| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ভোলা-৩ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ নূরুন্নবী চৌধুরী ওরফে শাওনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঢাকা সিটি করপোরেশনের সড়ক উন্নয়নে প্রায় ৪৩ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে। প্রথম আলোর এই রিপোর্টটা পুরা পড়লাম । ভালই লাগল । আমি এখানে নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন এম পির কোন দোষ দেখি না। কারন “এম পি” হয়েছেন বলেই ব্যবসা করা যাবে না এটা কেমন কথা ? কেন ব্যবসা করবে না ? যদি আইনেও থাকে, তবে আমি বলবো এই আইন সংশোধন করাই উচিৎ । “এম পি” হওয়া অপরাধ না। রিপোর্টটা পড়ে মনে হচ্ছে “এম পি” হইয়াটাই নূরুন্নবী চৌধুরী শাওনের বড় অপরাধ । হ্যাঁ, নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন প্রথমত একজন ব্যবসায়ী এবং ব্যবসায়ী হিসাবেই “এম পি” হয়েছেন । শুধু তাই না ব্যবসায়ী বলেই এলাকার জনগণ তাঁকে ভোট দিয়েছে । “প্রথম আলো”র ভাব দেখে মনে হচ্ছে ব্যবসায়ী হিসাবে নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন যে ব্যবসা করতেছে অথবা “ঢাকা সি সি” তে টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ নেওয়াটা বড়ই অন্যায়, কারন তিনি “এম পি”। “এম পি” হওয়ার আগেও নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন “ঢাকা সি সি” তে টেন্ডারের কাজ করতো । আমরা যতদুর জানি এপর্যন্ত “এম পি” নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন “ঢাকা সি সি” তে যতগুলি টেন্ডারের কাজ করেছেন, সেখানে কোন ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি । তাঁর বিরুদ্ধে টেন্ডারের কাজে অনিয়ম হয়েছে এ ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ বা কোন ধরনের মামলা – মোকদ্দমা হয়েছে – এরকম কোন রেকর্ডও নেই । “এম পি” নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন “ঢাকা সি সি” তে সড়ক উন্নয়নে প্রায় ৪৩ কোটি টাকার কাজ পেয়েছে । এটা তো খুবই ভাল কথা । কারন অতীতে “এম পি” নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন “ঢাকা সি সি” তে কাজের রেকর্ডও খুবই ভাল । সামনে নির্বাচন । তাই “ঢাকা সি সি” তে সড়ক উন্নয়নে প্রায় ৪৩ কোটি টাকার কাজ যেন ভালভাবে সম্পন্ন হয়, তা মনিটরিং করার দায়িত্ব “ঢাকা সি সি” ও সরকারের । অতএব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ও কোয়ালিটি সম্পন্ন কাজ আদায় করার জন্য সরকার যাকে উপযুক্ত বলে মনে করেছে, তাকেই কাজটা দিয়েছে । অতএব এর ভিতর “প্রথম আলো”র রিপোর্টা পড়ে মনে হল বিএনপির কোন লোককে ৪৩ কোটি টাকার কাজ দিলেই যেন সবাই ফেরেস্তা হয়ে যেত । এখানে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, “প্রথম আলো” যাদের জন্য মায়া কান্না করতেছে দুর্নীতিতে তাঁরা আন্তর্জাতিক ভাবে প্রমাণিত এবং দুর্নীতির টাকা দেশে ফেরত আনার রেকর্ড আছে। তাই “প্রথম আলো”-কে অনুরুধ করবো সাদাকে সাদা বলুন এবং কালোকে কালো বলুন। কারন “প্রথম আলো”-র এ রিপোর্ট পড়ে মনে হয়েছে নির্বাচন সামনে এবং এ নির্বাচনে “এম পি” নূরুন্নবী চৌধুরী শাওন যেন জিততে না পারে এ রকম একটা অসৎ উদ্দেশ্য করা হয়েছে ।
আসল কথা হল “প্রথম আলো” আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একপ্রকার অপপ্রচারে নেমেছে। এটা আমরা ভালই বুঝি। যেমনটা রাজনীতিক দল সমূহের অপকর্ম ও কুকর্ম বুঝি, তেমনি “প্রথম আলো”র অপপ্রচার বা কোন রাজনীতিক দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেগেটিভ প্রচার, সেটাও আমরা ভাল বুঝি। একটা বিষয় মনে করিয়ে দিতে চাই। আর তা হল এক সময় যায়যায়দিন খুব জনপ্রিয় সপ্তাহিক পত্রিকা ছিল। এই পত্রিকাটা এতই জনপ্রিয় ছিল যে প্রকাশিত হওয়ার একদিনের মধ্যেই বাজারে কপি পাওয়া যেত না, তখন আওয়ামী লীগের সমর্থকরা যে যেখানে এবং যেভাবে পেত, সে ভাবেই পড়তো । একদিন জনাব শফিক রেহমান পাঠকদেরকে বুঝিয়ে দিলেন যে, তিনি বিএনপির লোক । আর যায় কই মাত্র এক মাসের মধ্যেই পত্রিকার কারতি নেমে গেল মাত্র ২০%-এর নীচে । ফলে তিনি বাধ্য হয়েই বেগম জিয়ার কাছে গেলেন, আলচনা হল এবং সিদ্ধান্ত হল যে যায়যায়দিনকে ডেইলি পত্রিকায় উন্নীত করে প্রকাশ করা হবে, এবং হলও তাই । আজও যায়যায়দিনকে ডেইলি পত্রিকা হিসাবে আমরা বাজারে দেখি । কিন্তু পাঠক সংখ্যা সারাদেশে ১০০ জনও হবে না । তাহলে এ পত্রিকার কোন মূল্য বা ভিত্তি আছে জনগণের কাছে ? অতএব “প্রথম আলো” কে স্মরণ করিয়ে দিলাম পাঠকদের সাথে প্রতারণা করলে কি পরিণতি হতে পারে ।
হ্যাঁ এটাও বুঝতে পারলাম যে “প্রথম আলো” পত্রিকা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিশেষ মিশন বা টার্গেট নিয়েই মাঠে নেমেছে। সামনে নির্বাচন, তাই এসব অপপ্রচার আওয়ামী বিরুধীদের বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে । খুব ভাল কথা, আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে হারানোর জন্য এটা একটা পদ্ধতিও বটে । কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে এধরনের অপপ্রচার বা বদনাম করা অথবা নির্বাচনে ভোটাদেরকে প্রভাবিত করার মতো যে কোন ধরনের প্রচার, নির্বাচনের আচরণ বিধির লংগনের সামিল কিনা । না হয়ে থাকলে এজাতীয় প্রচারের বিরুদ্ধে প্রার্থী বা যে কোন রাজনীতিক দলের আইনি সহায়তা পাওয়া উচিৎ ।
আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বলবো, এই “প্রথম আলো” পত্রিকাটা আগামী নির্বাচন পর্যন্ত এরকম অপপ্রচার ও আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় নেতাদের সুনাম নষ্ট করার সম্ভাব্য সব কিছুই করবে । খুব সম্ভবত জমাতের ৭১-মানবতা বিরুদ্ধি ও যুদ্ধাপরাধীদের বাচানোর জন্য যে বিশাল বাজেট, সেই বাজেটের কানেকশন “প্রথম আলো” পত্রিকা পর্যন্ত চলে গেছে । তার প্রমান কিন্তু আমরা আগেই পেয়েছি । সেই ঘটনাটাই বলি, এবার “গনজাগরণ মঞ্চের” কর্মসূচী তখন তুঙ্গে, এবং শাহবাগে লোকেলোকারণ্য এবং ৭১-মানবতা বিরুদ্ধি ও যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে অটল । তখনও পর্যন্ত “আ্মার দেশ” পত্রিকা আস্তিক-নাস্তিক বিষয়ে “গনজাগরণ মঞ্চের” কর্মসূচীকে বিতর্কিত করতে পারেনি । এমন সময় একদিন “নারী”, এক “বাম রাজনীতিক নেতা” ও এক “মহিলা”কে নিয়ে এবং “গনজাগরণ মঞ্চের কর্মসূচী”র সাথে সম্পর্কযুক্ত এবং সাথে “অসামাজিক যৌন” সম্পর্কও যুক্ত করে একটা “কল্পকাহিনী” প্রকাশ করে “প্রথম আলো” পত্রিকাটা । এখানে মনে রাখা দরকার যে এই “কল্পকাহিনী” প্রকাশিত হওয়ার আগে জমাত-শিবির বহু চেষ্টা করেছে এরকম “কল্পকাহিনী”র অপপ্রচার বা গুজুব চড়ানো হয় । শুধু গুজুব নয়, “কল্পকাহিনী” বানানোর জন্য বহু লোককে এজেন্ট হিসাবে ব্যবহার করতে চেয়েছে এবং ব্যর্থ হয়ে নিজেদের লোক পাঠিয়েও “কল্পকাহিনী” বানাতে চেয়েছিল । তাও সম্ভব হয়নি বলে, জমাত-শিবির রাতের আঁধারে রমনা ও শাহবাগের আশেপাশে বহু “কনডম” ফেলে জমাত-শিবির “কল্পকাহিনী” নাটক বানাতে চেয়েছিল । “গনজাগরণ মঞ্চের” চেতনার কাছে এসব অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। এর পরই প্রথম আলো পত্রিকাটা এরকম একটা “রূপকথার কাহিনীর” মত করে “কল্পকাহিনী” প্রকাশ করে । প্রতিবাদ হয়েছে । নারীরা প্রতিবাদ করেছে । ফলে প্রথম “আলো পত্রিকা” এই “কল্পকাহিনী” “প্রত্যাহার” করে নেয় এবং “ক্ষমা” চায় ।
এঘটনার পর থেকেই আমার কাছে মনে হয়েছে “প্রথম আলো” পত্রিকা “জমাত-শিবির” তথা “জঙ্গি গোষ্ঠীর” এজেন্ট হিসাবে কাজ করতেছে । গত দু’মাসে “প্রথম আলো” পত্রিকার কপি সমূহ পর্যবেক্ষণ করলে বুঝা যাবে যে শুধু মাত্র আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচারই আসল সংবাদ । এসব রিপোর্টের উপর যত মতামত পাঠিয়েছি তারমধ্যে যেটা প্রথম আলো পত্রিকার পছন্দ হয়নি সেটাই প্রকাশ করেনি । আর প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট সাথে সংগতি বা একমত হয়ে যে সব মতামত পাঠিয়েছি তাহাই প্রকাশ করেছে । অতএব বর্তমানে প্রথম আলো পত্রিকার টার্গেটই হল শুধু মাত্র আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা । তাই আওয়ামী লীগের সমর্থকদের সতর্ক করে বলতে চাই “প্রথম আলো” পত্রিকার রিপোর্টের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকুন এবং যতাযত পদক্ষেপ গ্রহণ করুণ । এবং যে যেদিক দিয়ে পারেন অপপ্রচার ও “কল্পকাহিনী”র বিরুদ্ধে মতামত প্রকাশ করুন এবং জনগণকে সচেতন করুন ।
“প্রথম আলো” পত্রিকার আরও দু’টা বিষয়ের উপর কিছু বলতে চাই। প্রথমটা হল “আল্লামা শফি” যখন জাতীর সামনে “তেতুল তত্ত্ব” উপস্থাপন করল তখন দেখলাম অন্যান্য পত্রিকার তুলনায় “প্রথম আলো”র রিপোর্ট ছিল একেবারে সামান্য এবং যখনই মতামত পাঠিয়েছি তা প্রকাশ করা হয়নি । দ্বিতীয়টা হল “ডঃ ইউনুছ” আরও চার জন নোবেল বিজয়ীর সাথে “সমকামিতা”কে সমর্থন করে একটা বক্তব্য প্রচারিত হয় সারা বিশ্বের গণমাধ্যমে এবং বাংলাদেশের প্রথম আলো ছাড়া সবকয়টি পত্রিকায় । এ বিষয়ে “প্রথম আলো” পত্রিকায় বেশ কয়েকটি এবং বেশ কয়েকবার মতামত পাঠালেও প্রকাশ করেনি । এই দুই জনকে “প্রথম আলো” পত্রিকায় বেশ ভালভাবেই কভারেজ দিয়ে থাকে, যদি তাদের ভুমিকা সরকার বিরুধি হয়ে থাকে। আর যদি নারী ও ৭১এর চেতনা বা মুক্তিযুদ্ধ বিরুদ্ধি অপরাধীর শাস্তির বিষয়ে হয়ে থাকলে, সে সংবাদ জীবনেও প্রথম আলো পত্রিকায় দেখা যাবে না।
এই যেমন, আর একটা উদাহরণ দিই একটানা দেড়মাসের মত ৭১-র মানবতা বিরুদ্ধি ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে “গনজাগরণ মঞ্চের” কর্মসূচী অব্যাহত ছিল । দেশী-বিদেশী সমস্থ টি ভি ও পত্রিকায় এই নিউজ প্রচারিত হয়েছে এবং বিভিন্ন রাজনীতিক দলের পাশাপাশি অসংখ্য সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন, ও দেশি-বিদেশী অনেক অনেক প্রতিষ্ঠানের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ “গনজাগরণ মঞ্চের” কর্মসূচীর সাথে সমর্থন জানালেও আমাদের সেই বিখ্যাত নোবেল বিজয়ী “ডঃ ইউনুছ” সেই “গনজাগরণ মঞ্চে” আসেননি এবং সমর্থনও জানাননি। “ডঃ ইউনুছ” দাবী করেছিলেন গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে ৫০ লাখ নারীকে ক্ষমতায়ন করেছেন । খুব ভাল কথা । কিন্তু হেফাজাতুল ইসলাম যখন “তের দফা” দিয়ে “নারী”কে অপমান করল এবং তাদের জীবনকে একপ্রকার বন্দী করার দাবী জানাল, এবং “আল্লামা শফি” যখন নারীদেরকে নিয়ে জাতীর সামনে “তেতুল তত্ত্ব” উপস্থাপন করে একপ্রকার অপমান করল তখনো “ডঃ ইউনুছ” যিনি গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে ৫০ লাখ নারীকে ক্ষমতায়ন করেছেন বলে দাবী করেছেন, সেই তিনিই কোন প্রতিবাদ করেননি । আবার “ডঃ ইউনুছ” আরও চার জন নোবেল বিজয়ীর সাথে “সমকামিতা”কে সমর্থন করে একটা বক্তব্য প্রচারিত হয় সারা বিশ্বের গণমাধ্যমে তখনও “তেতুল তত্ত্ব”র আবিষ্কারক আল্লামা শফি “সমকামিতা”র বিষয়ে ডঃ ইউনুছ এর বক্তব্যের কোন প্রতিবাদ করেননি। আবার বহুল প্রচারিত পত্রিকা “প্রথম আলো” এসব অপকর্ম ও কুকীর্তির সমালোচনা তো দুরের কথা নিউজে পর্যন্ত কভারেজ দেওয়া হয়নি । এখন প্রশ্ন হল কেন ? কারন হল প্রথম “আলো পত্রিকা”, “ডঃ ইউনুছ” ও “আল্লামা শফি” এই তিন জনই দুটা বিষয়ে একমতঃ ১। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা এবং আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে হারানো । ২। এরা ৭১-র চেতনায় ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী নয় এবং রাজাকারি তত্ত্ব, পাকিস্থানি তত্ত্ব, “তেতুল তত্ত্ব”, “সমকামিতা” তত্ত্ব, মীরজাফরই তত্ত্ব, জঙ্গি তত্ত্ব, তালেবানি তত্ত্ব, ইত্যাদি তত্ত্বে বিশ্বাসী । আবার এই তিন জনই আগামী নির্বাচনে বিএনপি তথা বেগম খলেদা জিয়াকে ক্ষমতায় আসীন করতে চায় । তাই এই তিন জনের সাথে নিএনপি তথা বেগম খলেদা জিয়ার খুব ভাব । এটা মেনে নিয়েই আওয়ামী লীগকে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ২:২৬
কলম বক্তা বলেছেন: আমার লিখা সমূহ সবার পড়ার জন্য প্রকাশ করতে চাই। আমি বিশেষ একটা মতাদর্শে বিশ্বাসী এবং সেই মতা দর্শনের সপক্ষে লিখতে চাই। সবাই পড়ুক । সেজন্য প্রকাশ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরুধ করছি । মার্জিত ভাবে অন্য ব্লগেরদের লিখার উপর মতামত দিতে চাই । তাছাড়া আমি চাই যে কেউ আমার লিখার সমালোচনা করুক বা মতামত প্রকাশ করুক । আমি এও অনুরধ করতে চাই যে, আমার লিখা সমূহ পর্যালোচনা করে ওপেন করা হউক এবং আমার ব্লগ সবার জন্য পড়ার সুযোগ চাই । আপনাদের নোটিশে ৭ দিন পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ থাকলেও, আজকে ১৫ দিন পার হয়ে গেল । অথচ ওপেন করা হল না – আমার ব্লগটা । তাই অনুরধ রইল ওপেন করে দেওয়ার জন্য । ধন্যবাদ ।