| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আবারও বলেছেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের সব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। ক্ষমতায় যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। এই সরকার জনগণের কাছে করা ওয়াদার একটিও পূরণ করতে পারেনি। তারা জনগণের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। তাই তারা দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চাচ্ছে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, কিন্তু দুর্বার আন্দোলনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মানতে বর্তমান সরকারকে বাধ্য করা হবে। তারেক রহমানকেও এই আন্দোলনের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
আমার (একজন আওয়ামী লীগ সমর্থকের) কথাঃ
১। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত যে চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, সব কয়টিতেই আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপির বেশী পরিমাণ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে এবং ইতিহাস বলে সামনেও হবে ।
২। ১৯৯১ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত যে চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, তাতে দুইবার আওয়ামী লীগ ও দুইবার বিএনপি ক্ষমতায় গিয়েছে । কিন্তু চার বারই আওয়ামী লীগ বিএনপি-জমাতের চেয়ে ৩০০ আসনে মোট ভোটে বেশী পেয়েছে । ইনশেল্লাহ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ একক ভাবে বেশি ভোট পাবে এবং আসনও বেশী পাবে।
৩। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ক্ষমতার লোভে এতই অন্ধ হয়ে গেছে যে, স্মরণ শক্তি একেবারে কমে গেছে এবং মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে বসেছে।
৪। বিএনপির উচিৎ পরবর্তী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব সিলেকশন করে রাখা । কারন আর যাহাই হউক মাত্রাতিরক্ত স্মরণ শক্তি লোপ পাওয়া লোক বা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা লোক দিয়ে বিএনপির মত রাজনীতিক দল চালানো সম্ভব হবে না। তাই বলছি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব পদ ফাঁকা হচ্ছে । সম্ভাব্য ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব পদ প্রার্থীরা সি ভি রেডি করে রাখতে পারেন ।
৫। পাঁচ সিটিতে জিতেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ক্ষমতায় জন্য অন্ধ হয়ে গেছে । এখানেই একটু ব্যাখ্যা করতে চাইঃ
ক) যে পাঁচ সিটিতে নির্বাচন হয়ে গেল এবং বিএনপি জয়লাভ করল । তার মধ্যে রাজশাহী, খুলনা ও বরিশালে গত চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবং ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সালের পূর্বে পর্যন্ত সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিতে পারেনি । শুধু মাত্র ২০০৮ সালে বিএনপির অপকর্ম, কুকর্ম, দুর্নীতি, সজন প্রীতি, অত্যাচার ও নির্যাতন এতই বেড়েছিল যে মানুষ অনেকটা বাধ্য হয়েই আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছিল । হ্যাঁ আওয়ামী লীগের মেয়ররা কাজও যথেষ্ট করেছিল । তারপরও পরাজিত হয়েছে । অনেক কারন আছে । তবে বড় কারন হল এই তিন শহরের ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সালের পূর্বে পর্যন্ত প্রতিটি নির্বাচন বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে যে দলীয় ভোট আওয়ামী লীগের চেয়ে বিএনপি-জমাতের ভোট অন্তত ২০% থেকে ২৫% বেশী । যেটা আওয়ামী লীগের মেয়ররা পর্যাপ্ত কাজ করার পরও ব্যবধান কমাতে পারেনি । তাই এই তিন সিটিতে বিএনপি পুনরুদ্ধার বা তাদের হারানো আসন ফিরে পেয়েছে । এখানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ বিএনপির সমর্থকদের অতি-উৎসাহী হওয়ার কোন কারন নেই ।
খ) সিলেট সিটিতে গত চারটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুইবার বিএনপি ও দুইবার আওয়ামী লীগ জিতেছিল এবং ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিতেছে। কিন্তু এবার আওয়ামী লীগ হেরেছে । এর আসল কারন হল আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এবার জনবিচ্ছিন্ন ছিল এবং সিলেট সিটিতে পরিবর্তনের হাওয়া বয়েছিল । অতএব সিলেট সিটিতে আওয়ামী লীগের হার এবং বিএনপির বিজয় । ইতিহাস বলে সিলেট নগর বাসী সবসময় ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করতে চেয়েছে । এবারো তাই হবে । অতএব জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিজয় সুনিশ্চিত ।
গ) গাজীপুর সিটিতে সব ধরনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিজয় হলেও এবার তাদের দলীয় কর্মপদ্ধতি, দলীয় ঐক্য না থাকা, জাহাঙ্গীর ইসু, হেফাজত ইসু, মোবাইলে ও ল্যাপটপে মিথ্যা ছবি সহ অপ-প্রচার ও মিথ্যাচারের কারনে আওয়ামী লীগের পরাজয় । এটা সাময়িক ভাবে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পরাজয় । আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পরাজয়ের প্রতিশোধ নেবে । জনগণ ইতিমধ্যেই তাদের সাথে যে মিথ্যাচার করা হয়েছে তা বুঝতে পেরেছে । অতএব আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে আওয়ামী লীগ জিতবে ।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সহ বিএনপির কর্মী সমর্থকদের অতি উৎসাহের কোন কারন নেই । আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর আস্থা রেখেছি । ঝাঁপিয়ে পরবো এবং জিতবো এবং যুদ্ধাপরাধীর বিচার করবো । তাছাড়া তারেক জিয়া যে সব টাকা বিদেশে পাচার করেছে তাও ইনশেল্লাহ ফেরেত আনা হবে। আর এদেশে তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনতে দেওয়া হবে না এবং আসলেই জেলে যেতে হবে । অসুবিধা নেই ঐখানে গিয়াস উদ্দিন আল-মামুন আছে । তাকে দিয়ে গাঁ ম্যাসেজ করে নিতে পারবে । মনে রাখবেন জয় আমাদের সুনিশ্চিত । শুধু এগিয়ে যেতে হবে ।
Click This Link
©somewhere in net ltd.