| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
সম্প্রতি জামায়াতের এক লুচ্চা এমপি-র অন্তত দুইজন তরুণী নিয়ে কট খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তিনি তরুণী নিয়ে হোটেল, কোচিং সেন্টারে রুম ডেট করতেন। নেটিজেনরা তার এই লুচ্চামি এমনভাবে প্রচার করেছে যে মনে হয় না আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা কারও এই ঘটনা দেখা বাকি আছে। এতে ইসলামিক দল হিসেবে জামায়াতের চরম লেভেলের বেইজ্জতি হয়েছে মানুষের কাছে। জেন-জি বলছে জামায়াতে ইসলামী তরুণ প্রজন্মের সাথে স্ক্যাম করেছে।
গত ১৫ বছর তারা আওয়ামী লীগকে নষ্ট, লুচ্চা আর দেহ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বলছে, অথচ নিজেরাই এসব কাজে প্রো-ম্যাক্স। আওয়ামী লীগ-বিএনপি যৌথভাবে জামায়াতকে ভারচুয়ালি উদোম কেলানি দিচ্ছে। অবস্থা এমন বেগতিক দেখে জামায়াত এই প্রবীণ এমপিকে বহিষ্কার করেছে। গাজী নজরুল একসময় জাসদ গণবাহিনীর জল্লাদ ছিলেন। পরে জামায়াতে যোগ দেন। এই জল্লাদ মানুষের বাড়িঘর লুট করতো। তবু সাতক্ষীরার মানুষ তাকে তিন বার এমপি করেছে। সাতক্ষীরাবাসীর প্রতি জানাচ্ছি গভীর সমবেদনা।
এখন আসি অন্য আলাপে, সেটা হলো লুচ্চামি আর সেক্সুয়াল ফ্রাস্ট্রেশনের মধ্যে দেখলাম অনেকে গুলিয়ে ফেলছেন। বাংলাদেশে ফ্রি সেক্স সামাজিক এবং ধর্মীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে আড়ালে-আবডালে কে কী করছে সেটা নিয়ে কেউ তেমন মাথা ঘামায় না । গাজী নজরুল কি সেক্সুয়াল ফ্রাস্ট্রেশনে ভুগছিলেন নাকি? তার বউ যখন ক্যামেরাতে আসলেন, দেখলাম কতিপয় কামেল মানুষ বলছেন: এই মহিলার চামড়া ভাঁজ হয়ে গেছে, দেখতে অসুন্দর এবং নোংরা মহিলা, তাই গাজী ভাই অন্য নারীর দিকে নজর দিয়েছেন।
ঘটনা হলো গাজী নজরুলের বউয়ের বয়স তো আর কম হয় নাই। একজন গৃহবধূ, যিনি জীবনের বেশিরভাগ সময় গৃহেই কাটিয়ে দিয়েছেন বিয়ে নামক একটা ব্যবস্থার কারণে, তার সাথে দুষ্টু নারীদের তুলনা হচ্ছে ! গাজী নজরুলের প্রথম বউকে এখন স্বামীর আকাম-কুকাম ধরা পড়ার পরও তার পক্ষে বিবৃতি দিতে হচ্ছে; সন্তান আর নিজের ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে। নাহলে গাজীর মতো লুচ্চার পক্ষে কোনো নারীর দাঁড়ানোর কথা না।
মানুষের যৌবন কিংবা সৌন্দর্য সব সময় একই থাকে না। আজকে গাজীর হার্ট এটাক কিংবা অন্য কোনো বড় অসুখ নাই বিধায় সে আকাম-কুকাম করে বেড়াচ্ছে, কিন্তু কাল যদি বড় কোনো অসুখ হয়, সে বিছানা থেকে উঠে বসতে পারবে না। নিজের বিয়ে করা বউকে আর ভালো লাগে না কারণ তিনি বুড়িয়ে গেছেন। গাজী তার বউকে পরিপাটি করে রাখতে পারে না, কিন্তু নিজে পরিপাটি হয়ে মেয়েদের পিছে ঘুরে বেড়ায়
অনেক নারী বাবার বাড়িতে সুন্দরই থাকে, তার মনে আনন্দ থাকে, কিন্তু স্বামীর বাড়িতে এসে তার রূপ-লাবণ্য বাড়ার বদলে কমে যায়। কারণ হলো অস্বাভাবিক দায়িত্ব তার কাঁধে এসে পড়ে, যাতে করে নিজের প্রতি যত্ন নেওয়ার সুযোগ কম থাকে। এভাবে সুন্দর নারীটিও একসময় বুড়িয়ে যায়। পাশাপাশি ভেজাল খাদ্য আর অনিয়ম করার কারণে মানুষ আগের চেয়ে দ্রুত অসুখ-বিসুখে পড়ে নিজের জীবনীশক্তি হারিয়ে ফেলছে।
গাজীর যখন চির-যৌবনা বউ লাগবে, তাহলে সে কেন বাচ্চা নিয়েছে? বাচ্চা নিতে গেলে মেয়ের শারীরিক অনেক সমস্যার কারণে ওজন বেড়ে যায়, শরীরে দাগ পড়ে। এর যেহেতু একদম ফিটফাট বউ লাগবে, বাচ্চা না নেওয়া উচিত ছিল। তাহলে গাজীর বউ এতটা বুড়িয়ে যেতেন না।
উল্টো দিক থেকে চিন্তা করুন, গাজীর মতো লুচ্চা সারাদিন মাহরাম-নন-মাহরামের সবক শেখায় , কিন্তু মহিলা মানুষকে আবার সাক্ষাৎকার দিয়ে বেড়ায়। অন্যদিকে গাজীর বউ বিয়ের পর কোনো পুরুষ মানুষের সাথে দেখা দিয়েছে বলে তো মনে হয় না। ভুলেও যদি কোনো পুরুষ মানুষ গাজীর বউকে ফোনে কল দিয়ে বসে আর তিনি যদি ১০/২০ সেকেন্ড কথা বলেন, তবে গাজীর মাথা খারাপ হয়ে যাওয়ার কথা। কারণ সেই লুচ্চা চিন্তা করবে, আমি তো লুচ্চামি করি, এখন আমার বউও আবার সেদিকে যাচ্ছে কিনা। এই লোক তার বউকে পুরো মাত্রায় সন্দেহ করতো। গাজীর বউ যদি একই কাজ করতো, আজকে উনার ঠিকানা হতো বাপের বাড়ি।
গাজীর মতো মানুষের লুচ্চামিকে কেবল সেক্সুয়াল ফ্রাস্ট্রেশনের আলাপ দিয়ে ঢাকা যাবে না। গাজী ইসলামিক বিধি-বিধান সবই জানে। একাধিক বউ রাখার সামর্থ্য থাকলে সে রাখতেই পারতো। কিন্তু না, সমাজের কাছে নিজেকে এক নারীতে আসক্ত দেখাতে চায় আর গোপনে সে বহুগামিতা করে বেড়ায় ।
সেক্সুয়াল ফ্রাস্ট্রেশন কাদের থাকার কথা? উচ্চশিক্ষিত নারী-পুরুষ, যাদের একটা ভালো চাকুরি হচ্ছে না কিংবা চাকুরি হলেও সবদিক মিলছে না । প্রবাসীর বউদের থাকার কথা, যার জামাই বছরের পর বছর বিদেশে পড়ে থাকেন। গাজীর মতো লুচ্চাদের এসব সেক্সুয়াল ফ্রাস্ট্রেশন আসলে ভণ্ডামি। সে একটা খাটি প্লে-বয় কিংবা উইমেনাইজার ব্যতীত আর কিছুই নয়।
২|
২৪ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:০২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমি ফ্রি সেক্সের দেশের থেকে এসেছি।
সেখানে ছেলেমেয়ে অথবা পুরুষ-মহিলারা অনেক ফিট। ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বিয়ে করা বউকে আর ভালো লাগে না কারণ তিনি ... ... ...
........................................................................................
আমরা বলি বিয়ে হলো পবিত্র বন্ধন, দুটি আত্নার শুদ্ধ মিলন ।
গাজী সাহেব থাকেন অতিব্যস্ত, সবার সব দিক দেখতে হয় ।
তাই অশুদ্ধ আত্নাদের দেখতে হয় ।
বউ অনেক দিন হয়ে গেলে পেত্নীর মত আচরন করে !
ভাবী হলে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে, !!
আর সুন্দরী মেয়েরা হলো পরী, উন্ষ ভালোবাসা দিতে পারে !!!
....................................................................................................
এখন আপনি বলুন ভাই উনাকে ভালোবাসার সাথে সেবা করতে দিবেন না ???