| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
"আমাদের চাঁদ"
তুমি আর আমি শুয়ে থাকব। মধ্য খানে অনেক গ্যাপ। কেন বলতো, হুম ঠিকয় ধরেছ। এই জন্য তো বলি, তুমি আমার পৃথিবীর সেরা বউ। ঐ যে বিয়ের দিন তোমাকে তিন টি গোলাপ দিয়েছিলাম না? তৃতীয় ছোট কলি ফুল টা দেখিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম বলত এটা কি?
তুমি কিছুই বলনি,শুধু আমার চোখের দিকে তাকিয়ে লজ্জা রাঙা হয়ে হেসেছিলে। সেটা তো এখনও এই অনুভূতির পাতাল পুরে শক্ত হয়ে বিধে আছে । তুমিও ভুলুনি নিশ্চয়।
মাঝে মাঝে ঈর্ষান্নীত হব আমি। কারন আমার কাছে থেকে প্রথম কেউ তোমাকে আর তোমার ভালবাসার ভাগ নিয়ে নিচ্ছে । তোমার সব নজর ইদানীং ওর দিকে চলে গেছে, আগলে রাখছ সারাক্ষন ওকে।একটুও যেন কষ্ট না পাই ও। কত যত্নবতী হয়েছে তুমি কিন্তু আমার দিকে খেয়াল নেয়, আমি যেন পুরানো হয়ে গেছি।
সেই দিন ক্লান্ত বেশে পড়ন্ত দুপুরে অফিস শেষে বাড়ি ফিরলাম। একটু ধাক্কা দিতেয় দরজা সরে গেল।দেখি দরজার ওপাশে হালকা সাজুগুজু করে অপেক্ষমাণ রমনিটা আজ আর দাড়িয়ে নেই, কোন সালাম নেই,ওয়েলকাম নেই,নেই সেই চির আকাংক্ষিত হাসি টা, যার জন্য পাহাড় ডিংগিয়েছি কত!!!
তুমি ওকে নিয়ে শুয়ে থাকবে। আমি কাছে যেতেই বউ আমার, মুখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিলো সাইলেন্ট হয়ে যাও।আমি তখন আরো কাছে গিয়ে ওকে একটা বরফ বসিয়ে দিব।ব্যাস! এতেই ও নড়ে চড়ে উঠে পড়বে।
-দিলে তো আমার এক ঘন্টার চেষ্টা নষ্ট করে। তুমি কি এখনো ছোট্ট হয়ে আছ! (আমি যে ছোট হয়েয় থাকতে চাই), কান্ড জ্ঞান, হুস কিচ্ছু নাই! আমার কত্ত কাজ পড়ে আছে! '''আমাকে চোখ দেখিয়ে আরো কত কথা যে তুমি শুনিয়ে দিলে।
আর আমি বাকপ্রতিবন্ধীর মত তোমার মায়া ভরা চেহারাটা রাগলে কেমন হয় তা অভজারব করে গেলাম। কেমন হয় জানতে ইচ্ছা করছে?? উউহু, বলবো না। তবে........মাঝে মাঝে রাগা ভাল।
এক রকম জোর করে আমাকে ধরিয়ে দিয়ে কাজে মন দিতে যাবে তুমি। আমি তখন এক পৃথিবী মুশকিল নিয়ে বলব:
- আমি কি ইউনিফর্ম খুলবো না? খাবো না? খেদে লেগেছে তো সোনা।
- খাবেন তো স্যার, রান্না শেষ করতে হবে না!? না কাচা কাঁচাই খাবেন?
- এটা কোন কথা হল!?
-কথা হল না তো কি! মরিচ বাটলে তো ঝাল লাগবেয়।
- মানে!!?
- যেমন উঠালে এখন জালা বুঝো।
- ও, আচ্ছা! তাই। কিন্তু মরিচ যদি আচারে দেয়া হয় তখন কিন্তু ভালই লাগে।
-মানে?
-মানে টা খুব simple. proper utilization.
- what?
- ya! Every thing has a negative and positive side.
- that means?
- আমি তখন ছোট ছোট কদমে তোমার কাছে গিয়ে ঠিক পিছন টাই দাঁড়াবো। তোমার কানের উপর ঝুলে থাকা এক গুচ্ছ চুল সরিয়ে ফিসফিসিয়ে বলবো :
- এখন যদি ও ঘুমাই, রাতে ঘুমাতে লেট করবে। ঘন ঘন জেগে যাবে।আজ পূর্ণিনামর প্রথম রাত। তাছাড়াও special একটা day . Happy friendship day. কত দিন ঐ পূর্ণিমা চাঁদ টা এক সাথে আমাদের দু`জন কে পাইনি বলো। এভাবে চলতে থাকলে হয়তো একদা একদিন চাঁদ টা অভিমান করে বসবে। তখন পৃথিবীর আর মানুষের কি হবে বলতো?!! তোমার আর আমার জন্য পৃথিবীর সকল মানুষ চাঁদের আলো থেকে বঞ্চিত হবে!! দেখবে না আর কোন পূর্ণিমা। এ হয় বলো!!
ততক্ষণে তোমার মাঝে বিদ্যমান যে টুকু রাগ ছিল, নিভে গিয়ে রোমান্টিক আলো ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু আমার দিকে এমন ভাবে তাকালে যেন রেগেই আছ।রোমান্টিক আর রাগের সংমিশ্রণে বলবে:
- ভালই তো পার কাহিনী করতে।
- আমি? কাহিনী? কি বল?
- ও.....ও, আচ্ছা। মনে হচ্ছে উনি কিছুয় জানেন না। দেখো ( চোখ ইশারাই আমার কোলের দিকে ইংগিত করবে)
- কি?
-ঘুমিয়ে পড়েছে।
- (গৌরবোজ্জ্বল স্বরে) ও। দেখেছ? তুমি যেইটা একঘণ্টা তে পারনি, ৫ মিনিটেই হয়ে গেল। বাবার কোল বলে কথা।
- তাই। দেখতে হবে না স্বামী টা কার!
- তাই। কার?
- বলব না। এই জন্য তো বলি!
- কি?
- তুমি আমার পৃথিবীর সেরা বর।
আমি তখন আবার জাগাতে উদ্বেত হব। তুমি কাছে এসে আমার হাতটা চেপে ধরবে। আর বলবে
- যাক না হক আরো একটা পূর্ণিমা,কি দরকার। এখন তো চাঁদ টা আরো কাছে।
- কি ভাবে?
-ঐ যে ঘুমাচ্ছে পরম নিশ্চিন্তে। রাতে জেগে থাকবে, আলো দিয়ে ঘিরে রাখবে তোমাকে আমাকে।
আমি তখন তোমার গালে আলতো স্পর্শ দিয়ে বলব তবে তাই হক জানু বউ।
ভুল গুলো ধরিয়ে দিলে উপকৃত হব।
২|
২১ শে আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ২:০৬
মো: মাহাদী হাসান বলেছেন: আপনার দুংখিত হওয়ার কি আছে। তাই বলে থেমে থাকব না। সময় নষ্ট করার জন্য আমিই দুংখিত
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে আগস্ট, ২০১৬ দুপুর ১২:৪৬
দ্যা ফয়েজ ভাই বলেছেন: প্রথম হিসেবে ভালোই লাগলো।।। কিন্তু ছবিটা গল্প আমার কাছে ভালো লাগে নি। দুঃখিত