| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ইংল্যান্ড ও ওয়েলশ বারের মানবাধিকার কমিটি এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ দায়েরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শুনে খুবই খুশী হলাম । তাহলে গায়ে লেগেছে । হিউম্যান রাইটস ওয়াচ যখন আর্থিক সহায়তার বিনিময়ে এবং যথাযথ তথ্য সংগ্রহ না করেই বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিরুদ্ধে মিথ্যা বিবৃতি দিল, তখন ইংল্যান্ড ও ওয়েলশ বারের মানবাধিকার কমিটি কি ঘুমাছিল ?
বিবৃতিতে আরও বলা হয় যে মানবাধিকারের সব বিষয় ও মৌলিক অধিকারের বিষয়ে যেকোনো তথ্য, অভিজ্ঞতা ও মতামত প্রকাশে মানবাধিকাররক্ষীদের অধিকার জাতিসংঘের ঘোষণায় স্বীকৃত। হ্যাঁ এ বক্তব্যের সাথে বাংলাদেশের ১৬ কোটি লোক একমত, তবে সেই তথ্য, অভিজ্ঞতা ও মতামত হতে হবে সত্যি তথা মিথ্যাচার নয় এবং মানবাধিকাররক্ষীদের অবশ্যয় সত্যির পক্ষে এবং যারা মানবাধিকার লঙ্গন করেছে , তাদের পক্ষে নয় । বরং তাদের বিপক্ষে শক্তভাবে অবস্থান নিতে হবে । তাই বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ মামলা দায়েরে করেছে । এখন মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উচিৎ বাংলাদেশে এসে যতাযত নিয়মের মধ্য দিয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগ আইনের মাধ্যমে মামলার মোকাবেলা করা এবং মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উচিৎ “তারা যে মিথ্যাচার করেনি তা প্রমান করা “। অন্যথায় বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগণ ধরেই নিবে যে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মানবাধিকারের নামে মিথ্যা, বানোয়াট, অসত্যিই রিপোর্টের মাধ্যমে অমানবাধিকারের কাজ করে থাকে ।
আমি মনে করি উদ্বেগ প্রকাশের কিছু নেই । বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিদের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ দায়ের তো বেআইনী কাজ নয় । মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের রিপোর্টের বসতুনিষঠতা প্রমান করা তাদের দ্বায়িত্ব । তারা যদি সত্য কিছু প্রকাশ করে থাকে তা আইন অনুযায়ী আদালত থেকে খালাস পাবে আর মিথ্যা বা মনঘড়া তথ্য যার বাসতবতার সাথে মিল নেই , তাহলে আইনে নির্ধারিত সাজা ভোগ করবে ।
©somewhere in net ltd.