নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলমই শক্তি

সৎ ভাবে চলা। দেশের জন্য কাজ করা। অপরের সাথে শেয়ার করা।

কলম বক্তা

প্রকৌশলী ।

কলম বক্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিইএম’ নামের আরেক জঙ্গি সংগঠনের সন্ধান লাভ।

২৪ শে আগস্ট, ২০১৩ রাত ২:০৩

বিইএম’ নামের আরেক জঙ্গি সংগঠনের সন্ধান লাভ।



র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যা ব)-১২ ‘বিইএম’ নামের আরেকটি জঙ্গি সংগঠনের তত্পরতার সন্ধান পেয়েছে, বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া দক্ষিণপাড়া জবানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন একটি বাসায় । যেখানে জঙ্গি সংগঠনের সশস্ত্র গোপন প্রশিক্ষণ চলাবস্থায় র্যা ব তিনজনকে ধরে ফেললে । তারা হলেন ঢাকার কমলাপুরের মো. নাহিদ হোসেন (২০), গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাবু শেখ (২১) ও দিনাজপুরের ফিরোজ আলম (৩৫)। তবে আরও ১৬ থেকে ১৭ জন পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তাদের ফেলে যাওয়া ব্যাগ থেকে একটি অত্যাধুনিক এসএমজি একে টুটু সাব মেশিনগান, জার্মানির তৈরি একটি এসএমজি, একটি বিদেশি পিস্তল, একটি অ্যামুনিশন ড্রাম, তিনটি ম্যাগাজিন, ৮০টি গুলি, বিদেশি ধারালো অস্ত্র, জঙ্গি প্রশিক্ষণের উপকরণ ও বিপুল পরিমাণ জিহাদি বই উদ্ধার করা হয় বলেও সংবাদ সম্মেলনে বগুড়ায় র্যা০ব-১২ বিশেষ কোম্পানির ক্যাম্পে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এ টি এম হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের জানান। উদ্ধার হওয়া বই থেকে জানা যায় যে ‘বিইএম’ অনেকটা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) আদলেই আর একটি জঙ্গি সংগঠন ।

পুরোনো রেকর্ড অনুযায়ী জানা যায় যে, বাংলা ভাইয়ের নেতৃত্বে জেএমবি এক সময় বগুড়ায় সক্রিয় ছিল। বাংলা ভাইয়ের বাড়িও ছিল বগুড়ায়। আবার ঠনঠনিয়া এলাকায় এক সময় জেএমবি তত্পরতা চালাত বলেও গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। বিইএম নামে জঙ্গি সংগঠনটি বগুড়ায় তত্পরতা শুরু করায় এতে জেএমবির সদস্যদেরই নতুন করে তত্পরতা চালানোর সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে ।

এবার বিইএম এর তৎপরতার উপর কিছু মতামত নিম্নে –

- বিইএম, জেএমবি যাহাই বলি না কেন সব জঙ্গিই একই বৃন্তের অনেক কোষা । তাহাদের আসল মেরুদন্ডি এই দেশের প্রধান এক দল ও তাদের সহযোগী ও অর্থ যোগানদাতা জমাত ।

- পাঁচ সিটি নির্বাচনে সরকারী দল হেরে যাওয়ায় জঙ্গি সংগঠন সমূহ ধরেই নিয়েছে সামনে তাদের শুভ দিন। তাই জঙ্গিরা এরকম প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করে দিয়েছে। অতএব জঙ্গিবাদ সন্নিকট ।

- বিইএম যে মেসে থাকতো, সেটার ভাড়া নিয়েছিল জমাত-শিবির এবং পার্শ্বের মেসে শিবিরের লোক জন থাকতো । কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে র্যা ব-১২ এর অভিযানের সময় এই দুই মেসে শিবিরের কোন লোক ছিল না। এটাই সন্দেহজনক ।

- দুইটা মেস একই জায়গার। দুইটা নিউজ ভিন্ন। শিবিরের মেসে কেউ ছিল না।আর এই মেসে জঙ্গিরা অবস্থান করছিল। পাবলিক জানে ধর্মের নামে কারা রগ কাটে, ককটেল ফুটায়, গাড়ী পুড়ায়, ট্রেন পুড়ায়, ট্রেনের লাইন উপড়ায়।

- ধর্ম যখন ক্ষমতায় যাওয়ার হাতিয়ার হয়ে যায়, এবং ধর্মে যখন নিষ্ঠুরতা, সহিংসতা, খুন-খারাবি 'জায়েজ' হয়ে যায়, তখন ধর্মের চেয়ে ভয়াবহ আর কিছুই হয় না। আমরা কি আর কখনও শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় সমাজ ফিরে পাবো ? ধর্মকে এভাবে নষ্ট করে দিল কারা ?

- বেশ কিছুদিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গি তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে আমরা উদ্বিগ্ন। এর কারণ কী হতে পারে ? জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো কি ভেবে নিয়েছে যে সামনের নির্বাচনে সরকার পরিবর্তন হবে । আর এক্ষেত্রে তারা বিশেষ সুবিধা পাবে ?

- সব ধর্মভীরু মানুষ কে জঙ্গি ভাবা, আর মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি ভাবার কোন কারন নেই । আর কুরআনেও জিহাদের কথা আছে , তাই বলে ধর্মের দো্হাই দিয়ে অন্যায় ভাবে মানুষ খুন, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি কোনদিন জিহাদ হতে পারে না ।

- এই সব জঙ্গি সংগঠন গজানোটা স্বাভাবিক । কারন তাদের গডফাদারদের সামনে ক্ষমতায়র মসনদে বসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে । আমরা এদের উত্থানের সংবাদে অত্যন্ত বিচলিত । কারন এরা মানুষ মারার কারিগর ।

- বিইএম এর তৎপরতার উপর অধ্যাপক ইউনুস এবং আসিফ নজরুল, পিয়াস করিম, নরুল কবিরের মন্তব্য শুনতে চাই।

- B.N.P- জামাতের যৌথ পরিচালনায় নতুন নতুন জঙ্গি সংগঠন আবিষ্কার হচ্ছে ।

- আসলে যারা সত্যিকার ইসলাম , এবং রাসুল(স:) এর সুন্নত আর হাদিস মেনে চলে, দাড়ি রাখে, টুপি পড়েন তাদের কোন অপমানের ভয় বা সমস্য মনে করার কথা না , কারন তারা সত এবং মনে কোন খারাপ উদ্দেস্য নাই। আর যারা দাড়ি টুপির ভিতর খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে চলে , জংগি বাদ পোষন করে তাদেরই অপমানের ভয় থাকার কথা, কারন তারা অপরাধ করার জন্য কারপন্য করবেনা, ইসলামের নামে আললাহু আকবর বলে গাড়ি ভাংতে , গাড়িতে আগুন দিতে, আললাহু আকবর বলে কক্টেল ফোটাতে, মানুশ মারতে, কোন একদিন মসজিদে মাজারে বোমা মারতে দিধা করবে না, যা আমরা পাকিস্থান, আফগানিস্থান, অহরহ দেখছি আর আমদের দেশের জন্য চিন্তা করি ।!!!

- বিএনপি ক্ষমতায় আসলে জঙ্গীরা যে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেতে পারে – এটার প্রমান এসব জঙ্গি তৎপরতা । এটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না । এটা সচেতন জনগোষ্টীকে বুঝতে হবে। তবুও বেশীর ভাগ মানুষ নিরব কারণ একটাই আওয়ামীলীগের কাছে মানুষের প্রত্যাশা বেশী থাকে । আওয়ামীলীগ দেশের উন্নতি করেছে । তারপরও আওয়ামীলীগ তথা আওয়ামী মন্ত্রীদের করা ছোট ছোট ভূলগুলো মানুষেকে অনেকাংশে হতাস করেছে । আর এই হতাসা থেকে মানুষ বিপরীত দিকে ঝুকছে । তাই বলে বিপরীত শক্তিকে ভাল মনে করে ঝুকছে এমনটা সত্য নয় বরং আওয়ামীলীগকে শিক্ষা দিতে চায়। তাই আওয়ামী লীগকেই উপযুক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে ।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.