নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে আমাদের প্রতিপালক সকল প্রশংসা তোমারই

মাহমুদডবি

মনে রাখবা তোমার রবের কাছে তোমাকে হিসাব দিতে হবে।

মাহমুদডবি › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাফির-মুশরিকদের সাথে মুসলিমদের আচরন নীতি কি ?

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৫২

যারা আল্লাহর পাশাপাশি তাগুতের ইবাদত করে তারা মুশরিক এবং কাফির, তাদের বেলায় আল বারাআহ ( শত্রুতা, ঘৃনা, বিদ্বেষ ) প্রযোজ্য। তাদের সাথে একজন ইমানদারের আচরন হবে নিন্মরুপ :



১। তাদের বন্ধু হিসেবে গ্রহন করা যাবে্ না ।

আল্লাহ ( সুব: ) বলেন : হে ঈমানদার গন ! মু'মিনদের পরিবর্তে কাফেরদের বন্ধু হিসেবে গ্রহন করোনা। তোমারা কি আল্লাহকে তোমাদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট প্রমান দিতে চাও ? (সুরা নিসা ৪:১১৪)



২। তাদের শাসন কতৃত্ব মেনে নেয়া যাবে না ।

আল্লাহ ( সুব: ) বলেন : আল্লাহ কখনই মুমিনদের বিরুদ্ধে কাফিরদের কোনো পথ রাখবেন না।( সুরা নিসা ৪:১৪১)

আর তুমি কাফের ও মুনাফিকদের কথা মানবে না ( সুরা আহযাব ৩৩:৪৮)



৩। তাদেরকে্ অভিভাবকরুপে গ্রহন করা যাবে না, তাদের আনুগত্য করা যাবে না যদিও তারা পিতা কিংবা ভাই হয় । আল্লাহ ( সুব: ) বলেন : হে ঈমানদারগন ! তোমরা স্বীয় পিতা ওভাইদের অভিভাবকরুপে গ্রহন করোনা, যদি তার ঈমান অপেক্ষৃা কুফুরকে ভালোবাসে। আর তোমাদের মধ্য থেকে যারা তাদের অভিভাবকরুপে গ্রহন করে তারা সীমালংঘনকারী। ( সুরা তাওবা ৯:২৩)



৪। তারা ত্বাগুত প্রত্যাখ্যান না করা পর্যন্ত তাদের নিকট থেকে কোনো নুসরাহ ( দারুল ইসলাম প্রতিষ্টার ও রক্ষা করার জন্য বস্তুগত সমর্থন) চাওয়া যাবেনা ।

আয়েশা ( রা: ) বর্ননা করেন যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আমি একজন মুশরিকের কাছে কখনই সাহায্য চাইবো না। (সহীহ মুসলিম ৪৮০৩; সুনানে তিরমিজি ১৫৫৮; মুসনাদে আহমদ ২৫১৫৮)





৫। মুসলিমরা তাদের নারিদের বিয়ে করতে পারবে না ।



আল্লাহ ( সুব: ) বলেন : তোমরা মুশরিক মেয়েদের কখনো বিয়ে করবে না, যতক্ষন না তারা ঈমান না আনিবে । বস্তুত একজন মুমিন কৃতদাসী নারী, একজন মুশরেক শরিফজাদি নারী অপেক্ষাও উত্তম, যদি ও সে তোমাদের মোহিত করে। ( আল বাকারা ২: ২২১)



৬। মুসলিম নারীদেরকেও তাদের সাথে বিয়ে দেওয়া যাবে না।



আল্লাহ ( সুব: ) বলেন : আর তোমরা নিজেদের কন্যাদের মুশরিক পুরুষদের সহিত বিবাহ দিবেনা, যতক্ষন না তারা ঈমান আনিবে। কেননা একজন ইমানদার কৃতদাস একজন উচ্চবংশীয় মুশরিক অপেক্ষা অনেক ভালো। যদিও প্রথম লোকটি তারা অধিক পছন্দ করিয়া থাকে। কেননা তারা তোমাদের যাহান্নামের দিকে্ব টানিয়া নেয়। আর আল্লা তাহার নিজের অনুমতিক্রমে তোমাদেরকে জান্নাত ও ক্ষমার দিকে আহবান জানান। ( সুরা বাকারা ২:২২১)



৭। মুসলিমরা তাদের উত্তরাধিকারি হতে পারেনা , তারাও মুসলিমদের উত্তরাধিকারি হতে পারে না। উসামা ইবনে যায়েদ ( রা: ) থেকে বর্নিত: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন একজন মুসলিম একজন কাফিরের উত্তরাধিকারি হয় না এবং একজন কাফির একজন মুসলিমের উত্তরাধিকারি হয় না। ( সহীহ বুখারী৬৭৬৪: সহীহ মুসলিম ৪২২৫: সুনানে তিরমিজি ২১০৭)



৮। মুসলিমরা মুশরিকদের জবাইকরা গোস্ত খেতে পারে না।

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে : আর তোমরা তা থেকে আহার করোনা যার উপর আল্লাহর নাম উচ্চারন করা হয়নি (সুরা আনআম ৬: ১২১)



৯। তারা মারা গেলে তাদের জানাজা পরা যাবে না।



আল্লাহ ( সুব: ) মুনাফিকদের সম্পর্কে বলেন : আর তাদের কোনো লোক মারা গেলে তাদের জানাযা তুমি কখনো পড়বে না, তার কবরের পাশে কখনো দাড়াবে না। কেননা তারা আল্লাহ ও তার রাসুলকে অবিশ্বাস করেছে। আর তারা মরেছে এমন অবস্থায় যে তারা ফাসেক ছিলো। ( সুরা তাওবা ৯: ৮৪)



১০। মুশরিকরা যখন মারা যায় তখন মুসলিমরা তাদের জন্য ক্ষমা চাইতে পারবে না।



আল্লাহ ( সুব: ) বলেন : নবী ও ঈমানদারদের জন্য শোভা পায়না যে তারা মুশরিকদের জন্য মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবে, তারা তাদের আত্মীয়স্বজনই হোক না কেন ; যখন তাদের সামনে এ কথা স্পষ্ট হওয়ার পর যে, তারা যাহান্নামে যাবার উপযুক্ত। ( সুরা তাওবা ৯: ১১৩)



১১। তারা মক্কায় হারাম শরীফে প্রবেশ করতে পারবে না।

আল্লাহ ( সুব: ) বলেন : হে ইমানদার ব্যাক্তি গন মুশরিক লোকের নাপাক। অতএব এই বৎসরের পরে যেন তারা মসজিদে হারামের আশেপাশেও না আসতে পারে। ( সুরা তাওবা ৯:২৮)



১২। ভ্রাতৃত্বের অধিকার ও কর্তব্য টাদের জন্য প্রযোজ্য নয়।



আল্লাহ ( সুব: ) বলেন : নিশ্চই শুধুমাত্র মুমিনরা পরস্পরে ভাই। ( সুরা হুজরাত ৪৯;১০)



১৩। তাদের হত্যার জন্য কিসাস নিতে কোনো মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না। ( মুসনাদে আহমদ ৯৯১, সুনানে আবু দাউদ ২৭৫৩, সুনানে নাসায়ী ৪৭৪৮)



১৪। তাদের ঐ সব মজলিশে যোগদান করা যাবেনা যেখানে দ্বীন ইসলামের কোনো বিষয়ে হাসি ঠাট্রা করা হয়।

আল্লাহ ( সুব: ) বলেন : আর কোরআনের মাধ্যমে তোমাদের প্রতি এই হুকুম জারি করে দিয়েছেন যে, যখন আল্লাহর ( সুব: ) আয়াতসমুহের প্রতি অস্বীকৃতি গ্যাপন ও বিদ্রুপ হতে শুনবে, তখন তোমারা তাদর সাথে বসবে না, যতক্ষন না তারা প্রসাংগান্তরে চলে যায়। তা না হলে তোমরা ও তাদের মতই হয়ে যাবে। আল্লাহ জাহান্নামের মাঝে মুনাফেক ও কাফেরদেরকে একই জায়গায় সমবেত করবেন। ( সুরা নিসা ৪: ১৪০)







































মন্তব্য ৩ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০১

তারাকী হাসান বলেছেন: আল্লাহ বলেছেন-
যেসব আহলে কিতাব (ইহুদী ও খ্রিষ্টান) আল্লাহ ও আখিরাতের উপর ঈমান আনেনা, আল্লাহ ও তার রাসুল যা কিছু হারাম করেছেন তা হারাম বলে স্বীকার করেনা, আর সত্য দ্বীন (ইসলামকে) গ্রহন করে না, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাক, যে পর্যন্ত না তারা অধীনতা স্বীকার করে নিজ হাতে যিযিয়া কর দিতে রাজী হয়। (সুরা তওবাঃ ২৯)

আমার পোস্ট পড়ুন- মুসলিমরা আর কতকাল মার খাবে?

২| ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:০২

মৈত্রী বলেছেন:
বাংলা টাইপিং এবং "ইমোটিকন" ব্যবহার করা ভালো মত শিখে ব্লগ লিখতে আইসেন।

: ) = :)

২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৫

মাহমুদডবি বলেছেন: এই যে আমি আপনার কাছ থেকে শিখলাম। ব্লগে না আসলে কি শিখতে পারতাম । ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.