| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পিতা টনি ইয়াহলকে ৪৫ মিনিট আগেই মৃত ঘোষণা করেছেন চিকিত্সকরা। নার্সরা হাসপাতালের আনুষঙ্গিক নিয়ম-কানুন শেষ করে লাশ পরিবারের হাতে তুলে দিতে ব্যস্ত। নিকট আত্মীয়-স্বজন কান্নাকাটিও করছেন। টনির ছেলে লরেন্সের চোখে-মুখে সবচেয়ে কাছের বন্ধু প্রিয় পিতাকে হারানোর বিষাদের ছায়া। তার বিশ্বাস, তার পিতা এত তাড়াতাড়ি তাকে ছেড়ে চলে যেতে পারে না। তবে মৃত মানুষ যে কোন আবেগে সাড়া দেয় না এটাও লরেন্সের অজানা নয়। মিরাকলটা ঘটল সেখানেই। সবাইকে অবাক করে দিয়ে জেগে উঠলেন টনি! সন্তানের ভালবাসার কাছে যেন হেরে গেল প্রকৃতির নিয়ম।
ঘটনাটি ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। মৃত ঘোষণার পর বেঁচে ওঠার এ ঘটনায় হতভম্ব হয়ে গেছেন চিকিত্সকরা। নার্সরা জানান, ৫ দিন অনেকটা অচেতন অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে ছিলেন টনি। হূদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়ায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেছিলেন কর্তব্যরত চিকিত্সকরা। কিন্তু ৪৫ মিনিট পর তিনি নড়ে ওঠেন। রক্ত সঞ্চালন শুরু হয়। বিষয়টি শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, সারা বিশ্বে চিকিত্সকদের আলোচনায় স্থান পেয়েছে। ঝড় তুলেছে ফেসবুক ও টুইটারে। ওহাইয়োর বাসিন্দা ও পেশায় কার্ডিওলজিস্ট ডক্টর রাজা নাজির বলেন, টনির বেঁচে ওঠা এখন চিকিত্সকদের কাছে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠছে। ছেলে লরেন্স ইয়াহল তার নিশ্চল পিতার কাছে গিয়ে বলেছিল, তিনি ওইদিন মৃত্যুবরণ করবেন না। লরেন্স বলল, এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর তার পিতা চেতনা ফিরে পান।-এপি
©somewhere in net ltd.