| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
নতুন পে স্কেল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেতন কত বাড়বে এবং নতুন কাঠামো বাস্তবে কেমন হবে, এসব প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। নতুন বেতন কাঠামোয় ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডে মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং ১২ থেকে ২০তম গ্রেডে ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এই অঙ্ক দেখে সবাই বলাবলি করছেন , বেতন কাঠামোতে বিশাল পরিবর্তন আসছে। তবে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান বলছেন ভিন্ন কথা ; দীর্ঘদিন নতুন পে স্কেল না হওয়ায় নিয়মিত ইনক্রিমেন্ট পেতে থাকা অনেক সরকারি কর্মচারীর বর্তমান বেতন নতুন স্কেলের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তাই কাগজে যে শতকরা বৃদ্ধির হিসাব দেখা যাচ্ছে, বাস্তবে সবার ক্ষেত্রে তার ফল এক রকম হবে না।
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নও হবে ধাপে ধাপে। আর্থিক সংস্থান এবং সার্বিক মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ কমাতে চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে তিন ধাপে মূল বেতন সমন্বয় করা হবে। স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের বিষয়টি বিবেচনায় ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। বাড়িভাড়াসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতার জন্য অবশ্য আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে। এগুলো ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। অর্থাৎ মূল বেতনের সঙ্গে সবকিছু একবারেই মিলছে না। পে স্কেলের এই দীর্ঘ যাত্রায় বেতনের পাশাপাশি ধৈর্যেরও প্রয়োজন আছে।
মূল্যস্ফীতি কেমন বাড়তে পারে চারদিকে তা নিয়ে চলছে নানা হিসাব কিতাব।ডা. জাহেদ উর রহমান নিজেও কিছুটা শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের বেতন বাড়লে কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। ঝুঁকি মোকাবেলায় সরকার নীতি সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরার মতো ঘটনা অতীতে দেখা গিয়েছে । সর্বোপরি সরকারি অফিসে ঘুষ খাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে বলে সরকার সংশ্লিষ্ট সকলকে বেশ আশাবাদী মনে হলো ।
ফটোকার্ড ক্রেডিট : ইন্টারনেট
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৩
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এমপি , মন্ত্রীদের বেতন মাসে দশ লাখ হবে তাহলে ; ভিপি নুর এমনটাই দাবী করেছেন । নুর ভাইয়ের বেতন বাড়ার আগে দেশ সিংগাপুর হবে না ।
২|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৪৭
অধীতি বলেছেন: বেতন বৃদ্ধি করে ঘুষ ঠেকানো যাবে না। ঘুষ ঠেকাতে হলে নৈতিকতা বৃদ্ধির সাথে কঠোর শাস্তির বিধান লাগবে।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বেতন না বাড়ালে যে না খেয়ে থাকতে হবে ।
৩|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৪০
মাথা পাগলা বলেছেন: "একটা শিশুর হাঁটতে ১৫-১৮ মাস লাগে, সরকারের বয়স মাত্র ৬ মাস" - বাণীতে মাননীয় পরাধীনমন্ত্রী।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসেই পে স্কেল দেন, ১০টা বোয়িং কেনেন, আর ২০১৮ সালে সরকার যাতে উৎখাত না হয় সেই ভয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কাজ দেন। এখন আবার বলা হচ্ছে তারেক ভাইয়া নাকি পরাধীন! নিজেদের বেলায় বিদেশের সঙ্গে চুক্তি করলে কূটনীতি, আর অন্যের বেলায় সেটাই পরাধীনতা। How funny!
৪|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩২
রাসেল বলেছেন: “সরকারি অফিসে ঘুষ খাওয়ার প্রবণতা কমবে—এই আশাবাদী মানুষটি কোন কল্পলোকের বাসিন্দা, জানতে খুব ইচ্ছে করছে!
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সব সরকার এমন আশা করে ।
৫|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৪
মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: /দেশের মোট কর্মজীবী মানুষের মাত্র ১৫ শতাংশ ফরমাল বা প্রাতিষ্ঠানিক খাতে (লিখিত চুক্তি, নিয়মিত বেতন ও সুবিধাভিত্তিক) কর্মরত আছেন, যার সংখ্যা প্রায় ১ কোটি থেকে ১ কোটি ১০ লাখের মতো। বাকি প্রায় ৮৪ শতাংশ মানুষ ইনফরমাল বা অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের সাথে যুক্ত।
/আর এই মোট ১ কোটি থেকে ১ কোটি ১০ লাখ ফর্মাল কর্মজীবীর মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীর সংখ্যা, ১৪ লাখ ৬৪ হাজার জন কর্মরত আছেন (শুন্য পদ ধরা হয়নি)।
/বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী দেশে বেকারের সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ ৪০ হাজার। তবে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মতে, মনমতো বা যোগ্য কাজ না পাওয়া এবং ছদ্মবেশী বেকারদের হিসাব করলে এই সংখ্যা প্রায় এক কোটি।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যাদের বেতন বাড়ালে সরকারের লাভ বেশি তাদেরই বেতন বাড়িয়েছে। জনগণ সরকারের কি কাজে আসে ? ঠিক মতো কর দেয় না। সরকারের বদনাম করে ।
৬|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৩৬
অগ্নিবাবা বলেছেন: বেতন বাড়লেও মাইনে বাড়বে না।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: মাইনেও বাড়তে পারে । সবুর করেন , মেওয়া ফলবে ।
৭|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:২৯
মাথা পাগলা বলেছেন: লেখক বলেছেন: শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসেই পে স্কেল দেন, ১০টা বোয়িং কেনেন, আর ২০১৮ সালে সরকার যাতে উৎখাত না হয় সেই ভয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কাজ দেন।
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসেন ২০০৯ - পে স্কেল-২০১৫।
১০টা বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি হয়েছিলো ২০০৮ এ, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসার আগে।
LNG টার্মিনালের কাজ কাকে দিলে ভালো হতো - পাকিস্তানকে? ভারতকে দিলেও তো সমস্যা খুঁজে পেতেন।
----------------
শেখ হাসিনা আম্রিকার পরাধীনতা মানে নাই বলে পতন হয়েছে ইহা কি আপনি জানেন?
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে পে-স্কেল দিয়েছিলেন । আবার ২০১৫ তেও দেন । ১/১১ সরকার যা করেছিলো ইউনুস সরকার ও তাই তাই করেছে । পরের সরকার ও সেইম।
৮|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৮
নাহল তরকারি বলেছেন: মনে করেন। একটি দেশে দশ হাজার জন জনগন আছে। এর মধ্যে মাত্র ৮০ জন জনগণ সরকারি চাকরি করে। এই আশি জন এর বেতন বাড়াইছে। এই আশি জন এর বেতন বাড়ানোর জন্য, দেশের সকল ব্যাবসায়ী তাদের সেবা ও পন্যের দাম বাড়িয়ে দিবে। এতে করে বেসরকারি চাকরিজীবী, গরিব দিনমুজুর কষ্ট পাবে। ২০১৫ নাকি ২০১৬ সালে এমন বেতন বাড়ায়। পরে এমন অবস্থা হইছিলো।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সরকারি রা না খেতে পেয়ে মারা গেলে আপনি খুশি ?
৯|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩২
মাথা পাগলা বলেছেন: শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে পে-স্কেল দিয়েছিলেন ।
সপ্তম পে স্কেল ২০০৮ অক্টোবরে গঠিত হয়েছিল। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় বসেন ২০০৯। ক্ষমতায় বসেই পে স্কেল দিয়েছেন এধরনের বক্তব্য সঠিক না।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ৭ম জাতীয় পে-স্কেল (২০০৯)কার্যকর: এটি ২০০৯ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়। মূল পরিবর্তন: এই পে-স্কেলের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন পূর্বের তুলনায় এক লাফে প্রায় ৫২ শতাংশ থেকে ৭৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছিল ।
আসলে সমস্যা শুরু হয়েছিলো ১৯৭৭ সাল থেকে। শেখ মুজিবুর রহমান মারা যাওয়ার দুই বছরের মাঝেই পে-স্কেল দেয়া হয় । এর ধারাবাহিকতা ৯০ এর পরেও বজায় ছিলো। এখানে আওয়ামী লীগের তেমন দোষ নেই ।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:০৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
সিংগাপুরে সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন বেশি। দেশ এখন সিংগাপুর হওয়ার পথে....