নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লোকে বলে প্রথম প্রেমটা বড্ড কোমল\nএলোমেলোযায়না \nভোলা কোনোদিনও\nসত্যি কি তাই

কবিতা পড়ার প্রহর

কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে রাতের নির্জনে

কবিতা পড়ার প্রহর › বিস্তারিত পোস্টঃ

চিলেকোঠার প্রেম-৯

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৩

এর ঠিক পরের দিনই কোনো এক ছুটির দিন ছিলো সেদিন। বাসাতেই ছিলাম আমরা দু'জন। সকাল থেকেই আমার ভীষন গরম গরম খিঁচুড়ি আর সেই ধোঁয়া ওঠা খিঁচুড়ির সাথে এক চামচ গাওয়া ঘি আর বেগুন ভাঁজা খেতে ইচ্ছা হচ্ছিলো। সকালে উঠেই রেঁধেও ফেলেছিলাম মুগডাল আর কালিজিরা পোলাও চালের বেশ সুস্বাদূ খিঁচুড়িও। সেই খিঁচুড়ি আর বাসায় বেগুন ছিলো না তাই বেগুনের অভাবে ডিম ভাঁজা খেলাম আমরা দু'জনে আমাদের সেই হার্ডবোর্ড আর মোড়া দিয়ে বানানো টেবিলে বসে। কিন্তু খেয়ে উঠতেই হড়হড় করে সব বমি হয়ে গেলো। আমার অবস্থা দেখে শুভ্র ভীষন ভয় পেয়ে একেবারেই কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে পড়লো। কয়েকদিন ধরেই শরীরটা ভালো যাচ্ছিলো না সেটা সে জানতো তবে আমি সেদিন আন্টির বলা কথাটা একেবারেই চেপে গেছিলাম ওর কাছে। খানিক লজ্জায় আর খানিক সন্দেহে।

আচমকা এ ঘটনার রেশ কাটতেই শুভ্র আমাকে ধুঁইয়ে মুছিয়ে বেডে শুইয়ে দিয়ে এক হাতে সব ঘর বাড়ি সাফ করতে শুরু করলো। আমার খুবই লজ্জা লাগছিলো। বারবার বলছিলাম শুভ্র আমি সব ঠিক করছি একটু ওয়েট করো। শুভ্র বললো, একদম চুপ করে শুয়ে থাকো। এত পন্ডিতি করতে হবে না। আমার সত্যিই লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে হচ্ছিলো কারণ আমি এমনিতেই বোকার মত কাজ করে ঘরবাড়ি নোংরা করে ফেললাম আবার সেটা এখন শুভ্রকে পরিষ্কার করতে হচ্ছে। ছি ছি কি যে লজ্জা হচ্ছিলো আমার। খুব কষ্ট হচ্ছিলো হঠাৎ ওকে বমির মত এমন নোংরা জিনিসটাই সাফ করতে বাধ্য করে ফেললাম। যাইহোক কিছু করার নেই জোর করে যে ওর থেকে কেড়ে নিয়ে নিজেই কাজে নামবো সে অবস্থাও তখন নেই। উঠতে গেলেই মাথা ঘুরে উঠছিলো।

এরপর দিন দুই পরেই আরেক কান্ড শুভ্রের এক বন্ধু কই থেকে যেন বড় সড় এক ভেটকীমাছ উপহার দিলো। সেটা কেটে কুটে আনলো শুভ্র নিজেই মাছওয়ালা থেকে। কিন্তু রান্নার পর আমার মনে হচ্ছিলো এই বাজে গন্ধের মাছটা তো খাওয়ার অযোগ্য। নিশ্চয় শুভ্রের কোনো শয়তান বন্ধু শুভ্রকে ঠকিয়ে এই পঁচা মাছটাই দিয়েছে। আমি বললাম শুভ্র দেখো মাছটা কি বিচ্ছিরি গন্ধ। শুভ্র বললো, কই নাতো। ঠিকই তো আছে। আমি সে মাছ মুখে তুলতে পারলাম না বরং যতক্ষন শুভ্র খাচ্ছিলো আমি নাক চেপে বসে রইলাম এবং অবাক হয়ে ভাবছিলাম শুভ্র এই বাজে মাছটা খাচ্ছে কিভাবে। তারপর আর পারলাম না। শুভ্রের খাওয়া শেষ হলে বাকী মাছটা কিচেনে গিয়ে জানলা দিয়ে ঐ ডোবার পানিতে চুপি চুপি ফেলে দিলাম। রাতে শুভ্র তো সে কথা শুনে অবাক। ভাবছিলো আমি বুঝি পাগল টাগল হয়ে গেছি।

এর মাঝে আরেক ছুটির দিনে আমরা সাভারে গেলাম। আমাদের সাথে শুভ্রের আরও কয়েকজন বন্ধুও ছিলো। ওর এক বড়লোক বন্ধুর বাবার বাগানবাড়িতেই সেই পিকনিকের আয়োজন হয়েছিলো। পিকনিক ছিলো নামেই আসলে সেটা ছিলো তাদের পুকুরে মাছ ধরার উৎসব। সবাই মিলে বড়শী নিয়ে টোপ লাগিয়ে মাছের আশায় বসে বসে এক গাঁদা চুনোপুটি ধরলো। ধরলো তো ধরলো আবার ছেড়ে দিয়ে আয় তানা মহোৎসাহে সবাই মিলে সেই মাছ ভাগাভাগি করে বাড়ি বয়ে নিয়ে এলো। এখন এই সব মাছ কাঁটবে কে? আমি বাবা কিংবা দাদার জনমেও ছোট মাছ কেনো বড় মাঝারী মেঝ সেজো কোনো মাছই কাটিনি। শুভ্রও জানেনা মাছ কেমনে কাটে। আমি সব রকম স্মৃতি শক্তির পরীক্ষা দিয়ে মনে করতে লাগলাম। ছোট থেকে কেমনে কেমনে কে কবে মাছ কেটেছিলো। নিজের মনকে সান্তনা দিলাম। বাসার কাজের মানুষেরা যদি অনায়াসে বড় বড় রুই কাতলা কেটে ফেলতে পারে। আমি কেনো এত লেখাপড়া শিখে জ্ঞান বুদ্ধি দিয়ে এই সামান্য ছোট ছোট চুনোপুটি কাঁটতে পারবোনা? দূর! এটা কোনো একটা ব্যপার হলো?

আমি সেই ভর সন্ধ্যায় কোমরে আঁচল বেঁধে মাছ কাঁটতে বসলাম বড়সড় বটিটা নিয়ে। ওমা এক হাতে ধরি তো আরেক হাতে কই থেকে কুচ করে একটা কাটা ফুটে যায় আবার আরেক হাতে ধরি তো ঐ হাতে কুচ করে কাঁটা ফুটে যায়। আমি তো উহ আহ করতে করতে শেষ মেষ রণে ভঙ্গ দিলাম। আমার করুণ অবস্থা দেখে শুভ্র বললো, থাক বাবা কোনোই দরকার নেই এই দুঃসাহসী কাজ করার। তার থেকে চলো এসব কাউকে দিয়ে দেই। কিন্তু দেবো কাকে? এই ভর সন্ধ্যায় তো কোনো ফকিরও পাওয়া যাবে না। জানি এইখানে পড়তে গিয়ে মা হাসান ভায়ের মনে সবার আগে প্রশ্ন আসবে কাটাকাটির কি দরকার ছিলো ফ্রিজে রেখে দিলেই তো হত। ঢুকিচেপা আপা ভাববে হায়রে নবাব নন্দিনী এত সোজা কাজটাও পারলি না? সামু পাগলা আপু আনমোনা আপু আর মিরর আপু মনে হয় বুঝলেও বুঝতে পারে এই মাছ কাটার সমস্যার কথাটা। যাইহোক সবার জ্ঞাতার্থে বলে রাখি তখনও ফ্রিজ কেনা হয়নি। এত কিছুর পরে ফ্রিজ কেনো কেনা হলো না সেটা আজও এক রহস্য।

সে যাইহোক বলছিলাম যে কথা। শেষ মেষ মাছগুলো পাশের বাসার আন্টিকে দিতে গেলাম। বললাম আন্টি যদিও ক্ষুদ্র জিনিস তবুও আপনাকে দিতে চাচ্ছি এ কারণে আমরা আজ মাছ ধরতে গিয়ে এক রাশ চুনোপুটি ধরে এনেছি। এখন এই মাছ কাঁটতেও জানিনা আর বাসায় ফ্রিজও নেই। তাই আপনাদের কাজের লোক আছে ভাবলাম ওরা কেটে দিলে আপনারা হয়ত মাছগুলো খেতে পারবেন। নয়ত শুধু শুধু নষ্ট হবে তাজা মাছগুলো। উনি হাসলেন। স্নেহময় হাসি। বললেন বেচারা মাছ কাটতে জানোনা তো কি হয়েছে? আমাকে একটু জানালেই তো হত। আমাদের মীনা কেটে দিয়ে আসতো। আমি বললাম না না কোনো দরকার নেই। আপনারাই খেয়ে ফেলেন। আর কষ্ট করে ওকে আমাদের বাসায় পাঠাতে হবে না। উনি বললেন ঠিক আছে কাল দুপুরে এই মাছের চচ্চড়ি রেঁধে খাওয়াবো তোমাকে।

যাহোক অনেক কষ্টে তবুও সেই মাছের একটা সুরাহা হলো কিন্তু কিছুক্ষণ যেতে না যেতেই মাছের কাঁটা ফোটা আঙ্গুলগুলো কাঁটার বিষে ফুলে ঢোল হয়ে উঠলো। আমি দু হাত নাড়াতেই পারিনা। মাছ কাটতে গিয়ে এমন খুনাখুনি অবস্থা আগে কখনও কোনো মানুষের জীবনের ঘটেছে কিনা আমার জানা নেই তবে সেই বিভিষিকাময় রাতের কথা মনে পড়লেই আমার দুহাত আর নড়ে না যেন। শুভ্র দুঃখিত মুখে আমার দুহাত কোলে নিয়ে মুখোমুখি বসে রইলো। যেন মাছ ধরে আর সেই মাছ আমি কাটতে গিয়ে হাত ফুলিয়ে ফেলায় সে অনেক বড় অপরাধের কাজ করেছে। রাত গভীর হচ্ছিলো। আমার ঘুম আসছিলো না। ঘুম না আসার কারণ আমার হাতে ব্যথাই শুধু নয়। কারণটা আমার চুল। আমি চুল বেনি না বেধে ঘুমাতে পারিনা। এদিকে হাতের ব্যথায় বেনী করার জো নেই। আবার এলোমেলো খোলা চুলে ঘুমেরও অভ্যাস নেই। আমার সমস্যার কথা শুভ্রকে জানালাম। শুভ্রের মুখ আলোকিত হয়ে উঠলো। যাক এতক্ষনে একটা কিছু করার পেলো যেন আমার জন্য। লাফ দিয়ে উঠে বললো, ওহ এই কথা! নো প্রবলেম আমি তোমার বেনী বেঁধে দিচ্ছি।

তারপর সে চিরুনী আর হেয়ার ব্যান্ড নিয়ে তার মন প্রাণ দিয়ে সেদিন এমন বেনী বাঁধলো। সেই বেঁনীর কথা মনে পড়লেই আমার প্রাণে বাঁজে। মোর বধু যেন বাঁধা থাকে বিনুনী ফাঁদে। হ্যাঁ এখন আর বেনী করিনা আমি। বেনী ছাড়াই এলোচুলে ঘুমাতেও শিখে গেছি। তবুও দৈবে সৈবে বেঁনী বাঁধতে গেলেই শুভ্রের সেই বেঁনী বাঁধার ঘটনাটা মনে পড়ে। শুভ্র বাঁধা পড়ে থাকে আমার বেনীর মাঝেই। হ্যাঁ তার কারণ শুভ্র তার মন প্রাণ দিয়ে লালঝ্যাল করে যে বেনী বাঁধলো সেই বেঁনি দেখে আমি হাসবো কি কাঁদবো ভেবে না পেয়ে মনকে সান্তনা দিলাম আহারে বেচারা থাক এমনিতেই মাছের কারণে হাত ফুলেছে ভেবে নিজেকে দোষী ভাবছে আর এখন আবার বেনীর বও হয়নি জেনে আরও কষ্ট পাবে। সেই ঝ্যালঝেলে বিনুনী নিয়েই কোনোমতে ঘুমাতে গেলাম সেদিন রাতে।

দিন দিন শরীর খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো আমার। শুভ্র বললো, তোমার কি হলো বলোতো? বুঝেছি তোমার আসলে এ বাড়িতে ঠিক স্যুট করছে না। আজীবন এসি ছাড়া ঘুমাতেই পারতে না তুমি কিন্তু এখন গরমে ঘেমে নেয়ে ঘুম ভেঙ্গে উঠে বসো। নিজের বাড়িতে এক গ্লাস জল গড়িয়ে খাওনি আর এখন মাথার রাজ্যের কাজ নিয়ে ঘুরে বেড়াও। একই সাথে জব করছো ঘরবাড়ি সামলাচ্ছো। নাহ হুট করে আসলেই তোমার এই ভ্যাগাবন্ডকে বিয়ে করে ফেলাটা মোটেও ঠিক হয়নি। কাল থেকে তুমি আর কোনো কাজ করবে না। আমি সব কাজ করবো যতদিন আমার জব না হয়। আর তুমি শুধু আরাম করবে মহারাণী। আমি হাসতে হাসতে মারা যাচ্ছিলাম শুভ্রের কথা শুনে। বললাম কাল সকালে তুমি তাহলে হাতে বানানো রুটি বানাবে ওকে? আর সাথে সুজির হালুয়া। তারপর সিদ্দিকা কবিরের বইটা এনে দিলাম হাতে। বললাম এই নাও এখনই রুটি র সুজির হালুয়া কেমনে বানাতে হয় শিখে রাখো।

শুভ্র বললো, ফাজলামো না চলো কালই আমরা ডক্টরের কাছে যাই তোমার একটা চেক আপ দরকার। কি হচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছিনা। নাহ এভাবে চলবে না। শেষে আমার শ্বশুর শ্বাশুড়ি শুনলে বলবে কি দায়িত্বজ্ঞানহীনরে বাবা মেয়ের এত বড় অসুখ কিন্তু ডক্টরের কাছে নিলোনা ? নাহ কালই উনাদেরকে একটা ফোন করতে হবে। জানাতে হবে তোমার শরীরটা ভালো নেই। আমি ওর মুখ চেপে ধরলাম। এ্যই না, খবরদার না। বাবা মাকে কিছু জানাতে হবে না। আমি ঠিক হয়ে যাবো। আমার কিছু হয়নি। নয়ত এতদিন কোনো খবর নেই এখন যদি বিপদে পড়ে জানাতে যাই তো ভাববেন এখন বিপদে পড়ে এসেছেন ছুটে। শুভ্র বললো, এত ইগো কিন্তু ভালো না। হাজার হোক মা বাবাই তো। চলো আমরা দেখা করি গিয়ে। আমি বললাম আচ্ছা সে পরে দেখা যাবে। এখন যাও ফ্রেশ হাউজে। মুড়ি আর গুড় কিনে আনো। আমার এখন মুড়ি আর গুড় খেতে ইচ্ছা হচ্ছে। শুভ্র হা করে তাকিয়ে রইলো। মুড়ি আর গুড় আমার খেতে ইচ্ছে করছে দেখে সে এমন হা তাকিয়ে রইলো নাকি ভাবছিলো হঠাৎ আমার এমন খাই খাই স্বভাব হলো কেমনে তাই বুঝি।

এইভাবে কিছুদিন চলার পর একদিন আবারও মাথা ঘুরে পড়ে গেলাম। কিচেনে মাছ ভাঁজছিলাম। এত দেখে শুনে ফ্রেশ মাছ কিনে এনে ভাঁজতে বসলাম আর সেই মাছ থেকে হঠাৎ এমন বিদঘুটে গন্ধ! পুরোই ভূতুড়ে ব্যপার। ভাবতে না ভাবতেই টলে উঠলো মাথাটা। তারপর আর কিছু মনে নেই আমার। জ্ঞান ফিরলো যখন ততক্ষনে তুলকালাম হয়ে গেছে। বাসার কাছেই এক ক্লিনিকের বেডে নিজেকে আবিষ্কার করলাম। আর চোখ মেলতেই দেখলাম মা আমার মুখে ঝুকে আছে আর বাবা গম্ভীর মুখে দাঁড়িয়ে কিছুটা দূরে। আর শুভ্র আর এক কোনায় কাচুমাচু দাঁড়িয়ে এক অপরাধীর মত। থ্রি কোয়ার্টার বাসায় পরা প্যান্ট আর কুচকানো গোলাপী গেঞ্জিটাই পরা। এই দৃশ্য দেখে এত কিছুর মাঝেও আমার ভীষন হাসি পেলো। হাসি পেলো এটা ভেবে আমার কেতাদূরস্ত পিতা তার জামাই এর জামা কাপড়ের এই ছিরি দেখে হার্ট এটাক যে করেননি এই বেশি। কিন্তু মুখখানা আষাড়ের আঁধার। হঠাৎ আমার বাবার মুখের সাথে আমার শ্বাশুড়ি মায়েরও আমাকে প্রথম দেখে আষাঢ়ের আঁধারের সেই মুখের সাথে মিল খুঁজে পেলাম আমি।

কিন্তু ভাবনায় ছেদ পড়লো। হঠাৎ মা আমাকে জড়িয়ে ধরে হাউ মাউ করে কেঁদে ফেললেন। বাবা বিরক্ত মুখে দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অন্য সময় হলে মায়ের এমন কান্নায় ধমকে উঠতেন হয়ত। কিন্তু আজ কেনো যেন কিছুই বললেন না। হয়ত আমার দেওয়া এই আঘাত মায়ের বুকে শেলের মত বিঁধেছে সে কথা তিনি ততদিনে বুঝে গেছেন। মা বললেন আমি কিছুদিন তোমাকে আমার কাছে রাখতে চাই। আমার সাথে চল। শুভ্র কিছু বলছিলোনা। আমি ওর দিকে তাকালাম। মা বা বাবা কেউই শুভ্রের দিকে না তাকিয়েই কথা বলছিলেন। মা বাবাকে বললেন আমি ওকে আমার সাথে নিয়ে যেতে চাই। বাবা চুপ করে রইলেন। তবে সে মুখে মৌনতাই সন্মতির লক্ষন। আমি বুঝলাম উনারা শুভ্রকে পুরোপুরি উপেক্ষা করছেন। আমি বললাম মা তুমি চিন্তা করো না। আমি হুট করে চলে গেলে শুভ্র একা থাকবে। আমরা দুদিনের মাঝেই দুজন তোমার সাথে দেখা করে আসবো। থেকেও আসবো কয়েকদিন তোমাদের বাড়িতে। এখন থাক। আমি কথা দিচ্ছি দুদিনের মাঝেই আসবো আমি।

এ কথা শুনে মা কিছুক্ষন নতমুখে বসে রইলেন। বাবা তাড়া লাগালেন। ঠিক আছে চলো তাহলে। এখন তো ও সুস্থ্য আছে । যাইহোক ডক্টর কতগুলো টেস্ট দিয়েছে। সেসব টেস্ট করিয়ে ফেলো তাড়াতাড়ি। সব বিল দেওয়া আছে। টেস্ট করেই চলে আসো বাড়িতে। বাবা বেরিয়ে গেলেন। সাথে মাও। বাবা এমন করে বললেন যেন আমি কোথাও বেড়াতে গিয়েছিলাম। আবার ফিরে যাই যেন। আর সব বিল এডভ্যান্স দিয়ে দেবার কথাটাতেও আমার চরম অপমান হলো। এ অপমান আমার না। শুভ্রের জন্য অপমান। ওর মুখটা ছোট হয়ে গেছে।
শুভ্র কখনও কারো অপমান গায়ে মাখেনা ঠিকই কিন্তু বুঝতে তো পারে। নার্স এক গাদা অষুধ টষুধ নিয়ে রুমে ঢুকলো। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিলো শুভ্রের জন্য। ইচ্ছে করছিলো ওকে বুকে জড়ি্যে ধরি। ওর সব কষ্ট দুঃখ অপমান শুষে নেই যা বাবা আজ দিয়ে গেলো তাকে খুব অবলীলায় কয়েকটি মাত্র কথার ভেতরেই।

নার্সের কথায় ঘোর কাটলো। নার্স বললো, এখন রোগী সুস্থ্য আছে। বাড়ি নিয়ে যেতে পারেন। প্রেগনেন্সী টেস্ট দেওয়া হয়েছে। সম্ভবত উনি প্রেগনেন্ট। ভয়ের কিছু নেই। নার্সের কথা শুনে আমার মাথা লজ্জায় হেট হয়ে গেলো। শুভ্র বোকার মত হা করে তাকিয়ে ছিলো আমার মুখের দিকে। আমি বোকা বোকা মুখ করে বললাম, চলো বাসায় ফিরে যাই.....

মন্তব্য ৮০ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (৮০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২০

করুণাধারা বলেছেন: প্রথম লাইক। :)

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:২৩

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: ধন্যবাদ অসংখ্য। লেখার টাইম পাচ্ছিলাম না। আজ ভাবলাম যে করেই হোক অসম্ভবকে সম্ভব করবোই।

২| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: গল্পের মধ্যে মা হাসান, মিররডল, ঢুকিচেপা কিভাবে আসলো বুঝলাম না। তবে কি গল্পের নায়িকা আর গল্পের লেখক একই ব্যক্তি! আল্লাহ মালুম! :) বেকার জামাইকে দিয়ে সব কিছুই করিয়ে নেয়া হল চুল বাধা সহ। নায়িকার মাঝে মাঝে পা ব্যথা করতে পারে তখন পা টিপিয়ে নিতে দ্বিধা করবেন না। জামাইরা ভালো পা টিপতে পারে। ভেগাবনড শব্দটার প্রয়োগ যথার্থ হয়েছে। নায়িকার মুখ থেকে হলে আরও ভালো হতো। নায়িকারা মাছ ছাড়া আর কিছু কি খায় না নাকি। তিন জায়গাতে শুধু মাছ অন্য কোনও খাবারের নাম গন্ধ নাই। বেচারা শুভ্র হসপিটালের বিলটাও শ্বশুরকে যদি দিতে হয় তাহলে তো কচু গাছে ঝুলে আত্মহত্যা করা উচিত। নায়িকার যে নাজুক অবস্থা শুরুতেই এই দশা বাকি কয়েক মাস শুভ্রের যে কি দশা হয় কে জানে। :)

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০৪

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা হা সাড়ে চুয়াত্তর ভাই। এই গল্প লিখতে গিয়ে যত হেসেছি। সারাজীবনের কোনো লেখায় এত হেসেছি কিনা সন্দেহ। আসলে গল্প লিখতে গিয়ে না মানে লেখার পরে কমেন্ট পড়তে গিয়ে। গল্পের মধ্যে মা হাসানভাই ঢুকিচেপা আপুরা আসছেন কারণ তারা এতই মনোযোগী পাঠক খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দোষ ধরে ফেলে। আপনি তো আরও এক কাঁঠি উপরে। কোনো কিছু কি আর ভুল করে মুখ ফসকে স্যরি হাত ফসকেও লেখার জো আছে। আপনি না বাড়ি ভাড়া না লিখে দাম লিখে ফেলায় ধরলেন সেদিন? চুয়াত্তরভাই। নিভৃত নীরজনে লিখতে চেয়েছিলাম। এখন তো ভয়ে ভয়ে লিখি কখন কোথায় ধরা খাই।

এমনিতেই চারিদিকে কাক চিল উড়ে বেড়ায় আর কা কা করে। এইগুলারে ঢিল মেরে মেরে কত আর লেখা যায় বলেন। তবুও পণ করেছি না লিখে থামছি না।
আর আপনার আজকের এই কমেন্টের প্রতিটা লাইন পড়ে এমনই হাসি উঠেছিলো যে পানি খেতে গিয়েও বিষম উঠে মরো মরো অবস্থা। বেকার জামাইকে দিয়ে চুল বাঁধানো লিখেছি। পা টেপানোর কথা লিখতে গিয়েও লিখলাম না আর কি।তবে কেমনে বুঝলেন নায়িকার একদিন বেষম পা ব্যথা ছিলো। ঘুমাতেই পারছিলো না? কিন্তু জামাইরা ভালো পা টিপে জানলেন কেমনে? কি ব্যপার চুয়াত্তর ভাই? তবে কি আপনিও ভাবীর পা টিপে এই উপাধী অর্জন করেছেন? দুষ্টামী করলাম। ছোটবোন হিসাবে আগেই মাফ চাই।
ভেগাবন্ড শুনে আপনি খুশী হবেন আগেই জানতাম। বিশ্বাস করেন লিখেও দিতে চেয়েছিলাম। আর এত বার মাছ মাছ লেখাটা দেখেও যে কেউ না কেউ ভাববেই এরা কি মাছ ছাড়া কিছু খায় না নাকি?

আর কচু গাছে ফাঁসি শুনে হাসি তো বেড়ে গেলো সাথে মনে পড়ে গেলো লরুজনের দেওয়া সেই ছবিটার কথাও। এর পরের পোস্টে সেই ছবিটাই লাগিয়ে দেবো। হা হা

৩| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫২

খায়রুল আহসান বলেছেন: পুরো গল্পটা খুব সুন্দর! + +
ছোট ছোট কিছু অনুভূতির কথা বড় চমৎকারভাবে ব্যক্ত হয়েছে।
বেণীবাঁধন পর্বটা বেশ ইন্টারেস্টিং এ্যান্ড টাচী, সুইট তো বটেই।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০৭

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: খায়রুলভাই। অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে নীচের মন্তব্যগুলো পড়ে দেখেন। বিশেষ করে রাজীবভায়ের মন্তব্য আমি হাসতে হাসতে আজ মরেই যাবো মনে হয়।

৪| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: মনে মনে আপনার এই পোষ্টেরই অপেক্ষায় ছিলাম আমি।

গরম গরম খিচুড়ি আমার খুব পছন্দ। তবে সাথে শুধু বেগুন ভাজা হলে আমার পোষাবে না। আরো অনেক কিছু লাগবে। ছোটবেলা বিটিভিতে সিনেমা দেখে শিখে ফেলেছি, বিয়ে রপর বমি মানে বাচ্চা হবে। হে হে----
তবে বমিটা আপনি ঘরে না করে বেসিনে বা ওয়াশরুমে গিয়ে করতে পারতেন। তাহলে এত ঝামেলা হতো না। যেহেতু বমি করে ফেলেছেন, স্বামী পরিস্কার করবে। এটাই স্বাভাবিক। যাকে ভালোবাসা যায় তার বমি পরিস্কার করতে সমস্যা কি? আপনার স্বামী বমি করলে আপনি কি পরিস্কার করতেন না?
পেটে বাচ্চা এলে মহিলারা নানান রকম গন্ধ পায় এটা স্বাভাবিক। তবে ঠিক করে রান্নাআ করতে পারলে কোনো গন্ধই থাকে না।

মেয়েদের এই ন্যাকামিটা বিছছিরি লাগে। মাছ খেতে পারবে কিন্তু কাটতে পারবে না। মাছ কাটতে না পারলে বিয়ে করার দরকার কি? বিয়ের আগেই তো সব শিখে নেওয়া দরকার। কে কি ভাববে তা বাদ দেন। নিজের সংসার। নিজের সংসারের কাজ নিজে করাই ভালো। ফ্রিজ নাই, পাশের বাসার ফ্রিজে রাখলেই তো হয়। চুল বেনী করার দরকার কি? কোনো ক্লিপ দিয়ে আটকে রাখলেই তো হয়।

সকালে বাসায় নাস্তার ঝামেলায় যাওয়ার দরকার কি? হোটেল থেকে কিনে আণলেই তো হয়।
আসলে স্ত্রী লোক পোয়তি হলে হুটহাট নানান কিছু খেতে ইচ্ছা করে। গুড় মুড়ি তো অতি সামান্য।


শুভ্র একদিন পালাবে। এই আমি বলে রাখলাম।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:২৫

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: রাজীবভাই কমেন্ট পড়ে এতই হেসেছি যে উত্তর দিতে খানিক দেরী হলো। আপনার বদনাম শুনেছি আপনি পোস্ট না পড়েই কমেন্ট দেন গড়পরতা। কিন্তু সেই দোষ ঘুচে যাচ্ছে আমার গল্পে। আপনি খুঁটিয়ে পড়ছেন এবং অপেক্ষাতেও ছিলেন। আপনাকে সালাম। আর কৃতজ্ঞতা আমি আপনাকে পোস্টে ধরে রাখতে পেরেছি মন দিয়ে পড়াতেও পেরেছি। তাই নিজেকে ধন্য মনে করছি।
খিঁচুড়ির সাথে সবচেয়ে মজার হাঁসের মাংস। নারকেল দুধে রাঁধতে হয়। যাইহোক

তবে বমিটা আপনি ঘরে না করে বেসিনে বা ওয়াশরুমে গিয়ে করতে পারতেন। তাহলে এত ঝামেলা হতো না। যেহেতু বমি করে ফেলেছেন, স্বামী পরিস্কার করবে। এটাই স্বাভাবিক। যাকে ভালোবাসা যায় তার বমি পরিস্কার করতে সমস্যা কি? আপনার স্বামী বমি করলে আপনি কি পরিস্কার করতেন না?

হা হা হা এই মন্তব্যে আবার হাসি উঠলো আমার। বেসিন বা ওয়াশরুমেই সবাই বমি করবে। এটাই স্বাভাবিক। তবে নায়িকা সেই পর্যন্ত যাবার আগেই বমিটা করে ফেলেছিলো আমি সেটাই বুঝিয়েছি কিন্তু আপনি যেই উপদেশ দিলেন সেটা পড়ে হাসতে হাসতে মরেছি।

পেটে বাচ্চা এলে মহিলারা নানান রকম গন্ধ পায় এটা স্বাভাবিক। তবে ঠিক করে রান্নাআ করতে পারলে কোনো গন্ধই থাকে না।

এইটা কিন্তু ভুল বলছেন। ঠিকমত রান্না কেনো মুঘল রাজপ্রাসাদ থেকে কাচ্চি এনে দিলেো তখন গন্ধ লাগতে পারে। এই কমেন্টের উত্তর দেবার আগে তাই ডঃ মালিহা চৌধুরীকে ফোন দিয়ে কনফার্ম হয়ে নিলাম। :)

মেয়েদের এই ন্যাকামিটা বিছছিরি লাগে। মাছ খেতে পারবে কিন্তু কাটতে পারবে না। মাছ কাটতে না পারলে বিয়ে করার দরকার কি? বিয়ের আগেই তো সব শিখে নেওয়া দরকার।

বিয়ে করতে গেলে মাছ কাটা শিখতে হবে? হা হা হা হা সুরভীভাবী বুঝি মাছ কাটার পরীক্ষা দিয়ে এসেছিলেন। নাহ হাসতে হাসতে মরে যাবার আগে একটু রেস্ট নিয়ে এসে বাকী উত্তর।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩০

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হ্যাঁ পাশের বাসার ফ্রিজে রাখলেও হত। কিন্তু তুচ্ছ মাছ আবার সেই বাসার ফ্রিজে রাখতে চাওয়ার চাইতে খেতে দিয়ে দেওয়ায় শ্রেয় মনে হলো।

চুল তো ক্লিপ দিয়ে অবশ্যই আটকানো যাবে কিন্তু নায়িকার সেই অভ্যাসটা ছিলো টাইট করে বেনী বাঁধতেই হবে। নইলে ঘুম আসবেনা। কিন্তু সেদিন ঝেলঝেলে বেনী নিয়েই ঘুমাতে হলো চুয়াত্তর ভায়ের ভেগাবন্ডটার কল্যানে।

সকালে বাসায় নাস্তার ঝামেলায় যাওয়ার দরকার কি? হোটেল থেকে কিনে আণলেই তো হয়।
আসলে স্ত্রী লোক পোয়তি হলে হুটহাট নানান কিছু খেতে ইচ্ছা করে। গুড় মুড়ি তো অতি সামান্য।


এতক্ষনে ঠিক কথা বললেন। এখন এটাও ঠিক নাকি দেখা যাক।
শুভ্র একদিন পালাবে। এই আমি বলে রাখলাম।
হা হা হা

৫| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫৯

শেরজা তপন বলেছেন: এই পর্বটাও আগের পর্বগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে ভাল লেগেছে। কাহিনী কার তা নিণেই আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই :)

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৩

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হ্যাঁ আপনার নেই কিন্তু একজন তার নানা নিকে এসে মাথা ব্যাথা দেখিয়ে যাচ্ছে। অচিরেই তাকে মাথার ডক্টরের কাছে যেতে হবে।

প্রত্যয় মানসিক রোগীদের হসপিটাল। আগেই নামটা বলে রাখলাম তার জন্য।

অসংখ্য ধন্যবাদ তপনভাই।

৬| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:১৮

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আজকে আগের সবগুলো পর্ব পড়া শেষ করলাম।

কি অত্যাশ্চর্য ঘটনা। আজকে আমি ডিমভাজা, বেগুনভাজা আর খিচুড়ি দিয়ে ডিনার করবো! ওয়াও! হোয়াট এ্য কোইন্সিডেন্স!!

যাকগে, গল্প ভালো এগুচ্ছে। প্রেগনেন্সী টেস্ট করতে এতো দেরী করার কারন বুঝলাম না। বাঙ্গালীর এই এক দোষ.......ভজঘট না করে কোন কিছু করতে পারে না। এ‘জন্যেই বলা হয়, সময়ের এক ফোড়.............!!

নতুন অতিথি আসা উপলক্ষ্যে আমার পছন্দের একটা গান দিলাম। আশাকরি ভালো লাগবে। :P view this link

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৫

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হ্যাঁ তাই জেনেই তো এই পর্বে খিঁচুড়ি ডিমভাজার কথাটা আনলাম মফিজভাই। আর অসময়ের দশ ফোড়ের জন্য অপেক্ষা করেন। আসছে।

গানটা শুনে আসি। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৪৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: Click This Link

আমার আজকের প্রিয় গান

৭| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩১

রাজীব নুর বলেছেন: আমাকে সালাম দেওয়ার দরকার নাই।
একটা বার্গার আর কোক খাইয়ে দিলেই হবে।

আমি সুরভিকে কোনো প্রকার কষ্ট দেই না। আমি বাজার থেকে মাছ কেটে আনি। কোনো কারনে মাছ না কাটতে পারলেও সমস্যা নাই। বাসায় আমি দুটা বুয়া রেখেছি। সুরভি শুধু রান্না করে। কাটাকাটি সব বুয়াই করে দেয়।

আমি সবার পোষ্ট পড়ি। মন দিয়েই পড়ি। একটা ফালতু লেখাও আমি মন দিয়ে পড়ি। লেখা পড়েই আমি ব্লগারদের মানসিকতা বুঝতে চেষ্টা করি।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: আচ্ছা খাওয়ানো যাবে। কিন্তু বার্গার কোক এসব তো বাইরের খাবার। করোনায় কি এসব খানা ঠিক হবে?

আপনি মনে হয় বউ পাগলা আছেন। যদিও বউদেরকে কষ্ট দেওয়া একেবারেই ঠিক না।

ব্লগারদের মানসিকতা বুঝে কি হবে? একটা পোস্ট দেন কিছু শিখি কেমনে ব্লগারদের মানসিকতা বুঝা যায়।

৮| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৫৫

সাত ভাই চম্পা বলেছেন:
অনেকেই এই ব্লগে মাল্টিনিক এ আছেন এবং সেটা মন্দ
নয় আমরা উপভোগ করি ।
কিন্তু কবিতা পড়ার প্রহর = শায়মা এটা যখন উনাদের কনভার্সেশনে আমরা বুঝতে পেরেছি তো সেটাও একটা
মজার বিষয় আমরা ধরতে পেরেছি মাল্টি টা কার কি
মাল্টি নিক এতে এতো ক্ষিপ্ত ক্ষ্যাপা ক্ষেপী‍ কী আছে
এটা মজার চোর-পুলিশ খেলা ধরে নিলেই হ‍য়।
দয়া করে এটাকে কেউ ব্যক্তিগত আক্রমনাত্মক মূলক
মন্তব্যে হিসেবে দেখবেন না । আসুন সবাই মজা করে
ব্লগিং করি । হ্যাপি ব্লগিং ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:০২

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: এই মন্তব্য কি আপনি আমাকে করেছেন সাত ভাই চম্পা আপা/ ভাই?

মনে হচ্ছে আপনি লরুজনকে লিখতে গিয়ে এখানে করে ফেলেছেন।

কে ক্ষেপা ক্ষপী করলো ভাই?

কেউ তো এই ব্যপার নিয়ে পাত্তাই দিচ্ছে না আপনি হঠাৎ কই থেকে সেই তথ্য নিয়ে উদয় হলেন ভাইজান?

না ব্যক্তি আক্রমনমূলক মন্তব্য হিসাবে দেখি। ব্যাক্তি বিরক্তিকরমূলক হিসাবে দেখছি।

এক অর্থে আমি লরুর কাছে কৃতজ্ঞ। কেনো সেটা গল্প শেষে জানিয়ে দেবো। ততক্ষন অধৈর্য্য হয়েও ওয়েট করতে হবে ভাই। :)

৯| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:১৪

সাত ভাই চম্পা বলেছেন: এবং
এটা চাইলে ডিলিট করে দিতে পারেন । Sorry , আর আসছি না
আপনার চমৎকার গল্প কাহিনীতে ।
হ্যাপি ব্লগিং ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:১৯

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: না ডিলিট করবো না।


আর কি দিসেন দেখতেও পারছিনা।

তবে কি জানেন দু একদিন ধরে লরুজনের উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে সকলের পোস্টে গিয়ে বিরক্তিকর সব হতাশাগ্রস্থ কমেন্টে সকলে বিরকতি প্রকাশ করেছে নয়ত ইগনোর করেছে সেখানে ত্যাকে সমর্থন দেওয়া একটা মাত্র মানুষ আপনাকেই মনে হয়েছে আমার। এটা ভুল ধারণা হতে পারে। কিন্তু মনের কথাটা অপকটে বললাম।
চমৎকার গল্প বলার জন্য ধন্যবাদ।
আপনিও ভালো থাকবেন।

১০| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:১৫

সাত ভাই চম্পা বলেছেন: এবং
এটা চাইলে ডিলিট করে দিতে পারেন । Sorry , আর আসছি না
আপনার চমৎকার গল্প কাহিনীতে ।
হ্যাপি ব্লগিং ।

১১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:১৯

শুভ_ঢাকা বলেছেন: মূল গল্পের মধ্যে হুট করে কিছু ব্লগারে মস্তিকে কি প্রশ্ন generate হতে পারে তা মনে করে, দুষ্টামির ছলে একটা সাফাই দেওয়া ও তাদের নাম উল্লেখ করায় গল্পের বুননকার্যের গুরুত্ব বা intensity কিছুটা খর্ব হল বলে কি আপনার মনে হয়।

আগেই বলেছি আমি পাঠ বিমুখ মানুষ। আমি যা বললাম তা ভুল হওয়াটাই স্বাভাবিক। কারণ এটা ব্লগ আর হয়ত ব্লগে তা উল্লেখ করা যেতেই পারে।

অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো কবিতা পড়ার প্রহর।

view this link

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:২৩

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা হুট করে এই প্রসঙ্গ আনাতে গল্পের বুনন যেমনই খর্ব হয় তেমনই আমার কাছে এবং যাদের কথা ভেবেছি তৎক্ষনাৎ মনে হওয়াটা আমার জন্য মজার এবং উপোযোগী মনে হয়েছে।

বিশেষ করে গল্পটা যেহেতু ব্লগে পোস্ট হচ্ছে এবং এই গল্পের পার্ট এখন শুধু গল্পের চরিত্রগুলোই নেই। প্রতিদিন নানা রকম মজাদার কমেন্টও আমাকে এই কাহিনী এগিয়ে নিয়ে যেতে বা পিছনের যেকোনো স্মৃতি মনে করে ফেলতে বুননে সাহায্য করছে।

শুভভাই। আপনার কথাও ভাবছিলাম। এই পোস্ট চোখে না পড়লে কাল বা পরশু আপনার বাড়ি গিয়ে বলে আসতাম। অনেক ভালো থাকবেন। পাঠ বিমুখ মানুষটিকেও আমার লেখা পড়াতে পেরেছি।

১২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:২০

সাত ভাই চম্পা বলেছেন:

এই ছবিটা যায়নি , জাস্ট এটার জন্যই আসা ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:২৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা তো এই ছবিতে কি হলো?

আর মন্তব্যেও কি হলো?

আমি কি এই মন্তব্য বা ছবির জন্য প্রভা হয়ে যাবো?


ভেরি ফানি ! সাতভাই চম্পা আপা বা ভাই সেদিন হয়েছে বাসি

যে যুগে পুরুষ দাস ছিলো নাকো নারীরা আছিলো দাসী।

তাও আবার ব্লগের নারীরা...... হা হা যে সে মানুষ নহে।


আবার কোনো ছবি পেলেও আসতে পারেন। নো প্রবলেম।

১৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩০

সাত ভাই চম্পা বলেছেন:

আমি চেয়েছিলাম উপরের দুটি মন্তব্য স্কিপ করে যেতে কিন্তু আপনি ভুলে গিয়েছেন বলে দিলাম।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩৪

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা সাত ভাই চম্পা ভাই আমি কি ভুলে গেছি না গেছি মনে করাতে এসেছেন?

ধন্যবাদ মনে করিয়ে দেবার জন্য।

আরও কিছু কি ভুলে গেছি?

ভেবে দেখেন তো আমার তরফ থেকে।

মনে করে বলে যাবেন।

আমি ধন্য হবো।

আসলেই মানুষের ভালোবাসায় আমি সিক্ত ও মুগ্ধ।
আপনার জন্য হলুদ গোলাপের শুভেচ্ছা।

১৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩৩

শুভ_ঢাকা বলেছেন: আমার ব্লগ বাড়িতে যাইবেন। হা হা হা হা......ও তো ফাঁকা ময়দান। ওটা ভরার যোগ্যতা আমার নাই। আমাকে পাঠক বলাটাও অতি উক্তি হবে। আমি ব্লগে আসি আমার মন মত কোন লেখা পেলে পড়ি। আর সেটাও খুব কমই পড়ি। এনি ওয়ে যথারীতি আজকের পর্বও বেশ ভাল হয়েছে। পরের পর্বের প্রতীক্ষায়......।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: শুভভাই। একটা পোস্ট রেখে দিয়েন। আমি যেন আমার পোস্ট লিখে আপনাকে সেখানে দাওয়াৎ জানিয়ে আসতে পারি। নইলে আকাশের ঠিকানায় কোথায় জানাবো? যদি আমার এমন একজন ভক্ত পাঠক হারাই এই গল্প শেষের আগেই তবে তো বড় দুঃখ পাবো।
অন্তত এই সিরিজটা শেষ হওয়া পর্যন্ত আমার সকল পাঠক এটা শেষ করুক এই আমার চাওয়া।

১৫| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: https://www.youtube.com/watch?v=CB8BC-fEWx4

শুভভাই আপনার জন্য। গান শুনেন....

১৬| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৪৫

শুভ_ঢাকা বলেছেন: অন্তত এই সিরিজটা শেষ হওয়া পর্যন্ত আমার সকল পাঠক এটা শেষ করুক এই আমার চাওয়া।

আপনার সহজাত লেখায় এক ধরনের সম্মোহনী ক্ষমতা আছে। আর এইখানেই ত ধরা খাইলাম। শেষ পর্যন্ত না পড়ে তো আমার নিষ্কৃতি নাই। আমার তাগিদেই আমি পড়বো।

আপনার সার্বিক কল্যাণ কামনা করি।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৫৪

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: শুভভাই। এই কমপ্লিমেন্ট কোথায় রাখবো বলেন।

অনেকবার অনেককেই বলতে শুনেছি আমি যখন কথা বলি তখন এক রকম শোনায় আর যখন গান গাই তখন আরেক রকম। সেই গান আবার স্টেজে গাওয়া গান না। যখন দু একজনের সামনে আর কি চোখ বুজে মন দিয়ে। তখন নাকি সেটা আমার গলা এটা বুঝাই যায় না। আমি জানি সেই কারণটা কারণ তখন আমি ডুব দেই। ডুব দিয়ে বা মন দিয়ে সব সময় সব কিছু আমি পারিনা।


অনেক সময় আমাদের চারিদিকে একটা জগৎ থাকে যার ভেতরে উঁকি দেওয়া হয় না বা যায় না। বিশেষ করে মেয়েরা সেই জগতে বসে লিখতেই পারে না। আমিও পারিনা। তবুও মাঝে মাঝে ডুব দিয়ে একটু দেখে নেই। এই আর কি।

অনেক ভালো থাকবেন। আপনার জন্যও অন্তর থেকে শুভকামনা।

১৭| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৪৫

সাত ভাই চম্পা বলেছেন:
একটা কথা আপনাকে না বলে পারছিনা ,
লাঠিয়ালের লাঠিতে ধরা যায় কিন্তু মুখ ওলার মুখে
ধরা যায় না ।

মনে হলো সেই ছোটবেলার মতো চোর-পুলিশ খেলা খেললাম অনেকদিন পর । আর আসছি না বাই বাই ।
এখোনো আসতাম না আপনি আসতে বলেছিলেন নির্দ্বিধায়
তাই এসেছি ।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৫৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: আমি আসতে বলিনি আপনাকে। বলেছি আবারও কোনো ছবি পেলে উপকারের ইচ্ছা হলে আসতে পারেন। যদিও আপনার উপকারে আমার কোনোই উপকার বা অপকার কিছুই হবেনা বোধ হচ্ছে।

লাঠিয়াক মুখওয়ালা এইসব কি হবিগঞ্জের গল্প নাকি ভাই? নাকি ময়মনসিংহের? যাক জানার দরকার নেই। মনে হচ্ছে কোনো খেত মার্কা গল্পের থিম হবে। সে যাইহোক বুড়াকালে অনেক সময়ই ছোটবেলার খেলা খেলে আনন্দ পাওয়া যায়। আপনিও পেয়েছেন।

আর আপনিও দেখছি আমার যাদুতে পড়লেন। বাই বাই যাই যাই করছেন সেই কখন থেকে। দরজা খোলাই আছে। কিন্তু বারবার ফিরে আসছেন।

আপনাকে কিছু খেতে দিতে পারবোনা ভাই।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:৩১

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: লরুজনের ব্যান একদম সিদ্ধ হয়ে গেছে-

১। সে মিররডল সোনাবীজ ভাইকে নিয়ে যাচ্ছেতাই মন্তব্য করছে যা বলার অধিকার তার কোনোভাবেই নেই। সে এই ব্লগ রুল নির্ধারক না। এবং মন গড়া অসত্য বলে যাচ্ছে। এবং একই সাথে সে নিক বিকৃত করে বালছাই লিখেছে। যেটা তার ইচ্ছাকৃত।

২। আমি কার মাল্টি এটা উদ্ধার করে সে যেন ব্লগের বিশাল লরুজন হোমস হয়ে পড়েছেন। এই আবিষ্কার সকলের পোস্টে গিয়ে ভ্যানভ্যান করেও তার লাভও হচ্ছে না শান্তিও না।


কাজেই তার মৃত্যু বা ব্যানডই একমাত্র শান্তির ফলাফল হবে।

এইভাবে ফ্লাডিং এবং একটার পর একটা নানা ব্লগারের নাম নিয়ে তার নিজের পোস্টে কুৎসা মূলক পোস্ট করা ব্লগ রুল বিরোধী। সে নিজে যা করছে তা না দেখে অন্যের বিরুদ্ধে বলছে। নিজেকে মহা পন্ডিৎ ভাবতে শুরু করলে যা হয় আর কি।

পিপিলিকার পাখা ওঠে মরিবার তরে।

অনেক সহ্য করা হয়েছে।

আর না

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:২২

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: যাক আপনি আজ ছোটবেলার মত চোর পুলিশ খেলে মজা পেয়েছেন। আমি অবশ্য ছোটবেলার খেলায় অংশ নিতে চাইছিলাম না। তবে পুলিশ পুলিশ শেষ পর্যন্ত খেলতেই হলো।


ছোটবেলার চোর পুলিশ আর বড় বেলার চোর পুলিশ এক নারে ভাই।

সেটাই প্রমানিত হলো।

১৮| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:৪২

শুভ_ঢাকা বলেছেন: আর না।

এই নামে দুই বাংলায়ই একটা ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।

আপনেও তাড়া করে যাবেন। ছেড়ে দেওয়ার পাত্রী না। এই যোশ কিন্তু বেশ ভালই লাগে।

"আর না" ক্যাম্পেইনের প্রতি আমার সমর্থন পেশ করছি।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:৪৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: আর না হ্যাঁ হয়ে গেছে শুভ ভাই।

ক্যাম্পেইন শুরু সাথে সাথেই লরুজন নাই হয়ে গেছে।

থ্যাংকস আ লট টু একটিভ মডারেটর।

১৯| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:৪২

ঢুকিচেপা বলেছেন: খিচুড়ির গন্ধে পড়তে এসে দেখি পঁচা মাছের গন্ধে ভরে গেছে।

জামাই বাবুর যতদিন কোন চাকরী না হয় ততদিন কিছু কোচিং করুক, যেমন-বাচ্চাকে কি ভাবে লালন পালন করতে হয়, বেনীটা কিভাবে বাঁধতে হয়, এই সব।
আর পা টেপা শেখার জন্য “ সাড়ে চুয়াত্তর কোচিং সেন্টারে” যেন অবশ্যই ভর্তি হয়।


গল্প খুব সুন্দর হয়েছে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:৪৭

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা হা হা ঢুকিচেপা আপু।

আমি কি আজ মরেই যাবো?
হাসতে হাসতে মরেছিলাম। তুমি আবার পা টেপা শিখতে কোথায় পাঠালে ?

২০| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:৪৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: অনেকদিন পর একটা অতি চমৎকার নতুন বাংলা গান শুনলাম। থ্যাঙ্কস। :)
গান শুনে মনটা জানি কেমন কেমন করছে! যাই.......খিচুড়ি খাই গে!!!

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১:৪৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা খিঁচুড়িটা কেমন ছিলো জানিয়ে যাবেন মফিজভাই।

২১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:২২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অসাধারণ অনুভূতির প্রকাশ

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:২৪

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: ধন্যবাদ নেওয়াজভাই।

২২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৪২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: অফলাইনে পড়ে অনলাইনে মন্তব্য কইরা থুইয়া গেলাম
প্লাস দিতেও ভুলছি না কিন্তু +

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:১৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: থ্যাংকস। সাথে আছেন সকল আপা তাতেই আমি খুশি।

মন্তব্য করলেন তাই বুঝতে পারলাম পড়েছেন।আর প্লাস দেখলেও বুঝে যাই অবশ্যি।

২৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:১৮

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: আপনার গল্পের প্লটটা ভালো হয়েছে। একটা মেয়ে ভালবাসার কারণে এত প্রতিকূলতাকে মোকাবেলা করছে এটা প্রশংসনীয়। স্বামী আর স্ত্রীর ভালবাসা এত গভীর যে শুভ্রর বেকারত্ব, নারীর প্রতি সমাজের সমালোচনা, স্ত্রীর শারীরিক কষ্ট এগুলিকে তারা অগ্রাহ্য করে তাদের দাম্পত্যের বন্ধনকে অটুট রেখেছে। একজন আদর্শ দম্পতির মধ্যে যেরকম ভালবাসা আর বন্ধন থাকা উচিত তা ই দেখানো হয়েছে গল্পে। আমাদের সমাজে এই ধরণের দম্পতিরা সাধারণত অনেক সামাজিক বিদ্রূপ ও অপমানের সম্মুখীন হয় ফলে প্রায়শই দেখা যায় সুন্দর একটা জুটি সমাজের কারণে আর এক থাকতে পারে না। আপনার এই গল্প হয়তো সমাজকে বার্তা দেবে যে সব কিছুর ঊর্ধ্বে ভালবাসা। ভালবাসা যে কোনও কঠিন সঙ্কটকে সফলভাবে মোকাবেলা করতে পারে। পরিবারে স্বামী আর স্ত্রীর সুন্দর বোঝাপরা থাকলে অনেক কঠিন সমস্যা মোকাবেলা করা যায়। আমাদের সমাজে দাম্পত্য সঙ্কট একটা সামাজিক সমস্যা হয়ে গেছে অনেক ক্ষেত্রে। এই পঙ্কিল সমাজের জন্য আপনার এই গল্পটা শিক্ষণীয় হতে পারে। আমার আত্মীয়ের মধ্যে আমি এক দম্পতিকে চিনি যাদের সাথে এই গল্পের কিছুটা মিল আছে। মেয়েটা ডাক্তার ও ভালো চাকরী করে। ছেলেটা কিছু করার চেষ্টা করছে কিন্তু বারবার ব্যর্থ হচ্ছে। কিন্তু এই জুটি তাদের ভালবাসার কারণে একটা সুন্দর পরিবার গড়ে তুলেছে। মেয়েটা আয় রোজগার করে আর ছেলেটা ঘর সামলায়। সমাজের পরওয়া না করে তারা নিজেদের মতো সুখে থাকার চেষ্টা করছে। আমাদের দেশে অনেক সময় সমাজের মানুষের আক্রমণ দাম্পত্য সম্পর্ককে চিড় ধরাতে সাহায্য করে। আপনার গল্প পুরোটা লেখা হয় নাই। আশা করবো আপনি একটা মিলনাত্মক ও সফল পরিসমাপ্তি ঘটাবেন যেন সেটা থেকে সমাজে একটা বার্তা যায়। আগের পোস্ট মজা করার জন্য দিয়েছিলাম। এবার একটু সিরিয়াস মন্তব্য করলাম। আশা করবো আপনিও কারও পরওয়া না করে ও প্রভাবিত না হয়ে নিজের মতো করে স্বাধীনভাবে লিখে যাবেন।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৫

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হ্যাঁ চুয়াত্তর ভাই জানি মজা করেই লিখেন আপনারা এসব কমেন্ট। কিন্তু আমি দারুন এনজয় করি কারণ বুঝতে পারি সবাই এনজয় করছে আমার লেখাটাও। চিলেকোঠার এই সংসারে যেন আপনারাও আছেন এমনই মনে হয় আমার। আর আমি গল্প শুনিয়ে যাচ্ছি।

হ্যাঁ গল্পটা একটু ব্যতিক্রমী। কারণ শুভ্র আসলে সেই ব্যতিক্রমী মানুষ। সে তার চাইতে বয়সে বড় কোনো মেয়েকে প্রেমিকা বা বিয়ে করতে দ্বিধা করেনি যা মেয়েটা হয়তো কখনও করতো না। মেয়েটা জব করে ছেলেটা না আমাদের সমাজে এমনটাও কম হয়। সংসারের বোঝা শুধু ছেলেদের ঘাড়েই। সে দায়িত্ব না নিতে পারলেই শেষ। কাজেই এই দুটি বৈষম্য ছাড়াও। মেয়েটা ধনীর দুলালী কিন্তু এডভেঞ্চারাস। তাই এক কাপড়ে রাজপ্রাসাদ ছেড়ে চিলেকোঠায় এসে উঠেছে।

প্রেম বা ভালোবাসা সব সময় স্বর্গীয়। সেই প্রেম ফুরিয়ে যাওয়া বা হারিয়ে যাওয়াও নরকীয়। তবুও আমরা এক জীবনেই এই স্বর্গ নরক দেখি।

২৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৭

ওমেরা বলেছেন: হায়রে আল্লাহ ! এই মেয়ে তো দেখি শুধু ভালোবাসতেই জানে তাছারা একেবারেই অকর্মার ঢেঁকি! :D
চুনোপুঁটি কাটতেও হাতে কাটা বিধেঁ —- B:-)

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৭

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা অর্কমা না তো। কত কিছু করছে কিন্তু মাছ কাটতে গেলেই গড়বড় লেগে যায় ওমেরা আপা। যাক আপনি আসছেন। যাই মিরর আপা পাগলা আপা আর রামিসা আপাকেও ডেকে নিয়ে আসি।

২৫| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১৪

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: নায়িকার মা-বাবার সাথে হাসপাতালে পরিচয় হওয়ার কৌশলটা আমার ভালো লেগেছে। একটা কথা খুবই ভালো লেগেছে যে, হাসপাতালের বিল নায়িকার বাবা অ্যাডভান্স পরিশোধ করায় শুভ্র'র জন্য এটা খুব অপমানকর, সেই জিনিসটা নায়িকার আঁতে খুব লেগেছে।

একেকটা পর্ব একেকটা ঘটনার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে, এটাও ভালো লেগেছে।

বার বার নায়িকা-নায়িকা করছি, ভালো লাগছে না। নায়িকার একটা নাম দিন - মাহরিন।

মাহরিন কি জনমেও মাছ খায় নি? এ যুগের পোলাপান মাছের নামই শুনতে পারে না, খাবে তো দূরের কথা। আমার বাসা তার জ্বলজ্যান্ত প্রমাণ। মনে হচ্ছে মাহরিনের ফুড-হ্যাবিটও তাই। বাসায় মাছ আনার কোনো দরকার ছিল না। একান্তই শখ হলে টুনা ফিশ খাওয়া যেতে পারে, আর বড়ো চিংড়ি (প্রন/লবস্টার)।

প্রেগন্যান্সি টেস্টে ভালো কিছু আসবে, এটাই প্রত্যাশা করছি (অন্যকিছু না হোক, গল্পে)।

পাশের পঁচা পুকুরের একটা উপকারিতা পাওয়া গেলো তাহলে - মাছ ফেলে দেয়া। এটা ডাস্টবিনেও ফেলা যায়, বিভিন্ন ড্রয়ারও এ কাজে ব্যবহার করা যায় (আমার ছোটো ছেলে এ কাজ করে)।

বাচ্চার নাম কী হবে? ছেলে হলে কী? মেয়ে হলে কী? এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো খুনসুটি নেই? আমার ধারণা, মাহরিনের শ্বশুর এ খবর জানা মাত্রই নাতি-নাতনির নাম রেখে ফেলবে। আমি নিজে এমনটা করবো :)

এ পর্বটাও জমজমাট হয়েছে।

প্রহরের জন্য শুভকামনা।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫৫

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হ্যাঁ সে তার বাবা মানুষকে কেমনে ছোট করে ভালোই জানে। আর ভালো কথা বলেছেন। নায়িকার নাম দেওয়া হলো মাহরিন। যাক নামটা পেয়ে বাঁচা গেলো।

আর বলেন না শুভ্র এক মাছ পাগলা মানুষ। শুধু মাছ খেতে চায়। বেটা কাটতে জানিস না এত মাছ খাওয়া কি? এরপর থেকে চিংড়ি প্রন লবস্টার আর টুনা আর সার্ডিনের টিন ছাড়া কিছুই কিনবো না।



আর ডাস্টবিনে ফেললেও তো গন্ধ দূর হত না বাসা থেকে আর ড্রয়ারটা সাফ করতো কে? আর রাজীব ভাই বলতো ড্রয়ারে কেনো? কমোডেও তো ফেলতে পারতেন। সব ভেবে শেষে দেখলাম ডোবাতেই ফেলা ভালো।

ঐ ডোবায় কিছু মাছও আছে।

মাছের তেলে মাছ ভাঁজবার মত মাছের খানা মাছই হোক।

বাচ্চার নাম কী হবে? ছেলে হলে কী? মেয়ে হলে কী? এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো খুনসুটি নেই? আমার ধারণা, মাহরিনের শ্বশুর এ খবর জানা মাত্রই নাতি-নাতনির নাম রেখে ফেলবে। আমি নিজে এমনটা করবো :)

স্বামী স্ত্রী তো এখনও জানেই না। জানার পরে না হয় খুনসুটি। হা হা

২৬| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমার তো বাইরে খাবার খাওয়া নিষেধ। আমি চুপি চুপি নিয়মিত বাইরে খাচ্ছি। আজ বিকেলে নাস্তা খাবো বাইরে। কেএফসিতে। চিকেন ফ্রাই।

ব্লগারদের মানসিকতা আপনার বুঝার দরকার নাই। আপনি সহ্য করতে পারবেন না।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫৭

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: কে বলেছে পারবো না?

সাতভাই চম্পা ভাই কতভাবে কতরুপে আমাকে কত কিছু বুঝাবার চেষ্টা করলেন। আমার কিছু এলো গেলো?

কিছুই না। ব্লগারদের মানসিকতা আমি সহ্য করতে পারবোনা কথাটা ভুল বরং যারা ওমন মানসিকতার তারা বুঝবে মানসিকতা কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি।

আমাকে দেখেই তারাও শিখুক।

২৭| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৩৩

আমি সাজিদ বলেছেন: শুভ্র বোকা কিসিমের লোক।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৫৯

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: সোজা ভাষায় বলা যায় শুভ্র এক গভীর জলের মাছ। প্রথমে দেখলে মানুষ ভুল বুঝবে। ভাববে সহজ সরল সোজা কিসিম। আসলে গভীর জলে সাতার কাটাটা পরে বুঝা যায়। কিছুদিন মিশলে।

২৮| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:২২

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: ধন্যবাদ প্রহর বহিন ,অবশেষে পাইলাম B-)) তাহাকে পাইলাম ।(তা অপুর মৃন্ময়ীকে পাওয়া নয়, তা প্রহর বহিনের চিলেকোটার প্রেমের -৯ নং পর্ব পাওয়া )

এত অপেক্ষার পর যা পাইলাম তাতে ভাল কিছু পাইলাম না এটাই যন্ত্রণাদায়ক ।তার পরেও যা পাইছি তাই সই।পিরিতের বিয়া,না মাইনা যামু কই।

শুভ্র বেডা যদিও কোন কামের না তার পরেও আকামডা এত তাড়াতাড়ি ঠিকই করতে পারছে । এত কিছুর পরও বিয়া করছে মাইনা লইছি কিন্তু এই পর্বে বহুত মেজাজ খারাপ অইতাছে শুভ্র বাবুর লগে। তা ব্যাপারে সবার পরে কমুনে।
তার আগে বাকী বিষয়ে বলি -

গরম খিচুরী সাথে এক চামচ ঘি আর বেগুন ভাজা এ খুবই সাধারন খাবার।বউয়ের এ ছুড ইচছা বেডায় পুরা করতে না পারার কি কারন? বেডারে কইলে কি বাজার থেকে আনতে পারতনা ? নাকি বেডায় সিড়ি দিয়া নামতে ডরায় না পকেট গড়ের মাঠ বেডার?পুরা বাদাইমমা মনে লয় হেরে।আকামডা :P কিন্তু ঠিকই করতে পারছে।

বউয়ের বমি সাফ ,এ পূন্যের কাম জামাইয়ের। এ সৌভাগ্য সবার হয়না।এ তার কর্তব্য কর্মের স্বীকৃতি । আর আপনার এতে লজ্জা পাবার কোন কারন নেই।ত্যাগ ও সমঝোতা পারিবারিক জীবনে সাফল্যের মূল তত্ত্ব।আর তা ত মানতেই হবে শুভ্র বাুবকে এবং নিতে হবে যথাযথ পদক্ষেপ যথাসময়ে ।

মাছ কাটা আসলেই একটু কঠিন কাজ শুরুতে।যদি জানা থাকে এবং ছাই দিয়ে ধরতে পারলে ঠিকই মাছ কাইত অই (কাটা) যায়। না হলে হাতে কাটা ফুটা,বটি / দা দিয়ে হাত কেটে ফেলা সহ নানা রকম দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে আর খাবার সময় গলায় কাটা আটকাবার কথা বাদই দিলাম।

আর আশেপাশের খালা-মামীরা বরাবরই একটু মায়াময় হয় ।খালা কি পরে মাছের চচছরি দিয়েছিল না নিজেই হাপিস করে দিল :-B - জানবার মুনচায়।

শুভ খবর টা এইভাবে লিক হওয়া ভাল অইলনা। কেমনে কি অইল বুঝবার আগেই বেহুশ।একটা ভাল সিচুয়েশন তৈরী করে দেয়া যেত।

যাক খারাপের ভাল হিসাবে মা-বাবা যে মাইয়ারে দেকবার আইচে এইডাই শুকরিয়া।বাবার রাগ ঠিকই আছে ।বাবা হ্য়ত ভাবতেছে ভাদাইম্যায় আর কিছু পারুক না পারুক আকামডা ঠিকই পারছে (করছে) ।আর বাবা হাসপাতালের সব খরছ অগ্রিম দিয়ে মহানুভবতার ই পরিচয় দিয়েছে।কারন বাবা ,বাবাই (শুভ্র বেডার মুখটা দেখলেন আর বাবার মনডা দেখলেন না.শুভ্র র খুশি হওয়া উচিত বর্তমান যুগেও এমন শ্বশুর পাবার জন্য যে কিনা তার বউয়ের হাসপাতালের খরচ দেয় তাও কিনা বাচচা হবে তার বউয়ের এ জন্য)। সব বাবারাই তাদের রাজ্য না থাকলেও নিজের মেয়েদেরকে রাজকন্যা হিসাবেই দেখে থাকে।পিছনে বাবারা যত রাগই করুক, মেয়েরা বাবার সামনে এসে দাড়ালে সব রাগ নিমিষেই শেস।আর মায়ের কথা কি বলব।মায়ের রাগ যাই থাকুক এরকম সময়ে মামতাময়ী ( সব মা নয়।কিছু মা রিনা খানের মত । তারা বাদে ) মায়েরা তাদের আদরের মেয়ের সব ভূল ক্ষমা করে তাকে আপন করে নেন।মা এই সময় অযাচিত সাহায্য,সাহচর্য প্রদান করেন তার নাড়ীছেড়া ধনকে মনের
ব্যথা চাপা দিয়ে।এটাই মায়েদের প্রকৃত আচরন।

সবশেষে শুভ্র বেডার কথা কি কমু ।রাগে মাথার চুল ছিড়তে ইচছা করছে।এত আকাইমমা X( এত ভাদাইমমা কেরে।তার ত বিয়া করা উচিত হয় নাই ।
অভাব থাকবেই।যেহেতু এখনো কোন চাকুরী করেনা।তাই বলে একজন শিক্ষিত ব্যক্তি (যদিও এই ক্ষেএে উভয়েই শিক্ষিত এবং সমান দায়ী তবুও পুরুষ হিসাবে তাকেই দায়িত্বজ্ঞানের বেশী পরিচয় দেয়া উচিত ছিল ) হিসাবে নূন্যতম পরিবার পরিকল্পনা থাকবেনা এটা মেনে নেয়া যায়না।একেত বেকার থাকা অবস্থায় বিয়ে করেছে তারপরেও আবার বাচচা পয়দা করে ফেলছে ,মহান পুরুষ উনি যার সংসারের কোন দায়িত্ব নেই ,ভবিষ্যতের চিন্তা নেই ,হাসপাতালের খরচ পকেটে নেই এবং বাচচাকে নিয়ে কোন সুখ স্বপ্ন নেই। আর এসবের মাঝে থেকে আর একটা নতুন জীবন নিয়ে আসছে তাকে বিপদে ফেলার জন্য। এটা সম্পূর্ণ দায়িত্বজ্ঞানহীনতাপূর্ণ কাজ। এর ফলে বাকী জীবনে হ্য়ত উভয়েই নানারকম অপ্রীতিকর অবস্থার মুখোমুখী হতে হবে। আর এ সব টানপোড়নের মাঝে আমি ভয় পাচছি চিলেকোটার প্রেম এবার জানালা দিয়ে পালায় কিনা । ৯ম পর্বে এসেও শুভ্র বেডার মেরুদন্ড নামক জিনিষটা কোথাও না পেয়ে আমি ব্যথিত। এ জাতীয় ছেলেরা প্রেমিক হিসাবে হয়ত ঠিক আছে কিন্তু স্বামী হিসাবে একেবারেই অগ্রহনযোগ্য।
এর পরের পর্বে শুভ্র বেডারে আরএকটু দায়িত্বশীল হিসাবে উপস্থাপন করার বিষয়টা বিবেচনার অনুরোধ রইল।কারন এর পর উনি আর বাবু থাকবেন না ।বাবুর বাপ অই যাইবেন।মোট কথা ,আমি সত্যি সত্যিই খুব অসন্তুষ্ট শুভ্রের প্রতি তার এমন দূর্বল চারিত্রিক অবস্থার জন্য।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকাল ৫:৪৩

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা এত বড় কমেন্টটা তড়িঘড়ি পড়তে হলো। মিটিং আছে ঠিক ছ টায়। যাইহোক হাসতে হাসতে মরে গেছি। এই গল্প লিখে মনে হয় হাসতে হাসতেই আমার মরণ হবে।

পরে আসছি ফ্রি হয়ে।

২৯| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৫

মিরোরডডল বলেছেন:



আপু অফলাইনে তোমার এই লেখা পড়েছিলাম । তখন থেকেই মাথায় ঘুরছে গরম গরম খিচুড়ি । তাই রান্নাও করলাম কালিজিরা পোলাও চাল আর মুগডালের ভুনাখিচুড়ি, ডিমভাঁজা আর চিকেন । তোমাকে থ্যাংকস !

শুভ্র বমি ক্লিন করেছে ঠিকই আছে । এটুকুও যদি না করে তাহলে কিভাবে হবে । মেয়েরা রোম্যান্টিক পার্টনার লাইক করে অফকোর্স কিন্তু ইররেস্পন্সিবল না । এই গল্পে শুভ্রের রোলটা আমার পছন্দ না, সে যত রোম্যান্টিক হোকনা কেনো । এ ম্যান হ্যাজ টু বি ম্যানলি । সেই পারসোনালিটি এখানে মিসিং আছে ।

ইউ আর রাইট আপু , কাঁচা মাছ ধরে কখনও কাটিনি, সো নো আইডিয়া । কিন্তু আমি মাছ রান্না করতে পারি । ফিস ফিলেট, অথবা ছোট মাছ, প্রন এগুলো সবই পারি যেটা কাটাবাছা করে রেডি থাকে ।

যেহেতু মাছের স্মেলে তার প্রবলেম হচ্ছে, তারপরও এসময় মাছই কেনো রান্না করতে হবে, কয়টা দিন মাছ না খেলে কি হয় !
বেণী বাঁধার অংশটা খুবই কিউট , ভালো লেগেছে :)

ফাইনালি বাবা মা এসেছে যেটা ভালো লাগলো কিন্তু বাবার এভাবে বিল দেয়া আর শুভ্রকে ইগ্নর করা এই ঘটনায় আমার ব্রহ্মতালু আগুন হয়ে গেছে X(( শুভ্রটা কি ? দাড়িয়ে দাড়িয়ে হজম করলো । বাবাকে সে কেনো এই সুযোগ দিলো বিল দেবার , তার আগেই সে কেনো মিটিয়ে দিয়ে আসলো না । যদি মেয়ের বাবার সাথে সুসম্পর্ক থাকতো, then it’s a different story. বাবা দিতেই পারেন । কিন্তু যেহেতু সেটা নেই, সেক্ষেত্রে মাস্ট তার বিল দেয়া উচিৎ ছিলো ।
শুভ্র অপমান গায়ে মাখেনা, এ কেমন কথা !!! :|

প্রেগন্যান্সি টেস্ট দিয়েছে শুনে বোকার মতো না তাকিয়ে বৌকেতো একটু কাছে নিয়ে আদর করতে পারতো । কি যে করে এই শুভ্রটা বুঝিনা :(

এখন আগামী পর্বে টেস্টের রিপোর্ট কি হবে এটা দেখা যাক । হয়তো প্রেগন্যান্ট না , অন্যকিছু হয়েছে ,
বড় ধরণের কোনও অসুখ যেটা গল্পকে অন্যদিকে নিয়ে যাবে । হতে পারে একটা টুইস্ট :P

যাইহোক আপুটা, তোমার এই লেখাটা বরাবরের মতোই অনেক ভালো লেগেছে । খুব সুন্দর লেখো তুমি ।



২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৫৯

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: মিররআপা আমি গল্প লিখছি তোমরা মজা পাচ্ছো কিন্তু তোমাদের কমেন্টগুলো পড়ে আমার হাসতে হাসতে দম বন্ধ হয়ে যায়। পারলে তো শুভ্রকে কিলিয়ে কাঁঠাল পাকাতে। যাই হোক একটু ফ্রি হয়ে আসছি এই কমেন্টের উত্তর দিতে।

৩০| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৯

জুন বলেছেন: পড়ছি সেই প্রথম থেকেই আর বারে বারেই নাকে হাউ মাউ খাউ অপ্সরার গন্ধ পাউ লাগছিলো :P
যাই হোক চিলেকোঠা থেকে নায়ক নায়িকার প্রমোশন দেখে ভালোই লাগলো কবিতা পড়ার প্রহর ;)
ছেলে হোক আর মেয়েই হোক সুস্থ একটা বাবু হোক এই দোয়া করি :)
+

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৫

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: সবার কমেন্ট পড়ছি আর হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাচ্ছে।
দেখি বাবুটাকে কেমনে আনা যায়।

৩১| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৫

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাব্বাহ এ মেয়ে তো ভীষণ চাপা স্বভাবের !!!
কিভাবে পারলো না বলে থাকতে ? দারুণ এগুচ্ছে কিন্তু।

জুন আপুর মন্তব্যে ভালোলাগা :)

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৭

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা তাই তো ভাবছি আমিও । কিভাবে?
পড়ার জন্য ধন্যবাদ অসংখ্য।

৩২| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩১

আমি সাজিদ বলেছেন: কিছু বাজে কমেন্ট বাদ দিয়ে ব্লগারদের কমেন্টগুলো বেশ এঞ্জয় করেছি। একটা পর্বে শুভ্রকে অপমান করলে বেশী মজা পাবো।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: ব্লগারদের মন্তব্যগুলো দিয়ে আরেকটা গল্প লেখা যাবে।

৩৩| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। সবার মন্তব্য গুলো পড়তে। কেমকি মন্তব্য করছে সেটা জানার দরকার আছে।

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:০১

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা আপনি হুমায়ুন আহমেদের মামার স্টাইলে কথা বলেন রাজীবভাই।
আপনার আর আরও কিছু ব্লগারের উত্তর বিস্তারিত পরে দেবো। এখন সময় সংকটে আছি।

৩৪| ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:০৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন:
বেশ চলতে থাকুক।
ভালো লিখেছেন।
শুভকামনা রইলো।

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:৩৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ পদাতিক ভাই।

৩৫| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ২:৩৪

আনমোনা বলেছেন: এইতো শুভ্রকে চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি। শুধু আমি না, সবাই মনে হয় দেখতে পাচ্ছে, নইলে বেচারা এতো গালাগাল খায়? মিররডডল বলেছেন 'ইররেস্পন্সিবল ', মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন 'দায়িত্বজ্ঞানহীন', আরো কত কি।
বেচারা কোথায় আগেভাগে বউকে ডাক্তারের কাছে নিবে, তানা অযথা দেরী করে শেষমেষ ক্লিনিক! তাও শ্বশুরমশাই বিল দিয়ে দিলো। অবশ্যএই ফাকে শ্বশুর শ্বাশুরীর সাথে দেখা হয়ে গেল।
আর আমাদের কন্যাটিও একেবারে সর্বংসহা। নইলে এই অবস্থায় কেউ মাছ কুটতে বসে? শুভ্রকে বললেই হতো মাছ কুটে দিতে। বিয়ের আগে ছেলেদেরও মাছ কুটা শিখতে হয়।

ছাই ভাই নায়িকার নাম দিতে বলেছে, একমত। তবে এখানে নায়িকার নাম কবিতা হলেই ভালো মানায়।

০১ লা অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:০২

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা শুভ্রের জন্য কিন্তু আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে। শুভ্র একেবারেই আলাদা রকম একজন মানুষ যাকে ধরা ছো্ঁয়াই যায় না। তাকে বুঝতে পারাও খুব সহজ নয়। আর তাই তো এত কিছু।
হ্যাঁ দায়িত্বজ্ঞানহীনতার অপবাদ তার আছে।

বেচারা তো জানতো না বউকে হসপিটাল নিতে হবে। শ্বশুরমশাই না দিলে তো তার কিছুই করার ছিলো না শ্বশুরের মেয়েকেই দিতে হত। সে তো আর জব করে না। কাজেই প্রবলেম কি?

হা হা তাই তো সে ভেবেছিলো লেখাপড়া জানা নেই শোনা নেই একেবারেই অজ্ঞবিদ্যা মানুষজনও যদি এই মাছ কাততে পারে সে কেনো পারবেনা? কিন্তু বুঝে নাই সব বিদ্যাই সব বিদ্যা নয় হা হা । হ্যাঁ বেটাকে দিয়ে মাছ মাংস সব কাটাতে হবে।

ওকে কবিতা। নাকি মাহরিন। যাই লটারী করি। কে জিতে কে হারে......

৩৬| ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:২৮

শায়মা বলেছেন: সবার মন্তব্য পড়ে না আমিও মজা পেলাম!!! :P

০১ লা অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:০৩

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: আমিও পাচ্ছি।

৩৭| ০১ লা অক্টোবর, ২০২০ রাত ১২:২৫

শুভ_ঢাকা বলেছেন: "আর না" মুভমেন্ট।

লরুজন বধ!

Mission accomplished. :D

ব্লগ এখন কাম এন্ড কোয়াঅ্যাট। সুনসান। মুঝে লাগতে হ্যাঁয় কই ম্যার গিয়্যা। :P

লরুজন মাত্রাতিরিক্ত করেছেন। X((

তবে ছোট খাটে খুনসুটি। কিচিৎ তর্ক বিতর্ক। সমালোচনা কিন্তু খারাপ লাগে না। ইন্টারটেনিং! :)

এনি ওয়ে লেখিকা অখণ্ড মনোযোগ নিয়ে শান্তিতে লেখালেখি করুন। :)

০১ লা অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:০৭

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: সেই তো।

আর না। উচ্চারণেই সাথে সাথেই গরুজল বধ।

হ্যাঁ শুনশান হলে কি আর ভালো লাগে? তাই তো তার মু মু হাম্বা হাম্বা সবই শুনছিলাম । মজাও পাচ্ছিলাম।

কিন্তু এমনই বেড়ে গেলো। ভাবলো গরু থেকে হাতী হয়ে উঠেছেন। না না সিংহ।

ময়ুরপুচ্ছ পড়লে কি আর কাক ময়ুর হয় নাকি সিংহের ছাল পরে তর্জন গর্জন করলে গরু সিংহ হয়?


যাইহোক এখন মনোযোগ দিয়ে লিখবো । কিন্তু লরুজনের প্রতি থাকবে আমার কৃতজ্ঞতা। কেনো সেটা পরে বলবো।

৩৮| ০১ লা অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৫০

করুণাধারা বলেছেন: গল্প পড়লাম, কিন্তু মন্তব্যে এসে পুরোই সরকার জলসা...

আমার মায়ের দুই সহকারিনী সারাদিন সিরিয়াল দেখতো, আর ক্রমাগত মতামত দিয়ে যেত, যেমন "এই, এখন ওখানে যাবিনা, গেলেই বিপদ..." অথবা "এই, আর গল্প করিস না, তোর শাশুড়ি কী করছে দেখ গিয়ে..." তো মন্তব্য পড়তে পড়তে এসব মনে পড়ছে। :D

০১ লা অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:০৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা হা হা হা আপা এই সিরিয়াল এখন সবার জীবনের অংশ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এরোর বউ শ্বাশুড়ির দ্বন্দও আনবো ভাবছি। তখন জলসা আমাদের ঘরে স্যরি আমাদের ব্লগে।

৩৯| ১১ ই অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৫:০৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: এমা শুভ্র এত্ত বোকার হদ্দ বোকা? ;)
বিয়ের পর মাথা ঘুরালে, আচার খেতে চাইলে, কি হয় জানেনা! আবার বিয়ে করেছেন ;)
হা হা হা

এগুলোতো পাকনা পুলাপান কুটিকাল থেকেই জানে :P

বেশ এগুচ্ছে সিরিজ . . .

১১ ই অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৫

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা শুভ্র আবার মেয়েদের বিষয়ে একটু অজ্ঞ ছিলো। মাঝে মাঝে ভীষন বোকা মাঝে মাঝে আইনস্টাইন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.