| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
প্রথম সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম সভাপতি ও বর্তমানে গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন ভাল কথায় বলেছেন । বঙ্গবন্ধুর ছায়ার নীচে থেকে আইন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী হয়েছিলেন । আমি বলবো এসব বিষয়ে কথা বলার চেয়ে ডঃ এ কি এম বদরুজোদা, ডঃ ইউনুছ, কাদের সিদ্দিকি, আ স ম রব সহ বহু অবসরপ্রাপ্ত সামরিক / বেসামরিক কর্মকর্তা ও আমলা, কিছু প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও এনজিও র মালিক, যারা গত ৩০ বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হতে চাচ্ছেন বা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে চাচ্ছেন তাদের সবাইকে এক প্লেটফর্মে জড়ো করে একটা নির্বাচনী জোট করতে পারেন কিনা দেখার জন্য বা চেষ্টা করার জন্য জনাব ড. কামাল হোসেনকে আহবান বা অনুরুদ জানাবো । এর আগে বহু বার আপনি চেষ্টা করেছেন । কিন্তু পারেন নি । এখন আপনার মতো ডঃ এ কি এম বদরুজোদা, ডঃ ইউনুছ, কাদের সিদ্দিকি, আ স ম রব সহ অসংখ্য উচ্চ শিক্ষিত ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোক যাদের রাজনীতিক উচ্চবিলাশি হায়েস আছে, তাদেরকে নিয়ে একটা শক্তিশালী নির্বাচনী জোট ঘোষানা দেন । তারপরই “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, বা তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা প্রধানমন্ত্রীর অধীনেই নির্বাচন” এ বিষয়ে কথা বলেন । আমরা যারা সাধারণ জনগণ, তারা দুই দলের বাহিরে যাচ্ছি না। এর কারন কি ? এর কারন হল আপনাদের অতি উচ্চবিলাশি রাজনীতিক হায়েস আমাদেশ পছন্দ না। এ সি রুম থেকে সাধারণ জনগণের কাতারে এসে শামিল হউন । তারপর নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে কথা বলুন । অন্যথায় হঠাত হঠাত আপনাদের উক্তি থেকে ৭১-এর পরাজিত শক্তি রাজাকার – আলবদর – আলশামস জমাত শিবির ও নব্য হেফাজাতুল ইসলাম সহ সাম্প্রদায়িক জঙ্গি ও তালেবানের দোষররা রাজনীতিক সুবিধা নিতে চায় ।
আমরা বর্তমান প্রজন্ম ৭১-এর মানবতা বিরুধি অপরাধে অপরাধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই এবং সেই লক্ষে বর্তমান সরকার যে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছে, তা আমরা এগিয়ে নিতে চাই এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকর বা শেষ করতে চাই । ফলে আমাদের কাছে আগামী নির্বাচন বাচামরার লড়াই । এ নির্বাচনে আমরা জিতে চাই । তাই আপনাদের করনীয় কি একটু বলতে চাইঃ
১। আগামী নির্বাচন হাই কোর্ট এর রায় এবং সংবিধান অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে । এর বাইরে জনগনের দোহাই দিয়ে কোন লাভ হবে না। এর ভিতর নির্বাচন অবাদ, সুস্থ ও নিরপেক্ষ করার জন্য আর কি কি করা দরকার তার উপর মতামত দিতে পারেন । যেমন নির্বাচন কমিশন এর ক্ষমতা ও প্রয়োগ, সর্ব দলীয় নির্বাচন কালীন সরকার (সংবিধান অনুযায়ী) ইত্যাদি ।
২। ড. কামাল হোসেন, ডঃ এ কি এম বদরুজোদা, ডঃ ইউনুছ, কাদের সিদ্দিকি, আ স ম রব সহ বহু অবসরপ্রাপ্ত সামরিক / বেসামরিক কর্মকর্তা ও আমলা, কিছু প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও এনজিও র মালিক, যারা গত ৩০ বছর ধরে যারা বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত হতে চাচ্ছেন বা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে চাচ্ছেন তাদের সবাইকে এক প্লেটফর্মে জড়ো করে একটা নির্বাচনী জোট করে ৩য় শক্তি হিসাবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে পারেন । ৩০০ আসনে প্রার্থী পেয়েও যাবেন । এবং ৩০০ আসনে প্রার্থী দেন । আশা করছি নির্বাচনে ভাল করবেন ।
৩। আপনাদের অবস্থান হবে ৭১-এর মানবতা বিরুধি অপরাধে অপরাধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এর কার্যকর করার পক্ষে । দুর্নীতি, হত্যা, খুন, টাকা পাচার, টেন্ডারবাজী ইত্যাদির বিরুদ্ধে, জঙ্গি দমনের পক্ষে, উন্নয়ন ও ডিজিটাল বাংলাদেশের পক্ষে । তাহলেই এদেশের জনগণ আপনাদেরকে রাজনীতি বিধ হিসাবে মূল্যায়ন করবে । অন্যটায় আগামী পাঁচ বছর পর আপনাদেরকে বা আপনাদের উত্তাধিকারদেরকে রাজনীতির মাঠে খুজেও পাওয়া যাবে না।
৪। অবশ্য আমরা এটাও ভাল বুঝি যে ড. কামাল হোসেন, ডঃ এ কি এম বদরুজোদা, ডঃ ইউনুছ এর তিন জনের প্রধান কে হবেন এটা নিয়েই নির্বাচনী জোট করেতে পারবেন না। তাই দুই দলের মাঝখানে সমজটার নামে নির্বাচন-পদ্ধতি নিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ সংলাপ করা ঠিক হবে না । জমাত ও তাদের দালালদের সঙ্গে যেখানে সেখানে কোন আলোচনা নয় ।
৫। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি খুবই ভাল । একটার পর একটা উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন হচ্ছে । জনগণ উন্নয়নের সুবিধা বা স্বাদ পেতে শুরু করেছে । জনগণ জঙ্গি কারা চিতে শুরু করেছে । অপ প্রচার ও মিথ্যাচারের প্রকাশ হচ্ছে । দুর্নীতির টাকা ফেরত আসতে শুরু করেছে এবং আরও আসবে । গত পাঁচ বছর গেনেত বা বোমা ফাটাইতে পারে নাই, জঙ্গিরা ধরা পরতে শুরু করেছে, কোন সংসদ সদস্য কে নিহত হতে হয়নি, নিত্যদিনের দ্রব্য মূল্যের স্থিতিশীল আছে গত পাঁচ বছর ধরে । অতএব দেশকে নিয়ে উদ্বেগের কোন কারন নেই । কোন সংকটও নেই । তাই সমাধানে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোন দরকার নেই । কারন যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসরদের সাথে আওয়ামী লীগের কোন সংলাপ হবে না।
Click This Link
©somewhere in net ltd.