| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্মরণ শক্তি মনে হচ্ছে একেবারেই ভোতা । ১৯৯১ সালের পর থেকে এই পর্যন্ত যতগুলি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে সবগুলিতেই আওয়ামী লীগের সবচেয়ে কম জামানত হারিয়েছে । আবার ৩০০ আসনের মোট ভোটের হিসাবে গত চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ বিএনপি-জমাতের চেয়ে বেশী ভোট পেয়েছে । হ্যাঁ গত চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই বার বিএনপি এবং দুইবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গিয়েছে । তবে চার বারই আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীরা সবচেয়ে কম জামানত হারিয়েছে এবং ৩০০ আসনের মোট ভোটের হিসাবে বিএনপির চেয়ে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীরা বেশী ভোট পেয়েছে । অতএব এই রকম প্রচারণা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মিথ্যাচার, বানোয়াট, এবং প্রতারনামুলুক বক্তব্য । পাঁচ সিটিতে নির্বাচনে জিতেই এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জাগায় বিএনপির কর্মী সভায় নিজেদের মধ্যে মারামারি ও ভাঙচুর করেছে, শয়ন কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির নেতাদের উপস্থিতিতেই । শুধু কি তাই ? কেন্দ্রীয় স্থায়ী কমিটির নেতা হানান শাহর উপর আক্রমণ হয়েছে এবং তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করেছে রংপুরে, বিএনপির স্থানীয় যুব দল, শ্রমিক দল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্র দলের কর্মী – সমর্থক ও নেতারা । পাঁচ সিটিতে নির্বাচনে জিতার পর থেকেই বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর থেকে শুরু করে স্থানীয় কর্মী সমর্থক দের বিশ্বাস বিএনপি ক্ষমতায় যাচ্ছে । তাই অহংকার বেড়েছে, দখলবাজী শুরু করে দিয়েছে । সেই মানসিকতা থেকেই নিজেদের মধ্যেই মারামারি ও ভাঙচুর শুরু হয়েছে । এখন জনগণকেই ২০০১ থেকে ২০০৬ শাসনামল মনে রেখেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং দেশকে জঙ্গিদের উত্তান থেকে বাচাতে হবে । অন্যথায় পরবর্তী জেনারেশন আমাদেরকে ক্ষমা করবে না। অতএব দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধা চলাকালীন মানবতা বিরুধি ও যুদ্ধাপরাধী রাজাকারদের শাস্তি নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে আরেকবার আওয়ামী লীগকেই ভোট দেওয়া আমাদের ঈমানী দায়িত্ব । এবং সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে ।
http://www.prothom-alo.com/national/article/4
©somewhere in net ltd.