নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভাবনাহীন ভাবনাগুলো

মাহের ইসলাম

মাহের ইসলাম › বিস্তারিত পোস্টঃ

দীর্ঘতম বাস যাত্রা

০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:২৩



মুজতবা আলীর লেখা পড়েই মিশরীয় সভ্যতার প্রতি আগ্রহ জন্ম নিয়েছিল।
যা ছড়িয়ে যায় গ্রীক সভ্যতার উপরেও। ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছে - নীল নদে পাল তোলা নৌকায় চড়ে ঘুরে বেড়াবো কিংবা এরিস্টটলের মূর্তি ছুয়ে দেখবো। তাই গ্রিসে বেড়ানোর সুযোগ প্রবল আগ্রহ নিয়েই পরিকল্পনা করেছিলাম।

ইস্তাম্বুল থেকে বাসে রওয়ানা দিলাম সকাল বেলা, এথেন্সের উদ্দেশ্যে।
সারা দিন কেটে গেলো উল্লেখ যোগ্য কিছু ছাড়াই। তবে থেসালোনিকি’র কথা আলাদাভাবে না বলে পারছি না।
দুপুর গড়িয়ে গেছে বেশ কিছুক্ষণ আগেই। বাস এগিয়ে চলছে সমুদ্রের তীর ঘেঁষে। এক পাশে সমুদ্র, গাঢ় নীল পানি। উপরে ঝকঝকে নীল আকাশ। অন্যদিকে সবুজ ঘাসে মোড়ানো মাটি আর পাহাড়। পানি আর আকাশের রঙ এমনভাবে মিশেছে যে, অনেকক্ষণ মনোযোগ দিয়েও দিগন্তে সমুদ্র আর আকাশের মধ্যকার সীমারেখা আলাদা করতে পারলাম না। সমুদ্রের পানি যে এতো গাঢ় নীল হতে পারে, না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। মুগ্ধতার এখানেই শেষ নয়, দূর থেকে শহরের প্রাচীন কাঠামোর দেখে বার বার মনে পড়ছিল হাজার বছরের পিছনের ইতিহাসের কল্পকাহিনী।

কিছদূর পরেই বাস এসে থামল থেসালোনিকি শহরে।
এজিয়ান সাগরের তীরে অবস্থিত, গ্রীসের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। এথেন্স থেকে প্রায় ৫০০ কিমি উত্তরে। প্রাচীন রোমান, বাইজান্টাইন এবং অটোমান সভ্যতার চিহ্ন এখনো দৃশ্যমান। যাত্রা বিরতির জায়গাটাও সুন্দর, চমৎকার একটা রেস্টুরেন্ট আছে। খাবারের অর্ডার দিয়ে ফাঁকা একটা টেবিলে একা বসে পড়লাম। কিছুক্ষণের মধ্যেই এক তরুণী এসে টেবিলের উল্টো পাশের চেয়ারে বসলো। একই বাসে এমন সুন্দরী এক তরুণী থাকলে চোখ এড়ানোর কথা নয়। তাই, আমি তাকে বাসেই দেখেছি। এছাড়া আগের যাত্রা বিরতিতে চোখাচোখি হলেও কথা হয়নি। এখন আমার টেবিলে বসাতে স্বাভাবিকভাবেই আমি বিস্মিত।
ছবিঃ থেসালোনিকি শহর @ গুগল।

সাইপ্রাসের মেয়ে পিনার, থাকে ইস্তাম্বুলে।
এথেন্সে আত্নীয় স্বজনদের সাথে দেখা করতে যাচ্ছে। সেও আমার মতো একা ট্রাভেল করছে।
আমার ট্রাভেল প্ল্যান জানতে চাইলে বললাম যে, কিছু কিছু জায়গা দেখার জন্যে প্ল্যান আছে। তবে, কোনদিনে কোথায় যাবো তেমন কিছু এখনো ঠিক করিনি। এমনকি হোটেল আগে থেকে বুক করা হয়নি শুনে সে নিজে থেকেই প্রস্তাব দিলো তার সাথে যাওয়ার। তার পরিচিত হোটেল আছে এবং ট্যুর এজেন্সিও আছে। তারা আমার প্রয়োজন অনুযায়ী সাহায্য করতে পারবে।

আসলে এমন অযাচিত সাহায্যের সাথে পরিচিত নই।
তাছাড়া মনের মধ্যে কিছুটা সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে। কে জানে, কত দামি হোটেলে তুলে দেয়? আবার নিজেই যদি টাকা পয়সা চেয়ে বসে? ধন্যবাদ দিয়ে অস্বীকৃতি জানালাম। পরের যাত্রা বিরতিতেও আমরা একই টেবিলে বসেছিলাম। সে আমার কফির বিল দিতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি দিতে দেইনি। আবার, অভদ্রের মতো তার বিল দেয়ারও প্রস্তাব করিনি। কেন জানি, এক ধরনের সন্দেহ আর ভয় কাজ করছিল মনের ভিতরে।

এথেন্সে যখন পৌঁছলাম, তখন সবে সকাল হয়েছে।
ভোরের আলো-আধারিতে হোটেলে ঢুকে, বিশ্রামের বাহানায় সময় নস্ট করতে মন চাইছিল না।
কারণ, এক্রোপোলিস দেখতে এই সিজনে প্রচুর ভিড় হয়। তার উপরে অ্যারিস্টোটল, আলেকজান্ডার, প্লেটো, সক্রেটিস - এদের কাহিনী এতো শুনেছিলাম যে, মনে হচ্ছিল হোটেলের বাইরে বেরুলেই এদেরকে না দেখলেও প্রাচীন আমলের কিছু না কিছু তো চোখে পড়বেই। ক্লান্তি তাড়ানোর জন্যে তাই গোসল সেরে দ্রুত বেরিয়ে পড়লাম।
ছবিঃ শিল্পীর কল্পনায় প্রাচীন গ্রীসের এক্রোপোলিস, @ গুগল।

টিকেটের লাইনে দাঁড়িয়ে এক্রোপোলিসের উঁচু চুড়ার দিকে তাকিয়ে দেখি এই সকালেও অনেক ট্যুরিস্ট উঠে পড়েছে।
চুড়ায় মন্দিরের ব্যকগ্রাউন্ডে ঝকঝকে নীল আকাশ। হঠাৎ তাকালে, ঝকঝকে আকাশ ভেদ করে দাঁড়িয়ে আছে এক মন্দির - ভেবে ভুল হতে পারে। অন্য সকলকে অনুসরণ করে পাহাড়ের ঢালু বেয়ে ওপরে উঠতে থাকি। প্রথমেই পেয়ে যাই 'প্রপেলিয়া', যেটা এখানকার প্রবেশদ্বার। যে পাহাড়ে এক্রোপলিস নির্মিত হচ্ছিল, সেখানে উঠার একমাত্র সহজ পথে হওয়ায় এদিকেই এই গেটটি নির্মাণ করা হয়েছিল। ফলে, এই দিকটাই কালক্রমে অ্যাক্রোপলিসের সামনের দিক হিসেবে পরিচিতি পেয়ে যায়। ছোট-বড় মিলে ৫টি গেট আছে, ওপরে দেবী এথেনার মন্দিরে যাওয়ার জন্যে। প্রাচীনকালে বিশেষ উৎসবের সময় এথেন্সের নাগরিকেরা এই পথ দিয়েই মিছিল করতে করতে মন্দিরের চত্বরে আগমন করতো।

প্রপেলিয়ার এক পাশে ছোট মন্দিরটি ‘Wingless Victory বা Nike áptera’ দেবীর মন্দির।
ছাদের কারুকাজ গ্রীক এবং পার্সিয়ানদের মধ্যে প্লেটাইয়ার যুদ্ধের দৃশ্য দিয়ে সুসজ্জিত করা। বিজয়ের দেবী ‘নাইকি’র সম্মানে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। স্পারটানদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে চলমান পেলোপোনেশিয়ান যুদ্ধে জয়ের আশায় গ্রীকরা এই দেবীর পুজো করতো। গল্প প্রচলিত আছে যে, দেবী নাইকি’র ডানা ছিল। তবে, অ্যাথেনা নাইকির মূর্তিতে ডানা না থাকায় এথেনিয়ানরা পরবর্তী শতাব্দীগুলোতে এটিকে ডানাবিহীন নাইকি নামেই অভিহিত করে। গল্পে আরো বলা হয়েছে যে, মূর্তিটিতে ডানা রাখা হয়নি, যাতে এটি কখনই শহর ছাড়তে না পারে।

ধীরে ধীরে উঠে এলাম এক্রোপোলিসের সবচেয়ে উঁচু চূড়া, পার্থেনন চত্বরে।
দেবী এথেনার মন্দির যেখানে রয়েছে , যা 'পার্থেনন' বা ‘কুমারীর ঘর’ নামে পরিচিত। চত্বরের এখানে সেখানে এখনো প্রাচীন কালের কিছু ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। এখান থেকে পুরো এথেন্স শহর দেখা যায়। প্রাচীন গ্রিসে এক সময় এক একটা নগরকেন্দ্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। এথেন্স ছিল তেমনি এক নগর রাষ্ট্র। এক্রোপোলিসের চুড়াতে এই রাজকীয় দেবমন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল দেবী এথেনার সম্মানে। লোকজনের বিশ্বাস ছিল, রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে দেবী এথেনা এথেন্স রাষ্ট্রের ভালোমন্দ দেখভাল এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করবেন। রাজা পেরিক্লিসের আমলে নয় বছরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল খ্রিস্টপূর্ব ৪৪৭ সালে। এথেন্সের গৌরবের যুগে নির্মিত এই মন্দিরের স্থাপত্য, শিল্পকর্ম আর ভাস্কর্যের সবই দেবী এথেনার গৌরব নির্দেশ করে।

পার্থেননের পাশেই ছোট আরেকটা মন্দির আছে, এরিকথিয়ন মন্দির।
ছয়টি মানবীরুপী কলামের কারণে ট্যুরিস্টদের কাছে এর আলাদা আকর্ষণ আছে। মূর্তিগুলির নির্মাণশৈলী এককথায় অসাধারণ।
অন্য অনেকের মতোই আমিও কিছুক্ষণ এই মূর্তি দেখেই মোহাবিষ্ট হয়ে পড়েছিলাম। তবে এথেন্সের যাদুঘরে গিয়ে মার্বেল পাথরের কিছু মূর্তি দেখে মনে হয়েছিল, যেন জীবন্ত মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। যেমন নিখুঁত ছিল সেগুলোর নির্মাণশৈলী, তেমনি তাদের আবেদন ও গঠন কাঠামো ছিল অবিস্বাস্য রকমের আকর্ষণীয়।
ছবিঃ এরিকথিয়ন মন্দির @ গুগল।

এক্রোপোলিস থেকে নামার রাস্তায় পেলাম গ্রিসের সবচেয়ে পুরনো এম্পিথিয়েটার 'থিয়েটার অব ডায়েনিসস'।
প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল, ভেবেই আমি বিস্মিত হয়েছি। এখানে নানা ধরনের উৎসব উদযাপিত হতো। তখন প্রায় ১৭ হাজার দর্শক বিভিন্ন সাড়িতে এক সাথে বসার সুযোগ পেতো।

পরের দিন সকাল সকাল হোটেল থেকে বেরিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখলাম গ্রীসের নান্দ্যনিক পুরাকীর্তিগুলো।
তবে হতাশ হলাম, এই কারণে যে প্রচুর পুরাকীর্তি হয় নেই, অথবা বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ধ্বংসাবশেষ দেখে বুঝাই যাচ্ছিল না, আসলে এটা কি ছিল? বইয়ের ছবিতে দেখা অনেক কিছুই বাস্তবে তেমন আকর্ষণীয় মনে হলো না। ছোটবেলা থেকেই আলাদা একটা মোহ গড়ে উঠেছিল গ্রীক পৌরাণিক কাহিনী ঘিরে। সচক্ষে সেই দেবদেবীর মূর্তি, মন্দির আর অন্যান্য স্থাপত্য দেখতে দেখতে শিহরিত হচ্ছিলাম। প্রতিটা জায়গাতেই বইয়ে পড়া পৌরাণিক কাহিনিগুলো মনে পড়ছিল। এথেন্সে দেখার অনেক কিছুই আছে। আর যারা গ্রীক পৌরাণিক কাহিনীর প্রতি দুর্বল, তাঁদের জন্যে এমন প্রাচুর্যপূর্ণ স্থান দুনিয়ায় আর দ্বিতীয়টি হওয়ার সুযোগ নেই।
পুরো দিন কাটলো ভালো আর খারাপের মিশ্রনে।

শুধুমাত্র যাদুঘরে গিয়ে মন ভালো হয়ে গেল।
বইয়ে বিভিন্ন সময়ে যা যা পড়েছিলাম, তার প্রায় সমস্ত প্রমাণাদি চাক্ষুস দেখার সুযোগ পেয়ে প্রচন্ড ভালো লাগলো।
অন্যদিকে, দেবতা জিউসের মন্দির দেখে আশাহত হয়েছি। ছোট বড় বিভিন্ন সাইজের বেশ কিছু ভাঙ্গাচোরা কারুকার্যময় কলাম ছাড়া কিছুই নেই বললেই চলে। আ্যক্রোপোলিস থেকে বেশি দূরে নয় এই মন্দির চত্বর। ঠিক শহরের মাঝমাঝি। বেশ বড় চত্বরের এই মন্দিরের নামকরণ করা হয়েছে দেব-দেবীদের রাজা জিউসের নামে।
ছবিঃ জিউসের মন্দির @ গুগল।

এর পরে ঘুরতে ঘুরতে এক সময় পেয়ে গেলাম অলিম্পিক স্টেডিয়াম।
১৮৯৬ সালে যেখানে প্রথম আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয়েছিল। এটা পৃথিবীর একমাত্র স্টেডিয়াম যার পুরোটা মার্বেল পাথরের তৈরি। তবে সত্যি বলতে কি, কেমন যেন সাদামাটা মনে হলো আমার কাছে। আসলে, আমি আরো জাঁকজমকপূর্ণ কিছু আশা করেছিলাম। হয়তবা, এথেন্সে প্রচুর কারুকার্যময় স্থাপত্য দেখে, আমার অবচেতন মন এখানেও তেমন কিছু আশা করেছিল।

এথেন্স শহরের প্রায় সব জায়গা থেকেই এক্রোপলিস দেখা যায়।
যদি প্রাচীন ইতিহাসকে মনের মধ্যে ধারন করে কেউ শহরের অলি-গলিতে হাটতে থাকে, তাহলে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রাচীন ভগ্নাবশেষ দেখে ইতিহাসের মধ্যে দিয়ে হাঁটার মতো এক অনুভূতি সৃষ্টি হতে পরে। তাই, যে ইতিহাস জানে তার জন্য এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। অনেকটা ইতিহাসের পাতার ভিতরে হাটাহাটি। আর যে ইতিহাস জানে না, তার জন্যে কেমন হতে পারে ব্যাপারটা – একমাত্র ভুক্তভোগীরাই বলতে পারবেন।

সন্ধ্যার পরে আমার মন খারাপ হয়ে গেল কিছুটা। কারণ একা বেড়াতে এসেছি। দিনের বেলা না হয়, যাদুঘর আর ঐতিহাসিক এলাকা ও প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। সন্ধ্যার পরে কি করবো? হোটেলের কাছাকাছি একটা সিনেমা হল দেখে ভাবলাম সময় কাটানো যেতে পারে। তবে টিকেট কাউন্টার থেকে ফিরে এলাম। যে মুভ্যি চলছে, সেটা দেখার ইচ্ছে হলো না।

উদ্দেশ্যহীনভাবে কিছুক্ষণ হাটাহাটি করে বসে পড়লাম রাস্তার পাশের এক খোলা কফি শপে।
দূরে আলো ঝলমলে এক্রোপোলিস দেখা যাচ্ছে। কফিতে চুমুক দিতে দিতে আমি মানুষ দেখতে থাকি।
কিছু ট্যুরিস্ট, এই ভর সন্ধ্যায় পিঠে ব্যাগপ্যাক নিয়ে হাঁটছে। তরুণ-তরুণীর সংখ্যাই বেশি। অথচ, আমি অপেক্ষায় আছি কোনো গ্রীক সুন্দরীর আশায়। কিশোর বয়সে যে সৌন্দর্যের বর্ণনা গ্রীক পৌরাণিক কাহিনীগুলোতে পড়ে তীব্র আকাঙ্ক্ষা জন্ম নিয়েছিল ট্রয়ের হেলেনের মতো কাউকে কাছে থেকে দেখার। তবে, আশাহত হতে হলো। তেমন কেউই রাস্তার পাথরে শব্দ তুলে পাশ দিয়ে হেটে গেল না। একবার মনে হলো, পিনারের অন্তত ফোন নাম্বার নেয়া উচিৎ ছিল। তাহলে হয়ত, তাকে এখানে কফির দাওয়াত দিতে পারতাম ! কিংবা বেড়ানোর মতো কোন জায়গায় সে নিয়ে যেতে পারতো!
পরের পর্ব দীর্ঘতম বাস যাত্রা ( ২য় পর্ব)

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

বলেছেন: কৌতুহল জাগানিয়া


অসাধারণ হয়েছে।

০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৫৯

মাহের ইসলাম বলেছেন: অনেক অনেক ভালোলাগা এবং কৃতজ্ঞতা।
উৎসাহিত বোধ করছি।

ভালো থাকবেন, শুভ কামনা রইল।

২| ০১ লা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:০৪

ইসিয়াক বলেছেন: ভালো লাগলো। চমৎকার হয়েছে।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৬

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনার মন্তব্যে অনুপ্রাণিতবোধ করছি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

৩| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১২:০৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার পোষ্ট পড়ে লবন ছাড়া পান্তাভাত খাওয়ার অনুভূতি হলো। এমন দারুন একটা পোষ্ট কেউ প্রচুর ছবি ছাড়া পোষ্ট করে?

আমার এই পোষ্টে নাইক অফ সামোথ্রেস এর একটা বড় ছবি আছে, দেখেছেন? ওটা গ্রীস থেকেই তুলে আনা হয়েছিল।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:২৯

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনার সহজ সরল স্বীকারোক্তির বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পেরে কিছু ছবি যোগ করে দিলাম।
অনেক অনেক ধন্যবাদ, আমাকে হেল্প করার জন্যে।

আপনার লিংকে গিয়ে ভালো লাগলো। নিজের দেখা জায়গায় আবার বেড়ানোর সুযোগ পেলাম। বলাই বাহুল্য যে, মূর্তিগুলোর নির্মাণশৈলী অসাধারণ।

অনেক অনেক শুভ কামনা এবং ধন্যবাদ রইল।
ভালো থাকবেন।

৪| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৬:৫৭

ডার্ক ম্যান বলেছেন: তানিয়া বুবুকে রেখে একা একা ঘুরছেন? ?
আপনার গবেষণার কাজ কতদূর হল।।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৪

মাহের ইসলাম বলেছেন: একা না বেড়িয়ে উপায় ছিলো না রে ভাই।

গবেষণা চেষ্টা করছি। তবে গতি কমে গেছে। রেফারেন্স পাচ্ছি না। সবাই সাহায্য করতে রাজী আছে, তবে সাহায্য করা হয়ে উঠচ্ছে না। এজন্যেই দৌড়াদৌড়ি করেও ফলাফল তেমন কিছু না।

অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন। শুভ কামনা রইল।

৫| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৯

রাজীব নুর বলেছেন: পিনার নামের মানে কি??
ইস্তাম্বুল দেশটা অনেক সুন্দর।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৭

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।
পিনার অর্থ পানির ঝর্ণা। এটা তুরস্কের মেয়েদের একটা কমন নাম।
হ্যাঁ, শুধু ইস্তাম্বুল নয়, পুরো দেশটাই অনেক সুন্দর।

ভালো থাকবেন।

৬| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:৫২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ভ্রমণ অভিজ্ঞতা ব্লগে পোষ্ট হওয়া দরকার। লিখতে থাকুন - পড়তে থাকি।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৯

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনার মন্তব্যে দেখে খুশী হলাম। সত্যি বলতে কি, আপনার কাছ থেকে কিছুটা সমালোচনা আশা করছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল, লেখার মান আরো ভালো করা।

অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

৭| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৫১

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: ভ্রমণ পোস্ট মানেই পাঠকদের সাথে করে বেড়ানো। ভাল লেগেছে। আরো পোস্ট করেন ছবি দিলে আরো খুশি হতাম।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪০

মাহের ইসলাম বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ, অনুপ্রাণিত করার জন্যে।
মফিজ ভাইয়ের কথা শুনে কয়েকটা ছবি যোগ করলাম। আসলেই আমার ভুল হয়েছে। ছবি শুরুতেই দেয়া উচিৎ ছিল।

ভালো থাকবেন, শুভ কামনা রইল।

৮| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৩৮

রাকু হাসান বলেছেন:

আপনার ভ্রমণ কাহিনী পড়তে ভালো লাগে আমার । ’দোজখের দরজায়’ লেখাটি এখন মনে আছে ।
কিছুদুর< কিছুদূর,কিছুক্ষস<কিছুক্ষণ,---------------বানানগুলো এই পোস্টেই এক জায়গায় সঠিক আর জায়গায় ভুল । এটা টাইপিং জনিত কারণে হয়েছে । েএমন ভুল আমরা সবাই করি । সবাই যদি একটু একটু বলে দিত তাহলে আমরা সচেতন হতাম । শুভকামনা ।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:১৫

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনাকে দেখে খুশী হলাম। আর সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে, আপনার বানানের কারেকশন। আমি ইদানীং এই বানান নিয়ে সমস্যায় আছি। মূলত দীর্ঘ ঈ কার কিংবা দীর্ঘ উ কার ব্যবহার করবো কি , করবো না? ন ব্যবহার করবো, নাকি ণ ব্যবহার করবো?
প্রমিত বানানের নিয়ম মনে রাখতে পারি না। তাই মহা ঝামেলায় আছি।

আপনাকে ধন্যবাদ যে, আপনি টাইপিং এর ভুলে বলে আমাকে পার করার চেষ্টা করেছেন। তবে, সব ভুলই টাইপিং এর জন্যে নয়, লেখকেরও কিছু দায় আছে। স্বীকার করছি।

অনেক অনেক ভালো লাগা এবং শুভেচ্ছা রইল।
ভালো থাকবেন।

৯| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

ডার্ক ম্যান বলেছেন: সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী শনিবার দেশে ফিরছি। কোন তথ্যের প্রয়োজন হলে মেইল করবেন । আমিও এই কাজ শুরু করেছিলাম তবে শেষ করি নাই।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:২৪

মাহের ইসলাম বলেছেন: আবার ফিরে আসার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
নিরাপদ যাত্রা কামনা করছি।

কতদিন থাকবেন?
আশা করছি, যোগাযোগ হবে, ইনশা'আল্লাহ।

ভালো থাকবেন।

১০| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৯:২২

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:২৭

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনি আবার কষ্ট করে ধন্যবাদ দিতে এসেছেন দেখে অভিভুত হলাম।
অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

শুভ কামনা রইল, ভালো থাকবেন।

১১| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:১৭

করুণাধারা বলেছেন: ছবিসহ বর্ণনা ভালো লেগেছে। সাথে দু-একজন লোকাল মানুষের বর্ণনা থাকলে ভাল হত। অনেক গ্রীকের চেহারার বর্ণনায় লেখা থাকে, "ঠিক যেন গ্রিক ভাস্কর্য"! আসলেই কি গ্রিসের মানুষেরা ভাস্কর্যের মতো নিখুঁত হয়?



মন্দির আর ভাস্কর্যের ছবিসহ বর্ণনা ভালো লেগেছে। সাথে দু-একজন লোকাল মানুষের বর্ণনা থাকলে আরো ভাল হত... অনেক গ্রীকের চেহারার বর্ণনায় লেখা থাকে, "ঠিক যেন গ্রিক ভাস্কর্য"! আসলেই কি গ্রিসের মানুষেরা ভাস্কর্যের মতো নিখুঁত হয়?

ভাস্কর্যগুলো এত নিখুঁত হবার কারন, এগুলো তৈরীর সময় সোনালী অনুপাত মেনে তৈরি করা হয়েছে। এমনকি মন্দিরগুলোও তাই। যেমন পার্থেনণের মানে মন্দির:



মনে হলো হঠাৎ করে শেষ হয়ে গেছে। আরেকটু বড় হলে ভালো হতো। তবে যা হয়েছে তাতে +++++

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৩৪

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনাকে দেখে খুব ভালো লাগছে।
সত্যি বলতে কি, আপনার ব্লগে ঢুঁ মেরে এসেছি, গতকালও।

আপনার কথা শুনেই মনে হয়েছে, আসলেই লোকাল মানুষের বর্ণনা থাকলে ভালো হতো।
তবে একটা কথা শেয়ার করে ফেলি আপনার সাথে, আসলে লেখা আরেকটু আছে। কিন্তু 'চলবে' বলতে পারছি না, এক্ষণই। কারণ, আমি আবার অনেক সময় এক পর্ব লিখে আরেক পর্ব সময়মত শেষ করতে পারিনি। তাই, এবার আগে থেকে কিছু বলতে সাহস করিনি। আর, আমার লেখার প্রথম পর্বের চেয়ে পরের পর্বগুলো সব সময় খারাপ হয়েছে। তাই, আগাম খারাপ লেখার নোটিশ জারি করতে মন সায় দেয়নি।

পরের পর্বে একজনের চেহারা একটু হালকা বর্ণনা রাখার ইচ্ছে আছে।
কেমন বা কতটুকু সার্থক হবো, বুঝতে পারছি না।

অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।
ভালো থাকবেন।

১২| ০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:২১

আনমোনা বলেছেন: আপনার সাথে সাথে গ্রীস ঘুরে এলাম। চমৎকার বর্ণনা। পিনারের সাথে কফি খেতে পারলে আরো ভালো লাগত।

০২ রা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১০:৫০

মাহের ইসলাম বলেছেন: অনুপ্রানিতবোধ করছি।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আহ! মনে করিয়ে দিলেন। আপনার কথা শুনে এখন মনে হচ্ছে, পিনারের সাথে কফি খেতে পারলে, ঐ সময়টুকুই হতো এই ভ্রমনের সর্বশ্রেষ্ঠ সময়।
শুভ কামনা রইল, ভালো থাকবেন।

১৩| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় মাহের ভাই,

সেদিন সময়াভাবে পোস্টে চোখ বুলিয়ে গেলেও কমেন্ট করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। প্রমাণস্বরূপ রেখেছিলাম পোস্টে নিজের চতুর্থ লাইক। আজ সেই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করতে এলাম।
যে বিষয়গুলি এই পোস্টটি আমার ভালো লেগেছে-
1, অযাচিত সাহায্য সন্দেহের উদ্রেক করে। সে দিক থেকে শুরুতেই সাইপ্রাস তরুণী পিনারের সাহায্য প্রস্তাব অস্বীকার করার সঙ্গে সহমত জানাচ্ছি। তবে কানে কানে এ প্রসঙ্গে আপনাকে জানিয়ে রাখলাম, এমন বাঁড়া ভাত খেতে অস্বীকার করার পরিণামটা কিন্তু পরে আপনাকে ভুগতে হবে। কারণ দ্বিতীয় পর্বেও কিন্তু আমি তার কোন সন্ধান পেলাম না যে আপনার হৃদয়ে ইতিমধ্যে দুন্দুভি বাজিয়ে গেছে।
2- এরিস্টোটল, আলেকজান্ডার, প্লেটের শহরে পদার্পণের সঙ্গে মনে হল যেন সেই গ্রীক নগররাষ্ট্র পৌঁছে গেলাম। আপনার লেখার মধ্যে আরেকবার ইতিহাসকে খুঁজে পেলাম।
3-ভালো লাগলো দেবী এথেনার মন্দির ও পার্থেনন চত্বরের বিশেষত্ব জেনে। প্রাচীন এম্পিথিয়েটার দর্শনের সাক্ষী হওয়াতে পুলকিত হলাম।
4-প্রাচীন অ্যাক্রপলিস সভ্যতাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। বর্ণনায় এটি অন্যতম আকর্ষণ একটি দিক।শহরের অলিতে গলিতে হাঁটলে প্রাচীন সভ্যতার ভগ্নাবশেষ দেখা যায়। যেন টাইম মেশিনে সুপ্রাচীন সভ্যতায় ফিরে গেলাম।
নিরাশ হলাম, 5-গ্রিক সুন্দরী হেলেনের দেশে তেমন কাউকে না পেয়ে অন্তত সাইপ্রাস তরণী পিনারকে হৃদয়ে ধরে দ্বিতীয় পর্বে ঢুঁ মেরেও তার খোঁজ না পাওয়াতে। হাহাহাহাহাহাহা...

অফুরান শুভেচ্ছা জানবেন।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:১৬

মাহের ইসলাম বলেছেন: আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।
মন্তব্যগুলো খুটিয়ে খুটিয়ে পড়লাম, যথার্থই বলেছেন। দ্বিমত করতে পারছি না বলে আরো ভালো লাগছে।

হয়তো আরো কিছু পৌরাণিক কাহিনী যোগ করে লেখাটার কলেবর বাড়ানো সম্ভব হতো।
তবে, পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটানোর ভয়ে ভীত ছিলাম। তাই, দুঃসাহস দেখাইনি।

অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা রইল।
ভালো থাকবেন।

১৪| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ৮:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাহের ইসলাম,




গ্রীক ভাস্কর্য আসলেই সুন্দর, রোমান ভাস্কর্যও তাই। এসব ভাস্কর্য দেখলে মনে হয় জীবন্ত । হাযার বছর আগে পাথর কুঁদে মানুষ কি করে যে এমন নিখুত অঙ্গসৌষ্ঠব সমৃদ্ধ মূর্তি বানিয়েছে ভাবলে অবাক হতেই হয়।

বরাবরের মতোই মসৃন লেখা। আপনার নিজের তোলা ছবি থাকলে আরো সুন্দর হতো ।

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:২০

মাহের ইসলাম বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।
অনুপ্রাণিত করার জন্যে।

আমি রোমান ভাস্কর্যের কথা শুনেছি, তবে দেখিনি। এও শুনেছি যে, প্যারিসের চেয়ে রোমের ভাস্কর্য বেশি এবং অনেক সুন্দর।
হাতের কারুকাজের দক্ষতার কারণেই হয়ত বলে, 'গ্রীক ভাস্কর্যের মতো শরীর'।

আমি যখন বেড়িয়েছি, তখন আমার হাতে ছিল ফিল্মের ক্যামেরা। যে ছবি তুলেছি, সেগুলো স্বাভাবিকভাবেই কম আকর্ষণীয়। তাই, অনলাইনের ছবি ব্যবহার করেছি। তবে, আপনার কথার সাথে একমত, নিজের ছবি হলে আরো ভালো হতো।
ভালো থাকবেন, শুভ কামনা রইল।

১৫| ২৩ শে অক্টোবর, ২০১৯ রাত ১১:৫২

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার লেখায় চমৎকার একটি সাবলীলতা রয়েছে। পড়ে শেষ না করে পারা যায় না।

পিনার বেচারাকে আপনি কিন্তু হতাশ করেছেন। :P

২৪ শে অক্টোবর, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

মাহের ইসলাম বলেছেন: অস্বীকার করবো না, পিনারের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে উপায় ছিল না।
তবে, নিজের সন্দেহ আর ভয় জয় করতে পারিনি।
এমন হতে পারে যে, আমাদের ধর্মীয় মুল্যবোধ এবং পারিবারিক শিক্ষার একটা সিমাবদ্ধতার ফল ছিল এটা।
আবার, অন্যভাবে বিবেচনা করলে, এমনও কিন্তু হতে পারে যে, আল্লাহ্‌ আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। কে জানে কোন ফাঁদে পড়তাম !

শুভ কামনা রইল। ভালো থাকবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.