নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

লোকে বলে প্রথম প্রেমটা বড্ড কোমল\nএলোমেলোযায়না \nভোলা কোনোদিনও\nসত্যি কি তাই

কবিতা পড়ার প্রহর

কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে রাতের নির্জনে

কবিতা পড়ার প্রহর › বিস্তারিত পোস্টঃ

চিলেকোঠার প্রেম- ১৯

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৬

শুভ্রের সাথে আমার এই বিচ্ছেদ আমি কাউকেই জানালাম না আমার বাড়িতে। শুভ্রও মনে হয় কাউকেই বলেনি ও বাড়িতেও। শুভ্র ডিভোর্স লেটার পাঠাবার বেশ কয়েক সপ্তাহ পর হঠাৎ শৈলীর ফোন এলো। ও খুব কাঁদছিলো। সে জানালো আজ সন্ধ্যায় মা হঠাৎ স্ট্রোক করেছেন। শুভ্রকে সন্ধ্যা থেকেই ফোন দিয়ে পাওয়া যাচ্ছে না। ওর ফোন নাকি স্যুইচড অফ। আর তাই কোনো উপায়ন্তর না দেখে শৈলী আমাকে ফোন করেছে। আমরা যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেখানে যাই।

আমি সেই ফোন কল পেয়ে স্থবির বসে রইলাম। কি করবো আমি এখন? এই শোকের মাঝে তো বলাও যাবেনা যে শুভ্রের সাথে আমার আর কোনো সম্পর্ক নেই। একই সাথে চোখে ভাসছিলো শ্বাশুড়িমার মুখখানি। সেই প্রথম দিন, আমাকে দেখে চমকে ওঠা, ছেলের চাইতেও বয়সে বড় এক মেয়েকে বিয়ে করে আনা বউকে মন থেকে মেনে নিতে না পারা। আবার সেই শ্বাশুড়ির বুকেই কান পেতে শুনেছিলাম আমি তার এক বুক ভরা মায়াময় স্নেহময় ভালোবাসার গান।

আমি শুভ্রকে ফোন দিলাম। ফোনে পাওয়া গেলোনা ওকে। আমি ছোট একটা ব্যাগ গুছিয়ে নিলাম। অফিস থেকে ফোন কলে ছুটি নিয়ে পরদিন ভোরেই রওয়ানা দিলাম একাই ওদের বাড়ির উদ্দেশ্যে। যে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে। আর যার কারণেই এই সম্পর্কের বন্ধন ছিলো সেই নেই আমার জীবনে এ কথা আমার মনে হলো না। আমি শুধু জানতাম আমাকে যেতে হবে । এটা আমার পরম দায়িত্ব। আমার চোখে ভাসছিলো মৃত শ্বাশুড়ির জীবন্ত মুখখানি। উনার আত্মা আমাকে দেখে শান্তি পাবেন নিশ্চয়। আমি উনার শান্তির জন্য যাবো। ওখানে গিয়ে শুভ্র কেনো আসেনি বা কেনো আসলোনা এই প্রশ্নের জবাব কি দেবো জানিনা আমি। সে সময় ভাবিওনি। কিন্তু পৌছুবার পর ঐ প্রশ্নে আমাকে বার বার থমকাতে হয়েছিলো। আর তারপর কোনোরকমে বানিয়ে টানিয়ে বলেছিলাম শুভ্র তার অফিসের কাজে ঢাকার বাইরে গেছে। তার ফোনে কেনো যেন যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। অফিসের কলিগদেরকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা তাকে পেলেই জানিয়ে দেবে।

সারাদিন কাটলো ঐ শোকের বাড়িতে। মৃত শ্বাশুড়ির পাথর মুখে চেয়ে আমার অবাক লাগছিলো। এই কর্মমুখর রাশভারী মানুষটি আজ ঘুমিয়ে আছে শান্ত হয়ে। হাজার কোলাহলেও আজ আর তার ঘুম কেউ ভাঙ্গাতে পারবেনা। এই যে এত আত্মীয় স্বজন এত হই চই কিন্তু আজ আর তার কোনো তাড়া নেই। কোনো কাজ নেই। তিনি আজ সকলের মধ্যমনি কিন্তু প্রানহীন নিস্পলক। আমার শ্বশুর ভেঙ্গে পড়েছেন খুব। এত কর্মচঞ্চল সদাই হরিষ মানুষটির মুখে এক ফোটা হাসিও নেই আজ। উনি চুপচাপ বসে আছেন ঘরের এক কোনে। ওদের এক মামা আরও কিছু আত্মীয় স্বজনেরাই সব ব্যবস্থা করেছেন।মৃত বাড়ি আমি কখনও যাই না পারতপক্ষে কারন এই শোক দেখবার সাহস আমার বরাবর খুব কম ছিলো এবং এখনও কমই আছে।

দাফন কাফনের পর শৈলী খুব কাঁদছিলো। আমরা একসাথেই শুয়েছিলাম রাতে। শৈলী কেঁদে কেঁদে বলছিলো আমার শ্বাশুড়ির কত ইচ্ছে ছিলো আমরা আবারও একবার হলেও যেন বেড়াতে আসি। কিন্তু আমরা উনি বেঁচে থাকতে একবারও এলাম না। এমন কি মৃত্যুর পরও ছেলের দেখা পেলেন বা উনার বিদেহী আত্মা। চুপচাপ শোনা ছাড়া কিছুই করার ছিলো না আমার। আমার খুব খারাপ লাগছিলো কিন্তু সান্তনার কোনো ভাষা জানা ছিলো না আমার। শৈলী বলছিলো তার বিয়েও নাকি প্রায় পাঁকাপাঁকি হয়ে আছে। কিন্তু সে চলে গেলে বাবাকে দেখবে কে? হঠাৎ শৈলী ধড়মড় করে উঠে বসে বললো, ভাবী বাবা তোমাকে ভীষন পছন্দ করে। তুমি বাবাকে তোমাদের কাছে নিয়ে যাও। প্লিজ ভাবী প্লিজ। তোমার কাছে থাকলে আমি শান্তি পাবো নইলে আমার ঘুমই হবে না বাবার দুশ্চিন্তায়। আমি কি জবাব দেবো খুঁজে পাচ্ছিলাম না। শৈলী আমাকে নিরুত্তর দেখে কি ভাবলো কে জানে। ফের চুপচাপ শুয়ে পড়লো।

খুব ভোরে শুভ্র এলো। লাল টকটকে চোখ, উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টি। ওকে দেখেই বুঝলাম কোথায় বুঁদ হয়ে ছিলো সে আর কেনোই বা তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। শুভ্র আমাকে দেখে মোটেও অবাক হলো না। যেন এমনই হবার কথা ছিলো। আমার আসাটাও খুব স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। শৈলী ভাইকে জড়িয়ে খুব কাঁদছিলো। আমি ওকে সরিয়ে নিলাম। শুভ্রকে তোয়ালে এনে দিয়ে বললাম গোসল সেরে এসে নাস্তা খাবে এসো। আমি চাচ্ছিলাম গোসল করে অন্তত একটু সুস্থ্য দেখাক ওকে। এই শোকের বাড়িতে সকল আত্মীয় স্বজন জেগে উঠবার আগেই ও একটু ভদ্রস্থ হোক। শুভ্র আমার কথা শুনলো। যদিও সে জাঁতে মাতাল তালে ঠিক এবং সে বুঝলোও আমি যা বলছি তাই তার করা উচিৎ।

ভেবেছিলাম পরদিনই ফিরে যাবো। কিন্তু শুভ্র চলে আসায় সেটা আর করা হলো না। আরও দুদিন বেশি থাকতে হলো। ওদের বাড়িতে কেউ জানে না আমাদের এই ডিভোর্সের কথা। কাজেই শুভ্রকে ফেলে আমার চলে যাওয়াটা খুব একটা শোভনীয় দেখায় না। সমস্যা হলো রাতে। শৈলী আমাদের জন্য একই রুমে থাকার ব্যবস্থা করলো। আমি বললাম শৈলী এখানে তোমার ভাইয়া থাকুক। আমি এ দুদিন তোমার সাথেই থাকতে চাই। তোমার সাথে কতদিন পর দেখা হলো। আবার কবে না কবে হবে কে জানে? শৈলী বললো ভাবী আমার বিয়েতে আসবে না নাকি? ইশ আমার বিয়ে নিয়ে মা কত ভাবতো। কত স্বপ্ন ছিলো মায়ের। কিছুই দেখে যেতে পারলো না। শৈলী আবার ডুকরে উঠলো। আমার বুকে মুখ গুঁজলো। বহু রাত পর্যন্ত আমরা দুজন বসে রইলাম দু'দুজন দুজনের ব্যাথার সাথী হয়ে। শুধুমাত্র রাত তার সাক্ষী হয়ে রইলো। প্রায় সারারাতই ঘুম ছিলো না আমাদের চোখে।

ভোরবেলা শৈলী ঘুমালে আমি বেরিয়ে আসলাম দরজা খুলে। সেই উঠান যে উঠানে একদিন বড় বড় মাছের হাড়িতে মাছ কিনতে বসেছিলেন আমার শ্বশুরমশাই। ঐ সেই শিউলী ফুলের গাছটা। সেদিন ফুলে ফুলে ভরে ছিলো তলাটা। আজ সেটা ফুলশূন্য। বউ কথা কও পাখিটাও নেই কোথাও। সেদিনের সব পূর্ণতা ফুরিয়ে গেছে। সবখানেই আজ শূন্যতা। আমি দরজায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চোখের সামনেই যেন দেখতে পাচ্ছিলাম সেই দিনের দৃশ্যকল্পটি। হঠাৎ ঘাড়ের পিছে নিশ্বাস পেলাম। পরিচিত গন্ধ। পেছনে না তাকিয়েও বুঝতে পারলাম শুভ্র এসে দাঁড়িয়েছে। এত ভোরে তো ওঠার কথা না ওর। তাহলে কি ও ঘুমায়নি?

শুভ্রের দিকে ফিরলাম। রাতে ঘুমাওনি? আমার আগেই শুভ্র জানতে চাইলো অস্ফুটে। আমি ঘাড় নেড়ে বললাম না, ঘুম আসছিলো না। শুভ্র বললো চলো পুকুর ঘাটে গিয়ে বসি। আমরা পুকুরের সেই সিমেন্টের বেঞ্চে গিয়ে বসলাম ফের আবার। আমি এক দিকে আর শুভ্র আরেকদিকের বেঞ্চে। সেদিন ছিলাম খুব কাছাকাছি দুজনকে জড়িয়ে আর আজ দু'জনের মাঝে অভেদ্য অদৃশ্য দেয়াল। যা আমরা ডিঙিয়ে যেতে পারছি না। ভোরের স্নিগ্ধ বাতাসে প্রাণ জুড়িয়ে যাচ্ছিলো। শুভ্র সিগারেট ধরালো। আমি জানতে চাইলাম। আবার স্মোক শুরু করেছো?

শুভ্র হেসে উত্তর দিলো হ্যাঁ। আমি বললাম তুমি প্রমিজ করেছিলে।
শুভ্র হেসে উঠল, প্রমিজটা কি মনে আছে ম্যাডাম?
আমি হাসতে পারলাম না। আমার খুব কষ্ট হচ্ছিলো। শুভ্র বললো, প্রমিজটা ছিলো যে ঠোঁটে তোমাকে ছোঁবো সে ঠোঁটে আর কখনও সিগারেট ছোঁবোনা কিন্তু....... বলতে গিয়ে থমকে তাকালো শুভ্র.......
আমার ইচ্ছে করছিলো চিলেকোঠার ঠিক সেদিনটার মত ওর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে আঁচড়ে কামড়ে ওকে শেষ করে দিতে। কিন্ত ওর দিকে চেয়ে স্থির চোখে বসে রইলাম আমি। শুভ্র ঠিকই হাসছিলো। এত ঝড় ঝাপটা দুঃখ বেদনা ওর উপর দিয়ে বয়ে যাবার পরেও ও কেমন করে হাসে অবিকল ওমনি আমি বুঝতে পারিনা। কিন্তু আমি মনে হচ্ছে আজকাল হাসতেই ভুলে যাচ্ছি।

পরদিন আমরা একই সাথে রওয়ানা দিলাম ঢাকার উদ্দেশ্যে। যাবার সময় শৈলী দৌড়ে একটা বড় সড় প্যাকেট নিয়ে এলো। আর সাথে ছোট একটা অর্নামেন্ট বক্স। বললো ভাবী এটা মায়ের উপহার। মা তোমাকে দিয়ে যেতে পারেননি। বাবার বাড়ির নিজের টাকা জমিয়ে
তোমার জন্য এই বালা দুটো গড়িয়েছিলেন। তোমাকে কখনও তো কিছু দিতে পারেননি। তাই ভেবেছিলেন নাতি হলে একই সাথে নাতি আর বউকে বরণ করবেন। দেখো ভাগ্যের কি পরিহাস আজ মাও নেই নাতীও নেই। তুমি তো আছো। প্লিজ মায়ের বালা দুটো পরো তুমি সবসময়। আমি ঢোঁক গিললাম। কি করে বলি ওকে আমিও নেই শৈলী । এই বালায় আর আমার কোনো অধিকার নেই আজ। এই বালা আমার প্রাপ্য নয়। হয়তো কখনও কারো প্রাপ্য হবে তবে নিশ্চিৎভাবেই আমি সে নই।

শুভ্রের দিকে তাকিয়ে আর বলা হলো না। শুভ্রের চোখেও দেখতে পেলাম কাতর মিনতী। ও চাচ্ছিলো না আমি শৈলীকে কষ্ট দেই, না বলে ফেলি। দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো আমার সকলের অগোচরে। আজও আমি শুভ্রের চোখের ভাষা পড়তে পারি। হাত পেতে নিলাম আমার শ্বাশুড়ি মায়ের সেই পরম অর্ঘ্য। ্তারপর বুকে চেপে ধরলাম আমার হারিয়ে যাওয়া বাবুর জন্য পরম মমতায় নিজ হাতে গড়ে তোলা তার প্রয়াত দাদীর উপহার। পৃথিবীটা কি আশ্চর্য্য এক নাট্যশালা। দুজন অদেখা এবং সকল চাওয়া পাওয়ার উর্ধে চলে যাওয়া একজন বৃ্দ্ধ মানুষ এবং একজন ফুটে ওঠার আগেই ঝরে যাওয়া ফুল এই পুটুলীটার মধ্যে জেগে রইলো পরম ভালোবাসায়.....

গাড়িতে আমরা নিশ্চুপ বসে রইলাম। শুভ্র যথারীতি একটা ইংলিশ খটোমটো বই নিয়ে আর আমি জানালা দিয়ে দূরে তাকিয়ে। আমাদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টি করে বসে রইলো আমার বড়ষড় ভ্যানিটি ব্যাগটা। পথে আমরা চা খেতে একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকলাম। এতক্ষন ড্রাইভারের সামনে কোনো কথাই বলিনি আমি। এখন সুযোগ পেয়ে ব্যাগ থেকে বের করলাম বাক্সটা। শুভ্রের দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললাম, শুভ্র এই বালা দুটিতে আসলে আমার আর কোনো অধিকার নেই। যার অধিকার হবে তাকে দিয়ে দিও একদিন।

শুভ্র হাসলো। সেই ভূবন ভোলানো হাসি। তারপর দুহাতে আমার হাতের মুঠি চেপে ধরে বললো, এই বালাজোড়া আমার মা শুধু তোমার জন্য বানিয়েছিলেন। তুমি ছাড়া আর কারো অধিকার নেই এতে। চা না আসা পর্যন্ত ওভাবেই হাত ধরে রাখলো শুভ্র। চা আসলে হাত সরিয়ে নির্বিকারভাবেই চা খেতে শুরু করলো। মনে পড়লো আমরা দু'জন ঠিক এভাবেই আঙ্গুলে আঙ্গুল জড়িয়ে বসে থেকেছি কত রাত, কত দিন.......

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৪৬

কলাবাগান১ বলেছেন: বরফ গলছে.....

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫১

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: কলাবাগনভাই আপনি যে আমার গল্প পড়তে শুরু করবেন স্বপ্নে ভাবিনি।

২| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আজ পড়ে মন খারাপ হলো । কারণ লেখার প্রথমে মা মরণের ধাক্কা যার রেশ লেখার শেষ অবধি ছিল

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫২

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হ্যাঁ আমারও মন খারাপ হয়েছিলো। লেখার সময় তাই কাঁদতে কাঁদতে শেষ হয়েছিলাম। এখন ধাতস্থ আছি।
অনেক ধন্যবাদ নেওয়াজভাই।

৩| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আগের সব পর্বকে ছাড়িয়ে গেছে এ পর্বটা। এক জায়গায় এসে আমার চোখ ভিজে গেছে। মাও নেই, বাবুও নেই। খুব মর্মস্পর্শী কথা এটা। শুভ্রকে এখানে ভালো লেগেছে খুব।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: শুভ্র খুবই ভালো ভাইয়া। এই কথাটাই বুঝাতে পারিনা আমি। মানে আমি লিখতে পারিনি তাকে। তবে শুভ্র সবার থেকে আলাদা। আমাদের মত নয় তাই তাকে ভুল বুঝে ফেলে সবাই.....

৪| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালোবাসা ফিরে আসুক আমি বিচ্ছেদ চাই না কখনো না
কারো না

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: ভালোবাসা আসলে হারায় না। বন্ধুত্বও না। কিন্তু বিয়ে বা প্রেম এসব রিলেশন মেইনটেন করাটা কঠিন। যার সুতো ছিঁড়ে গেলেই আমরা তা তেতো করে ফেলি আরও।

কিন্তু সুন্দর সময়গুলো কি হারিয়ে যায়? কিংবা ভালোবাসা বা একদিনের বেস্ট ফ্রেন্ডশীপ?

মনে হয় না ......

৫| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৮

রামিসা রোজা বলেছেন:

আজকের পর্ব খুবই টাচি , পড়ে ভালো লাগলো ।

৬| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:০৯

রামিসা রোজা বলেছেন:

আজকের পর্ব খুবই টাচি , পড়ে ভালো লাগলো ।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:১১

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হুম।

যতবারই পড়ি ততবারই কান্না পায়।

আমি আর পড়বো না। সকাল থেকে ১৮ পর্বে অনেক হেসেছি কমেন্টের ঘরে।

এখন যত হাসি তত কান্না হবে নাকি?

এই পর্ব দিলাম শুভভাইয়াকে দেখে এখন উনি উধাও।

৭| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২০

শুভ_ঢাকা বলেছেন: পড়লাম। স্পিচলেস।

শেষ পর্বের লেখার মান খুব ভাল। আবারও লাইক দিতে পারলাম না।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হুম। থ্যাংক ইউ পড়ার জন্য।

আসলে এখন যা দিচ্ছি সবগুলিই মনে হচ্ছে মিরর আপু আর শুভভাইয়ার জন্য।

যাইহোক আর অনলি ওয়ান মোর। কালকের পর্বই শেষ পর্ব।

৮| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:২৯

শুভ_ঢাকা বলেছেন: আগামী কালকের পর্ব কি Q & A.

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৩৯

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: না। শেষ পর্ব ফর গল্প। তারপর প্রশ্নোত্তর পর্ব ওকে?

৯| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫২

শুভ_ঢাকা বলেছেন: তারপর প্রশ্নোত্তর পর্ব ওকে?

বেশ। তেমন কোন প্রশ্ন আর অবশিষ্ট নেই।

আজ সামুতে আলোচিত ব্লগে 'চিলেকোঠার প্রেম' গল্পের দু দুটো পর্বের লেখা একসাথে দেখা যাবে সম্ভবত।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৫৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা না দেখা গেলেই কি? তুমি পড়ে ফেলেছো এবার মিরর আপু পড়লেই শান্তুি।

তারপর কামরুজ্জামান ভাই, রাজীবভাই আর অন্যান্য যারা পড়ে ধরে ধরে আনবো। তবে ওমেরা আপু অনেকদিন আসেনি সেই ১৫ এর পর থেকে। কি হলো আপুটার?

১০| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি আসলে পাঠকদের নিয়ে খেলতে চাইছেন।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০৪

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: ঐ ভাইয়া। কি খেলা শুনি?

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০৭

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন:

বার্গার খান ভাইজান।

১১| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:০৭

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: আজকের পর্ব সম্পর্ক বেশী কিছু |-) বলবনা । কারন অনেক সময় কথা বলাই বাহুল্য মনে হয়। শুধু +++।

যে কোন মৃত্যুই কষ্টকর ও যন্ত্রণাদায়ক । তারপরেও প্রকৃতির নিয়মে আমরা মেনে নেই এটা। আর ধবংসস্তুপের মাঝেও নতুন প্রানের জন্ম হয়।
মানুষ যতক্ষন বেচে থাকে ততক্ষন সম্ভাবনা থাকে কিছু ঘটার ।তা পজেটিভ বা নেগেটিভ যাই হোক।আর কি বলব!!!! এখনো
সম্ভব চিলেকোটার প্রেমের পরিপূর্ণতা শুধু তার জন্য প্রয়োজন লেখকের ইচছা ।

(আমি এটা কেবল একটি গল্প হিসাবেই মূল্যায়ন করে বলছি । তবে আবার এটাও মনে হয় ও বিশ্বাস করি যে গল্পের আড়ালে গল্পকারের কিছু সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কিছু ঘটনা -দূর্ঘটনা ,আবেগ-অনুভূতি জড়িয়ে থাকার বিষয় ও উড়িয়ে দেয়া যায়না।আর ঘটনা যদি এরকম কিছু সত্যি সত্যি হয়েও থাকে তবুও বলব এখনো এবং ততক্ষন সম্ভাবনা আছে যতক্ষন উভয়ে জীবিত।আর বিচছেদ কোন সমাধান নয়।বরং তা আরো এবং এর চেয়ে বড় দূর্ভোগের কারন হতে পারে ভবিষ্যতে উভয়ের জন্য।তাই যদি সম্ভব ,হয় তাহলে এই সিদ্ধান্তটি পর্যালোচনা করার অনুরোধ রইল)

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১২

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা ঠিক তাই। আমি চাইলেই গল্পটাকে ঘুরিয়ে দিতে পারতাম। কিন্তু আমি তা চাইনা। আমি সত্যিটাকেই বলতে চাই।

এই গল্পের সৃষ্টি কিন্তু আনন্দ থেকে নয়। কষ্ট থেকেই হয়েছিলো। যদিও ঘটনার শুরুটা আনন্দের ছিলো।

আর গল্প যখন শুরু হলো কষ্টের কারণ নিয়ে সেই আনন্দের স্মৃতি রোমন্থন। অবশ্যই বেশি ভাগই আমার আশে পাশে ঘরে যাওয়া ঘটনাবলী বা আমার বা অন্যের কারো ফিলিংস। নইলে লিখতে যাবো কেনো? ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়িয়ে লাভ কি?

এক অর্থে এই চিলেকোঠার গল্প আসলে আমার নিজের জন্য। কস্ট হোক দুঃখ হোক বা আনন্দই হোক আমি ধরে রাখতে চেয়েছি কিছু স্মৃতি।সত্যি মিথ্যে এবং সেসবের আড়ালেও আরও কিছু নিয়ে তাই এই স্মৃতি বন্ধন।

১২| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১১

মিরোরডডল বলেছেন:



জীবনটা এমনই নানারকম মায়ার বাঁধনে জড়িয়ে পরা । তারপরও অনেক সময় মায়া কাটিয়ে উঠতে হয় । তবে এরকম ব্যাড নিউজ পেলে ভিজিট করা নাথিং রং । হাজব্যান্ড ওয়াইফের ডিভোর্স হতে পারে কিন্তু পরিবারের অন্যদের সাথে সম্পর্ক ভালো থাকলে প্রয়োজনে যোগাযোগ হবে এটা স্বাভাবিক । শ্বশুর এতো আদর করতো, খারাপ সময়ে তার পাশে থাকাটাই উচিৎ হয়েছে ।

শৈলী এরকম সময়ে মৃত বাড়ীতে তাও মা মারা গেছে অন্য কেউ না, এসময় বার বার বিয়ে নিয়ে কথা কেনো বলে, ছিটগ্রস্ত বালিকা X(

যেখানে শুভ্রর জীবনে নায়িকার আর কোনও অবস্থানই নেই, সেখানে সেই প্রমিজের কিইবা মূল্য আছে । সেই প্রমিজ রাখলেই কি আর না রাখলেই কি । শুভ্র হতে পারে কোনও মহামানব কিন্তু একেবারেই একটা হার্টলেস রোবোকপ । মায়ের মৃত্যুতেও তার বিন্দুমাত্র অনুভূতির প্রকাশ নেই ।

যাইহোক , শেষের অংশটুকু সত্যিই ইমোশনাল । এট লিস্ট উঁই ক্যান উইশ এই হাত যেনো বন্ধুত্বের হাত হয়ে পাশে থাকে । নাইবা হলো সংসার কিন্তু মনের বেড়াজালে যেন কোথাও থেকে যায় দুজন দুজনের হয়ে । ঐযে কাল একটা কমেন্টে বলেছিলাম, সব ভালোবাসা পেতে হয়না । কিছু ভালোবাসা থাকে যেটা দূরে থেকে অনুভব করতে হয় । পেলেই হারাতে হয়, না পাওয়াতেই সত্যিকারের পাওয়া হয় ।




২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: মিররআপু স্যালুট।

সময় করে একখানা গল্প লেখো। শুনবো। পড়বো আর অবাক হবো। মুগ্ধ হবো।

হ্যাঁ সম্পর্ক ছিঁড়ে দেওয়া যায়। মুছে ফেলা যায় না। আর শুভ্রের সাথে না থাকুক ওদের অন্য মানুষগুলো তো কোনো দোষ করেনি। তাদের ভালোবাসার মূল্য কি নেই?

শৈলীর চিন্তা হচ্ছিলো বাবাকে নিয়ে। মা মারা যাবার পর সেটাই তার প্রথম চিন্তা ছিলো। বাবার কি হবে? সেও যদি না থাকে ..... এসব নিয়েই তার মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো। ভাইটা দায়িত্বহীন বোনটা বেশি দায়িত্ববান।

শুভ্র এমনই তাই তো এত ভুলবুঝাবুঝি হলো। একটা সময় মেয়েটার মনে হলো শুভ্রর এসব ভালোবাসা আসলে যান্ত্রিক। ওর বুঝি আবেগই নেই। হয়ত এক্সপেরিমেন্ট।

হ্যাঁ সম্পর্ক না থাকলেও বন্ধু তারা সারাজীবন থাকবে। এমনই কথা ছিলো কিন্তু শুভ্রও তো মানুষ। দেবতা নয়। নায়িকা তাকে দেবতা টাইপ কিছু ভেবেছিলো আর কি.......তাই এত ভুল বুঝাবুঝি

১৩| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
হায় জীবন
কেন যে এমন
কখনো হাসায় কখনো কাঁদায়
দু:খ সূখের সাগরে ভাসায়।।

পুকুর পাড়ের আবেগটা ছুঁয়ে গেল। একেবারে যেন জীবন থেকে নেয়া ;)

এত ব্যাথা সয়েও এত হাসো কেমন করে???
এক অন্তহীন প্রশ্ন খায় কুড়ে কুড়ে :P ( প্রশ্নটা দুজনের জন্যই ) হা হা হা

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২৫

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা আসলেই জীবন থেকে নেওয়া ..... যার জীবনই হোক না কেনো? এর বা তার একজনের বা দুজনেরই..

ভাইয়া হাসার সময় হাসি আর ব্যথার সময় কাঁদি....... কোনোটারেই কোনোটার সময় পাত্তা দেই না।

আসলে সবারই নানা রকম দুঃখ কষ্ট আনন্দ বেদনা থাকে। শুভ্রের শিক্ষা কাজে লাগাই। নো পাত্তা....কোনোটাকেই

১৪| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১৯

আমি সাজিদ বলেছেন: আজকের পর্বটা পড়ে বেশ ইমোশনাল হয়ে যাচ্ছে সবাই।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২৮

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: আমিও হচ্ছি।

১৫| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২২

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: লেখক হিসাবে আপনার পূর্ণ-স্বাধীনতা আছে আপনার তৈরী চরিত্রকে আপনার মত করে অংকনের তথা রুপদান করার। তার পরেও মন :(( মানে না । এরকম একটি চুকা-মিঠা প্রেমের এমন দুঃখজনক সমাপ্তি।

আবার এটাও ঠিক, যে প্রেমের গভীরতা যত বেশী থাকে সে প্রেমে অভিমান তথা কষ্টটাও তত তীব্র হয়। কি আর করা ।

এখন বসে বসে তাই ভাবব "বড় প্রেম শুধু কাছেই টানেনা -অনেক সময় দূরও ঠেলে দেয়"।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২৯

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা দেবদাস ছিলেন গুরু। তিনি কি আর ভুল বলবেন?

১৬| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:০৭

করুণাধারা বলেছেন: সাথে আছিই। শৈলীর ভূতপূর্ব ভাবীর লিখন শৈলী চমৎকার!!

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:২০

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা ভূতপূর্ব ভাবীর লিখন শৈলী?

থ্যাংক ইউ আপুমনি। ভেবেছিলাম রাগ করে আর আসবেই না চারিদিকে শুভ শুভ দেখেছি বলে।

১৭| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৩:৪৭

শুভ_ঢাকা বলেছেন: রাজীব নুর বলেছেন: আপনি আসলে পাঠকদের নিয়ে খেলতে চাইছেন।

Q & A পর্বে এই প্রশ্ন সামিল করবেন। আপনার লেখায় বুঁদ হয়ে আমার দৈনন্দিন কাজ কর্মের ব্যাঘাত ঘটেছে। কনসেন্ট্রেশনের প্রবলেম হয়েছে। এইগুলোর জবাবদিহি আপনাকে করতে হবে।

@রাজিব নুর ভাই এই ব্যাপারে আরও একটু বিস্তারিত বললে ভাল করে বুঝতে পারতাম।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৩

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: আমার বুঝি ব্যাঘাত ঘটেনি ? কত কাজ বাদ দিয়ে তেপানতরের মাঠে বধু হে একা বসে লিখি

১৮| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৬

স্থিতধী বলেছেন: আগের পর্ব সব পড়ে না এসেও এ পর্বের ঝড়ঝড়ে লেখাতে গল্পের মূলে ঢোকা যায়।প্রকৃতির অদ্ভুত লীলায় প্রৌড়ের নতুন প্রাণ কে বরণের বাসনা নিয়ে বেঁচে থাকা আর সেই নতুনের আগমন; দুটোর ই অপূর্ণ থেকে যাওয়া - এ অংশটুকু গাঢ় বিষাদের সৃষ্টি করে।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: থ্যাংক ইউ সো মাচ। হ্যাঁ আমিও এটা লিখতে গিয়ে কেঁদেছি। লিখতে গিয়ে কান্না বা পড়তে গিয়ে কান্না বা সিনেমা দেখেও কান্না এটা অবশ্য আমার স্বভাবও আছে।

অনেক অনেক থ্যাংকস স্থিতধীভাই।

১৯| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৫২

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: শুভ্র তার দায় দায়িত্ব কখনই ঠিকভাবে পালন করেনি এবং অনেক ন্যাকারজনক কাজ করেছে ও কথা বলেছে। তারপরও নায়িকা তাকে ভালবাসে কিন্তু একসাথে থাকতে চায় না। এই প্রশ্নের উত্তর চাই। নায়িকার মত অনেক মেয়ে এভাবে জীবনে ভুল সিদ্ধান্ত নেয়। তবে কোনও অবস্থাতেই শুভ্রের প্রতি পাঠকের সহানুভূতি তৈরি হওয়ার কোনও কারণ আমি খুঁজে পায়নি। তার আচরণে সবাই বিরক্ত একমাত্র নায়িকা ছাড়া। এটারও উত্তর চাই। শুভ্রর কোনও উল্লেখযোগ্য গুণ লেখার কোথাও পাওয়া যাবে না। পুরো লেখা পড়ে শুধু বোঝা যায় যে নায়িকা শুভ্রকে অন্ধের মত ভালবাসে। কিন্তু সেই ভালোবাসা পাওয়ার মত যোগ্যতার কোনও বহিঃপ্রকাশ লেখায় দেখা যায়নি। শুভ্র চরিত্রটা খুব অদ্ভুদ মনে হয়েছে এবং তার প্রতি আগ্রহ জন্মানোর কোনও কারণ খুঁজে পায়নি। এই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। আরও প্রশ্ন আছে সেগুলি পরে বলবো।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৭

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা চুয়াত্তরভাই সব প্রশ্নের উত্তর দেবো।
আচ্ছা আজকেরগুলো দেই- শুভ্র তার দায় দায়িত্ব কখনই ঠিকভাবে পালন করেনি এবং অনেক ন্যাকারজনক কাজ করেছে ও কথা বলেছে। তারপরও নায়িকা তাকে ভালবাসে কিন্তু একসাথে থাকতে চায় না। এই প্রশ্নের উত্তর চাই।

শুভ্র দায়িত্ব পালন করেনি ঠিক তবে সে যা করে মানে আমাদের যা উলটা পাল্টা মনে হয় তা তার কাছে সঠিক মনে হয় বা সে সেরকমই। নায়িকা যে যেমন তাকে তেমনই দেখতে পছন্দ করে আর তাউ শুভ্র যেন এ ব্যাপারে বড়ই অপকট। আ ওপেন বুক। সমাজ ও সংসারের সব চাপিয়ে দেওয়া দায়িত্ব আমাদের দশের জন্য মঙ্গল বলে আমরা জানি। এতে কিছু প্রেশারেরও সৃষ্টি হয়। শুভ্র এই প্রেশারকে অবলীলায় বুড়ো আঙ্গুল দেখাতে পারে এটাও নায়িকার কাছে এক মজাদার এবং সঠিক বলেই মনে হয়। যদিও সে নিজে দায়িত্ব পালনকে জীবনের প্রেশার হলেও সেটাই করা উচিৎ মনে করে। এবং একটু পাগল আউলা ঝাউলাকে আসলে ভালোবাসা যায় কিন্তু একসাথে থাকতে গেলে যে সকল দায় দায়িত্ব বা সমাজ সংসারের নিয়ম কানুন মানতে হয় তা মানা যায় না। তাই শেষমেষ এক সাথে না থাকাই ভালো মনে করে।

সবাই সমাজের বেঁধে দেওয়া রুলে চলে বলেই বিরক্ত শুভ্রের উপর । নায়িকাও সেই রুলে চললেও সে মনে করে শুভ্রই সঠিক। সবাইকে বেঁধে চলতে হয় সে চলে না এতে বিরক্ত হবার তেমন কিছুই নেই আসলে, হতে পারে অন্ধভাবেই সে শুভ্র যা করে সেটা সমাজের নিয়ম না হলেও সমর্থন করে অবচেতন মনে আর উপরে উপরে নিজে নিয়ম নিষ্ঠা। তবে সে কর্মপ্রিয় আর এই ব্যাপারে উদ্যম ও আলসে বুরা শুভ্রর উপর সে বিরক্ত হয়।

তার প্রতি আগ্রহের একটা কারণ হয়ত এমন আউলা ঝাউলাকে বুঝতে চেষ্টা বা আবিষ্কারের চেষ্টা করতে করতে করতে করতে তার পাঁকে ঘুরপাক খাওয়া কে জানে?

তবে সব পাক কেটে গেলো বার বার টাকা চেয়ে ব্যার্থ হওয়া দেখে। নায়িকা সফলতা পছন্দ করে। বাই হুক অর বাইক ক্রুক শি হ্যাজ টু উইন। তাই হেরে যাওয়া কাউকে দেখটে চায় না।

২০| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৩

আমি সাজিদ বলেছেন: শুভ্রের মতো ছেলের জন্যই আজকে ছেলেদের এতো দুর্নাম। দ্বায়িত্ব জ্ঞান হীন একটা দুইটা ছেলেই গরু সেজে বাকিদের ডুবাচ্ছে। সাচুর মতো আমারই কয়েক পর্ব পড়েই শুভ্রের প্রতি কোন আগ্রহ জন্মায় নি। অযোগ্য লোক খুব সহজভাবে অন্যের বিশ্বাস পায় সে অনেক সময় নিজেকে ঠিক করে নেয়, শুভ্র এর ধারে কাছেও নেই।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:১০

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা শুভ্রের উপর এত খেপো কেনো? সবাই কি এক হয় নাকি? সে তো এমনই ...

২১| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৫

শুভ_ঢাকা বলেছেন: আগামী কাল কখন শেষ পর্ব পাবলিশ করবেন বলে মনস্থির করেছেন।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৯

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: আপনি যখন বলবেন এক নাম্বার পাঠক। তখনই করবো। বলেন এখন...

২২| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:০৩

শুভ_ঢাকা বলেছেন: আপনি যখন বলবেন এক নাম্বার পাঠক।

আপনার সুবিধা মত সময়ে পোস্ট কইরেন। আজকের মত সময়েও করতে পারেন। আচ্ছা আমাকে নিয়ে রগড় একটু কম করলে হয়না।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১৪

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা হুম হয়। ঠিক আছে আর করবোনা। তাহলে কাল ঠিক এ সময়ে এই সিরিজের শুভস্য সমাপন হইবেক মানে সকাল সাড়ে ১১ টা।

কিন্তু আমার তো সিরিজ থেকে বের হয়ে যাবার পরেও চিলেকোঠায় মন পড়ে থাকবে তখন কি করবো?

২৩| ২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩০

শুভ_ঢাকা বলেছেন: কিন্তু আমার তো সিরিজ থেকে বের হয়ে যাবার পরেও চিলেকোঠায় মন পড়ে থাকবে তখন কি করবো?

তখন অতিমানব শুভ্রের মত দিনে বেলায় গাজাতে কয়েকটা দম নিতে পারেন। তাতে আপনার হ্যালোউসিনেশন হবে। স্বর্গে কিছুক্ষণ বিচরণ করতে পারবেন। আর রাতে দু চার পেগ স্কচ মারতে পারেন এতে রাতে ঘুম ভাল হবে।

কয়েকদিন এক ধরনের শূন্যটা থাকবে। আপনার যা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তাতে কোন না কোন কাজে অকাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন হুইচ ইজ ভেরী গুড ফর এনিওয়ান।

২২ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৩৯

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা একদম ঠিক বলেছেন। তবে গাঁজা লাগে? গাঁজা ছাড়াই আমি ....... হা হা থাক আর বললাম না।

২৪| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:২৮

ঢুকিচেপা বলেছেন: আজকের লেখাটা খুবই চমৎকার হয়েছে। অনুভূতির বর্ণনাগুলো দারুণ।
পর্ব শেষ হয়ে যাচ্ছে অথচ শুভ্র পিছু ছাড়ছে না কেন ?

২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১:১০

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: শুভ্রই তো চলে গেলো ...... আবার এলো...... মানে আসতে হলো.....

শুভ্রকে কিছু দিলেন না আপা আজকে?

২৫| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩১

শুভ_ঢাকা বলেছেন: যারা সাধারণত আপনার লেখা পড়ে কমেন্ট করে, তাদের তো অন লাইনে দেখছি না এই মুহূর্তে। কাজেই শেষ পর্ব এখন পোস্ট করবেন কি। বিকেলের দিকে বা অন্য সময় করলে কি ভাল হবে। শেষ পর্বটি অবশ্যই যেন আলোচিত ব্লগে উঠে আসে সেই দিকটাও দেখা উচিত। বাকীটা আপনি যা ভাল মনে করেন।

২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৪

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: হা হা এখুনি করবো। যারা পড়ে তারা না পড়লে জানিয়ে আসবো। নো প্রবলেম।

আগে শেষ করে দেই...... যদিও তারপরও কিছু কথা আছে। শেষের কবিতা তাও দিয়ে দেবোনে দু এক দিনের মাঝে......

২৬| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৩৯

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
দারুন । গল্পের ক্লাইমেক্স, বর্নণা বেশ উপভোগ্য।

বিরহ শুধু দেয় যাতনা
কখনো কি দেয় না সে শান্তনা......।

২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫৪

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: দেয়। সবই দেয়। আর তার মাঝেও ভালোবাসা জেগে থাকে দুঃখ হয়ে......

২৭| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫৩

রানার ব্লগ বলেছেন: বিষাদের চাপে চিড়েচ্যাপটা হয়ে আছি আরো বিষাদ চাপিয়ে দিলেন, জীবনে দুঃখ যেমন আছে হাসি আনন্দ উল্লাসও আছে কিন্তু।

২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ১১:৫৫

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: আচ্ছা মুড়ির মত ফুলিয়ে দিতে আবার অন্য গল্প নিয়ে আসবো পরেরবার। হা হা

২৮| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:২৭

খায়রুল আহসান বলেছেন: "আমি শুধু জানতাম আমাকে যেতে হবে" - রাইট এন্ড রেস্পন্সিবল রেসপন্স, রাইট ডিসিশন!

বালাদুটো গ্রহণের পর লেখকের মনের মধ্যে খেলে যাওয়া অব্যক্ত কথাগুলো মর্মস্পর্শী; এখন বেশ বুঝতে পারছি, কেন এত অশ্রু গড়িয়েছিল এসব ভাবতে, লিখতে।

আবার, বালাদুটো শুভ্রকে ফেরত দেয়ার সময় উভয়ের ব্যক্ত কথাগুলো সুব্যক্ত, সুবিন্যস্ত। একটি হৃদয়স্পর্শী ট্রাজেডীর সুনিপুণভাবে রচিত উপসংহার, যা সাধারণতঃ বিবেক এর মুখ দিয়ে উচ্চারিত হয়ে থাকে।

এ সিরিজে এ যাবত যতগুলো ছবি/গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে, তার মধ্যে এ পর্বের শেষের ছবিটি সবচেয়ে বেশি বাঙ্ময়।

গল্প প্রায় শেষ পরিণতির দিকে পৌঁছে গেছে। আমার কাছে গল্পের কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্যঃ
* গল্পটি জীবন থেকে নেয়া হয়েছে। আমার কাছে মনে হয়েছে, গল্প লেখার সময় লেখক যথাসম্ভব সত্যনির্ভর ছিলেন, কল্পনাশ্রয়ী কম ছিলেন।
* গল্পটি অত্যন্ত পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে, যদিও গল্পের লেখক অনেকগুলো পর্ব পর্যন্ত অচেনা ছিলেন।
* গল্পটির একটি সার্থক চলচ্চিত্রায়ন হতে পারে। যদি ব্লগার সোনাবীজ কোনদিন চলচ্চিত্র নির্মাণে ব্রতী হন (তার সে যোগ্যতা আছে বলে আমি মনে করি) তবে তার প্রতি অনুরোধ থাকবে এ কাহিনীটি বিবেচনা করার। কারণ গল্পের nuance গুলোর সঠিক বিশ্লেষণ করে সেগুলোকে সঠিকভাবে হাইলাইট করার দক্ষতা তার মত আর কারো হবেনা বলে মনে করি।
* শুভ্র চরিত্রটাকে সম্পূর্ণ সত্যরূপে প্রকাশ করতে লেখক পুরোপুরি সক্ষম হন নাই বলে আমার কাছে মনে হয়েছে। তবে এটা নিছক একটা ধারণা মাত্র, লেখকই এ চরিত্রের স্রষ্টা, তিনিই ভাল জানেন। আমার কাছে মনে হয়েছে, মধ্যবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্ত ঘরের মেধাবী ছেলে শুভ্র অকারণ এতটা ইরেস্পন্সিবল হতে পারেনা। গল্পটা যদি সত্য ঘটা অবলম্বনে রচিত হয়ে থাকে, নির্মোহভাবে চিন্তা করে লেখক একদিন হয়তো আমার সাথে একমত হলেও হতে পারেন।
* গল্পে প্রেমের নদী ঘন ঘন আচমকা বাঁক নিয়েছে, অসফল পরিণতি পেয়েছে, জীবনের মরুপথে হারিয়ে গেছে, কিন্তু কোথাও কক্ষনো প্রেমের অমর্যাদা হয়েছে বলে আমার কাছে মনে হয়নি।

যে কথা দিয়ে শুরু করেছিলাম, সে কথাটি পুনরায় উল্লেখ করেই আমার মন্তব্য শেষ করছি। সদ্যপ্রয়াত, সদ্যসম্পর্কচ্যূত শাশুড়ির মৃত্যু সংবাদ পেয়ে একা একাই নায়িকার সে বাড়ীতে ছুটে যাবার সিদ্ধান্তের জন্য লেখককে অভিনন্দন! এটা একাধারে দায়িত্ববোধ এবং মানবিকতার পরিচয় বহন করে। ঐ পরিস্থিতিতে খুব কম সংখ্যক নারী এ সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে সক্ষম হতেন/হবেন বলে আমার কাছে মনে হয়েছে।




২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫৩

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: কথা সত্য। এই গল্পের সকল দৃশ্যই আমার চোখের সামনে দেখা বা ঘটে চলা নানা ঘটনা থেকেই এসেছে। তবে তা কোথায় কখন কেমন ছিলো তা আমি জানি। কিন্তু উপস্থাপিত করেছি গল্পের সাথে যেখানে যেমন দরকার মনে হয়েছে।

* গল্পটি অত্যন্ত পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে, যদিও গল্পের লেখক অনেকগুলো পর্ব পর্যন্ত অচেনা ছিলেন।
গল্প না শেষ হওয়া পর্যন্ত আমি কোনোভাবেই চাইনি আমার পরিচিতি। তাহলে আমি নির্মোহ নিরপেক্ষভাবে এবং কিছুটা ওপেনলি লিখতে পারতাম। এটাই আসল কারণ ছিলো। তবুও যড়যন্ত্রকারীর ফাদে পড়ে গেলাম। একটু বোকামী নিজেরই ছিলো যদিও। যড়যন্ত্রকারী খুব ভালোভাবেই জানতো আমার পরিচিতিতে আমি মন খুলে লিখতে পারবোনা।

কিন্তু কেউ কখনও আমাকে চ্যালেঞ্জ করলে উল্টা চ্যালেঞ্জ যে আমি গ্রহন করবো না তা তার জানা ছিলো না ।

যাইহোক এই কমেন্ট পড়তে গিয়েও আমার কান্না পেলো।

যে কথা দিয়ে শুরু করেছিলাম, সে কথাটি পুনরায় উল্লেখ করেই আমার মন্তব্য শেষ করছি। সদ্যপ্রয়াত, সদ্যসম্পর্কচ্যূত শাশুড়ির মৃত্যু সংবাদ পেয়ে একা একাই নায়িকার সে বাড়ীতে ছুটে যাবার সিদ্ধান্তের জন্য লেখককে অভিনন্দন! এটা একাধারে দায়িত্ববোধ এবং মানবিকতার পরিচয় বহন করে। ঐ পরিস্থিতিতে খুব কম সংখ্যক নারী এ সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে সক্ষম হতেন/হবেন বলে আমার কাছে মনে হয়েছে।
এই পর্ব লেখা সবচাইতে কঠিন ছিলো। কারণ এই উপলদ্ধি এই নিজের সিদ্ধান্ত নেবার সঠিক ক্ষমতা লাভ করেছিলাম আমি শুভ্র থেকেই। সেই আমাকে শিখিয়েছিলো শ্বাসত ধ্যান ধারনার বেড়াজাল ভেঙ্গে ফেলে নিজের কাছে যা সঠিক মনে হয় তাই করতে।

হ্যাঁ ঠিক আমি শুভ্রকে এক্সপ্লেইন করতে পারিনি। চেষ্টা করেছি কিন্তু নিজেই যাকে পুরোপুরি আবিষ্কার করতে পারিনি তাকে কি করে লিখি?

সোনাবীজভাইয়া যদি কখনও সিনেমা বানায় সেই গল্পে হয়ত লেখিকা নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করতে পারবেনা কিন্তু টাইটানিকের বুড়ি থুত্থড়িটার চরিত্রে পারবে আর ঐ নীলমনি লকেটের মত বালা দুটি ফেলে দেবে জলে........

তারপর চোখ মুদবে। বালার সাথে ভালোবাসা আর জীবন দুই জলাঞ্জলী দেবে ..... হা হা

২৯| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:৫৬

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: খায়রুল আহসান বলেছেন: "আমি শুধু জানতাম আমাকে যেতে হবে" - রাইট এন্ড রেস্পন্সিবল রেসপন্স, রাইট ডিসিশন!

বালাদুটো গ্রহণের পর লেখকের মনের মধ্যে খেলে যাওয়া অব্যক্ত কথাগুলো মর্মস্পর্শী; এখন বেশ বুঝতে পারছি, কেন এত অশ্রু গড়িয়েছিল এসব ভাবতে, লিখতে।


একটা গান আছে নজরুলের-
তুমি শুনিতে চেও না আমার মনের ব্যাথা......এটা শুনতে হবে খায়রুল ভাই.....

আবার, বালাদুটো শুভ্রকে ফেরত দেয়ার সময় উভয়ের ব্যক্ত কথাগুলো সুব্যক্ত, সুবিন্যস্ত। একটি হৃদয়স্পর্শী ট্রাজেডীর সুনিপুণভাবে রচিত উপসংহার, যা সাধারণতঃ বিবেক এর মুখ দিয়ে উচ্চারিত হয়ে থাকে।

হুম...... সবই শুভ্রের অবদান........ আর শুভ্র না থাকলে তো এই গল্পের সূচনাই হত না......

এ সিরিজে এ যাবত যতগুলো ছবি/গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে, তার মধ্যে এ পর্বের শেষের ছবিটি সবচেয়ে বেশি বাঙ্ময়।

খুব সুন্দর ছবিটা। যেন এই গল্পের জন্যই রাখা ছিলো ....

৩০| ২৩ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: ৩ ও ৪ নং মন্তব্য এবং প্রতিমন্তব্য, দুটোই ভাল লেগেছে; উভয়কে ধন্যবাদ।
শুভ্র চরিত্রটাকে অনেকের কাছেই নেতিবাচক মনে হয়েছে, হয়তো তার ইতিবাচক দিকের চেয়ে লেখায় নেতিবাচক দিকটাই বেশি উন্মোচিত হয়েছে বলেই। যে ছেলে আইবিএ তে চান্স পায়, তার তো সমস্যা সমাধানে পটু হবার কথা; সেটা বৈষয়িক হোক, ব্যবসায়িক হোক কিংবা সচরাচর বাস্তবে ঘটা কোন জাগতিক সমস্যা হোক। জানিনা সেই শুভ্র এ ব্লগে কখনো সখনো বিচরণ করে থাকেন কিনা, এবং করলে তিনি এই সিরিজটা পড়ে চলেছেন কিনা কিংবা আদৌ কোনদিন পড়বেন কিনা। তবে তার কাছ থেকে কোনদিন তার দিকটা শুনতে পেলে মন্দ হতোনা।

২৪ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১২:১৯

কবিতা পড়ার প্রহর বলেছেন: সে কখনও পড়বে কিনা জানিনা। ইদানিং সে ব্যাস্ত আছে। জগৎ সংসার নিয়ে। এতদিনে ব্যাস্ত হলো হয়ত। যাইহোক কখনও পড়বে কিনা আমিও জানিনা। আমিই পড়াবো নয়তো কখনও কোথাও যদি জানতে পারে পড়বে কিনা জানিনা।
তবে মনে হয় না সে কোনো কৈফিয়ৎ দেবে.... কারণ ..... প্রশ্নত্তোর পর্বে কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.