| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
"যুবলীগ প্লাজা্য় ফাটল(?)-- প্লাস্টারিং করার আগেই ধ্বস"
"শুয়োরের অপরাজনীতি আর গিনিপিকের প্রাণ" !!!
______________________________-__________________________________
২৪শে এপ্রিল সকাল- টেলিভিশনের স্ক্রলে- "যুবলিগ প্লাজা্য় ফাটল-- প্লাস্টারিং করার আগেই ধ্বস"।
গুরুত্ব দিলাম না - ভাবলাম মালিক পক্ষের সাথে মিডিয়া ফেরেস্তাদের(?) দরকষা-কষিতে হয়ত ঝামেলা তাই এই স্ক্রল। প্রতিদিনের মতো চলে গেলাম প্রাইভেট জেলখানায়( অফিসে); কিন্তু রাস্তায় যেতে যেতেই মোবাইলে আসলো বেশ কয়েকটি ব্রেকিং নিউজ "সাভারে গিনিপিকের মৃত্যুর মিছিল - বিরুধীদলের চোর মুক্তির হরতাল আর সরকারের পুতুল পোষ্টের(রাষ্ট্রপতি )শপথ"। যথারীতি -অফিসে পৌঁছানো আর লাশের সংখ্যার আপডেট নেওয়া।
দুপুর বেলা- ১টা কল- সামিয়া (ঢা।বি) "তালুকদার প্রেসক্লাবে চলে আসো"। নিজের প্রতি হাজার বার ধৃক্কার জানাতে জানাতে প্রেসক্লাব এবং ওইখান থেকেই মৃত্যুপুরী সাভার।
গিয়ে দেখলাম এক আজগুবি কারবার -" পুলিশ, সেনাবাহিনী, দমকল কর্মীরা ব্যস্ত নির্বাক পাবলিকদের দূরে সড়ানোর কাজে আর সাধারণ মানুষ(ফেরেস্তা) জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ধ্বংস স্তুপের ভেতরে ঢুকছে জীবন বাঁচানোর তাগিদে"।
তারমাঝে দেখলাম টিভি ক্যামেরার সামনে ৪-৫জনের ১টি শুয়োরের টিম বলে যাচ্ছে "আমরা নেত্রীর নির্দেশে এই এই বাল ফাঁলানোর পদক্ষেপ নিয়েছি" ; আমি অধম চিন্তা করলুম-- ম জং যেনো গোপন খবরও ফাঁস করে না দেন যে "আমি নেত্রীর নির্দেশেই -সরকারী জমি যুবলী্গের সাহাবীকে দিয়ে ৬তলার অনুমতি নিয়ে ৯তলা করতে বলেছি- কারন এই কথা মুখ ফস্কে বললে হয়ত শুয়োরের দল থেকে ১টি কমে যাওয়ার ভয় ছিল"। না ঊনি আমার মনের ভয়কে দূর করে দিলেন -বললেন না সেই গোপন কথা আর আমার মনকে শান্ত করলেন এইভাবে " ২০হাজার টাকা ও জানাযার কাপড় দেয়ার সিদ্ধান্তকে মিডিয়ার মাধ্যমে গিনিপিকদের জানিয়ে"। তাইতো বলি "কম প্রেক্টিস করে তো আর ঊনি দখলদার বাহিনীর প্রতিনীধি হননি"।
আমরা যারা গিনিপিক তাদের কাছে প্রশ্ন " সরকারী জমিতে রাজউকের গো খাওয়া কুকুররা কতটাকার বিনিময়ে কোনো এক খুনিকে এই মৃত্যুকুপ বানাতে দিয়েছিল???"।
গোপাল ভাঁড়ের এই দেশে অনেক কৌতুকের মতো তাজরিন,স্মার্ট,রানা প্লাজার কৌতুক গুলো ২দিন পর আর কেউ মনে রাখবেনা কারন কর্তা ব্যক্তিরা ও শুয়োরের দল গুলোর মানুষ মারার অপরাজনীতি তো চলে লাখো শ্রমিকদের খুনি ব্যবসায়ী নামক হায়েনার অবৈধ অর্থ দিয়ে।
.......এরই মাঝে আবারও একটি মাথা থেতলে যাওয়া নারীর লাশ আর উৎসুক জনতার মলিন মুখ; কিছু লোকের কান্না আর আহাজারী।
............ আমার মতো সকল গিনিপিকদের উদ্দ্যেশে বলব " এই ভাবে আর কতো প্রাণ হারাবো খুনিদের হাতে ; সময় কি হয়নাই রুখে দাঁড়াবার সকল অপরাজনীতির বিরুদ্ধে-- সময় কি হয় নাই শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার; কিসে আমরা ভয় পাই- আমরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ -আমাদের শ্রমের টাকায় চলে দেশ তাই আসুন আমরা ঐক্যবদ্য হয় এই বলে যে-- শ্রমিকের শাসনে চলবে বাংলাদেশ"।
.....................তালুকদার আল-আমিন(২৫-০৪-১৩; রাত ০১:৫০)
©somewhere in net ltd.