নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে মানব! আর নয়তো দেরী; জেগে তুলে বিবেকের তরী করো হিংসার বলিদান। জন্মান্ধ হয়ে থেকো নাকো তুমি;মানুষ বলে হও বলিয়ান ।

তুমি জীবন খুঁজো সুখের নীড়ে, আমি জীবন খুঁজি দুঃখের ভীরে।,,, রহমান লতিফ,,,,

› বিস্তারিত পোস্টঃ

নিন্দার- নরকে -- পর্ব ৩/২

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪০



রোজী বরাবরের মতোই কিছুটা লাজুক প্রকৃতির।
হেন্নার জন্মদিনে উপস্থিত বিভিন্ন বর্ণের লোকের আগমন এবং তাদের পাশাপাশি নৃত্য দেখে সে তার মেয়েকে নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে ভিতরে চলে গেলো।
ড্রয়িং রুমে এসে দেখলো সেখানে হেন্নার মেজ বোন জেস একটা ইষ্টার্ন ইউরোপীয়ান ছেলের সাথে বসে কথা বলেতেছে।
--জেসী কি জিগ্যেস করলো টয়লেটে কোন দিক?
জেসী তাদের নিচের টয়লেটেটি দেখিয়ে দিলো এবং বললো যদি বড় টয়লেটের প্রয়োজন হয় তবে উপরে চলে যেতে।
রোজী সাথে সাথে বললো "উপরে কি আর কেউ আছেন?
"জি" মা বাবা দু'জনেই আছেন।
--উপরের টয়লেটেটা ব্যবহার করে সাথে তাহলে মায়ের সাথে তাহলে দেখা করে আসি! --
ওকে - চলেন তাহলে --
--এই বলে জেসী তাকে সাথে করে উপরে নিয়ে গেলো।
--আপনি তাহলে এই বাথরুমে যান আমি মাকে বলছি ---
---না আমি বরং মায়ের সাথে আগে দেখা করি পরে বাথরুম ব্যবহার করবো ---
ওকে এটা তাহলে মায়ের রুম!
আপনি ভিতরে চলে যান মা আছে।
আমি নিচে যাচ্ছি এই বলে জেসী চলে গেলো।

রোজী, আস্তে করে দরজায় কড়া নাড়ার সাথে সাথে বয়স আনুমানিক পঞ্চাশের উপরে,চেহারায় মায়া মাখানো,একজন সুশ্রী মহিলা দরজার সামনে এসে দাড়ালেন।
"আসসালামু আলাইকুম "কেমন আছেন?
আলাইকুম সালাম-- তুমিই রোজী'না মা'?!!
---আমি ভালো আছি
-----'আসো' ভেতরে আসো-
এবার বলো তুমি কেমন আছো?
--"আলহামদুলিল্লাহ"আমিও ভালো আছি।
--- এখানে আসো 'মা' এই বলে ভদ্র মহিলা চেয়ারটা দেখিয়ে দিলেন।
-- চেয়ার বসার আগে রোজী হাতের ব্যাগ থেকে শালটা বাহির করে উনার গায়ে জড়িয়ে দিলো।
- শালটা পড়ার সাথে সাথে হেন্নার মায়ের দুচোখ জুড়ে কলকল করে অশ্রু বন্যা বইতে শুরু হলো।
রোজী বললো! আপনি কাঁদছেন কেন?
--- এমনিতেই মাঝে মাঝে চোখ দুটো অশ্রুসজল হয়ে ওঠে।
-- আমার নিজের স্বামী ও মেয়েরা আমার দিকে খোঁজ নেওয়ার কথা কিন্ত তারা সবাই সবাইকে নিয়ে এত ব্যস্ত যে আমার দিকে তাদের তাকানোর সময় নেই।
কথাটা শুনার সাথে সাথো রাজীর বুকের ভিতর মোচড় দিয়ে উঠলো। মনে হলো কতটা দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে উনি কথাটা বলছেন।
--এক হতভাগ্য মাকে দেখে হতভম্ব রোজীর নিজের অজান্তেই দু চোখ দিয়ে অঝোর শ্রাবণ বারিধারা বইতে শুরু করলো।
আর ভাবতে থাকলো,
--- উপরে জলজ্যান্ত মানুষের বাস নিচ থেকে তা কল্পনাও করা যায় না -----
- এটাই লন্ডনের তথা আধুনিক নগর রাষ্ট্রের সবচেয়ে সস্তা অচিন্তনীয় বিলাস যা মানুষকে একে অন্যের থেকে আড়াল করে আন্যের কোন কিছু চোখে পড়ে না মনে হয় সবই যথাসম্ভব নিজের ভেতর নিজেকে নিয়ে নিরামিষ জীবনযাত্রায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠে।
- এটাই তথাকথিত শিক্ষিত সমাজে বহুল চর্চিত প্রথা যা মানুষকে করে তুলছে অমানবিক।

-হেন্নার মায়ের সাথে কথা বলা অবস্থায় রোজী রুমের চারিদিকে চোখ বুলিয়ে দেখলো এ তো রুম নয় যেন জিনিসপত্র রাখার গোদাম ঘর!!
রুমে ছোট একটা শোবার খাঠ, একটা বসার চেয়ার,একটা ছোট্ট টি টেবিলের উপর কালো রঙের সেই মান্ধাতার আমলের এনালগ টেলিফোন সেট ও সাথে পানির জগ রাখা।
রুমের চারিদিকে বিভিন্ন রঙের পলিথিন ব্যাগ,রিসাইকেল ব্যাগ দিয়ে মোড়া সারি সারি বেঁধে রাখা মালপত্র!!
---মনে হয় যেন এই বুঝি দম বন্ধ হয়ে আসবে।
-- একদিকে বাহিরের বাগানে মিউজিকের সুরের সাথে সিগারেট,পোড়া-মোরগ আর বিভিন্ন ধরনের পানীয়ের অসহ্য,বিদঘুটে গন্ধ আর এদিক এইরুমে বহুদিনের আলো বাতাসহীন,অন্ধকারের গুমোট গন্ধ ---
---রোজী আজ নরকের স্বাদ খুব কাছে থেকে দেখতে পেলো----
রোজী দেরী না করে জিজ্ঞেস করলো ---
---এই ব্যাগগুলোর মধ্যে কি আছে?
--- এগুলোর মধ্যে কাপড়-চোপড়,কিছু খেলনা,লেপ-তোষক আর কিছু রান্না করার বাসনপত্র।
-- এত কিসের কাপড়?
-- তোমার চাচার আগে ভেরাইটিজ স্টোেরের দোকান ছিল,আর উনার অসুস্থতার পর থেকে মালামাল এখানে রাখা আর আমার মেয়েদের কিছু পুরাতন কাপড় যেগুলো অনেক দামী সেগুলো রাখছি।
--- এগুলো তো বিক্রি করে দিতে পারেন নতুবা চ্যারিটি দিয়ে দিতে পারেন। এই মালগুলো রুমে রাখাতে তো আপনার ''অসুখ বিসুখ'' হয়ে যাবে।
রুমে আলো বাতাস দরকার।
--- কে সরাবে "মা " কে বিক্রি করবে?
--- আমার মেয়েরা তো শুধু অপচয় করতে চায়।
-- কেন চাচার অবস্থা কি খুব খারাপ!
---আপনার মেয়েরা আপনার কথা শুনে না? নাকি কখনো বলেন নি?
--- হেন্নাতো কখনো বলেনি চাচার অবস্থা খারাপ কিংবা উনি অসুস্থ!!
একটানা কথাগুলো রোজী বলতে থাকলো সে বুঝতে পারলো আসলেই এদের সমস্যা প্রকট।
-- হেন্নার মায়ের কাছ থেকে কোন উত্তর না পেয়ে রোজী বললো চাচা কোথায়?
--- পাশের রুমে!!!
---হ্যাঁ, মা পাশের রুমে ----
-- চলেন উনাকে একটা সালাম দিয়ে আসি ----
--- উনি তোমার সালামের উত্তর দিতে পারবেন না।
--- কেন!
--- এই তো কিছু দিন আগে প্যারালাইজড হয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন সেই থেকে কানে শুনা বন্ধ।
--- হায় আল্লাহ!! খুবই দুঃখজনক ---
--- ঠিক আছে তবে শুধু দেখা করে আসবো----
------ আসো তবে----
রোজীকে সাথে করে হেন্নার মা পাশের রুমে প্রবেশ করলেন। রুমে ঢুকে দেখলো একদিন কাত হয়ে নিস্ক্রিয় দেহ নিয়ে হেন্নার বাবা শুয়ে আছেন আর তার শিয়রের পাশে কচিমুখের এক নারী যার বয়স অনুমানিক বিশ বা বাইশের মতো হবে। রোজী দেখলো সেই নারী খুব নিস্পৃহতা নিয়ে বসে আছেন।
তাকে দেখে হাত তুলে সালাম দিলেন।
--রোজী সালামের উত্তর দিয়ে বললো,
---কেমন আছেন?
-- নারী খুব মৃদু গলায় বললেন জ্বী ভালো।
--- চাচা কি ঘুমাচ্ছেন?
--- জ্বী! উনি ঘুমাচ্ছেন। উনি তো প্রায় সবসময় ঘুমান কোনদিন দু থেকে চার ঘন্টা জেগে থাকেন।
-- আমি এই মেশিন দেখি কারণ এখানে উনার হার্টের মনিটরিং হয়।
--- রোজী দেখলো হার্টের আদলে তৈরি একটা মেশিন মেয়েটার পাশে।
-- চলো 'মা' আমার রুমে চলো।
এই বলে হেন্নার মা তাকে উনার রুমে নিয়ে গেলেন।
রোজী উনার সাথে উনার রুমে গেলো ঠিকই কিন্ত ভাবতে থাকলো কে সে নারী?
-- তার কথামতো দিনরাত সে কেনই বা মনিটার করবে একা উনার রুমে ?
সেই রহস্য উদঘাটনের জন্যে সে খুব সতর্কভাবে আবারো হেন্নার মায়ের সাথে কথাবলা শুরু করলো।
-- আপনি চাইলে আমি আপনার রুমটা পরিস্কারের দায়িত্ব নিতে চাই!
-- আপনার ফোনের নাম্বারটা আমি নিয়ে নিচ্ছি আমি ফোন করে আপনাকে বলবো কী করা যায়। -- এই ফোনে তো আপনাকে পাবো?.
-- "হ্যাঁ " মা আমাকে পাবে--
-- মাঝে মাঝে আমার ভাই দুবাই থেকে ফোন করে আমার খবর নেয় এছাড়া কোন ফোন আসে না। তুমি ফোন করো মাঝে মাঝে তোমার সাথে কথা বলে মনটা হালকা করবো।
-- জ্বী আচ্ছা ---
-- আমি প্রায়দিনই আপনাকে ফোন দিবো।
-- ধন্যবাদ! " মা "
-- " মা" রোজী তোমাকে একটা কথা বলি যার জন্যে তোমাকে দেখা করতে বলছি ---
--- জ্বী, বলেন।
--- আচ্ছা আমার বড় মেয়ে কারো কথা শুনবে না তবে আমার মনে হয় সে তোমার কথা শুনবে।
-- তোমাকে সে খুব পছন্দ করে।
-- তুমি বুঝিয়ে ওকে একটা বিয়ের ব্যবস্থা করে দাও।
--- সেতো বৃটিশ ছেলে ছাড়া বিয়ে করবে না!-
--- যে কোন ছেলে হোক আমার কোন সমস্যা নেই। আর তার বাবার তো মুখ,কান,হৃৎপিন্ড সব বন্ধ উনার কিছু বলার নাই।
--- আচ্ছা মা আমি মনেপ্রাণে দেখবো।
--- চাচার শারীরিক অবস্থা কতদিন থেকে এই রকম?
--- সে আজ তিন বৎসর হতে চললো।
--- আচ্ছা মা উনার সাথে রুমে কে?
--- আপনি কেন উনার রুমে থাকেন না?
--- রোজীর প্রশ্ন শেষ হওয়ার আগেই উনি আবারো কাঁদতে শুরু করলেন।
-- রোজী আলতো করে উনার কাঁধে হাত রেখে হাতের টিস্যু দিয়ে চোখের পানি মুছতে লাগলো।
-- রোজী বুঝতে পারলে কতটা দুঃখ নদী উথাল হয়ে আছে উনার মনে।
-- উনি ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বলতে লাগলেন। আজ থেকে প্রায় চার বছর আগে হেন্নার বাবা দেশে গিয়ে নিজের মেয়ের বয়সী একটা মেয়েকে বিয়ে করে এদেশে নিয়ে আসেন। কারণ ছিলো কোনভাবে একটা ছেলে সন্তান পাওয়া। আমি সাতটা মেয়ে জন্ম দিলাম আমার ঘরে নাকি ছেলে হবে না আর এই শেষ বয়সে তার ছেলের দরকার হওয়াতেই নাকি সে বিয়ে করে। এই মেয়েকে ঘরে নিয়ে আসার পরই
যে আমি এত দিনের সংসারের আপন সে মুহূর্তে পর হয়ে গিয়ে সেই থেকে একা একা থাকতে হচ্ছে।
আর উনার এই বুড়ো বয়সে ভীমরতি উনার কোন মেয়ে ভালোভাবে নেয়নি বরং ভীষণ তিরস্কার করে যার ফলে তার হৃদপিণ্ডে আঘাত লাগে এবং তিনি বাকশক্তি ও শ্রবনশক্তি হারিয়ে ফেলেন।
এই কথাগুলো শুনার পর, রোজী উনাকে সান্ত্বনা দেওয়ার কোন ভাষা খুজে পেলো না। তার কণ্ঠনালী স্থবির আর হৃদয় বেদনাহত হয়ে গেলো। এত দুঃখী নারী সে তার কর্মজীবনে ও ব্যক্তিজীবনে এর আগে কখনো দেখেছে বলে মনে হলো না।
এত দুঃখ নিয়ে মানুষ পৃথিবীতে দিব্যি বেঁচে আছে। একদিন কণ্যাদায়গ্রস্ত মা অন্যদিকে স্বামীর অধিকার বঞ্চিত স্ত্রী।
সে নিজ চোখে যা দেখলো আর নিজ কানে যা শুনলো তাকে কিভাবে সংজ্ঞায়িত করবে তার কোন ভাষা খুজে পেলো না।

রোজী বললো মা আমার দেরী হয়ে যাচ্ছে মেয়ের ঘুমের সময় হয়ে গেছে আমি আপনাকে ফোন দিয়ে কথা বলবো এবার আমাকে বাসায় ফিরে যেতে হবে।
রোজী উবার ট্যাক্সিক্যাব ডেকে পৃথিবীর বুকে একখণ্ড নরক থেকে তার ছবির মতো সাজানো স্বর্গের সংসারের উদ্দেশ্য রওয়ানা হলো।
(চলবে)




মন্তব্য ২৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪২

হাবিব স্যার বলেছেন: পড়তেছি.............

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৪৭

বলেছেন: হাবিব্ স্যার এত একটিভ!!!! বিষম মুগ্ধ।

ইউ আর রক!!!

২| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৫০

হাবিব স্যার বলেছেন: রক....!!!!

কিছু মনে করবেন না.....হেন্না নামটা পড়তে গিয়ে একটু না ভালোই বেগ পেতে হয়.......

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৫৫

বলেছেন: হা হা,
নামটা যে স্যার আধুনিক হয়ে গেছে তারই প্রভাব।


কি আর করা চরিত্রের খাতিরে।

৩| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: হেন্না, রোজী আর জেসী।

ডায়লগ গুলো নাটকের মতোন হয়েছে।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৫৭

বলেছেন: ভালো নাকি মন্দ বুঝিনি তো প্রিয়।



বুঝিয়ে বললে খুশি হতাম।



মন্তব্যে ভালোবাসা।

৪| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৫৪

সনেট কবি বলেছেন: ভাল লিখেছেন।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৭:৫৭

বলেছেন: আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন প্রিয় সনেট বিশারদ।

৫| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:০৭

হাবিব স্যার বলেছেন: কণ্যাদায়গ্রস্ত

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:১১

বলেছেন: কণ্যাদায়গ্রস্ত মা --- বানানটা কি ভুল?

৬| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:০৯

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: ভালো।।।সমাজের আধুনিক প্রতিচ্ছবি

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:১২

বলেছেন: মামুন ভাই,

আপনি প্রথম থেকে আমার সাথে আছেন জেনে খুব খুশি হলাম।



নিরন্তর শুভেচ্ছা প্রিয়।

৭| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:২০

হাবিব স্যার বলেছেন:

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:১২

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় সরলমনা মানুষ।

৮| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৮:৪০

হাবিব স্যার বলেছেন:




"অসুখ বিসুখ" এভাবে না লিখে "অসুখ-বিসুখ", সান্তনা নয় সান্ত্বনা , ভীষন নয় ভীষণ, খুজে নয় খুঁজে, ব্যাক্তিজীবনে নয় ব্যক্তিজীবনে,

জিগ্যেস নয় জিজ্ঞেস , "ষ্টোর" নয় স্টোর হবে..., শুভার খাঠ নয় শোবার খাট, থেজে মানে কি? সম্ভবত থেকে লিখতে চেয়েছিলেন।


নিস্পৃহতা শব্দটা নতুন শিখলাম।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:০৬

বলেছেন:
কৃতজ্ঞতা হাবিব স্যার।


৯| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:৪১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় লতিফ ভাই ,

গল্প ভালো হয়েছে । বেশ কয়েকটি জায়গায় টাইপো আছে। আশা করি আরও একটু সচেতন থাকলে সমস্যাটি কাটাতে পারবেন। হাবিব ভাই ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। লিখতে থাকুন পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম। পোস্টে প্লাস।

শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।



১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:০৮

বলেছেন: ধন্যবাদ প্রিয় দাদা,


চেষ্টা করতেছি আর আপনাদের সহযোগিতা উৎসাহ আবশ্যই চলার পাথেয়।


আপনাকে জন্যে ও অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।

১০| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:২৩

নীল আকাশ বলেছেন: লতিফ ভাই, বানান নিয়ে আপনাকে কিছুটা কাজ করতে হবে। রাকু ভাইয়ের একটা লিংক দিলাম Click This Link
এখান বেশ ভালো ভাবে শুদ্ধ বানান আর অশুদ্ধ বানান গুলি দেয়া আছে। ড্রাফট লেখার পরে এখান থেকে যেই গুলিতে কনফিউশন থাকবে দেখে নিবেন।

গল্পের এই পর্বটা পড়ে মনে হলো প্রকৃতি কাউকেই ক্ষমা করে না। বলে না পাপ ছাড়ে না বাপ রে! দূর থেকে এদের লাইফ যতটা সুন্দর মনে হয়, আসলে ভিতরে খুব কুৎসিত জীবন এরা কাটায়। এর চেয়ে আমরাই অনেক ভালো আছি।

পরের পর্ব কবে পাবো?
শুভ কামনা রইল!

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:১২

বলেছেন: প্রিয় আকাশ ভাই,

এত সুন্দর করে মন্তব্য করারা জন্যে কৃতজ্ঞ।


বানান নিয়ে কিছুটা কাজ করছি কারণ দীর্ঘ একযুগ তেমন চর্চা নেই। রাকু হাসানের পোস্ট টা আগেও পড়েছি আজ এটা প্রিয়তে রাখলাম।

আসলে প্রকৃতির লীলা মানুষের আয়ত্বের বাইরে সে সুযোগ পেলে পুষিয়ে নেয়।


যে যে অবস্থানে আছি তাই নিয়ে সুখীী থাকা দরকার।


আপনার সাইকোলজিস্টয়ের জন্যে শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো।

১১| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:১৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
কিছু ভুল ছাড়া ভাল লাগলো গল্পটি।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:১৩

বলেছেন: ধন্যবাদ সরকার ভাই।

১২| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪০

নজসু বলেছেন:




আস সালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন প্রিয় লতিফ ভাই?
নিন্দার- নরকে -- পর্ব ৩/২ অত্যন্ত বেদনাভরা হৃদয়ে পাঠ করলাম।
হেন্নার মেজ বোন জেস নামটায় একটু খকটা লাগলেও পরের লাইনে নিশ্চিত হলাম ওর নাম ছিল জেসি।

আজকে আমার সকল কথা, সকল অনুভূতি, সকল আবেগ শুধু হেন্নার ঐ বৃদ্ধা মাতার জন্য।
আহা বেচারী। কত দুঃখ কষ্ট আর হতাশার মধ্যে দিয়ে দিনাতিপাত করছেন।
না পেল স্বামী সুখ, না পেল সন্তান সুখ।

আমার নিজের স্বামী ও মেয়েরা আমার দিকে খোঁজ নেওয়ার কথা কিন্ত তারা সবাই সবাইকে নিয়ে এত ব্যাস্ত যপ আমার দিকে তাদের তাকানোর সময় নেই।

বোল্ড করা শব্দগুলো কি এত ব্যস্ত যে হবে?

আরও কিছু জায়গায় টাইপে এলোমেলো হয়েছে যা পূর্বে প্রিয় পদাতিক চৌধুরি ও হাবিব স্যার বলেছেন।

পুত্র সন্তান লাভের আশায় আমাদের দেশে একাধিক বিয়ের চলটা খুব সুন্দরভাবে স্থাপন করেছেন।
সেই সাথে একসাথে ঘর করা মানুষটার পাশে আরেকজন নারীকে দেখে পূর্ব স্ত্রীর মর্মবেদনা সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।

প্রিয় লতিফ ভাই, এতো সুন্দর সন্নিবেশন করেন কিভাবে?
রোজীর মতো আদর্শ একজন নারীকে দেখে হেন্নার মায়ের মনের কষ্ট আরও উঠলে ওঠে যেন।

গল্পে নতুন চরিত্রের আগমন নতুন একটা দিক উম্মোচন করলো।

শেষের লাইনটা যা একখানা লিখলেন-
রোজী উবার ট্যাক্সিক্যাব ডেকে পৃথিবীর বুকে একখণ্ড নরক থেকে তার ছবির মতো সাজানো স্বর্গের সংসারের উদ্দেশ্য রওয়ানা হলো।

অসম্ভব, অকল্পনীয় সুন্দর।
নামকরণের সার্থকতা খুঁজে পাচ্ছি। ধীরে ধীরে জমে উঠছে কাহিনি।
এগিয়ে নেবার প্রত্যাশা।

ভালো থাকবেন।
দোয়া করবেন।
শুভরাত্রি।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:১৪

বলেছেন:
আলাইকুম সালাম প্রিয় অনুজ,
এত সুন্দর বিশ্লেষণ করার পর মন্তব্য দিতে ভাষা হীন।



এক আকাশ ভালোবাসা দিলাম।

১৩| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪১

নজসু বলেছেন:









আস সালামু আলাইকুম।
কেমন আছেন প্রিয় লতিফ ভাই?
নিন্দার- নরকে -- পর্ব ৩/২ অত্যন্ত বেদনাভরা হৃদয়ে পাঠ করলাম।
হেন্নার মেজ বোন জেস নামটায় একটু খটকা লাগলেও পরের লাইনে নিশ্চিত হলাম ওর নাম ছিল জেসি।

আজকে আমার সকল কথা, সকল অনুভূতি, সকল আবেগ শুধু হেন্নার ঐ বৃদ্ধা মাতার জন্য।
আহা বেচারী। কত দুঃখ কষ্ট আর হতাশার মধ্যে দিয়ে দিনাতিপাত করছেন।
না পেল স্বামী সুখ, না পেল সন্তান সুখ।

আমার নিজের স্বামী ও মেয়েরা আমার দিকে খোঁজ নেওয়ার কথা কিন্ত তারা সবাই সবাইকে নিয়ে এত ব্যাস্ত যপ আমার দিকে তাদের তাকানোর সময় নেই।

বোল্ড করা শব্দগুলো কি এত ব্যস্ত যে হবে?

আরও কিছু জায়গায় টাইপে এলোমেলো হয়েছে যা পূর্বে প্রিয় পদাতিক চৌধুরি ও হাবিব স্যার বলেছেন।

পুত্র সন্তান লাভের আশায় আমাদের দেশে একাধিক বিয়ের চলটা খুব সুন্দরভাবে স্থাপন করেছেন।
সেই সাথে একসাথে ঘর করা মানুষটার পাশে আরেকজন নারীকে দেখে পূর্ব স্ত্রীর মর্মবেদনা সুনিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।

প্রিয় লতিফ ভাই, এতো সুন্দর সন্নিবেশন করেন কিভাবে?
রোজীর মতো আদর্শ একজন নারীকে দেখে হেন্নার মায়ের মনের কষ্ট আরও উঠলে ওঠে যেন।

গল্পে নতুন চরিত্রের আগমন নতুন একটা দিক উম্মোচন করলো।

শেষের লাইনটা যা একখানা লিখলেন-
রোজী উবার ট্যাক্সিক্যাব ডেকে পৃথিবীর বুকে একখণ্ড নরক থেকে তার ছবির মতো সাজানো স্বর্গের সংসারের উদ্দেশ্য রওয়ানা হলো।

অসম্ভব, অকল্পনীয় সুন্দর।
নামকরণের সার্থকতা খুঁজে পাচ্ছি। ধীরে ধীরে জমে উঠছে কাহিনি।
এগিয়ে নেবার প্রত্যাশা।

ভালো থাকবেন।
দোয়া করবেন।
শুভরাত্রি।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৩:১৭

বলেছেন: প্রিয় অনুজ,
যদিও একজন আনকোরা লেখক কারণ আমি কবিতার লোক। কবিতা পড়ি আর কিছুটা লেখি।


গল্পে একটা মেসেজ রাখার প্রাণপণ চেষ্টা জানিনা কতটুকুই পারবো তবে তোমার এমন প্রসংসা আমাকে শক্তি যোগায়।


ধন্যবাদ না হয় নাই দিলাম।

১৪| ১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১২:০৮

আরোগ্য বলেছেন: বড় ভাই এবারের পর্ব পড়ে আমি ব্যথিত। বাংলাদেশে থাকলে হয়তো মেয়েরা এত বেপরোয়া হত না। বহিরা সংস্কৃতির প্রভাবে মা বাবার প্রতি এমন অবহেলা।
আগামী পর্বের অপেক্ষায় আছি।

১১ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:২২

বলেছেন: প্রিয় ভাই,

কিছু কিছু বেপরোয়া তরুণ তরুণী সব সমাজেই বিদ্যমান আর তার জন্যে অনেকংশে দায়ী পিতামাতার আচার ব্যবহার।


আমদের সমস্যা হলো আমরা ভালো কিছু না নিয়ে শুধু খারাপদিকগুলো সাদরে গ্রহণ করি৷


মন্তব্যে খুশি হলাম।

ভালো থেকো, খুব ভালো।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.