| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মানবাধিকার সংগঠন “অধিকার” নিরাপত্তা বাহিনী, ৬ই মের হেফাজাতুল ইসলামের সমাবেশ রাত ২ টায় পণ্ড করার সময় গণহত্যা হয়েছিল বা যে ৬১ জনকে হত্যা করা হয়েছিল বলে দাবী করে এবং এই সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইন্টারনেটেরও প্রকাশ করে । ফলে সরকার “অধিকার”কে তদন্ত করে যারা হত্যা বা নিখোঁজ হয়েছে, তাদের নাম, ঠিকানা সহ সঠিকভাবে তথ্য প্রকাশ করার জন্য আহবান করেছিল । আমরা যতদুর যানি “অধিকার” আজ পর্যন্ত পত্রিকায় বা টি ভি তে যারা হত্যা বা নিখোঁজ হয়েছে, তাদের নাম, ঠিকানা প্রকাশ করতে পারেনি । আমার ধারনা খুব সম্ভবত এই কারনে তথ্য প্রযুক্তি আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে “অধিকারের” শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা (সেক্রেটারি) আদিলুর রহমান খান ওরফে শুভ্রকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। যারা মতামত দিচ্ছেন অথবা মানবাধিকার সংগঠন “অধিকার” এর সমর্থক অথবা সব পত্রিকাকে বিশেষ ভাবে অনুরধ করবো, যদি মানবাধিকার সংগঠন “অধিকারের” মাধ্যমে প্রকাশিত এজাতীয় কোন “যারা হত্যা বা নিখোঁজ হয়েছে”, তাদের নাম, ঠিকানা ইত্যাদি থেকে থাকে তা প্রকাশ করার জন্য । অন্যথায় অবশ্যয় “অধিকারের” শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা (সেক্রেটারি) আদিলুর রহমান খান ওরফে শুভ্রর বিরুদ্ধে যতাযত আইনানুক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং একটু কঠিন ভাবে নিতে হবে। তাছাড়া আদিলুর রহমান খান ওরফে শুভ্র একজন বিএনপি দলীয় মানবাধিকার কর্মী এবং বিএনপি সরকারের সময়ের সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন । কাজেই ৬ই মের হেফাজাতুল ইসলামের সমাবেশ নিয়ে বেশী নোংরা রাজনীতি হয়ে গেছে এবং এখনো হচ্ছে, যা আগামী নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে । অতএব সত্যিটা জাতীর অবশ্যয় জানতে হবে ।প্রথম আলোকে বলবো সবারই মতামত দেওয়ার অধিকার। তাই সব মতামতই প্রকাশ করুন ।
মিথ্যা প্রচারকে ভিন্ন মত বলে না। যে ৬১ জন হত্যা বা নিখোঁজ হওয়ার কথা "অধিকার"" দাবী করেছে বা সংবাদ প্রকাশ করেছে তাদের নাম ঠিকানা প্রকাশ করতে হবে। অন্যথায় মিথ্যাচারের জন্য শাস্তি পেতেই হবে । কোন ক্ষমা নেই। আগামীতে কে ক্ষমতায় যাবে এটা বড় কথা নয় । অন্যায়ের শাস্তি হবে এটাই বড় কথা । আশা করি মতামত দেওয়ার সময় সত্যি - মিথ্যা যাচাই করেই দিবেন।
©somewhere in net ltd.