| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
তারেক রহমান এখন চীনে আছেন। গতকাল বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে বসে আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষ করলেন। তিস্তা নদীর জন্য কারিগরি সহায়তা চাইলেন, নদীভাঙন ঠেকানোর উপায় খুঁজলেন, এমনকি আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের বেইজিংয়ে গিয়ে ট্রেনিং নেওয়ার সুযোগও চাইলেন। চীনের মন্ত্রী যথারীতি মিষ্টি হেসে ইতিবাচক সাড়া দিলেন এবং সব ধরনের সাহায্যের আশ্বাস দিলেন। দুই পক্ষ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে চমৎকার একটা ছবিও তুললেন। এই সফরের ঠিক আগেই মালয়েশিয়া সফর শেষ হয়েছে, সেখানেও অনেকগুলো সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, এবং বেশ কিছু দারুণ ছবি তোলা হয়েছে।
আমাদের দেশের ইতিহাসে একটা দীর্ঘ বিরতির পর এই প্রথম কোনো সরকারপ্রধান নিজের প্রথম বিদেশ সফরে ভারতকে তালিকায় না রেখে অন্য দেশে গেলেন । দিল্লি বারবার চেয়েছিল তারেক রহমান যেন সবার আগে ভারতের মাটিতে পা রাখেন। এপ্রিলের দিকে চারদিকে জোর খবর রটেছিল যে তাঁর প্রথম সফরটি ভারতেই হতে চলেছে। কোনো এক রহস্যময় কারণে সেই পরিকল্পনা বদলে গেল এবং সফর শুরু হলো মালয়েশিয়া দিয়ে, যার ঠিক পরপরই চীন। ভারত এখনো অপেক্ষায় দিন গুনছে।
ভারতকে খুশি রাখা বা তোয়াজ করা বাংলাদেশের কাজ নয় এবং সেটা হওয়াও উচিত নয়। কিন্তু আগামী বারোই ডিসেম্বরে আমাদের ঐতিহাসিক ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। সেই চুক্তি নতুন করে নবায়নের আলোচনায় আমাদের দরকষাকষির সুযোগ কতটুকু থাকবে, সেটা কিন্তু আবেগের ওপর নির্ভর করে না, তা নির্ধারিত হয় স্রেফ ভূগোল দিয়ে। ভূগোল আমাদের একটা চিরন্তন সত্য মনে করিয়ে দেয় যে পানি কিন্তু ভারত হয়েই বাংলাদেশে আসে।
ফারাক্কা চুক্তিটি ১৯৯৬ সালে দীর্ঘ ত্রিশ বছরের জন্য করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়া এই চুক্তিতে সই করেন। চুক্তিটি হওয়ার পরও গত তিন দশকে বাংলাদেশ শুষ্ক বা খরা মৌসুমে তার ন্যায্য পানির হিস্যা ঠিকমতো পায়নি। এর ফলে আমাদের পদ্মা নদী আজ শুকিয়ে কঙ্কাল হয়ে গেছে, বিশাল অঞ্চলের কৃষি মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সুন্দরবনের পুরো পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ভেঙে পড়েছে। এই চুক্তিটি যখন আগামী ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে যাবে, তখন কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে ভারতের ওপর আর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা থাকবে না।
ভারত ইতিমধ্যে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে তারা পুরনো চুক্তি সরাসরি নবায়ন করতে রাজি নয়, বরং তারা একেবারে নতুন করে চুক্তি চায়। কারণ হিসেবে তারা দেখাচ্ছে গঙ্গার পানির প্রবাহ কমে যাওয়া, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং তাদের নিজেদের দেশের অভ্যন্তরীণ পানির চাহিদা বেড়ে যাওয়াকে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে নতুন চুক্তিতে বাংলাদেশের পাওনা কতটুকু নিশ্চিত হবে, সেটা পুরোটাই নির্ভর করছে আমরা কতটা শক্তিশালী অবস্থানে দাঁড়িয়ে ভারতের সাথে আলোচনার টেবিলে বসতে পারছি তার ওপর।
এই জোরালো অবস্থান তৈরির সুযোগ এই বছরই ছিল, এবং সেই সুযোগটা এসেছিল একটা অপ্রত্যাশিত জায়গা থেকে। চীন গত ডিসেম্বরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধের অনুমোদন দিয়েছে তিব্বতের মেডগ কাউন্টিতে, ব্রহ্মপুত্রের উপর, ভারত সীমান্ত থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে। একশত সাতষট্টি বিলিয়ন ডলারের এই দানবীয় প্রকল্প যে নদীর ওপর করা হচ্ছে, সেই নদীটিই বাংলাদেশে যমুনা নামে বয়ে চলেছে। শুষ্ক মৌসুমে আমাদের দেশের মোট পানির প্রায় সত্তর ভাগ আসে এই ব্রহ্মপুত্র বা যমুনা থেকে। এখন চীনের এই বাঁধের কারণে যমুনা যদি কোনোদিন শুকিয়ে মরে যায়, তবে বাংলাদেশের কী ভয়ানক পরিণতি হবে তা ভাবলে গা শিউরে ওঠে।
বাংলাদেশ সরকার ২৪ সলের ডিসেম্বরে চীনের এই বাঁধ নির্মাণের খবর পাওয়ার পরপরই বেইজিংকে একটা আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছিল। সেই চিঠিতে পরিবেশের ওপর এর প্রভাব, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের রিপোর্ট এবং জলবায়ু ও দুর্যোগের ঝুঁকি সংক্রান্ত চারটি সুনির্দিষ্ট নথিপত্র চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চীন সেই চিঠির কোনো জবাব দেওয়ার প্রয়োজনই মনে করেনি। মাসের পর মাস পার হয়ে গেলেও বেইজিং সম্পূর্ণ নীরব ছিল। এরপর মার্চ মাসে যখন ডক্টর ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার বেইজিং সফরে গেল, তখন চীনের কর্মকর্তারা মুখে মুখে আশ্বাস দিয়ে বললেন যে এটি একটি সাধারণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, এখান থেকে কোনো পানি অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়া হবে না এবং ভাটির দেশের ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না। আর আমাদের প্রতিনিধিদলও সেই মুখের কথা শুনেই সন্তুষ্ট হয়ে দেশে ফিরে এল। সেই চিঠির কোনো লিখিত জবাব চাওয়া হলো না, কোনো আইনি নিশ্চয়তা দাবি করা হলো না এবং চুক্তিতে কোনো বাধ্যবাধকতার শর্তও জুড়ে দেওয়া গেল না।
আমরা পানি নিয়ে কতটা উদাসীন সেটা বুঝতে হলে একবার পাকিস্তানের দিকে তাকানো দরকার। ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিখ্যাত সিন্ধু জলচুক্তি হয়েছিল। দুই দেশের মধ্যে তিন তিনটি বড় যুদ্ধ হয়ে যাওয়ার পরও গত পঁয়ষট্টি বছর ধরে এই চুক্তিটি টিকে ছিল। কিন্তু গত বছর পাহালগামে একটি হামলার অজুহাত দেখিয়ে ভারত সেই ঐতিহাসিক চুক্তি একতরফাভাবে স্থগিত করে দিয়েছে। পাকিস্তান জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে গিয়ে ভারতের এই পদক্ষেপকে যুদ্ধের শামিল বলে তীব্র ভাষায় বক্তৃতা দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাস্তবে তারা ভারতের এই পানি আটকে দেওয়া ঠেকাতে কিচ্ছু করতে পারছে না। আন্তর্জাতিক চুক্তি থাকার পরও আজ তারা নিরুপায় ।
আমাদের দেশের কিছু মানুষের ধারণা যে চীনকে পাশে টেনে হয়তো ভারতকে একটা মনস্তাত্ত্বিক চাপ দেওয়া যাবে। কিন্তু পাকিস্তান ঠিক একই ভুল পথ ধরে দশকের পর দশক হেঁটেছে। চীনের কাঁধে বন্দুক রেখে ভারতকে কোণঠাসা করার যে স্বপ্ন তারা দেখেছিল, তার করুণ পরিণতি আজ সবার চোখের সামনে স্পষ্ট। পাকিস্তানের ভূগোল অন্তত এই খেলায় কিছুটা সাহায্য করে, কারণ তাদের বিকল্প সমুদ্রপথ আছে এবং চীনের সাথে সরাসরি অর্থনৈতিক করিডোর আছে। কিন্তু বাংলাদেশের তিনদিক জুড়েই রয়েছে ভারত। আমাদের পানি আসে ভারত হয়ে, বিদ্যুৎ আসে ভারত থেকে, এমনকি আমাদের দৈনন্দিন বাণিজ্যের একটা বিশাল অংশ ভারতের ওপর নির্ভরশীল। এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করে যদি আমরা পাকিস্তানের পুরনো কৌশল খাটাতে যাই, আমাদের পরিণতিও ঠিক পাকিস্তানের মতোই হবে। ভারত ঠিকই আমাদের পানি আটকে রাখবে, আমরা শুধু আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে বড় বড় বক্তৃতা দেব আর ভারত বিষয়টিকে বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখবে।
পাকিস্তান এখন বাংলাদেশে যাতায়াত ও তৎপরতা বাড়াচ্ছে। আমাদের দেশ চীনের কাছ থেকে ফাইটার জেট কিনছে এবং এই পুরো বাণিজ্যের পেছনে পাকিস্তান দালাল হিসেবে কলকাঠি নাড়ার সুযোগ পেয়েছে , কারণ চীনের সাথে তাদের সম্পর্ক অনেক পুরোনো ও গভীর। পাকিস্তান এখন আন্তর্জাতিকভাবে দালাল হিসাবে পরিচিত , আর বাংলাদেশ মাঝখানে পড়ে তাদের আজেবাজে পরামর্শ শুনে নিজের অজান্তেই ঘরে বড় বিপদ ডেকে আনছে।
এই সবকিছুর পটভূমিতে তারেক রহমানের চীন সফরের দিকে তাকালে বোঝা যায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বেইজিংয়ে গিয়ে যা করলেন না, সেটাই আসলে সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। তিনি চীনের পানিসম্পদমন্ত্রীর মুখোমুখি বসে খুব সহজ করে বলতে পারতেন যে আমরা আপনাদের কাছে পরিবেশ ও জলবায়ুর ওপর বাঁধের প্রভাব জানতে চেয়ে একটা চিঠি পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু মাসের পর মাস পার হয়ে গেলেও কোনো জবাব পাইনি, সেই জবাব আমরা কবে পাব। এই একটিমাত্র ধারালো প্রশ্নই বেইজিংকে কাঁপিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট ছিল।
চীন যদি এর কোনো উত্তর দিত, তবে বাংলাদেশ বাঁধের আসল তথ্যগুলো হাতে পেত। আর তারা যদি উত্তর না দিয়ে চুপ থাকত, তবে সেই নীরবতাকেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মঞ্চে সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারত। জাতিসংঘ বা বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে গিয়ে আমরা বুক ফুলিয়ে বলতে পারতাম যে আমরা তথ্য চেয়েছিলাম কিন্তু চীন আমাদের তা দেয়নি। নতুন সরকারের কোনো শীর্ষ নেতার মুখ থেকে এমন বক্তব্য আসার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণের সম্ভাবনা তৈরি হতো।
এতে ভারতের কাছেও একটা খুব স্পষ্ট ও ইতিবাচক বার্তা যেত যে বাংলাদেশ চীনের অন্ধ সমর্থক নয়। কারণ ব্রহ্মপুত্রের ওপর এই বিশাল বাঁধ নিয়ে ভারতের যেমন ঘুম হারাম হয়ে গেছে, বাংলাদেশের ক্ষতিও ঠিক ততটাই। এই যৌথ উদ্বেগটাই হতে পারত ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের আগে ভারতের সাথে দরকষাকষির সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক চাবিকাঠি, যা কোনো বিনিময় ছাড়াই টেবিলে আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারত। কিন্তু আমরা সেই সুযোগটি হেলায় হারালাম। উল্টো তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের জন্য চীনের কাছে এক বিলিয়ন ডলারের ঋণের বোঝা কাঁধে নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হলো। এর ফলে ভারতের নীতিনির্ধারকদের কাছে এই বার্তাই গেল যে বাংলাদেশ এখন পুরোপুরি চীনের ব্লকে চলে গেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই আগামী ডিসেম্বরে ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের সময় ভারত আমাদের সাথে আরও বেশি কঠোর আচরণ করতে পারে।
বর্তমান নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা আসার পর চার-পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মাস পার হয়ে গেল, অথচ ভারতের সাথে রাজনৈতিক স্তরে এখনো কোনো ফলপ্রসূ আলোচনাই শুরু করা গেল না। এদিকে দেখতে দেখতে ডিসেম্বর চলে আসছে। কিছুদিন আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিস্তা অভিমুখে একটা বিশাল লং মার্চ হয়েছিল। আমাদের নীতিনির্ধারকরা হয়তো ভেবে বসে আছেন যে আন্তর্জাতিক নদীর পানি বোধহয় রাজপথের মিছিল আর স্লোগান দিয়ে আদায় করা যায়। কিন্তু আন্তর্জাতিক নদীর কূটনীতি রাজপথের আন্দোলন দিয়ে হয় না; এটি করতে হয় দ্বিপাক্ষিক আলোচনার টেবিলে বসে, নিজেদের সঠিক লেভারেজ ব্যবহার করে এবং সঠিক সময়ে সঠিক চালটি চালার মাধ্যমে।
আমাদের দেশের কূটনীতি ভূগোলের বাস্তবতাকে পুরোপুরি অস্বীকার করে স্রেফ কল্পনার ওপর ভর করে চলছে। পানি যে ভারত হয়েই আমাদের দেশে আসে, এই অমোঘ সত্যটি মেনে নিয়ে যদি আমরা বাস্তবসম্মতভাবে এগোতাম, তবে ফারাক্কা চুক্তিতে আমাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকত। চীনে গিয়ে যদি আমরা ব্রহ্মপুত্রের বাঁধ নিয়ে কথা তুলতাম, তবে ভারতের কাছে একটা ইতিবাচক কৌশলগত বার্তা যেত। তিস্তা ব্যারেজের কাজ এ বছর না করলেও চলত, কিন্তু ভারতের সাথে দরকষাকষির সেই রাজনৈতিক শক্তিটা আমাদের হাতে অক্ষুণ্ণ থাকত। কিন্তু এই সাধারণ হিসাবগুলো আমাদের দেশের নীতিনির্ধারকদের মাথায় খেলেনি।
যে বছরটা পানির হিস্যা আদায়ের জন্য সবচেয়ে জরুরি ছিল, সে বছর ফাইটার জেট কেনা আর ছবি তোলাতেই সব শেষ হলো। পদ্মা তো মরেই গেছে, এখন যমুনাও সেই পথেরই যাত্রী। অথচ বেইজিংয়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে ব্রহ্মপুত্রের বাঁধ নিয়ে একটা জোরালো 'কূটনৈতিক অস্বস্তি' তৈরি করতে পারলে, সেটাই হতো ভারতের সাথে ফারাক্কা চুক্তির টেবিলে আমাদের সবচেয়ে বড় স্ট্র্যাটেজিক লেভারেজ। বেইজিংকে তথ্যের জন্য চাপে রাখা এবং দিল্লির সাথে যৌথ উদ্বেগের জায়গাটি কাজে লাগিয়ে দুই পরাশক্তির মাঝখান থেকে জাতীয় স্বার্থ উদ্ধার করার এই মোক্ষম চালটি আমরা স্রেফ অদূরদর্শিতায় হারাতে বসেছি।
চীনের বাঁধ বাংলাদেশের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে-ঢাকা টাইমস ।
India–Bangladesh ties poised for reset as Ganga water talks resume; Tarique Rahman may visit India-the statesman
"Why the India-Bangladesh Ganges Treaty Renewal Must Deliver Real Security-The Diplomat,
'Dam for a dam': India, China edge towards a Himalayan water war,- Al Jazeera
China's Brahmaputra Dam project: Experts voice concern, govt asks Beijing for info-The daily star
China's mega-dam and the weaponisation of water in South Asia-TRT world
The Water Diplomat, "Bangladesh Accedes to the Convention on the Protection and Use of Transboundary Waters and International Lakes,"
Pahalgam attack-এর পর ভারত Indus Waters Treaty স্থগিত করেছে, এপ্রিল ২০২৫।
India and China in deep water over Himalayan hydropower-East Asia Forum
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:৩১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: চুক্তিটি হওয়ার পরও গত তিন দশকে বাংলাদেশ শুষ্ক বা খরা
মৌসুমে তার ন্যায্য পানির হিস্যা ঠিকমতো পায়নি।
...................................................................................
যে চুক্তি থেকে অশ্বডিম্ব প্রসব করে তার জের টেনে লাভ নেই ।
নূতন চুক্তি তে রাজনীতি র ঝাল বে শী তাই তা হবার সম্ভাবনা
আপাতত নাই ।
তিস্তা নদীর জন্য ব্যরে জ অতি আবশ্যক ।
সমানে সমান না হলে চুক্তি হয়না ।