| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লেখা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের চিঠির বাংলা
হোয়াইট হাউস
ওয়াশিংটন
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মহামান্য তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
ঢাকা।
প্রিয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আমেরিকান জনগণের পক্ষ থেকে আমি আপনার ঐতিহাসিক নির্বাচনে জয়লাভের জন্য অভিনন্দন জানাই। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার সফল মেয়াদের জন্য শুভকামনা রইল।
আমাদের দুই দেশের অংশীদারিত্ব পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একটি মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। আমি আশা করি, আপনার মেয়াদের শুরুতে আমাদের বাণিজ্য সম্পর্কের গতিশীলতা বজায় রাখতে আপনি সহায়তা করবেন। বিশেষ করে আমাদের পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি (Agreement on Reciprocal Trade) বাস্তবায়নে কাজ করবেন, যা উভয় দেশের কৃষক ও শ্রমিকদের জন্য উপকারী হবে।
আমি আরও আশা করি যে, আপনি রুটিন প্রতিরক্ষা চুক্তিগুলো সম্পন্ন করতে জোরালো পদক্ষেপ নেবেন। এর ফলে আপনার সামরিক বাহিনী বিশ্বের সেরা আমেরিকান সরঞ্জাম ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের সম্পর্ককে আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী করতে আপনার সাথে কাজ করার প্রত্যাশা করি। বাংলাদেশে নিযুক্ত আমার রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমরা একসাথে আমাদের উভয় জাতিকে আরও সমৃদ্ধ ও নিরাপদ করার সুযোগ পাব।
আগামী দিনগুলোর জন্য আপনার সাফল্য কামনা করি।
বিনীত,
ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প
প্রেসিডেন্ট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
তরজমা: বাংলাদেশ এখন থেকে সামরিক সরঞ্জাম চায়না- রাশিয়া থেকে কিনতে পারবে না; আমেরিকা থেকে কিনবে। বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্যের বাজার খুলে দিতে হবে। আমেরিকা থেকে এলএনজি আমদানি করতে হবে; বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে হবে। তুলা আমদানি করতে হবে আগের চেয়ে বেশি। পোল্ট্রি ও মংস্য থেকে সাবসিডি কমাতে হতে পারে(বিশেষ ক্ষেত্রে)। চিটাগাং বন্দরের এনসিটি টারমিনাল খুব সম্ভবত নির্বাচিত সরকার dp world কে ইজারা দিতে বাধ্য হবে। চায়না নতুন আমেরিকান রাষ্ট্রদূত কে নিয়ে বেশ সতর্ক ! এসব কারণে ইন্টেরিম সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারেক রহমানের মন্ত্রণালয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছেন। এসব কিছুই গ্রান্ড ডিজাইনের অংশ।

২|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৪৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই চুক্তির মেয়াদ ১৫ বৎসর,
...............................................................................................
সেনা নৌ বা স্হল কেউই পছন্দের বিমান বা ফাইটার বা প্রতিরক্ষা সরন্জাম
কিনতে পারবেনা ।
বিষয়টি যে কতবড় গোলামী চুক্তি এখনও অনেকে বুঝতে পারছেনা ।
গতকাল দেখলাম পোষাক শিল্পের নেতৃবৃন্দ মাত্র সোচ্চার হচ্ছে এই বিষয় নিয়ে ।
ঢাকাস্হ সূদীজন বলতে শুরু করেছে , এই ১৭ মাসের চুক্তিসমূহ যাচাই করার জন্য ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:০০
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমেরিকা বা রাশিয়া অথবা চীন - এই দেশগুলোর যে কোন একটার সাথে চুক্তি ছাড়া উপায় নেই।
এক্ষেত্রে, আমেরিকা আমার প্রথম পছন্দের।
কারণ, আমার ৮০% আত্মীয় আমেরিকা থাকেন।