| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
খাজা মুহাম্মদ মাসুম
আল্লাহুম্মা সাল্লা আলা সাইয়্যেদেনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদ ওয়া আলা আলেহি ওয়া আসহাবীহি ওয়া আজওয়াজিহি ওয়া আহলে বাইতিহি ওয়া বারেক ওয়া সাল্লাম ।
উত্তরঃ- অবশ্যই জায়েয আছে । কেননা,আল্লাহর বান্দাগন হচ্ছেন উপলক্ষ্য ও উছিলা মাত্র ।তাদের উছিলায়ই আল্লাহ সাহাজ্য করেন ও বিপদ দূর করেন ।আল্লাহ তায়ালার নিয়ম নীতি হচ্ছে- কোন ফেরেস্তা বা বান্দার মাধ্যমে কাজ সম্পাদন করা ।যেমনঃ- ফেরেস্তার মাধ্যমে শিশুর রুহ প্রদান করা,বান্দার হেফাযত করা,বৃষ্টি নাজিল করা,মেঘমালা তৈ্রী করা ও পরিচালনা করা,রিজিক বন্টন করা,মৃত্যু দান করা,ডাক্তার ও ঔষধের মাধ্যমে রোগ দূর করা,সূরযের তাপের মাধ্যমে পৃ্থিবী উষ্ণ রাখা, নবী ও অলীগনের মাধ্যমে লোকদের হেদায়াত দান করা,পিতা-মাতার মাধ্যমে সন্তান উৎপাদন করা-ইত্যাদি ।এগুলো হচ্ছে উপলক্ষ্য । (এগুলোকে স্বী্কার করে নেওয়ার নামই হল ঈমান)
অসংখ্য দলীল দ্বারা এগুলো প্রমানিত । যেমনঃ-
১. সহীহ মুসলিম শরীফে নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইরশাদ করেছেনঃ-
"وللہ فی عون العبد ما کان العبد فی عون اخیہ (رواہ مسلم)"
- “আল্লাহ তায়ালা ততক্ষন ঐ বান্দাকে সাহজ্য করেন,যতক্ষন সে অন্য ভাইয়ের সাহাজ্য করে”(মুসলিম শরীফ)
-
২. আবু দাউদ শরীফের আরেকটি হাদিসে পাকে আছেঃ-
"ان تغیثوا الملھوف وتھدوا الضّالّ (رواہ ابو داؤد)"
-“তোমরা বিপদগ্রস্থকে সাহাজ্য করো এবং পথহারাকে রাস্তা প্রদরশন করো” (আবু দাউদ শরীফ)
উক্ত দুটি হাদিসে অন্যকে সাহাজ্য করা ও পথহারাকে পথ প্রদরশনের জন্য আদেশ করা হয়েছে । সুতরাং সাহাজ্যের জন্য কেউ উপলক্ষ্য হওয়া জায়েয ।
[আল্লাহ তায়ালাই অধিক ভালো জানেন]
![]()
View this link
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১:১৬
খাজা মুহাম্মদ মাসুম বলেছেন: আমাদের অসুখ হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই কেন? গিয়ে বলি ডাক্তার সাহের আমাকে ভাল করে দেন । আমাদের জিবনে চলতে গেলে প্রতিদিন ই আনেকের সাহায্য নিতে হয় , এই অবস্থা আল্লহ পাকই স্রিষ্টি করেছেন । আল্লাহ পাক যদি চাইতেন আসমান থেকে একজন একজন করে আমদের এই পৃথিবিতে ওহির মত নাজিল করতে পারতেন কিন্তূ তিনি তা করেন নাই আমাদের কে আনেকের সাহায্য নিয়েই চলতে হয় । এতে কোন ক্রমে আল্লাহর বিন্দু মাত্র সম্মান নস্ট হয় না । তিনি সমস্ত জাহানের প্রভু । তাকে এতো সংকির্ন ভাব ঠিক নয় ।
প্রসংগের মধ্যে আলোচনা করুন তবে আলোচনা থেকে আপনি ও আমি কিছু জানতে পারবো ।
[আল্লাহ তায়ালাই অধিক ভালো জানেন]
২|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৫:২৪
rasel246 বলেছেন: আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে সাহায্য চাওয়া বড় শিরিক। কারন আল্লাহ কোন শরীক নাই।
" উক্ত দুটি হাদিসে অন্যকে সাহাজ্য করা ও পথহারাকে পথ প্রদরশনের জন্য আদেশ করা হয়েছে । সুতরাং সাহাজ্যের জন্য কেউ উপলক্ষ্য হওয়া জায়েয ।" ----> এখানে বিনিময় হয়েছে, মাধ্যম বা উচিলা বা উপলক্ষ্য কিভাবে হল বুঝতে পারছিনা? আপনি কোন সাহাবী বলেছেন, মুসলিম শরীফ ও আবু দাউদ শরীফের কত ন: হাদিস তাও বলেননি?
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৯:৪০
খাজা মুহাম্মদ মাসুম বলেছেন: কে বলছে আপনাকে । এই জাতিয় অদ্ভুত কথা !
শিরিক মানে কি ?
শিরিক মানে শোরিক করা । আপনি কি এতো ই নির্বোধ যে সমস্ত জাহানের রব এর সাথে আপনি শরিক করবেন , শরিক করবেন কি করে ? তিনি তো স্রিষ্টিকর্তা অন্য কাউ কে কি বলেন আপনি স্রিষ্টিকর্তা ? যদি আপনি আমাকে আপনার স্রিষ্টি কর্তা মনে প্রানে মনে করেন তবে শিরিক হবে । আল্লাহ ব্যাতিত কাউ কে প্রভু মনে করা শিরিক ।
এখানে মুল হাদিস বর্ননা করা হয়েছে । মুসলিম শরীফ ও আবু দাউদ শরিফ খুল্লেই পেয়ে যাবেন ।
আল্লাহ কে আল্লাহ মনে করেন তিনি সর্বশ্রষ্ট যদি মনে না করেন তবে তবেই কুফুরি হবে ।
আর শ্রেষ্ট তাকেই বলে যিনি সকল সংকৃর্নতার উর্দে ।
আপনার কথায় বুঝা গেল যে .. ভাই আমাকে এক গ্লাস পানি দেন ? এই সাহায্য চাইলে শিরিক হয়ে যাবে । আপনি অবুঝ তাই বলে সকল মানুষ তো আর আপনার মতো নয় ।
[আল্লাহ তায়ালাই অধিক ভালো জানেন]
৩|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫৮
মদন বলেছেন: অমুক ডাক্তারের ঔষুধ খেয়ে আমার রোগ ভালো হয়েছে। অথবা ড্রাইভারের দক্ষতার কারনে আমরা দুর্ঘটনার হাত থেকে বেচে গেলাম।
এই ধরনের কথা বলাও শিরক।
ভাই এক গ্লাস পানি দিন। এটি বলার মধ্যে কোনো শিরক নেই কিন্তু "ডাক্তার সাহেব আমাকে বাচান" এই কথা বলা পুরাই শিরক।
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:২০
খাজা মুহাম্মদ মাসুম বলেছেন: আপনি তো পুরা বামফ্রন্ট দেখছি !!!
আল্লাহ কে কি অন্তর্যামী এই বিষয়ে আপনার কি মত ? তিনি যে আপনার অন্তর ও বাহির সম্পর্কে খুব ভাল করেই অবগত এই বিষয়ে আপনি জানেন তো ?
আমাকে "বাচান " ' শব্দ র অর্থ হচ্ছে আমাকে সাহায্য করেন । আমার খুব ব্যাথা এখনই আমাকে একটা ইন্জেকশন দিয়ে আমাকে এই কঠিন ব্যাথা থেকে মুক্ত করুন ।
আপনার মতে আল্লাহ কি খুব জটিল উপায়ে চিন্তা করেন । বান্দার ভাল করে কথা বলতে পারবে না তিণি শিরিক খুজতাছেন বসে বসে । আল্লাহর ক্ষমতাকে খুব ছোট করে দেখছেন ।
আল্লাহ সকল বিষয়ের উপড় বিষন ভাবে ক্ষমতাবান । তিনি ভাল করেই জানেন তার বান্দা কি বলতে কি বুঝাচ্ছে ।
[আল্লাহ তায়ালাই অধিক ভালো জানেন]
৪|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৫
কিরিটি রায় বলেছেন: আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে সাহায্য চাওয়া জায়েজ নাই।
ইহাই সত্য।
আর আমরা আল্লাহর পৃথিবীতে আল্লাহকে ছাড়া একদন্ডও কি বাঁচতে পারি? পারিনা। তাঁর উপস্থিতিই জীবন, অনুপস্থিতিই মৃত্যু। তিনি সর্বব্যাপী, তিনি সর্ব বিরাজমান। এমন কোন বস্তু নেই যেখানে তাঁর ক্ষমতার উপস্থিতি নেই। তিনি কোন বস্তু নন। আবার কোন বস্তু থেকে পৃথকও নন। তাঁর প্রশংসা এবং গুনাবলী বর্ণণা করার শেষ নেই।
কেউ কেউ একে সর্বশ্বেরবাদ বলে পৃথক করতে চাইলেও জ্ঞান এবং উপলদ্ধী দিয়ে ভেবে দেখুন এ্রর বাইরে কিছূ আছে কি?
থাকলে বলুন।
এ্ক্ষনে সর্ব কিছুতে তার বিরাজমানতা থাকায় বাহ্যত সাহায্য যার কাছেই চাই মূলত তা আল্লাহরই কাছে চাওয়া হয়।নয় কি?
আল ওয়াছিলাতা ইল্লা বিল্লাহ- যে সত্যকে সামনে আনে তার কাছে আমাদের প্রচলিত, শোনা বা খন্ডিত জানা সম্ভবত খুব বেশী গুরত্ববহন করে না। করে কি?
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫২
খাজা মুহাম্মদ মাসুম বলেছেন: আপনার সহিত এক মত ।
৫|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৬
মদন বলেছেন: আগের পোষ্টে আমারে জামাতি বানাইলেন। এইখানে বানাইলেন বামফ্রন্ট।
এরপর কি কইবেন? নাস্তিক নাকি কাফের?????
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৫৬
খাজা মুহাম্মদ মাসুম বলেছেন: মনে কষ্ট পাবেন না । আপনার মতামত খানা ঐ পোস্টে জামাতের মত ছিল ।এখান নে বাম ফ্রন্ট মানে উগ্রপন্থি । ক্ষমা করবেন । ব্যাক্তিগত ভাবে নিস্চই একজন ভাল মানুষ তা না হলে ইসলাকি বিষয়ে আপনার আগ্রহ থাকতো না । সুন্দর থাকবেন ।
৬|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২২
মুক্ত আকাশ বলেছেন: আল্লাহ তায়ালার নিয়ম নীতি হচ্ছে- কোন ফেরেস্তা বা বান্দার মাধ্যমে কাজ সম্পাদন করা ।যেমনঃ- ফেরেস্তার মাধ্যমে শিশুর রুহ প্রদান করা,বান্দার হেফাযত করা,বৃষ্টি নাজিল করা,মেঘমালা তৈ্রী করা ও পরিচালনা করা,রিজিক বন্টন করা,মৃত্যু দান করা,ডাক্তার ও ঔষধের মাধ্যমে রোগ দূর করা
ফেরেস্তার কাছে কি সাহায্য চাওয়া যাবে?
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৪
খাজা মুহাম্মদ মাসুম বলেছেন: ফেরেসতাদের বিষয়ে জানি না , বলতে পারছি না । কারন এিরকম কোন কাজ করছে শুন না ।
একটা কথা কি জানেন ?
আপনি যদি নামাজের মুসল্লায় নামাজ পরে মুনাজাতে আল্লার কাছে এক গ্লাস পানি চান অথবা ১০০০০, টাকা চান তিনি কি খুশি হবেন ভাবছেন ? একটা চড় লাগিয়ে দিতে পারেন তাঁর কোন সোর্স থেকে । আপনার উচিত পানির পাত্রের কাছে যাওয়া বা টাকা যে আপনাকে দিবে তার কাছে গিয়ে তাকে আনুরোধ করা । এটাই আল্লাহ পছন্দ করেন । কারন আল্লাহ আমাদের মাথায় বুদ্ধি দিয়েছেন এই গুলো স হ জ করার জন্য । সকল কাজের কাজি তিনি কাজ করান তার বান্দা দিয়ে ।
ভাল থাকুন ।
৭|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ৯:৪২
rasel246 বলেছেন: @লেখক বলেছেন-
আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে সাহাজ্য চাওয়া জায়েয আছে কিনা ?
উত্তরঃ- অবশ্যই জায়েয আছে ।
আপনার কথায় বুঝা গেল যে .. ভাই আমাকে এক গ্লাস পানি দেন ? এই সাহায্য চাইলে শিরিক হয়ে যাবে । আপনি অবুঝ তাই বলে সকল মানুষ তো আর আপনার মতো নয় ।
___________________________________________
শিরিক বলা হয় ঃ আল্লাহ তা’আলার প্রভুত্ত বা তাঁর উপাসনা-বন্দনা অথবা তাঁর নাম ও গুনাবলী এর ক্ষেত্রে শরীক (সমকক্ষ-অংশীদার) নির্ধারণ করা ।
সকল কাজে সর্বাবস্থায় আল্লাহ তা’আলার উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) করা একটি শীর্ষ পরযায়ের ইবাদত যা কেবলমাত্র আল্লাহ তা’আলার উদ্দেশে্যই সম্পাদিত হওয়ার দাবী রাখে। সুতরাং যদি কোন বাক্তি এমন বিষয়ের ক্ষেত্রে গাইর’’ল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করলে যে বিষয়ের উপর আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত অন্য কেউ ক্ষমতা রাখে না। তাহলে সে আল্লাহর সাথে শিরিক করল। যেমন কেউ অনিষ্ট প্রতিরোধ ,উপকার ও রিযিক অর্জন ইত্যাদি বিশয়ে মৃত ও অদৃশ্য বাক্তিবর্গের
উপর তাওয়াক্কুল করল (যে অমুক সহায় থাকলে কোন চিন্তা নাই ইত্যাদি) । আর এরুপ শিরিক কে শিরিকে আকবরের অন্তর্ভুক্ত । আল্লাহ তা’আলা বলেন ঃ-
“এবং একমাত্র আল্লাহ তা’আলার উপরই তাওয়াক্কুল কর যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাক।“(সুরা মায়েদাঃ ২৩)
যারা একদিন লাত উজ্জা প্রভৃতি দেব-দেবীর পূজা করতো, তারা কিন্তু এ বিশ্বাস করতো না যে এগুলো হল তাদের প্রভূ বা সৃষ্টিকর্তা। বরং তারা বিশ্বাস করতো এগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে বা তাদেরকে অসীলা হিসাবে গ্রহণ করে তারা আল্লাহ নৈকট্য অর্জন করবে। তারা এটাও বিশ্বাস করতো না যে, এ সকল দেব-দেবী বৃষ্টি দান করে বা রিযক দান করে। তারা বলতো :
আমরা তো তাদের ইবাদত করি এ জন্য যে তারা আমাদের আল্লাহর
নিকটবর্তী করে দেবে। (সূরা যুমার, আয়াত ৩)
তারা এ সম্পর্কে আরো বলতো :
এরা (দেব-দেবী) আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে শুপারিশ করবে। (সূরা ইউনূস, আয়াত ১৮)
দেখা গেল তারা এ অসীলা গ্রহণের কারণেই শিরকে লিপ্ত হয়ে পড়লো।
অনুরুপভাবে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কলিজার টুকরা কন্যাকে সম্বোধন করে বলেছেনঃ (হে ফাতিমা ! আমার কাছে যত সম্পদ আছে তার থেকে যা ইচ্ছা হয় চেয়ে নাও, আমি আল্লাহর কাছে তোমার কোন কাজে আসবনা )। (বুখারী ও মুসলিম)
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১০:১৩
খাজা মুহাম্মদ মাসুম বলেছেন: শিরিক বলা হয় ঃ আল্লাহ তা’আলার প্রভুত্ত বা তাঁর উপাসনা-বন্দনা অথবা তাঁর নাম ও গুনাবলী এর ক্ষেত্রে শরীক (সমকক্ষ-অংশীদার) নির্ধারণ করা ।
ঠিক আছে তো ।
তবে এই হাদিস খানা " অনুরুপভাবে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কলিজার টুকরা কন্যাকে সম্বোধন করে বলেছেনঃ (হে ফাতিমা ! আমার কাছে যত সম্পদ আছে তার থেকে যা ইচ্ছা হয় চেয়ে নাও, আমি আল্লাহর কাছে তোমার কোন কাজে আসবনা )। (বুখারী ও মুসলিম)"
উম্মত কে শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাত্র ।
মা ফাতেমা তুজ জাহরা যিনি খতুনে জান্নাত যিনি জান্নাতে সকল মহিলাদের সর্দার তিনি মহান নবী নন্দিনি ।
তার কোন চিন্তা নেই তার সকল চিন্টাই ছিল মহা নবী (সা) এর উম্মত তথা আমাদের জন্য ।
৮|
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:৩৫
rasel246 বলেছেন: লেখক বলেছেন: শিরিক বলা হয় ঃ আল্লাহ তা’আলার প্রভুত্ত বা তাঁর উপাসনা-বন্দনা অথবা তাঁর নাম ও গুনাবলী এর ক্ষেত্রে শরীক (সমকক্ষ-অংশীদার) নির্ধারণ করা ।
ঠিক আছে তো ।
#আল্লাহর ১ টি গুনবাচক নাম হলো সাহায্যকারী। আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে সাহাজ্য চাওয়া হলে তা শিরীক হয়ে যায়।
তবে এই হাদিস খানা " অনুরুপভাবে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর কলিজার টুকরা কন্যাকে সম্বোধন করে বলেছেনঃ (হে ফাতিমা ! আমার কাছে যত সম্পদ আছে তার থেকে যা ইচ্ছা হয় চেয়ে নাও, আমি আল্লাহর কাছে তোমার কোন কাজে আসবনা )। (বুখারী ও মুসলিম)"
উম্মত কে শিক্ষা দেওয়ার জন্য মাত্র ।
# যেহেতু উম্মত কে শিক্ষা দেওয়ার জন্য, তাই শিক্ষা নিয়া নেন, দুনিয়া ও আখেরাতে কাজে লাগবে।
আশা করি আপনাকে আমি বুঝাতে পেরেছি। আর না বুঝলে কিছু করার নাই।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৪২
কান্টি টুটুল বলেছেন: আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে সাহাজ্য চাওয়া জায়েয আছে কিনা ?
আল্লাহ ছাড়া আর কারো কাছে সাহাজ্য চাওয়া শির্ক বলেই মনে করি।
আল্লাহ তায়ালার নিয়ম নীতি হচ্ছে- কোন ফেরেস্তা বা বান্দার মাধ্যমে কাজ সম্পাদন করা.......এত সহজে এত বড় কথা বলে ফেললেন?,মানুষ তার পাশের বাসার বন্ধু সম্পর্কে এই ভাবে কথা বলে।
ফারহাত৮৮৯ ভাইয়ের এক পোষ্টে আপনি বলেছেন :
আপনার গবেষনার জন্য বলি এক হযরত মুহাম্মদ (সা.) ব্যাতিত কেহই আল্লাহ কে দেখতে পারে না ।
এই তথ্য কোথায় পেলেন?সূত্রের উল্লেখ ছাড়া এই রকম তথ্য কেন দেন?
হযরত মুহাম্মদ (সা.) ব্যাতিত আল্লাহর এই পৃথিবিতে কোন আগ্রহ নেই আমাদের ব্যাপারে ।
আমাদের ব্যাপারে কার আগ্রহের কথা বলছেন?কেন বলছেন?