নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলমই শক্তি

সৎ ভাবে চলা। দেশের জন্য কাজ করা। অপরের সাথে শেয়ার করা।

কলম বক্তা

প্রকৌশলী ।

কলম বক্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

"হেফাজত-জামাত-বিএনপি'র 'অপপ্রচারে' বিরুদ্ধে বিলবোর্ড কতটা কার্যকর হল

১৬ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ৮:০৫



ক । আওয়ামী লীগের প্রচারে বিরুদ্ধে বিলবোর্ডএর কার্যকর ভুমিকাঃ

"হেফাজত-জামাত-বিএনপি'র 'অপপ্রচারে' বিরুদ্ধে বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন, বিজ্ঞাপন, প্রজেক্টর, টেলিভিশন ইত্যাদির ব্যবহার আরও কয়েকগুণ বাড়াতে হবে এবং গ্রাম পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে হবে । পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশন, জেলা শহর, উপজেলা শহর সহ গুরুত্বপূর্ণ স্থান সমূহে এল সি ডি অথবা এল ই ডি কম্পিউটারইজেড মভিং মেসেজ ডিসপ্লে এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন, বর্তমান বিশ্বে উন্নয়নের মানদণ্ডে বাংলাদেশের অবস্থান এবং গত পাঁচ বছরে কতটুকু অগ্রগতি হল, এবং বিএনপির ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে কি অবস্থায় ছিল এবং বিএনপি-জমাত-হেফাজাতুল ইসলাম ৫ই মে কি করেছিল এবং কি করতে চেয়েছিল ইত্যাদি প্রচারের আওয়াতায় আনতে হবে। মনে রাখতে হবে "হেফাজত-জামাত-বিএনপি'”র 'অপপ্রচার’ কারীরা আওয়ামী লীগের প্রচারের পদ্ধতির বিরুদ্ধে অপপ্রচার নেমেছে। তারা কিন্তু প্রচারের বিষয়বস্তু নিয়ে কোন ধরনের বিতর্কে জড়াতে চাচ্ছে না। তার অর্থ হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের যে সব বিষয়বস্তু প্রচারের মাধ্যমে তুলে ধরা হল, তা নিয়ে "হেফাজত-জামাত-বিএনপি'” দ্বিমত পোষণ করতে দেখলাম না। অতএব আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ননের বিষয়ে তারাও মেনে নিয়েছে । কিন্তু তারা অপপ্রচার অব্যাহত রাখবে । তাই আওয়ামী লীগকে বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন, বিজ্ঞাপন, প্রজেক্টর, টেলিভিশন ইত্যাদির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রচার অব্যাহত রাখতে হবে এবং গ্রাম পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে হবে ।



খ । "হেফাজত-জামাত-বিএনপি'র 'অপপ্রচারে' ও আওয়ামী লীগের করনীয়ঃ

"হেফাজত-জামাত-বিএনপি'” অপপ্রচারে সফল হয়েছে । ৫ সিটিতে তারা জিতেছে এবং এই জিতার প্রধান কারন "হেফাজত-জামাত-বিএনপি'”র ডিজিটাল অপপ্রচার, মাদ্রাসা ছাত্রদের ব্যবহার করেছে এবং মাদ্রাসার ছেলেরা মোবাইলে বা ট্যাবলেটে বা মিনি ল্যাপটপের মাধ্যমে রুমানিয়ার গণহত্যার ছবি, হাইতির দুর্ঘটনার ছবি, অ্যামেরিকার আত্মহত্যার ছবি, মক্কার গিলাফ দরানোর ছবিকে ৫মে হেফাজতের সমাবেশের গণহত্যার ছবি বলে অপপ্রচার চালায়েছে এবং নাস্তিক বলে অপপ্রচার করেছে এবং তাদের জন্য ভোট চেয়েছে । এখানেই ধর্মভীরু মানুষদের সাথে মিথ্যাচার করা হয়েছে । এখানে উল্লেখ করতে চাই যে দেশে এখনও সাঈদীকে চাঁদে দেখা গেছে বলে বিশ্বাস করে রাস্তায় নেমে আসে, এই সহজ সরল মানুষগুলার কাছে ফটোশপড, এডিটিং ব্যপারগুলা মোটেই বোঝা সম্ভব নয়, এখানেই "হেফাজত-জামাত-বিএনপি'” অপপ্রচারে সফল হয়েছে এবং ৫ সিটিতে জয়লাভ করেছে ।

তাই আওয়ামী লীগের পাঁচ বছরের উন্নয়নের সাথে বিএনপির ৫ বছরের তুলনা করেন, বিলবোর্ড, ব্যানার, ফেস্টুন, বিজ্ঞাপন, প্রজেক্টর, টেলিভিশন ইত্যাদির ব্যবহার আরও কয়েকগুণ বাড়াতে হবে এবং গ্রাম পর্যন্ত সম্প্রসারণ করতে হবে । এখানেই বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ এগিয়ে যাবে । তাই উন্নয়নের জোয়ার অব্যাহত রাখতে আবারও জনগণ নৌকায় ভোট দিবে ইনশাল্লাহ ।

আওয়ামী লীগ জনগনের ভোটে বিশ্বাসী , ইতিহাসে এমন কোন নজির নেই বা প্রমান নেই যে আওয়ামী লীগ জনগনের ভোট ছাড়া পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখল করেছে । ১৯৯৬ সালে তত্ববধায়ক সরকারের আইন কিভাবে সংসদে পাশ হয়েছে তা সবাই জানে , তখন ঘড়ির কাটা রাত দু'টা পার হয়েছে । সেই তত্ববধায়ক সরকারের আইন এর দুর্বলতাগুলো আমরা ২০০৬ সালে বি এন পি ক্ষমতা ছাড়ার সময় ও পর দেখেছি । বিচারপতিদের অবসরের বয়স বৃদ্বি , ১কোটি ৩০ লাখ ভুয়া ভোটার , আজিজ সাহেবের নির্বাচন কমিশন , ইয়াজ উদ্দিন সাহেব নিজেই তত্বাবধায়ক সরকারের দ্বায়িত্ব নেওয়া , মোবাইলে মতামত না পাওয়া পর্যন্ত কোন সিদান্ত না নেওয়া এবং চার উপদেষটার পদত্যাগ । ফলাফল ১/১১ । ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ছাড়ার পর কোন ঝামেলা ছাড়াই সুষট নির্বাচন ও ক্ষমতার হাত বদল হয়েছে । তাই আংশকার কিছু নেই । আওয়ামী লীগ ক্ষমতার হাত বদলের একমাত্র বৈধ পথ মনে করে নির্বাচনকে । শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন যে ধরনের সরকারের কথাই বলুক খালেদা জিয়া তাতে বাকশাল কায়েমের ভুত দেখতে পাবেন । আর তা ব্যবহার করতে চাইবেন রাজনৈতিক বিজ্য় হিসাবে । তাই খালেদা জিয়া সংসদে প্রসতাব দিক , অতীতের তত্বাবধাক সরকারের দুর্বলতাগুলো দুর করে কিভাবে সবার কাছে একসেপটেবল নির্বাচন পদ্বতি আনা যায় ।

জনগনের ভোটেই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে হবে। তাই আওয়ামী লীগের উন্নয়ন কর্মকান্ড অবশ্যই জনগনকে জানাতে হবে। বিএনপি জামাত মিথ্যাচার করছে সেটার জবাবও আওয়ামী লীগকে দিতে হবে । তারা ক্ষমতায় থাকাকালে কি করেছিল সেটাও জনগনকে স্বরণ করিয়ে দিতে হবে । আর আওয়ামী লীগের ব্যর্থতা জানানোর জন্য বিএনপির সাথে মিডিয়া ও সুশীল সমাজ তো আছেই। জামাত বিএনপির কর্মকান্ডের সফলতা ব্যর্থতা আর আওয়ামী লীগের সফলতা ব্যর্থতা সঠিক ভাবে উপলব্ধি করতে পারলে জনগনও সঠিক ভোটটি দিবে। জনগণ ভোটে কখনই ভুল দলকে বা অপ-শক্তিকে ক্ষমতায় নেবে না। এতে দেশের অনেক ক্ষতি হয়।

গ। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রচার মাধ্যমঃ

মূলত প্রচারপদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের সময় যেভাবে প্রচার চালানো হয় আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে সেই পদ্ধতি অনুসরণ করবে আওয়ামী লীগ । টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন প্রচার, রোড শো, পথসভা, কর্মী সমাবেশ, পোস্টার ও পুস্তিকা প্রকাশ, ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড, এলসিডি বা এলিডি মভিং মেসেজ ডিসপ্লে এবং প্রজেক্টরের সহায়তায় সরকারের উন্নয়ন ও আগামীতে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনার প্রয়োজনীয়তা বা কারনীয় সমূহ তুলে ধরা হবে। একজন ব্যক্তিও যেন প্রচারের আওতা থেকে বাদ না পড়েন, সেভাবেই প্রচার চালানো হবে। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন ও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে তরুণ প্রজন্মকে আহ্বান জানানো হবে। প্রচারের এই বিষয়টি দেখবেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। গ্রাম পর্যায়ে ‘গুচ্ছ প্রচার কমিটি’ করা হবে। ‘অপপ্রচার করে বিএনপি-জামায়াত-হেফাজত যে ক্ষতি করেছে, তার জন্য বিশেষ প্রচার-ব্যবস্থা নেওয়া হবে । অপপ্রচার প্রতিরোধে প্রয়োজনে মোবাইলে বা ট্যাবলেটে বা মিনি ল্যাপটপের মাধ্যমেও জবাব দেওয়া হবে। বিলবোর্ডে দলের সাফল্য প্রচার নিয়ে সমালোচনা হলেও এটা একটা চমক ছিল। গ্রাম বাঙলায় জামাত হেফাজত যেভাবে অপপ্রচার চালিয়েছে তাই প্রত্যেক গ্রামে কর্মীদের প্রশিক্ষন দিয়ে প্রত্যোক ভোটারকে বোঝাতে হবে যে সরকার কি করেছে । প্রচার তাড়াতাড়ি গ্রামের ভোটারদের কাছে আসা উচিত ।একটা ভোটার যেন প্রচার থেকে বাদ না পড়ে।প্রচার পদ্বতি ভাল । অতএব সামনে আরও চমক আসছে’ ইনশেল্লাহ ।

ঘ। আওয়ামী লীগের শাসনামলের সাকল্যের একটা চিত্রঃ

প্রচার হতে হবে তুলনামূলক, জনগণ কাকে ভোট দিব, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ??? কোন দলই জনগণের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন,শান্তি দিতে পারবে তা জনগণই তুলনামূলক বিশ্লেষণের নির্ধারণ করবে । তাই জনগণ যেন সহজেই তুলনামূলক বিশ্লেষণ করতে পারে এবং সঠিক দলকে ভোট দেওয়ার জন্য নির্ধারণ করতে পারে, তার জন্য গত ১০ বছরের একটা তুলনামুলুক সমীক্ষা নীচে দেওয়া হলঃ

১। আওয়ামী লীগ সরকারের সমাপ্ত হওয়া কিছু প্রকল্পঃ

*** হাতিরঝিল প্রকল্

*** মিরপুর-এয়ারপোর্ট ফ্লাইওভার

*** বনানীর ফ্লাইওভার

*** কুড়িল ফ্লাইওভার

*** যাত্রাবাড়ি-গুলিস্তান ফ্লাইওভার (৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে চালুর সম্ভাবনা)

*** যোগাযোগ ব্যবস্থা (ডেমু ট্রেন + ঢাকা থেকে সব রুটে বি.আর.টি.সি. বাস সার্ভিস)

*** মুকধা পাড়া ২৫০ ব্যাড হাসপাতাল ও গুলিস্থান ১৫০ ব্যাড সরকারী কর্মচারী হাসপাতাল।

(সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রাণালয় থেকে বাস্থবায়িত প্রকল্প সমূহের লিস্ট সংযুক্ত করলে, ৫ বছরের সম্পাদিত প্রকল্প সমূহের সম্পূর্ণ লিস্ট পাওয়া যাবে। অতএব সরকারী দপ্তর সমূহ সম্পাদিত প্রকল্প সমূহের সম্পূর্ণ লিস্ট প্রকাশ করার জন্য বিনীত অনুরধ রইল )।

২ । আন্তর্জাতিক বিশ্বে সমীক্ষার সঠিক মানদণ্ড সমূহ, যা দ্বারা বিশ্বে আমাদের অবস্থান নির্ধারিত হয়ঃ

*প্রবৃদ্ধি অর্জন।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৫.৭% , এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৬.৭%

*মাথাপিছু গড় আয়।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৪২৭ র্মাকিন ডলার এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৯১৪ র্মাকিন ডলার

*স্বাক্ষরতার হার।

বি,এন,পি২০০৬ = ৫১.৯০% এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৬৫.০৪%

*রেমিটেন্স প্রবাহ।

বি,এন,পি ২০০৬ = ১৩ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৪৮ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার

*দারিদ্র হার।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৪১.৫১% এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২৯.০৩%

*কর্মসংস্থান।

বি,এন,পি ২০০৬ = ২৪ লক্ষ এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৭৫ লক্ষ

*বৈদেশিক বিনিয়োগ।

বি,এন,পি ২০০৬ = ১৮৭ কোটি র্মাকিন ডলার এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৩৮২ কোটি র্মাকিন ডলার।

*মাতৃত্বকালীন ছুটি।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৪মাস। এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৬ মাস।

*ইন্টার নেট গ্রাহক সংখ্যা।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৫৭ লক্ষ এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৪ কোটি

*জনশক্তি রপ্তানি।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৯ লক্ষ ৮ হাজার এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২০ লক্ষ ৪০ হাজার

*শিশু মৃত্যুর হার।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৬.১০% এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৩.৯৯%

*পোষাক রপ্তানিতে বিশ্বের অবস্থান।

বি,এন,পি ২০০৬ = চর্তুথ। এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = দ্বিতীয়।

*খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৩০ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য (ঘাটতি)এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২৩ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য ( উদ্বৃত)

*স্বাস্থ সেবা।

বি,এন,পি ২০০৬ = অসম্মতি এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ১৫ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্টা

*সর্বোচ্চ বিদ্যুত উৎপাদন ক্ষমতা।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৩১০০ মেগাওয়াট। এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৮৫২৫ মেগাওয়াট।

*জ্বালানী তেলের মুল্য বৃদ্ধি গড়।

বি,এন,পি ২০০৬ = ১৩৬% এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৩৮%

*সমুদ্র সীমা জয়।

বি,এন,পি ২০০৬ = নিস্ক্রিয় এবং আওয়ামীলীগ২০১৩ = ১১১৬৩১ বর্গ কি, মি,

*শ্রমিকদের নুন্যতম মজুরি।

বি,এন,পি ২০০৬ = ১৬৬২ টাকা। এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৩০০০ টাকা।

*রপ্তানি আয়।

বি,এন,পি ২০০৬ = ১.০৩ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার। এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২.৪৩ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার। *হাসপাতালের সংখ্যা।

বি,এন,পি ২০০৬ = ১৬৮৩ টি। এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২৫০১ টি।

*পবিত্র হজ্ব পালন।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৪০ হাজার যাত্রী ( সার্বোচ্চ) এবং আওয়ামীলীগ২০১৩ = ১ লক্ষ ১০ হাজার যাত্রী ( সর্বোচ্চ)

*জেলেদেরকে খাদ্য সহায়তা।

বি,এন,পি ২০০৬ = ৬৫০০ মেট্রিক টন। এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ৫৬২০০ মেট্রিক টন।

*দৈনিক গ্যাস উত্তোলন।

বি,এন,পি ২০০৬ = ১৫৩১ মিলিয়ন ঘনফুট । এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ২২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট।

*বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বি,এন,পি ২০০৬ = ৩.৮৮ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার এবং আওয়ামীলীগ ২০১৩ = ১৩.১১ বিলিয়ন র্মাকিন ডলার।

৩। আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উন্নয়নঃ

১। দশম শ্রেণী পর্যন্ত ছেলেমেয়েদের বিনা মূল্যে এবং সময়মত বই দেওয়া।

২। কৃষকদের ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে কৃষি ভর্তুকির টাকা দেওয়া।

৩। জংগি দমনের মাধ্যমে বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি উজ্বল হয়েছে।

৪। ব্যাপক হারে নারীর ক্ষমতায়ন।

৫। গরিব এবং ছিন্নমূল মানুষদের বিশেষ সরকারি অনুদানের ফলে দেশে ভিক্ষকের সংখ্যা কমে গেছে। একটি সরকার পাচ বছর সময়ে আর কি করতে পারে

৬। দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ,রপ্তানি ও প্রবাসী আয়েও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। আর ধীরে ধীরে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে রূপ নিতে যাচ্ছে।

৪। উন্নয়ন বিশ্লেষণঃ

পাঁচ বছর গড়ে ৬ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি পৃথিবীর খুব কম দেশেই হয়েছে । ২৭৯ কোটি ডলারের রেকর্ড বিদেশী সহায়তা দেশের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো প্রকল্প “পদ্মা সেতু” প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়ন নিয়ে নানা টানাপড়েনের মধ্যেও গত অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ বিদেশী সাহায্য দেশে এসেছে, যাকে সরকার ও দাতাদের ‘সতর্কতার ফল’ হিসাবে দেখছেন বিশ্লেষকরা । রেমিটেন্স, রপ্তানি আয় ৫ বছরে দ্বিগুণ সার্কে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রিজার্ভ বাংলাদেশের দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চিতি ১৬ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে । ৮৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। বর্তমান সরকারের সময় ৫৫টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে গেছে, যেগুলোর মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৩ হাজার ৮৭০ মেগাওয়াট। রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি 12% । ই-টিআইএন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি করদাতা হিসেবে নিবন্ধনের প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ করতে ১ জুলাই থেকে ই-টিআইএন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু করেছে এনবিআর। বর্তমান টিআইএনধারীদেরও নতুন পদ্ধতিতে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আবার রেজিস্ট্রেশন করা হবে। করদাতারা http://www.incometax.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে এ সুবিধা নিতে পারবেন। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে সারাবিশ্বে বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি কমলেও গত বছর বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এর ফলে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় অবস্থানে চলে এসেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় গত বছর সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ আগের বছরগুলোর তুলনায় কমেছে। দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ,রপ্তানি ও প্রবাসী আয়েও পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ। আর ধীরে ধীরে দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে রূপ নিতে যাচ্ছে।

উপরোক্ত এইসব পরিসংখান অনেকের গাত্রদাহের কারন হবে । অনেকে আবার তেলে বেগুনে জলে উঠবে । ওদের যত রাগাতে পারবো ততোই লাভ, ওরা যতই রাগবে ততই হারবে । আওয়ামী লীগের সাফল্যের খতিয়ান দেখে "হেফাজত-জামাত-বিএনপি' দিশেহারা হয়ে যাবে। সামনে সম্পূর্ণ বৈধ পন্থায় এবং সকল মাধ্যমে এই প্রচারনা আরও জোরদার করা অতীব জরুরী । কারন আমাদের দেশে অন্ধ বধিরের সংখ্যা অনেক, যারা বধীর তাদের জন্য থাকতে হবে বিলবোর্ড আর যারা অন্ধ তাদের জন্য শব্দ তরঙ্গে ছড়িয়ে দিতে সাফল্লের হালচাল ।

প্রবৃদ্ধির সাফল্য: বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। দেশে প্রথমবারের মতো গড় প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের বেশি হয়েছে। এর আগে বিএনপি সরকারের সময়ের পাঁচ বছরে গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। স্বাধীনতার পর ১৯৯৫ সালের আগে কখনোই গড় প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশের বেশি হয়নি। Click This Link

চ। অপপ্রচারের বিরুদ্ধেই উন্নয়নের প্রচারঃ

সরকার বা দল প্রচারণা চালাতেই পারে। আজকাল অনেকে দেশেই তা হচ্ছে এমনকি পেশাদার প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তবে অবশ্যই তা হবে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে, দখলবাজী করে নয়। এই প্রচারণাকে যারা বাঁকা চোখে দেখছেন তাদেরকে শুধু একটি কথাই বলা যায় - ‘অপপ্রচার’-এর বিপরীত শব্দতো ‘প্রচার’ই, তাইনা? গ্রামে-গঞ্জে অপপ্রচারের যে ভয়াবহ রূপ দেখে আসলাম তার জন্য আওয়ামীলীগ প্রচারণা ছাড়া অন্য উপায়তো দেখছি না।

এখানে যারা সরকারের উন্নয়ন চোখে দেখেনা তাদেরকে কিছু বলার নাই। কারন তারা চোখ থাকিতেই অনধ । ভান করা ঘুমন্ত মানুষকে কখনো জাগানো যায় না । সব দল এবং সরকারই কম বেশি অনিয়ম-দুর্নীতি করেছে । কিন্তু তুলনা মুলক বিচার করলে আওয়ামীলীগই আধুনিক ধ্যন ধারনার দল যারা নতুন কিছু দেশেকে দেখাতে পারে। বিএনপি ১৯৯১ সালে তো সাবমেরিন ক্যবল আর অপটিকেল ফাইবার কি তা বুজেই নাই, সিংগাপুর বিনা পয়সায় দিবে বলার পরও না বুঝে বাতিল করেছিল, পরে আওয়ামীলীগ সরকার এসেই দেশের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ সাবমেরিন ক্যবল আর অপটিকেল ফাইবার টাকা দিয়ে করাতে আজ মোবাইলের কল চার্জ ও ইন্টারনেট এর গতি বেড়েছে ও খরচ কমেছে !!! আর বিএনপি ১৯৯১ সালে মোবাইলের একচেটিয়া ব্যবসা জনাব মোরশেদ খানকে দিয়ে এক লাখ টাকা দরে ধনি ব্যবসায়িদের কাছে বেচা-কেনা করেছিলেন । ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর মোবাইলের একচেটিয়া ব্যবসা ভেংগে দিয়ে একটেল, গ্রামীণ, সেবাকে লাইসেনস দিয়ে সবার হাতে হাতে মোবাইল পৌঁছে দিয়েছে। যাদের জন্য ১৯৯১-১৯৯৬ সালে বা ১৯৯৬ সালে ছোট বয়স ছিল তাদের জন্য আজ এই তথ্যটিই যথেষ্ট, বিএনপি আর আওয়ামীলীগর সাথে তুলনা করতে।

ছ। কেন আওয়ামী লীগকে জনগণ ভোট দেবেঃ

আওয়ামী লীগ আর যাই করুক জঙ্গিদের বোমাবাজির কোন সুযোগই দেবে না । পাকিস্থনে এই ঈদের দিনেও মসজিদে বোমা মেরে ৪০ জনকে হত্যা করেছে, এটা কি রকম ইসলামি শিক্ষা???। আমরা তর্কের খাতিরে মেনে নিতে চাই যে আওয়ামী লীগও দুর্নীতি করেছে, “পদ্মা সেতু” করতে পারেনি, শেয়ার বাজারে অনিয়ম হয়েছে, সোনালী ব্যংক লোণ দেওয়ার সময় অনিয়ম হয়েছে , ছাত্রলীগ – যুবলীগ টেনডার বাজীতে জড়িত ছিল, মারামারি কাটাকাটিও করেছে, । কিন্তু সেটা হাওয়া ভবনের দুর্নীতি (প্রমানিত), অপকর্ম, অনিয়ম, টাকা পাচার (প্রমানিত) এর চাইতে এতই দুর্বল যে তুলনাও করা যায় না। তাই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে অন্তত আর একবার আওয়ামী লীগকে সুযোগ দেয়া উচিত। যাতে উন্নয়নের বাকী কাজ সমূহ শেষ করতে পারে । কারন অনেক উন্নয়ন প্রকল্প আছে এ সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে শেষ হবে না, এবং যা সরকার পরিবর্তন হলে শুধু মাত্র রাজনীতিক কারনে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া, পাঁচ সিটিতে নির্বাচনে জিতার পর থেকেই বিএনপি একপ্রকার অভুক্ত মানুষের দল, যে সুযোগ পেলেই সব গিলে খেয়ে ফেলবে। আওয়ামী লীগের আর যা হউক একটা শিক্ষা হয়েছে যে, সামনে বাকী প্রকল্প সমূহ দুর্নীতি মুক্ত ভাবে সমাপ্ত না করলে এবং ৭১-সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বিএনপি-জমাতের যে সব নেতা মানবতা বিরুধি ও যুদ্ধাপরাধী হিসাবে অভিযুক্ত তাদের বিচারের রায় কার্যকর না করলে জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না। তাই এই দু’টি অমীমাংসিত বিষয় সমাপ্ত করার জন্য হলেও আওয়ামী লীগের সাথে "হেফাজত-জামাত-বিএনপি'র তুলনা মুলুক বিচার-বিশ্লেষণ করে জনগণের উচিৎ সুচিন্তিত মতামত বা রায় দেওয়া । শুধু আবেগের বসে সিদ্ধান্ত নিলে হবেনা । আমি একজন দেশ প্রেমিক , আমার মহান আললাহ আমাকে দেশকে ভালোবাসার শিক্ষা দিয়েছেন। দেশ আমার মা , আমি মা কে ভালোবাসি ।

জ। শেয়ার মার্কেটঃ

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই শেয়ার মার্কেটের পতন ঘটে । যেমন ১৯৯৬ সালের ঘটনা । ২০০১-৬ বি এন পির সময় শেয়ার মার্কেটের লুটেরাদের বিচার করলো না কেন ? শেয়ার মার্কেট বড় ব্যাবসা । যারা বড় ব্যাবসায়ী ও যাদের অনেক বুদ্ধি খাঁটিয়ে ব্যবসা করতে পারে তারাই শেয়ার ব্যবসা করে । অতএব আপনারা সমাজের আর ১০ জনের চেয়েও বিদ্ধুমান ও টাকা ওয়ালা এবং তাই দায়িত্বও আপনাদেরকেই নিতে হবে । শেয়ার বাজারে ব্যবসার জন্য প্রশিক্ষন নিতে হয় । যারা যথাযথ কোন কোর্সের প্রশিক্ষন না নিয়ে, নিজের টাকা, বাবা - মা - আত্নীয় স্বজনের টাকা, বিনিয়োগ করেছিলেন । তাদের উদ্দেশ্য বলতে চাই এসব কি হালাল বা বৈধ টাকা নাকি অবৈধ টাকা ? সঠিক পরিমানে যাকাত দিয়েছিলেন ? তা করা হলে তো লাভই হওয়ার কথা । আপনার মূলধনের মুল দায়িত্ব আপনারকেই নিতে হবে। আমিও তো ব্যবসায় লস করেছি । হয়তো সেটা শেয়ার মার্কেটের ব্যবসা না । কিন্তু ব্যবসা তো বটেই । কই আমি তো সরকারকে দায়ী করতে পারতেছি না। কারন ব্যবসায় আমি টাকা কাটিয়েছি । অতএব লাভ-লস এর দায়িত্বও আমার । আমাদের একটা বদ অভ্যাস আছে , আমরা সহজেই নিজের কাজের দায়- দায়িত্ব অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার সুযোগ পেলে তা হাত - ছাড়া করি না । শেয়ার মার্কেট নিয়ে তদন্ত কমিটি তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করেছে । এর আগে কিন্তু এভাবে তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি । আপনারা অন্যায়ভাবে প্রতারিত হয়ে থাকলে তো পুজিবাজার বিনিয়োগকারী সংগঠন গড়ে তুলে আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন । তাই না ? দয়া করে ,পুজিবাজারে যারা বিনিয়োগ করেছেন এবং লাভবান হয়েছিলেন, আপনারা রুই মাছ খান তখন যেমন পাবলিক টের পায় না , ধরা খাইলেও যেন একই নীতি মেনে চলবেন , পাবলিকের যেন কষ্ট না হয় ।

ঘ । স্মরণ রাখা দরকার ২০০১ – ২০০৬ শাসনামলঃ

যদি দুভাগ্যক্রমে হাওয়া ভবনের মালিকেরা আবার ক্ষমতায় আসে তাহলে কিরকম ঘটনা ঘটবে, তার একটা তালিখাঃ প্রিয়দল জাতিতাবাদীরা শিল্পপতিদের হাইজাক, তারপর মুক্তিপণ । উদাহরণ দিই - চট্রগ্রামের জামাল উদ্দিনেকে (তারাও বিএনপির সমর্থক এবং নেতা ছিল) হত্যা ও গুম করে এবং লাশটি পযন্ত ফেরত দেয়নি, পরে হাওয়া ভবনের গডফাদারেক ৫ কোটি টাকা চাঁদা দিয়ে লাশ ফেরত পায় । এরপর বিশ্বয়কর ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সমূহঃ১। বিএনপি জামাত জোট ২১ ট্রাক গোলা বারুদ অশ্র আমদানি করে (আমদানি কারক তারেক, লুতফুর বাবর, নিজামি)। ২। বগুড়া তারেকের জেলায় ১০ ট্রাক গুলি উদ্ধার হওয়া, ৩। ৬৩ জেলায় এক জোগে ভোমা হামলা হয়, এবং হামলা করে জামাতের বিকল্প সংগঠন জেএমবি, ৪। খালেদা সংসদে জঙ্গীদের বাচাতে গিয়ে বলেন বাংলা ইংরেজি বলতে কোন ভাই নাই, ৫। তারেক জিয়া বিদুতের নাম করে কোটি কোটি টাকা লুট করেন খাম্বা বানিজ্যে,৬। কোকো লঞ্চ, ডান্ডি ডাইং ব্যবসা আবিষ্কার করেন বিনা অর্থায়নে, ৭। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা পরিকল্পনা কারি ছিলেন তারেক জিয়া, ৮। সর্বশ্রেষ্ট সফল অর্থনিতিবিদ এবং অর্থমন্ত্রী কিবরিয়াকে রাজপুত্রের নির্দেশে হত্যা করা , ৯। আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় এমপি আহসান উল্লা মাস্টার কে খুন করা, ১০।, নাটরের মমতাজ, খুলনার মনঞ্জুর ইমামকে দিনে দুপুরে জুমার নামাজ পড়ে মসজিদের গেইটে হত্যা করা হয়, ১১। মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করে জাতীয় মসজিদে ও সামনে, হেফাজতের সমাবেশের সময় শিবিরের জঙ্গি দিয়ে জাতিয় মসজিদে আগুন লাগানো , কোরান পোড়ানো, হকারদের দোকান পাট লুট পাট করা, সরকারি অফিস আদালত ও ব্যাংক জ্বালিয়ে দেওয়া ইত্যাদি "হেফাজত-জামাত-বিএনপি'”র কাজ। অতএব "হেফাজত-জামাত-বিএনপি'” সরকারে থাকলেও লুটপাট ও হত্যা – ঘুম করে। আবার বিরুধি দলে থাকলেও ধ্বংসাক্তক কাজ করে।

চ। বাংলাদেশে প্রচার মাধ্যমঃ

বাংলাদেশে প্রচারের চেয়ে অপপ্রচারে ও নেতিবাচক প্রচারে কাজ হয় বেশি । জনগণও অপপ্রচারে ও নেতিবাচক প্রচারে বিশ্বাসী । তাই প্রচার মাধ্যমও বিশেষ করে টি ভি ও পত্রিকায় অপপ্রচারে ও নেতিবাচক এবং গুজব জাতীয় সংবাদ সংগ্রহ করে এবং প্রচার করে থাকে এবং এজাতীয় প্রচার মাধ্যম সমূহ বিশেষ করে টি ভি ও পত্রিকা সবচেয়ে বেশী দাপটের সাথে চলে । পুরো বছরের খবরের কাগজের হেডলাইনগুল পড়লে আমরা দেখব নেতিবাচক খবরগুলর কাটতি বেশি । আসলে দু:সংবাদ পেতে পেতে আমাদের হয়তো এমন হয়ে গেছে। মানুয যেমন বঙ্গবন্ধু হত্যা, ২১ আগষট , জংগীবাদ মনে রেখে দিয়েছে তেমনি করে সরকারের ব্যর্থতাগুলও মনে রেখে দিয়েছে । তাই অপপ্রচারে ও নেতিবাচক প্রচারের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

ছ । আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যঃ

টাইমের চোখে বাংলাদেশের কিছু সাফল্য ২০১৩ সালেই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ মিলেনিয়াম গোলের কোনো লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের কিছু নজরকাড়া উল্লেখযোগ্য সাফল্যের কথা উঠে এসেছে টাইম ম্যাগাজিনের একটি বিশেষ প্রতিবেদনে। গতকাল শুক্রবার টাইম ম্যাগাজিনের 'আফটার মাচ হার্টব্রেক, সাম গুড নিউজ অ্যাটলাস্ট ফর বাংলাদেশ' শীর্ষক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি সাফল্যের কথা তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত এপ্রিলে রানা প্লাজায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১১শ' লোকের প্রাণহানিসহ নানা দুঃসংবাদের পর অবশেষে বাংলাদেশের জন্য এক টুকরো সুসংবাদ এসেছে। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যের (মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল) দারিদ্র্য কমানোর লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। জুন মাসে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনের সূত্র জানায়, ২০০০ সালে বাংলাদেশের ৬ কোটি ৩০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করলেও ২০১০ সালে এ সংখ্যা ৪ কোটি ৭০ লাখে নেমে এসেছে। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা সত্ত্বেও ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য ২৬ ভাগ কমেছে। দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করা জনসংখ্যার হার কমিয়ে ২৯ দশমিক ৫ শতাংশে আনার কথা থাকলেও তা আরও কমে ২৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ২০১৫ সালের দুই বছর আগে, অর্থাৎ ২০১৩ সালেই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ মিলেনিয়াম গোলের কোনো লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে যাচ্ছে। টাইমের প্রতিবেদনে দরিদ্র বলতে সেই জনগোষ্ঠীকে বোঝানো হয়েছে, যাদের দৈনিক আয় ২ ডলারের নিচে এবং দিনে ২১শ' ক্যালোরির কম খাবার গ্রহণ করে। এই সংখ্যা ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে ২৬ শতাংশ কমে এসেছে। ২০ জুলাই ২০১৩ | Click This Link



আওয়ামী লীগের করনীয়ঃ

যেভাবেই প্রচার কপ্রা হোক না কেন, যথাযথ নিয়ম ও প্রক্রিয়ায় যেন করা হয়। বিলবোর্ড একটা জনপ্রিয় ও কার্যকর প্রচার মাধ্যম। বিলবোর্ড মালিকদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ও অনুমতি নিয়ে এটা আরও সম্প্রচারন করা যেতে পারে। তাছাড়া ভয়েস এস এম এস একটা জনপ্রিয় মাধ্যম হতে পারে। সফলটা প্রচারের পাশাপাশি অপপ্রচার সমূহের সমান গুরুত্ব দিয়ে জবাব সহ যথাযথ প্রচার করা উচিৎ । ফেয়েশ বুক। টুইটার এ যেন কোণো অপপ্রচার চলতে না পারে এবং অপপ্রচারের জবাবও যেন সতর্ক ভাবে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে হবে । আমার দেশ, বাঁশের কেল্লাড় মতো অপপ্রচারের মাধ্যম গূলো দ্রুত চিহ্নিত করে, যথাযথ অপপ্রচারের জবাব দেওয়া, যেন গুঁজবে বেশী ক্ষতি হতে না পারে ।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ২:২০

কলম বক্তা বলেছেন: আমার লিখা সমূহ সবার পড়ার জন্য প্রকাশ করতে চাই। আমি বিশেষ একটা মতাদর্শে বিশ্বাসী এবং সেই মতা দর্শনের সপক্ষে লিখতে চাই। সবাই পড়ুক । সেজন্য প্রকাশ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরুধ করছি । মার্জিত ভাবে অন্য ব্লগেরদের লিখার উপর মতামত দিতে চাই । তাছাড়া আমি চাই যে কেউ আমার লিখার সমালোচনা করুক বা মতামত প্রকাশ করুক । আমি এও অনুরধ করতে চাই যে, আমার লিখা সমূহ পর্যালোচনা করে ওপেন করা হউক এবং আমার ব্লগ সবার জন্য পড়ার সুযোগ চাই । আপনাদের নোটিশে ৭ দিন পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ থাকলেও, আজকে ১৫ দিন পার হয়ে গেল । অথচ ওপেন করা হল না – আমার ব্লগটা । তাই অনুরধ রইল ওপেন করে দেওয়ার জন্য । ধন্যবাদ ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.