| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের স্থগিতাদেশ চেয়ে জমাতের করা আবেদন চেম্বার বিচারপতি খারিজ করে দিয়েছেন । আল- হামদুলিল্লাহ ... ।
রায়ে হাইকোর্ট বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতে রুল অ্যাবসলিউট (রুল মঞ্জুর) করা হলো যে, নির্বাচন কমিশন জামায়াতকে যে নিবন্ধন দিয়েছে, তা অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত। এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।
এখানে উল্লেখ থাকে যে, ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর জামায়াতকে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট আবেদন করেন তরিকত ফেডারেশনের তত্কালীন মহাসচিব সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ জন ব্যক্তি। প্রাথমিক শুনানির পর ওই বছরের ২৫ জানুয়ারি হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুল জারি করেন। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয় গত ১২ জুন।
রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীকে দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে করা রিটে বলা হয়, জামায়াতের নিবন্ধন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০বি (১)(বি)(২) এবং ৯০সি-এর অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও সংবিধান পরিপন্থী। এই অনুচ্ছেদগুলোতে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের অযোগ্যতার বিষয়ে বলা আছে।
রিট আবেদন থেকে জানা যায়, এই ধারাগুলোতে কিছু শর্তের কথা বলা আছে, যেগুলো পূরণ না করলে রাজনৈতিক দলটির নিবন্ধন বাতিল হতে পারে। এক. দলের গঠনতন্ত্র যদি সংবিধান পরিপন্থী হয়। দুই. গঠনতন্ত্রে কোনো বিশেষ ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, ভাষা বা লিঙ্গভেদে কোনো বৈষম্য প্রতীয়মান হয়। তিন. নাম, পতাকা, চিহ্ন বা অন্য কোনো কর্মকাণ্ড দ্বারা সাম্প্রদায়িক ঐক্য বিনষ্ট হওয়া কিংবা দেশকে বিচ্ছিন্নতার দিকে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। চার. দলের গঠনতন্ত্রে দেশের ভৌগোলিক সীমার বাইরে কোনো দপ্তর, শাখা বা কমিটি গঠন এবং পরিচালনার বিধান থাকে।
প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক (সাবেক প্রধান বিচারপতি) ও বিচারপতি মো. আবদুল হাইয়ের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ রুল জারি করেন। রুলে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০বি (১)(বি)(২) এবং ৯০সি ধারার পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, মতিউর রহমান নিজামী ও নির্বাচন কমিশনসহ চার বিবাদীকে ছয় সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। রুলের ওপর গত এপ্রিল থেকে ১২ জুন পর্যন্ত নয় কার্যদিবস শুনানি হয়।
হাইকোর্টের দেওয়া রায় প্রত্যাখ্যান করে ঈদের পর ১২ ও ১৩ আগস্ট সারা দেশে ৪৮ ঘণ্টার লাগাতার হরতালের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
জামাতের অন্তত আগামি বার “দাড়ি পাল্লা” নিয়ে নির্বাচন করা হবে না। আশা করছি জমাত বি এন পি এবার জোটকরে বি এন পির হয়েই নির্বাচন করবে । চিন্তার কারন নেই ভোট আগে যা ছিল এখন তাই থাকবে। বড় কথা হল জমাতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দিকেই যাচ্ছে, যা দেশ বাসী চাচ্ছে । আশা করা যাচ্ছে আগামীতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জমাত একটি রাজনীতি ক দল হিসাবে নিষিদ্ধ হবেই।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ২:২৪
কলম বক্তা বলেছেন: আমার লিখা সমূহ সবার পড়ার জন্য প্রকাশ করতে চাই। আমি বিশেষ একটা মতাদর্শে বিশ্বাসী এবং সেই মতা দর্শনের সপক্ষে লিখতে চাই। সবাই পড়ুক । সেজন্য প্রকাশ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরুধ করছি । মার্জিত ভাবে অন্য ব্লগেরদের লিখার উপর মতামত দিতে চাই । তাছাড়া আমি চাই যে কেউ আমার লিখার সমালোচনা করুক বা মতামত প্রকাশ করুক । আমি এও অনুরধ করতে চাই যে, আমার লিখা সমূহ পর্যালোচনা করে ওপেন করা হউক এবং আমার ব্লগ সবার জন্য পড়ার সুযোগ চাই । আপনাদের নোটিশে ৭ দিন পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ থাকলেও, আজকে ১৫ দিন পার হয়ে গেল । অথচ ওপেন করা হল না – আমার ব্লগটা । তাই অনুরধ রইল ওপেন করে দেওয়ার জন্য । ধন্যবাদ ।