নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলে গেলে- তবু কিছু থাকবে আমার : আমি রেখে যাবোআমার একলা ছায়া, হারানো চিবুক, চোখ, আমার নিয়তি

মনিরা সুলতানা

সামু র বয় বৃদ্ধার ব্লগ

মনিরা সুলতানা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কেয়া পাতায় নৌকা ভাসানোর দিনগুলো -৩

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:০৭




শৈশব নিয়ে লেখা সিরিজের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব-
কেয়া পাতায় নৌকা ভাসানোর দিনগুলো -১
কেয়া পাতায় নৌকা ভাসানোর দিনগুলো -২

আমার শৈশবে গল্পে পুরানো ঢাকা তার নিজস্ব গৌরবে উজ্জ্বল! সবুজে সারল্যে, কলাপাতা ঘ্রাণে, মোগলাই ঘি আর মিশ্র সংস্কৃতিতে। সেখানে যতটা ছিল রেডিও তে বাংলা গানে নাটকে ভরপুর আনন্দ তেমনি ছিল হিন্দি উর্দু গানের রেকর্ড প্লেয়ার আর ভি সি আর সিনেমা। আসে পাশের অনেক পরিবার ই নিজেদের মাঝে হিন্দিতে বা উর্দু তে কথা বলত। গায়ে তখন ও ছিল বিহার করাচী পাঞ্জাব দিল্লির শ্যাওলা।

শীতের এই হিম কুয়াশা লুকিয়ে রাখা সময়টা তে, ছাতিম ফুলের ছন্দ ছায়ায় দিন আনত; ঘোরলাগা সুবাস দুহাতে মাখতাম মালা গাঁথতাম কখনো বা রান্নাবান্না খেলার পোলাউ করে সাজাতাম থালায়। এখান ওখান থেকে মাটি এনে পুতুল বানাতাম সব ই সেই পিচ ঢালা রাস্তায়। এক্কা দোক্কা দাগ কাটা পথ অথবা প্রাইমারী স্কুলের এক চিলতে মাঠ, সব খানেই ছিল আমার দৌরাত্ম্য ! একেবারেই ডানপিটে দুরন্ত দিন সব। কতদিন যে টিফিন এ পালিয়েছি ডালপুরির খোঁজে। সবচাইতে ভয় পেতাম নিলু আর নাজনীন আপা কে। মেয়েদের স্কুল বলে হয়ত , মারধর করতেন না তবে নাজনীন আপা সবসময় হাতে বেত নিয়ে ঘুরতেন। আমার মনে আছে ক্লাস ফাইভে বৃত্তি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করে ফিরে, দুই সেকশন মিলে হল্লা মাচাছিল্লাম; দুই ক্লাসের মাঝে ভাঙা দেয়াল লাফিয়ে পার হয়েছিলাম বলে টিচার আমার কান ধরে টিচার্স রুমে নিয়ে গেছিলেন বিচার করার জন্য :P হেড টিচার তনু আপা বলেন আরেয়ে একে তো মাত্রই ক্লাসে পাঠালাম রেজিস্ট্রেশন শেষ করিয়ে ছেড়ে দাও ওকে। এরপর আর কি কান ডলতে ডলতে পঁচিশ পয়সার আইসক্রিম কিনে স্বপ্নে ভেসে মেঘের ট্রেনে বাড়ি ফিরলাম স্কুল ছুটির পর।


আমার স্কুলের আর একটি স্মরণীয় ঘটনা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে হাত মেলানো ! আমাদের স্কুলে এসে উনি ভাষণ দিয়েছিলেন। মনে আছে সরকারের স্কুলে বিনামূল্যে বিতরণ করা বই আর টার্কিশ রঙের নোটবুক। সে সময়' টাতেই ই পি আই এর ৭ টা টিকা দেয়া শুরু হল স্কুলে স্কুলে। কমিউনিটি সেন্টারে সেন্টারে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা, সচেতনতা মূলক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী।


আমাদের কলতা বাজারের বাসায় ন্যাশনাল কোম্পানির এন, ও সি টেলিভিশন ছিল একটা, সমস্ত পাড়া ঝুঁকে আসত টি ভি দেখতে। চালু হতে অনেক সময় নিত সেটা। খবর তো বুঝতাম না শুধু মাত্র শিক্ষামূলক কিছু হলেই ডাক পেতাম। কারন টি ভি রুম ছিল আমার নো গ্যাঞ্জাম মামার দখলে।একটা গল্প খুব মনে আছে, রোনাল্ড রিগ্যান নামের একজনের খবর সব সময় শিরোনাম থাকত; একদিন আমার বড় আপু আর ভাইয়া মিলে কথা বলছিলেন যে রিগ্যান নের বাংলাদেশ সফর একটা অসম্ভব ব্যাপার!! শুনে আমি ভীষণ অবাক হয়ে প্রশ্ন করেছিলাম, সে যদি নাই আসে তাহলে খবরে প্রতিদিন কিভাবে দেখায় ? সে প্রশ্নের পর তো বাসায় আমার নাম ই হয়ে গেল এমেরিকান। কারন আমার কাছে বাংলাদেশ আর আমেরিকার নাকি তফাত নেই।ছোটদের অনুষ্ঠান দেখা যেত শুক্রবার সকালে দু ঘণ্টা আবার বিকেলে। খুব মনে আছে কত আগ্রহে সময় কাটিয়েছি শুধু ঝিরঝির দেখে, সম্প্রচার শুরু হতে ঢের দেরী জেনেও। একটু বড় হবার পর "পেপার চেইজ (একদম বুঝতাম না ভালো ও লাগত না), ওন্ডার ওম্যান, সিক্স মিলিয়ন ডলারম্যান , এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী, দেখার কথা মনে আছে , ডবল ডেকার নামে এক ছোটদের সিরিজ ,আর শুক্রবারের জন্য অপেক্ষা "থ্যান্ডার ক্যাটস "।


"আজাদ সিনেমা হল " এ জীবনের প্রথম চলচ্চিত্র দেখার ছুঁয়ে যাওয়া স্মৃতি !!! সেও আমার পুরানো ঢাকাতেই- এক বিকেলে আব্বা মা এর সাথে গিয়েছিলাম। গানের একটা লাইন ছাড়া কিচ্ছু মনে নেই। একটু বড় হবার পর খুব কেঁদেছিলাম ছুটির ঘণ্টা সিনেমা দেখে। সিনেমা হলের পাশেই ন্যাশনাল হসপাতালের লাল ইটের বিল্ডিং ছিল, কেমন যে এক গন্ধ মাখা পুরনো মায়া। সেখানেই জন্ম হয়েছিল আমার ছোট বোনের সে আরেক সুখের মুহূর্ত! পুতুল নিয়ে পুতুল খেলা আমার।


বৃষ্টি হলেই এক ছুটে রাস্তায়! আসে পাশের মাঠ ছাদ দৌড়ে বেড়ানো দমকা হাওয়ায় শিহরণ, ভেজা নীল ঠোঁটে বাসায় ফিরে মায়ের বকুনি। সদর ঘাটের নৌকা বাইচ, ধুপখোলা মাঠের কোরবানির হাঁট, ঈদের মেলার মাটির বাসন, কাঁচের চুড়ি হলদে পিরান। এক ছুটে দৌড়ে চলে যায় শক্ত পায়ের ধুপধাপ।


এরপর তো আমার উড়াল অন্য ডাঙায় অন্য সবুজ কাঁদা মাটি জল। আব্বা ট্রান্সফার হয়ে মুনশিগঞ্জ চলে এলেন আমাদের নিয়ে। একদিন খুব ভোরে বাসার সামনে ট্রাক এলো, আমরা গোছগাছ করে বাসে চড়লাম। পরিবর্তনের দমকা হাওয়া সবকিছু তে, মফস্বলের শ্যামলিমা আর কৈশোরের অদেখা ভুবন। সদ্য ভোরের সূর্যের মত হাতছানি দেয়া অপার রহস্য। মল্লিকা যূথীর যূথ বদ্ধতা।
মুনশিগঞ্জের সেই ছোট্ট শহরের এক আকাশ গল্প বলার আছে আমার; স্কুল খেলার মাঠ, প্যারেড পিটি কবিতা আর অভিনয়। সব জমা রেখে শুধু বদলে যাওয়া টিনের চালের গল্প টুকু আজ -

আমার পড়ার টেবিল এর পাশের জানালায় ও'পারে একটা ঝুমকো জবার গাছ ছিল ; বছর ধরেই সে আর কলাবতীর গুচ্ছ গা উজার করে ফুল ফোটাতো। সাথে গায়ে ছোঁয়ানো প্রতিবেশী দাদুর পূজাঁর ঘরের বেলপাতা ফুল ধূপকাঠির ধোঁয়া; শরত এলেই তার সাথে শিউলি সুর মেলাতো। শিউলি গাছটা খনিক দূরের যদিও দাদুর বাড়ির শেষ মাথায়; পুরনো রান্নাঘর আর বেল চালতার কাছটিতে।তবুও ভোরের শিশির এর সাথে ঝরে পরার সময় আর সন্ধ্যার হিমকনায় প্রস্ফুটিত হতে যেয়ে তুমুল সুবাস দিত সবাইকে ।

কালী বাড়ির মন্দিরে দূর্গাপুজার এ ক'দিন ভোরের আলোর সাথে মাইকে চমৎকার সব গানবাজত। ভোররাতের মিষ্টি ওম না কাটতেই দূর থেকে ভেসে আসা কিশোর কুমারের কন্ঠের " সে যেন আমার পাশে আজো বসে আছে " গানের বিষন্ন মায়ার সাথে ছুটির দিনগুলোর শুরু হত। তার সাথে ঝুমকো জবার হাসি, পাশের জানালায় দাদুর ধূপকাঠি আর শিউলির সুবাস কখন যে মিলেমিশে একাকার হয়ে যেত ....

আহা কৈশোর !!! বুকে কেমন করা এক অনুভূতির নাম !

টিনের চালের সেই টুপটাপ ধুপধাপ শব্দের সাথে আর একবার মিশতে চাই, সদ্য নেমে আসা বানের টলটলে পানি গায়ে মাখতে চাই; সব চাইতে বেশি চাই সেই কেয়া পাতায় নৌকা ভাসানোর দিনগুলোর মত নির্ভার হয়ে ঘুমাতে।


ছবিঃ গুগুল

মন্তব্য ৫৭ টি রেটিং +১৬/-০

মন্তব্য (৫৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:১০

রাজীব নুর বলেছেন: জিয়াউর রহমানের সাথে হাত মিলিয়েছেন!!!
খুব ভালো।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:২০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: লেখায় স্বাগত রাজীব নুর! ভালো লাগলো আপনার পাঠের প্রতিক্রিয়া।
শুভ কামনা অনিঃশেষ।

২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:২৫

হাবিব স্যার বলেছেন: এখনো পড়া হয়নি, কাল পড়বো ইনশাআল্লাহ

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:২৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: লেখায় আপনার ভ্রমণ আনন্দময় হোক। আশা করছি পাঠ প্রতিক্রিয়া পাবো।

৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: সুন্দর।+

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:০১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার আন্তরিক পাঠ এবং মন্তব্যের জন্য।

৪| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:০৯

আরোগ্য বলেছেন: পুরনো দিনগুলো ভালোই লাগলো। সময় করে আগেরগুলো পড়ার চেষ্টা করবো।
আপনি কলতাবাজার ছিলেন শুনে ভালো লাগলো। আমি ধোলাইখালের বাসিন্দা। ইনশাআল্লাহ পরবর্তী পোস্ট পুরান ঢাকা নিয়ে দিব। আপনাকে অগ্রিম আমন্ত্রণ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:০০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সুপ্রভাত আরোগ্য!
ভালোলাগা প্রকাশের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ;
আহা ধোলাই খাল! সেই বয়া টা কি এখন ও আছে ? আপনার আগ্রিম আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করলাম। আশা করছি দারুণ একটা লেখা পাবো।


শুভ কামনা।

৫| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:২৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আহা কৈশোর !!! বুকে কেমন করা এক অনুভূতির নাম !
.................................................................................
নষ্টালজিয়া ! মানুষের বুকের মাঝে বাস করে সে এক অদ্ভুদ জীব,
আমাকে কখনো হাসায় কখোন বা কাঁদায় ।
..................................................................................

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:০৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অনেক খানি ই ঠিক বলেছেন, নস্টালজিয়া এক অনন্য অনুভবের নাম;
সব মানুষকেই সে আনন্দিত, বিচলিত করে। শৈশব আসলেই বুকের মাঝের কেমন করা অনুভব।

আপনাকে লেখায় পেয়ে ভালোলাগল! আপনার জন্য ভালোথাকার শুভ কামনা।

৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ২:৫০

বলেছেন: কবি - এটা কি আমার মেয়ে বেলা???



কলাপাতা ঘ্রাণ, মোগলাই ---
টিনের চালপ টুপটাপ ------



এক মোহ লাগানো লেখা +++

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:১৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হুম ম ম শৈশব কে মেয়ে বলা নামে অভিহিত করাই যায় !

জানেন তো ! কবি' দের মোহিত করা বেশ সহজ; কিছু শব্দে, দু এক মুঠো স্বপ্নে অথবা স্মৃতিতে -
খুব সহজেই এদের মোহ তৈরি হয়, ঘোর লাগে। আপনি একজন কবি বলেই আমার সাধারণ স্মৃতি আপনাকে মোহিত করেছে। অনেক অনেক ধন্যবাদ ছুঁয়ে রাখা মন্তব্যের জন্য।


শুভ কামনা।

৭| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৫২

সোহানী বলেছেন: আমার মাথায়ও ইদানিং খুব শৈশব খেলা করে। হুম শুরু করতে হবে....

অনেক ভালোলাগলো স্মৃতি কথনে মনিরা।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: জন্মদিনের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়ে রাখলাম!! শুভ্র ও সুন্দর হোক আগামী!!


অপেক্ষায় রইলাম আপু .......
আপনার চমৎকার সুলিখিত শৈশব স্মৃতি পড়ার।
অনেক অনেক ধন্যবাদ পড়ে মন্তব্যে ভালোলাগা রেখে যাবার জন্য। শুভ কামনা।

৮| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

অগ্নি সারথি বলেছেন: সবগুলোই পড়লাম আপা! মনে হচ্ছিল আপনার শৈশবটা চোখের সামনে ভাসছিল, সেই অর্থে আপনার শৈশবের সঙ্গীও কিন্তু আমি। হা হা হা! অনেক অনেক ভালোবাসা মনিরাপা!

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আরেয়ে বাহ ! আপনি তো এক সাথে আমার প্রায় পুরো শৈশব এ ঘুরে এলেন। অভিনন্দন !
হুম হুম সে অর্থে আমার শৈশবের সঙ্গী আমার সব পাঠক; লেখার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ অগ্নি।


সব সময় ভালোথাকার শুভ কামনা।

৯| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

মিথী_মারজান বলেছেন: বাহ্!
কত বৈচিত্র্যময় শৈশব!
হা হা আপু, স্কুল পালাতেন দেয়াল টপকে!!!
ছোটবেলাতে প্রেসিডেন্টের সাথে হ্যান্ডশেক অবশ্যই দারুন ব্যাপার।
রোনাল্ড রিগ্যান! :P =p~
শেষে এসে মুন্সিগঞ্জের সময়টার বর্ণনা আর কালীপুজোর জায়গাটিতে এসে কেন যেন মনেহল সমরেশের সাতকাহন বুঝি নতুন করে পড়তে শুরু করেছি।
আহা কৈশর!!!
চমৎকার স্মৃতির ক্যানভাস আপু।:)

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৫০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হাহাহাহাহা মিথীমনি, সব তো বলে দিলাম গোপন কথা :P

তেমন করে কিছু ই মনে নেই, অপেক্ষা আর স্টেজে উঠেছিলেন মনে আছে। আর হ্যান্ডশেক তো অবশ্যই! ওরে বাবা !! তুমি এমন সব উপমা কোথা থেকে যে নিয়ে আসো, নিজেই নিজের লেখার প্রেমে পরে যাই। ভালোবাসা মিথীমনি নিজের লেখাকে ভালোবাসতে শেখানোর জন্য।

স্মৃতির ক্যানভাসে তোমার মন্তব্য ও তুলে রাখলাম।

১০| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:১৬

জাহিদ অনিক বলেছেন:
হঠাত খুঁজে পেতে ভালো লাগে পুরানো ছবি, ছিঁড়ে যাওয়া খাব কিংবা আধা আধা শৈশব কৈশোর।
ভালো লাগলো কৈশোর স্মৃতি।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:০২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: খুব সত্যি কবি জাহিদ অনিক !
হঠাত করে পুরানো কিছু পাওয়ার আনন্দ একেবারেই আলাদা; হোক না সে ছেঁড়া খাম বা আধো লেখা চিঠি। অসমাপ্ত কবিতা, ভুলে যাওয়া শৈশব কিংবা প্রিয় মুখ।

স্মৃতিতে ভালোলাগা প্রকাশে ধন্যবাদ।

১১| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: শৈশবের ছোট্ট পাখিটা ডানা ঝাপ্টাক স্মৃতির আকাশে.......
ওগো স্মৃতি তুমি ধরা থেকেও অধরা......
টুনটুনি পাখির মতোই চঞ্চল....
বয়ে চলো জীবনের নদীতে.....

শৈশবের সোনালী কথামালায় ভালোলাগার একটু ছোঁয়া....

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ আর্কিও !
আপনার চার লাইনের ছড়া লেখাকে দারুণ ভাবে সমৃদ্ধ করলো, একদম ম্যাচিং ম্যাচিং !

ভালোলাগার ছোঁয়া লেখার অলংকার হয়ে থাকল।

১২| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৩৫

সুমন কর বলেছেন: আপনি বাক্যগুলো খুব সুন্দর করে সাজান। পড়তে পড়তে যেন চোখের সামনে ভেসে উঠে। ভালো লাগা রইলো।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনি সব সময় ভীষণ একনিষ্ঠ একজন পাঠক ! মন্তব্য তার ঝলক থাকে। এমন একজন পাঠকের ভালোলাগা লেখায় উৎসাহ হয়ে থাকে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে চমৎকার মন্তব্যের জন্য।

শুভ কামনা রাখলাম।

১৩| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৪৮

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:




শৈশব স্মৃতি গুলো সব সময় সুন্দর হয় । যদি এক এক জনের এক এক রকম । তবে এখন কি শৈশব সেই আগের মত আছে । সময়ের সাথে বদলে গিয়েছে অনেক কিছু ।

আমার মনে পড়ে ওন্ডার ওম্যান, থান্ডার ক্যাটস, সিন্দাবাদ, আলিফ লায়লা, সুপার ম্যান, ম্যাকগাইভার, শক্তিমান ।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ!!
আপনার শৈশব ও তো বেশ সমৃদ্ধ!! লিখুন আমাদের জন্য।

এখনকার শৈশব তো একেবারেই আলাদা। সেই উদার প্রকৃতি ই বা কোথায় ? সেই মহৎ হৃদয়ের মানুষ ই বা কোথায় ! আমরা স্কুল পালিয়েছি শেষ ক্লাসে। পালিয়ে বাচঁতে পেরেছি , এখন তো দু বছরের বাচ্চারা ও নিরাপদ না।

মন টা আধাঁরে ছেয়ে গেলো এখনকার শৈশব নিয়ে বলতে গিয়ে :(

ভালো থাকবেন ।

১৪| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩২

কালীদাস বলেছেন: এখনকার বাচ্চাগুলো অনেকগুলো খেলার নামও জানে কিনা সন্দেহ!! এমনকি সবচেয়ে সিম্পলগুলো: ছোঁয়াছুঁয়ি, কুমীর, ...

আইসক্রিম!! একটাকার নিচে পাইনি, তবে সেই দিনগুলো জোস ছিল। মাল্টোভা ফ্লেভারের পাইপ আইসক্রিম খুবই পছন্দ করতাম।

টিনের চালে ধুপধাপ কিসের শব্দ? কোন ফল পড়ার? নাকি বানরের লাফালাফি?

শহরে বড় হয়েছি, কখনও কোন মন্দিরের ভেতরে কি আছে দেখিনি। নানার বাড়ির কাছে ছিল একটা মন্দির, ঐটার ব্যাপারে বেশ কিছু আদিভৌতিক গল্প থাকায় উঁকি মারার সাহসও হয়নি ছোটবেলায়।

ভাল লেগেছে আপনার স্মৃতিচারণ :)

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:২৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: খুব কষ্টে ইংরেজী ভার্সনের নাম জানে দু একটা ;)
চোর পলানী / লুকাচুপি - হাইড এন্ঢ সিক এমন আরও কিছু ।

আমি তো আপনার আগের যুগের এইটা আশির শুরুর দিক। আমাদের সময়ে এক টাকায় দামী কাপ আইসক্রিম বিশাল মটকার কুলফী ও আট আনায় খাইছি। মারাত্মক টেস্ট আহা !!


আরে না ধুপধাপ শীল পরার শব্দ ! বাণর লাফাতে দেখছি ঢাকার লাইফে কিন্তু সেতো বিল্ডিং।
ফল টোকানী’র ইতিহাস আসবে পরের পর্বে ...
মারাত্মক বিলাইর পা আমার |-)


আমার তো মিশ্র শৈশব; তারউপর ছুটিতে দাদা নানা র বাড়ির বেড়ানো। বিক্রমপুরের প্রতি দশ কদমে মন্দির বা পুরানো ছাড়াবাড়ি নজরে আসবে। বেহুলার সাপের ভয়ে ঐ এলাকায় পা ও দিতাম না।


পোস্টের মর্জিমাফিক আপনার গল্প ও শোনা গেলো ; ভালো ও লাগলো !!


ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যের জন্য।


১৫| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:০৯

শিখা রহমান বলেছেন: বাহ!! এক ঝটকায় ফিরিয়ে নিয়ে গেলে সেই ফেলে আসা দিনগুলোতে।

ভালো লাগলো স্মৃতিতে অবগাহন। ভালোবাসা প্রিয় কবিতার মেয়ে!!

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৩৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: স্মৃতির অবগাহনের রেশ ছড়াক সবার মনে ....

ভালোবাসা শিখা ফেলে আসা দিনের কাব্যে ছাপ রেখে যাবার জন্য ।

১৬| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: অসাধারণ হয়েছে এবারের প্রকাশ। ভালো লাগা সকল প্লাস+++


সে যেন আমার পাশে আজো বসে আছে..


বড়াপু,
আপনি তো বিরাট মানুষ। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাথে হাত মিলানো কি যেইসেই কথা। আমার তো সন্দেহ হচ্ছে, আপনি কি আওয়ামীলীগার ছিলেন যে জিয়া সাহেব আপনাকে নিজ দলে নিতে হাত মিলাতে আসলেন ;) ;) ;)
জব্বর সিরিয়াস একটি প্রশ্নঃ আচ্ছা ঐসময়ও কি এভাবে রাজনৈতিক মাঠ বদলের রীতিনীতি ছিল?



বৃষ্টিতে রাস্তায় ভেজা আর দৌঁড়ঝাপ ছিল বাল্যজীবনের শ্রেষ্ঠ মুহূর্তগুলোর মধ্যে একটি। ঘরের তখন চলতো মা-বাবার আন্দোলন, "ও বৃষ্টির পানিতে ভিজতে গেলো আর তুমি কিছু বললে না? শর্দি জ্বর নিয়ে আসলে তখন কি তুমি আমাকে কম কথা বলবা?"


বড়াপু, খাবার দাবারের কথা শুনে তো আমি পুরাই টাশকিত! আসলে খাবার দাবারের কথা শুনলে বা ঘ্রাণ নাকে আসলে একেবারে নিস্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করতে হয়। অতপর খবর নিতে হয় কার ভাষায় এই আয়োজন! খোঁজ লাগা পাত্তা লাগা, চল এখন খাতা কলম নিয়ে ওর বাসায় চল :P ! (বেশি মানুষ নেয়া যাবে না) গিয়ে দেখি আমাদের আগেই রিয়াজ, রুমান বসে আছে! কী আর করা! খাবার না আসার আগ পর্যন্ত আর উঠার কোন নাম নাই! :P :P




সবশেষে অন্যের খাবার খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর :|



১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ সৈয়দ তাজুল ইসলাম!

হাহাহাহা তেমন কিছুই না রেগুলার ভিজিটে এসছিলেন মনে হয় স্কুলে; তেমন কিছু ই মনে নেই। আর ঐ সময় নিজের বালিশের কভার ও মা বদলে দিতেন, রাজনৈতিক মাঠের খবর কইত্তে ?? তবে হ্যাঁ ইতিহাস পড়ে আপনি যতটুকু জানেন আমিও ততটুকু' ই।


হাহাহাহাহা এত বাবা মায়েদের চলে আসা না ফুরানো বিবাদ :P ভালো হলে আমার ছেলে, যে কোন গ্যাঞ্জামে মায়ের ছেলে ;)


আহা রে আপনারা মনে হয় খাতা কলম নিতে নিতে রিয়াজ, রুমানের পিছনে পড়ে গেছেন ; আর খাবার দাবারের জন্য অপেক্ষা করাই যায়। সাধা লক্ষ্মী পায়ে ঠেলতে নেই।


আমায়ে শৈশবের সাথে আপনার ফেলে আসা কিছুদিনের গল্প ও পেলাম, স্মৃতিকথা লেখায় এ সব সময় বাড়তি পাওনা।


সব সময় ভালোথাকার শুভেচ্ছা।

১৭| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:১২

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার এই ধরণের লেখাগুলোর একটা মাদকতা আছে। সুরিয়ালিস্ট ব্যাপার-স্যাপার। :D

আমার শৈশব কেটেছে ঝড়ের দিনে আম কুড়িয়ে, তাল কুড়িয়ে; মার্বেল, হা-ডু-ডু, ডাংগুলি আর কানামাছি খেলে; তেঁতুল, বরই, আম, জাম গাছে ঢিল ছুঁড়িয়ে। সেসব স্মৃতি কখনও ভোলার নয়।

ভালোলাগা গদ্যে।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আসলে যে কোন শৈশবের স্মৃতিতে হালকা নেশা মাদকতা থাকে, সবাইকে ভেজায়!!

আমার কৈশোরের দিনলিপি তে আছে এসব - ঝড়ের দিনের আম কুড়ানো, মরিচ দিতে ভর্তা , কদবেল কুড়ানো, হিম সকালে অন্য কেউ জেগে উঠার আগেই তেঁতুল তলায় ঢু !!

ভালোলাগায় মুগ্ধতা! শুভেচ্ছা নিন।

১৮| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৯

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: চম্রকার লিখনীতে টাইমলাইনে চড়িয়ে স্মৃতির অবগাহনে ভাসিয়ে দিলেন।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ ! এক লাইনের মন্তব্য আমার ভালোলাগা রাখলাম মাহমুদুর রহমান সুজন !
শুভেচ্ছা রইলো।

১৯| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমি কলেজ অবধি থেকেছি লালবাগে। কাজেই আমার ছেলেবেলা বা তারুন্যের স্মৃতি মানেই পুরানো ঢাকার স্মৃতি।

অনেক ঘটনা মনে পড়ে গেল। আপনাকে বলতে দ্বিধা নাই, আমি কিন্তু ছোটবেলায় বিরাট শয়তান ছিলাম। খুব টাকা চুরি করতাম আর সে টাকা যতো ধরনের শয়তানী বুদ্ধিতে খরচ করতাম! :) একবার বলা শুরু করলে শেষ হবে না।

এসব কারনে, আর আশেপাশের মুরুব্বীদের অভিযোগের কারনে আব্বার হাতে ধোলাই খাওয়া ছিল আমার নিত্যদিনের রুটিন! =p~

আপনি তো দেখছি স্মৃতি-রোমন্হন করে আমার স্মৃতিকে উসকে দিলেন। এখন মন কেমন কেমন জানি করছে। :(

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমি প্রাইমারী পাশ :P
মানে হইল ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত ছিলাম , এরপর মুনশিগঞ্জ চলে গেছি; তাই ভাগাভাগি স্মৃতি। হাহাহাহাহা না চুরি ধারি তে ছিলাম না, কিন্তু মাস্তান আছিলাম। ঝাল ঠুয়া চিনেন তো ? টাকলা পেলেই আর কথা নাই, বিচার আচার আনার সুযোগ দিতাম না, অফিসিয়ালি কারেক্ট থাকলে কিসের বিচার B-)) একবার ঢিল মেরে এক পিচ্চির মাথা ফাটায়ে দিছিলাম, সেই বিচার আসছিল কেবল।

আহারে দেখছেন ধোলাই খালের ধোলাই ও এখন কত মধুর!!!

হুম হুম আমার এই পোস্ট কে আপনি অনায়েসে ঢোলের বারি হিসেবে নিতে পারেন!! কেমন করা মন কে, কেমন কেমন ই করতে দিন আর কী বোর্ড এ হাত দিন।

হ্যাপি স্মৃতি- রোমন্থন এন্ড লেখা লিখি।

২০| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমার দেখা প্রথম ছবি মধুমিলন।।।
শ্যামলী সিনোমা হলে। এতই ছোট ছিলাম যে মুভির কিছুই বুঝিনি।।

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমি ও বঁধু বিদায় সিনেমার কিছু ই বুঝি ও নাই মনে ও নাই; গানের কিছু কথা মনে ছিল। পরে ভাই বোনের কাছে এম জেনেছি।

২১| ১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:০০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: শাবানা খালামনি খুব কাদছিলেন।। আমি ভয়ে মুখ লুকিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। ওটাই মুভি রিভিউ। উনি যে শাবানা খালা অনেক পরে জেনেছিলাম!!! !:#P

১০ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: হাহাহাহাহা
আপনি তাহলে শাবানা দেখেই বড় হয়েছেন :P

২২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:২১

মুক্তা নীল বলেছেন: আপা, আপনার লেখা পড়ে যে কেউ তার ফেলে আসা কৈশরে স্মৃতিতে চলে যাবে। আহা কৈশোর!!!
খুব সুন্দর করে গুছিয়ে লিখে গেছেন। আপা, আমরা ৩ বান্ধুবি মিলে বাসার ছাদের আচার চুরি করে
খেতাম। বাসায় না বলে মাত্র একবার সালমান শাহ সিনেমা দেখতে গিয়েছি তাতেও ধরা। ওহ্, বুঝেন
কি অবস্থা !!!
মারবেল, গুল্লি, কানামাছি, গোল্লাছুট, এই খেলো গুলো হারিয়ে গেছে, মন্দির থেকে ভেসে আসা কালজয়ী
গান,,,, অনেক অনেক ভালো লেগেছে। দোয়া করবেন আর ভালো থাকবেন।

১২ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫০

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনার অসম্ভব আন্তরিক মন্তব্য পেয়ে মন ভালো হয়ে গেলো! লেখায় স্বাগত আপনাকে।

আপনি চমৎকার বলেছেন, সত্যি বলতে কি; যে কোন স্মৃতিচারণ পড়তে গেলে পাঠক মনে নিজের স্মৃতির জানালা ও খুলে যায়। তারপর শুধু অবগাহন !!

আপনার আঁচার চুরির গল্প আমার পেয়েরা ,ফুল সব ধরনের চুরি' র গল্প মনে করিয়ে দিলো। হাহাহাহাহা সালমান শাহ এর সিনেমা :P তাও ধরা খাওয়া !!! বুঝলাম কী গেছে আপনাদের উপর দিয়ে।


কানামাছি , মার্বেল , গোল্লাছুট এসব খেলার সময় সত্যি ই এখনকার বাচ্চাদের নেই :( আর মাইকে ভেসে আসা এমন সব গানের কিছু মুহূর্তের জন্য, আজো ছাড়াতে পারি অনেক কিছু।


মন্তব্যে আপ্লুত হলাম , আরেকবার স্মৃতিতে ডুবলাম! ভালোবাসা আপনার জন্য।

২৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫৯

নজসু বলেছেন:



ছেলেবেলার দিনগুলো কত না মধুর ছিলো।
স্মৃতির ভেলায় চড়ে সেসব দিনে ভেসে যেতেও ইচ্ছে করে।
আপনার শৈশব কৈশোরের দিনলিপি পাঠে আমারও মনে পড়লো ছোটবেলার নানা কথা।

আমি এখনও ছুটির ঘন্টা ছবিটা দেখলে কাঁদি।
আমার জন্মের আগে আমাদের এলকায় জিয়াউর রহমান এসেছিলেন। তার আগমন উপলক্ষ্যে এখানকার হাইস্কুল মাঠে বড় একটা স্টেজ বানানো হয়েছিলো।
স্টেজটা এখনও আছে। বড় হয়ে পরে এই হাইস্কুলে ভর্তি হয়ে স্টেজটা দেখেছি আর তার কথা শুনেছি।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:২৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সব মানুষ ই শৈশব কৈশোর নিয়ে স্মৃতিকাতর হয়; সত্যি ই ফেলে আসা দিনের স্মৃতি মধুর।

অনেক ধন্যবাদ নজসু ! আপনার শৈশবের গল্প আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। শুভেচ্ছা আর শুভ কামনা।

২৪| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: আমার মনে হয় জীবনের সবচেয়ে মায়াময়, স্মৃতিতে অম্লান, ঘোরলাগা, জাদুর জগত প্রতিটি মানুষের শৈশব। "জীবন এর সেরা সময় কোনটি?" এমন প্রশ্নটা উত্তরে সবাই একবাক্যে বলবে "শৈশব"।

তিনটি লেখা একসাথে পড়ার মজাই অন্যরকম। ছুটির দিনটি অদ্ভুত ভাললাগায় ছেয়ে গেল অনেক ধন্যবাদ আপু। সারাটি জীবন কাটুক শৈশবের মত আনন্দময়।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: শুভ সন্ধ্যা !
আমার ও মনে হয় জীবনের সবচেয়ে মায়াময় ঘোরলাগা যাদুর মুহূর্ত গুলো সব ই শৈশবের খাতার পাতায় !!
আমার সন্ধ্যা ও মোহময় হলো আপনার দারুণ সব মন্তব্যে।

ভালো থাকবেন, যত্নে আনন্দে থাকেন।

২৫| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০৪

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ অপরাহ্ন আপু,
সময় নিয়ে পড়ব বলে সেদিন এই পর্ব পড়িনি। আজকে শেষ করলাম। লেখা খুবই চমৎকার হচ্ছে। আমি পড়ে মুগ্ধ। অফিসে কাজ টাজ বাদ দিয়ে ননস্টপ আপনার লেখা পড়ে গেলাম আজকে......
প্রথমেই হ্যাটস অফ আমার প্রিয় নেতার সাথে হাত মেলানোর জন্য! আহ, এই সৌভাগ্যটা যদি আমার হতো! কি সৌভাগ্যবান আপনি!
পুরানো ঢাকা এখন অনেক বদলে গেছে। আমার শ্বশুর বাড়ির দিককার কিছু আত্মীয় ঐ জায়গায় থাকে। তবে এদের জীবন যাত্রা বড়ই মজাদার! বেড়াতে গেলে অন্যরকম ফিলিংস হয়!

আপনার তো দেখি স্মরনশক্তি বেশ ভালো। কত কিছুই না মনে আছে। এত ভালো ভাবে মনে রাখলেন কিভাবে? এত ছোট বেলার এত স্মৃতি আমার মনে নেই!

থান্ডার ক্যাটস - আহ আমার জীবনে সব সুখ স্মৃতি এখানে। হত শুক্রবার দুপুর বেলা। সম্ভবত বেলা ২:৩০ বা ৩টার সময়। এখনও মনে আছে, এটার জন্য ঐ সময়ে ঘর থেকে পর্যন্ত বের হতাম না! আর প্রিয় ছিল ওন্ডার ওম্যান, ম্যাকগাইভার ।
স্কুলে থাকতে আমার আসল কাজ ছিল দল বেধে - নাহ এত ওপেন স্পেছে বলা যাবে না!!!!!!!!!!!!!!!
[এই নামেই কি ফেসবুকে আপনার একাউন্ট, গতকালকে ঘুঘু পাখি নিয়ে সেম পোস্ট দেখলাম ঐখানে? শিওর না হয়ে মন্তব্য করিনি, ঘুঘু পাখি গুলির বাচ্চা হয়েছে কি?]
নতুন কবিতা কই?
ভালো থাকুন আপু, সব সময়!
শুভ কামনা রইল!


০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:২৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপনি আসাধারন একজন পাঠক ও নিঃসন্দেহে !! পাঠে আপনার মুগ্ধতা আমায় ছুঁয়ে গেলো।
ননস্টপ পড়ে যাওয়া; সাধারণ মানের লেখক আর কি চাইতে পারে বলেন !!! আমি অভিভূত।
আমার ভালোলাগার প্রায় কিছুই আমি ভুলি না, কিছু কিছু এমন স্মৃতি আমার পরিবারের সাথে শেয়ার করি, যখন আমি নিতান্তই শিশু। হতে পারে শৈশবে গল্প শুনে শুনে কিছু মনে রয়ে গেছে। তবে ব্লগে লেখা সব স্মৃতি ই আমার চোখের আয়নায় থাকা গল্প।

আপনার প্রিয় নেতা !! বাহ ! সত্যি বলতে কি সেই এক ঝলক আর সেদিনের স্কুলের মাঠের ভাষণ; আমাকে উনাকে ভালোবাসতে শিখিয়েছে। একজন সত্যিকারের দেশ প্রেমিক, একজন নেতা।


একদম ঠিক বলেছেন, আমি ২০০৯ এ একবার ছেলে মেয়ে সহ গেলাম শৈশব খুঁজতেঃ সবকিছুই এত ছোট ঘিঞ্জি লাগছিল! আমাদের দোতলা বাড়ি টি ভেঙে এখন ফ্ল্যাট হয়েছে। কোনকিছুই চিনতে পারছিলাম না। আর একাডেমিক পড়াশুনা বাদে প্রায় সব ই আমার মনে থাকে :P


হুম হুম দুপুর ২.৩০ থেকে জাতীয় পতাকা আর বাদ্য যন্ত্র শোনা যেত ঠিক তিন টায় আস সালামু আলাইকুম ............
আহ !! যেন জানে পানি আসত; সিক্স মিলিয়ন ডলার ম্যান , ওয়ান্ডার ওম্যান, অটোম্যান , একটা ছিল ম্যানিমল বা এ নামে কিছু মাঝ রাতে প্রয়োজন মত বাজ , চিতা রূপ নিত। ম্যাকগাইভার কেমনে ভুলি !!



হাহাহাহা ওপেন স্পেছে বলার দরকার নাই , আপনি চুপচাপ আপনার ব্লগে লিখে ফেলুন সব, আমি পড়লে ও কাউকে বলব না কোথা দিচ্ছি ;) আশা করছি আরও একটা মাস্টার পিস পাচ্ছি; আপনার শৈশব নিয়ে স্মৃতিচারণে। অপেক্ষায় রইলাম।



আমার ফেসবুক এই নামে ই তবে ইংলিশে বাংলা নিক হিসেবে আছে; এম এ এন আই আর এ। সেইম পোস্ট হোয়ে থাকলে তো আমার ই হবার কথা। আসলে লেখা টা ফেসবুকে র স্ট্যাটাস ই ছিল, এরপর ব্লগে এনেছি।



নতুন কবিতা ! বেশিকিছুদিন কবিতা থেকে দূরে আছি আপততঃ কবিতা মাথায় ই নেই। ব্লগে ই আছি :)



আপনি ও ভালো থাকুন, লিখুন সবাই কে যয় করুন আপনার লেখায়।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:২৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন:

আলহামদুলিল্লাহ কয়েকদিন হলো উনারা জন্ম নিয়েছেন , কিন্তু মা তো একেবারেই ওদের একলা হতে দিচ্ছিলো না। আজ সকালে একটু ফ্রি পেয়েই তুলে আনলাম :)
দোয়া করবেন ।

২৬| ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪৯

নীল আকাশ বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ, আপু।
সব সময় এক জোড়া বাচ্চা হবে। একটা মেয়ে, একটা ছেলে। যেটা বড় হয়ে ডাকাডাকি করবে সেটা ছেলে........
বাবা না মা কে কাছে থাকে টের পাবেন না। তবে সব সময় একজন তা দিবে, আরেকজন খেতে যাবে.....
খুব তাড়াতাড়ি বড় হবে। ১৫ দিনের মধ্যে বড়সড় হয়ে যাবে। ধাপে ধাপে বড় হবার ছবি দিয়েছি এখানে Click This Link
উড়তে শিখলেই বাচ্চারা বড় হয়ে ভাগবে। বাবা মা আরও বাচ্চা দিবে। বাংলাদেশে একটানা তিন বার বাচ্চা দেয়।
এদের কোন খাবার দিতে যাবেন না। ঘুঘুরা মানুষের হাতের খাবার খায়না.........
চমৎকার হয়েছে, একদম বিনে পয়সায় পারমানেন্ট বাসায় ঘুঘু পাখি পেয়ে গেলেন। সকাল বেলার এদের ডাকাডাকি খুব ভালো লাগে। আমার ঘুম ভাংগে এদের সকাল বেলার ডাকাডাকি তে।
আপডেট দেবার জন্য ধন্যবাদ। গতকালকে ভাবছিলাম আপনার ফেসবুকে যেয়ে এদের কথা জানতে চাইব?
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৫৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ ! চমৎকার সব তথ্য !!
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ; দু' দিন থেকে আমার এখানে বৃষ্টি কিছু চাল রেখেছিলাম ছুঁয়ে ও দেখে নি। এখন বুঝলাম কেনো।
ইনশাআল্লাহ আশা করছি দ্রুত বড় হয়ে নিজেদের ঠিকানা খুঁজুক।

আমার বেড রুম থেকে একটু দূরে তাই শুনতে পাই না সব সময়, তবে আমার বিকেল টা কাটে এদের পাশে ই। আমার ফেসবুকে আপনাকে স্বাগত।

ভালোথাকার শুভ কামনা আপনার জন্য।

২৭| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৭

করুণাধারা বলেছেন: একের পর এক নানা ছবি এঁকে যাচ্ছিল শব্দগুলো, পড়তে ভালো লেগেছিল খুব, তাই বুকমার্ক করে রেখেছিলাম। মাঝে মাঝে পড়তাম, কিন্তু এ কথা জানানো হয়নি।

জানিনা আর কখনো এমন পোস্ট পড়া হবে কিনা.........

ভালোলাগাটা এই বেলা জানিয়ে যাই।

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:০২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আপু আপনার ভালোবাসা সবসময় ই অনুভবের; প্রকাশ না করলে ও আমার লেখার সাথে আপনার যত্নে ছোঁয়া পাঠের মায়া লেগে থাকে! তবে আপনি বুক মার্ক রেখেছেন , এবং মাঝে মাঝে পড়তেন এ তথ্য আমাকে আনন্দিত আপ্লুত আবেশিত করলো !!
অনেক অনেক ভালোবাসা আপু অতখানি মমতায় আমার লেখা পড়ার জন্য।

জানিনা আর কখনো এমন পোষ্ট পড়া হবে কিনা ! আহা রে মন টাই আদ্র করে দিলেন :( হ্যাঁ এ আশংকা আমাদের সবার ই। একজন নিয়মিত ব্লগার হিসেবে এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।


আপনার ভালোলাগা ভালোবাসা নিজের করে রাখলাম আপু।

২৮| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

সাহসী সন্তান বলেছেন: আপনার পোস্টটা পড়ছিলাম অনেক আগেই। কিন্তু মন্তব্য করা হয় নাই, ব্যস্ততার কারণে! আজ @করুণাধারা'র কল্যাণে পোস্টটার শিরোনাম মন্তব্যের ঘরে ভেসে উঠায় হঠাৎ সেই পড়ার কথাটা মনে ভেসে উঠলো...

পোস্ট কেমন হইছে সেটার ব্যাপারে পূর্বের বক্তারা বোধহয় সব বিশেষণই খরচা কইরা ফেলছে। সুতরাং আমার বলা/না বলা এইখানে সমান কথা! শুধু ছোট করে বলি, পোস্টটা ভাল হইছে; আপনার মতই!

শুভ কামনা মনিরা'পু!

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: সাহসী ;
তোমাকে তো আজকাল ব্লগে ই কম দেখি, নাকি আমাদের লগইন সময় আলাদা ! কিছু পাঠক আছে যাদের মন্তব্য না পেলে বুঝি ব্যস্ততায় সময় না পেলে ও পোষ্ট তাদের নজরে এসছে; তুমি তাদের মাঝে একজন ! তবুও এমন সব আন্তরিক মন্তব্যে অন্য রকম ভালোলাগা কাজ করে। অনেক ধন্যবাদ করুণা আপুর মন্তব্যের রেশ ধরে এসে চমৎকার ভাষায় ভালোলাগা রেখে যাবার জন্য।

সব সময় ভালো থাকার শুভ কামনা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.