| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস আবারো বানী দিয়েছেন যে, “নির্দলীয় সরকারের অধীন ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে সংসদ নির্বাচন হলেই দেশে অশান্তি দূর ও সামগ্রিক অগ্রগতি হবে” । আজ ২৩/০৮/২০১৩ রাজধানীর মিরপুরে ইউনূস সেন্টারে আবদুল কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় পর ড. ইউনূস সাংবাদিকদের এ বানী দেন । এ বানী একপ্রকার রাজনীতিক উচ্চবিলাসী সম্পন্ন বলে মনে করছে দেশের সচেতন জনগণ । বানীর গুরুত্ব পূর্ণ অংশ বিশেষ বা বক্তব্য এরকম –
- দেশে অশান্তির কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে।
- এ অশান্তি দেশের মানুষের প্রাপ্য নয়।
- কারও কারও ইচ্ছার কারণে, কোনো দল বা দলসমূহের ইচ্ছার কারণে যদি অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে
- দেশের মানুষ তাঁদের ক্ষমা করবে না।
এবং নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর আবেদন-
- রাজনৈতিক দলগুলোর সমঝোতায় আসুন।
- আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করুন।
- নির্বাচন সব দলের অংশগ্রহণেই হতে হবে।’
এখন প্রশ্ন হল নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ডঃ . মুহাম্মদ ইউনূস এর বানীসমূহ কি নিরপেক্ষ ? তিন ও চার নং বানীতে সরাসরি বিশেষ ব্যক্তি বা দলের বিপক্ষে বা বিরুদ্ধে এবং ঐ বিশেষ ব্যক্তি বা দলকে অভিশাপ দিয়ে বলেছেন “দেশের মানুষ ক্ষমা করবে না”। এই বানী রাজনীতিক উচ্চবিলাসী সম্পন্ন বা বিশেষ দলের নেত্রীর আনুকূল্য পাওয়ার মত । অতএব নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষমতার স্বাদ পেতে চায়। তাই তিনি বানীর পর আবেদনও করেছেন, সেখানেও পক্ষপাতীত্ব পূর্ণ আদর্শহীন-নীতিহীন দলবাজি করেছেন এবং বিশেষ নেত্রীর আনুকূল্য পেতে চেয়েছেন । এটার আরও প্রমান পাওয়া যায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সংগে সাক্ষাৎ কারী কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্য থেকে । জনাব সিদ্দিকী বলেছেন, “বৈঠকে আমরা একমত হয়েছি, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আগামী সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কর্তৃত্ব ছাড়া হতে পারে না এবং তা কেউ মানবে না। যে রেফারিকে কেউ বিশ্বাস করে না, তিনি জোর করে রেফারি হবেন। নিজেই খেলায় অংশ নেবেন। এমন জবরদস্তি হিটলারও করেছিল কি না, আমার সন্দেহ হয়"। এবক্তব্য নিঃসন্দেহে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে । খুবই ভাল কথা, জনাব কাদের সিদ্দিকী আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিবেন, এটাই স্বাভাবিক । সমস্যা এখানে নয় । সমস্যা হচ্ছে ক্ষমতার লোভ ও মোহ আদর্শ থেকে মানুষকে কতটা বিচ্ছুতি ও বিপদ গামী করে, সেখানেই ।
জনাব ডঃ ইউনুছের এরকম বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে “প্রথম আলো” পত্রিকার পাঠকের মতামতের উপর ভিত্তি করেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরলামঃ
- জিএসপি চলে যাওয়ার পর বাংলাদেশের গার্মেন্টস এর জন্য এবং গার্মেন্টসে কর্মরত নারীদের জন্য কোন ধরনের ভুমিকা বা সহায়তা করেননি । বরঞ্চ জিএসপি চলে যাওয়ার সম্ভাব্য সব কিছু করেছেন । হ্যাঁ তিনি ব্যবসা ভালই বুঝেন । তাই গার্মেন্টসে তাঁর কোন ব্যবসায়ীক স্বার্থ নেই । অতএব জিএসপি চলে যাওয়ার পর তাঁর কোন ধরনের ভুমিকা নেই ।
- জনাব ডঃ ইউনুছ রাষ্ট্রপতি কিম্বা প্রধানমন্ত্রী হতে চায়। খুবই ভাল কথা । এখন তিনি রাজনীতিক দল করে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পরেন । তারপর জনগণই রায় দিবেন । কিন্তু তিনি বিশেষ দলের হয়েই বক্তব্য দিচ্ছেন । তাই ডঃ ইউনুছ এর উচিৎ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জিন্দাবাদ, বলা । তাহলেই BNP ক্ষমতায় গেলে তাঁকে রাষ্ট্রপতি কিম্বা প্রধানমন্ত্রী করা হতে পারে । শুধু তাই না, তার উচিৎ বেগম খালেদা জিয়ার পায়ের কাছে বসে থাকা । তারপরেই ভবিষ্যতে বাংলাদেশ দেখবে বেগম খালেদা জিয়ার এই প্রতিশ্রুতি কেমন তেঁতুলের স্বাদ । আমরাও এই প্রতিশ্রুতির বাস্থবায়নের অপেক্ষায় আছি ।
- মোমেনা নামে এক তরুণ নারী জনাব ইউনুছকে পরামর্শ দিয়েছেন এরকম – বিএনপিতে যোগ দেওয়া বা আওয়ামী লীগের বিরুধিতার আগে "বড় পরিসরে না গিয়ে একটা ইউ পি নির্বাচন করে বুঝিয়ে নেওয়া উচিৎ, জনগনের কাছে আপনার মুল্য কতটুকু আছে"। একমত না হয়ে পারলাম না।
- জারিফ নামে আর এক তরুণ কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেছেন, যেমন - ডঃ ইউনুছ কখনো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে কথা বলতে শুনেননি। তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষকে নিয়ে কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ নিয়ে কোনো কথা বলেননি । তিনি কখনো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানা্ননি । তিনি কখনও শহীদ বুদ্ধিজীবীদের শ্রদ্ধা জানাতে শহীদ মিনারে যাননি এবং তাঁকে কখনো স্মৃতিসৌধে যাওয়ার কথা শুনেননি। আর তাই তার বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সময়োপযোগী কিংবা জনগণরে স্বার্থে এর পক্ষে বলে বিবেচনা করা যাচ্ছে না। এবং তাঁকে বড় ধরনের একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ধান্ধানবাজ হিসাবে অভিহিত করা যায় ।
- শ্যামল নামে একজন বলেছেন ড. ইউনুস ক্ষমতার জন্য পাগল।
- ড. ইউনুস গার্মেন্টস শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নের জন্য এবং তাদের জন্য অনুকুল কর্ম পরিবেশ তৈরির কথা কোন দিনই বলেননি এবং বলবেন না। কারন এখানে তার ব্যবসা নাই । লস ও প্রফিতের বাইরে জনাব ড. ইউনুস নেই।
- সাজজাত হুসাইন লিখেছেন ডঃ ইউনুছ কোন দিনই ধর্ম বিশ্বাসের কারনে শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধে যাওয়া থেকে বিরত থাকেন নি, এবং কোন দিন তাঁকে মসজিদে নামাজ আদায় করতেও দেখা যায়নি । তাছাড়া তিনি সমকামিতায় বিশ্বাসী হয়ে এবং সম্মতি দিয়ে অন্য নোবেল বিজয়ীর সাথে বক্তব্যও দিয়েছিলেন । আর যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে, তাদের বিচার চেয়ে কথা বলাতে দেখা যায়নি এবং সেকারনেই তাঁকে স্মৃতিসৌধে যেতে দেখা যায়নি । দেশের কিছু মৌলিক প্রশ্নে নিরবতাই তাকে জাতীয় ব্যক্তিত্ব হিসাবে গ্রহনে মানুষের বড় অনাগ্রহ এবং আপত্তি ।
- এস. এম. এম. রহমান লিখেছেন মার্কিন প্রসূত এই ইউনুস - রাজনৈতিক ইউনুস হতে চাচ্ছেন । গত দুই বছরের তত্বাবধায়ক সরকারের সময় তিনি ক্ষমতার বধূ সেজেছিলেন। অর্থাৎ ক্ষমতার বর পর্দায় ছিলেন/ ছিলেন। উনি ছিলেন পর্দার আড়ালে। এবার তিনি রাজনীতির বধূ। সামনে আস্তে চান না। কিন্তু ঘষেটি বেগমের মত মসনদ ষড়যন্ত্রের ক্রীড়নক। উনি নিজের জনপ্রিয়তা পরীক্ষা করার জন্য গ্রামীণ ব্যাংকের লক্ষ লক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাঝে জরিপ চালাতে পারেন। এদের ১৫ শতাংশ মানুষও যদি উনাকে সমর্থন করে উনার তো উচিত পর্দা সরিয়ে রাজনীতির মাঠে নামা। ছোট দলের লেবেল লাগানো বোরকা পরে রাজনৈতিক প্ররোচনা বা উসকানি দেয়া সম্মানী লোকের সাধেনা।
- মোঃ গোলাম মামুন লিখেছেন – “হায় হায় ......আসল চেহারা দেখিয়ে দিলেন?? কি নিয়ে আপনি এতদিন রাজনিতি করছেন। আপনার ভিতরে যে রাজনিতির খায়েশ তা তো আমরা ২০০৭-২০০৮ সালেই দেখেছি "গনশক্তি" দল করেও যে পাত্তা পাননি , আজ সেই সুযোগ নিতে এসেছেন অন্যভাবে। দেশের মানুষ এতদিন পর হলেও আপনার আসল চেহারা দেখছেন । আপনিও যে নোংরা রাজনিতির বাইরে নন তার প্রমান আজকে দিলেন। পদ্মা সেতু , গার্মেন্টস জিএসপি বাতিল সব খানে যে আপনার নিপুন হাত ছিল তা আজ দেশবাসিকে জানিয়ে দিলেন জনাব নোবেল সাহেব। আপনি এখন দেশের নোবেল বিজয়ি নন আপনি বিশেষ দলের নোবেল জয়ী, বিদেশি দেশের এজেন্ট । খেলবেন যেহেতু খোলা মেলা ভাবেই খেলুন, মাঠে নামুন, লুকো চুরি করে বিদেশিদের দিয়ে দেশের ক্ষতি করে লাভ কি, আপনার সাথে সরকারের ঠেলা ঠেলি , দেশের ১৫-১৬ কোটি জনগনের তো দোষ ছিলনা ? দেশের বা দেশের মানুষের ক্ষতি করে আপনি কি পার পাবেন ??? বিশ্ব্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুতে আপনার কথায় লোন দেয়নি, কিন্তু সমপরিমান টাকা তো অন্য খাতে সরকারকে দিয়েছে , তার মানে কি ??? আপনি কি একটি বারের জন্যও বলেছিলেন যে এটি দেশের জন্য দেশের ১৬ কোটি জনগনের সেতু । এখানে লোন দিতেই হবে। টাকা দেয়ার আগে দুরনিতির অভিযোগ তুলে লোন বাতিল !!!! পরে আবার সমপরিমান টাকা তো অন্য খাতে সরকারকে দেয়া । আপনার পূর্ব পুরুষও কিন্তু বিশেষ ভাবাপন্ন বা দলের অনুগত ছিলেন, ১৯৭১ এ । তাই আপনার মুখেও কখনো ১৯৭১ সাল নিয়ে কোন বাক্য আজ পর্যন্ত কেউ শুনেনি। জাতির কাছে পরিষ্কার হয়েছে আজ আপনার রাজন্যতিক উদ্দেশ্য কি । আমি সরকার কে এক সময় আপনার ব্যপারে সমালোচনা করতাম , কিন্তু আজ আপনি দেখালেন কেন সরকার আপনার বিরুধে। সরকার আপনার ্লক্ষ ও উদ্দেশ্য আগে থেকই জেনেছেন বলে, আপনার বিষয়ে বিরুপ মন্তব্য করেছে । আপনি আমার কাছে নোবেল বিজয়ি নন আজ থেকে।“
- পাঠকের মতামত - ডঃ ইউনুছ কী নির্দলীয় সরকারের প্রধান সেজে জামাত-বিএনপিকে ক্ষমতায় এনে দেশটাকে পাকিস্তান স্টাইলে জঙ্গিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য তারেকের সঙ্গে জয়েন্ট ভেন্চারে আমেরিকান অস্ত্রের নতুন ব্যবসা খুলতে চান । শুনেছি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে আউট হওয়ার পর তার ব্যবসা মন্দা যাচ্ছে।
- পাঠকের মতামত - নির্দলীয় সরকারের পক্ষে বলছেন ভালো কথা! কিন্তু একটা দলের হয় চামচামি করছেন সেটা ভালনা, তাও আবার বোমা ও গ্রেনেডবাজ দলের। আসলে এতে আপনারই লাভ বেশি, দেশে বেশি বেশি বোমা বাজি হবে, দেশের মানুষ মরবে লেংরা-লুলা হয়ে মানুষ আরও বেশি বেশি গরিব হবে, তাই এই সুযোগে আপনার ও আরও বেশি বেশি চক্রবৃদ্দি সুদের ঋণ দেওয়ার সুযোগ হবে। মাইকের সামনে দাড়িয়ে বড় বড় কথা বলা আর একটা দেশ পরিচালনা করা এক কথা নয়। গ্রামীন ব্যাংকার সুবাদে এখন আমিরিকা আপনার বন্ধু যা চাইবেন তাই দিবে, কেননা এতে তাদেরই বেশি লাভে আরো বেশি সুদ পাবে, কিন্তু যখন দেশের নেতৃত্ব নিয়ে আমিরিকার কাছে যাবেন তখন কিন্তু প্রতিপক্ষ ও খালি হাত ছাড়া কিছুই থাকবেননা। একটা উদাহরন : ডক্টর মোহাম্মদ এলবারাদিকে দেখুন তিনিও একজন নোবেল বিজয়ী আমিরিকার খুব কাছে লোক তিনিও ক্ষমতার বাহিরে থেকে অনেক বড় বড় কথা বলেছেন, আর এখন ক্ষমতা পাওয়ার পর এর ওজন সইতে না পেরে দেশ (মিশর) ছেড়ে ও পালিয়েছেন!
- পাঠকের মতামত - কালকেই যদি কাদের সিদ্দিকিকে তার অরিজিনাল দলে সাদরে ডাকা হয়, পরশুদিন তিনি কাধ থেকে গামছা ফেলে দিয়ে ইউনূসের বিরুদ্ধে মুহিতের অাগেই গিয়ে দাড়াবেন । একথা হলফ করে বলতে পারি । কিন্তু হা হতোস্মি, এই সোজা মানুষটি এদেরকে চিনতে পারছেন না । তিনি মনে করছেন এরা সোনার হাতে সোনার কাকণ।
- আপনি দেশের আকাশে কালো মেঘ দেখছেন ভাল কথা কিন্তু যখন সবাই কালো মেঘ (আইলা, নার্গিস, সাভার দুর্ঘটনা) দেখে তখন ত আপনাকে আমরা দেখতে পাইনা। আপনাকে তখন দেখতে পাইনা ত্রান কর্তা হিসাবে । তখন কথায় মুখ লুকিয়ে থাকেন । আর এখন হুলু বিড়ালের মত আচরন করছেন।
- প্রদীপ লিখেছেন - দেশের কোন দুর্যোগে, মানুষের কোন দুর্গতিতে কী উনি পাশে এসে দাড়িয়েছেন? কেউ বলতে পারবেন? এতো ঝড়, সাইক্লোন, গনহত্যা, সংখ্যালঘু নিপিড়ন, এতো প্রাকৃতিক বা মানব রচিত দুর্যোগ,মানবতার এতো লাঞ্চনা, কখনো কী উনাকে পাশে পেয়েছে অার্ত মানুষরা ?
২০০৬ সালে জনাব ডঃ ইউনুছ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে বক্তব্যঃ
২০০৬ সালে জনাব ডঃ ইউনুছ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিষয়ে কি পদক্ষেপ ছিল, তাও স্মরণ করিয়ে নেওয়া দরকার । নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে নোবেলবিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসের অবস্থান পাল্টে গেছে সাত বছরে। নির্দলীয় সরকার ছাড়া শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়, এখন এমন কথা বললেও ২০০৬ সালের নবেম্বরে খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী রেখেই নির্বাচনের ফর্মুলা দিয়েছিলেন তিনি।
২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলেও নানা প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই সে সরকারের প্রধান হন জোট সরকারের আমলের রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। তিনি সে সময় বিএনপির পক্ষে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেছিল আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা।
ইয়াজউদ্দিন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার পরও আন্দোলন অব্যাহত রাখে আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা। এই আন্দোলনের কারণে তথনও জাতীয় নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সে সময়ও আওয়ামী লীগের কোন দাবি না মেনে ইয়াজউদ্দিনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে।
খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী রেখে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রস্তাব ইউনূসের ॥ দল গঠনের উদ্যোগ নেয়ার আগে অবশ্য তিনি আন্দোলন না করতে সে সময়ের বিরোধী দল আওয়ামী লীগের প্রতি একাধিকবার আহ্বান জানিয়েছিলেন। আবার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর জাতীয় সংসদ ভবন চত্বরে এক সংবর্ধনায় রাজনৈতিক সঙ্কট সমাধানে সাত দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন ড. ইউনূস।
সে সময় তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে দুই জোটের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি নির্বাচনী পরামর্শক কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। ইউনূসের প্রস্তাব অনুযায়ী মেয়াদ শেষে সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে এবং তার ফল সব পক্ষকে মেনে নিতে হবে। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার চেয়ে ড. ইউনূসের বক্তব্যে দারুণ খুশি বিএনপি নেতারা।
তখন এক বছরের জন্য একটি সরকার গঠনের প্রস্তাব দেন ড. ইউনূস। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী সর্বশেষ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে নির্বাচিত জোট নেত্রী (বেগম খালেদা জিয়া) হবেন সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী। আর উপ-প্রধানমন্ত্রী হবেন সংখ্যালঘু আসনে বিজয়ী দল বা জোট থেকে। তখন সেই জোটের নেতা ছিলেন শেখ হাসিনা। তবে দুই পক্ষ চাইলে সেই সরকার দুই বছর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে পারবে বলে প্রস্তাব দেন ইউনূস। ইউনূসের প্রস্তাব অনুযায়ী মেয়াদ শেষে সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে এবং তার ফল সব পক্ষকে মেনে নিতে হবে।
ইউনূসের এখনকার বক্তব্য ॥ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইউনূস সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস বলেন, নির্দলীয় সরকার ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে আগামী সংসদ নির্বাচন হওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, কারও কারও ইচ্ছার কারণে, কোন দল বা দলসমূহের ইচ্ছার কারণে যদি অশান্তির সৃষ্টি হয়, তাহলে দেশের মানুষ তাঁদের ক্ষমা করবে না। দেশে অশান্তি দূর করতে ও সামগ্রিক অগ্রগতির জন্য নির্দলীয় সরকারের অধীন ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে আগামী সংসদ নির্বাচন হওয়ার সুযোগ নেই।’
সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বক্তব্য পরিবর্তনই তার সুবিধা বাদীর চরিত্র এবং রাজনীতিক উচ্চবিলাসির বহিঃপ্রকাশ বলে মনে হয় । অতএব মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ গড়তে হলে এবং ৭১-এর মানবতাবিরুধি অপরাধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সুনিশ্চিত করতে হলে ডঃ ইউনুছের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে । এবং আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় নিতে হবে। সবার আগে দেশ বড় ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে আগস্ট, ২০১৩ দুপুর ২:১৯
কলম বক্তা বলেছেন: আমার লিখা সমূহ সবার পড়ার জন্য প্রকাশ করতে চাই। আমি বিশেষ একটা মতাদর্শে বিশ্বাসী এবং সেই মতা দর্শনের সপক্ষে লিখতে চাই। সবাই পড়ুক । সেজন্য প্রকাশ করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরুধ করছি । মার্জিত ভাবে অন্য ব্লগেরদের লিখার উপর মতামত দিতে চাই । তাছাড়া আমি চাই যে কেউ আমার লিখার সমালোচনা করুক বা মতামত প্রকাশ করুক । আমি এও অনুরধ করতে চাই যে, আমার লিখা সমূহ পর্যালোচনা করে ওপেন করা হউক এবং আমার ব্লগ সবার জন্য পড়ার সুযোগ চাই । আপনাদের নোটিশে ৭ দিন পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ থাকলেও, আজকে ১৫ দিন পার হয়ে গেল । অথচ ওপেন করা হল না – আমার ব্লগটা । তাই অনুরধ রইল ওপেন করে দেওয়ার জন্য । ধন্যবাদ ।