলে আপনি কোন প্রশ্নের উত্তর দিবেন না। পোস্ট করেছিলেন নিশ্চয় আলোচনা করার জন্য এ ব্যাপারটা নিয়ে। যদি তাই না হয় তাহলে এমন পোস্ট করার কি মানে হতে পারে!!!

২নম্বর প্রশ্নের যে উত্তর দিয়েছেন, একজন লেখকের কাছ থেকে এমন উত্তর পাওয়া কখনোর জন্যই সমিচিন নয়। ৩ নম্বর প্রশ্নের উত্তরটাতো আর হাস্যকর ছিল। যাই হোক ৪ নম্বর প্রশ্নের উত্তরটা নিয়ে বেশি আশাহত হইনি।

৩০ শে মে, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৯

করুণাধারা বলেছেন: এই ব্লগে কিছু ইসলাম বিদ্বেষী রয়েছেন যারা যখন কোন পোস্টে ইসলাম সম্পর্কিত কিছু দেখেন তখনই নানারকম অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করতে থাকেন। এমন বহু পোস্টে হয়েছে, তাই আমি আগেই জানিয়ে দিয়েছিলাম যেন কেউ অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন না করেন, আমি পোষ্টের প্রসঙ্গ ছাড়া অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দেই না। তারপরেও ৮নম্বর মন্তব্যকারী অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করেছেন, আমি তার মন্তব্যের উত্তর দিয়েছি। আপনার কি ধারণা এখন আমি আমার প্রসঙ্গে ছেড়ে ইহুদী-নাছারা নিয়ে আলোচনা করব? আমার পোষ্টের কোথায় আমি ইহুদি নাসারাদের প্রসঙ্গ এসেছে কথা বলেছি বলুন তো?

আপনি যদি আলোচনা করতে চান প্রশ্ন করে দেখুন, যে বিষয় নিয়ে আমি লিখেছি তা নিয়ে। দেখুন আমি উত্তর দেই কিনা। আমিতো বহু মন্তব্যকারীর প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। সেগুলো না দেখে, পোস্টের প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা না করে কাকে কি প্রতিমন্তব্য করলাম তার জবাবদিিতা চাইছেন?

সামুতে নতুন এসেছেন, কিভাবে মন্তব্য করতে হয় কিছুদিন থেকে শিখে নিন। নাহলে সেফ হতে সময় লাগবে।

১৯| ১৩ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৪১

মামুন রেজওয়ান বলেছেন: পোস্টের ব্যাপারে বলতে গেলে, লেখাটা অবশ্যই আমি কপি করে রাখব আমার জন্য। আর বিশেষ ক্ষেত্রে রেফারেন্স হিসাবে ব্যবহার করব, কপিরাইট ভঙ্গ না করেই। হয়তোবা লিখে বুঝানো সম্ভব না পোস্টটা পড়ে কতটা ভালোলাগার অনুভুতি তৈরী হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ এরকম মাস্টারপিস আরও আশা করছি আপনার কাছে।

১৮ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:২২

করুণাধারা বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেয়ে আমি গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হলাম। এই পোস্টটা দেয়ার সময় আমি শুনেছিলাম যদি কোন পাঠক না পাই তারপরও পোস্টটা ছোট রেখেছিলাম যেন বড় পোস্ট দেখে কেউ পড়তে পারি না হয় সেজন্য যা লিখতে চেয়েছিলাম তার অনেক কিছু বাদ দিয়েছি যেন আপনার জন্য বাদ দেয়া থেকে একটি বিষয় দিলাম স্টিফেন হকিং এই বইতে এবং অন্যত্র বারবার একাধিক মহাবিশ্বের কথা বলেছেন যেমন: "There may well be other regions of the universe or other universes......."পৃষ্ঠা-১৭৫

একাধিক মহাবিশ্বের কথা আছে কোরআনে:

"আল্লাহই সৃষ্টি করিয়াছেন সপ্ত আকাশ এবং উহাদের অনুরূপ পৃথিবীও, উহাদের মধ্যে নামিয়া আসে তাহার নির্দেশ যাতে তোমরা বুঝতে পারো যে, আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান এবং জ্ঞানে আল্লাহ সব কিছুকে পরিবেষ্টন করিয়া আছেন।" (সূরা তালাক আয়াত ১২)

আমার জ্ঞান অতি সামান্য, তবু যদি নতুন কিছু জানতে পারি ইনশাল্লাহ আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আশা করি সাথে থাকবেন।

ভালো থাকুন, শুভকামনা।

২০| ১৮ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৫৮

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: নিউট্রিনো একটা মেজোরানা পার্টিক্যাল এবং এটার চার্জ নিউট্রাল। এটা অন্ধকার কে বললো? ডিকে চ্যানেল তো এর আলোকময়। আর মহাবিশ্বসম্প্রসারনশীল এই অনুবাদ তো একেকজন একেকভাবে করছে। পিকথাল বলছে তার রহমত কত বিস্তৃত, আবার শাকির বলছে কিভাবে ছড়াইছে আবার ইউসুফ আলি বলছে অন্য কথা। হারুন ইয়াহিয়া যে কিনা কিছুদিন আগে তুরস্কের পুলিশের কাছে ধরা খাইছে প্রতারনা ও জোচ্চুরীর অভিযোগে সেই ক্রিমিনালেক অনুবাদেই খালি মহাবিশ্ব সম্প্রসারণ দেখা যায়।

আর যেই শব্দ নিয়া এই কাহিনী সেই মাহিদুন আসছে মাহাদা থেকে যার অর্থ হচ্ছে বিছানা। এইখান থিকাই মক্কার প্রয়াত জঙ্গি গ্রান্ড খতিব ইবনে বায পর্যন্ত বিশ্বাস করতো দুনিয়া গোল না, সমতল। পরে আরবের প্রিন্স নাসার রকেটে ঘুইরা আইসা ইবনে বাযরে ঠান্ডা করে।

আর বাকি সব আয়াতোর কাহিনী বহু আগেই ব্লগে রেফারেন্স সহ আলোচনা করে দেখানো হইছে কেমনে এগুলা করি পেস্ট বা লোকমুখে শুনে লেখা হইছে এবং সময়ের পরিক্রমায় অনুবাদও পাল্টেছে।

হাস্যকর লাগে এসব যুক্তি

১৯ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৩৯

করুণাধারা বলেছেন: প্রথমেই বলে নেই, পদার্থবিদ্যায় আমার জ্ঞান খুব বেশি না। তাই নিউট্রিনো কি ধরনের কনিকা তা নিয়ে আমি বিশদ আলোচনা করতে অক্ষম, জানার তেমন কোনো ইচ্ছেও আমার নেই। আমি শুধু হকিংয়ের কথা উদ্ধৃত করেছি, তা the origin and fate of the universe- এই অধ্যায় থেকে নেয়া, আপনি দেখতে পারেন, পৃষ্ঠা 123।

মহাবিশ্ব সম্প্রসারণশীল- এই কথাটি যে আয়াতে আছে তা আমি কোন অনুবাদে পড়ে  বুঝিনি, এটা নিজেই বুঝতে পেরেছি। আপনাকে বলছি কিভাবে:

মূল আয়াত: ওয়াস সামায়া বানাইনা হা বিআইদিন ও ইন্না লামু'সিউন।

এখানে ওয়াস সামায়া- এবং আকাশসমূহ
          বানাইনা - বানিয়েছি আমরা
          হা- তা
          বিআইদিন- দিয়ে আমার হাত
          ও- এবং
          ইন্না- নিশ্চয়ই আমি
          লামু' সিউন- অবশ‍্যই প্রসারণকারী

অন্যের অনুবাদে নয়, আমি নিজের অনুবাদেই সম্প্রসারণ শব্দটি পেয়েছি। আপনি মাহাদা আমার লেখায় কিসে পেলেন বুঝলাম না! আমি এমন কোন শব্দের উল্লেখ করিনি।

আমি শুধু আমার ভাবনাটা প্রকাশ করেছি,  বিশ্বাস করবার জন্য আপনাকে জোর করছি না।

 ধন্যবাদ, আমার পোস্টে এসে মন্তব্য করবার জন্য।
 
ভাল থাকুন, শুভকামনা রইল।

২১| ২০ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৪১

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আমি শুধু হকিংয়ের কথা উদ্ধৃত করেছি, তা the origin and fate of the universe- এই অধ্যায় থেকে নেয়া, আপনি দেখতে পারেন, পৃষ্ঠা 123।

ভাই সেটা তো ডার্ক ম্যাটারের কথা বলা হইছে। আপনি পদার্থবিজ্ঞান না জেনেই লিটারেল কোট করে এত বড় প্রবন্ধ লিখেছেন?

হোলি কাউ!

২৬ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৭

করুণাধারা বলেছেন: তাইতো লিখে ফেললাম দেখছি!!!!

২২| ২৯ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:১৮

উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: মুশকিল হল কোরান অধ্যয়নের মাধ্যমে অবিশ্বাসীদের অবিশ্বাস বাড়ার সম্ভাবনাই বেশী। এ এক সুপার প্যারাডক্স।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৯

করুণাধারা বলেছেন: এত পিছনের পোস্টে মন্তব্য করায় ধন্যবাদ, উম্মু আবদুল্লাহ। আসলে আমি কোন নোটিফিকেশন পাইনি, তাই উত্তর করতে এত দেরী হলো।

আপনি ঠিকই বলেছেন, আমি যাকেই কোরআন পড়তে বলেছি, তাকেই দেখেছি অবিশ্বাস করতে। অদৃশ্যে বিশ্বাস করা সকলের জন্য নয়।

২৩| ২৯ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:০০

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: উম্মে আব্দুল্লাহ কারন কোরানে নতুন কিছু নাই। বেশীরভাগই তখন মিশরীয় ও গ্রীক দার্শনিকদের মিথ থেকে শুনে লেখা আর কিছু আছে বাইবেল ও নিজের পর্যবেক্ষন মিশ্রিত যার সবই পরে ভুল প্রমানিত হয়েছে বা এখন সুইডো সায়েন্সে জায়গা করে নিছে

০৯ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

করুণাধারা বলেছেন: আপনি তো আমার উদ্দেশ্যে কিছু বলেননি। আশা করি উম্মু আবদুল্লাহ আপনার মন্তব্যের উত্তর দেবেন। :)

২৪| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:৫৩

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: আধুনিক পদার্থবিদ্যা নিয়ে লেখা সহজ নয়, কারণ এতে নানা তত্ত্ব, শাখাতত্ত্ব প্রচলিত যার ব্যাপারে মানুষের ধারণা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত ও সম্প্রসারিত হচ্ছে। তবে কোনো বইয়ের উপর লিখলে বইটি ভালোভাবে পড়ে বুঝে নেয়া উচিত। তাতে
(১) সকল পাঠকের সঙ্গে সাবলীলভাবে পারস্পরিক আলোচনা এগিয়ে নেয়া যায়।
(২) অতি চালাক পাঠক যদি নিজে উক্ত বই না পড়ে ফাঁপড় নেয়ার চেষ্টা করেন, তার সঙ্গেও যৌক্তিক তর্কে অবতীর্ণ হওয়া যায় জারিজুরি বিষয়ে।

হকিং তাঁর the origin and fate of the universe অধ্যায়ের “However, if neutrinos are not massless, but
have a small mass of their own, as suggested by some recent experiments, we might be able to detect them indirectly: they could be a form of “dark matter,” like that mentioned earlier, with sufficient gravitational attraction to stop the expansion of the universe and cause it to collapse again.” অংশে মূলত নিউট্রিনোর ডার্ক ম্যাটার হওয়ার সম্ভাবনার কথাই বলেছেন এবং ইঙ্গিত দিয়েছেন মহাবিশ্বের পুরো ডার্ক ম্যাটারের খুব বড় একটি অংশ বা প্রায় পুরো অংশটি হতে পারে নিউট্রিনো। ১৯৬০-এর দশক থেকে পরবর্তী কয়েক দশক পর্যন্ত এ ধারণা বেশ জনপ্রিয় ছিল। বর্তমানেও নিউট্রিনোর ডার্ক ম্যাটার হওয়ার সম্ভাবনা অকাট্যভাবে বাতিল হয়নি, তবে তা ডার্ক ম্যাটারের হয়তো ক্ষুদ্র একটি অংশ।

দ্বিতীয়ত, নিউট্রিনোর ডিকে চ্যানেল আলোকময় না অন্ধকারময়, তার সঙ্গে নিউট্রিনোর নিজের আলোকময় বা অদৃশ্য হওয়ার ব্যাপারটি অপ্রাসঙ্গিক, সোডিয়াম ধাতু ও ক্লোরিন গ্যাসের বিষাক্ত হওয়ার সঙ্গে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণটির খাবারের স্বাদবর্ধক হওয়া যেরূপ অপ্রাসঙ্গিক।

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৪

করুণাধারা বলেছেন: নিউট্রিনো একটা মেজোরানা পার্টিক্যাল এবং এটার চার্জ নিউট্রাল। এটা অন্ধকার কে বললো? ডিকে চ্যানেল তো এর আলোকময়। 

কে একথা বলেছে তা আমি আমার পোস্টে বলেছি, " নিউট্রিনো/ এন্টি নিউট্রিনো ডার্ক ম্যাটার হবার সম্ভাবনা নিয়ে হকিং বলেছেন, 'They could be a form of dark matter.....' পৃষ্ঠা-১২৩"

আমি জানি আধুনিক পদার্থবিদ্যা নিয়ে লেখা সহজে নয়। আমি পদার্থবিদ্যা নিয়ে লেখার কোন চেষ্টাও করিনি। আমি শুধু একজন বিজ্ঞানীর ভাবনাকে ধরতে চেয়েছি, হুবহু তারই উক্তি ব্যবহার করে। আমার লেখার উদ্দেশ্য ছিল পবিত্র কোরআনে সৃষ্টি তত্ত্ব নিয়ে যে অজস্র আয়াত আছে, তার কয়েকটি উল্লেখ করা এবং ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম বইটির উল্লেখ এটা দেখাতে যে, সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে এই জ্ঞান মানুষ অর্জন করেছে কেবল বিংশ শতাব্দীতে।

পবিত্র কোরআনের এমন অসংখ্য আয়াত আছে, যা মহাবিজ্ঞানময়।  অনেকেই  কোরআন শরীফ অর্থ বুঝে পড়েন, কিন্তু লক্ষ্য করেন না যে, অনেক আয়াতেই আধুনিক বিজ্ঞানের কথা বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে বিজ্ঞানের যত অগ্রগতি হবে তত আরো আয়াতের অর্থ পরিস্ফুট হবে। আমার পোস্টের মূল উদ্দেশ্য ছিল যারা আগে এটা লক্ষ্য করেননি, তারা যেন এরপর থেকে কোরআন শরীফ পড়তে বসলে বিজ্ঞানময় আয়াতগুলোকে নিয়ে ভাবেন।
 
এই পোস্টটি দেবার আগে আমি অনেক ভেবে ছিলাম দেবো কিনা, কারণ কোথাও কোন পোস্টে 'আল্লাহ' শব্দের উল্লেখ দেখলেই কোন কোন ব্লগার অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করেন। আমার পোস্টটি পদার্থবিদ্যা বিষয়ক নয়, সেটা কেউ বুঝতে  পেরেও পদার্থবিদ্যা নিয়ে আমার সাথে আলোচনা করতে আগ্রহী হতে পারেন, কিন্তু আমার আগ্রহ নেই। আমি আমার পোষ্টে বলেই দিয়েছি, অপ্রাসঙ্গিক  মন্তব্যের কোন জবাব আমি দেবো না

আপনি আবারও ফিরে এসে মন্তব্য করেছেন, নিউট্রিনো/ এন্টি নিউট্রিনো এবং ডিকে চ‍্যানেল নিয়ে আলোচনা করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ।

ভালো থাকুন, দোয়া রইল।

২৫| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০১

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: আমি ফিরে এসে মন্তব্য করিনি, সেটি প্রথম মন্তব্য।
আমি বলতে চেয়েছি, উপরে কেউ কেউ যে অপ্রাসঙ্গিকভাবে নিউট্রিনোর কথা তুলে আপনাকে ফাঁপড় দেয়ার চেষ্টা করেছেন, বইটি ভালো করে পড়া থাকলে আপনি বিষয়টি আরও ভালোভাবে প্রত্যুত্তর করতে পারতেন, কারণ হকিং-এর বক্তব্যের ব্যাপারে আপনার কথা সঠিকই ছিল। ফলে অন্যের ফাঁপড় সত্ত্বেও আপনার জবাবটি জুৎসই হওয়া উচিত ছিল, যা হয়নি। অনেক সময় এরকম হয়, আপনি দেখবেন কিছু মানুষ কঠিন আলোচনা ও অপ্রাসঙ্গিক jargon দিয়ে তর্ক জিতে নিতে চান। :)

১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৮

করুণাধারা বলেছেন: ধন্যবাদ, ব্যাপারটি বুঝিয়ে বলার জন্য।

আগেরবার ভুল করেছিলাম, কিন্তু এবার আপনি সত্যিই ফিরে এসে মন্তব্য করলেন, সেজন্য আরেকবার ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

২৬| ১০ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

জেন রসি বলেছেন: অ্যা ব্রিফ হিস্টোরি অব টাইম পড়ে কুরআনে বিশ্বাসী হলেন নাকি কুরআন পড়ে হকিংকে জাস্টিফাই করলেন? ;)



১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:১৭

করুণাধারা বলেছেন: অ্যা ব্রিফ হিস্টোরি অব টাইম পড়ে কুরআনে বিশ্বাসী হলেন নাকি কুরআন পড়ে হকিংকে জাস্টিফাই করলেন?


আগে পড়েছি কুরআন, কিছু জিনিস জানলাম। তারপর ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম সেই জিনিস গুলো আবার জানলাম।

হকিংকে জাস্টিফাই করি নি। মামাবাড়ি বেরিয়ে এসে মায়ের কাছে মামাবাড়ির বর্ণনা দিলে মায়ের যেমন মনে হয়, কোরআন শরীফ পড়ার পর হকিং এর বই পড়ে আমারও তেমন মনে হয়েছিল। সেটাই বলতে চেয়েছি।

আমার পোস্টে আপনাকে পেয়ে খুব ভালো লাগলো, জেন রসি। ভালো থাকবেন।


২৭| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:১৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: দেখি, ম্যাঁওপ্যাঁও কিছু যোগ করা যায় নাকি! অন্য কোন ইউনিভার্স থেকে হয়তো কেউ সিগন্যাল হিসেবে ধরে ফেলবে। - বেশ মজা পেলাম এ প্রতিমন্তব্যটা পড়ে! :)

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:২৩

করুণাধারা বলেছেন: আবারো ফিরে এসে মন্তব্য করায় কৃতজ্ঞতা।

চাঁদগাজীর মন্তব্য আগে বুঝতে পারতাম না, ইদানিং মনে হয় বুঝতে পারছি, এবং উপভোগ করছি। তাই তার স্টাইলেই প্রতি মন্তব্য করার চেষ্টা করি। আপনার ভালো লেগেছে জেনে আমারও ভালো লাগলো।

শুভকামনা রইল।

২৮| ২৬ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১১:৪৩

বাকপ্রবাস বলেছেন: মন্তব্য পড়তেই যেন মজা বেশী হা হা হা, আপনার লেখাগুলো মনে থাকবে, হাতে সময় নিয়ে ধীরে পড়তে হবে।

২৬ শে আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৫

করুণাধারা বলেছেন: মন্তব্য পড়তেই যেন মজা বেশী

আমি অবশ্য আপনার মন্তব্য পড়ে মজা নয়, অনুপ্রেরণা পেলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।

আশা করি সাথে থাকবেন, শুভকামনা রইল।

২৯| ৩০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৫৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: বহিখানা আরো একবার পড়িতে হইবেক দেখছি। অবশ্য আমার কম্পিউটার টেবিলেই ওটা আছে। বিপুলা পৃথিবীর পাশে।

০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৩০

করুণাধারা বলেছেন: এই বইটা বারবার পড়তেও বিরক্তি আসে না........

মন্তব্য আর প্লাসের জন্য ধন্যবাদ।

শুভকামনা রইল।

৩০| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৩৭

শের শায়রী বলেছেন: অনুযোগ থেকে গেল বোন এই পোষ্ট আপনি আমাকে কোন একটা পোষ্টের লিঙ্কে দিলেই পারতেন, তাহলে এয় দিন অপেক্ষা করতে হত না। আপনার এই পোষ্ট টা আমার কিছু ব্যাপারে অনুপ্রেরনা হয়ে থাকল। ব্লগে কয়েকটা ব্যাপার নিয়ে লিখতে আমি চিন্তিত ছিলাম সে চিন্তা থেকে দুরীভুত।

ধর্ম ও বিজ্ঞান আসলেই কি সাংঘর্ষিক এই পোষ্ট টা কি দেখছিলেন আপা? অনেক ধন্যবাদ একটা সুন্দর বিষয় অবতারনার হকিন্সের ব্লাক হোল নিয়া আর মহাবিশ্ব নিয়া বই আছে আমার কাছে দেখতে হবে আবার।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৫৫

করুণাধারা বলেছেন: আপনি যে এই পোস্ট পছন্দ করবেন আমি ভাবতেই পারি নি। এখন পড়তে গিয়ে মনে হচ্ছে খুব অগোছালো ভাবে লিখেছিলাম।

আপনার পোস্টটা দেখলাম, আমার পছন্দের বিষয়ে খুব ভালো লিখেছেন। সেসময় ক'দিন ব্লগে আসা হয় নি, তাই মিস করে গেছিলাম। সময় নিয়ে এই পোস্টে মন্তব্য করব, আশা করছি।

শুভকামনা রইল।

৩১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৫০

অনল চৌধুরী বলেছেন: অতএব এখন থেকে ইউরোপ-এ্যামেরিকা-পূর্ব এশিয়াসহ বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে উন্নত সব দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বাধ্যতামূলকভাবে ব্রুনো,কোপার্সিকাস,গালিরিও,ডারউইন,মার্কস,ফ্রয়েড আর হকিং-এর জীবন ও তত্ত্ব পড়ানো বাদ দিয়ে বাইবেল পড়ানো উচিত !!!!!

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৫৭

করুণাধারা বলেছেন: আমার পোস্টে কোথাও তো বাইবেলের উল্লেখ করিনি, আপনার এই মন্তব্যর অর্থ বুঝতে পারছি না।

৩২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:২৫

এভো বলেছেন: ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই পোষ্টটা দেওয়ার জন্য ;
সুরা যারিয়াতের ৪৭ তম আয়াতের যে অনুবাদটা আপনি দিয়েছেন সেটা আমি চেক করে দেখলাম - মহা সম্প্রসারনকারি শব্দটি নেই --
সুরা ৫১ আয়াত ৪৭ ---- আমি স্বীয় ক্ষমতাবলে আকাশ নির্মাণ করেছি এবং আমি অবশ্যই ব্যাপক ক্ষমতাশালী।
With power and skill did We construct the Firmament: for it is We Who create the vastness of pace.

ভাই আমরা জানি বিংগ ব্যাগ হয়েছিল ১৪ বিলিয়ান বৎসর আগে, সুর্য সৃষ্ঠি হয়ে ছিল ৪.৫ বিলিয়ন বৎসর আগে এবং কয়েক মিলিয়ন বৎসর পরে পৃথিবী সুর্য হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে সৃষ্ঠি হয় কিন্তু কোরান অনুযায়ি আল্লাহতালা সবার আগে পৃথিবী সৃষ্ঠি করেছিলেন তার পর আকাশ নক্ষত্র ইত্যাদি , তাহোলে আমাদের কে কোরানের বক্তব্যকে ঠিক এবং বিজ্ঞানকে ভুল বলে ধরে নিতে হবে । হয়তো ভবিষতে বিজ্ঞানের তত্তটা ভুল প্রমাণ করে কোরানের বক্তব্যটা সঠিক বলে প্রমাণ হতে পারে ,

আল্লাহ পৃথিবী, গাছপালা প্রাণিজগত আগে সৃষ্টি করেছেন, এরপরে সপ্ত আকাশ বা মহাকাশ।
বলুন, তোমরা কি সে সত্তাকে অস্বীকার কর যিনি পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন দু’দিনে এবং তোমরা কি তাঁর সমকক্ষ স্থীর কর? তিনি তো সমগ্র বিশ্বের পালনকর্তা।
তিনি পৃথিবীতে উপরিভাগে অটল পর্বতমালা স্থাপন করেছেন, তাতে কল্যাণ নিহিত রেখেছেন এবং চার দিনের মধ্যে তাতে তার খাদ্যের ব্যবস্থা করেছেন-পূর্ণ হল জিজ্ঞাসুদের জন্যে।
অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ, অতঃপর তিনি তাকে ও পৃথিবীকে বললেন, তোমরা উভয়ে আস ইচ্ছায় অথবা অনিচ্ছায়। তারা বলল, আমরা স্বেচ্ছায় আসলাম।
অতঃপর তিনি আকাশমন্ডলীকে দু’দিনে সপ্ত আকাশ করে দিলেন এবং প্রত্যেক আকাশে তার আদেশ প্রেরণ করলেন। আমি নিকটবর্তী আকাশকে প্রদীপমালা দ্বারা সুশোভিত ও সংরক্ষিত করেছি। এটা পরাক্রমশালী সর্বজ্ঞ আল্লাহর ব্যবস্থাপনা।
কুরআন ৪১ঃ৯-১২

তোমাদের জন্য তিনি ভূ-মন্ডলের যাবতীয় বস্তু সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর নভমন্ডলের যাবতীয় বস্তু সৃষ্টি করিয়াছেন, অতঃপর নভোমন্ডলের প্রতি দৃষ্টি দিয়া ইহাকে সাত স্তরে বিভক্ত করিয়াছেন, তিনিই সকল বস্তু সম্পর্কে পরিজ্ঞাত।
কুরআন ২ঃ২৯

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:১৮

করুণাধারা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ এভো, বিস্তারিত মন্তব্য করার জন্য।

আমি বলেছি আমি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কোরআনুল করিমের অনুবাদ ব্যবহার করেছি। এছাড়া আমি এটা অনেকবার চেক করেছি, এখানে সম্প্রসারণকেই বোঝানো হয়েছে। আপনিও দেখতে পারেন, Quran/ 51/47 লিখে সার্চ দিয়ে।

আসলে বিশ্ব-ব্রম্মান্ড এত নিখুঁত ভাবে সৃষ্টি করা যে এটা কোন পরিকল্পনাহীন সৃষ্টি হতেই পারে না। পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর না ঘুরলে দিন রাতের সৃষ্টি হত না। এই কথা বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে মাত্র কয়েকশ' বছর আগে, অথচ পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বারবার আমাদের মনে করিয়ে দিয়েছেন এ সম্পর্কে ভাবতে...

কোরআন শরীফের অনেক কথা রূপক, এটা আল্লাহই বলেছেন। তাই সবকিছুর অর্থ বুঝতে পারি এমন নয়, তবে নিকটবর্তী আকাশ বলতে আমার মনে হয় মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি, যা আমরা দেখতে পাই।

৩৩| ২১ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:০৯

মা.হাসান বলেছেন:

২৩ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯

করুণাধারা বলেছেন: এমন পন্ডিত মানুষকে আনলেন, যার সম্পর্কে খুব কম জানি। :(

শুধু জানি কোনোকালে উনি বলেছিলেন, "To live is to suffer, to survive is to find some meaning in the suffering." আজকাল খুব মনে হয়।

ভালো থাকুন, শুভকামনা।

৩৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১০:৩৬

মা.হাসান বলেছেন: আসলে দু-চারটা নাম জানা ছাড়া পন্ডিত ব্যক্তিদের সম্পর্কে আমার ধারণা ভাসা ভাসা :(
হাদিসে সম্ভবত জ্ঞানীদের সংজ্ঞা এভাবে দেয়া আছে- যারা মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুর প্রস্তুতি নেয় (বা পাথেয় সংগ্রহ করে)।

যেখানে বিশ্বাস করা দরকার সেখানে প্রশ্ন করা বা যেখানে প্রশ্ন করা দরকার সেখানে বিশ্বাস করার আমার কাছে গোলমেলে মনে হয়। কোথায় যেন শুনেছিলাম-- The problem is not people being educated; the problem is that they are educated just enough to believe what they have been taught-- but not educated enough to question what they have been taught.

২৮ শে আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৪:৪৫

করুণাধারা বলেছেন: মন্তব্যখানা ২/৩ বার পড়ার পরও মাথার উপর দিয়েই গেল... :(

ধর্ম বা বিজ্ঞান সম্পর্কে আমার জ্ঞান খুব অল্প। তাই আমি এই পোস্টে কুরআনের বা বিজ্ঞানের কোন বিষয় নিয়ে নিজের কোন মতামতও দেই নাই। শুধু আমার কাছে যা আশ্চর্যজনক মনে হয়েছে এমন কিছু উদ্ধৃতি দিয়েছি। কোথাও ভুল করলাম নাকি!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.