নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চাঁদের ফাঁদে মুসলমান

ম জ বাসার

ম জ বাসার › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাছুল/নবি মানেই মুহাম্মদ

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:০৪

শরিয়তের ধারণা ‘হাম্দ’ থেকে ‘মোহাম্মদ’ শব্দের উৎপত্তি। হাম্দ অর্থ প্রশংসা, মোহাম্মদ অর্থ প্রশংসিত।



কোরান তথা নামাজের সর্বপ্রথম এবং সর্বপ্রধান ঘোষণা: আল হামদু লীল্লাহী রাব্বিল আলামীন (১: ১) অর্থ : সমস্ত প্রশংসা সৃষ্টির স্রষ্টার। হেন স্বীকারোক্তি করার পরে,“ ‘হাম্দ’ থেকে মোহাম্মদ এবং উহার অর্থ প্রশংসিত, অতঃপর আব্দুল্লাহর পুত্র (মহানবি) প্রশংসিত; বিশ্বাসদ্বয় পরস্পর বিপরীত। এখানে আর একটি মৌলিক বিষয় উল্লেখ্য যে, ‘সমস্ত প্রশংসার দাবিদার যখন স্বয়ং আল্লাহ, মানুষ বা অন্য কিছু নয়! তখন মোহাম্মদ বা অন্য কাউকে প্রশংসিত, সন্মানিত করা/বলা উভয়ই আল্লাহর সংগে অংশীদারীত্ব বা শিরকীর স্বাক্ষর।



ব্যকরণ মতে: ‘মোহাম্মদ’ থেকে ‘আহম্মদ’ (যথার্থ) শব্দের উৎপত্তি কিন্তু প্রচলিত অর্থে তার অর্থ ‘প্রশংসাকারী!’ উল্লিখিত অর্থেও অর্থদ্বয় পরস্পর বিপরীত। যেমন ‘মোহাম্মদ’ অর্থ প্রশংসিত বা প্রশংসা প্রাপক; পক্ষান্তরে ‘আহম্মদ’ অর্থ প্রশংসাকারী বা প্রশংসা প্রেরক; দাতা ও গ্রহীতা অর্থাৎ স্রষ্টা ও সৃষ্টির সম্পর্ক। স্রষ্টা প্রশংসা পায় আর সৃষ্টি প্রশংসা দেয়। অতএব, এক্ষণে আব্দুল্লার পুত্রের (মহানবি) জন্মের পরে তার নানা-দাদাগণের মাতৃভাষা আরবি সত্বেও এই বিপরীত অর্থবোধক নামদ্বয় একই ব্যক্তিকে কি করে প্রদান করে! আর কি করেই বা তার অনুসারী তথা আরবি জানা সম্মানিত আলেম আল্লামাগণ বিশ্বাস করেন ও করান!



আরবি ব্যকরণের আলজামউল মাকছুর বা ‘ভংগুর বহুবচন’ এর সুত্র মতে প্রধানতঃ একবচনের পূর্বে ‘আলিফ’ যুক্ত করে বহুবচন করতে হয়। যেমন: ‘নবি’ একবচন, আম্বিয়া বহুবচন; ‘ছালাম’ একবচন, ‘আছলাম’ বহুবচন; ‘অলি’ একবচন ‘আউলীয়া বহুবচন; ‘কালাম’ একবচন, ‘আক্লাম’ বহুবচন ইত্যাদি। সে মতে ‘মোহাম্মদ’ একবচন, ‘আহম্মদ’ তার বহুবচন হওয়া স্বাভাবিক এবং যুক্তিসঙ্গত বটে! অতএব শরিয়ত মতে ‘মোহাম্মদ’ শব্দের অর্থ যদি হয় ‘প্রশংসিত’ তবে তার বহুবচনে ‘আহম্মদ’ এর অর্থ হওয়া উচিৎ ‘প্রশংসিতগণ’; কিন্তু ‘প্রশংসাকারী অর্থ করার যুক্তি বা দলিল পত্র কোথায় ! ধারণাটি ভুলও হতে পারে। শরিয়তের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।



‘মোহাম্মদ’ খেতাবটি কারো ব্যক্তিগত বা জন্মগত নাম যে ছিল না তা উল্লিখিত বিবরণে প্রমান । ‘মোহাম্মদ’ রাজা-বাদশা, প্রেসিডেন্ট, ফেরাউন ইত্যাদির মত আল্লাহ প্রদত্ত সর্বশ্রেষ্ঠ খেতাব মাত্র।রাছুল/নবি না হয়ে কেউ ‘মুহাম্মদ হতে পারে না বা সকল রাছুল-নবিগণই ‘মোহাম্মদ’ বা মহাপুরুষ। এজন্যই বেদ, গীতা, তোরাহ, ইঞ্জিলে এমনকি আদমের ইতিহাসেও ‘মোহাম্মদ’বা মহাপুরুষের আগমণ ভবিষ্যৎ বাণীর অনুসরণে পরম্পরায় এসেছিলেন শিব, কৃষ্ঞ, রাম লুত, যুধিস্ঠির, মুছা-ঈছাসহ আরো অসংখ্য; যারা সকলেই ‘মোহাম্মদ বা মহাপুরুষ।‘ অতীতের সকল মহাপুরুষই পরবর্তী মহাপুরুষের (মোহাম্মদ) আগমনের সুসংবাদ দিয়ে গেছেন, পদবি নামে, জন্মগত নামে নয়; জন্মগত নাম তাদের জানার কথাও নয়।



জ্ঞানীদের পুনঃ পুন: ভেবে দেখা উচিৎ যে, কথিত উদাহরণমতে শিব-কৃষ্ণ বললেন, ‘আমার পরে মুহাম্মদ আসবেন’ কিন্তু ঘোষনামতে মুহাম্মদ আসলেন্না, আসলেন মুছা! মুছা বললেন, ‘আমার পরে মুহাম্মদ আসবেন’ মুহাম্মদ আসলন্নো, আসলেন ঈসা! ঈসা বললেন, ‘আমার পরে আহাম্মদ আসবেন’ অতঃপর ‘আহম্মদ’ না এসে মুহাম্মদ আসলেন কেন! এমনকি কথিত হয় আদম থেকেই ‘মুহাম্মদ’ আসার ভবিষ্যৎ বাণী প্রচারিত হয়ে আসছে (শরিয়তী আল্লাহর গদিতে মুহাম্মদের সাইনবোর্ডও আছে)! কিন্তু তার পূর্বে অসংখ্য নবি-রাছুল আসবেন, একথা কেউই ঘুণাক্ষরেও বলেনি! অথচ এসেছিলেন পর্যায়ক্রমে নূহ, ইব্রাহীম, বুদ্ধ-অশোক, শিব, কৃষ্ন, নানক এবং তাদের মত আরো অনেকে। যারা সকলেই (২: বাকারা-১২৯) প্রতিক্ষীত, প্রতিশ্রুত রাছুল/নবি হিসাবে স্বীকৃত ও প্রতিষ্ঠিত। কোন সমাজই পরম্পরায় ভবিষ্যত বাণীর (মোহাম্মদের আগমণ) পক্ষে ওজর-আপত্তি তোলার ইতিহাস নেই! কেহই বলেনি যে, ‘আসার কথা মুহাম্মদের, তুমি মিয়া কে?’ কোরানেও নেই।



আব্দুল্লাহর পুত্রের জন্মগত নাম ‘মোস্তফা’ নামটিকে আরববাসী কর্তৃক প্রদত্ত্ব ‘আলআমীন’ নামে ঢেকে গিয়েছিল (নিকট অতীতের স্কুল-কলেজের পাঠ্য পুস্তকে ‘মোহাম্মদ মোস্তফা’ নামটির ব্যবহার দেখা যায়) অত:পর ‘আলআমীন’ নামটি আল্লাহ প্রদত্ত্ব ‘মুহাম্মদ’মহাপুরুষ খেতাবে ঢেকে যায়।অনুরূপ আবুল হাকাম আমর ইবন হিসাম ইবনিল মুগিরার নাম আবু যাহেলে, আবদুল উয্‌যা ইবনে আব্দুল মুত্‌তালিবের নাম আবু লাহাবে, মারনেপ্তা নাম ‘ফিরাউন’ নামে ঢেকে গেছে।



‘মুহাম্মদ’ অর্থ মহাপুরুষ, ‘আহম্মদ’ ইহার বহুবচন। অতএব মুহাম্মদ তারেক বল্তে মুহাম্মদের উম্মত তারেক মিয়া বুঝায় না বরং রাছুল/নবি বা মহাপুরুষ তারেক বুঝায়! ডা: মাছুম বল্তে ডাক্তারের রোগী/ভক্ত বুঝায় না।

বলতে লজ্জা হয় যে, ‘মুহাম্মদ’ খেতাবটি স্ত্রী লিঙ্গেও ব্যবহৃত হয়, যেমন : মুসাম্মত হাসিনা বেগম। ‘মুহাম্মদ’ এর স্ত্রী লিঙ্গ ‘মুসাম্মত’ কি না! শরিয়ত তার যুক্তি –প্রমাণ দিতে পারবে কি!

বিনীত।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:২০

আমি নি (?) বলেছেন: তাহলে সমস্ত প্রসংসা একমাত্র আল্লার না? প্রশংসার আরও দাবীদার আছে!

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২১

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. প্রশ্নটি তো আমার, আপনি/শরিয়ত জবাব দিতে বাধ্য। কিন্তু দেয়ার মত কেউ আছে কি?
বিনীত।

২| ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৩০

ডাইনোসর বলেছেন: এই লেখাটা সহজ সরল, ঝরঝরে হয়েছে।কোন রকম জটিলতার মারপ্যাচ নেই।

ধন্যবাদ।

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:২৪

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
চেষ্টা করি সহজ সরল করতে কিন্তু ভাষার সীমাহীণ দৈন্যতার জন্য সম্ভব হয়ে উঠে না।
কৃতজ্ঞ ও
বিনীত।

৩| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৪৭

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: বাসার মামা

ছালাম,

১. প্রথম কমেন্টের উত্তর কি ঠিক হল? আপনিই বলছেন সকল নবীই মুহাম্মদ বা প্রশংসিত - আর আমরা জানি নবীর সংখ্যা লক্ষাধীক। তাহলে আপনি কি সেই লক্ষাধীক ব্যাক্তিকেই প্রশংসিত বলছেন না? তাহলে সেটা কি 'সকল প্রশংসা আল্লাহর' এই কথার বিপরিত হল না? শরিয়ত যেখানে একজন মুহাম্মদ সমর্থন করছে ( এবং আপনি বলছেন এর মাধ্যমে আল্লাহর সাথে শরীক করা হচ্ছে ) আপনিতো সেখানে লক্ষাধিক মুহাম্মদ বানিয়ে দিলেন!!!

২. আমরা না হয় জানি না যে সকল নবীই মুহাম্মদ কিন্তু আল্লাহতো নিশ্চয়ই তা জানেন। তাহলে অন্য কোন ধর্মগ্রন্থে কি সেই নবী/ধর্মপ্রচারককে মুহাম্মদ নামে/উপাধীতে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়েছে? বাইবেল, বেদ বা অন্য কোন গ্রন্থে? যেমন কোরআনে বলা হয়েছে?

৩. আপনি বলেছেন সকল গ্রন্থে বলা হয়েছে মুহাম্মদ আসবেন - কিন্তু কোরআনে কি এমন কথা আছে যেখানে সরাসরি বলা হয়েছে 'মুহাম্মদ' বা 'আহমদ' আসবেন?

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৩৭

ম জ বাসার বলেছেন: -অতএব শরিয়ত মতে ‘মোহাম্মদ’ শব্দের অর্থ যদি হয় ‘প্রশংসিত’ তবে তার বহুবচনে ‘আহম্মদ’ এর অর্থ হওয়া উচিৎ ‘প্রশংসিতগণ’; কিন্তু ‘প্রশংসাকারী অর্থ করার যুক্তি বা দলিল পত্র কোথায় -!

‘মুহাম্মদ’ অর্থ মহাপুরুষ, ‘আহম্মদ’ ইহার বহুবচন-।

-অত:পর ‘আলআমীন’ নামটি আল্লাহ প্রদত্ত্ব ‘মুহাম্মদ’ মহাপুরুষ খেতাবে ঢেকে যায়-।

-সকল রাছুল-নবিগণই ‘মোহাম্মদ’ বা মহাপুরুষ-।
(দ্র: সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন)

ছালাম,
১. উপরের উদ্বৃতির অনুসরণে আপনার ১ নং ধারার বিষয়বস্তু উদ্ধার কর্তে ব্যর্থ হলাম। পুন: দেখুন ‘মুহাম্মদ’ অর্থ প্রশংশিত (শরিয়ত মতে) নয়য়য় বরং মহাপুরুষ।

২. আল্লাহর জানা/নাজানায় আপনার/আমার কি যায় আসে? ‘আল্লাহ জানেন’ বাক্যটা শতভাগ শরিয়তিরা ব্যবহার করে মূলে কি বুঝাতে চায় তা তারাই বুঝে না। বুঝে না ‘কাক পাকলে বেলের কি!’

৩. শরিয়তের পক্ষে আপনিইইতো উহার স্বাক্ষি যে, অতীত সকল গ্রন্থে ‘মুহাম্মদ’ শেষ নবির আগমন বাণী আছে। এমনকি আল্লাহর আরশেও মুহাম্মদের আগমন বাণীর সাইনবোর্ড আছে!
৪. হা! কোরানে স্পষ্ঠ ইংগীত আছে; ‘মুহাম্মদ’ শব্দ থাকতেই হবে এমন কোন কথা থাকা/না থাকা যে সমান কথা তা নিচের আয়াতগুলি থেকে উদ্ধার করতে পারেন; যখন দরকার তখনই আসবে; মানব পিতা আদম, ধর্ম পিতা ইব্রাহীমের সাথেই এমন চুক্তি করা আছে: তথ্য: ২: ৩৮, ৩৯; খ. ২: ১২৪, ১২৮, ১২৯
উহাতে যে ওয়াদা আল্লাহ করেছে তা কখনো যে ভংগ/ব্যতিক্রম করা হবে না! তা নিশ্চিত করার জন্য আল্লাহ আবার ওয়াদা নিশ্চিত করেন:
তুমি কখনো মনে করো না যে, আল্লাহ তার রাছুলদের সাথে ওয়াদা ভংগ করবেন (তথ্য: ১৪:৪৭; ২২: ৪৭)

৫. ইহা ব্যতীত তওরাত ও ইঞ্জিলে 'মুহাম্মদ' শব্দ আছে বলে কোরানে আছে (তথ্য:৪৮: ২৯; শব্দটি আরো আছে: ৩৩: ৪০; ৪৭: ২; ৪৮: ২৯শে; আহম্মদ শব্দ আছে তথ্য: ৬১: ৬)

৬. আমার মনে হয় প্রতিবেদনটি ইচ্ছার বিরুদ্ধে হলেও অন্তত সমালোচনা শক্তিশালী করার স্বার্থে পুন:পুন: দেখা উচিত।

৭. সন্দেহ হচ্ছে আমিই হয়তো আপনার মূল্যবান দর্শন বুঝতে ব্যর্থ হয়েছি।
বিনীত।

৪| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৪৮

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: " ‘মোহাম্মদ’ রাজা-বাদশা, প্রেসিডেন্ট, ফেরাউন ইত্যাদির মত আল্লাহ প্রদত্ত সর্বশ্রেষ্ঠ খেতাব মাত্র।রাছুল/নবি না হয়ে কেউ ‘মুহাম্মদ হতে পারে না বা সকল রাছুল-নবিগণই ‘মোহাম্মদ’ বা মহাপুরুষ।"

আপনি প্রথমে মুহাম্মদ শব্দের অর্থ বল্লেন প্রশংসিত, তা থেকে আহমদ বানিয়ে বল্লেন প্রশংসিতগন - কিন্তু সব নবী/রাসুলগনকে বল্লেন মোহাম্মদ বা মাহপুরুষ। এখানে মোহাম্মদ অর্থ মহাপুরুষ কোথায় পেলেন? এটা কি আরবি 'মোহাম্মদ' শব্দের কোন অর্থ নাকি আপনার প্রস্তাবনা? অর্থাৎ আপনি মনে করেন মোহাম্মদ অর্থ মহাপুরুষ হওয়া উচিত?

আপনি আমার দ্বিতীয় প্রশ্নটি এড়িয়ে গেলেন - কোরআন যার উপর নাজিল হয়েছে সেই ব্যাক্তিকে বুঝানোর জন্য মুহাম্মদ শব্দ ব্যাবহার করা হয়েছে। যেমন - "আর মুহাম্মদ একজন রসূল বৈ তো নয়! তাঁর পূর্বেও বহু রসূল অতিবাহিত হয়ে গেছেন। তাহলে কি তিনি যদি মৃত্যুবরণ করেন অথবা নিহত হন, তবে তোমরা পশ্চাদপসরণ করবে?" এইভাবে অন্য ধর্মগ্রন্থে সেই ধর্মের মহামানবকে মোহাম্মদ নামে ( বা উপাধীতে ) ভুষিত করা হয়েছে কি না? যেমন বাইবেলে ইসা(আ.)কে?

হ্যা আগের গ্রন্থগুলিতে মুহাম্মদ আসবেন বলা হয়েছে - আর কোরআনে একজনকে মুহাম্মদ নামে(বা উপাধীতে) চিন্হিত করার পর আর বলা হয়নি যে ভবিষ্যতে আরো মুহাম্মদ আসবে? তার মানে কি এই নয় যে মুহাম্মদ(স.) এর আগমনের মধ্যদিয়ে বা একজন নবীকে মুহাম্মদ নামে (বা উপাধীতে) ভুষিত করার মাধ্যমে আগের গ্রন্থগুলিতে দেয়া প্রতিশ্রুতি পুরোন করা হয়েছে? আর কোরআনে যেহেতু আরো মুহাম্মদ আসবেন বলা হয়নি সেহেতু নতুন কোন মুহাম্মদের আগমনের সম্ভাবনাও নাই?

কোরআন অনেক নবীর কথা উল্লেখ করেছে - কিন্তু শুধুমাত্র শেষ একজন ছাড়া অন্য কাউকেই মুহাম্মদ নাম বা উপাধী দেয়া হয়নি - কারণ কি?

৫| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১৫

ম জ বাসার বলেছেন: অতএব শরিয়ত মতে ‘মোহাম্মদ’ শব্দের অর্থ যদি হয় ‘প্রশংসিত’ তবে তার বহুবচনে ‘আহম্মদ’ এর অর্থ হওয়া উচিৎ ‘প্রশংসিতগণ’; কিন্তু ‘প্রশংসাকারী অর্থ করার যুক্তি বা দলিল পত্র কোথায় -!

ছালাম,
১. আমি বল্লাম কৈ বাবা?
২. আগের গ্রন্থগুলিতে যারা ভবিষ্যত বানী এনেছে তারাতো পরম্পরায় সেই বানী অনুযায়ী রাছুল/নবিই না। কারণ 'মুহাম্মদের' ঘোষনা দিয়ে অমুহাম্মদরা কেন আসবে? আর তাদের কথা বিশ্বাস করার যুক্তিইইই বা কি?
৩. বাকিগুলি প্রয়োজন মনে হলো না। তবে আপনার জিত থাকলো।
বিনীত।

৬| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৫:৪৩

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ছালাম

১. শরিয়ত মতে মুহাম্মদ অর্থ প্রশংসিত - যা আপনার মতে ঠিক নয়। তাহলে আপনার মতে মুহাম্মদ শব্দের অর্থ কি?

"রাছুল/নবি না হয়ে কেউ ‘মুহাম্মদ হতে পারে না বা সকল রাছুল-নবিগণই ‘মোহাম্মদ’ বা মহাপুরুষ।" এটাতো আপনারই কথা - না কি? আমি জানতে চেয়েছি এখানে আপনি যে মোহাম্মদ কে মহাপুরুষ বলছেন এটা কি আরবী শব্দ মোহাম্মদের শব্দার্থ নাকি আপনার ধারনা?

২. এখানেইতো সমস্যা। সব ধর্মগ্রন্থে মোহাম্মদের ভবিষ্যত বানী করা হল অথচ মাত্র একজন ছাড়া আর কেউ মোহাম্মদ হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পেল না। তাদের ধর্মগ্রন্থেও তাদেরকে মোহাম্মদ বলা হল না। কেন? কারণ এটাই যে মোহাম্মদ নাম বা উপাধী যাই হোক তা কেবল মাত্র একজনের জন্যই নির্দিস্ট ছিল। তাই তিনি না আসা পর্যন্ত কেউ তা পায়নি এবং তিনি আসার পর তার আনিত গ্রন্থে আর মোহাম্মদ আসার ভবিষ্যত বানী নাই।

৩. জয় পরাজয় বড় নয় - আলোচনার মাধ্যমে কিছু জানতে/শিখতে পারলে সেটাই কল্যানকর।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৭:৪২

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. 'মুহাম্মদ' অর্থ প্রশংসিত যে নয় তা ১: ১ আয়াতে ফয়শালা করে দিয়েছে। যেহেতু প্রশংসা একমাত্র স্রষ্টার, মানুষ/জ্বীন ফিরিস্তার জন্য নয়; তাই আব্দুল্লাহর পুত্র মুহাম্দদ/মহাপুরুষও প্রশংসিত হতে পারে না। এখানে দ্বি-মতের অবকাশ নেই। অতএব দুনিয়ার সকল অনুবাদে ‘প্রশংসিত’ ঐ ১: ১ অনুবাদের সরাসরি সাংঘর্ষিক, স্ব বিরোধী প্রমানিত। এখন তাদেরকেই জিজ্ঞাসা করুণ 'মুহাম্মদ' এর অনুবাদ কি!

২. উত্তরটা 'কে বলে মুহাম্মদ শেষ নবি' প্রতিবেদনের আরবি 'মা' শব্দটির দুনিয়ার অনুবাদের বিপরীতে সংস্কারিত অনুবাদ কিছুটা সাহায্য করতে পারে।

৩. মূলত অতীত সকল অনারবি গ্রন্থে আরবি 'মুহাম্মদ' শব্দটি হুবহু নেই, থাকতে পারেই না; তাদের ভাষায় যে শব্দটি আছে উহার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণে, ব্যক্তির কর্মগুণের সাথে 'মুহাম্মদ' খেতাবটি প্রমান করে থাকে; যেমন বৌদ্ধগণ মুহাম্মদকে পরবর্তি 'বুদ্ধ এবং মৌত্রেয়', সনাতন ধর্মে ‘কলির অবতার’কে কেহ মুহাম্মদ প্রমান করে; তাদের হাদিছে/উপনিষদে মহমদং, মহমদান আছে বলেও কথিত হয়। বিষ্নু ভগবতকে আরবি আব্দুল্লা, সোমানিরকে আরবি আমিনা সাব্যস্ত করে।
ইঞ্জিলে ঈছা বলেছেন আহম্মদ আসবেন (৬১: ৬), মুহাম্মদ নয়। আর তাই শরিয়তীগণ আহম্মদকে মুহাম্মদ করার জন্য যারপর নেই নেষাগ্রস্ত।

৪. আরবি মুহাম্মদ খেতাবে ভূষিত না হলেই যে সে সত্যের সাধক, সত পথপ্রদশক, প্রেরণাপ্রাপ্ত, নবি-রাছুল, ইমাম, দেবতা, অবতার বা মুহাম্মদ নয় তা সঠিক নয়। কুকুর-সারমেয়, বিড়াল-মেকুতে পার্থক্য শুধু মাত্র ভাষা-জ্ঞানের দৈন্যতা।

৫. ইমাম, হাদি, ‘মুহাম্মদ’এর কাছাকাছি ‘মেহদি’ আসবে বলে শরিয়ত দীর্ঘ অপেক্ষায় আছে। অথচ এরি মধ্যে কত ইমাম মেহদী, মুহাম্মদ' যে চলে গেছে, ভাষার দৈন্যতা ও ২ নম্বরী কিতাবের কারণে খবরই পায়নি/স্বীকারো করেনি!

৬. ৪ নংটি যথার্থ যা উভয়েরই স্মরণ রাখা উচিত যাতে অহংকার শব্দটি স্থান না পায়।

৭. আর একটা কথা সর্বদাই স্মরণীয় যা বহুবার বহু স্থানে বলা হয়েছে যে, শতভাগ প্রশ্নের শতভাগ উত্তর দিয়ে শতভাগ সন্তুষ্ট করার লোক ম জ বাসার নয়।
বিনীত।

৭| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:১৪

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ১. ঠিক আছে, বুঝা গেল মুহাম্মদ শব্দের অর্থ আপনিও জানেন না - অথবা এর কোন অর্থ মহাপুরুষ নয়। তাই মুহাম্মদ বলতে যে মহাপুরুষ বুঝান হয়েছে এটা আপনার ধারনা। কথাটা সরাসরি বল্লেই ভাল হয় - আমরা সবাই ধারনা করার ক্ষেত্রে স্বাধীন - যদিও ধারনা কল্পনা সত্যের বেলায় কোন কাজেই আসে না।

৫. আমরা না হয় ভাষার দৈন্যতার কারণে খবর পাইনি কিন্তু আরবের লোকেরা কেন বুঝল না? না কি আরব এলাকায় এই দীর্ঘ সময়ে কোন মাহাম্মদ আসেনি?

আপনি নিজে কি জানেন সেইসব মুহাম্মদদের নাম? জানলে একটা তালিকা তৈরীকরে যেতে পারেন - যাতে অন্যরা তাদেরকে চিনতে পারে। বিশেষ করে বর্তমানে কোন মুহাম্মদ/ইমাম মেহদী কাজ করছেন কি না - সেটা জানানো খুবই জরুরী।

আপনি যদি সত্য জনেও তা না জানান তাহলে সেটা এক প্রকার কুফুরী(কুফুর শব্দের অর্থ গোপন করা) - আর যদি আপনিও না জানেন তাহলে এটা শ্রেফ আপনার অনুমান - যা সত্য নাও হতে পারে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:০৯

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. ৩য় বার অর্থ বলে দেয়ার পরো এই সম্ভবত ৪র্থবার প্রশ্নটি করলেন।
২. আরবী ভাষার মাত্র ১ জন নবি; তারা কেন বুঝে না তার সাক্ষি প্রমান আপনি নিজেই, সমগ্র শরিয়তী সমাজ। প্রশ্নটি তাদেরকেই করুণ্ণা কেন? বর্ণিত যুক্তি প্রমানগুলি তুলে ধরুন্না? কি জবাব দেয় দেখুন।
৩. মৌলবাদীদের মধ্যে পরস্পর দেবতা-অবতার, নবি-রাছুল বা মোল্লা-মলানা আসেনি, আসে না, আসবে না। কারণ জানেন কি?
৪. নাম বল্লে ফায়দাটা কি? অসংখ্য নবি রাছুলের নাম স্বয়ং আল্লাহই বলে নি! অন্যেরা নিজের ভাষায় অনুদিত কোরানই চিনে না।
৫.অতীতে কাজ করেছিল, বর্তমানে করছে, ভবিষ্যতে করবে ২: ১২৪, ১২৮, ১২৯। বিশ্বস্ত ও সত কর্মীগণ সৃষ্টির শ্রেস্ট (৯৮: ৭)। নিজস্ব জ্ঞান, গুণ ক্ষমতা বলে এবার নিজেই সাব্যস্ত করুণ বিশ্বস্ত সত কর্মীগনের মধ্যে আপনার ক’জন চেনা জানা আছে।
৬. ৪২: ৫১ আয়াতটি কি বুঝলেন দয়া করে জানাবেন( আপত্তি না থাকলে)।
৭. নিজস্ব কোনই অনুমান নেই, যা বলা হয়, হয়েছে তা সাক্ষি, যুক্তি-প্রমান ভিত্তিক; পছন্দ না হলেই ‘অনুমান, মিথ্যা ইত্যাদি বল্লেই তা, তা হয় না।
৮. একই কথা বহুবার বহু হের-ফেরে বলা হয়েছে আর নয়। এবারে আপনার পক্ষে ১জন যবরদস্ত আলেমকে ভাড়া করুণ?
বিনীত।

৮| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১৩

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: বুঝতে পারছি আপনি মহামানব আর নবী/রাসুলকে এক করে দেখতে চাইছেন। এটা ঠিক নয়। পৃথিবীতে মহামানব/সংস্কারক বহু ছিল আছে থাকবে কিন্তু নবী/রাসুল/আল্লাহর বার্তা বাহকগন তাদের থেকে ভিন্ন - আরো উন্নত - এতটাই উন্নত যে কোন মানুষ নিজের স্বাধনায় সেখানে পৌছাতে পারে না - শুধুমাত্র সর্বশক্তিমান আল্লাহ যাকে অনুগ্রহ করেন সে ছাড়া। তাদের কিছু মৌলিক বৈশিস্ট্য আছে যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে -

১. সকল নবী/রাসুল/বার্তাবাহক নিজের পরিচয় সম্পর্কে সম্পুর্ণ সচেতন/দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন। কোরআনে যত নবী/রাসুলের ঘটনা আছে তারা সবাই নিজ নিজ জাতির কাছে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন যে তিনি আল্লাহর প্রেরিত বার্তাবাহক নবী/রাসুল - আপনি একজন নবী/রাসুলের উদাহরণ দেখাতে পারবেন না যিনি নিজেই নিজের নবী/রাসুল হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন না বা যিনি নিজ জাতির কাছে নিজের নবী/রাসুল হওয়ার কথা গোপন করেছেন।

২. কোন জাতির মধ্যে নবী/রাসুল আগমনের পরিনতি মাত্র দুটি - হয় সেই জাতি সেই নবী/রাসুলকে মেনে নিয়ে সাফল্য লাভ করবে অন্যথায় আল্লাহর গজবে ধ্বংস হয়ে যাবে - আপনি কোরআন থেকে এর কোন ব্যাতিক্রম দেখাতে পারবেন না।

৩. স্বাধারণ মানুষ নিজের বুদ্ধি-জ্ঞান-সামর্থ অনুযায়ী কাজ করতে থাকেন এবং ক্রমান্ময়ে তার খ্যাতি/পরিচিতি বৃদ্ধি পায় এবং মানুষ বুঝতে পারে তিনি একজন মহামানব। অনেক মহামনবকে মানুষ জীবদ্দশায় চিনতেই পারে নি, মুল্যায়ন করেনি - তাদের মৃত্যুর পর মানুষ বুঝতে পেরেছে যে তিনি একজন মহামানব ছিলেন।

কিন্তু নবী/রাসুল(আ.) গন জীবনের একটা পর্যায়ে গিয়ে যখন নবুয়ত পেয়েছেন তখন প্রথমে নিজেদের নবী বলে ঘোষণা দিয়েছেন যদিও সেই সময় তারা সমাজের উল্লেখযোগ্য কেউ ছিলেন না এমনকি ইসা(আ.) শিশু অবস্থায় নিজের পরিচয় ঘোষনা করেন এবং সেই ঘোষণার উপর ভিত্তি করে নবী/রাসুল হিসেবেই তারা কাজ করেছেন। কাউকে তার জাতি মেনেছে আবার কাউকে মানেনি ফলে সেই জাতি ধ্বংস হয়ে গেছে।

কিন্তু জীবিত অবস্থায় পরিচয় প্রকাশিত হয়নি মৃত্যুর পর তাকে নবী/রাসুল হিসেবে মানুষ চিনতে পেরেছে এ'রকম কোন উদাহরণ পুরো কোরআনে নাই। যদি নবী/রাসুলের জন্য এটা গ্রহনযোগ্য হত তাহলে অন্তত একটা উদাহরণও কি থাকত না?

৪. নবী/রাসুল(আ.) গন তাদের পুর্বে ও পরে আগত নবীদের চিনতেন ও স্বীকৃতি দিতেন। দেখুন কোরআনে বলা হয়েছে

"আর আল্লাহ যখন নবীগনের কাছ থেকে অঙ্গীকার গ্রহন করলেন যে, আমি যা কিছু তোমাদের দান করেছি কিতাব ও জ্ঞান এবং অতঃপর তোমাদের নিকট কোন রসূল আসেন তোমাদের কিতাবকে সত্য বলে দেয়ার জন্য, তখন সে রসূলের প্রতি ঈমান আনবে এবং তার সাহায্য করবে। তিনি বললেন, ‘তোমার কি অঙ্গীকার করছো এবং এই শর্তে আমার ওয়াদা গ্রহণ করে নিয়েছ? তারা বললো, ‘আমরা অঙ্গীকার করেছি’। তিনি বললেন, তাহলে এবার সাক্ষী থাক। আর আমিও তোমাদের সাথে সাক্ষী রইলাম।(৩:৮১)"

এই আয়াত অনুসারে সকল নবী ও তাঁর অনুসারীদের জন্য তাদের পরে আসা সকল রাসুলদের প্রতি বিশ্বাস রাখা অপরিহার্য। এ'জন্যই প্রত্যেক নবী তার পরের নবীর ব্যাপারে ভবিষ্যত বানী করে গেছেন, পরের নবীকে চেনার জন্য বিভিন্ন বৈশিস্ট্য বলে গেছেন এবং অনুসারীদের উপদেশ দিয়ে গেছেন তারা যাতে সেই নতুন নবী/রাসুলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে। অথচ কোরআনে পরবর্তী কোন নবী/রাসুলের ভবিষ্যৎবানী নাই। মুহাম্মদ(স.) তার অনুসারীদের অন্য কোন নবীর প্রতি আনুগত্যের আদেশও দিয়ে যান নি - কেন??

সুতরাং স্বাধারণ মহামানব ও আল্লাহর নবী/রাসুল/বার্তাবাহক এক নয়। মানুষ আল্লাহর বানী সংরক্ষনের যোগ্যতা যতদিন অর্জন করতে পারেনি ততদিনই বার বার নবী/রাসুল পাঠিয়ে বিকৃত হয়ে যাওয়া কিতাবের নতুন/উন্নত ভার্ষণ পাঠাতে হয়েছে। কিন্তু মুহাম্মদ(স.) এর উপর যখন কুরআন নাজিল হয় তখন মানুষ তথ্য সংরক্ষনের ব্যাপারে যথেস্ট পাদর্শী হয়ে উঠেছিল। এবং কোরআনের বানী যতটুকু সংরক্ষিত আছে এবং কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে মানুষের পথ নির্দেশনার জন্য তাই যথেস্ট। সুতরাং নতুন কোন কিতাব প্রয়োজন নাই, নতুন কোন নবী রাসুলেরও প্রয়োজন নাই। এখন যারা কাজ করবেন তারা তাদের কাজের মান অনুসারে মহামানব/সমাজ সংস্কারক হিসেবে স্বীকৃতি পাবেন - এর বেশী কিছু নয়।

যদি নবী/রাসুল আগমনের ধারা শেষ না হত তাহলে গত দেড় হাজার বছরে অন্তত কয়েকজন নবী/রাসুলের আগমন হত। তারা প্রত্যেকে প্রকাশ্যে ঘোষনা দিয়ে কাজ শুরু করতেন এবং তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করা হলে সেই জাতি আল্লাহর গজবে ধ্বংস হয়ে যেত। কিন্তু তেমনটি মোটেই হয়নি। যে কয়েকজন নবী দাবি করার চেস্টা করেছেন তারা কেউ নিজ জাতির কাছে স্বীকৃতি পায়নি অথচ সেই জাতি ধ্বংস না হয়ে বরং ঐ ব্যাক্তিরাই ধ্বংস হয়ে গেছেন। কেন? কারণ তারা কেউ সত্যিকারের নবী ছিলেন না।

যাইহোক এসব কথা মোটেই নতুন নয়। আপনি নিজেও এ'গুলি জানেন - কিন্তু আপনি যে স্তরে আছেন সেই অবস্থার মৌলিক বৈশিস্টই হচ্ছে সবকিছু অস্বীকার করা - কিছূ নাই, কোন কিছু মানার প্রয়োজন নাই, এই বিশ্বাস দৃঢ়তর হওয়ার পর শুধুমাত্র নিজে থেকে স্রস্টাকে অনুধাবন করা ছাড়া অন্য কার কথা শুনে কিছু মেনে নেয়া সম্ভব নয়। আপনার জন্য পথ মাত্র দুটি - হয় স্বাধনায় আরো অগ্রসর হয়ে মহাসত্য অনুধাবন করুন, অন্যথায় স্বাভাবিক( জাহেরী ) স্তরে ফিরে আসুন - আপনি বর্তমানে যেখানে আছেন সেটা খুবই বিপজ্জনক, পা ফসকালে অতল গহ্বরে আছড়ে পরার আশংকা প্রবল।

ভাল থাকুন।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৪২

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
সেমি ফাইনালে উঠিয়ে দিলেন; তবে তামাদি করে। এরপর সরাসরি ফাইনাল হতে পারে; তারপর ফরজ ফাইনাল অত:পর ওয়াজীব ফাইনাল (শরিয়তমতে)।
লক্ষ্য করছিলাম এ ছাড়া আর কোন গত্যান্তরো ছিল না (ইহাই শরিয়তের ছুন্নত)।
ভালোই করলেন।
বিনীত।

৯| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:৫২

কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: ফাইনাল সেমি-ফাইনাল না বলে আমি বলি পহাড়ের চুড়া। যে চুড়ায় উঠতে পেরেছে সে স্থীতিশীলতা পেয়েছে - কিন্তু যে চুড়ার ঠিক নিচে ঝুলে আছে সে আছে সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থায়। সামান্য ভূল হলেই গভীর খাদে পড়ার আশংকা।

আর এই পাহাড়গুলোও সব সমান উচু নয় - এমন কিছু পর্বতও আছে যেখানে মানুষের নিজের চেস্টায় পৌছান সম্ভব নয়। কিন্তু যখন সর্বশক্তিমানের নির্দেশ হয় তখন তাঁর মনোনিত/পছন্দনীয় কেউ কেউ কোন চেস্টা ছাড়াই পর্বতচুড়ায় পৌছে যান। এটাই সর্বশক্তিমানের নির্দেশের সঠিক বাস্তবায়ন - কারণ সর্বশক্তিমানের নির্দেশ থাকার পর মানুষের চেস্টার কোন মু্ল্য থাকতে পারে না।

পর্বত না হলেও পাহাড় চুড়ায় পৌছান মানুষের সন্ধানে আছি - আপনাকে সম্ভাবনাময় মনে হয়েছিল কিন্তু পরে দেখলাম আপনিও অন্যদেরমত চুড়ার নিচে ঝুলন্ত অবস্থায়ই রয়ে গেছেন। চুড়ায় উঠার আগে তার নিচে পৌছাতে হবে এতে সন্দেহ নাই - কিন্তু দু:খ লাগে তখনই যখন দেখি সেখানে ঝুলে থাকতেই কেউ পছন্দ করছে। আরো অগ্রসর হওয়ার চেস্টা ছেড়ে প্রচার প্রচারনায় মেতে উঠেছে।

বস্তুত: সকল নবী/রাসুল অবশ্বই মাহামানব তবে সকল মহামানব নবী/রাসুল নয়।

ভাল থাকুন।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৮:৪৭

ম জ বাসার বলেছেন: ছালাম,
১. বক্তব্য ছিল এডমিন/মডারেটরদের মারেফাত সম্বন্ধে, অন্য কিছু নয়।
২. গজ, ফুটকে সমভাগ করতে হলে সবটাই ফুট করতে হয়। অন্যথায় বানরের রুটি ভাগের মতই হয়।
৩. আরবি বনাম বাংলা, মিশ্রিত শব্দ বা বাক্যের তুলনা বা পার্থক্য ৯৫ভাগ বোকামী।
৪. এযাবত কালের গুরুত্বপূর্ণ গুরুভাব ধারণে কখনো কার্পন্য করেন্নি। সম্ভবত ১০/২০টা ম জ বাসার সকল সময়ই আপনার পকেটেই থাকে।
বিনীত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.