নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জীবন কেবলই ফুরিয়ে যায়।

মোঃ মাইদুল সরকার

একদিন জীবন শেষ হয়ে যাবে তবুও অনেক কিছু করার সাধ জাগে..............

মোঃ মাইদুল সরকার › বিস্তারিত পোস্টঃ

-প্রতিদিন একটি করে গল্প তৈরি হয়-৪৮

০৮ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫০




আমাদের অনেকরই মনে নেই জীবনের প্রথম রোজা কবে রেখেছিলাম। কি দয়ে সেহেরি ও ইফতার করেছিলাম। আজকের গল্পটা তৈরী হয়ে ছে আমার কন্যা জাফরিন মালিহার প্রথম রোজা রাখা নিয়ে।


রমাদান আসার পর প্রতিদিনই বলে ভোর রাতে আমারক ডাক দিও সেহেরি খাব। কিন্তু যখন ভোরে ডাক দেই সে বলে খাব কিন্তু চোখ খুলেনা, উঠেনা। এভাবেই ১৫টি রমাদান পার হরো।

০৬ মার্চ-২০২৬ শুক্রবার ১৬ তম রোজাটা রেখে জীবনের প্রথম রোজা রাখার অভিজ্ঞা অর্জন হলো তার। সেহেরিতে ছিল মুরগীর মাংস আর মাষকলাই ডাল। দুধ কলা দিয়ে ভাত সে খায়না। তাই মাংস আর ডাল দিয়েই প্রথম সেহেরি খেয়েছে। দুপুর পর্যন্ত ভালই কাটলো। দুপুরের পর বলল, পিপাসা লেগেছে, ক্ষিধাও পাচ্ছে। আমরা বললা, ঘুমিয়ে থাকো, সময় কেটে যাবে, ঘুম থেকে উঠে বিকালে একটু খেলা করে এসো বাসার নীচ থেকে তাহলে ইফতারের সময় হয়ে যাবে আর রোজা ভাঙ্গবেনা একটি রোজা সম্পন্ন করতে পারবে।

ঘুমাতে গেলো। তার নাকি ঘুম আসেনা। ছোট ভাই ঘুমিয়ে গেলো, সে ঘুমালো না। টেবিলে তরমুল দেখে হাত দিয়ে একটু চিমটি কেটে নিল, তার মা দেখে বলল, খেওয়না রোজা ভেঙ্গে যাবে।

সে বলল, একটু খেলেও রোজা ভাংবে ?

আমি বললাম, হ্যা মা, একটু খেলেও রোজা ভেঙ্গে যায়।

আবার বেসিনে গেলো, পাতে পানি নিল। বলল, এক ফোঁটা পানি খাই।

বললা, ইচ্ছাকৃতভাবে একফোটা খেলেও রোজা ভেঙ্গে যায়। যদি ভুল করে খাই তবে ভাংবেনা।

বললাম -না।

সে পানি ফেলে দিয়ে আবার বিছানায় গেলো। বললাম যদি ঘুম না আসে তবে ড্রয়িং করো আর যদি খুব বেশি খারাপ লাগে তাহলে কিছু খেয়ে রোজা ভেঙ্গে ফেলো। সামনের বার আবার ট্রাই করো।

সে বলল, না আমি ওয়ানে পড়ি এবার একটি রাখবোই।

আছর নামাজের পর সে নীচে খেলতে গেল তার বান্ধবী সাফার সাথে।

সে দিন আমাদের বিল্ডিং এর দারওয়ান ও আশাপাশের ফ্ল্যাটে ইফতার দেওয়ার আয়োজন ছিল। মাগরিবের আগে দারওয়ান আংকেলকে ইফতার দিয়ে মেয়েকে নিয়ে বাসায় ফিরলাম। দুই রকামের শরবত, দশ রকমের ফল, ছোলা ও হরেক রকম ভাজা পুরি, তার মায়ের হাতে বানানো স্যান্ডউইচ ও কাস্টার্ড। আমার সাথে পাশের সব ফ্ল্যাটে ইফতার দিয়ে এসে আজান হওয়ার পর ইফতার করলো। সে পানি, শরবত আর ফল গেল বেশি তার পর জিরিয়ে স্যান্ডউইচ।

তার অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে বলল, ভালো লাগছে, একটু খারাপ লাগছে তবে আরোও একটা রাখতে পারবো।

তাকে ধন্যবাদ দিলাম, আর আল্লাহর কাছে শুক্রিয়া।

ছবি-নিজের তোলা। ঘরে বানানো মেয়ের পছন্দের পিৎজা।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ইংশাআল্লাহ একদিন অভ্যাস হয়ে যাবে। আল্লাহ নেক হায়াত দান করুন

০৮ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আমিন। ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.