| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এত ভারতপ্রীতি কেন ? বুঝলাম খুব ভালোবাসা আমাদের দুই দেশের মাঝে, তাই বলে কি যা চাইবে তাই দিতে হবে ? ট্রানজিটের ব্যাপার তো ঢাকাই পরে গেছে, টিপাইমুখ নিয়ে তো মন্ত্রিরা বলেছেন কোন ক্ষতি হবেনা বাংলাদেশের। তিস্তা নিয়ে কি করলেন সেটাও খুব একটা প্রকাশ পায়নাই, অল্প সময় ব্যাবধানে ভারতের বিশেষ কয়েকজন এলেন, কি বললেন তা আমরা জানতে পারিনাই। সব ঢাকা পরে গিয়েছে।
সম্প্রীতি সৌহার্দ থাকবে দুই দেশের মাঝে, তাই বলে যদি সব কিছু মেনে নেয়া হয় তাহলে আপনাদের দরকার কি, পাপেট যখন করেই ফেলেছেন দেশটাকে।
বাগেরহাটের রামপালে বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বিপিডিবি (Bangladesh Power Development Board) আর ভারতের এনপিটিসি (National Thermal Power Corporation) এর ৫০-৫০ যৌথ উদ্যোগে।
* বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কোম্পানিটিকে এ কর রেয়াত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কোনো বিদেশি কোম্পানিকে এ ধরনের কর রেয়াত দেওয়ার ঘটনা এই প্রথম। বিদেশি কোম্পানি কে কর রেয়াতের আওতায় এনে দেশের সাধারণ মানুষদের উপর সারচার্জ আরোপ করে, সেবা টা কাকে দেয়া হচ্ছে ? এমনিতেই আপনাদের রেন্টাল কেচ্ছা কাহিনীর জন্যে আজকে বিদ্যুত বিল নিয়ে নাভিশ্বাস ওঠে মানুষের। আবার নতুন আরেক উপায় বের করেছেন কি করে আরও কিছু বের করে নেয়া যায় সাধারণদের থেকে ?
* এনটিপিসি বলছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি প্রতিবার চালাতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের জন্য দুই মিলিলিটার হিসাবে জ্বালানি তেল লাগবে। আর বিপিডিবি বলছে, এক মিলিলিটার লাগবে। এখন যদি সরকারের ভারত বন্দনার জন্যে এনটিপিসি’র কথা মেনে নেয়া হয়, তাহলে খরচ বাড়বে দ্বিগুণ। খরচ বাড়লেও তো সমস্যা নেই, আমরা বোকারা আছিনা, বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে সেটাও আদায় করা হবে আমাদের কাছ থেকে।
লিঙ্ক
* পশুর নদের তীরে সুন্দরবনের অতি সনি্নকটে মাত্র ৯.৩০ কিলোমিটার অদূরে রামপাল উপজেলার কৃষি এবং মৎস্য চাষের স্বর্গ সাপমারী, কৈগরদাসকাটি, কাঁটাখালি মৌজায় সম্পূর্ণ কৃষিজমিতে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ হতে যাচ্ছে। কিন্তু এখানে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হলে সুন্দরবনের অর্ধেকাংশ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
লিঙ্ক
লিঙ্ক
©somewhere in net ltd.